নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

বাংলাদেশ, মা তোমায় ছালাম

ভালো কে ভালো বলি, খারাপ কে ঘৃণা করি!

মরু প্রান্তর

কারো কেউ নইতো আমি, কেউ আমার নয়। কোন নাম নেই তো আমার, শোন মহাশয়।

মরু প্রান্তর › বিস্তারিত পোস্টঃ

বাংলাদেশে ডলারের দাম, টাকার তুলনায় বাড়লে সাধারন মানুষের লাভ না ক্ষতি?

২৮ শে জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ১২:১৬

আজ বাংলাদেশ ব্যাংক এর ডেপুটি গভর্নর বলেছেন বেশি করে আমদানি করতে, এতে ডলারের দাম বাড়বে এবং প্রবাসীরা রেমিটেন্স পাঠাতে উৎসাহিত হবে!!! আমি অর্থনীতিবিদ না, তাই এসব কন্ডিশন বুঝিনা। কিন্তু এটা বুঝি আমাদের দেশ আমদানি নির্ভর দেশ। এই দেশে উৎপাদককে প্রাধান্য দেয়া হয় না, ট্রেডিং নির্ভর অর্থনীতি। তাই বেশিরভাগ রেডিমেড পন্য আমরা আমাদানি করে জীবন যাপন নির্বাহ করি, আর যাও ২/৪ জন কল কারখানার মালিক এ দেশে আছে তারাও ফ্যাক্টরির সকল কাঁচামাল ডলার পাঠিয়ে কিনে আনেন, সো ডলারের দাম বাড়লে, আমদানি খরচ বাড়ে। মূল্যস্ফীতি বাড়ে। জিনিসের দাম বাড়ে। আল্টিমেটলি ক্ষতিগ্রস্ত হই আমরা সাধারন মানুষরাই। দয়াকরে বিশেষজ্ঞ কেউ থাকলে ব্যাখ্যা দিবেন যে "বাংলাদেশে ডলারের দাম টাকার তুলনায় বাড়লে সাধারন মানুষের লাভ না ক্ষতি?"।

মন্তব্য ৭ টি রেটিং +১/-০

মন্তব্য (৭) মন্তব্য লিখুন

১| ২৮ শে জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ১২:২৮

প্রদীপ মিত্র বলেছেন: আসলে আমেরিকার অর্থনীতি যেমনে ডাউন খাচ্ছে, আর বাংলাদেশেরটা যেমনে ভালো হচ্ছে, তাতে করে ডলারের টাকায় দাম এখন কমাই স্বাভাবিক .

এই গ্রাফে দেখবেন যে ডলারের দাম ২০১২ র পর কমতেছে। Click This Link

তবে আমদানিটা যে শুধু ডলারেই হয় এমন না।

২৮ শে জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ১২:৩০

মরু প্রান্তর বলেছেন: ধন্যবাদ প্রদীপ দাদা। আমদানি বেশিরভাগ ডলারেই হয় এবং আপনি এখনই খবর দেখেন। দেখবেন উনি কি বলছে।

২| ২৮ শে জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ১:৩৩

বিকারগ্রস্থ মস্তিস্ক বলেছেন:
এইটা ভাইস ভার্সা -- আপনাকে নিধারন করতে হবে কোনটা বেশি উপযোগী ---

ডলারের দাম বাড়লেঃ
১) রেমিটেন্স বেশি আসবে
২) এক্সপোর্ট যারা করে তাদের লাভ - তাতে আরো এক্সপোর্ট বাড়বে
৩) বিনিয়োগ বাড়বে বিদেশী
৪) ইম্পোর্ট কৃত পন্যের দাম বেড়ে যায় তাতের দেশীও প্রডাক্ট এর চাহিদা বাড়ে


ডলারের দাম কমলে
১) ইম্পোর্ট বাড়বে -- প্রয়োজনীয় পন্য কম দামে পাওয়া যায় --
২) যন্ত্রপাতি যেহেতু সব বাইরের থেকে কেনা হয় তাতে সুবিধা পাওয়া যায় তাই পন্যের উপাৎদন কষ্ট কম হয় !!

---- দেখি আরো যুক্তি কি দেওয়া হয় -- তবে আপনার সাথে আমি দ্বিমত ! গভার্নরের সাথে একমত !!

গ্রোয়িং সময়ের কিছু কৌশল গত সিদ্ধান্ত নিতে হয় !! এটা একটা অন্যতম !!

২৮ শে জানুয়ারি, ২০১৩ দুপুর ১২:৫৭

মরু প্রান্তর বলেছেন: আপনার যুক্তি ভাল লাগছে। কিন্তু আমিতো জানতে চেয়েছি। জানলাম। আমার সাথে দ্বিমত করার কি হল। যাইহোক সম্পুরক আরেকটা প্রশ্ন চলে আসলো।
বছর দুয়েক আগে সরকার ডলারের দাম জোর করে ধরে রেখেছিল কেন? ডলারের দাম বাড়াতে খুব চিন্তায় ছিল কেন?

৩| ২৮ শে জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ১:৩৬

বিডি আইডল বলেছেন: বাংলাদেশ সহ বিশ্বের কোন দেশই চায় না ডলারের তুলনায় তাদের মুদ্রামান শক্তিশালী হোক। চীন, মালয়শিয়া, সুইজারল্যান্ড এই দেশগুলো মুদ্রাবাজারে সরাসরি হস্তক্ষেপ করে এটাকে কম রাখতে। কানাডা সহ ইউরোপের অনান্য দেশ নানারকম মানিটরি পদক্ষেপ নেয় এটাকে কম রাখতে। বাংলাদেশ ব্যাংক গত নভেম্বরে ১২০০ কোটি ডলার কিনে নিয়ে বাজার থেকে এর দাম বেশি রাখতে। মূলত রপ্তানী বাণিজ্য আয় এবং আমদানী বাণিজ্য ব্যায় এর তারতম্য থেকেই সবাই এই হিসাবকে বশে রাখতে চায়।

৪| ২৮ শে জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ২:১৫

সপ্তম ইন্দ্রিয় বলেছেন: positive & negative 2ta side ache seta price rise korleo/ downn korleo

৫| ২৮ শে জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ৩:২৪

স্বাধীকার বলেছেন:
ধরি, ১ ডলার= ৮০ টাকা যা দিয়ে ৪ জন শ্রমিক নিয়োগ দেওয়া যায়,
যদি ডলারের দাম বৃদ্ধি পায়

যদি ১ ডলার=১০০ টাকা হয়, তাহলে এখন ৫জন শ্রমিক নিয়োগ দেওয়া যাবে-এক্ষেত্রে বিদেশী বিনিয়োগ বাড়বে। বিদেশী বিনিয়োগকারী আগে ৩ ডলারে যে দ্রব্য বা সেবা ক্রয় করতে পারতেন, এখন ডলারের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় সেই দ্রব্য বা সেবার জন্য তার ২ ডলার ব্যয় হবে-অর্থাৎ তার উৎপাদন খরচ কম হবে, নিয়োগ বাড়বে, তার দ্রব্যের বিক্রিও বাড়বে।

অন্যদিকে ডলারের দাম বাড়লে আমাদের প্রবাসীরা তাদের জমানো অর্থ রেমিটেন্স হিসাবে দেশে পাঠাবেন এ কারণে যে, আগে ১ লাখ ডলার পাঠালে বাংলাদেশ তার পরিবারকে ৮০ লাখ টাকা দিতো, কিন্তু ডলারের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় এখন প্রবাসীর পরিবারকে ১ কোটি টাকা দিতে হবে-অর্থাৎ প্রবাসী পূর্বের চেয়ে বেশী টাকা পেলো।

--------------------------------এগুলো সরাসরি সুবিধা,।

অন্যদিকে ডলারের দাম বাড়লে, আমদানী হ্রাস পায়, আগে যে দ্রব্যের জন্য ৮০ টাকা জমা দিয়ে ১ ডলার সংগ্রহ করে বিদেশে আমদানী দ্রব্যের দাম পরিশোধ করতে হতো, এখন ১০০ টাকা জমা দিয়ে ১ ডলার নিয়ে বিদেশী বিক্রেতাকে দাম পরিশোধ করতে হচ্ছে-অর্থাৎ অনিবার্যভাবে আমদানী হ্রাস পাবে। সাধারণ সরকারের হাতে ফরেন কারেন্সী হ্রাস পেলে স্থিতি বাড়ানো, আমদানী ব্যয় মেটানোর জন্য রিজার্ভ ডলার বাড়ানো এবং বিলাসজাত দ্রব্যের অযাচিত আমদানী রোধ করার জন্য ডলারের এ্যাগেইন্টসে ঢাকার মূল্য হ্রাস করা হয়।

আরো বহুমূখী প্রভাব আছে, সংক্ষিপ্তভাবে বললাম। জানিনা বুঝাতে পারলাম কিনা। জানাবেন কিন্তু।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.