| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
ওমর হাসান আল জাহিদ
অনেক কিছুই করতে চাই, কিন্তু কিছুই করতে পারি না। খুব আগ্রহ নিয়ে কোনো কিছু শুরু করলেও প্রচন্ড অনাগ্রহ নিয়ে সেটি শেষ না করেই উঠে আসি! কবে যে নিজের উন্নতি হবে! এডভোকেট জজ কোর্ট, ঢাকা। এলএল.বি., এলএল.এম., ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।
রাত ১০টা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জহুরুল হক হল। আমি ও কামাল প্রধান ফটকের সামনে দাড়িয়ে কথা বলছি। হঠাৎ আমার পিঠে একটা মৃদু থাপ্পড় মারে কেউ। তাকিয়ে দেখি মনির। ওকে দেখে আমার ঠোঁটে একটা স্মিত হাসি খেলে যায়। এই সেই মনির! যার বেশ কিছু ঘটনা আমার এক বন্ধুর মুখে শুনেছি। যাই হোক, অনেকদিন পরে দেখা হল আমাদের। আমার হাসি দেখে ও বলে, কিরে হাসছিস যে? শুনলাম ভালই নাকি আয় করছিস। তোর তো অনেক ভক্ত স্টুডেন্টও আছে নাকি! আমি বলি, এই গাজাখুরি আপডেট তথ্য কোথা থেকে পেলি? ও বলে, তোর স্টুডেন্টের কাছেই শুনেছি। আমার পরিচিত একটা ছেলে তোর ক্লাশে আছে। আমি বলি, জনপ্রিয় কিনা সেটা স্টুডেন্টরাই ভাল বলতে পারবে। তবে টাকা যা পাই তাতে মেজাজ খারাপ হয়ে যাচ্ছে। অবশ্য আমরা টাকা না পেলেও ইউসিসি কর্তৃপক্ষ কয়েক কোটি টাকা ঠিকই নিয়ে নিচ্ছে। তারপর বল, কোথা থেকে এত রাত্রে আগমন? ও বলে, এইতো হল থেকে আসলাম। খেতে যাচ্ছি। তুই খেয়েছিস? না, আমি বলি। ও বলে, চল তাইলে খেয়ে আসি। আমরা তিনজন হাটা শুরু করলাম। গন্তব্য- গাউসুল আজম মার্কেটের বিখ্যাত মামা হোটেল। নীলক্ষেত যাওয়ার পর কামাল বলে, আমার একটু কলাবাগান যেতে হবে। তোরা দুজনে খেয়ে নে। আমি ইতোমধ্যে খেয়েছি। কি আর করার! ওকে আমরা বিদায় দিলাম।
মনির ও আমি বিখ্যাত মামা হোটেলে না বসে এটার পাশের হোটেল বিক্রমপুরে বসলাম। তার কারণ, মনির সবসময় এখানেই খায়। মামা হোটেলের প্রতি ওর বিশেষ অ্যালার্জি আছে। দুজনে গরুর মাংস দিয়ে খেতে বসলাম। আমাদের মধ্যে নানা বিষয় নিয়ে আলোচনা চলে। ভার্সিটির রাজনীতির হালচাল, শেয়ারবাজার, কোচিং, টিউশনি, লেখাপড়া ইত্যাদি। খাওয়া শেষ করে আমরা আবার ভার্সিটির দিকে যাত্রা শুরু করি। স্যার এ এফ রহমান হলের পাশের মাঠটাতে সবুজ লম্বা ঘাসের উপর দুজনে বসি। উদ্দেশ্য- শেয়ার বাজার সম্পর্কে ওর কাছ থেকে কিছু পরামর্শ নেয়া। ও অনেক আগে থেকেই শেয়ার ব্যবসা করে। আর আমিও নামতে যাচ্ছি।
তো আমাদের আলোচনার এক পর্যায়ে আমি ব্যাপারটা তুলেই ফেললাম। তারপর মনির, কার নাকি বিয়ে গেছে! ও একটু লজ্জা পায়। জিজ্ঞেস করে, কার কাছে শুনেছিস, নিশ্চয়ই প্রিন্সের কাছে? আমি বলি, ওই ব্যাচারা ছাড়া আর কেই বা জানে ব্যাপারটা! ও বলে, ঠিকই শুনেছিস। আমি বলি, কি হয়েছে, ডিটেইলস বল তো। ও বলে, অনেক বড় কাহিনী। এখন বলার সময় নাই। আমার কাল পরীক্ষা। পরে কোন এক সময় বলব। জানিনা কেন যেন আমার মেজাজ খারাপ হয়ে গেল। আমি আর আগ্রহ দেখালামনা। তারপর আরো কতক্ষণ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা চলে। আমি বলি, আমার তো হলে যেতে হবে। ও বলে, চল, তোকে এগিয়ে দেই। দুজনে আবার হাটা শুরু করি।
মল চত্ত্বরে আসার পর আমি বলি, তুই এখন যা। আর এগিয়ে দিতে হবেনা। অনেক করছস আমার জন্য। আমাকে খানিকটা অবাক করে দিয়ে বলে, ডিটেইলস শুনবিনা? আমি বলি, হুমম। অবশ্যই শুনব। কিন্তু তোর না কাল পরীক্ষা। ও বলে, আরে সমস্যা নাই। আমি বলি, ওকে, বল তাইলে। ও বলে, ওর নাম তো জানিস, নাকি? আমি বলি, হুঁ, সেতু। ও বলে, দেখেছিস কখনো? আমি বলি, হুঁ। তোর সাথে ফার্মগেট হোটেলে একদিন খেতে দেখেছিলাম। আমি আরো বলি, মেয়েটাকে তো বেশ সুন্দর লাগছিল। তোদের সম্পর্ক শুরু হয় কবে? ও বলে, শোন তাহলে। আমাদের সম্পর্কটা শুরু হয় দেড় বছর আগে। ইউসিসিতে কোচিং করার সময় আমাদের মধ্যে পরিচয় ঘটে। আমরা একই ব্যাচে ছিলাম। সেখান থেকে ভাললাগা, এবং তারপর যথারীতি ভালবাসার জন্ম। প্রতিদিন আমাদের মাঝে দেখা হত। ক্লাশ শেষ করেই কোথাও না কোথাও আমরা বেড়াতে যেতাম। একে অপরকে না দেখে থাকতেই পারতামনা।
মনির এসব বলে যাচ্ছে। কিন্তু আমার লাগে বিরক্ত। কারণ, এসব তো সব জুটির ক্ষেত্রেই হয়। খুবই কমন কথা। কিন্তু ওকে তো আর এই বিরক্তির কথা বলতে পারিনা। তাই অগত্যা শুনে যাচ্ছি। ও বলে যায়, এভাবে আমাদের চলতে থাকে। ভালই যাচ্ছিল। ঢাকা বিশ্ববিদ্যায়ের ভর্তি পরীক্ষা হয়ে যায়। আমি চান্স পাই। অ্যাকাউন্টিং-এ ভর্তি হই। কিন্তু সেতু ঢাবিতে চান্স পায়নি । অন্য কোথাও চান্স না পেয়ে অবশেষে ইডেনে ভর্তি হয়। তারপরও আমাদের ভালোই চলছিল। একদিন সেতু বলল যে ওর বাবা এসেছেন। ওর বাবা থাকেন গ্রীসে। উদ্দেশ্য- সেতুকে বিয়ে দিয়ে আবার গ্রীস চলে যাবেন। আমি সেতুকে বললাম, চল আমরা বিয়ে করে ফেলি। সেতু বলে, পাগল হয়েছ নাকি! পালিয়ে বিয়ে? অসম্ভব। তোমার কোন চিন্তা করার দরকার নেই। আমি একটা ব্যবস্থা করতেই পারব। আমি সেতুর কথায় আশ্বস্ত হই। এবং এখানটাতেই আমার ছিল মস্ত বড় ভুল। যাই হোক, হঠাৎ সেতুর মোবাইল বন্ধ দেখতে পাই। কোন খোজখবরও নাই। এরকম দুই মাস কেটে যায়। অবশেষে একদিন খবর পেলাম যে সেতুর একজন আর্মি সৈন্যর সাথে বিয়ে হয়েছে। আমার মাথায় তো আকাশ ভেঙে পড়ল। আমি কি করব বুঝতে পারছিলামনা। আমার মনে হল যে আমার জীবনটা মনে হয় শেষ হয়ে গেল।
আমি একটু ঠাট্টাচ্ছলে বলি, ভাগ্যিস এখনো শেষ হসনাই। বেশ শক্তভাবেই টিকে আছিস। মনির বলে, তা অবশ্য ঠিক। এর জন্য আমার কম্পিউটারের অবদানই সবচেয়ে বেশি। কম্পিউটারটা নিয়েই সারাদিন পড়ে থাকতাম। আমি বলি, হুঁ। তারপর কি হল, বল। মনির বলে, এরপর গত দুই মাস আগে একটা এসএমএস আসে আমার মোবাইলে। নাম্বারটা সেতুর। তাতে শুধু লেখা, কেমন আছ তুমি? আমি কোন উত্তর দেইনি। এর কিছুদিন পর, আরেকটা এসএমএস আসে। এই এসএমএসটাই আমার চিন্তাভাবনা ওলটপালট করে দেয়। তুই এসএমএসটা দেখবি? আমি বলি, তোর আপত্তি না থাকলে দেখতে পারি। মনির ওর মোবাইল থেকে বের করে মেসেজটা আমাকে পড়তে দেয়। এসএমএসটা ছিল এরকম-
মনির, কেমন আছ তুমি? আমি ভাল নেই। আমি জানি তোমার অভিশাপই আমার এই ভাল না থাকার কারণ। আমি একটুও ভাল নেই। তুমি নিশ্চয়ই আমার স্বামী সেনাবাহিনীর একজন সৈন্য। আমার চেয়ে বয়সে আট বছরের বড়। আমার বাসর রাতটা কেটেছে খুবই কষ্টে। ও যখন আমাকে আদর করে, আমাকে স্পর্শ করে, আমার মনে হয় যেন কোন বড় ভাই আমাকে স্নেহাশিস আদর করছে। কখনোই আমার স্বামীর আদরের মত মনে হয়নি। বাসর রাতে শুধুই ওই রাতটার কথা মনে পড়ছিল। যে রাতে তুমি আর আমি একসাথে ছিলাম। তোমার আলিঙ্গন, চুমু আমাকে পাগলের মত করে দিয়েছিল। এখনো আমি ভুলতে পারিনা সে রাত। আসলে ওই রাতটাই ছিল আমার সত্যিকারের বাসর রাত। এবং আমি মনে করি তুমিই আমার স্বামী। তুমি কি পারবে আমাকে ক্ষমা করতে, আমাকে পুনরায় তোমার জীবনে গ্রহণ করতে?
আমি এতবড় এবং এরকম একটা এসএমএস দেখে প্রথমে কিছুটা ভড়কে যাই। কিন্তু মনিরকে কিছু বুঝতে দেইনি। আমি বলি, তারপর কি করলি তুই? মনির বলে, কি আর করব! এখন তো আমার আর কিছু করার নেই। আমি সেতুকে স্পষ্ট জানিয়ে দিলাম যে তোমার সাথে আমার আর কোন যোগাযোগ থাকতে পারেনা। এখন তুমি আরেকজনের বাহুলগ্না। সুতরাং তোমার জীবন তুমি পরিচালনা করবা। আমি আর এর মধ্যে নেই।
এর কিছুদিন পর মনিরের মোবাইলে সেতুর আরেকটা এসএমএস আসে। সে মনিরের সাথে দেখা করতে চায়। মনির এই এসএমএসটাও আমাকে দেখায়। তেমন কিছুনা, শুধু দেখা করতে চায়, এটুকুই লেখা। আমি বলি, তুই কি দেখা করলি? মনির বলল, আমি কোনভাবেই চাইনি। কিন্তু প্রিন্স এসে আমাকে জোর করে হল থেকে ওর ধানমন্ডির বাসায় নিয়ে যায়। সেখানে গিয়ে দেখি সেতু বসে আছে। তুই তো জানিসই, প্রিন্স একটা রুম একা নিয়ে থাকে। তো, ওকে দেখে আমার প্রথম খুব ঘৃণা হচ্ছিল। আমার বিশ্বাস করতেই কষ্ট হচ্ছিল যে এই-ই হল আমার কলিজার টুকরা সেতু। যার জন্য আমি সব কিছুই করতে প্রস্তুত ছিলাম। আমি জিজ্ঞাসা করি, সেতু তোকে দেখে কি করল? মনির বলে, আমার দিকে তাকিয়ে ছিল। কোন কথা বলেনি। প্রিন্স রুম থেকে বের হয়ে গেল। আর বলে গেল যে, আমাদের কথা শেষ হলে যেন ওকে কল দেই। প্রিন্স যাওয়ার পর সেতু নিজেই এসে দরজা বন্ধ করে দেয়। আমি চুপচাপ প্রিন্সের পড়ার টেবিলে বসে আছি। সেতু আমার কাছে আসে। বলে, তুমি আমাকে ক্ষমা করেছ? আমি বলি, ক্ষমা করার কি আছে। তোমার জীবন, তুমি যেভাবে চালাবে, সেভাবেই চলবে। আমি তো আর তোমার সাথে নেই। সেতু চুপ থাকে কিছুক্ষণ। তারপর বলে, আচ্ছা, ঠিক আছে। আমার জীবন আমি যেভাবে খুশি সেভাবে চালাব। শুধু তুমি আমাকে সহযোগিতা করবে। আমি বলি, সেটা কীরকম? সেতু বলে, বুঝবে একটু পর। তার আগে বল, তুমি তো আর আমাকে তোমার জীবনসাথী করবেনা, তাইতো? আমি বলি, প্রশ্নই আসেনা। সেতু চুপ থাকে। এতক্ষণ আমি ওর মুখের দিকে তাকাইনি। কিন্তু এবার তাকাই। ওর দিকে মুখ তোলা মাত্র বিদ্যুত গতিতে আমার উপর ঝাপিয়ে পড়ে। আমার সমস্ত মুখমন্ডলে চুমু দিতে থাকে। ওর সজোর ধাক্কায় আমার চেয়ার থেকে পড়ে যাবার মত অবস্থা হয়। আমি নিজেকে সামলে নিয়ে ওকে সরিয়ে দেই; জোর করে। সেতু আমাকে বিছানার উপর নিয়ে বসায়। তারপর আমার কোলে এসে বসে। আবারো শুরু হয় ওর পাগলামি। আমি বলি, সেতু, তুমি এসব কি করছ? তুমি একজন মানুষের বিবাহিত স্ত্রী? এসব ভুলে যাচ্ছ? সেতু বিরক্তি নিয়ে বলে, স্ত্রী না ছাই। আমি মনে প্রাণে তোমারি স্ত্রী। এবং আমার গর্ভে যে সন্তান আসবে, তার বাবাও হবে তুমি। কিন্তু পৃথিবীতে তুমি, প্রিন্স আর আমি ছাড়া তা আর কেউ জানবেনা। এটা বলেই ও আমার লিঙ্গের উপর হাত দেয়। আবারো চুমুতে ভরিয়ে দেয় আমার মুখ, ঘাড়, চোখ। সত্যি কথা বলতে কি, আমিও নিজেকে আর সামলে রাখতে পারিনি। আমার মধ্যের পশুবৃত্তিটি তখন নাড়া দিয়ে ওঠে। নিজেকে সমর্পণ করি ওর কাছে। ওর যৌনাবেদনের কাছে আমি পরাজিত হই।
হঠাৎ দরজার কড়া নাড়ার শব্দে আমাদের হুঁশ আসে। তাড়াতাড়ি দুজনের উলঙ্গ দেহদ্বয় আবৃত্ত করি পোষাকে। সেতুর চুল বেশ এলোমেলো। সেতু দরজা খুলে দেখে প্রিন্স দাড়িয়ে সিগারেট টানছে। প্রিন্স ভিতরে এসে অগোছালো বিছানা দেখে মুচকি মুচকি হাসে। আমি আর লজ্জায় প্রিন্সের দিকে তাকাইনি। প্রিন্স আমাকে এসে বলে, কিরে কোন সমাধান কি হয়েছে? আমি আর কিছু বলিনা। সেতু হঠাৎ এমন একটা উত্তর দিল যে আমি খুবই বিস্মিত হলাম। সেতু বলে, হ্যাঁ, হয়েছে। মনির হল আমার অঘোষিত স্বামী এবং ওই আমার সন্তানের জনক হবে। তবে প্রিন্স, মনের ভুলেও এটা কাউকে বলা যাবেনা। শুধু এই পৃথিবীর এই তিনটা প্রাণীই এই ঘটনা জানবে। প্রিন্স বলে, না, আরো একজন জানবে। সেতু বলে, কে সে? প্রিন্স তখন তোর কথা বলে। এরপর আমরা তিনজনে দুপুরে স্টারকাবাব রেস্টুরেন্টে লাঞ্চ করি। সেতু চলে যায়। আমি হলে চলে আসি। প্রিন্স যায় ওর বাসায়।
আমি এতক্ষণ একটা কথাও বলিনি। ওর কথা খুব মন দিয়ে শুনছিলাম। অবশ্য স্বীকার করতে দ্বিধা নেই ওর বর্ণনা শুনে আমি বেশ উত্তেজিত এবং শিহরিত হয়ে উঠেছি। যাই হোক, আমি বলি, তারপর সেই থেকেই কি চলছে? মনির বলে, হ্যাঁ। আমি ওদের বাসায় গিয়েও দুবার ওর সাথে দৈহিক মিলনে আবদ্ধ হয়েছি। গতকালও প্রিন্সের বাসায় তিনঘন্টার মত ছিলাম। আমি বলি, দেখ মনির, এখন তুই সবই বুঝিস। আমার মনে হয়না এটা এভাবে কন্টিনিউ করা ঠিক হবে। তার চেয়ে বরং এই জাল থেকে বের হয়ে আসাটাই ভাল। মনির বলে, জানিনা ভাই। আমার জীবনই পরিবর্তন হয়ে গেছে। দেখি কি হয়!! আমি ঘড়ি দেখে বলি, এখন রাত ২টা বাজে। তুই হলে চলে যা। তাছাড়া কাল তো তোর আবার পরীক্ষা। মনির বলে, হুমম। আমি যাই এখন। পরে আবার দেখা হবে তোর সাথে।
ওকে বিদায় জানিয়ে আমি চলে আসছিলাম। এমন সময় মনির আবার ডাক দিল। আমি দাড়ালাম। কাছে এসে বলল, শোন, আমি চাইনা , পৃথিবীর আর কোন মানুষ এটা জানুক। শুধু তু্ই, সেতু, প্রিন্স আর আমি। আমি একটু হাসলাম। তারপর বললাম, আমি কাউকে কোন দিনও বলবনা। শুধু এটা নিয়ে ছোট্ট একটা গল্প লিখব। নিশ্চয়ই তোর তাতে আপত্তি নেই? মনির বলে, ঠিক আছে। শুধু এটুকুই। আর যেন কিছু না হয়। আমি বলি, জো হুকুম, মহারাজ। আদেশ শিরোধার্য। মনির একটা মৃদু হাসি দিয়ে চলে গেল। আমিও যাত্রা শুরু করলাম আমার গন্তব্যে।
(প্রিয় পাঠক-পাঠিকা, এই গল্পটা আমার এক বন্ধুর জীবনে সংঘঠিত সত্যিকারের ঘটনার ছায়া অবলম্বনে রচিত)
২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১২:২৭
ওমর হাসান আল জাহিদ বলেছেন: কেন ভাই? আর পারছেননা?
২|
২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সকাল ১১:৫৩
সাহোশি৬ বলেছেন: হুমম,
২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১২:৩৯
ওমর হাসান আল জাহিদ বলেছেন: হুমম! শুধু এটুকুই? আর কিছুনা?!
৩|
২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সকাল ১১:৫৮
সাহোশি৬ বলেছেন: আমার মনে হয় থামানোর দরকার নেই। সেতু আসলে মুনিরকেই ভালোবাসে। মুনিরের উচিৎ হবে না সেতুর ভালোবাসাকে এভাবে অপমান করা। বরং মুনির সেতুকে বিয়ে করতে পারে কিনা সেটা বিবেচনায় আনা যেতে পারে। মুনির-সেতু চালিয়ে যাও। থ্রী চয়ারস ফর ইউ।
সেতু কি প্রেগন্যান্ট হলো? বাচ্চা হবার পর ডিএনএ টেস্ট করতে হবে, বলা তো যায় না বাচ্চাটা যদি সেতুর আসল স্বামীর হয়ে থাকে? সেতু তো আর আসল স্বামীর সাথে সেক্স বন্ধ করে দেয় নি।
২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১২:২৮
ওমর হাসান আল জাহিদ বলেছেন: হা হা ! ভালই বলেছেন। দেখি, ভবিষ্যতে ঘটনা কতদূর গড়ায়।
৪|
২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১২:০৫
রিক্তা বলেছেন: এসব ঘটনা আজকাল অনেক শুনছি। আমার এক পরিচিত জন থেকে শুনেছি একজন মেয়ে ৮ বছর তার প্রেমিকের সাথে দৈহিক সম্পর্ক থাকার পর অন্য একটা ছেলের সাথে বিয়ে হয়েছে। তবে দয়া করে এই দু-চারজন মেয়েকে দিয়ে গোটা নারীসমাজ কে একই পাল্লায় মাপবেন না। কারণ ঐ দু-চারজন নারীর মত সবাই বিকৃত রুচি লালন করেনা।
২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১২:৩১
ওমর হাসান আল জাহিদ বলেছেন: এটা একটা বিচ্ছিন্ন ঘটনা বলেই আমি বিশ্বাস করতে চাই। আর নিশ্চয়ই কোন বিচ্ছিন্ন ঘটনা দিয়ে আমরা কোন নারী সমাজকে যাচাই করবনা। তবে স্বীকার করুন আর নাই বা করুন- আমাদের নৈতিক মূল্যবোধগুলো কিন্তু দিন দিন ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। সমাজের অবস্থানও পরিবর্তিত হচ্ছে।
৫|
২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১২:০৬
ধীবর বলেছেন: স্বামীর আদর পছন্দ হয়নি, তাই প্রেমিকের সাথে এইসব? এই ধরণের মেয়েরা, না প্রেমিকের না স্বামির। তাই আপনার বন্ধুকে বলুন, সেতুর কাছ থেকে দূরে থাকতে। "প্রেম একবার এসেছিল জীবনে" গানটি এই যুগে অচল।
২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১২:৩৪
ওমর হাসান আল জাহিদ বলেছেন: আমার কাছে এটা স্পষ্ট যে মেয়েটি মনিরকে ভালবাসেনা। শুধু তার শারীরিক ক্ষুধার কারণেই মনিরকে সে ব্যবহার করছে। এবং এটা আমি মনিরকে বুঝেয়েছি। এখন সে বুঝলে হয়।
৬|
২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১২:১১
প্রচেত্য বলেছেন: আইনের ধারায় এটাকে কি বলে ?
২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১২:৩৬
ওমর হাসান আল জাহিদ বলেছেন: আইন কারো বেডরুমে প্রবেশ করেনা। তবে তাকে প্রবেশ করার সুযোগ দিলে সে অবশ্যই প্রবেশ করবে। অর্থাৎ আপনি আইনের সাহায্যপ্রার্থী হলেই শুধু আইন আপনাকে সাহায্য করবে। ধন্যবাদ।
৭|
২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১২:১৩
জামালiiuc বলেছেন: @ রিক্তা: কারণ ঐ দু-চারজন নারীর মত সবাই বিকৃত রুচি লালন করেনা।
আপনি নারী আর পুরুষ আলাদা করছেন কেন?
বরংচ বলুন মানুষের (নারী, পরুষ) জীবনে এরকম ঘটনা ঘটে।
তখন আর আপনার এই রকম মনে হবে না।
২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১২:৩৭
ওমর হাসান আল জাহিদ বলেছেন: জামাল ঠিক কথাই বলেছেন। এখানে ছেলেটার দুশ্চরিত্রও প্রকাশ পাচ্ছে।
৮|
২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১২:১৩
বেয়াকুফ বলেছেন: উহু, মাইয়াটা মজা লুটতেসে, একই সাতে দুই বিছানার মজা
। তবে হাসবেন্ড শালা বেকুব।
২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১২:৩৮
ওমর হাসান আল জাহিদ বলেছেন: হা হা !! হয়তো সেটাই হবে। ধন্যবাদ।
৯|
২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১২:১৬
ইন্টেল বলেছেন: Valo choti hoychea
২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১২:৩৮
ওমর হাসান আল জাহিদ বলেছেন: তাই??!! মজা পেয়েছেন তো?
১০|
২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ২:০৩
আলাউদ্দীন বলেছেন: আমি ভয় পাচ্ছি সেতুর না আবার মেয়ে হয়ে যায়।কারণ তার সন্তানও যদি তার মত বিকৃত মানুষীকতা সম্পন্ন হয়।তাহলে আরও একটি নৈতিক মূল্যবোধর অবক্ষয়ের ঘটনা আমাদের পড়তে হবে।
২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:৪০
ওমর হাসান আল জাহিদ বলেছেন: সেতুর ছেলে হলেও যে করবেনা, তার নিশ্চয়তা কি ?
১১|
২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৫:৩৬
সক্রেটিস বলেছেন: আলাউদ্দিনে কি কয়!!!
২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:৪২
ওমর হাসান আল জাহিদ বলেছেন: আলাউদ্দিনে কি আর কইব! তাহার আশংকা ব্যক্ত করিয়াছেন।
১২|
২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৫:৪২
সৌম্য বলেছেন: এইটা কি চটি গল্প নাকি। নীলক্ষেতে কলেজে থাকতে কিনতাম। রসময় গুপ্তের বই...খুব পপুলার ছিল
২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:৪১
ওমর হাসান আল জাহিদ বলেছেন: খারাপ বলেননি। তবে ঘটনাটা আমার বন্ধুর জীবনে ঘটেছে।
©somewhere in net ltd.
১|
২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সকাল ১১:৫২
মদন বলেছেন: ওরে থামান...