| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
কেকেকে
আমি ভালো আছি।
সেল গ্যাস নিয়ে মধ্যপ্রাচ্চের জ্বালানী অধিপতি আর পশ্চিমাদের মধ্যে ইতোমধ্যে বিশাল ভেজাল বেধে গেছে । কিন্তু ভেজালটা এইবার একটু উল্টো মতো । বসরের পর বসর মারামারি করে দখল করার পর আমেরিকা এখন আর মধ্যপ্রাচ্য থেকে তেল কিনতে চাচ্ছে না , যা কিনা কোন ১ পক্ষের জন্য বিশাল লাভ এনে দিয়েছে অন্যদিকে অন্যকোন পক্ষকে পথে বসাচ্ছে । যেমন তেলের দাম গত ২ বসরের মধ্যের সর্বনিম্ন $ ৬৫.৮৪/ ব্যারেল এসে দাঁড়িয়েছে যা কিনা ১ মাস আগে নভেম্বরে ছিল $৭৮/ ব্যারেল । ফলে অনেক ছোট আমেরিকান তেল উৎপাদনকারী যাদের নুন্নতম লাভের জন্য তেলের দাম কমপক্ষে $৮০/ ব্যারেল থাকা দরকার তারা পথে বসছে। যেমন Harold Hamm নামে এই আমেরিকান তেল উৎপাদনকারী গত ৩ মাসে ১২ বিলিয়ন ডলার লস করেছে ।[নেটে সার্চ করলে পাওয়া যাবে] । অন্যদিকে ব্রিটিশ পেট্রোলিয়াম এর মুনাফা ২০% কমে গেছে । আবার আমেরিকান কম্পানির মধ্যে এক্সন মবিল এর লাভের পরিমান বেড়েছে ।
তবে মধ্যপ্রাচ্যের আরব শেখদের সম্পর্কে একটা বিষয় মুটামুটি নিশ্চিত আর তা হল বসে বসে তেল বিক্রির টাকা দিয়ে ফ্রান্সে যেয়ে চুল কাটার দিন বোধহয় ফুরিয়ে আসছে । হ্যাঁ মধ্যপ্রাচ্যের সূর্যাস্তের সময় সন্নিকটে আর একবার যখন সূর্য অস্ত যাবে তা আর্কটিকের মতো আর ৬ মাস দেখা যাবে না।
তবে যুদ্ধে জয়ী হলেও ওবামা প্রশাসনকেও হইতবা এর চড়া মূল্য দিতে হবে । ভুলে গেলে চলবে না এই তেলের বাজারের বড় বড় সকল কোম্পানিই আমেরিকার এবং commodity derivative মার্কেটের একটা বিশাল অংশ জুড়ে রয়েছে এই তেল যার মাসুল ইতোমধ্যে আমেরিকা গুনছে ।
গ্লোবাল ইকুইটি মার্কেট থেকে ইতোমধ্যে ১ ট্রিলিয়ন ডলার গায়েব হয়ে গেছে তেলের এই মূল্য হ্রাসের কারনে।
পৃথিবীর বিখ্যাত কিছু স্টক ইনডেক্স [Dow Jones Industrial Average , Standard & Poor’s 500 Index] গত ৩ বসরের মধ্যে সর্বনিম্ন সূচকে এসে দাঁড়িয়েছে ।
অন্যদিকে কিছু স্টক মার্কেট ঝুঁকি প্রদর্শনকারী ইনডেক্স [The Chicago Board Options Exchange Volatility Index] ৭৮% বেড়ে দাঁড়িয়েছে যা গত ৪ বসরের মধ্যে সর্বচ্চ।
কিন্তু পেসনে কিছু কথা থেকেই যায় । বিভিন্ন ধরনের ষড়যন্ত্রের কথা বলা হচ্ছে যেমন
১। সৌদি আরব আমেরিকার সাথে মিলে তেলের দাম কমিয়ে ইরান ও রাশিয়াকে কোণঠাসা করতে চাচ্ছে যেমনটি করেছিল ১৯৮০ সালে রাশিয়া আফগান যুদ্ধের সময় । তখন তেলের দাম $9 / বারেলে নেমে আসে । [ওপেক মীটিং এ সৌদি আরব তেলের উৎপাদন কমাবে না বলে জানিয়েছে যদিও সৌদি আরব বলছে তেলের দাম কমিয়ে সে আমেরিকার সেল তেল গ্যাস উৎপাদনকারীদের কোণঠাসা করতে চাচ্ছে]
২। উল্টো কথাও বলা হচ্ছে যে সৌদি আরব তার ওপেক জোটের সাথে হাত মিলিয়ে আমেরিকার কোম্পানিগুলোকে মার্কেট থেকে বের করে দিয়ে আরও একচেটিয়া বাবসা করতে চায় ।
তবে ভিতরে আরও কথা আছে । যেমন আমেরিকার অর্থনীতিতে তেল গ্যাস শিল্পের অবদান খুবই কম সেখানে ওপেকের অনেক দেশই এককভাবে তেলের উপর নির্ভরশীল যেমন নাইজেরিয়া, ইরান, ভেনিজুয়েলা । এইসব দেশের বাজেট ঘাটতি মেটাতে তেলের দাম কমপক্ষে $100/ ব্যারেল হতে হবে । সেক্ষেত্রে হইতবা এইসব দেশ লাভজনকভাবে তেল উত্তোলন করতে পারলেও দেশ চালাতে হিমশিম খাবে যেখানে আমেরিকার দেশ চালাতে সমস্যা হবে না ।
http://www.business-standard.com/article/markets/of-oil-markets-and-conspiracy-theories-114120300227_1.html
http://www.bloomberg.com/news/2014-12-12/u-s-index-futures-fall-after-s-p-500-rebound-as-oil-outlook-cut.html
http://en.wikipedia.org/wiki/Dow_Jones_Industrial_Average
http://en.wikipedia.org/wiki/Stock_market_index
আরও জানতে হলে [ইংরেজিতে] আমার আনাল্যসিসের ডক ফাইলটা পড়তে পারেন এখানে।
https://docs.google.com/document/d/1ztl4TLa6PViBJEboEGzHg2YgwZQqdUOhFe3lj3u0hRs/edit?pli=1
ধন্যবাদ ভালো থাকবেন । যেকোনো ধরনের ভুল ধরিয়ে দেয়াকে আমি উৎসাহিত করি ।
২|
১৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৪ রাত ৩:৫১
মন্জুরুল আলম বলেছেন: ভাল পোষ্ট, সংক্ষেপে বর্তমান তেলের বাজারের সামারী বলা যায়।
©somewhere in net ltd.
১|
১৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৪ রাত ১২:৩৪
কেকেকে বলেছেন: পোস্টটা ভালো না লাগলেও জানানোর জন্য অনুরধ করা হল ।