| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
সৃষ্টিকর্তায় যদি আনত-বিশ্বাস থাকতো তাহলে তার কাছে অশেষ শুকরিয়া আদায় করতাম, বাঙালি মুসলমান পরিবারে জন্ম দিয়েছেন বলে। কিন্তু তা যেহেতু নেই তাই ধন্যবাদটি পিতা-মাতাকেই, তাদের শারীরি-খেলার ফসল হিসেবে নিজেকে ভাগ্যবান মনে করছি। প্রশ্ন তুলতে পারেন কেন হঠাৎ এই ধন্যবাদের জোয়ার উঠলো।
প্রধান কারণ, তারা বাঙালি মুসলমান। তারা আরব, পারস্য কিংবা নিদেন পাকিসত্দানী মুসলমানও নন। এমনকি ভারতীয় মুসলমানও নন। এদের মুসলমানীত্ব যে কতোটা ভয়াবহ, যার প্রত্যৰ কোনও অভিজ্ঞতা এ ব্যাপারে নেই তাকে সেটা বলে কিংবা লিখে সেটা বোঝানো যাবে না। সেদিক দিয়ে বাঙালি মুসলমান এখনও অনেক বেশি উদার, অনেক সৃষ্টিশীল এবং আধুনিকতাকে গ্রহণ করার জন্য একেবারে অবারিত দ্বার না হলেও গবাৰটা অনত্দতঃ উন্মুক্ত রাখেন। এর প্রধান কারণ আর কিছুই নয়, প্রথমতঃ বাংলার মাটি, বীজ ফেললেই ফসল ফলে বলে মানুষের মনও নতুন কোনও বীজকে অঙ্কুরোদগমের সুযোগ করে না দিয়ে নিজেকে বন্ধা রাখতে আগ্রহী নয়। তাইতো ইসলাম খুব সহজেই এখানে একটি বিশাল মহীরূহ হিসেবে আত্মপ্রকাশের সুযোগ পেয়েছে।
যাকগে আসল কথাটি বলি, সমপ্রতি সৌদি আরবের একজন দনত্দ চিকিৎসক রাজা আল সানি-র লেখা 'বানাত্ আল রিয়াধ' (দ্য গার্লস অব রিয়াধ) পড়ার পর মনে হলো, আসলে বাঙালি নারী না হয়ে যদি সৌদিতে জন্ম হতো তাহলে একটা গোটা জনম কেটে যেতো চোখের জলে, ধর্মের বর্মে বন্দী থেকে, ধর্মের নামে স্বামীর বেত খেয়ে, স্বপত্নীর কষ্ট সহ্য করে, রাসত্দায় বেরম্নলে মুখটা একটু খোলা রাখলে মতুয়া নামে একটি গ্রম্নপের সঁপাং চাবুকের বাড়ি খেয়ে আর সমাজের নিকৃষ্ট জীব হিসেবে আজীবন 'আওরাত' হয়ে।
রাজা আল সানি-ও এই গ্রন্থটি সৌদিতে নিষিদ্ধ কিন্তু বাইরে ইতোমধ্যেই সাড়া জাগিয়েছে কারণ সৌদি রাজতন্ত্রের কবলে ইসলাম যে কতোটা স্বৈরাচারী আর কতোটা নোংরায় ঠাসা তা এই বইতে উঠে এসেছে। নিকৃষ্ট যৌনতা যার মধ্যে সমকামিতা, বলাৎকার (সডোমি) আর বহুগামিতাও যে ধর্মের নাম দিয়ে চালানো হয় সেখানে সেটা এই বইতে এতো চমৎকার করে তুলে ধরা হয়েছে যে পড়লে আশ্চর্য হতে হয়। সবচেয়ে আশ্চর্যের হলো, বইটি লিখেছেন সৌদি আরবের অন্দরবাসিনী এক নারী, যিনি পেশায় দনত্দ চিকিৎসক।
এর কিছুদিন আগে পড়েছি ইরানি চলচ্চিত্রকার আব্বাস কিরোসত্দামির কন্যার একটি সাৰাতকার। সেখানে তিনি ইরানি নারীদের জীবনের ভয়াবহ চিত্র তুলে ধরেছেন, আর পাকিসত্দানের কথা কি বলবো, সেখানে এখনও নারীর হাট রয়েছে। বহুদিন আগে এই হাটের ওপর একটি প্রতিবেদন পড়েছিলাম যেখানে উলেস্নখ ছিল যে, এই হাটের বেশিরভাগ পণ্য (নারী) বাংলাদেশের এবং এর ক্রেতা মূলতঃ সৌদিসহ অন্যান্য আরব রাষ্ট্রের শেখরা। এসব পড়ার পর মনে হয়েছে যে, খুব ভালো আছি বাংলাদেশে, বাঙালি নারী হয়ে জন্মে। কিন্তু এই ভালোটা সহ্য হচ্ছে জামায়াতের, তাইতো তারা সৌদির টাকায় ওয়াহাবিজমকে বাংলাদেশে আনতে চাইছে নারীকে করতে চাইছে ধর্মের পণ্য।
অথচ আমাদের 'আসত্দমেয়ে'-রা সেটা বুঝতে পারছেন না, যদি জন্মাতেন সৌদি কিংবা ইরানে তাহলে বুঝতেন নারী-জন্ম আসলে কতোবড় পাপ। যদি তাকে একা ফেলে স্বামী যেতো পরনারীতে তাহলে এই আসত্দ মেয়ে নাম নিয়ে ধর্মের ধ্বজা উড়ানি যে কোথা দিয়ে বেরিয়ে যেতো সেটা কল্পনা করেই হাসি পাচ্ছে, আবার দুঃখও হচ্ছে। দুঃখ এই জন্য যে, এ না পারছে রাজা আল সানির মতো সৌদি আরবে থেকেও ধর্মের বর্ম খুলে ফেলতে না পারছে বাংলাদেশের তুলনামূলক উদারতার সুযোগ নিয়ে আধুনিক ও মননশীল নারী হতে।
২|
১৪ ই মার্চ, ২০০৬ রাত ২:০৩
পিয়াল বলেছেন: Pakistan is famous for their 'Honour Killing'.
৩|
১৪ ই মার্চ, ২০০৬ রাত ২:০৩
অতিথি বলেছেন: ইসমৎ চুঘতাইয়ের কথা মনে পড়ে গেলো।
আর পিয়াল, আপনি বোধহয় বলতে চাচ্ছিলেন যে পাকিস্তান ইজ ইনফেমাস ফর দেয়ার অনার কিলিং, নাকি?
কিছুদিন আগে ইয়োরোপে তুর্কি সম্প্রদায়ের মধ্যেও এই সম্ভ্রমরক্ষার্থে হত্যার সংস্কৃতি নিয়ে একটি প্রতিবেদন দেখেছিলাম, জানি না কী ঘোরের জগতে এরা বাস করে।
(আমি তো প্রথম পাতায় খানিকটা পড়ে আর ছবি দেখে টাষ্কি, য়্যাঁ, এই তবে মহুয়ামঞ্জরী, হিজাবকন্যা স্বয়ং ... ! তারপর দেখি নাহ। মনটা একটু খারাপই হয়েছে মহুয়া, বুঝলেন ...)
৪|
১৪ ই মার্চ, ২০০৬ রাত ২:০৩
পিয়াল বলেছেন: No. I worte 'Famous', being Sarcastic.
৫|
১৪ ই মার্চ, ২০০৬ রাত ২:০৩
উৎস বলেছেন: মহুয়ার বুদ্ধির প্রশংসা করতে হয়। ভাবলাম আস্ত মেয়েই বেনামে মহুয়া কিনা।
৬|
১৪ ই মার্চ, ২০০৬ রাত ৩:০৩
অতিথি বলেছেন: অনার কিলিং ইসলামের অংশ না, প্রাচীন আরবের যেই প্রথা ছিল মেয়ে সন্তানকে জ্যান্ত পুতে ফেলা, তারই কনটিনিয়েশন।
বাংলাদেশে যেমন ভাতে চুল পেলেই তালাক দেয়ার প্রথা আছে, বেতানোর প্রথা আছে, তেমনি রিয়াদে মতুয়া আছে। এখানে বাঙালি মুসলিম বা আরব মুসলিম হওয়ার কোন সম্পর্ক নেই। সম্পর্ক আছে ইসলামর কিছু অংশ পালন করে কিছুঅংশ পালন না করার কুফল। আরবে তো রাজতন্ত্র, সেটা কোন পাগলেও ইসলামিক বলে না। মেয়েদের অবমাননার কথা আমিও অনেক পড়েছি, The princess of Arabia, Not Without My Daughter পড়েছি। পড়ে একবারের জন্যও মনে হয়নি এটা তাদের মুসালমানিত্বের দোষ। সডমি, সমকামীতা, "অবিচার"... উহু একটাও ইসলামের মতো মনে হয় নি আমার।
আরব কালচার, বাঙালি কালচার, পাকিস্তানি বা ইন্দোনেশীয়ান কালচারের দোষ, কালচার আর ইসলামের বিদঘুটে খিচুরীর দোষ, ইসলামের না। ইসলামের ভিতরে কেউ পুরোপুরি থাকলে সে এরকম করতেই পারে না।
আমি বাঙালি মুসলিম মেয়ে হিসেবে জন্মানোর জন্য thankful না, বরং আমার প্র্যাকটিসিং মুসলিম বাবা মা কে পেয়েছি বলে কৃতজ্ঞ, যারা প্রতি মুহুর্তেএক জন পরিপূর্ণ মানুষ হওয়ার জন্য চেষ্টা করে। আমার বাঙালি এক বান্ধবী আছে যার বাবা মাকে ধরে অমানুষিক পিটুনী দেয়। কই লোকটাকে দেখে একটুও মুসলিম মনে হয় নি। অথচ আমার দাড়িওয়ালা বাবা পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ বাবা। এর কারণ কি জানেন? বাবা প্রতি মুহুর্তে সেই নবীকে মানার চেষ্টা করেন যিনি মেয়েকে সারা জীবন ধমক দিয়ে কথা বলেননি একবারও।
আমার জন্ম লন্ডনে, বাংলাদেশে থেকেছি অর্ধেক জীবন, এখন আবার বাইরে। আরব, পাকিস্তানি, তুর্কী, আফ্রিকান, ভারতীয়, ব্রিটিশ, আমেরিকান, ইন্দোনেশীয়ান, মালয়শীয়ান, চাইনীজ--এ সব এবং আরও অনেক দেশের মুসলিম মেয়েদের সাথে ঘনিষ্ট সম্পর্ক আছে। সবাই বুঝে শুনে হিযাব পড়ে এবং মুসলিম পরিবারে জন্মানোর জন্য কৃতজ্ঞ। তাদের জিজ্ঞাসা করেই জেনেছি, নাহ এসব তাদের পরিবারে হয় না। ইসলামকে যারা বুঝে না, তাদের মধ্যে হয় অহরহ। অবশ্য, আপনাকে বলে কতদূর লাভ হবে বুঝছিনা... বললেন না, এসব নিজে উপলব্ধি করার ব্যপার, এসব আমার নিজের উপলব্ধি, বই পড়া বিদ্যা না।
আমার অভিজ্ঞতা আমাকে বলে, আমার আমিকে আমি ঢাকবো, সেটা নিয়ে দুনিয়া জোড়া সবার মাথা ব্যথা। গরম লাগা। প্রচুর তুর্কী মেয়ে অস্ট্রেলিয়ায় পড়তে আসে, কারণ তাদের হিযাব পড়ার "অধিকার" সেখানে দেয়া হয় না। (আমি আরব সহ অনেক অন্য দেশে অনৈসলামিক ভাবে মেয়েদের খারাপ ভাবে treat করা হয় অস্বীকার করছি না, অস্বীকার করছি সেটা ইসলামের দোষ সেই অভিযোগ।)
৭|
১৪ ই মার্চ, ২০০৬ রাত ৩:০৩
অতিথি বলেছেন: আশ্চর্য আপনি হিজাব পরে শরীর ঢাকবেন কি খোলা রাখবেন সেটা আপনার নিজস্ব ব্যাপার, এ নিয়ে কবে কোথায় আমি কি বললাম? আপনার যেমন হিজাব পরার অধিকার আছে তেমনই আমার আছে না পরার, কিন্তু আপনাকে পরার জন্য পুরষ্কার আমাকে না পরার জন্য তিরস্কার (মরার পর দোযখ আর আপনাদের মতে পৃথিবীতে দুষ্টু পুরুষের ধর্ষকামী দৃষ্টি) সহ্য করতে হবে কেন?
আপনি ইসলামের কথা বলেন, সৌদি আরবে রাজতন্ত্র, আর ইরানে কি? সবচেয়ে বড় কথা হলো, আপনারা তো সৌদি আরবের ইসলামকেই ফলো করছেন নাকি? যে কোরআনটি আপনি পাঠ করেন সেটি সৌদি কতর্ৃপক্ষ অনুমোদনের পরই বহির্বিশ্বে প্রচারিত হয়, এটা কি জানেন? কখনও কি আপনি আদি কোনও কোরআন দেখেছেন? নিশ্চিত দেখেননি, আমিও দেখিনি, কিন্তু সৌদি থেকে কিছু আদি কোরআনের কপি বাইরে বিশেষ করে পারস্যে পাচার হয়েছিল, সেগুলিতে অনেক সুরা রয়েছে যেগুলোকে পরে সৌদি বাদশাহরা বাদ দিয়েছেন, যাকে বলা হয় শয়তানের পদ্য, সেগুলি একবার পাঠ করে দেখবেন।
আরও বড় কথা হলো আপনি নবীর সুন্নত তো মানেন নাকি? যদি মানেন তাহলে আপনাকে অবশ্যই হাদিস অনুযায়ী চলতে হবে, বুখারী কিংবা মুসলিম বা তিরমিজি হাদিস গ্রন্থগুলি পড়ে দেখুন আরও ভালো করে, দেখবেন তাতে নারীর কোনও শ্রেনী নেই, সেখানে নারী মানুষ নয়, কৃতদাসী মাত্র, শয্যসঙ্গী, সন্তান উৎপাদনের যন্ত্র। সত্যিই বলেছেন, যিনি বুঝতে চান না তাকে বুঝিয়ে লাভ নেই, কারণ আমি তো আগেই বলেছি, ধর্ম নামের আফিম আপনাকে খাওয়ানো হয়েছে। আমি কখনওই সেরকম কামনা করবো না যে, আপনার জীবনে পুরুষতন্ত্রের বেত্রাঘাত (দয়া করে আক্ষরিক অর্থে নেবেন না) নেমে আসুক, কিন্তু যদি আসে আমি নিশ্চিত যে আপনি সেটা সামাল দিতে পারবেন না, আপনার বাবা-মা আপনাকে শিখিয়েছে কি করে ধর্ম পালন করতে হয় কিন্তু ধর্মের খড়গ নেমে আসলে তার থেকে কি করে বাঁচতে হয় তা শেখাননি, শেখালে আপনি আস্তমেয়ে না হয়ে মানুষ হওয়ার চেষ্টা করতেন, যেটা আপনিই আপনার মন্তব্যে লিখেছেন, পড়ে দেখুন।
বাংলাদেশের রহিমা-বাতাসি সকিনা যেভাবে রাস্তায় বেরিয়ে মাথায় ইটের বোঝা নিয়ে কাজ করে, আবার হাসিনা-খালেদা-শিরিনরা যেমন করে রাস্তায় নেমে অধিকার আদায় করে, প্রেসিডেন্ট প্রধানমন্ত্রী কিংবা বিরোধীদলীয় নেতা হয় কই দেখানতো আপনার সৌদি কিংবা আরবের অন্য কোথাও এমন কাউকে? এতো যে উদার ইরাক (ব্যবিলন নয়, কারণ ব্যবিলনের উদারতা এখন কিংবদন্তী) কই সেখানে যখন যুদ্ধের দৃশ্য কিংবা এখনকার ডামাডোলের দৃশ্য দেখানো হয়, চোখে পড়ে নাকি একটিও নারী, অন্ততঃ হিজাব মাথায় দেওয়াও? নেই। নেই, নারী নেই। কারণ নারীকে ঘরের বাইরে আসতে দেওয়া হয় না। তাকে ধর্ম দিয়ে বর্ম পরিয়ে রাখা হয়, সে বেরুলেই যে পুরুষের ধর্ম যায় যায়।
লন্ডনে জন্মেছেন, বড় হয়েছেন বাংলাদেশে (হয়তো গুলশানে, জানি না) তারপর আছেন অস্ট্রেলিয়ায়, হয়তো পড়েছেন এমন স্কুলে যেখানে কার গাড়ি কতো দামি সেই প্রতিযোগিতা চলে ছাত্রীদের মাঝে, জীবনের ঘৃণ্য রূপটি দেখেননি হয়তো (কামনা করি যেনো দেখতে না হয়), দেখেননি হয়তো অর্থনীতির সঙ্গে ধর্মনীতির সম্পর্ক কতো গভীর, কি করে নারীকে ধর্মের ফতোয়ায় পাথর ছুঁড়ে মারা হয় (অস্বীকার করতে পারেন ইসলামে পাথর ছুড়ে মৃতু্যদণ্ড কার্যকরের নির্দেশ নেই?), কি করে অনেকগুলো ধানের শীষ একত্র করে কোড়া মারা হয় নারীর পৃষ্ঠদেশে (আপনার কথিত ব্যাক নয়), তারপর মাথা ন্যাড়া করে আলকাতরা মেখে তাকে যখন গ্রামে ঘোরানো হয়, তার পরিবারটিকে করা হয় একঘরে, জল-অচল, কারণ ওই মেয়েটিকে পাটখেতে ঠেসে ধরেছিল একটি পুরুষ, তখন আপনাদের মতো আস্ত ইসলামী নারীরও লজ্জা হবে বলে বোধ করি, কারণ তখন মনুষ্যবোধের কাছে আপনার ধমর্ীয় উগ্রতা হার মানবে। দিনের শেষে আপনিও তো একজন নারী, আর নারী ছাড়া নারীর দুঃখ কে বুঝবে বলুন? আখের মোহাম্মদ (সঃ) নিজেও তো একজন পুরুষই, তিনি আর কতোদূর কি দেবেন নারীকে, এবং সর্বশেষ 'আল্ললাহ মিয়া' বলে সবাইতো আপনাদের সৃষ্টিকর্তাকেও একজন পুরুষ হিসেবেই কল্পণা করে, ইংরেজিতে গড-এর পরে 'হি'-ই লেখা হয় তো নাকি? তো, পুরুষের এই তন্ত্রে নারী আর পাবে কি বলুন?
৮|
১৪ ই মার্চ, ২০০৬ রাত ৩:০৩
অপ বাক বলেছেন: কিসের মধ্যে কি পান্তা ভাতে ঘি। হঠাৎ আরবের অন্ধকার যুগের কাজকে এখন টানাটানি করছেন। মোহাম্মদতো 1400 বছর আগেই ওখান থেকে সব পৌত্তলিককে হত্যা করেছে, ইহুদি, নাসারা যে কন্যা সন্তান পুতিয়া ফেলে না এটাও তো প্রমানিত, এই যে সম্মানের মৃতু্য এইটা ইসলামি সংস্কৃতির ধারাবাহিকতা, পৌত্তলিকতার ধারাবাহিকতা নয়।
অষ্ট মেয়ে সব কিছুর মধ্যে ভেজাল দেওয়ার অভ্যাস কেনো? ইসলাম নিয়ে কথা হচ্ছিল, আরবের রাজতন্ত্র ঐসলামিক নয় তবে সেই রাজতন্ত্রকেই ইসলামের শিরস্ত্রান ভাবা হয়। ওটা নবীর দেশ ওটার খেজুর জমজম পানি সবই উন্নত আর আবারও বলছি কোরানের বিখ্যাত কাফের নিধনের আইন নাজেল হওয়ার পর হিটলারের বাহিনীর মতোই নওমুসলিম আর দাগী মুসলিমেরা সব পৌত্তলিকদের হত্যা করেছে, যাই হোক এ বিষয়ে আমি সামান্য কিছু লিখেছি, আপনার মতো তথ্যসমৃদ্ধ নয়, তেমন কাব্যিকতা নেই, নেই ভন্ডামি করার চেষ্টা। আপনি অযথাই ইসলামকে টানছেন, ইসলামকে টানার আমার ইচ্ছা নেই, ইসলামের চেয়ে বরং মুসলিমদের কথা বলি, এবং মুসলিমদের আচরন অনুদিত হবে ইসলামের স্বীকৃত প্রথা হিসেবে। আর সেই মুসলিমগুলো যদি ইসলামের বাইরের আচরন করে তবে আপনার কি হবে? আপনার তো ঘরনী হওয়া হবে না। এভাবে একা একা কাটাতে হবে, কারন ইসলামে মেয়েদের শুধুমাত্র প্রকৃত মুমিনের শষ্যাসঙ্গিনি হওয়ার অনুমতি দিয়েছে, আপনার মতো ধর্মপ্রান মেয়ের তো জামাই জুটবে না, তালেবানি প্রথা অনৈসলামিক কোনো জেহাদির গলায় মালা দেওয়া হবে না, আর ইসলামে নারীর অধিকার বিষয়টা নিয়ে আলোচনা করাটা পাঠ্য বই আর অনুভবের ভিত্তিতে নয়, শুধু পাঠ্য বই অথবা শুধু অনুভবের ভিত্তিতে করলে ভালো হয়, দুইটার মিলমিশ শিখেন নি আপনি।
৯|
১৪ ই মার্চ, ২০০৬ ভোর ৪:০৩
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: সৌদি কোরান বাইরে পাচার হয়েছিল মানে! এই তথ্যের স্বপক্ষে কিছু বলবেন কী? আমার জানা মতে খেলাফত যুগের শেষ পর্যন্ত আল কোরআনের একটি আয়াতও বিকৃত হওয়ার সুযোগ পায়নি, এবং তা যখন বিশ্বব্যাপী ব্যাপ্তি পেয়েছে তখন অবিকৃতভাবেই গেছে প্রচারকদের সঙ্গে। আর ইরানে আমি নিজে থেকেছি বছর দুয়েক। তাদের কোরআনকে আসলে কোরআন বলাটা উচিত হবে কীনা আমার সন্দেহ। কারণ সেখানে তারা হযরত আলী (রঃ)র ছবি ব্যবহার করে। এবং আমার কাছে এমনও কিছু ছবি আছে যেখানে তারা হযরত মোহাম্মদকেও একেছে যা সুনি্ন মযহাবে রীতিমতো ধৃষ্টতা বলে মানা হয়। হিজাবের তর্ক আপনারা করেন, কিন্তু কোরআন নিয়ে হাবিজাবি বইলেন না।
১০|
১৪ ই মার্চ, ২০০৬ ভোর ৪:০৩
অতিথি বলেছেন: অ র পিয়াল আপনার যদি হাবিজাবি মনে হয় তাইলে ভাই পইড়েন না, কি দরকার হাবিজাবি পড়ার?
বিষয়টা আপনি নতুন শুনলেন আর আপনার জানা নাই বইলাই সেটা হাবিজাবি হইয়া যাবে আর আপনি ইরানে ছিলেন বইলা ইরানের কথা জানেন বইলা তারা শিয়া বইলা তাদের কোরআন কোরআন না, আর সুনি্নদের কোরআন কোরআন - এরকমত মত নিয়া তো ভাই কথা চলে না, এরে বলে গাওয়াজুরি (গায়ের জোরে যে কথা) কথা।
বাংলাদেশ মিসকিন দেশ হওয়া সত্ত্বেও আমাদের কোরআন হাদিয়া দিয়া কিনতে হয়, কিন্তু সৌদি আরবের দূতাবাসগুলি থিকা সব সময় এটা বিনামূল্যে দেওয়া হয়। আচ্ছা কোথায় পাইলাম সেইসব সুরার কথা, আপনারে জানাইতাছি কিন্তু তার আগে আপনি নিজে একটু তথ্য-তালাশ করিয়া বাইর করেন না ভাই।
১১|
১৪ ই মার্চ, ২০০৬ ভোর ৪:০৩
অতিথি বলেছেন: দুজনের যুক্তি খন্ডন বেশ উপভোগ্য কিন্তু সেটা ব্যক্তিগত আক্রমনের পর্যায়ে চলে গেলে আমরা তথ্যবহুল কিছু লিখা থেকে বঞ্চিত হবো। আশা করি এদিকে আপনাদের সজাগ দৃষ্টি থাকবে।
বাই দা ওয়ে, এই পোস্টের ফটুক খান বড়ই সৌন্দর্যনা? পান্তা ভাতে ঘি আর খাঁটি সরিষার তেল আপাতত রাখেনতো অপ বাক ভাইজান! আসেন ফোটুক খানা নিয়া কথা কই... আমিতো ভাবলাম বেচারা হিমু'র উপর তাইলে এত্তোদিনে একখান হিজাবওয়ালীর আছর হইলো (হিমুর পোষ্টে মহুয়ার মন্তব্য আর উহাতে হিমু কাকার চিৎপটাং দ্রষ্টব্য, শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত কাকা আমার একটা কবিতা লিখায় ব্যস্ত। রাসেল কাহা কহিল উহা নাকি মহুয়ার নামে উৎসর্গীকৃত)।
বিশ্বাস করেণ, মুখার মতো আমিও টাস্কি খাইয়া প্রায় আড়াই মিনিট হা হয়েছিলাম ফটুক খান দেখে।
১২|
১৪ ই মার্চ, ২০০৬ ভোর ৪:০৩
অতিথি বলেছেন: এই যে নীচে ইংরেজি ভাষায় কয়েকটা তথ্য দিলাম আপনের মিসিং সুরাগুলি সম্পর্কে। প্রয়োজনে আরও দিমুনে।
১৩|
১৪ ই মার্চ, ২০০৬ ভোর ৪:০৩
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: টাইম নাই
১৪|
১৪ ই মার্চ, ২০০৬ ভোর ৪:০৩
অতিথি বলেছেন: সেটা থাকবে কেন? অন্যের লেখাকে হাবিজাবি বলার টাইমতো খুব আছে, সেক্ষেত্রে টাইম থাকে কেমন কইরা ভাই?
১৫|
১৪ ই মার্চ, ২০০৬ ভোর ৪:০৩
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: ভাই, কোরআন সম্পর্কেইসলাম খুবই স্পেসিফিক, এর বিকৃতি হইছে আমার দ্্বিমত এই জায়গায়। বাকি ব্যাপার নিয়া আপনার সঙ্গে তর্ককরার টাইম আমার নাই। আর আপনার ওই অংশটাই হাবিজাবি বলছি। অপরাধ ক্ষমা করবেন
১৬|
১৪ ই মার্চ, ২০০৬ ভোর ৪:০৩
অতিথি বলেছেন: সেয়্রসী তোমার কথার ফুলঝড়ি বন্ধ হবেনা। তুমি ভাঙা রেডিওর মতো চালায় যাও। কি হিজিবিজি হিজিবিজি লেখ তোমার গত বছরের আইরিশ বয়ফ্রেন্ডের সাথে যে কারনে পাক্কা 2 ঘন্টা থানা হাজতে কাটাইতে হইছে সেইটা নিয়া লেখলে আরো জমতো মজা।
১৭|
১৪ ই মার্চ, ২০০৬ ভোর ৪:০৩
অতিথি বলেছেন: এইটা আবার কে দাদা? আপনে আইরিশের কথা কন, একজন ভালো বাঙালি মানুষও দেখছি না, আর থানা-হাজত - তওবা তওবা, ওইহানে তো থাকে শায়খ আর বাংলা ভাই, আমি যামু কা?
১৮|
১৪ ই মার্চ, ২০০৬ ভোর ৪:০৩
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: কোরআনে একদম শুরুতে যে কয়টা সুরা ও আয়াতের কথা বলা হয়েছে, তা নির্দিষ্ট এবং একচুলও এদিক ওদিক হয়নি। সম্ভবত হযরত ওসমান (রাঃ)র খেলাফত কালে একদল বিধর্মী অদ্ভুত কিছু সুরা যোগ করে কোরান বিকৃতির একটা প্রচেষ্টা নেয়। তা যথারীতি দমনও করা হয়। এখন আমি যদি একটি সুরা লিখে বললাম এটা মিসিং সুরা- আমার আবিষ্কার আপনি কি ইউরেকা ইউরেকা বলে খুশিতে বিশ্বাস করে বসবেন। ধর্মান্ধতা যেমন আমার অপছন্দ তেমনি উন্মাদের মতো এর বিরোধিতাও। আমরা মিডিওকার লোকজন, নিজের মতো করে খোদাকে ডাকি তার উপাসনা করি। একটু শান্তিতে থাকতে দেন না ভাই।
১৯|
১৪ ই মার্চ, ২০০৬ ভোর ৫:০৩
মাশীদ বলেছেন: খুব ভাল পোস্ট মহুয়া। হেডিং দেখে হালকা ধাক্কা খেয়েছিলাম, মনে হয়েছিল 'আপনিও!' পুরোটা পড়ে শান্তি পেলাম। আমি বাঙালী মুসলিম নারী হিসেবে আপনার মতোই গর্ব (এবং স্বস্তি) অনুভব করলেও ছোটকালে বড় হয়েছি যে পাড়ায় ওখানের অনেককে ঠিক বাঙালী বলা যায় না। পাকিস্তানী বা সৌদিদের সাথেই বেশি মেলে। ওদের বাড়ির মেয়েদের জীবন এখনো কেটে যায় অন্ধকারেই। সৌদি দেশে না থেকেই।
সিঙ্গাপুরে গত এক বছরে অনেক দেশের অনেক কিছু দেখেছি। ইরানী অধিকাংশ মেয়ে কিভাবে এসে পৌঁছা মাত্র যাবতীয় হিজাব ফেলে মেতে ওঠে পুরোপুরিwestern জীবনধারায় সেটা দেখেছি আর ভেবেছি আমরাও তো মুসলিম দেশ থেকে এসেছি কিন্তু কই ওদের মত বাঁধনছাড়া তো হইনা। পরে বুঝেছি যে দেশে ধমর্ীয় বাড়াবাড়ি বেশি...সেখানেই বাঁধনছেঁড়ার প্রবণতা তত বেশি। নিজেকে সেীভাগ্যবান মনে হয়েছে যে আমি একটা উদার বাঙালী মুসলিম পরিবার থেকে এসেছি তাই দেশ ছাড়ার সাথে সাথে কোন বাঁধ ভাঙার আওয়াজে গা ভাসাতে হয় না।
২০|
১৪ ই মার্চ, ২০০৬ ভোর ৫:০৩
অতিথি বলেছেন: মহুমনজু রী আপনাকে বলছি কোরান সম্পর্কে কিছু নাজেনেই আপনি ভুল তথ্য দিচ্ছেন, কোরানকে ভালবাসেনা,ইসলাকে ভালবাসেনা তাই বলে এ সম্পর্কে না জেনে তথ্য সন্ত্রাস ছড়াবেন ,এটা তো আপনাদের স্ববিরুধিতা , ভবিষতে এ সমপর্কে কিছু না জেনে লিখবেন না।
রহমান পিয়াল ভাই ,এধরনের মানুষ শুধু সামাজে উপযুক্ত প্রমান ছাড়াই বৃভান্তি ছাড়ায়। এদের কোন বিষয় নি য়ে কোন প্রশ্ন করলে ই এরা তার সঠিক প্রমান না দিয়েই অন্য দিকে চলে যাবে নয়তো ব্যক্তিগত আক্রমনে যাবে।
২১|
১৪ ই মার্চ, ২০০৬ সকাল ৮:০৩
অতিথি বলেছেন: যে ব্যপারে নিজের অভিজ্ঞতা নেই সেটা নিয়ে অনুমানের ভিত্তিতে কথা বলবেন না, প্লিজ। এক ব্যপারে যখন বলেন তখন অন্য ব্যপারে বিশ্বাস করতে কষ্ট হয়।
আপনার কোরআন হাদীসের ব্যপারটা এক চুলও বিশ্বাস করলাম না। কেন জানেন? সেটা ভিত্তিহীন কথা। কোন প্রমাণ ছাড়া কথা বলতে মানুষ এতো ভালবাসে... অদ্ভূত...
আমি ইরানের সমর্থন করি নি একবারও। কি করে ধারনা করে নিলেন আমি তাদের সমর্থন করি? কারন আপনি ধারনা করতে ভালবাসেন...
প্রচণ্ড স্পর্ধায় আমার জীবন কাহিনী কল্পনা করে গেলেন। কি দু:সাহস! না আমি গুলশান বনানীতে বড় হয়নি। জানি না জানেন কিনা, বিত্ত ছাড়াও মেধা বলে একটা কথা আছে যেটা মানুষকে অনেক দূর নিয়ে যায়।
অপ বাক, দু'টোকে মিশাতে শিখেছি বলেই এতো কথা বলছি।
আমার জামাই নিয়ে আপনাকে চিন্তায় পড়তে হবে না। আপনাকে ঘটকালি করতে ডাকবো না। আমার loving বাবা মা আছে।
২২|
১৪ ই মার্চ, ২০০৬ সকাল ৮:০৩
অতিথি বলেছেন: সূরা ইখলাস পড়েন জানবেন সৃষ্টিকর্তা পুরুষ ও না, নারীও না। 'হি' বলা হয় এটা ইংরেজির সীমাবদ্ধতা।
২৩|
১৪ ই মার্চ, ২০০৬ সকাল ৯:০৩
অতিথি বলেছেন: প্রমাণ দিলে বিশ্বাস করবেন তো? নাকি তখন বলবেন ওসব প্রমাণ মানি না? দাড়ান তবে আপনার জন্য প্রমান হাজির করছি। তবে শুনুন, এটা কাউকে খাটো, কিংবা কোনও ধর্মগ্রন্থকে ভুল প্রমাণের জন্য নয় বরং মানুষের হাতে এর পবিত্রতা কি করে লংঘিত হয়েছে সেটা দেখানোর জন্য, বিষয়টি আগে থেকেই পরিষ্কার করে নিচ্ছি।
নাহ দুঃসাহস নয়, আবার হ্যা দুঃসাহস আছে বলেই বলতে পারি আমি বাঙালি, আমি নারী, এবং তারপর মুসলিম পরিবারেই শুধু জন্ম, এবং সেখানে উদারতা ছিল বলে মাশিদের সঙ্গে একমত, যে বখে যাইনি কিংবা পশ্চিমের উদারতাকে গ্রহণ করতে পারিনি অথবা তা থেকে নিজেদের সরাতে কাপড়ের পুটলিও বানাইনি।
আর ইংরেজি ভাষার না হয় বুঝলাম সীমাবদ্ধতা আছে, কিন্তু পৃথিবীর অন্যান্য ভাষা? আমাদের বাংলার? নাকি বলবেন আমাদের মাতৃভাষারও রয়েছে সীমাহিন সীমাবদ্ধতা। যদি তাই থাকে তাহলে আপনিতো অনেক মেধাবী, মেধা দিয়ে দূর করুন না এই সীমাবদ্ধতা, বের করুন না হি-র বদলে কিংবা আললা মিয়ার বদলে অন্য কিছু?
যাকগে আজকালের মধ্যেই সেইসব তথ্যাদি তুলে ধরবো যা জানতে চেয়েছেন।
২৪|
১৪ ই মার্চ, ২০০৬ সকাল ৯:০৩
অতিথি বলেছেন: অ রি পিয়াল, নিজে সুরা লিখবেন কি করে? আরবিও জানেন নাকি ভাই আপনি? মশকরা করলাম, আপনি যা বলতে চেয়েছেন বুঝেছি, কিন্তু তা মানুষ করবে কেন? আপনি কোরআনের একটি সুরার সঙ্গে অপরটির মিল খুজে পান না? মনে হয় না যে, এটা একজনেরই লেখা, তবে যেগুলো মিসিং সেগুলোও ওরকম বলেই দাবি করা হয়।মিশনের আল আজহার বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক-এর উদ্ধৃতি দিলে বিশ্বাস করবেন তো? নাকি চোখ বন্ধ করে, প্রশ্ন না করে বিশ্বাস করাটাই যে ধর্মের আদি ও অকৃত্রিম পথ, সে পথ থেকে সরবেন না? যদি সেরকমটাই হন তাহলে আপনার ভালো ছাত্র হওয়া, মেডিকেলে পড়া, নেশা করা এবং তা থেকে আবার মুক্তিলাভ করা সব যে বৃথা, কারণ প্রশ্নহীন বেঁচে থাকা তো গৌরবহীন, বরং প্রশ্ন করে তুচ্ছ সত্য আবিষ্কারেও নিশ্চয়ই রয়েছে বিশ্বজয়ের আনন্দ, কি বলেন?
আপনি ইরানকে মুসলমান হিসেবে স্বীকৃতি দিতে নারাজ, কিন্তু জানেন কি, আজকে যদি আমেরিকা ইরান আক্রমণ করে তখন কিন্তু অনেক বাঙালি জিহাদিই সেখানে যাবে, যেমন গিয়েছে প্যালেস্টাইনে, যেমন গিয়েছে আফগানিস্তানে। আপনি তো মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে খুব লেখেন, একটু লেখেন না কেন আরবের কোনও দেশ বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে এক ফোটাও সাহায্য দেয় নাই, উলটা পাকিস্তানরে সাহায্য দিছে? কেন পাকিস্তানীরা মোচলমান আর বাঙালিরা সেটা হইতে পারলো না তাগো চোখে? আরে ভাই মিসকিনের আবার ধর্ম কি, ভিক্ষার চাল কাড়া আর আকাড়া!!
২৫|
১৪ ই মার্চ, ২০০৬ সকাল ১১:০৩
হ।স।ন বলেছেন: মহূয়া, আপনার পোস্টের হেডিংটা হবে
শত জনমের ভাগ্য যে বাঙালী "চরমভাবে ব্যর্থর্র্র্" মুসলমান পরিবারে জন্মেছিলাম । আপনার সৃষ্টিকর্তর্ায় অবিশ্বাস "মুসলিম পরিবার" হিসেবে তাদের ব্যর্থর্তা তুলে ধরে। তাই নয় কি?
ইসলামকে সৌদীদের সম্পত্তি মনে করেন কেন? তারা মেয়েদের সাথে পশুর মত আচরন করে বলে? না আমাদের(আপনারও কি?)শেষ নবী সেখানে জন্মেছিলেন বলে?
মুসলমান হওয়ার পরও কি আমাদের ভেতর থেকে আমাদের চৌদ্দপুরষের সব কিছু উঠে গেছে বলতে চান? আরবদের কাছে সেটা কেন আশা করেন? ইসলামিক revolution এর আগে ইরানীরা কি European lifestyle অভ্যস্ত ছিলোনা? তারা এখন বাইরের বিশ্বে এসে কম কাপড় পরলে তাতে আশ্চর্যর্ হবার কি?
ইজলাম আর মোজলেমদের bash করার আগে তাদের সম্পর্কর্ে আরও লেখাপড়া করেন ।
২৬|
১৪ ই মার্চ, ২০০৬ সকাল ১১:০৩
হ।স।ন বলেছেন: .........লেখাপড়া করুন।
২৭|
১৪ ই মার্চ, ২০০৬ দুপুর ১২:০৩
অতিথি বলেছেন: আহারে এই নাদানগোরে কেমনে বুঝাই, আমিও মুসলমান, হিজাব পরি না, কিন্তু আজান শুনলে মাথায় কাপড় তুলি, হোক সেটা অভ্যেস, ঘর থেকে বেরুনোর সময় আয়তুর কুরশি পড়ি, যদিও অর্থ জানি না, কিন্তু এটা মুসলিম পরিবারের জন্মের কারণেই। তাই বলে কোনও প্রশ্ন করা যাবে না? নিঃশর্ত সমর্পণ করার আগে যদি জেনেবুঝে তা করি সেটাইতো হবে প্রকৃত, নইলে তো ভান থেকে যাবে, যে কেউ বুঝাইয়া দলে টেনে নেবে। কেউ এসে যুক্তি দিয়ে বুঝাবে আল্ললাহ নাই, যদি নিজের ঈমান শক্ত না হয় তাইলে তার পিছনেই যে দৌড় পাড়মু একথা কারে বুঝাই।
লেখাপড়া কার দরকার ভাই আমার না আপনার, নিজেরে একবার প্রশ্ন করেন। আমি মানছি আমার দরকার, কারণ জানার কোনও শেষ নাই, কিন্তু সেই বৃথা চেষ্টা আমি করতে রাজি, আমি তর্কে সত্য প্রতিষ্ঠা করতে চাই।
আর ইসলাম তো সৌদিদের সম্পত্তিই দেহেন না কি সুন্দর হজ্ব-ব্যবসা, প্রতিবার হজ্বে যে বিলিয়ন ডলার আয় হয় সেই অর্থ কোনহানে যায় ভাই খোজ নেন? দেহেন না লন্ডন-আমেরিকার নাইটক্লাব আর জামায়াতি বোমা মারার ফান্ডেই তো যায়, জানেন সেইটা? আর সৌদি এই লেখক সেইসব কথাই কইছেন, তার কষ্টটা দেইখ্যা বাঙালি মুসলিম নারী হিসেবে সুখ পাইছি, কারণ আমারে তার মতো কইরা কষ্ট পাইতে হইতেছে না, সৌদি বর্বর আদিম যুগের তুলনায় বাঙালি সংস্কৃতির শক্তি অনেক বেশি ছিল বইলা এখনও ধর্ম সেই সংস্কৃতির সবটা গিলতে পারে নাই। কিন্তু ধর্মাজগেরর হা এহনও বন্ধ হয় নাই। আমি সেই কথাই কইছি, যে আমাগো গিললা খাবার চায় এই ধর্মাজগর, সেইটা ঠেকানোর কথাই কইছি।
আহারে বাই বুঝতে পয়সা লাগে না, ব্রেইন লাগে, একটু খাটান না ব্রেইনটা, নাকি আপনারও সময় নাই?
২৮|
১৪ ই মার্চ, ২০০৬ দুপুর ১:০৩
হ।স।ন বলেছেন: আমাকে যেহেতু নাদান বললেন সেহেতু ধরে নিব আপনি বয়সে বেশ বড় আমার।
আপনি আমার কমেন্টটা ভাল করে আরেকবার পড়বেন আশা করি ।
আপনি আনত বিশ্বাস দ্্বারা কিধরনের বিশ্বাস বুঝিয়েছেন আপনিই ভাল বলতে পারবেন। আমি কমন্টে কোথাও বলিনি যে প্রশ্ন করতে পারবেন না।
সৌদীদের এইসব ব্যবসায় যদি ইসলাম ওদের সম্পত্তি হয়ে যায় তবে বায়তুল মোকারম্মের সামনে আতর, টুপী, তসবী ব্যবসায়ীরা কি দোষ করলো?
বোমাবাজ সংগঠনগুলোকে যে আমেরিকানরা অর্থর্র্র্,প্রশিক্ষন দিয়ে বড় করেছে সেটাতো দেখলেন না।
আপনাদের এই ধরনের phobia দূর হোক এই কামনা করি।
ধন্যবাদ
২৯|
১৪ ই মার্চ, ২০০৬ দুপুর ২:০৩
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: আপনিতো ভাই সরাসরি ব্যক্তিগত আক্রমণে চলে গেলেন। কোমরে আচল পেচিয়ে ঝগড়াঝাটির যে মানসিকতা আপনার সেটাতো যুক্তিহীন ঠেকছে। আপনি আপনার মতো আপনার লেখা লেখতাছেন যেই প্যাটার্নটা এই ব্লগের অনেকেরই খুব চেনা। যাক এনিয়ে নতুন তর্ক বাধাবো না। আপনি অতি জ্ঞানী মহিলা, আমি অধম- এই দৃষ্টিকোণ থেকে তো ক্ষমা পেতে পারি! রেহাই দিন প্লিজ।
৩০|
১৫ ই মার্চ, ২০০৬ রাত ৯:০৩
অতিথি বলেছেন: মুসলিম আপনিও সেটা বুঝলাম, কিন্তু আপনার সাথে আমার পার্থক্যটা কোথায় দেখবেন?
আমি অভ্যাসের বশবর্তী হয়ে নিয়মিত ritualistic কিছু করি না, করার যেীক্তিকতা থাকলে করি।
আজানের সময় আমি মাথায় কাপড় দেই না। সব সময় যার মাথায় একটুও কাপড় থাকে না, আজানের সময় সেও তড়িঘড়ি করে হাতের কাছে যা পায় তাই দিয়ে মাথা ঢাকে... রুমাল, কাঁথা, বিছানার চাদর। একবার দেখি দুই জন একই ওড়না দিয়ে মাথা ঢেকে আছে... আবার আজান শেষের সাথে সাথে তড়ি ঘড়ি করে নামানো... যেন স্প্রীং লাগানো...
কোরআন হাদীসে কোথাও আজানের সময় মাথায় কাপড় দিতে বলা নেই, তাই আমি দেই না। অন্তত আমাকে কেউ প্রমাণ দেখাতে পারে নি, আমি প্রমাণ চেয়েছি 4 বছর আগে। যেটা করি সেটা হচ্ছে, আজানের সময় কথা বলি না, আজানের জবাব দেই, বুঝে শুনে, উপলব্ধি করে...
আল্লাহু আকবার (আল্লাহ মহান)... আল্লাহু আকবার...
হাইয়া আলাস সালাহ (এসো নামাজের দিকে)... লা হাওলা ওলা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ (আল্লাহ ছাড়া কোন শক্তি নেই)
আয়াতুল কুরসির মানে জানি। প্রিয় আয়াতের অন্যতম। তবে ঘর থেকে বেরুনোর সময় সেটা বলি না, বলি: বিসমিল্লাহি তাওয়াক্কালতু আল্লাল্লাহ... আমি আল্লাহর উপর ভরসা করছি...
এবার নানুবাড়িতে যাওয়ার পরে একটা বড় সড় ধরণের ঝগড়া করেছি। পিরিয়ডের সময় নাকি মেয়েদের রাতে বাইরে যেতে হয় না। এ ব্যপারে আমাকে কেউ প্রমাণ দেখাতে পারে নি। 2 ঘন্টা ঝগড়া করে আমি আমার অধিকার আদায় করে রাত 10টায় নদীর তীরে ঘুরতে গিয়েছি।
যেগুলো করার যৌক্তিক কোন কারণ নেই, ইসলামে বলা নেই, তবু মানুষ অভ্যাসের বসে করে, সেগুলো আমার কাছে হাস্যকর লাগে। কুসংস্কার মনে হয়। আমি সেগুলো করি না। সে রকম নি:সর্ত আত্মসর্মপন আমি করি না, যদিও আপনি করেন।
আর যে কোন সংস্কুতির ভাল কিছু নিতে একটুও কার্পন্য করি না। পশ্চিমাদের থেকে নিদ্্বর্িধায় অন্যের অধিকারকে মর্যাদা দেয়া, সততা, সহনশীলতা এগুলো শিখতে রাজি আছি। তুর্কীদের চমতকার অতিথিপরায়নতা শিখতে আমার একটুও দ্্বিধা নেই।
হজ্জ টিভিতে দেখানোর সময় চোখগুলো খোলা রেখে ভেবেন এতো টাকা যায় কই।
৩১|
১৫ ই মার্চ, ২০০৬ রাত ১১:০৩
অতিথি বলেছেন: নাহে আস্ত মেয়ে, আপনি কিছুই বোঝেননি, বুঝলে এরকম অসম পার্থক্য নিয়ে কথা বলতে আসতেন না। আমার প্রথম বাক্যটি পড়েছেন, আনত শব্দের অর্থ জানেন? না জানলে একটি বাংলা অভিধান সঙ্গে রাখুন, কাজে দেবে।
আপনি আজানের সময় মাথা ঢাকেন না কারণ আপনার মাথা হিজাবে ঢাকা থাকে, কিন্তু বাংলাদেশের সাধারণ নারীরা শাড়ি পরে এবং গ্রামে তাদের কাজের সময় আপনার মতো হিজাবে সর্বাঙ্গ মুড়ে রাখলে আর ধান কাটা কিংবা চিড়ে কোটা হবে না নিজেরাই কাটা কিংবা কোটা হয়ে যাবে। আমি ভাই সাধারণ মেয়ে আগেই বলেছি, আমার ওরকম হিললি-দিললি করার সৌভাগ্য হয়নি, হয়নি আপনার মতো পড়াশুনা করে ইসলাম গ্রহণের, আমি যা জেনেছি তা হলো বাস্তবাবস্থা থেকে। পার্থক্যটা এবার বুঝেছেন? না বুঝলে আবারও বলি,
আপনি যে ইসলামকে চেনেন জানেন তার সঙ্গে সাধারণ বাঙালির পরিচয় নাই, আপনার ইসলাম হচ্ছে পশ্চিমেরে বুঝিয়ে-শুনিয়ে ভাওতা দিয়ে রাষ্ট্র ক্ষমতা দখলের জন্য হাত বাড়াতে চায়, এরা মুখে বলে ইসলাম নিরীহ কিন্তু তলে তলে প্রশিক্ষণ দেয় জিহাদি, এদেরকে বলে পলিটিক্যাল ইসলাম, এর সঙ্গে শেকড়-সংস্কৃতির কোনও সম্পর্ক নেই।
আর আমি যে ইসলামের কথা বলেছি সেটা হচ্ছে, আরব থেকে এসে সুফি আর সাধকদের হাত ধরে হাজার বছরের বাঙালি সংস্কৃতির ঘাড়ে উঠেছে, বাঙালি যেহেতু ভদ্র সংস্কৃতি তাই সে এই ইসলামকে ফেলে দেয়নি, গ্রহণ করেছে কিন্তু শুধু তার নির্যাসটুকু, যাতে সংস্কৃতির ওপরে সে কোনও দিনই উঠতে না পারে, তাই একজন বাঙালি মুসলমান মুসলমান একুশে ফেব্রুয়ারিতে শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে ফিরে গিয়ে আবার জুহরের নামাজও আদায় করে। কিন্তু এই সুফিবাদ বলেন আর বাস্তবানুগ ইসলাম বলেন এরে পছন্দ করে না আফনার মতো রাজনৈতিক ইসলাম-এ বিশ্বাসী রা, তারা চায় সবাইরে এর ভেতর নিয়ে এসে রাষ্ট্র ক্ষমতা দখল করে তারপর তেলেসমাতি দেখাবে, নারীরে ঘরে ঢুকাবে, শরীয়া চালু করবে, এর চেয়ে সহজ ভাষায় আপনার আমার তথা রাজনৈতিক ও প্রাকৃত ইসলামের পার্থক্য বোঝানোর ক্ষমতা আমার নেই। তাই এই বিষয়ে আপনার সঙ্গে আমি আর কোনও তর্কে যাবো না।
আর পিরিয়ডের সময় রাতে বাইরে যাওয়ার কথা তুলেছেন, জানি না আপনার নানু বাড়ি গ্রামে কি না, এটা নিষেধ করা হয় এ জন্যই যে, গ্রামের মেয়েরা আপনাদের মতো প্যাড ব্যবহার করে না, করে ন্যাকড়া, সেটা বার বার পরিবর্তন করতে হয়, অনেক সময় বাইরে গেলে সেটা পরিবর্তন করা সম্ভব হয় না বলে কাপড়ে রক্তটা লেগে যেতে পারে, এছাড়া নানা কারণ রয়েছে, েযগুলোর ব্যাখ্যা দিতে অনেক কথা খরচ করতে হবে - ওই নিষেধ ইসলামের না, আপনি এরে ইসলামের মইদ্যে টানলেন ক্যান বাই? মেয়েদের এই সময়টা নিয়ে ইসলামে অসংখ্য হাদিস রয়েছে, সুরার অংশ রয়েছে- সেগুলো আবারও পড়বেন দয়া করে, কতোটা প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে নারীর ঋতুকালকে, ভাবতে অবাক লাগে। আর কি বলবো আপনাকে আমি জানি না...আপনি পশ্চিম আর তুর্কি থেকে শিখেছেন অনেক কিন্তু আলোর নিচে অন্ধকারের মতো বাঙালি সংস্কৃতির সহজতর ও শ্বাশ্বত এবং লোকায়ত রূপটিই আপনি ধরতে পারেননি। ধরতে পারলে আজ আপনাকে নিজেকে ঢাকতে হতো না কালো কাপড়ে, আপনার বিবেকের দৃঢ়তাই হতো আপনার রক্ষক।
আর হজ্বের কথা বলছেন, আপনি জানেন কি শুধুমাত্র ব্রিটেনের মুসলিমরাই প্রতি বছর হজ্ব বাবদ সৌদিকে কতো অর্থ দেয়? প্রায় 2.4 মিলিয়ন পাউন্ড, অর্থটা শুধুমাত্র ব্রিটেনের. বাকি বিশ্ব তো পড়েই রইলো। তাই সৌদি আরবের শেখদের ভালোবেসে আপনি আর যাই বোঝাতে চান, তাদের অপকর্মকে ঢাকতে পারবেন না। আপনাকে আবারও অনুরোধ করছি, দয়া করে অর্থ খরচ করে হলেও রাজা আল সানির বইটি পড়বেন, আপনার জ্ঞানচক্ষু খুলে যাবে- এর দরকার আছে বুঝলেন আপা।
৩২|
১৫ ই মার্চ, ২০০৬ রাত ১১:০৩
অতিথি বলেছেন: দিলেন তো এক থিওরী, আপনার থিওরী যদি সত্যি হতো তাহলে শুধু রাতের বেলা বাইরে যাওয়ার ব্যপারে আপত্তি থাকতো না। রাতে তো এমনিই কিছু দেখা যায় না। Is it one of your intellectual theories? No wonder...
ওরা আমাকে বুঝাতে চাইছিল এটা উচিত না। কেন না? "খারাপ আসে"। ব্যাস, এর পরে আর প্রশ্নের সুযোগ নেই। আমি বাসায় তো হিজাব পড়ি না, তখনও মাথায় স্প্রীং লাগানো ওড়না তোলার খেলা খেলি না।
আমি রাজা আল সানীর বইটা কিছুদূর পড়েছিলাম। পড়তে আমার আপত্তি নেই। আরেক জনের বাসায় ছিলাম, আনার সুযোগ ছিল না। পড়ে নিব। আমি কিন্তু সিমিলার বই পড়েছি... The princess of Arabia, Not without my daughter...
আপনার নিজে কোরআন হাদীস বুঝে পড়ায় এতো আপত্তি কেন সেটা বুঝতে পারছি না.. অন্যদের কথায় নাচছেন... ধমের আফিম কথাটা খুব cliched হয়ে গেছে। অন্য অনেকে বলে ফেলেছে, আপনি শুধু অন্যদের বলা কথাটাই টেপ রেকর্ডারের মতো বলছেন...
হজ্জ্ব প্রতি বছর কতোজন করতে যায় জানেন? 20 লাখ। তাদের টেম্পরারি স্যানিটারি, খাবার দাবার, ট্রানসপোর্টটেশন, বিদ্যুত, পানি, শেলটার, সিকিউরিটি এগুলোর পিছনে কি 20 টাকা দিলে হতো?
৩৩|
১৬ ই মার্চ, ২০০৬ রাত ১২:০৩
অতিথি বলেছেন: আপনি বাসায় কিংবা স্নানঘরে কি করেন সেটা জানার কথা কারো নয়, আসুন আমরা বাইরের প্রসঙ্গ নিয়েই কথা বলি, ক্যামন। বাইরে হিজাব পরে বের হন সে জন্যই আপনার প্রয়োজন পড়ে না মাথায় কাপড় তোলার। আর সাধারণ বাঙালি মেয়েকে শুধু হাতে নয়, চিন্তাতেও স্প্রিং লাগাতে হয় নইলে তাদের ইহকাল-পরকাল দুই -ই যাবে, কেন জানেন? তাদেরকে তো একই হাতে সংসার ও বাইরেটা সামলাতে হয়, এসব আপনি বুঝবেন না।
যাককে, হঁ্যা ধর্মের আফিম ক্লিশে হয়েছে, সেটা আপনারাই করেছেন, মানুষকে বার বার খাইয়ে বদ হজমের ক্রনিক রোগ সৃষ্টি করে। তাই এখন সেটায় কাজ হচ্ছে না বলে আপনারা বোমা-বেসবল ব্যাট হাতে নিয়েছেন। আমি না হয় অন্যের কথা ধার করে বলছি, আপনিতো নিজের কথা বলছেন, তাহলে এতো কষ্ট হচ্ছে কেন মূল কথার উত্তর দিতে? নিজে যা বিশ্বাস করেন সেটা নিজের মধ্যে রাখলেই ল্যাটা চুকে যায়, ধর্মকে জায়নামাজ থেকে বের করে সংসদে নিয়ে যাওয়ার জিহাদেই যতো আপত্তি। আপনি ঘরে হিজাব পরুন কিংবা কিছুই না পরুন, তাতে আপত্তি নেই কিন্তু আপনি বাইরে যদি আবরণহীন হন তাহলে লোকে আপনাকে কি বলবে? সে রকম ধর্মকে ঘরে রেখে বাইরে আর দশজন সাধারণ মানুষের মতো আচরণ না করাটাতেই আপত্তি, বোঝাতে পেরেছি?
আবারও বলছি, ইসলামের ঠিকেদারি নিয়েছে আপনার শেখ-প্রভূরা, যেখানে তাদের কা'বা সেই পবিত্রস্থান দেখার জন্য কেন বিনামূল্যে ব্যবস্থা করে দিচ্ছে না তার মুসলমান ব্রাদরদের? পবিত্র স্থান বলে সেখানকার মাটির নীচে নাকি তরলসোনা আছে, তার পয়সা তো কম নয়- এটুকুর জন্যও হাদিয়া ধরতে হবে??
আর কোরআন হাদীস পড়ে আপনার হয়তো আরও প্রয়োজন শেখার, আমার জীবন আমাকে অনেক কিছুই শেখায়, যতোটুকু পড়েছি তাতে যদি না চলে তাহলে আর পড়ে সময় নষ্ট করার মতো সময় নেই, সেই সময়টুকুগাজরের আচার তৈরির প্রক্রিয়া শিখলে কাজে দেবে, আত্মীয়-স্বজনদের রসনার তৃপ্তি দিতে পারবো, পরকালে একজন বলিষ্ঠ পুরুষ পাওয়ার লোভ নেই, এই জনমে একজন আস্ত-মানুষ পেলেই ধন্য হবো।
দয়া করে এসব নিয়ে আর বিতর্ক না করলেই খুশি হবো কারণ আপনি পাশ কাটিয়ে যান সবকিছু, এই স্বভাব আমার বিরুদ্ধপ্রকৃতির, তাই আপনি আপনার রাস্তায়, আমি আমার....কেমন?
৩৪|
১৬ ই মার্চ, ২০০৬ রাত ১২:০৩
অতিথি বলেছেন: আপনি কথাটা এভাবেও নিতে পারেন যে,
বেহেশতের লোভ করি না, নাই দোযখের ডর গো.....
৩৫|
০৫ ই এপ্রিল, ২০০৭ সকাল ১১:২৩
অতিথি বলেছেন: জম্পেশ পোস্ট 4
৩৬|
১০ ই মে, ২০০৭ রাত ১০:৪২
শমশের আলম বলেছেন: যবন ঠাকুর এইখানে কমেন্ট দিত আগিলা আমলে
©somewhere in net ltd.
১|
১৪ ই মার্চ, ২০০৬ রাত ২:০৩
অতিথি বলেছেন: ছবিটি গ্রন্থের লেখক, রাজা আল সানি'র।