| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
৯০ % পাগল
আপাতত কিছুই নাই।
ভ্যালেন্টাইন ডে মানে ভালোবাসা দিবস,সবাই জানি।কিন্তু ১০০০ মানুষের মধ্যে ১ তা মানুষ মনে হয় খুজে পাওয়া যাবেনা যে ভালোবাসার মানে জানে। কারন বাজারে সত্যিকারের ভালোবাসা খুব দুষ্কর।তবে ২ নাম্বারটা পাওয়া যায়।দাম কম,হাতের নাগালেও আছে।কিছু দিন পর পর পরিবর্তন ও করা যায়।তাই লোকাল হওয়ার কারনে ভ্যাজাল ও বেশি।তাই পুলিশ লাগে। আজ(১৪ ফেব্রুয়ারি) পাগল যখন কোচিং এর নাম করে ঘর থেকে বের হয়ে তার সাবেক স্কুলের সামনে দিয়ে চা এর দোকানে যাচ্ছিল তখন পাগল দেখল,স্কুলের সামনে প্রচুর পুলিশ। যেখানেই কিছু ছেলেপেলে এক সাথে আড্ডা মারছে সেখানেই তারা ছেলেদের ধরছে,কাওকে মারছে,কিংবা কাওকে গাড়িতে উঠাচ্ছে।কারন অজানা।গলি ঘুরতেই কারন বুজাগেল।কিছু ছেলে একটি মেয়েকে পথ আটকে ধরেছে,একজন ফুল দেয়ার চেষ্টা করছে।মেয়েটা ফুলনিবেই না। তবু ছেলেটা ফুল দিবে।এক পর্যায় ছেলেটা রেগে গিয়ে বলে ‘তর মতন ............ মাইয়ারে অফার করাই আমার ভুল হইসে, তরচে কত সুন্দর মাইয়া আমি অক্ষন প্রেমে ফালাইতে পারি জানোস? সাহস থাকলে একটু খারা অহনই দেহাইতাসি’।পাগল পুরাই স্তব্ধ,যেই মুখ দিয়ে একটু আগে ‘বাংলার প্রমিত শুদ্ধ উচ্চারন’ বের হচ্ছিলো সেটা হটাত করেই ‘বিশুদ্ধ খেইত্তা ভাষা’তে পরিবর্তন হল কি করে।পাগল তারচেয়ে বেশি অবাক এটা দেখে ছেলেটি আরেকটি মেয়েকে(হয়ত পূর্বপরিচিত) ডাক দিয়ে ফুল দিয়ে ভালোবাসার কথা জানালো। মেয়েটিও সাথে সাথেই রাজি হল।পাগল ঠিক বুজলো না ভালাবাসা এতটা পরিবর্তনশীল কবে থেকে হল।১ম মেয়েটি কিছু না বলে চলে গেল।পাগল ভাবছে একদিক থেকে ভাল হোল।তার কোন এসিড নিক্ষেপ মামলার সাক্ষী হতে হয়নি।রাস্তার মোচড় আবার কাটতেই দেখা গেল দেশের কিছু ভবিষ্যৎ(অন্ধকার ভবিষ্যৎ) রাস্তায় দাড়িয়ে ইভটিজিং করার কাজটা নিষ্ঠার সাথে পালন করছে।যদিও বেশিক্ষণ করতে পারেনি,কারন ততক্ষণে পুলিশ এসে পড়েছে।অনেকে ভাববে বাজে ছেলে।তবে পাগলের মতে দোষ তাদের না।দোষ সমাজের।কারন আমাদের সমাজ আমাদের নৈতিকতা শিক্ষা দেয়নি,চিনিয়েছে কাজী নজরুল আর রবিন্দ্রনাথের কবর।সেই কবর থেকে কখনই জ্ঞান বের হবে না। ছাত্রদের তাদের কবিতা মুখস্ত করিয়ে লাভ নেই।এই থেকে তারা যদি মূল্যবোধ শিখে তবেই লাভ।ভালোবাসার দিবসে ইভটিজিং রোধ করার জন্য স্কুলে স্কুলে পুলিশ মোতায়ন সম্পূর্ণ রূপে আমাদের মূল্যবোধের অবক্ষয়ের পরিচয় দিচ্ছে। মূল্যবোধের অভাবে মানুষ ভুলে গেছে ভালবাসতে,ভুলে গেছে ভালোবাসার সম্মান করতে।এটা যে সুধু ছেলেরা ভুলে গেছে তা নয়,মেয়েরাও ভুলে গেছে।এই ইভটিজারদের যদি জিজ্ঞেস করে তবে জানতে পারবেন প্রত্যেকেই কখন না কখন সত্যি কাওকে ভালবেসে ছিল।এর কোন প্রতিকার পাগলের জানা নেই।সে এইখানে কোন উপদেশও দিতে পারে না।পাগল সুধু এতুটুক জানে,কোন একদিন সে একজনকে ভালবেসেছিল,মন দিয়ে। সেই মেয়েটিও তাকে ভালবেসে ছিল, কিন্তু সেটি মন দিয়ে নয়।
©somewhere in net ltd.