নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

ঝরা পাতারও ফিরে আসার ধ্বনি থাকে।

এখানে পিঁপড়ার কামড় ফ্রি!!

মহাজাগতিক পিঁপড়া

মাঝে-মধ্যে আগুনের মত সুন্দর কিছু ব্যাথায় আহত, তবু বেঁচে থাকি সোনালি স্বপ্ন বুঁনে।

মহাজাগতিক পিঁপড়া › বিস্তারিত পোস্টঃ

বিশ্বজিত,সাগর-রুনী এবং হিন্দু সম্প্রদায়

০৫ ই মার্চ, ২০১৩ বিকাল ৪:১১

আজ বিশ্বজিত হত্যা মামলার চুড়ান্ত চার্জশীট দাখিল করা হয়েছে। চার্জশীটে বলা হয়েছে-'ওই হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের ২১ কর্মীর জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেছে। মামলার চার আসামি ইতোমধ্যে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে, যাতে হত্যা রহস্য উন্মোচিত হয়েছে।'



এখন বিচারের জন্য এদের আদালতে হাজির করা বাঞ্চনীয়। কথা হচ্ছে আওয়ামী লীগের কি করা উচিত? কারণ অভিযোক্ত আসামীরা জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগের সক্রিয় কর্মী। ভবিষ্যতের ভালর জন্য এবং নিরপেক্ষ বিচারের জন্য আওয়ামীলীগের উচিত এসব পথভ্রষ্টদের প্রতি দেখানো মমতা বিসর্জন দেয়া। এটুকু করা হলে এটা হবে কলাটরিয়াল ডেমেজ,আর যদি এখানেও প্রীতি ভালবাসা প্রদর্শন করা হয় তবে আওয়ামীলীগ নিজেই কলাটরিয়ালে পড়ে যাবে।



সাগর-রুনী হত্যা মামলার ব্যাপারে সরকারের অগ্রগতি কচ্ছপ কাহীনিকেও হার মানিয়েছে।আমি মনে করি, সরকার চাইলে যে কোন মামলার আসামীদের দুই থেকে তিন সপ্তাহের মধ্যে আটক করতে পারে।যেমন ব্লগার রাজীব হায়দার হত্যার সাথে জড়িতদের অতি অল্পসময়ের মধ্যেই আটক করা সম্ভব হয়েছে। সাগর-রুনী হত্যা মামলার ক্ষেত্রে কেন এত গাফিলতি? নাকি সরকারের উচ্চমহল কিংবা সরকারের সহযোগী মহলের কেউ সরাসরি এর সাথে জড়িত? জড়িত যদি নাও হয়ে থাকে কিংবা হয়েও থাকে তবুও সরকারের উচিত এই হত্যা মামলার সুরাহা করায় আর বিলম্ব না করা। বলাতো যায় না আগামীতে কে সরকারে বসছে।যদি বিএনপি ক্ষমতায় আসিন হয় তবে এটা নিশ্চিত করে বলা যায় সত্য হোক মিথ্যা হোক এই সরকারের উপর মহলের কর্তাব্যাক্তিদের এই মামলার সাথে জড়িয়ে চার্জশীট নির্ধারন করা হবে। রাজনীতির সময় এটাই বলে।



সাতক্ষীরা আর নোয়াখালীর বিষয়টা কি আসলে? ওখানে এমন নয় একদিন হিন্দু সম্প্রদায়ে হামলা হয়েছে। হামলা হয়েছে দিনের পর দিন,পুড়িয়ে দেয়া হয়েছে শতাধিক ঘর,মন্দির।সরকারের এবং বাংলাদেশি হিসেবে আমাদের সকলের উচিত হিন্দু সম্প্রদায়ের ভাই-বোনদের রক্ষা করা। হিন্দু কিংবা অন্য সম্প্রদায়ের মানুষ যেখানেই আছে সেখানেই সরকারের উচিত নিরাপত্তা জোরদার করা। আমাদের জাতিয় সংবিধানের প্রতি সন্মান প্রদর্শন করে আমাদের সকল সম্প্রদায়ের নাগরিকদের জন্য শান্তিপূর্ণ জীবনযাপন নিশ্চিত করা উচিত।এটা সরাসরি সরকারের হস্তক্ষেপে হওয়া উচিত। দেশটা আমাদের।এখানে শান্তিতে বসবাস করবার অধিকার সকল ধর্মের মানুষের আছে। হিন্দুদের হিন্দু না ভেবে মানুষ ভাবতে শেখাটা বেশি জরুরী।



সত্যের জয় হোক। জয় বাংলা।

মন্তব্য ৪ টি রেটিং +১/-০

মন্তব্য (৪) মন্তব্য লিখুন

১| ০৫ ই মার্চ, ২০১৩ বিকাল ৪:১২

আলমপুরের জুয়েল বলেছেন: Click This Link

০৬ ই মার্চ, ২০১৩ রাত ৩:২৭

মহাজাগতিক পিঁপড়া বলেছেন: আবালপুরের জুয়েল নাম হওয়াটা বেশি জরুরী ছিল আপনার। মরার থাকলে তফাতে।

২| ০৫ ই মার্চ, ২০১৩ বিকাল ৪:১৮

অেসন বলেছেন: 'ধর্মানুভূতি' শব্দটি মনে হয় সংখ্যাগুরুদের জন্য প্রযোজ্য। না হলে ভাঙ্গা মন্দির, সংখ্যালঘুদের ভাঙ্গা বাড়ীঘরের ছবি দেখার পরও গত ছয় দিনে
সরকারের কোন অনুভূতি বা উদ্বেগ দেখলাম না কেন?

০৬ ই মার্চ, ২০১৩ রাত ৩:২৮

মহাজাগতিক পিঁপড়া বলেছেন: সরকার কি ভাবছে সেটাই বুঝলাম না। কোন প্রেস রিলিফ নাই,উদ্বেগ নাই! কি হচ্ছে ভিতরে কে জানে?

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.