নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

ব্লগ পড়তেই বেশি ভালো লাগে...তাই লেখা কম, মন্তব্য বেশি!

বছর ধরে সাহোইন পড়ছি, মন্তব্য এবং ব্লগ লেখায় নতুন।৪ বছর ধরে সাহোইন পড়ছি, মন্তব্য এবং ব্লগ লেখায় নতুন।

মন্তব্যকারী

এখানে অনেক কিছু জানতে পারি, দেখতে পারি।অন্যের অভিজ্ঞতা নিজের পথ চলায় সিদ্ধান্ত নিতে অনেক সহয়তা করে।গত সাত বছর ধরে সফটওয়্যার পেশায় নিয়োজিত আছি।ওয়েব-এ বাংলা লিখতে পছন্দ করি।বাংলার পাশাপাশি ইংলিশ আর জাপানিজ কিছুটা জানি।

মন্তব্যকারী › বিস্তারিত পোস্টঃ

দরকার সরকার পরিবর্তনকালীন স্থায়ী ব্যবস্থা

২৭ শে অক্টোবর, ২০১৩ সকাল ১১:০৪

আমাদের দেশে রাজনৈতিক অস্থিরতার অন্যতম কারণ হল নির্বাচনকালীন সরকার আর নির্বাচন প্রক্রিয়া। ১৯৯০ থেকে প্রতিটি নির্বাচনের পরেই বিরোধী দল শুরু করে সরকার পতনের আন্দোলন। কিন্তু তার চরম রূপ দেখা যায় নির্বাচনের বছর। প্রধান দুটি দল একে অপরকে অন্তত নির্বাচনকালীন সময়ে বিশ্বাস করে না। সম্ভবত দুই দলই ক্ষমতায় থেকে দেখেছে দুর্বল নির্বাচন প্রক্রিয়ায হস্তক্ষেপের মাধ্যমে সুবিধা লাভ করা সম্ভব।



এই অবিশ্বাস থেকেই জন্ম নিল তত্ত্বাবধায়ক সরকার। আপাত দৃষ্টিতে ধারনাটা ভালই মনে হয়। দুই পক্ষের মারামারিতে গ্রহণযোগ্য তৃতীয় পক্ষের কাছে যাওয়া। সাধারণ মানুষও বেশ খুশিই হয়েছিল। অন্তত অবৈধ বস্তি আর দখল উচ্ছেদ, সেই সাথে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরিতে তারা ভালই কাজ করতে পারছিল।কিন্তু উদ্দেশ যখন নির্বাচন প্রক্রিয়ায হস্তক্ষেপ করা, গ্রহণযোগ্য তৃতীয় পক্ষে নিজেদের লোক ঢুকাতে ব্যস্ত হয়ে পড়ল ক্ষমতাসীন দল। বিচারপতির পদোন্নতিও সেই টাইম প্লান মাথায় রেখেই হল।ফলে তৃতীয় পক্ষ গ্রহণযোগ্যতা হারালো। আগে সর্বশেষ প্রধান বিচারপতি প্রধান উপদেষ্টা হলেও এখন বিএনপি চাইছে গ্রহণযোগ্য একজন ব্যক্তি। সাথে থাকবে প্রাক্তন উপদেষ্টারা। গ্রহণযোগ্য একজন ব্যক্তি কথাটাই যত সমস্যার মূল। বিশেষ করে যে দেশে নোবেলজয়ী একজন মানুষও সবার কাছে গ্রহণযোগ্য নয়। এরকম রাজনৈতিক অবস্থা চলতে চলতেই হয়ত একদিন সেনাবাহিনী এগিয়ে আসবে(০৭ এর মত) অথবা একক নির্বাচন হবে ৯৬ এর মত। তারপর আবার সহিংসতা, সর্বশেষে হয়ত একদিন একটা গ্রহণযোগ্য নির্বাচন দেখতে পাব। নতুন সরকার ক্ষমতায় আসবে।



কিন্তু ৫ বছর পর আবার একই অবস্থা হবে। তাই দরকার হচ্ছে একটা স্থায়ী সমাধান। বিশ্বে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা কোনো নতুন ব্যবস্থা নয়। আমরাই গণতন্ত্রে নতুন। অন্য সফল গণতান্ত্রিক দেশে যেভাবে নির্বাচন হয় আমাদের দেশেও তেমন ভাবেই হওয়া উচিত।



সেজন্য দরকার নির্বাচন ব্যবস্থাকে এমন ভাবে তৈরী করা যাতে কোন দল সরকারে থাকলেও সেখানে কিছু করতে না পারে। ফল উল্টে দিতে না পারে। আজ কত উন্নত প্রযুক্তি চলে আসছে, আমাদের দেশে অনেক দক্ষ তথ্যপ্রযুক্তিবিদরা আছেন, এমন একটা ব্যবস্থা কি আমরা তৈরী করতে পারি না? হাজার কোটি ডলারের পদ্মা সেতুর টাকা যদি নিজেদের ভান্ডার থেকে জোগার করা যায়, একটা উন্নত ভোটিং সিস্টেম কেন করা যাবে না? একটা পদ্মা সেতু বানানো থেকেও এইটা জরুরী। আমার বিশ্বাস রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা থাকলে এরকম কয়েকটা পদ্মা সেতু আমরা নিজেদের টাকাতেই করতে পারব।



ভবিষ্যতে যদি ০৭ এর মত কোন মইনুল-ফকরুদ্দীন সাহেবরা ক্ষমতায় আসেন, তাদের কাছে আমার দাবি থাকবে এমন একটি নির্বাচন ব্যবস্থা তৈরী করে দিন যেন নির্বাচন আসলেই এমন সহিংসতা আর দেখতে না হয়। কেউ বলতে না পারে সুক্ষ কিংবা স্থুল কারচুপি হয়েছে। নির্বাচিত সরকারের অধীনেই গ্রহণযোগ্য নির্বাচন সম্ভব হয়। বার বার তত্ত্বাবধায়ক সরকার খুজতে না হয়।আপনাদেরকেও আর ক্ষমতায় আসতে না হয়।



বড় দুই দল ক্ষমতায় গেলে কখনই এটা করবে না, তাই আপনাদেরকেই বলছি।

মন্তব্য ২ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (২) মন্তব্য লিখুন

১| ২৭ শে অক্টোবর, ২০১৩ সকাল ১১:১২

দুরদেশী বালক বলেছেন: হবে না। কারণ একটি স্থায়িত্বশীল ব্যবস্থা হলে ওনাদের রাজনীতির উপাদান আর থাকে না। নিজেরা কি করবেন সেটা নিয়ে কোনো কথা নেই। অন্যের ১৪ প্রজন্ম উদ্ধার করাটাই ওনাদের কাজ। ইহার নামই রাজনীতি

২| ২৭ শে অক্টোবর, ২০১৩ সকাল ১১:৪৭

বোধহীন স্বপ্ন বলেছেন: তত্ত্বাবধায়ক ব্যাবস্থা একটা গণতান্ত্রিক দেশের জন্য লজ্জ্বাজনক । অথচ দেশের জনগণ দুই দলের চেয়ে এই অনির্বাচিত সরকারের উপর বেশি আস্থা রাখে । ভাবতে পারেন তারা কতটা নিচে নেমে গেছে??

আপনার সাথে একমত, একটা স্থায়ী ব্যাবস্থা অবশ্যই দরকার । কিন্তু কারা করবে? দেশে এত এত বিশেষজ্ঞ আছে, তাদের কারো কথাই তো কেউ শুনে না । রাজনীতিবিদরা নিজেদের ছেলেমানুষী নিয়েই আছে ।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.