| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
© লেখকের অনুমতি ব্যতীত এই ব্লগের কোন লেখা সম্পূর্ণ বা আংশিকরূপে কোথাও প্রকাশ করা যাবে না। মোবাইল: ০১৭১১০০১১২৪ Email: [email protected]
![]()
//
>>>
//
>>>>>
//
>>>>>>>>>
//
>>>>>>>>>>>>>>
//
>>>>>>>>>>>>>>>>>>>
//
>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>
//
>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>
==========================================
সাধারনত ফৌজদারী মামলাকে দু’ভাগে ভাগ করা হয়, একটি আমলযোগ্য মামলা, অন্যটি আমল অযোগ্য মামলা। আবার আমলযোগ্য মামলাকে দু’ভাগে ভাগ করা হয়, একটি জি আর বা পুলিশী মামলা অন্যটি সি আর বা নালিশী মামলা।
১) আমলযোগ্য মামলাঃ
আইন মোতাবেক কিছু অপরাধ সংঘটিত হলে পুলিশ ওয়ারেন্ট ছাড়াই গ্রেফতার করতে পারে। এসব ক্ষেত্রে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা দ্রুত ব্যবস্থা নিয়ে আদালতে প্রতিবেদন দিয়ে থাকেন। এসব অপরাধে যে মামলা হয় তাই আমলযোগ্য মামলা। ফৌজদারী কার্যবিধির ৪(১) উপধারায় ক্লজ চ-এ আমলযোগ্য মামলা সম্পর্কে বলা হয়েছে।
২) আমল অযোগ্য মামলাঃ
কিছু অপরাধ সংঘটিত হলে পুলিশ ওয়ারেন্ট ছাড়া গ্রেফতার করতে পারে না। অপরাধ সংঘটিত হলে পুলিশ সংশ্লিষ্ট ম্যাজিস্ট্রেটের অনুমতি নিয়ে সর্বোচ্চ ৬০ দিনের মধ্যে প্রসিকিউশন রিপোর্ট বা নন-এফআইআর মামলা আদালতে দাখিল করে। এগুলো আমল অযোগ্য মামলা। এধরনের অপরাধের মামলা কোর্টের নন-জিআর রেজিস্টার ভুক্ত হয়ে পরিচালিত হয় হয় বলে এ মামলাকে নন-জিআর মামলা বলা হয়। ফৌজদারী কার্যবিধির ৪ (১) উপধারার ক্লজ ঢ-এ আমল অযোগ্য মামলা সম্পর্কে বলা হয়েছে।
নালিশী বা সিআর মামলাঃ
ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সরাসরি গিয়েও কোর্ট ফি দিয়ে বিচার প্রার্থনা করা যায়। এক্ষেত্রে কা:বি: ২০০ ধারায় শপথ নিয়ে আবেদনের উল্টো পিঠে জবানবন্দি রেকর্ড করতে হয়। কোর্ট রেজিস্টারে মামলা এন্ট্রি হয়ে পরিচালিত হওয়ার কারণে এগুলোকে সিআর মামলা বলা হয়।
পুলিশী মামলাঃ
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার কাছে এজাহার দায়েরের মাধ্যমে যে মামলা শুরু হয় তাই পুলিশী মামলা নামে পরিচিত। পুলিশী মামলাকে আবার দু’ভাগে ভাগ করা হয়।
ক) জি আর মামলাঃ
থানায় কোন আমলযোগ্য অপরাধ ঘটার খবর পেলে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কা:বি: ১৫৪ ধারা অনুসারে মামলা করে আদালতে এফআইআর দাখিল করে কা:বি: ১৫৬ ধারা অনুসারে মালার তদন্ত শুরু করেন। এটিই জি আর মামলা। থানা থেকে এফআইআর আদালতে আসার পর কোর্ট ইন্সপেক্টর/সাব-ইন্সপেক্টর বা জিআরও (জেনারেল রেজিস্টার অফিসার) উক্ত এফআইআর-টি মামলা হিসেবে কোর্টের জেনারেল রেজিস্টারে এন্ট্রি করে তা দ্রুত ম্যাজিস্ট্রেট এর নজরে আনেন।
খ) নন জি আর মামলাঃ
আবার থানায় আমলযোগ্য মামলা সংঘটিত হওয়ার সংবাদ পেলে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সেটিকে এজাহার হিসেবে গণ্য না করে পুলিশ প্রবিধান এর প্রবিধি ৩৭৭ অনুসারে জিডি এন্ট্রি করে সংশ্লিষ্ট ম্যাজিস্ট্রেটের অনুমতি নিয়ে বিষয়টি তদন্ত করে আদালতে নন-এফআইআর প্রসিকিউশন রিপোর্ট দায়ের করতে পারেন। এগুলো নন-জিআর মামলা নামে পরিচিত।
আমার পোষ্টটি আপনাদের ভালো লাগলে ফেসবুকের এই পেজে একটি লাইক দিবেন। এই মর্মে আপনাদের অবগত করা যাচ্ছে যে, ফেসবুক লাইকের আবেদন কোন ব্যক্তিগত বা আর্থিক লাভের জন্য করা হয় নাই। নিতান্তই আমার পোষ্টের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশের ইচ্ছে যদি কারো থাকে তবে তিনি একটি ফেসবুক লাইক দেয়ার মাধ্যমে জানাতে পারেন। আপনাদের সবাইকে ধন্যবাদ।
(বিদ্রঃ লাইক দেয়া না দেয়া আপনার একান্ত ব্যক্তিগত ব্যাপার; এই ব্যাপারে কোনরূপ কটু মন্তব্য না করার জন্য লেখক আপনাদের অনুরোধ জানাচ্ছেন।)
২১ শে জুন, ২০১২ রাত ১১:০৬
এম. এ. খসরু নোমান বলেছেন: আপনার আবেদনের ভিত্তিতে এই পোষ্টটি অতিসত্বর আপডেট করার ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
আপনাকে ধন্যবাদ।
২|
২১ শে জুন, ২০১২ রাত ১১:০৭
দুই দুয়ারী বলেছেন: খুব বেশি কিছু জানতে পারিনি...
২১ শে জুন, ২০১২ রাত ১১:১৭
এম. এ. খসরু নোমান বলেছেন: আমার পোষ্ট আর্কাইভ দেখেন। আশা করি অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাবেন।
আপনাকে ধন্যবাদ।
৩|
২১ শে জুন, ২০১২ রাত ১১:২৩
বিপ্লব কান্তি বলেছেন: পরে পড়ে দেখতে হবে
২১ শে জুন, ২০১২ রাত ১১:৫৯
এম. এ. খসরু নোমান বলেছেন: সময় করে পড়ে দেখবেন আশা করি কাজে লাগবে।
আপনাকে ধন্যবাদ।
৪|
২১ শে জুন, ২০১২ রাত ১১:৫০
সাইফুলহাসানসিপাত বলেছেন: ধন্যবাদ ভাইয়া , পেইজে লাইক দিয়েছি । এ রকম আরো পোস্টের প্রত্যাশা করি । তবে আইন-আদালতের টার্মগুলোর সাথে পরিচিত নয় বলে আরেকটু বিস্তারিত লিখো প্লিজ । অনেক শুভ কামনা থাকল ।
২২ শে জুন, ২০১২ রাত ১২:০৩
এম. এ. খসরু নোমান বলেছেন: আমি যথাসাধ্য চেষ্টা করব আপনাদের আবেদনের সাড়া দিতে। আমার পোস্ট আর্কাইভ দেখুন সেখানে কিছু পোষ্ট আছে যেগুলো হয়ত আপনাদের দৈনন্দিন জীবনে বিভিন্ন ভাবে কাজে লাগতে পারে।
৫|
২১ শে জুন, ২০১২ রাত ১১:৫২
আমি রাইন বলেছেন: জানা হল নতুন কিছু জিনিষ। দোয়া করবেন যেন এসব ঝামেলাতে কখনো না পড়ি।
২২ শে জুন, ২০১২ রাত ১২:১৫
এম. এ. খসরু নোমান বলেছেন: আপনার জন্য দোয়া করছি, ভালো থাকুন। সেই সাথে আপনাদের সকলের কাছে অনুরোধ সমাজের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশকে সহায়তা করুন।
আপনাকে ধন্যবাদ।
৬|
২১ শে জুন, ২০১২ রাত ১১:৫৫
এম আবু জাফর বলেছেন: নারী নির্যাতন মামলা ১১(গ) ধারা কী? জানতে চাই।
২২ শে জুন, ২০১২ রাত ১:১৩
এম. এ. খসরু নোমান বলেছেন: নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ধারা ১১(খ) ও ১১(গ) মতে, যৌতুকের জন্য মারাত্মক বা সাধারণ আঘাত করার অভিযোগে অনেক মামলা দায়ের হয়। এধরণের মামলা সাধারণত পরিবারের সদস্যদের মধ্যে হয়ে থাকে। এক্ষেত্রে দেখা যায় যে, পক্ষগণ স্বামী-স্ত্রী হওয়ায় পক্ষগণের মধ্যে আদালতের বাইরে অভিযোগের বিষয় নিয়ে আপোষ মীমাংসা হয় এবং তারা স্বামী-স্ত্রী হিসাবে বসবাস করতে থাকে। এই ধরণের মামলা আদালতের অনুমোদনক্রমে আপোষযোগ্য হতে পারে। এতে মামলা দ্রুত নিস্পত্তি হবে এবং হয়রানীমূলক মামলা দায়েরের প্রবণতা কমে আসবে। এমতাবস্থায় এ আইনের ১১(খ) ও ১১(গ) ধারায় অপরাধের অভিযোগের মামলায় আদালতের অনুমোদনক্রমে আপোষযোগ্য করার বিধান থাকা সমীচিন।
আরো বিস্তারিত জানতে চাইলে আমার পোষ্ট আর্কাইভে চোখ রাখুন। আমার আগামী পোষ্ট সমুহ আপনাদের আবেদনের প্রেক্ষিতে নির্ধারণ করা হবে।
আপনাদের ধন্যবাদ।
৭|
২২ শে জুন, ২০১২ রাত ১২:২০
এম আবু জাফর বলেছেন: অবশেষে স্ত্রী নির্যাতনকারী তাহের মুন্সী পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয়েছেন। তার হাতে স্ত্রী-কন্যা সকলেই অমানুষিক নির্যাতনের শিকার বলে জানা গেছে। তিনি প্রথম স্ত্রীকে তার বাপের বাড়ি থেকে দফায় দফায় টাকা এনে দেবার জন্য চাপ দিতেন। টাকা এনে না দিলে চালাতেন অমানুষিক নির্যাতন। সেই সাথে পরকীয়া প্রেম। এমনকি নির্যাতনের মুখে কাগজে সই নিয়ে সেটাকে তালাকনামা বানিয়ে দ্বিতীয় বিয়ে করে। এভাবে নির্যাতনের ষোলকলা পূর্ণ হবার বর্ণনা দিলেন গ্রেফতারকৃত তাহের মুন্সির প্রথম স্ত্রী মামলার বাদি সুলতানা রেজিয়া ও থানায় উপস্থিত তার তিন কন্যা। ১৯৯৩ সালে বিয়ে হবার পর থেকে একদিনের জন্যও সুখে দিন কাটাতে পারেননি সুলতানা রেজিয়া। স্বামী সব সময় পরকীয়া প্রেমে মজে থাকতো। এর অনিবার্য পরিণতি হিসেবে কিছুদিন আগে অপর এক মেয়েকে বিয়ে করে তাহের মুন্সি। সেই সাথে প্রথম স্ত্রীর ওপর নির্যাতনের স্টিম রোলার চালাতে থাকেন সমানে। নির্যাতনে অতিষ্ঠ সুলতানা রেজিয়া গত ১৭জুন তাহের মুন্সি (৪০) ও তার দ্বিতীয় স্ত্রী শারমিন আক্তার (২৭) কে আসামি করে ফটিকছড়ি থানায় মামলা দায়ের করলে পুলিশ গত ১৮ জুন রাতে তাহের মুন্সিকে গ্রেপ্তার করে আদালতে সোপর্দ করে। সে দৌলতপুর ইউপির মৃত মাওলানা জালাল আহমদের ছেলে। গতকাল থানায় উপস্থিত হয়ে বাদি এবং তার কন্যাগণ তাহের মুন্সির দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন
এ রকম অভিযোগের রায় কী হতে পারে। আসামী জামিন পেতে পারেন কি না।
২৩ শে জুন, ২০১২ সকাল ১০:৩৩
এম. এ. খসরু নোমান বলেছেন: প্রথমে এই সকল অভিযোগ গুলোকে নারী ও শিশু নির্যাতন আইনের বিভিন্ন ধারার আওতায় আনার পর বিজ্ঞ আদালতের সামনে ফৌজদারি মামলা হিসেবে উপস্থাপন করতে হবে। উপরোক্ত ঘটনার প্রেক্ষিতে অভিযোগ দায়েরের সময় অভিযোগকারী নাঃশিঃআঃ এর ১১(খ) ধারায় মামলা করতে পারেন। সেক্ষেত্রে বিজ্ঞ আদালত ডকুমেন্টেশন এভিডেন্স, ভিজিবাল এভিডেন্স এবং মৌখিক সাক্ষীগনের সাক্ষ্য এবং প্রমানের উপর ভিত্তি করে ঘটনার সত্যতা যাচাইয়ের মাধ্যমে রায় ঘোষণা করবেন।
এক্ষেত্রে আপনার প্রশ্ন ছিল বিজ্ঞ আদালতের রায় কি হতে পারে; নাঃশিঃআঃ এর ১১(গ) ধারায় যদি মামলা হয় এবং বিজ্ঞ আদালতের সামনে যদি তা প্রমান হয় তবে অভিযুক্তকে অনধিক ৩ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং সেই অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত করতে পারেন।
আর যদি এই অভিযোগ সঙ্গিন হয় এবং মামলা নাঃশিঃআঃ এর ১১(খ) ধারায় হয় সেক্ষেত্রে বিজ্ঞ আদালতের সামনে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমান হয়, তবে বিজ্ঞ আদালত অভিযুক্তকে যাবৎ জীবন কারাদণ্ড অথবা নুন্যতম ৫ বছরের কারাদণ্ড এবং সেই সাথে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করতে পারেন।
৮|
২৩ শে জুন, ২০১২ রাত ৮:৪৮
এম আবু জাফর বলেছেন: ধন্যবাদ, কষ্ট করে সমাধান দেওয়ার জন্য। তবে সাথে আরেক টা বিষয় ছিল, আসামী জামিন পেতে পারেন কি না। ধারা ১১ গ/৩০
২৫ শে জুন, ২০১২ রাত ১:৫৭
এম. এ. খসরু নোমান বলেছেন: আপাত দৃষ্টিতে এইটা জামিন যোগ্য ধারা বলে বিবেচিত হলেও অনেক সময় বিজ্ঞ আদালতের ইচ্ছার উপর জামিন নির্ভর করে থাকে। বাদী যদি বিজ্ঞ আদালতকে জামিন নামঞ্জুর করার মত উপযুক্ত কারন দেখাতে পারেন সেক্ষেত্রে বিবাদীর জামিন পাওয়ার আশা খুবই ক্ষীণ।
এইসব মামলায় জামিনের ক্ষেত্রে সামাজিক অবস্থান খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করে থাকে।
৯|
২৪ শে জুন, ২০১২ রাত ১০:৩৩
তানভীর আহমেদ সিদ্দিকী বলেছেন: Click This Link
২৫ শে জুন, ২০১২ রাত ১:৫৯
এম. এ. খসরু নোমান বলেছেন: Click This Link
১০|
২৬ শে জুন, ২০১২ রাত ১:৩৬
এম আবু জাফর বলেছেন: ভাই, অনেক অনেক ধন্যবাদ।
২৬ শে জুন, ২০১২ রাত ২:১০
এম. এ. খসরু নোমান বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ।
©somewhere in net ltd.
১|
২১ শে জুন, ২০১২ রাত ১১:০৪
জািফর বলেছেন: ধন্যবাদ পোষ্টের জন্য. প্রত্যেক ক্যাটাগরির সাথে উদাহরণ দিলে আরো ভাল হতো.