নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

চিন্তিত-নাগরিক

►''YOU CAN INSPIRE ME- BUT CAN'T CHANGE MY ATTITUDE, THAT I LEARNED FROM MY PARENTS''™ ►আমি কথাটাকে আমি ঘৃনা করার কারনে আমিকে আর আমি খঁুজে পাচ্ছিনা। আমার আমিকে আর আমার মাধ্যমে আবিষ্কার করা সম্ভবনা ।

চিন্তিত-নাগরিক › বিস্তারিত পোস্টঃ

Sunday, June - আজ বিশ্ব বাবা দিবস ৷

১৬ ই জুন, ২০১৩ রাত ১১:১৮

দুই ঘন্টা বসে লিখলাম.....................



Sunday, May 12

বিশ্ব মা দিবস ছিল ওই দিন ৷তখন সারাদিন ই চিন্তা করতে থাকলাম, কি লিখব - কি লিখব ৷

আম্গ্মুকে নিয়া কি লিখব !

সবাই ফেসবুকে তাদের মনের ভাষা ব্যাক্ত করতে লাগল ৷

মাথায় একটার পর একটা মাধ্যম আসতেই লাগল ফেসবুকে লিখে ভালবাসা প্রকাশ করার জন্য ৷

কিন্তূ সারাদিন পরে কিছুই পেলাম না ভালবাসা প্রকাশ করার জন্য ৷

Sunday, June 16

আজ বিশ্ব বাবা দিবস ৷ আজও সেই একই অবস্থা , কিছুই পেলাম না আব্বুকে নিয়ে লেখার ৷

কি লিখব?

এক কথায় লিখে প্রকাশ ভালবাসা প্রকাশ করার জন্য কোন লাইন আমি খুজে পেলাম না৷

আব্বুর প্রতি আমার শ্রদ্ধা ও ভালবাসা কতটুকু তা লিখে প্রকাশ করা সম্ভব না , আর লিখলেও তা কখন ও শেষ হবে না৷

কলমের ভাষা বেশিরভাগ সময় ই মন বুঝতে পারে , কিন্তূ মনের ভাষা কখনো সম্পূর্নভাবে কলম বুঝাতে পারে না৷

আর এখানে যেহেতু আমার আব্বুর ব্যাপারেই লিখার চিন্তা করছিলাম যে কতটুকু ভালবাসা প্রকাশ করতে পারি, সেখানে এক লাইন এ ভালবাসার পরিমান সম্পূর্নভাবে প্রকাশ করা আমার পক্ষে সম্ভব না৷

আর আমি আমার আব্বুকে অসম্পূর্ন ভালবাসা দিতে চাই না৷

অনেক বড় হয়েছি আগের থেকে, আর অনেক কিছু বুঝতেও শিখেছি ৷

যত বড় হইতেছি তার প্রতি শ্রদ্ধা আরো বেশি বৃদ্ধি পাইতেছে৷

তার প্রতি যত অমূলক প্রশ্ন ছিল অবুঝকালে তার প্রতিটি প্রশ্নের উত্তর যেন বড় হওয়ার সাথে সথে সুর্যের আলোর মত চোখে আলোর ঝলকানি দিচ্ছে৷

আব্বু এটা করতে দেইনি কেন , ওটা করতে দেয়নি কেন৷ দেয়া সম্ভব হলেও কেন এই জিনিসটা আমাকে দিল না৷ কেন অবুঝ বয়সে সবার সাথে মিশতে দেয়নি !

তা সত্যিকারেই এখন বুঝতে এতটুকু পরিমান মেধা ব্যায় করতে হয় না৷ কিন্তু এইরকমটা না হলে যে কি হত তা বুঝতে এখন অনেক রাত ই ভোর হয়ে যায়৷

হ্যাঁ আব্বু ছোটবেলা থেকেই খুব বকা দিত৷ আব্বুর এই জিনিসটাই আমার তখন খুব অপছন্দের ছিল৷ এই জিনিসটাতেই আমি আব্বুর মত হতে চাই না, যদিও এখানে আমি আম্মুতে গিয়েছি৷

এখন পর্যন্ত পড়ার পর যে কারো মনে প্রশ্ন জাগতে পারে আব্বুর সম্পর্কে তার প্রতি আমার অপছন্ন্দের কয়েকটা কথা কেন বলতেছি!!



আমরা কি খাই? যে সকল জিনিস আল্লাহ্ আমাদের জন্য হালাল করেছেন আমরা সে সকল বস্তুই আহার করি৷এখন প্রশ্ন হচ্ছে তিনি আমাদের জন্য কী কী হালাল করেছেন?

উত্তর হচ্ছে আল্লাহ্ আমাদের জন্য অফুরন্ত নিয়ামত দান করেছেন শুধুমাত্র আহারের জন্যই৷আহারের যোগ্য সবকিছুই তিনি হালাল করেছেন শুধুমাত্র কয়েকটি জিনিস বাদে , যেগুলো তিনি আহার করা হারাম বলে ঘোষনা দিযেছেন৷

তিনি আমাদের হালাল জিনিসের বর্ননা দেন নি , কারন আহার করার জন্য আল্লাহ্'র নিয়ামত অফুরন্ত৷

কিন্তু তিনি আমাদের হারাম বস্তূগুলোর বর্ননা দিয়েছেন৷কারন তিনি তার বান্দার ভাল চান আর কোন অযথা কারনে তার বান্দার কষ্ট হোক তিনি তা চান না৷কুরআ'নে আছে আল্লাহ্ তার বান্দার উপর তার সাধ্যের অতিরিক্ত কাজ চাপিয়ে দেন না৷কারন তিনি তার সৃষ্টিকে ভালবাসেন৷

যাই হোক এই হালাল-হারাম এর উদাহরন দ্বারা কি বুঝাতে চেয়েছি তা নিশ্চই এতক্ষনে জ্ঞানীরা অনুধাবন করতে পেরেছে৷



হুম, ঠিক ৷ আব্বুর বাকি সবকিছুই আমার পছন্দের এবং অনুসরন করার মত৷ এখানে কিন্তূ আর একটা জিনিস লক্ষ্য করার মত৷ আল্লাহ্ আমাদের জন্য ওই সকল জিনিস ই হারাম করেছেন যেগুলো আমাদের ক্ষতির কারন৷ এখানেও ঠিক তেমন , আব্বুর এ সকল জিনিস তো আমার ভালর জন্যই করতেন৷



যাই হোক , শেষ কথা হচ্ছে আব্বুর সাথে কোন আপরাধ করে থাকলে আল্লাহ্ যেন আমাকে মাফ করে দেন৷

সম্পূর্নটা পড়ার জন্য ধন্যবাদা



-মেসবাহ্-

মন্তব্য ০ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (০) মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.