| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
মহাজাগতিক পিঁপড়া
মাঝে-মধ্যে আগুনের মত সুন্দর কিছু ব্যাথায় আহত, তবু বেঁচে থাকি সোনালি স্বপ্ন বুঁনে।
আজ ফাল্গুনের ৮ আর ফেব্রুয়ারির ২১ তারিখ। এই দিনটার বদলে আমরা এখন বাংলায় কথা বলি। তবে আমাদের অনেকেই বাংলা বর্ণগুলো পাঠশালা কিংবা স্কুলে পড়ে থাকলেও এখন পারি না,তাই সবার জন্য ১৪১৯বাংলা আর ২০১৩ইংরেজি সনের মাতৃভাষা দিবসের উপহার।
বাংলা বর্নমালা শিক্ষা।
প্রথমেই চলুন স্বরবর্ণ দিয়েই বর্ণশেখার পর্ব শুরু করা যাক।
স্বরবর্ণ(১১)
অ আ ই ঈ উ ঊ ঋ এ ঐ ও ঔ
স্বরবর্ণ ভাগ করা যায় তিন ভাবে-
১)হ্রস্ব- উচ্চারনে অল্প সময় লাগে।
২)দীর্ঘ- উচ্চারনে বেশি সময় লাগে।
৩)প্লুত- শব্দের শেষের 'অ' বর্ণ বিলুপ্ত হয়ে যায়।
যে কোন ব্যাঞ্জনবর্ণ উচ্চারনের ক্ষেত্রেই স্বরবর্ণের উপস্থিতি আসলে থাকবেই। চলুন ব্যাঞ্জনবর্ণ গুলোর পরিচয় জেনে নিই।
ব্যাঞ্জনবর্ণ(৩৯)
ক খ গ ঘ ঙ - উচ্চারণের স্থান কন্ঠ
চ ছ জ ঝ ঞ - উচ্চারনের স্থান তালু
ট ঠ ড ঢ ণ - উচ্চারণের স্থান তালুর মধ্যভাগ
ত থ দ ধ ন - উচ্চারণের স্থান দাঁত
প ফ ব ভ ম - উচ্চারণের স্থান ঠোঁট
য র ল শ ষ
স হ ড় ঢ় য়
ঃ ং ৎ ঁ
ব্যাঞ্জনবর্ণকে উচ্চারণ ভেদে দুই ভাগে ভাগ করা যায়-
১) অল্পপ্রাণ- ক চ ট ত প গ জ ড ব ম
২) মহাপ্রাণ- খ ছ ঠ থ ফ ঘ ঝ ঢ ধ ভ
এদেরকে আবার নিম্নরকমে ভাগ করা যায়-
স্পৃষ্ট অল্পপ্রাণ- ক গ ট ড ত দ প ব
স্পৃষ্ট মহাপ্রাণ- খ ঘ ঠ ঢ ধ ফ ভ
ঘৃষ্ট অপ্লপ্রাণ- চ জ
ঘৃষ্ট মহাপ্রাণ- ছ ঝ
নাসিকা- ঙ ন ম
পার্শিক- ল
উপরোল্লেখিত ভাগ ছাড়াও উচ্চারন অনুযায়ী বর্ণের পরিচয় করানো যায়-
শিষ ধ্বনি- শ স ষ
উষ্মবর্ণ- হ
তাড়নাজাত ধ্বনি- ড় ঢ়
কম্পনজাত- র
পার্শ্বিক বর্ণ- ল
পরিবেষ্টিত বর্ণ- ট ঠ ড ঢ
এছাড়া শ ষ স হ এদেরকে শ্বাসবর্ণও বলা হয়। কারন আপনার শ্বাস যতক্ষন ঠাকবে এই বর্ণগুলো ঠিক ততক্ষণ উচ্চারিত হবে।
য র ল ব কে অন্তঃস্থ বর্ণ বলে ডাকে কেউ কেউ। কারণ এরা স্পর্শবর্ণ আর শ্বাসবর্ণের মাঝখানে বসে সর্বদা।
যুক্তবর্ন(১১)
ক্ষ ঙ্ক ঙ্গ জ্ঞ ঞ্চ ঞ্জ ঞ্ছ ত্ত ষ্ণ হ্ম ণ্ড
বাংলা ভাষা সবাই ঠিক বেঠিক জানি,কিন্তু বাংলা ভাষার বর্ণগুলোর সাথে অনেকেই পরিচয় হারিয়ে ফেলেছেন। তাই এই আতলামিটুকু করা। একটু মনে করিয়ে দেয়া পাঠশালার কথা।
বিঃদ্রঃ আমি বাংলার ছাত্র নই,তাই কোন ভুল করে থাকলে মাফ না করে থাপ্পর দিয়ে যাবেন নিশ্চয়
ভাল থাকবেন সবাই।
©somewhere in net ltd.