নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

মুহাম্মদ তৌিহদ

মুহাম্মদ তৌিহদ › বিস্তারিত পোস্টঃ

" আমি আল্লাহকে সব বলে দেবো"

০২ রা জানুয়ারি, ২০১৪ সকাল ১১:৩৬

সিরিয়ার তিন বছরের এই শিশুটি বুঝতে পেরেছে তার উপর জুলুমের বিচার একমাত্র আল্লাহর কাছে পাবে । বোমার আঘাতে মারা যাওয়ার আগে আহত অবস্থায় শিশুটির এই উক্তি উম্মাহর নীরব মুসলিমদের জন্য লজ্জা । এইসব কথা অনেক মুসলিম শুনতে চাইনা , উল্টো বিজাতীয় উৎসব সেলিব্রেশনে তারা ব্যাস্ত । মুসলিম উম্মাহর দুর্দিনে আমাদের নীরবতা ও বিলাসিতার কারণে আল্লাহ জালিমদের সাথে আমাদের কাছেও জবাবদিহি নিবেন । আফসোস ! তিন বছরের একটা বাচ্চা তার আল্লাহকে ঠিকই চিনেছে , সে বুঝতে পেরেছে বিচার দিবসের দিন আল্লাহ সকলের কর্মের হিসাব নিবেন, আর আমরা !?

মন্তব্য ২ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (২) মন্তব্য লিখুন

১| ০২ রা জানুয়ারি, ২০১৪ দুপুর ১২:২৫

মুদ্‌দাকির বলেছেন: আল্লাহকে বলা ছাড়া আমাদের কোন উপায় নাই

২| ০৩ রা জানুয়ারি, ২০১৪ সকাল ১০:০৪

দাম বলেছেন: দাম বলেছেন: পাথর মারতে মারতে ফিলিস্তিনি যুবকদের ডান হাত এখন বাম হাত থেকেও লম্বা। বরফের ওপর শুয়ে শুয়ে রাশান সেনাবাহিনীকে পর্যুদস্ত করতে করতে চেচেন তাতারদের বুক এখন অনেক শক্ত। মরুভূমিতে খালিপায়ে দৌড়ে যুদ্ধ করতে করতে ইরাক, ইয়েমেনের যুবকদের পাগুলোও মনে হয় এতদিনে অনেক শক্ত হয়েগেছে । সমুদ্র তীরে স্পীডবোটের হুইল নিয়ন্ত্রণে রেখে কুফফারদের আক্রমণ করতে করতে সোমালিয়ার যুবকদেরও হাতের কবজি এখন অনেক বেশি শক্তিশালী।পশ্চিমাদের দুঃস্বপ্ন বনে যাওয়া তোরাবোড়া পাহাড়ের বাসিন্দা আফগান যুবকদেরও ফুসফুসের শক্তিমাত্রাও অনেক বেড়ে গেছে কম অক্সিজেনে দিব্যি যুদ্ধ করে যাচ্ছে। পৃথিবীর জান্নাত খ্যাত কাশ্মীরকে জাহান্নাম বানানো ভারতের রামসেনাদের লাঠির আঘাতে শক্ত হয়ে গেছে এখানকার যুবকদের পিঠ। শত নির্যাতনের পরও নামাজ ছাড়েনি চীনের সিনজিয়াং প্রদেশের উইঘুরুরা।জন্মলগ্ন থেকে আমেরিকার ন্যাংটা দালাল পাক আর্মির কিলিং মিশনে এখন ওজারিস্থানের বাসিন্দারা মৃত্যুকে চল্লিশ বাড়ির প্রতিবেশীই ভাবে। ভারতের কুকুরের চাইনিজ রাইফেলের বুলেটকে এখন বাংলাদেশের যুবকেরা আশীর্বাদ ভাবে। শান্তিপ্রিয় বৌদ্ধ ভিক্ষুদের ছুরির নীচে নির্দ্বিধায় বসে যাচ্ছে রোহিঙ্গারা, এবার বাপু শসার মত পিচ পিচ করে গৌতম বুদ্ধকে শান্তি দাও। হাজার বছরের সংগ্রাম এখনো শেষ করতে পারেনি ফিলিপিনো মুসলিমরা। কারিমভ এখনো উজবেক যুবকদের গরম পানিতে সিদ্ধ করে জীবাণুমুক্ত করে।

মালি , সিরিয়ার কথা বলবো না। আরব অনারবরা যে লুকোচুরি খেলছে এক তিন বছরের সিরিয়ান শিশু কিভাবে যেন বুঝে গেল। হতচ্ছাড়াটা শেষমেশ মৃত্যুর আগে হুমকিই দিয়ে বসল। বলে কিনা আল্লাহর কাছে গেলে সব বলে দিবে। বলেনতো, এটা কি কোন কথা হল? ঐ পিচ্চিটা এভাবে বলল কেন? হাশরের ময়দানে আঙ্গুল তুলে দেখাই দিবে নাতো?
(Collected)

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.