নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

[email protected]

সেলিম জাহাঙ্গীর

সেলিম জাহাঙ্গীর যে দ্যাশে নাই জীন মরণরে আমার মন ছুটেছে সেই দ্যাশে গুরু লওনা আমায় তোমার সে দ্যাশে

সেলিম জাহাঙ্গীর › বিস্তারিত পোস্টঃ

নবী রাসুলদের মধ্যে পার্থক্য কর না--- কোরআন

০৭ ই অক্টোবর, ২০১২ রাত ১২:০৭

পৃথিবীর আদি থেকে যত নবী রাসুলের আগমন ঘটেছে সকল নবী রাসুলের মিশন ছিলো এক। তাঁদের উদ্দেশ্য ছিলো আল্লাহর বার্তা পৌছেদেয়া; অন্ধকারাচ্ছন্ন মানুষকে আলোকিত পথ দেখানো ও শান্তি প্রতিষ্ঠা করা। যুগে যুগে সকল নবী রাসুলকে পৃথক করেছে ধর্মীয় নেতারা তাদের নিজের স্বার্থ চরিতার্থ করার জন্য। যুগে যুগে সকল নবী রাসুলকে খাটো করেছে এই ধর্মান্ধ মানুষ গুলো। এই নবী ছোট- তো সেই নবী বড়। সেই নবী বড়-তো ঐ নবী ছোট। এমন মতবাদ ও পৃথক করেননী স্বয়ং আল্লাহ্। তাহলে এমন নবী রাসুলের মধ্যে পৃথক করেছে কারা? যারা কেবল নতুন মতবাদ সৃষ্টি করে উল্লাস করতে পারে; নিজে নেতা সাজতে আলেম হতে ধর্মে নানান মত ও পথ সৃষ্টি করতে পারে তারা। আল্লাহ্ প্রদত্ত নবী রাসুলদের খাটো করতে যাদের হৃদয় কাপে না তারাও নাকি ধার্মীক! এই নবী বড় কিংবা ঐ নবী ছোট এই দিয়ে মুক্তি মিলবে? নিশ্চয় নয়। কোন নবী বা রাসুল বেহেস্তে নিবে এটাও ঠিক নয়। আল্লাহ্ কোরআনে বলছে প্রত্যেক মানুষের কর্মের হিসাব নিবে। আপনার কর্ম আপনাকে জান্নাত জাহান্নামে নিবে। কোন নবী বা রাসুল আপনার পাপের ভার নিবেন না। যেখানে আপনার কর্মেই আপনাতে জান্নাত জাহান্নামে নিবে সেখানে যেকোন নবীর উম্মত হওয়াতে কোন আসে যায় কি? আপনার সময় কালের জন্য আপনি নবী পেয়ে গর্বকরছেন? আজ থেকে ১৪ শত বছর আগে মুহাম্মাদ (সাঃ) ছিলেন। তার জবিদ্দশায় তাকে অনুসরণ করেছেন অনেকে। এখন সে ইহজগতে নাই আছে তার আদর্শ,শিক্ষা-দিক্ষা,চলা-বলা ও তার রেখে যাওয়া পথ নির্দেশ। একই ভাবে যদি আমরা বলি অন্য নবী রাসুলদের আদর্শ,শিক্ষা-দিক্ষা,চলা-বলা ও তার রেখে যাওয়া পথ নির্দেশ নাই কি? আছে তবে তা বতিল হয়েছেকি? হয় নি। সকল নবী রাসুলদের অনুসরণ করতে হবে নাকি কেবল একটি নবীকে অনুসরণ করতে হবে সেটা জানার দরকার। কে বলবে এই সঠিক কথাটি? সকল আসমানী কিতাব নাকি কোরআন? এখন এক বাক্যে পৃথিবীর সকল ইসলাম পন্থীরা বলবে একমাত্র কোরআন’ই এর সমাধান। তবে তায় হোক কোরআন বললেই কি আপনি মানবেন? মানবেন না। কারণ কোরআনের জন্য ইসলামের অনুসারীরা জীবন দিতে পারেন, কিন্তু কোরআনের আলোয় জীবন গড়তে পারেন না। অনকে কথা কোরআনে আছে, চোখে দেখছে,পড়ছে কিন্তু মানতে বললে কেমন যেন অনিহা, মেনেই নিতে পারছেন না। আপনি মেনে নিতে না পারলে কোরআনের কোন যায় আসে না। কোরআন যা বলেছে সেই আলোয় জীবন গড়াই হচ্ছে মুহাম্মাদ (সাঃ) এর প্রকৃত পথকে আকড়ে ধরা। এখন কেউ মানবেন আর কেউ মানবে না, প্রকৃত মুমিনের কাজ তাহতে পারে না। চলুন দেখি কোরআন কি মানতে বলে।



সূরা বাক্বারাহ ২:১৩৬ আয়াত আল্লাহ্ বলছেঃ

তোমরা বল, আমরা ঈমান এনেছি আল্লাহর উপর এবং যা অবতীর্ণ হয়েছে আমাদের প্রতি এবং যা অবতীর্ণ হয়েছে ইব্রাহীম, ইসমাঈল,

ইসহাক, ইয়াকুব এবং তদীয় বংশধরের প্রতি এবং মূসা, ঈসা, অন্যান্য নবীকে পালনকর্তার পক্ষ থেকে যা দান করা হয়েছে, তৎসমুদয়ের উপর। আমরা তাদের মধ্যে পার্থক্য করি না। আমরা তাঁরই আনুগত্যকারী।

”আমরা তাদের মধ্যে পার্থক্য করি না” বলতে আল্লাহ কাকে মিন করলেন যে পার্থক্য করো না? আবার এই আয়াতে বলছেঃ “আমরা তাঁরই আনুগত্যকারী” আমরা কার আনুগত্যকারী? আমরা হচ্ছি ইব্রাহীম, ইসমাঈল, ইসহাক, ইয়াকুব এবং তদীয় বংশধর এবং মূসা, ঈসা, অন্যান্য নবীকে পালনকর্তার পক্ষ থেকে যা দান করা হয়েছে, তৎসমুদয়ের আনুগত্যকারী। আসলেকি ইসলামের অনুসারী আমরা কোরআনের এই সূরার আয়াতটি মানিকি? মানি না। যদি মানতাম তা হলে নবী রাসুলের মাঝে আমরা প্রকৃত দ্বীন খুজতাম; ছোট বড় খুজতাম না। প্রকৃত দ্বীন দরকার। কে ছোট আর কে বড় এমন কিছুর হিসাব আল্লাহ নিবেন না। আল্লাহ কখনো বলেনী ধরলে বড় নবীকে আকড়ে ধর। আবারো চলুন দেখি কোরআন কি বল



সূরা নিসা ৪:১৩৬ আয়াতঃ

হে ঈমানদারগণ, আল্লাহর উপর পরিপূর্ণ বিশ্বাস স্থাপন কর এবং বিশ্বাস স্থাপন কর তাঁর রসূলও তাঁর কিতাবের উপর, যা তিনি নাযিল করেছেন স্বীয় রসূলের উপর এবং সেসমস্ত কিতাবের উপর, যেগুলো নাযিল করা হয়েছিল ইতিপূর্বে। যে আল্লাহর উপর, তাঁর ফেরেশতাদের উপর, তাঁর কিতাব সমূহের উপর এবং রসূলগণের উপর ও কিয়ামতদিনের উপর বিশ্বাস করবে না, সে পথভ্রষ্ট হয়ে বহু দূরে গিয়ে পড়বে। কোরআন বলছে মুহাম্মাদ (সাঃ) কে উপরের উল্লেখিত নবীগুলোকে অনুসরণ করতে। তিনি অনুসরণ করবে আর আপনি করবেন না তাকি হয়? এবং কোরআন আরও বলেছে তাদের সাথে কোন পার্থক্য করো না। আর আপনি নিজে পার্থক্য করে বসে আছি কেন? এই দিয়েকি মুক্তি মিলবে?

মন্তব্য ৩ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (৩) মন্তব্য লিখুন

১| ০৭ ই অক্টোবর, ২০১২ রাত ১২:১২

নান্দাইলের ইউনুস বলেছেন: ছোট বেলায় পড়ছিলাম যাহাদের উপরে কিতাব ও সহিফা নাজিল হইয়েছে তাহারা রসুল আর যাহাদের উপরে কিছু নাজিল না হইয়া পুর্ববর্তি দিগের কিতাব অনুসরন করিতে বলা হইয়াছে তাহারা নবী। পার্থক্যতো থাকলোই।

২| ০৮ ই অক্টোবর, ২০১২ বিকাল ৪:৪৫

নজিবুল্লাহ বলেছেন: Click This Link

৩| ১৭ ই অক্টোবর, ২০১২ সন্ধ্যা ৬:৫৫

নজিবুল্লাহ বলেছেন: Click This Link

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.