| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
আমাদের অনেকের মনেই এই প্রশ্ন দুটি আসে!
ভ্যালেন্টাইনস ডে কি?
এটি কিভাবে আসল?
ভ্যালেন্টাইনস ডে হল ভালবাসা দিবস! ভালবাসার জন্য নির্দিষ্ট কোন দিনের দরকার হয়না! এটি মূলত খৃষ্টানদের সংস্কৃতি থেকে এসেছে!
ভালবাসা দিবস সম্পর্কে বেশ কয়েকটি ঘটনাই প্রচলিত, তবে এর মধ্যে রোমের সম্রাট ক্লডিয়াস এবং সাধু ভ্যালেন্টাইনের কয়েকটি কাহিনি বেশ প্রচলিত!
প্রথমঃ রোমের সম্রাট দ্বিতীয় ক্লডিয়াস-এর আমলের ধর্মযাজক সেন্ট ভ্যালেনটাইন ছিলেন সামাজিক ও সদালাপী এবং খৃষ্টধর্ম প্রচারক। আর রোম সম্রাট ছিলেন বিভিন্ন দেব-দেবীর পূজায় বিশ্বাসী। ঐ সম্রাটের পক্ষ থেকে তাকে দেব-দেবীর পূজা করতে বলা হলে ভ্যালেন্টাইন তা অস্বীকার করায় তাকে কারারুদ্ধ করা হয়। সম্রাটের বারবার খৃষ্টধর্ম ত্যাগের আজ্ঞা প্রত্যাখ্যান করলে 269 খৃস্টাব্দের 14 ফেব্রুয়ারী তার মৃত্যুদন্ড হয়!
দ্বিতীয়ঃ সেন্ট ভ্যালেন্টাইন কারারুদ্ধ হওয়ার পর প্রেমাসক্ত যুবক-যুবতীদের অনেকেই প্রতিদিন তাকে কারাগারে দেখতে আসত এবং ফুল উপহার দিত। তারা বিভিন্ন উদ্দীপনামূলক কথা বলে সেন্ট ভ্যালেন্টাইনকে উদ্দীপ্ত রাখত। এক কারারক্ষীর এক অন্ধ মেয়েও ভ্যালেন্টাইনকে দেখতে যেত। অনেকক্ষণ ধরে তারা দু’জন প্রাণ খুলে কথা বলত। এক সময় ভ্যালেন্টাইন তার প্রেমে পরে যায়। সেন্ট ভ্যালেন্টাইনের আধ্যাত্মিক চিকিত্সায় সে ভাল হয়!
ভালেন্টাইনের এ ভালবাসার কথা, ও যুবক-যুবতীদের তার প্রতি ভালবাসার কথা শুনে ক্লডিয়াস ক্ষিপ্ত হয়ে ভ্যালেন্টাইনকে 269 খৃষ্টাব্দের 14 ফেব্রুয়ারি তাকে হত্যা করেন!
তৃতীয়ঃ সবচেয়ে প্রচলিত হল, খৃষ্টীয় ইতিহাস মতে, 269 খৃষ্টাব্দের কথা। সাম্রাজ্যবাদী, রক্তপিপাষু রোমান সম্রাট ক্লডিয়াসের দরকার এক বিশাল সৈন্যবাহিণীর। এক সময় তার সেনাবাহিনীতে সেনা সংকট দেখা দেয়। কিন্তু কেউ তার সেনাবাহিনীতে যোগ দিতে রাজি নয়। সম্রাট লক্ষ্য করলেন যে, অবিবাহিত যুবকরা যুদ্ধের কঠিন মুহূর্তে অত্যধিক ধৈর্যশীল হয়। ফলে তিনি যুবকদের বিবাহ কিংবা যুগলবন্দী হওয়ার উপর নিষেধাজ্ঞা জারী করেন।
যাতে তারা যুদ্ধে যোগ দিতে অনীহা প্রকাশ না করে। তার এ ঘোষণায় দেশের যুবকবতীরা ক্ষেপে যায়। যুবক সেন্ট ভ্যালেন্টাইন নামের এক ধর্মযাজকও সম্রাটের এ নিষেধাজ্ঞা কিছুতেই মেনে নিতে পারেননি। প্রথমে তিনি সেন্ট মারিয়াসকে ভালবেসে বিয়ের মাধ্যমে রাজার আজ্ঞাকে প্রত্যাখ্যান করেন এবং তার গীর্জায় গোপনে বিয়ে পড়ানোর কাজও চালাতে থাকেন। একটি রুমে বর-বধূ বসিয়ে মোমবাতির স্বল্প আলোয় তিনি ফিস ফিস করে মন্ত্র পড়তেন!
এ বিষয়টি সম্রাটের কানে আসলে সম্রাট, ভ্যালেন্টাইনকে টেনে হিছড়ে নিয়ে এসে 269 খৃষ্টাব্দের 14 ফেব্রুয়ারী ফাসির নির্দেশ দেন!
আর এভাবেই আসে ভ্যালেন্টাইন ডে!
বাংলাদেশে ভালেন্টাইন ডে:
1993 সালের দিকে বাংলাদেশে বিশ্ব ভালবাসা দিবসের আর্বিভাব ঘঠে। যায় যায় দিন পত্রিকার সম্পাদক শফিক রেহমান। তিনি পড়াশোনা করেছেন লন্ডনে। পাশ্চাত্যের ছোঁয়া নিয়ে দেশে এসে লন্ডনী সংস্কৃতির প্র্যাকটিস শুরু করেন। তিনি প্রথম যায় যায় দিন পত্রিকার মাধ্যমে বিশ্ব ভালবাসা দিবস বাংলাদেশীদের কাছে তুলে ধরেন।
তাকেই বাংলাদেশে বিশ্ব ভালবাসা দিবসের জনক বলা হয়!
শফিক রেহমান সম্পর্কে না বললেই নয়! যায় যায় দিনের সম্পাদক একজন ভাল লেখক ই বটে! সাহিত্যের এমন কোন দিক নেই, যা তার নখদর্পনে নেই! তবে সবচেয়ে ভাল পারেন #চটি গল্প লিখতে! এক সময়কার অন্যতম চটি লেখক #রসময়_গুপ্তের নাম অনেকেই জানেন :p ! গুগলে একবার রসময় গুপ্ত লিখে সার্চ দিয়ে দেখুন! তাহলেই শফিক রেহমান আর চটি লেখক রসময় গুপ্তের সম্পর্ক পেয়ে যাবেন! আর এই শফিক রেহমান ই হল বাংলাদেশে ভালবাসা দিবসের জনক!!!
ভালবাসা দিবস আর বিশ্ব এইডস দিবসটা একই দিনে দেওয়া দরকার ছিল! অবশ্য এখন সবাই সচেতন! আমারা বি.টি.ভি তে বাঁচতে হলে জানতে হবে এড দেখি না!!!
এসব কোন ব্যাপার ই না! সবদিক দিয়েই লাভ! তবে আজ ঐষধের ফার্মেসির মামাদের পকেট সবচেয়ে বেশী গরম থাকবে! কেননা ভালবাসার #পর্ণ গুলো আজ অনেক বেশীই বিক্রি হবে! আর প্রেমিক-প্রেমিকারা পাবে নিরাপদ *******!
সৌদি আরব, মালয়েসিয়া সহ সকল ইসলামিক দেশগুলোতে ভালবাসা দিবস নিষিদ্ধ!
আমাদের বাংলাদেশ মনে হয় #ও.আই.সি এর তালিকায় ভুলেই উঠছিল!
এই ভুলটা কিন্তু করা একদম ই ঠিক হয়নি! আমার সোনার বাংলা একটি ধর্মনিরপেক্ষ খৃষ্টান সংস্কৃতি অনুকরনীয় দেশ!
পাশ্চাত্যে 16 বছরের পরে ছেল-মেয়েরা স্বাধীন! তারা যা ইচ্ছা তাই করতে পারে! বয়ফ্রেন্ড, গার্লফ্রেন্ড, পর্ণোগ্রাফি তাদের কাছে দুধ ভাত! ভালবাসা দিবস তাদের কাছে এসবের একটা উসকানিমুলক দিন মাত্র!
আর বাংগালিদের কাছে মধু! আমরা ডিজিটাল হচ্ছি না?
অবাধ যৌনতায় ভরা এই ভ্যালেন্টাইনস ডে আমার-আপনার, ভাই-বোনরাই উজ্জাপন করছে! আসলে তাদের দোষ নেই! দোষটা কিছু খারাপ মানষিকতার মানুষের! ভালবাসার নির্দিষ্ট কোন দিন নেই, প্রতিটি দিন ই ভালবাসার!
১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৪ বিকাল ৩:৪১
দিনের শেষ আলোকবিন্দু বলেছেন: আপনার মন্তব্যর জন্য ধন্যবাদ!
আসলে আমি ব্লগে নতুন! ভবিষ্যতে ভাল কিছু লেখার চেষ্টা করব!
©somewhere in net ltd.
১|
১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৪ দুপুর ২:৫৫
এম মশিউর বলেছেন: প্রথম দিকে বেশ ভালোই লাগছিলো; শেষে এসে ঝুলে গেছে!
বাংলাদেশে ভ্যালেন্টাইন ডে'র পূর্ব পর্যন্ত ভালো লেগেছে।