নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

দিনের শেষ আলোকবিন্দু

দিনের শেষ আলোকবিন্দু › বিস্তারিত পোস্টঃ

নীলিমা

২০ শে অক্টোবর, ২০১৩ রাত ১১:১৫

আজ অনেকদিন পর আমার ছোট খালার মেয়ে আমাদের বাড়িতে বেড়াতে এসেছে। আমার চেয়ে দুই বছরের ছোট, তাই তুই করেই ডাকি।

সব বাচ্চাদের মধ্যমণি সে। সবাইকে হাতে মেহেদী পরিয়ে দিচ্ছে।



আমি কাছে গিয়ে বললাম,

আমি: আমার জীবনটা একটু রাঙিয়ে দিবি নীল(নীলিমা)?

নীলিমা:......ভাইইইয়া।

আমি: আচ্ছা যা তোর লাগবেনা। বলে চলে এলাম।

কিছুক্ষন পর......

ছাদে দাড়িয়ে দাড়িয়ে চাঁদ দেখছিলাম। এমন সময় কে যেন কাধে হাত রাখল।

পিছনে ফিরে দেখি নীল।

নীল: কিরে তুই রাগ করছোস?

আমি: আমি কারো সাথে রাগ করিনা।(একটু ভাব নিয়া)

নীল: প্লিইইজ.....

আমি: আচ্ছা যা করি নাই।

নীল: সত্যি?

আমি: হুম, সত্যি।

ছাদের বাতির সুইচ অন করে, ছাদে বসে বসেই আমার হাতে মেহেদী দিয়ে দিল।

আমি বাম হাত দিয়ে মানিব্যাগ বের করে ওকে একটা একশ টাকার নোট দিলাম।



নীল: থ্যাংক ইয়ু।

আমি: থ্যাংক ইয়ু মানে? নব্বই টাকা ফেরত্‍ দে। ইস, যে সুন্দর করে মেহেদী দিয়ে দিসে,তাতে আবার একশ টাকা!!!

অমনি চন্দ্রোজ্বল মুখটা মেঘে ঢেকে গিয়ে বৃষ্টি ঝরা শুরু করল।

আমিতো পুরাই টাস্কিত!!!

বুদ্ধি করে পকেট থেকে আরো একশ টাকা ওর হাতে দিয়ে বললাম, নারে খুব সুন্দর হইছে। এজন্য দুইশ টাকা বখশিষ দিলাম। নীল টাকা গুলা ফেলে দিয়ে আমার বুকে ঝাপিয়ে পরে বলছে, তুই শুধু শুধু কষ্ট দিস, তুই..........



ও তো আর জানেনা, আমার ডান হাতের মেহেদী গুলা দিয়ে ওর পিঠে স্কেচ আঁকা চলছে।

মন্তব্য ০ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (০) মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.