নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

বহুদিন আগে কোন এক বারান্দায় শেষ বিকেলের আলোয় আলোকিত উড়ন্ত খোলা চুলের এক তীক্ষ্ণ হৃদয়হরনকারী দৃষ্টি সম্পন্ন তরুনীকে দেখে ভেবেছিলাম, আমি যাদুকর হব। মানুষ বশীকরণের যাদু শিখে, তাকে বশ করে নিশ্চিন্তে কাটিয়ে দিব সারাটি জীবন।

কাল্পনিক_ভালোবাসা

একদিন সব হাসির ময়নাতদন্ত হবে, ফরেনসিক রিপোর্টে লেখা থাকবে - সবই মিথ্যে।

কাল্পনিক_ভালোবাসা › বিস্তারিত পোস্টঃ

জনৈক প্রভাবশালী ব্যক্তি এবং জগতের এক শ্রেষ্ঠ দার্শনিকের কথা।

২৫ শে ডিসেম্বর, ২০১৫ সন্ধ্যা ৬:২৮


আমার এলাকার জনৈক ব্যক্তি গার্মেন্টস, মার্কেট, বাড়ি, গাড়ি, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ইত্যাদির মালিক হবার পাশাপাশি পৈত্রিকসুত্রে একটি মসজিদও পেয়েছিলেন। বিভিন্ন ধর্মীয় দিনগুলোতে তাঁর এবং তাঁর পরিবারের সদস্যদের জন্য ইমাম সাহেব বিশেষ দোয়া প্রার্থনা করেন। আমরা সাধারন মুসুল্লিরা সেই প্রার্থনায় সমবেত হতাম। ভদ্রলোক মাত্র ৪৫ বছর বয়সে মারা গেলেন, তখন তার রুহের মাগফেরাত কামনা করে সাপ্তাহব্যাপী দোয়া ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছিল।

জুম্মার নামাজ শেষে দীর্ঘ মুনাজাতে ইমাম সাহেব যখন সেই ব্যক্তির জন্য বাড়তি আবেগী গলায় দোয়া প্রার্থনা করেন, তখন আমার চোখের সামনে ভেসে উঠে অতীতের কিছু দৃশ্য। মনে পড়ে ভদ্রলোক তার বাড়ির গ্যারেজে বসে রয়েছেন। দুজন লোক তার পা আর মাথা মালিশ করছেন। একবার তার বাসার কাজের লোককে কি একটা ভুলের কারনে প্রহার করতে করতে রাস্তায় ফেলে রেখেছিলেন, কেউ উদ্ধার করতে আসে নি। বিষয়টা সাহসের ছিল না ছিল প্রভাবের, সম্মানের। কর্তা মারছেন, নিশ্চয় মারের কারন আছে এটাই ছিল স্বাভাবিক যুক্তি। তিনি প্রচুর দান করতেন। মসজিদ, মাদ্রাসায়, ওয়াজ মাহফিল, রাজনৈতিক জনসভাগুলো তার আড়ম্বর দানে ছিল পরিপূর্ন।

মসজিদ সংলগ্ন বাড়ির নিচতলার একটি রুম ছিল তার অফিস। সেখানে দলবেঁধে আকুন্ঠ মদ্যপানের প্রভাব থাকত সারা দিন জুড়ে। ফলে কারনে অকারনে খিস্তি খেউড়, দু'চার ঘা, তুচ্ছতাচ্ছিল্য সাধারন মানুষগুলো হাসিমুখেই মেনে নিত। অবস্থা নিয়ন্ত্রনের বাইরে গেলে শুনেছি হুজুর এসে দোয়া পড়ে তাকে ফুঁ দিয়ে দিত। হয়ত সেই হয়ত ফুঁয়ের গুনে তিনি শান্ত হয়ে ঘুমাতে যেতেন। চারিদিকে বিরাজ করত বিরল নিরবতা।

আমার মনে আছে, থার্টিফাস্ট নাইটে ভদ্রলোকের ছাদে আতসবাজি, ডিজে পার্টি, মদ্যপান আর ভাড়াটে নারী মডেলের উদ্দাম নৃত্য বারান্দা দিয়ে উঁকি মেরে দেখা ছিলো আমার পাশ্চাত্য সংস্কৃতির সাথে পরিচয়ের প্রথম ধাপ, আমার উত্তেজনাময় অতীতের গোপন গল্প।

ভদ্রলোক নিজের ব্যাপারে বড়ই উদাসীন ছিলেন। একবার শুনলাম তার বউ আত্মহত্যা করেছে অথচ কারা যেন রটিয়ে দিন খুন হয়েছে। এত ভালো বংশের, এত প্রভাবশালী ব্যক্তির চরিত্রে কালিমা লেপনের ব্যাপারটিকে কেউ ভালো চোখে দেখে নি। সবাই প্রতিবাদ করেছিল। থানা পুলিশও একসময় লজ্জা পেয়েছিলো তদন্ত করতে গিয়ে।

একরাতে ভদ্রলোকের বুঝি খুব পাখি হবার শখ হয়েছিলো। তাই প্রাণভরে মদ্যপান করেছিলেন। তবে মদ্যপানে মানুষ হয়ত পাখি হতে পারে কিন্তু উড়তে যে পারে না, এটা বুঝি তার জানা ছিল না। তাই ছাদ থেকে পড়ে গেলেন। চলে গেলেন না ফেরার দেশে।

এলাকার সবাই কেঁদেছিল, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বরা এসেছিলো। তার কবর হয়েছল মসজিদের ভেতর পারিবারিক কবরস্থানে। দাফনের সময় ইমাম সাহেব বলেছিলেন, আহারে! মসজিদের খেদমতে তিনি ছিলেন এক অনন্য প্রাণ। আল্লাহ তাকে বেহেস্ত নসীব করুক। আমিন! আমার মনে পড়ে, সেদিন সবাই জোরে আমিন বলে এক প্যাকেট বিরিয়ানী নিয়ে বাসায় ফেরত গিয়েছিলো।

আজকে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী। আজকেও ভদ্রলোকের জন্য অনেক দোয়া হলো। স্বাভাবিকের চাইতে দীর্ঘ প্রার্থনা হলো মসজিদে। প্রভাবশালীরা চিরকালই মনে হয় প্রভাব বিস্তার করেন। তাই আজকেও ইমাম সাহেব দীর্ঘ মুনাজাত করলেন। সাদকায়ে জারিয়ার সুফল তার আত্মায় পৌঁছে দেয়ার প্রার্থনা করলেন। পাশাপাশি এলাকার আরেকজন বিত্তশালী মানুষের মৃত বাবার জন্য প্রার্থনার আহবান হলো তবে তা কিছুটা নিভৃতে, নিরবে। আমি পড়ে গেলাম জটিল ধাঁধায়। জগতের সকল প্রভাবশালীই হয়ত বিত্তশালী কিন্তু সকল বিত্তশালীই কি প্রভাবশালী? এর উত্তরটা একটা প্যারাডক্স।

মসজিদ থেকে বাসায় ফেরার স্বল্প দুরত্ব পাড়ি দিতে দিতে আমি ফিরে গেলাম ১৪০০ বছর আগের এক দিনে। সেদিন একজন ব্যক্তি বিশাল এক সমাবেশে উপস্থিত জনতাকে বলছিলো মানবজাতির শ্রেষ্ঠ দর্শনের কিছু নিয়ম, কিছু সুত্রের কথা। তিনি বলেছিলেন, মনে রাখবে পৃথিবীতে কেউ কারো চেয়ে বড় বা ছোট নয়, সকল মানুষই সমান। এখানে নেই সাদা কালোর কোন ভেদাভেদ।

এটা কোন অনুরোধ ছিল না, এটা ছিল তাঁর প্রচলিত দর্শন উপলব্ধির শ্রেষ্ঠ সুত্র, প্রাচীন সমাজে মানবতার হাতে খড়ি। আজকে বর্ণবাদ নিয়ে অনেক আন্দোলন হচ্ছে তবে কেউ ১৪০০ বছর আগে মরুর বুকে সেই জগত শ্রেষ্ঠ দার্শনিকের কথার সুত্র টানছেন না।

আমাদের সমাজে নারীদের প্রতি অবহেলার বানী শোনা যায়, তাদের অধিকার নিয়ে সমাজের মুক্তচিন্তার ধারক বাহকগন চিন্তিত। অথচ কিছু মুক্তচিন্তার মানুষের কাছে আজন্ম দোষী এই মানুষটি সেদিন ঘোষনা করেছিলেন, সাবধান! নারীদের সাথে ভালো ব্যবহার করবে। তাদের ওপর কখনো অন্যায়-অত্যাচার করবে না, নারীদের অধিকার নিশ্চিত করো, সম্মান করো। এটা তাঁর অনুরোধ ছিল না, এটা ছিল নির্দেশ এবং পৃথিবীর প্রথম নারীদের অধিকার রক্ষার আইন। অথচ সেই কেউ সেই সুত্র প্রদানকারীর কথা বলেন না, স্বীকার করেন না বাস্তবতা। এই দিকে আমরা নিজ নিজ স্বার্থের দায়ে আজকে অনেক কিছুকেই প্রশ্নবিদ্ধ করে তুলেছি আর দোষ চাপাচ্ছি ঐ দর্শনের।

মহান মানুষটি তার ভাষনে আরো - অধীনস্থদের সাথে ভালো ব্যবহার নিশ্চিত করো, তাদের ওপর নির্যাতন করবে না। তোমরা যা খাবে তাদেরকে তাই খেতে দিবে। তোমরা যে কাপড় পড়বে, তাদেরকে তাই পড়তে দিবে। মনে রেখো তারাও তোমাদের মত মানুষ।

আমরা কি তা করতে পেরেছি? গৃহকর্মী নির্যাতন, যাকাতের কাপড়, মাটিতে বসে কাজের লোককে খাওয়া, এঁটো বাসী খাবারে আমরা বরন করে নিয়েছে আমাদের গৃহের সাহায্যকারী মানুষগুলোকে। দোষ কি দর্শনের? না আমাদের?

সর্বশেষে তিনি আরো বলেছিলেন, কুসংস্কার ও অন্ধ বিশ্বাস থেকে দূরে থাকতে এবং ধর্মের ব্যাপারে বাড়াবাড়ি না করতে। কারন ইতিপুর্বে অনেক জাতি এই সব করে ধ্বংস হয়েছে। আমরা কি পারছি ধর্ম নিয়ে বাড়াবাড়ি থেকে দূরে থাকতে? আমরা কি ধর্মের সামান্য সমালোচনায় বা জানতে চাওয়ায় অসহিষ্ণু হচ্ছি না? ধর্মের নামে কি মানুষ হত্যা জায়েজ করা হচ্ছে না? আমরা কি পারছি কুসংস্কার ও অন্ধ বিশ্বাস থেকে দূরে থাকতে? আমরা কি পারছি চাঁদের গায়ে কথিত ধর্মগুরুকে দেখার হাত থেকে বাঁচতে?

আমরা কিছুই পারছি না। আমরা সেই দর্শনের কোন বানী, তত্বকেই সঠিক ও উপযুক্তভাবে আত্মস্থ করতে পারি নি, মূল্যায়ন করতে পারি নি বরং ব্যবহার করেছি নিজেদের স্বার্থে। তিনি যে দর্শনের কথা বলেছিলেন, আমরা সেই দর্শনে শুধুই দীক্ষিত হয়েই শুধু একটি বিশেষ শ্রেনীতে বা গোত্রে ভাগ হয়েছি, চর্চা করতে পারি নি, প্রয়োগ করতে পারি নি আমাদের দৈনন্দিন জীবনে এবং মানব কল্যানে। তথাপি আশা করি আমরা একদিন হয়ত তাঁর এই দর্শন বুঝতে পারবো কেননা তিনি বলেছিলেন, আমার কথাগুলো সকলের কাছে পৌঁছে দাও, হতে পারে আজকে যে এখানে উপস্থিত ছিল না, সেই হয়ত আমার কথার বেশি মূল্যায়ন করবে, অর্থ বুঝবে। আমরা সেই দিনটি প্রত্যাশায় আছি।

আমার কাছে এক একটি ধর্ম এক একটি দর্শন। সেই হিসাবে ইসলামকেও আমি একটি দর্শন হিসেবেই দেখি। এই মানুষটি হলেন সেই দর্শনের শ্রেষ্ঠ দার্শনিক - প্রিয় নবী মোহাম্মদ (সাঃ)। আজকে এই সর্বশ্রেষ্ঠ মহান মানুষটির জন্মদিন এবং তাঁর মৃত্যুদিনও।

আপনার উপর সালাম ও শান্তি বর্ষিত হোক প্রিয় মোহাম্মদ! নিশ্চয়ই আল্লাহ ছাড়া আর কোন উপাস্য নেই এবং আপনিই তার প্রেরিত রাসুল।

মন্তব্য ৯২ টি রেটিং +৩২/-০

মন্তব্য (৯২) মন্তব্য লিখুন

১| ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০১৫ সন্ধ্যা ৬:৩৬

কল্লোল পথিক বলেছেন: বেচরা!!!

২৫ শে ডিসেম্বর, ২০১৫ রাত ১১:২০

কাল্পনিক_ভালোবাসা বলেছেন: হুমম।

২| ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০১৫ সন্ধ্যা ৬:৩৮

চাঁদগাজী বলেছেন:

পড়লাম। সময়ের সাথে সবকিছু ভালোর দিকে যাচ্ছে।

২৫ শে ডিসেম্বর, ২০১৫ রাত ১১:৫৬

কাল্পনিক_ভালোবাসা বলেছেন: ধন্যবাদ চাঁদগাজী। মাঝে মাঝে আপনার কিছু লেখা এবং তার সারমর্ম ভালো লাগে।

৩| ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০১৫ সন্ধ্যা ৬:৪৩

দেবজ্যোতিকাজল বলেছেন: ধর্ম মনে - প্রকৃতি ,বৈশিষ্ট ও গুন ।

২৫ শে ডিসেম্বর, ২০১৫ রাত ১১:৫৭

কাল্পনিক_ভালোবাসা বলেছেন: ভালো বলেছেন।

৪| ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০১৫ সন্ধ্যা ৬:৪৫

সাহসী সন্তান বলেছেন: সন্ধ্যাকালিন সময়ে খুবই চমৎকার একটা পোস্ট পড়লাম কা_ভা ভাই! আপনার পোস্টের প্রত্যেকটা কথার সাথে সহমত পোষণ করে বলতে চাই, ঐ ধরনের ব্যক্তি শুধুমাত্র আপনাদের এলাকায় না! প্রত্যেকটা এলাকাতেই কম বেশি ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে! তারা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার এই পৃথিবীর বুকে বাস করেও সাময়িক ভোগ বিলাসে মত্ত হয়ে তাকেই ভুলে যায়! তারা একবারও এটা ভেবে দেখে না যে, এই নশ্বর পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করে একদিন সবাইকেই সেই সর্বশক্তিমান আল্লাহর কাছে ফিরে যেতে হবে!


পরিশেষে যুগশ্রেষ্ট সেই মহা মানব হযরত মুহাম্মদ (স:) এর প্রতি শত কোটি সালাম প্রদর্শন করে বলতে চাই, নিঃস্বন্দেহে আল্লাহ ছাড়া কোন মাবুদ নেই; এবং আপনিই তার প্রেরিত রাসুল!


চমৎকার পোস্টের জন্য ধন্যবাদ! শুভ কামনা জানবেন!

২৬ শে ডিসেম্বর, ২০১৫ রাত ১২:২৬

কাল্পনিক_ভালোবাসা বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ আপনাকে সাহসী সন্তান। শুভেচ্ছা জানবেন।

৫| ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০১৫ সন্ধ্যা ৬:৪৭

সাহসী সন্তান বলেছেন: দুঃখিত ভাই, ঐ ইমোটা সম্ভাবত ক্লোন চিহ্ণ এবং ব্রাকেটের জন্যই পড়ে গেছে........!! আমি বুঝতেই পারিনি!

২৬ শে ডিসেম্বর, ২০১৫ রাত ১২:২৭

কাল্পনিক_ভালোবাসা বলেছেন: কোন সমস্যা নেই। ব্যাপারটা মাঝে মাঝে আমার সাথেও ঘটে যা নিঃসন্দেহে বিব্রতকর।

৬| ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০১৫ সন্ধ্যা ৬:৫২

ফেরদৌসা রুহী বলেছেন: এই যুগে এসে মানুষ এই অধিকার, সেই অধিকার নিয়ে আন্দোলন করে, অথচ এই সব কিছুর সমাধান দিয়ে গেছেন আমাদে প্রিয় নবী।
মানুষের মুখে, কথায় খই ফুটে, কাজের বেলায় অথবা নিজে কাজ করার বেলায় ঠনঠন।
অনেক ভাল কিছু কথা লিখেছেন।অনেক বিত্তশালী কিন্তু লোকদেখানো দান খয়রাত করে আবার মানুষকে অত্যাচার করে, তাদের আর যাই হোক, আমি একজন ভাল মানুষ বলতে পারিনা। আমাদের এখানে ধুমধাম করে ক্রিস্টমাস পালন হয়,আবার সেই সাথে মুসলিমরা ঈদে মিলাদুন্নবীও পালন করে। সেজন্য স্কুল,অফিস সব কিছুই বন্ধ।এই জন্য আমিও আমার বাসার কাজে সাহায্য করে যে ছেলেরা তাদেরও ৪ দিনের ছুটি দিয়ে দিয়েছি।

২৬ শে ডিসেম্বর, ২০১৫ রাত ১২:৩০

কাল্পনিক_ভালোবাসা বলেছেন: খুব ভালো কাজ করেছেন। সকলের সাথে ভালো ব্যবহারই মানবতার দাবি, মনুষ্যত্ব প্রমানের দাবি।

৭| ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০১৫ সন্ধ্যা ৬:৫৮

প্রামানিক বলেছেন: চমৎকার একটা পোস্ট পড়লাম। আপনার পোস্টের প্রত্যেকটা কথার সাথে সহমত। এ ধরনের ব্যক্তি শুধুমাত্র আপনাদের এলাকায় নয় প্রত্যেকটা এলাকাতেই কম বেশি আছে! তারা স্রষ্টার পৃথিবীতে বাস করে ভোগ বিলাসে মত্ত হয়ে বিধাতাকে ভুলে যায়! তারা একবারও ভেবে দেখে না একদিন সবাইকে সর্বশক্তিমান আল্লাহর কাছে ফিরে যেতে হবে!

মূল্যবান পোষ্টের জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ।

২৬ শে ডিসেম্বর, ২০১৫ রাত ১২:৩২

কাল্পনিক_ভালোবাসা বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে পড়ার জন্য। :)

৮| ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০১৫ সন্ধ্যা ৭:০২

গেম চেঞ্জার বলেছেন: আপনার উপলদ্ধির প্রতি সম্মান জানিয়ে আমার ভাবনাটি শেয়ার করতে চাই।

১৪০০+ বছর আগের সময় আর বর্তমানের সময়ের অনেক তফাৎ ভাই। ঐ সময়ের মানুষের দৃষ্টিভঙ্গি আচার টেন্ডেন্ডেনসি আর এখনকার রুচিবোধ, মানবিক প্রবণতায়, দৃষ্টিভঙ্গিতে বিস্তর ফারাক হয়ে গেছে।

ইসলাম ১০০০ বছর আগেও ঠিক ছিল। হিউম্যান লাইফকে এগিয়ে নিয়েছিল। কিন্তু ইসলামের নামে এখন যা হচ্ছে তা কিন্তু ১০০০ বছর পিছনে নিয়ে যেতে চাওয়ার সমান।
আমাদের উচিত যুগ ও প্রগতির সমন্বয়ে নিজ নিজ মত দর্শনকে ভর করে এগিয়ে যাই।

মাফ করবেন। হয়তোবা অপ্রাসংগিক কথা বলে ফেলেছি। তবে নবী মুহাম্মদ সাঃ-ই সর্বশ্রেষ্ট জীবন নির্দেশিকায় অবদানকারী ব্যাক্তি হিসেবে উনার প্রতি সালাম জানাই। :)

২৬ শে ডিসেম্বর, ২০১৫ রাত ১২:৫৬

কাল্পনিক_ভালোবাসা বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে। আপনি অপ্রাসংগিক কিছু বলেন নি। ইসলাম প্রসঙ্গে গেলে অনেক কিছু নিয়েই হয়ত আপনার আমার প্রশ্ন জাগতে পারে যার সব কিছু আমি হয়ত জানি না। তবে আমি যে সকল নির্দিষ্ট ব্যাপার নিয়ে আলোচনা করেছি, যে আইন নিয়ে কথা বলেছি, যে দর্শনের কথা বলেছি, তা বোধ করি সকল যুগের জন্য প্রযোজ্য। অন্তত আধুনিক সমাজ তো তাই বলে। এন্টিরেসিজম, নারী অধিকার, ধর্ম নিয়ে বাড়াবাড়ি ইত্যাদি নিয়ে মানুষের এক্টিভিটি তাই নির্দেশ করে। আমার ভাবতে মজাই লাগে, ১৪০০ বছর আগের জিনিস পুরানো বলে যা সংস্কার করার দাবী মাঝে মাঝে শুনি, বর্তমান সেই দাবির বাস্তবায়ন নিয়ে অনেকেই জীবন জীবিকা নির্বাহ করছেন। তিনি মানা করেছেন ধর্ম নিয়ে বাড়াবাড়ি করো না - জঙ্গী ইস্যু, আইসিসি, তালেবান সবই তো সেই বাড়াবাড়িই ফলাফল। তাহলে কি পরিবর্তন আমরা করব?

আমি পোস্টে উল্লেখ্য করেছি যে, আমার মতে ধর্ম একটি দর্শন। দর্শন আপনাকে মানতেই হবে এমন কোন বাধ্যবাধকতা নেই। তবে যদি কোন দর্শন আপনি অনুসরন করেন সেটা পরিপূর্নভাবেই আপনার অনুসরন করা উচিত। যে কোন তত্ব যদি কেউ অর্ধেক বা বিক্ষিপ্তভাবে অনুসরন করে ব্যর্থ হয়, তাহলে সেই দায় সেই তত্ব বা দর্শনের উপর বর্তায় না। সেটা যারা চর্চা করছে, তাদের উপরই বর্তায়। ইসলামের নামে এখন যা হচ্ছে, তা অবশ্যই ইসলামিক নয়। মানুষ এখন নিজেরা পড়াশোনা করতে চায় না। অথচ ইসলামে পড়াশোনাকে বেশি গুরুত্ব দেয়া হয়েছে। নবী (সাঃ) এর উপর নাজিলকৃত ওহীর প্রথম কথাতেই অধ্যয়ন করার নির্দেশ সহ মানব সৃষ্টি তত্ত্ব ও গবেষণা করার প্রতি উৎসাহ প্রদান করা হয়েছে। প্রথম নাজিলকৃত সুরা আলাকের প্রথম ৫ আয়াতে বলা হয়েছে ‘পড়, তোমার প্রভুর নামে যিনি সৃষ্টি করেছেন। সৃষ্টি করেছেন মানুষকে জমাট রক্ত হতে। পড়, আর তোমার প্রভু মহামহিমান্বিত, যিনি কলমের সাহায্যে শিক্ষা দিয়েছেন, শিক্ষা দিয়েছেন মানুষকে যা সে জানত না।’

আমরা কি পড়ছি বা জানার চেষ্টা করছি? উত্তর আপনি নিশ্চয়ই জানেন।

৯| ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০১৫ সন্ধ্যা ৭:০৫

মুদ্‌দাকির বলেছেন: এই ধরনের গুনী মদ্যপায়ী ধার্মিকদের দ্বারা অত্যাচারিত ব্যাক্তিদের , তাদেরি জন্য দূয়ায় সামিল হওয়ার ব্যাপারটা বেশ মজার। কেমন একটা সমাজে আমরা আছি, ধরেই নেয়াযায় মসজিদ কমটির লোক গুলা ক্ষমতা লোভী এবং তেমন একটা সুবিধার না। বেশীর ভাগ মসজিদেই ইমামত is just a job, they can do almost anything to save there ass.

great post ++++++++++++

২৬ শে ডিসেম্বর, ২০১৫ রাত ১:০০

কাল্পনিক_ভালোবাসা বলেছেন: দুঃখজনক হলেও সত্য ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর কমিটিতে ভদ্রলোকের দেখা পাওয়া একটি বিরল দৃষ্টান্ত। এখানে প্রভাবশালীরাই কমিটির মেম্বার হন।

১০| ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০১৫ সন্ধ্যা ৭:১০

আজমান আন্দালিব বলেছেন: আপনার উপর সালাম ও শান্তি বর্ষিত হোক প্রিয় মোহাম্মদ! নিশ্চয়ই আল্লাহ ছাড়া আর কোন উপাস্য নেই এবং আপনিই তার প্রেরিত রাসুল।

২৬ শে ডিসেম্বর, ২০১৫ রাত ১:০১

কাল্পনিক_ভালোবাসা বলেছেন: ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্য।

১১| ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০১৫ সন্ধ্যা ৭:২০

আহমেদ জী এস বলেছেন: কাল্পনিক_ভালোবাসা ,




একটি অর্ন্তদদ্ধের কথা লিখেছেন এই পবিত্র দিনটির স্মরনে । ঠিক কি মন্তব্য করবো বুঝতে পারছিনে ।
তবে আপনার এই প্যারাডক্সটি নিয়ে কিছু বলা যায় বোধহয় - " জগতের সকল প্রভাবশালীই হয়ত বিত্তশালী কিন্তু সকল বিত্তশালীই কি প্রভাবশালী? এর উত্তরটা একটা প্যারাডক্স।"
এই জমানায় " হয়তো " নয়, সকল প্রভাবশালীই বিত্তশালী এবং সকল বিত্তশীলরাই অবশ্যম্ভাবী ভাবে প্রভাবশালী । জগৎটাই যে এমনি ...............

২৬ শে ডিসেম্বর, ২০১৫ রাত ১:০২

কাল্পনিক_ভালোবাসা বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ প্রিয় জি এস ভাই! এই প্যারাডক্স থেকে কি কোন মুক্তি আসবে?

১২| ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০১৫ সন্ধ্যা ৭:২৭

তামান্না তাবাসসুম বলেছেন: খুব ভাল লেখা ভাইয়্যা, সঙ্গে শিরোনামটাও।

২৬ শে ডিসেম্বর, ২০১৫ রাত ১:০৩

কাল্পনিক_ভালোবাসা বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ তামান্না! শুভেচ্ছা জানবেন।

১৩| ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০১৫ রাত ৮:৫৭

মাঈনউদ্দিন মইনুল বলেছেন:

সুবিধা আদায়ের বেলায় ১৪০০ বছর আগের মহান মানুষটির কথা আমরা খুব মনে রাখি। যেমন: একাধিক বিয়ের বিষয়ে। কিন্তু দায়িত্ব পালনের সময় তার শিক্ষাগুলো সযত্নে ভুলে যাই।

২৬ শে ডিসেম্বর, ২০১৫ রাত ১:১১

কাল্পনিক_ভালোবাসা বলেছেন: জী, আফসোসের ব্যাপার হলো, এই ব্যাপারে আমাদের ধারনাও পরিষ্কার নয়। অধিকাংশ মানুষ জানে না কি ভাবে, কেন বা কোন যুক্তিতে একজন পুরুষ একাধিক বিয়ে করতে পারবেন? সেই বিয়ের পাত্রি হিসেবে কারা অগ্রাধিকার পাবেন? ছোট্ট করে বলি - একাধিক বিয়ের ব্যাপারটি নিঃস্ব, এতিম এবং বিপদগ্রস্থ নারীদের ক্ষেত্রেই অধিক প্রযোজ্য।

১৪| ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০১৫ রাত ৯:০৬

অন্ধবিন্দু বলেছেন:
কাল্পনিক_ভালোবাসা,
আপনি বলেছেন- আমার কাছে এক একটি ধর্ম এক একটি দর্শন। সেই হিসাবে ইসলামকেও আমি একটি দর্শন হিসেবেই দেখি। আমার কথা বলার আগে আপনাকে একটি প্রশ্ন করতে চাই, বলুনতো দর্শন মানার কি কোনও বাধ্যবাধকতা আছে ?

আপনি বিচক্ষণ মানুষ, আশাকরি ভেবেচিন্তে উত্তরটি দেবেন।

২৬ শে ডিসেম্বর, ২০১৫ রাত ১:১৭

কাল্পনিক_ভালোবাসা বলেছেন: না প্রিয় অন্ধবিন্দু ভাই, দর্শন মানার কোন বাধ্যবাধকতা নেই। আমি এই ব্যাপারে কিছুটা বক্তব্য দিয়েছি ব্লগার গেম চেঞ্জারের মন্তব্যে। দর্শন জোর করে গেলানোর বস্তু নয়, এটা অনেকটাই ব্যক্তিগত বিষয়। তাই দার্শনিক এবং দার্শনিকের স্রষ্টাও জোরাজোরির ব্যাপারে নিষেধ করেছেন।

১৫| ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০১৫ রাত ৯:৩৮

কামরুন নাহার বীথি বলেছেন: আমি ফিরে গেলাম ১৪০০ বছর আগের এক দিনে। সেদিন একজন ব্যক্তি বিশাল এক সমাবেশে উপস্থিত জনতাকে বলছিলো মানবজাতির শ্রেষ্ঠ দর্শনের কিছু নিয়ম, কিছু সুত্রের কথা। তিনি বলেছিলেন, মনে রাখবে পৃথিবীতে কেউ কারো চেয়ে বড় বা ছোট নয়, সকল মানুষই সমান। এখানে নেই সাদা কালোর কোন ভেদাভেদ।

এটা কোন অনুরোধ ছিল না, এটা ছিল তাঁর প্রচলিত দর্শন উপলব্ধির শ্রেষ্ঠ সুত্র, প্রাচীন সমাজে মানবতার হাতে খড়ি। আজকে বর্ণবাদ নিয়ে অনেক আন্দোলন হচ্ছে তবে কেউ ১৪০০ বছর আগে মরুর বুকে সেই জগত শ্রেষ্ঠ দার্শনিকের কথার সুত্র টানছেন না।
---

সেই মহা মানব এ কথাও বলেছিলেন, ১৪০০ হিজরীর পরে দুনিয়ায় কী যে হবে তিনি তা' ভেবে পাননি। চিন্তিত ছিলেন, আতঙ্কিত ছিলেন!
আজ তাঁর প্রতি সালাম প্রদর্শন করছি!!!
আর এটাও চাই, তাঁরই আদর্শ প্রতিষ্ঠিত হোক এই সমাজে, এই দেশে!!!

আজকের এই দিনে এমন লেখার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ ভাই!!!

২৬ শে ডিসেম্বর, ২০১৫ রাত ১:১৭

কাল্পনিক_ভালোবাসা বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ আপা মন্তব্যের জন্য। শুভেচ্ছা জানবেন।

১৬| ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০১৫ রাত ১০:৩১

অগ্নিপাখি বলেছেন: "জগতের সকল প্রভাবশালীই হয়ত বিত্তশালী কিন্তু সকল বিত্তশালীই কি প্রভাবশালী? এর উত্তরটা একটা প্যারাডক্স। "- দারুন বলেছেন। পোস্টে ভালো লাগা।

২৬ শে ডিসেম্বর, ২০১৫ রাত ১:১৮

কাল্পনিক_ভালোবাসা বলেছেন: ধন্যবাদ।

১৭| ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০১৫ রাত ১০:৫০

সালাহউদ্দীন আহমদ বলেছেন:
একটা সত্যিকারের ভাল পোস্ট।

২৬ শে ডিসেম্বর, ২০১৫ রাত ১:১৮

কাল্পনিক_ভালোবাসা বলেছেন: ধন্যবাদ।

১৮| ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০১৫ রাত ১১:১৫

ধমনী বলেছেন: ভালো লাগলো।

২৬ শে ডিসেম্বর, ২০১৫ রাত ১:১৮

কাল্পনিক_ভালোবাসা বলেছেন: ধন্যবাদ।

১৯| ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০১৫ রাত ১১:৩১

কান্ডারি অথর্ব বলেছেন:



সুপ্রিয় কা_ভা এইজন্যই আমি আপনাকে এত পছন্দ করি। আমিও আপনার সাথে এই দিনে প্রিয় নবীজির প্রতি সালাম জানাই।

ইসলাম শুধু দর্শন নয়, পরিপূর্ণ জীবন বিধান। আর ইসলাম হলো সব সময়ের জন্য আধুনিক। তবে আমাদের নির্বুদ্ধিতার কারণে ইসলামের উপর আঙুল তোলার সুযোগ পায় লোকে। আপনি যে ঘটনার আলোকপাত করলেন এইটা তেমনই এক নির্বুদ্ধিতার পরিচয়।

আমরা যদি প্রিয় নবীর জীবনী পর্যালোচনা করে দেখি তাহলে দেখবো তাঁর প্রতিটা পদক্ষেপ ছিলো কতটা বাস্তব সম্মত এবং আধুনিক সময়ের জন্য প্রযোজ্য।

যাই হোক, একটা অপ্রাসঙ্গিক বিষয় নিয়ে বলি। ইসলাম ধর্মের কথাই যখন এসেছে, তখন সোলায়মান (আঃ) এর কথা বলি। তিনিও ইসলামের একজন নবী ছিলেন। খুব ভাল করে খেয়াল করে দেখুন দেখি কা_ভা ভাই। আজকের যুগে সোলায়মান (আঃ) এবং তাঁর টেম্পল নিয়ে কারা বেশী চর্চা করছে। কারা এই কিং সলোমন এর চর্চা করে আজকে সারা বিশ্বে মহা ক্ষমতাধর ?

আশা করি বোঝার জন্য এতটুকু ইশারাই যথেষ্ট। অথচ আমরা মুসলমান শুধু সোলায়মান (আঃ) এর কিছু কাহিনীর বলার মাঝেই সীমাবদ্ধ রয়ে গেছি। কিন্তু সেইসব নিয়ে রিসার্চ করিনা। অথচ স্বয়ং আল্লাহ্‌ বলেছেন কোরআনে যা কিছু আছে সব আমাদের জন্য চিন্তার বিষয় এবং আছে নিদর্শন স্বরূপ। আমরা শুধু নিদর্শন দেখেই নিজেদের মুসলমান দাবি করি কিন্তু চিন্তা করার কথা ভুলে যাই।

২৬ শে ডিসেম্বর, ২০১৫ রাত ১:২১

কাল্পনিক_ভালোবাসা বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ কান্ডারী ভাই। আপনার উল্লেখিত বিষয় ছাড়াও আরো নানাবিধ কারনে ইসলামে পড়াশোনাকে বেশি গুরুত্ব দেয়া হয়েছে। নবী (সাঃ) এর উপর নাজিলকৃত ওহীর প্রথম কথাতেই তার প্রমান পাওয়া যায়। সুরা আলাকের প্রথম ৫ আয়াতে বলা হয়েছে ‘পড়, তোমার প্রভুর নামে যিনি সৃষ্টি করেছেন। সৃষ্টি করেছেন মানুষকে জমাট রক্ত হতে। পড়, আর তোমার প্রভু মহামহিমান্বিত, যিনি কলমের সাহায্যে শিক্ষা দিয়েছেন, শিক্ষা দিয়েছেন মানুষকে যা সে জানত না।’

এটাই প্রকৃত চিত্র ব্যাখ্যা করছে। বাড়তি কথার প্রয়োজন নেই।

২০| ২৬ শে ডিসেম্বর, ২০১৫ রাত ১২:১১

দিশেহারা রাজপুত্র বলেছেন: ভাইয়া আজকের দিনে বিত্ত আর প্রভাব সমানুপাতিক। পোস্ট নিঃসন্দেহে অসাধারণ হয়েছে। ধর্মীয় ক্ষেত্রে পক্ষপাতিত্বের কাঁটা যে বিত্তবানদের দিকেই ঝুঁকে থাকে তা বলার অপেক্ষা রাখে না।

ধন্যবাদ।

২৬ শে ডিসেম্বর, ২০১৫ রাত ১:২১

কাল্পনিক_ভালোবাসা বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ ভাই। শুভেচ্ছা জানবেন। আপনার মন্তব্যের সাথে দুঃখজনক হলেও সহমত প্রকাশ করছি।

২১| ২৬ শে ডিসেম্বর, ২০১৫ রাত ১২:২২

ডি মুন বলেছেন: " আমরা সেই দর্শনের কোন বানী, তত্ত্বকেই সঠিক ও উপযুক্তভাবে আত্মস্থ করতে পারিনি, মূল্যায়ন করতে পারিনি বরং ব্যবহার করেছি নিজেদের স্বার্থে। "

আমাদের শুভবুদ্ধির উদয় হোক। মহামানবের মানবীয় গুণগুলি চর্চার মাধ্যমে আমরাও প্রকৃত মানুষ হয়ে উঠি।
এটাই প্রত্যাশা।

২৬ শে ডিসেম্বর, ২০১৫ রাত ১:২২

কাল্পনিক_ভালোবাসা বলেছেন: আমাদের শুভবুদ্ধির উদয় হোক। মহামানবের মানবীয় গুণগুলি চর্চার মাধ্যমে আমরাও প্রকৃত মানুষ হয়ে উঠি।
এটাই প্রত্যাশা।

২২| ২৬ শে ডিসেম্বর, ২০১৫ রাত ২:০২

আমি মিন্টু বলেছেন: এত সুন্দর পোস্ট আমার ক্ষমতা থাকলে নিজ হাতে ধরে স্টিকি করে দিতাম ।
আমাদের নব মানব সমাজের এখনো অনেক কিছু শেখার আছে ।
ধন্যবাদ আপনাকে এরকম একটি সুন্দর পোস্টের জন্য । :)

২৬ শে ডিসেম্বর, ২০১৫ রাত ২:০৫

কাল্পনিক_ভালোবাসা বলেছেন: আমার জন্য পুরুষ্কার হচ্ছে, এখন বাক্যে আপনার বানান ভুল আনন্দজনকভাবে কমে এসেছে। আপনি আগের চাইতে ভালো ব্লগিং করার চেষ্টা করছেন। ধীরে ধীরে আরো হবে।

পোস্ট পড়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।

২৩| ২৬ শে ডিসেম্বর, ২০১৫ রাত ২:০৯

স্বপ্নবাজ অভি বলেছেন: ধর্মতো পৃথিবীতে আছে ন্যায় আর অন্যায়ের মাঝে দেয়াল টেনে বুঝিয়ে দিতে । ন্যায় অন্যায় বোধ টা কোটি বছর ধরেই একটা সুনির্দিষ্ট মানদন্ডে স্থির আছে বলেই আমি বিশ্বাস করি , সময়ের ফারাক টা ১০০০ কিংবা ১৪০০ বছরে কিছু একটা বদলাতে পারেনা!
আমাদের সমাজের একটা হিপোক্রেসি হচ্ছে জনপ্রিয় হবার জন্য , সম্মান পাবার জন্য ধর্মের যে কোন একটা দিক নিয়ে মেতে থাকা , কেউ লোক দেখাতে নামাজ পড়ে , কেউ লোক দেখাতে প্রচুর দান করে মসজিদে । দুটো ব্যাপার মোটাদাগে একই জায়গায় এসে স্থির হয় ।

এটা ঠিক ধর্মবিশ্বাস না , এটা ধর্মকে ব্যাবহার করা কেবল .। অন্যদিকে চলে গেলাম কিনা ,বুঝতে পারছিনা ।

২৬ শে ডিসেম্বর, ২০১৫ রাত ২:২৮

কাল্পনিক_ভালোবাসা বলেছেন: ঠিকই বলেছো। এটা ধর্ম বিশ্বাস না, ধর্মকে ব্যবহার করা।

২৪| ২৭ শে ডিসেম্বর, ২০১৫ দুপুর ১২:০১

লেখোয়াড়. বলেছেন:
ভাল পোস্ট কা_ভা।

ধর্মই অধর্ম হতে মানুষকে রক্ষা করে।

২৭ শে ডিসেম্বর, ২০১৫ সন্ধ্যা ৬:২৬

কাল্পনিক_ভালোবাসা বলেছেন: ধন্যবাদ প্রিয় লেখোয়াড় ভাই।

২৫| ২৭ শে ডিসেম্বর, ২০১৫ সন্ধ্যা ৬:৪২

নেক্সাস বলেছেন: মনে পড়ে সৈয়দ ওয়ালিউল্ল্যাহ---------

শষ্যের চাইতে আগাছা বেশী
ধর্মের চাইতে টুপি বেশী।

ধর্ম কে আত্মিক উপলব্দির ও আত্ম শুদ্ধির জায়গা থেকে সরিয়ে আত্ম জাহিরের বলয় তৈরি করার কাজে যেদিন থেকে ব্যবহার করা শুরু হয়েছে সেদিন থেকে ধর্মের বারোটা বাজা শুরু হয়েছে। কি ইসলাম কি হিন্দু। যেই মোল্লা সেই ঠাকুর।

২৮ শে ডিসেম্বর, ২০১৫ সকাল ১০:২৩

কাল্পনিক_ভালোবাসা বলেছেন: শষ্যের চাইতে আগাছা বেশী, ধর্মের চাইতে টুপি বেশী।
সঠিক পর্যবেক্ষন!

২৬| ২৭ শে ডিসেম্বর, ২০১৫ সন্ধ্যা ৬:৫৭

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: আমার কাছে এক একটি ধর্ম এক একটি দর্শন। সেই হিসাবে ইসলামকেও আমি একটি দর্শন হিসেবেই দেখি। এই মানুষটি হলেন সেই দর্শনের শ্রেষ্ঠ দার্শনিক - প্রিয় নবী মোহাম্মদ (সাঃ)। আজকে এই সর্বশ্রেষ্ঠ মহান মানুষটির জন্মদিন এবং তাঁর মৃত্যুদিনও।

আপনার উপর সালাম ও শান্তি বর্ষিত হোক প্রিয় মোহাম্মদ! নিশ্চয়ই আল্লাহ ছাড়া আর কোন উপাস্য নেই এবং আপনিই তার প্রেরিত রাসুল।

অনন্য উপস্থাপনার জন্য ধন্যবাদ । সহজ কথাটি সহজ করে বলার লোকটিই বেশি প্রয়োজন এই জটিল সামাজিকতায়। আপনি খুব সহজে অনেক কিছুকে তুলে ধরেছেন সাবলীল ভাবে।

++++++++++++++++++++++++

১৩ ই জানুয়ারি, ২০১৬ বিকাল ৫:৩২

কাল্পনিক_ভালোবাসা বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ বিদ্রোহী ভাই! শুভেচ্ছা জানবেন।

২৭| ২৭ শে ডিসেম্বর, ২০১৫ সন্ধ্যা ৭:৩৩

-সাইরাস বলেছেন: শিরোনাম দেখে ধরতেই পারি নি কাকে নিয়ে লিখছেন ! চমৎকার একটি শিল্প পড়লাম।

১৯ শে জানুয়ারি, ২০১৬ বিকাল ৪:২৪

কাল্পনিক_ভালোবাসা বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে। জবাব দিতে দেরী করায় আমি দুঃখিত।

২৮| ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১৫ দুপুর ১২:২৬

জুন বলেছেন: ভালোলাগলো কাল্পনিক
+

১৯ শে জানুয়ারি, ২০১৬ বিকাল ৪:২৫

কাল্পনিক_ভালোবাসা বলেছেন: ধন্যবাদ জুন আপা। কৃতজ্ঞতা জানবেন।

২৯| ৩০ শে ডিসেম্বর, ২০১৫ দুপুর ১:০৬

তানজির খান বলেছেন: গল্পের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত ছিল চমৎকার বাক্যের গাঁথুনি। এমন করে লিখতে পারা খুব কঠিন। একবারও মনে হয় নি একটু থামি। প্রিয় নবীর বাণীর এত সুন্দরভাবে উপস্থাপন আমি আগে দেখি নাই। আপনার পোস্টে আমার প্রথম মন্তব্য, আশাকরি পাশে থাকবেন সিনিয়র ব্লগার হিসাবে। শুভ কামনা রইল ভাই ।

১৯ শে জানুয়ারি, ২০১৬ বিকাল ৪:২৫

কাল্পনিক_ভালোবাসা বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে।

৩০| ৩০ শে ডিসেম্বর, ২০১৫ রাত ৮:২১

অন্ধবিন্দু বলেছেন:
“দর্শন আপনাকে মানতেই হবে এমন কোন বাধ্যবাধকতা নেই। তবে যদি কোন দর্শন আপনি অনুসরন করেন সেটা পরিপূর্নভাবেই আপনার অনুসরন করা উচিত। যে কোন তত্ব যদি কেউ অর্ধেক বা বিক্ষিপ্তভাবে অনুসরন করে ব্যর্থ হয়, তাহলে সেই দায় সেই তত্ব বা দর্শনের উপর বর্তায় না। সেটা যারা চর্চা করছে, তাদের উপরই বর্তায়। ইসলামের নামে এখন যা হচ্ছে, তা অবশ্যই ইসলামিক নয়। মানুষ এখন নিজেরা পড়াশোনা করতে চায় না। অথচ ইসলামে পড়াশোনাকে বেশি গুরুত্ব দেয়া হয়েছে।”

উত্তর পেলাম, জনাব কাল্পনিক_ভালোবাসা। যথেষ্ট পরিচ্ছন্ন উত্তর দিয়েছেন। যা আমাদেরকে মানবিক, ন্যায্য, সৎ হতে শেখায় এমন কোন পড়াশোনাতেই আমরা আগ্রহী আছি! যদি হতেম ক্লাস ফাইভ পাশ করলেই অনেক ভাল মানুষে পরিণত হ’তে পারতেম। আমরা পড়াশোনা করছি অর্থ উপার্জন করতে হবে তাই। ধর্ম-অধর্ম তো বহুদূরের কথা।

১৯ শে জানুয়ারি, ২০১৬ বিকাল ৪:২৬

কাল্পনিক_ভালোবাসা বলেছেন: আমরা পড়াশোনা করছি অর্থ উপার্জন করতে হবে তাই। ধর্ম-অধর্ম তো বহুদূরের কথা। এটাই মুল কথা।

৩১| ০১ লা জানুয়ারি, ২০১৬ সন্ধ্যা ৬:০০

লেখোয়াড়. বলেছেন:
জনাব......
আমার পোস্টে আপনার না যাওয়ার কারণটা কি বলা যাবে?

শুভেচ্ছা রইল নতুন বৎসরের।

০২ রা জানুয়ারি, ২০১৬ রাত ১২:৪৮

কাল্পনিক_ভালোবাসা বলেছেন: এমন কিছুই নয় প্রিয় লেখোয়াড় ভাই। আপনার লেখা আমি পড়েছি। তবে আরাম করে মন্তব্য করার জন্য যে সময় দরকার তা পাচ্ছি না। আপনি নিশ্চয় লক্ষ্য করেছেন, ব্লগে কিছু অযাচিত ঝামেলা চলছিল। কিছু মানুষ শুধু খুব দ্রুত অস্থির হন না, তারা অন্যদেরকেও অস্থির করতে দক্ষ। তাই গত দীর্ঘ কয়েক ঘন্টা ধরে অনেক কিছু পুনরায় পর্যবেক্ষন করতে হয়েছে।

খুব অচিরেই দেখা হবে। আপনার গত দুইটা পোস্টই ব্যাপক ছিল। :) :)

৩২| ০৬ ই জানুয়ারি, ২০১৬ বিকাল ৫:৩৮

প্রোফেসর শঙ্কু বলেছেন: আমার কাছে এক একটি ধর্ম এক একটি দর্শন।

নিঃসন্দেহে। ভেবে দেখার মতন কথা বলেছেন কা_ভা।

১৯ শে জানুয়ারি, ২০১৬ বিকাল ৪:২৮

কাল্পনিক_ভালোবাসা বলেছেন: ধন্যবাদ প্রোফেসর!! আপনাকে ব্লগে দেখলে খুশি লাগে।

৩৩| ০৬ ই জানুয়ারি, ২০১৬ বিকাল ৫:৫০

তানজির খান বলেছেন: কাল্পনিক ভাই, "প্লাবন২০০৩" নিক কয়েকদিন হলো ব্লগে ঢুকতে পারছে না। উনি আমাকে ফেইসবুকে ম্যাসেজ করে জানালেন যেন বিষয়টি আমি আপনাকে জানাই। আপনি তারাতারি যথাযথ পদক্ষেপ নিবেন সেই আশা উনি করেন। শুভ কামনা রইল আর সেই সাথে আমার লেখায় আপনাকে আমন্ত্রণ রইল ভাই।

১০ ই জানুয়ারি, ২০১৬ রাত ১২:৪৪

কাল্পনিক_ভালোবাসা বলেছেন: দেখুন এটা তো আসলে আমার ব্যক্তিগত ব্লগ। ব্লগার প্লাবন২০০৩ কে অনুগ্রহ করে বলুন ফিডব্যাকে মেইল করতে। উনার মেইল পেলেই এই ব্যাপারে ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

আমার ব্লগে আপনাকে স্বাগতম। অবশ্যই আপনার ব্লগ বাড়িতে বেড়াতে আসব।

৩৪| ১৩ ই জানুয়ারি, ২০১৬ দুপুর ১:৪৫

নুরএমডিচৌধূরী বলেছেন: কাল্পনিক_ভালোবাসা ,

১৯ শে জানুয়ারি, ২০১৬ বিকাল ৪:২৬

কাল্পনিক_ভালোবাসা বলেছেন: কি ?

৩৫| ১৩ ই জানুয়ারি, ২০১৬ সন্ধ্যা ৬:৪৪

কাবিল বলেছেন: আজকে বর্ণবাদ নিয়ে অনেক আন্দোলন হচ্ছে তবে কেউ ১৪০০ বছর আগে মরুর বুকে সেই জগত শ্রেষ্ঠ দার্শনিকের কথার সুত্র টানছেন না।
ভাল বলেছেন।

১৯ শে জানুয়ারি, ২০১৬ বিকাল ৪:২৯

কাল্পনিক_ভালোবাসা বলেছেন: ধন্যবাদ কাবিল :)

৩৬| ১৩ ই জানুয়ারি, ২০১৬ রাত ৯:১৪

খায়রুল আহসান বলেছেন: চমৎকার শিরোনামে একটা চমৎকার পোস্ট পড়লাম। বক্তব্যের গোছানো পরিবেশনার চমৎকারিত্বে মুগ্ধ হ'লাম। এত সুন্দর করে কথাগুলো বলে গেলেন!
নবীজীর জন্ম ও ওফাত দিবসে তাঁর প্রতি এ শ্রদ্ধাঞ্জলি আমাকে স্পর্শ করে গেল। শুভেচ্ছা ও আন্তরিক ধন্যবাদ, কালপনিক_ভালোবাসা।
পাঠকের মন্তব্য অনেকগুলো ভালো লেগেছে, 'লাইক' দিয়ে গেলাম, আপনার অনেক উত্তরেও।

১৯ শে জানুয়ারি, ২০১৬ বিকাল ৪:৩২

কাল্পনিক_ভালোবাসা বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ ভাইয়া। আমার ব্লগে আপনাকে স্বাগতম। শুভেচ্ছা রইল।

৩৭| ১৩ ই জানুয়ারি, ২০১৬ রাত ৯:২৪

তিথীডোর বলেছেন: চমৎকার একটা পোস্ট..খুব ভাল লাগল!

১৯ শে জানুয়ারি, ২০১৬ বিকাল ৪:৩৬

কাল্পনিক_ভালোবাসা বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ আপনাকে। :)

৩৮| ১৫ ই জানুয়ারি, ২০১৬ বিকাল ৩:১৫

শূণ্য মাত্রিক বলেছেন: আমার প্রিয় লিষ্টে যাওয়া প্রথম লেখা হবে এইটা। কথা প্রসংগে একটা কথা বলতে ইচ্ছে করছে,,,,, অনেক নবীর সময়েই কিন্তু পুরো জাতি ধরে ধ্বংস হয়ে গেছে, যেমন: নূহ (আ:.) এর জাতি। কিন্তু নবী (স:.) আল্লাহর কাছে কিছু দোয়া করেছিলেন শেষ জামানার মানুষদের ব্যাপারে, তার কবুল হয়ে যাওয়া কিছু দোয়ার মধ্যে একটা ছিল আমরা পুরো জাতি ধরে কখনোই ধ্বংস হবনা কিয়ামত ব্যাতিত। কিন্তু .... কিন্তু যদি এই দোয়াটা আমাদের জন্য না থাকত, তাহলে আমাদের এতদিনে অনেক আগেই নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবার কথা ছিল। তার একটা গুরুত্ত্বপূর্ণ কারন হতে পারে আমাদের ধর্ম নিয়ে বাড়াবাড়ি করাটা। নবীর এই আদেশটা আমরা অনেকেই ভুলে গেছি।

আপ্নার মন্তব্যটাও অনেক ভালো লেগেছে, সত্যিই তো,,,, একটা দর্শনকে সম্পূর্ণভাবে মানতে হবে। আর সেই পথটা যখন আমার সৃষ্টিকর্তা আমাকে দেখিয়েছেন, সেখানে সন্দেহ বা না মেনে মানার বিন্দুমাত্র অবকাশ থাকে না।

আপনার এবং আপনার পোষ্টটার প্রতি এই অধমের ভালোলাগা নিবেন :)

১৯ শে জানুয়ারি, ২০১৬ বিকাল ৪:৪৯

কাল্পনিক_ভালোবাসা বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ আপনাকে পড়ার জন্য। আপনার ভালো লেগেছে শুনে অনুপ্রাণিত হলাম। শুভেচ্ছা জানবেন।

৩৯| ১৮ ই জানুয়ারি, ২০১৬ রাত ১০:২৮

আহসানের ব্লগ বলেছেন: আপনার উপর সালাম ও শান্তি বর্ষিত হোক প্রিয় মোহাম্মদ! নিশ্চয়ই আল্লাহ ছাড়া আর কোন উপাস্য নেই এবং আপনিই তার প্রেরিত রাসুল।

১৯ শে জানুয়ারি, ২০১৬ বিকাল ৪:৪৯

কাল্পনিক_ভালোবাসা বলেছেন: ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্য।

৪০| ১৯ শে জানুয়ারি, ২০১৬ বিকাল ৪:০৬

অলওয়েজ ড্রিম বলেছেন: প্রিয় কা_ভা, অনেক কথাই সহজ করে বলা যায় না। কিন্তু আপনি সহজ করেই বলেছেন। সহজ করে বলতে পারা বিরল একটি গুণ।

অধ্যয়নের বিকল্প ইসলামে কিছু নাই। কিন্তু আমরা মুসলিমরা বর্তমান বিশ্বে সবচেয়ে অধ্যয়নবিমুখ জাতি। আমাদের দুর্দশার অন্যতম কারণও তাই।

সমাজের কোনো কোনো বিত্তশালীর ধারণা পাপের সাগরে সারাজীবন সাঁতার কাটলেও কোনো ব্যাপার না, দান-সদকা দিয়ে জলের দাগ মুছে ফেলা যাবে। এই মুর্খ ধারণার কারণও আসলে অধ্যয়নবিমুখতাই।

সুতরাং আমাদের পাঠমুখী হতে হবে সবার আগে।

১৯ শে জানুয়ারি, ২০১৬ বিকাল ৪:৫০

কাল্পনিক_ভালোবাসা বলেছেন: আরে ড্রিম ভাই! আমি কি চোখে ভুল দেখছি নাকি! কি সৌভাগ্য! আপনাকে এতদিন পর পোস্টে পেলাম। প্লীজ নিয়মিত হন। সবার দরকার আছে আপনার মত লেখকদের। মন্তব্যের জন্য কৃতজ্ঞতা জানবেন।

৪১| ১৯ শে জানুয়ারি, ২০১৬ বিকাল ৪:৪৩

খায়রুল আহসান বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ ভাইয়া। আমার ব্লগে আপনাকে স্বাগতম। শুভেচ্ছা রইল -- স্বাগতম জানানোর জন্য ধন্যবাদ।
তবে আপনার ব্লগে এর আগেও কয়েকবার এসে মন্তব্য রেখে গেছি। :)

১৯ শে জানুয়ারি, ২০১৬ বিকাল ৪:৪৭

কাল্পনিক_ভালোবাসা বলেছেন: জী, আমি দেখেছি, আপনি অল্প সময়ে আমার খুব পছন্দের লেখক হয়েছেন। তাই বার বার স্বাগত জানাই। তবে আমি খুবই লজ্জিত যে, আমি সকল মন্তব্যের জবাব সময়মত দিতে পারি নি।

৪২| ১৯ শে জানুয়ারি, ২০১৬ বিকাল ৫:২৭

অলওয়েজ ড্রিম বলেছেন: একদম সময় পাই না। প্রচণ্ড দুঃখে আছি সময় না থাকায়। অনেক দিন পর একটা গল্প দিয়েছিলাম কয়েকদিন আগে। সময় থাকলে আসবেন। আপনার গঠনমূলক সমালোচনার অপেক্ষায় থাকি সবসময়।

ব্লগের জমজমাট অবস্থা দেখে ভাল লাগছে। চেষ্টা করছি নিয়মিত হতে।

০৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৭ দুপুর ১২:৪৯

কাল্পনিক_ভালোবাসা বলেছেন: আশা করি আবারও নিয়মিত হবেন। আমার মত অনিয়মিত হলে, এত দেরী করে উত্তর পাবেন। ;)

৪৩| ২০ শে জানুয়ারি, ২০১৬ সকাল ৯:৪৯

মেঘ নাকি রোদ্দুর বলেছেন: কঠিন কথাগুলো, সহজভাবে বলেছেন। সবসময়ই ক্ষমতাবান মানুষেরা আলাদাভাবে সম্মান পেয়ে থাকে। ধন্যবাদ কা_ভা ভাই

৪৪| ২২ শে জানুয়ারি, ২০১৬ বিকাল ৩:৫৩

সারাফাত রাজ বলেছেন: অসাধারণ লেখা হয়েছে।

৪৫| ২৪ শে জানুয়ারি, ২০১৬ সকাল ৮:৩৪

রোকেয়া ইসলাম বলেছেন: খুব ভালো লিখেছেন ভাইয়া...
কি মন্তব্য করব বুঝতে পারছিনা। শুধু এইটুকু বলতে পারছি খুব সুন্দর এবং ভালো একটা পোস্ট। ভালো থাকবেন।

৪৬| ২৪ শে জানুয়ারি, ২০১৬ দুপুর ২:২৭

রেজওয়ানা আলী তনিমা বলেছেন: অনেক দরকারী কিছু কথা লিখেছেন।ধন্যবাদ।

৪৭| ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ রাত ১০:৪৯

মহা সমন্বয় বলেছেন: ঠিক পুরোপুরি না তবে ৯০% ই মিলে গেল আমার পরিচত একজনের সাথে ঠিক যেন K Z (ধরি তার নাম K Z)
তবে সে এখনো জীবত আছেন এবং বয়সও ঠিক ৪৫। আমার ধারনা সে আর সর্বোচ্চ ৫ বছর বাঁচবে যদি না সে তার লাইফ স্ট্যাইল পরিবর্তন করেন। নামাজ রোজার ধার ধারে না কিন্তু ঠিকই এলাকার মসজিদ কমিটির প্রধান। দান খয়রাত করেন প্রচুর সেই সাথে করেন প্রচুর পরিমানে ড্রিংকস। স্ত্রী ছাড়া অন্য নারীদের প্রতি ফিরেও তাকায় না, এ জাতীয় বদঅভ্যাস নেই। কারও কাছে সে একজন ন্যায় পরায়ণ দায়াশীল মানুষ, কারো কাছে ক্রিমিন্যাল এবং সাক্ষাত যম।
প্রচুর কথা বলেন, দিন রাত ২৪ ঘন্টাই কথা বলেন। তার সাথে যতক্ষন লোক থাকবে ততক্ষণ কথা সে বলতেই থাকবে, এমনকি ২/৩ বছরে একটু শিশু থাকলেও এই শিশুকে ২ মিনিটে বন্ধু বানিয়ে ফেলবে এবং শিশুর সাথেই কথা বলতে থাকবে। সে কথা বলা ছাড়া থাকতেই পারে না। তার কথার কোন ভুল ধরা যাবে না, তার কথার মাঝখানে কোন কথা বলা যাবে না, দুনিয়ার এমন কোন বিষয় নেই যে সে বিষয় সম্পর্কে তার জ্ঞান নেই। তার সাথে কেউ তর্কে পারে না, তাকে তর্কে হারানোর একটাই উপায় আছে আর তা হল চাইনিজ ভাষায় তার সাথে কথা বলা তাইলে আর সে কিছু বুঝতে পারবে না। :`>
আগে প্রচুর বই পড়তেন এখন অতটা পড়েন না। যখন জেগে থাকবে টানা ২/৪ দিন জেগে থাকবে. যখন ঘুমাবে টানা ৩/৪ দিন ঘুমাবে, পুরাই আধ্যাতিক ব্যাপার। গতকালও সে আমার সারা রাত মাটি করছে.. |-)
মাঝে মাঝে প্রুচুর ধর্ম কর্মে মন দেয় তখন সে হয়ে উঠে সেরা ধার্মিক আশে পাশে যাকেই পাবে তাকেই ধরে মসজিতে নিয়ে যাবে, কিছুদিন পর সব শেষ... =p~ সে যে কয়দিন মসজিতে যাবে ওই কয়দিন মসজিতে অন্তত ১ কাতার লোক বেশি হবে।
জীবনের একটা নিদ্রিষ্ট সময় পর্যন্ত তিনি নাস্তিকও ছিলেন। আর বর্তমানে নামাজ, রোজা তেমন না করলেও স্রষ্টার প্রতি তার অগাধ বিশ্বাস, আকন্ঠ মদ পান করিয়া তিনি বলিবেন আমি হলাম আল্লাহর গোলাম =p~
আইন খুব ভাল বুঝেন বাংলাদেশের যাবতীয় আইন তার নখদর্পে। কথার মাধ্যমে সে তার জানের শত্রু কেউ মহুর্তেই বন্ধু বানিয়ে ফেলতে পারে। K Z বলেন, কেউ যদি আমাকে মেরে ফেলার উদ্দ্যেশ্যে আমার দিকে পিস্তল তাক করে, ট্রিগার চাপার আগ মুহুর্তেও যদি আমাকে একটি বার কথা বলার সুযোগ দেয় তাহলে সে আর আমাকে গুলি করতে পারবে না। "মহা সমন্বয়" তুমি কি একথা বিশ্বাস কর? আমি বলি, নির্ধিধায় বিশ্বাস করলাম আর এ কাজ একমাত্র K Z এর পক্ষেই শুধু সম্ভব। :`> আসলেই কিন্তু তাই, তাকে পাম দেয়ার উদ্দেশ্য আমি উক্ত কথা বলিনি আমার দৃঢ় বিশ্বাস সে পারবে। :) । সে নাকি একটি বই বের করবে.. ১৫ হাজার পৃষ্টা সম্বলিত এক বিশাল বই :-< এবং সেই বইয়ের মাধ্যেমে সৃষ্টি জগতের যাবতীয় রহস্য সব উম্মোচোন করে দিবেন। =p~ :-P . - আমি জানি এটা তার পক্ষে কোন দিন ও সম্ভব হবে না আবেগ থেকেই মূলত সে এটি বলেছে। প্রচন্ড আবেগী একজন মানুষ, আবেগের চোটে আনেক সময় নিজের পরনের জামা, জুতা খুলে অন্যকে দিয়ে দেয়, এ জাতীয় ঘটনা অন্তত পাঁচ বার আমার সামনে ঘটেছে। আর এই অতি আবেগের জন্য মূলত দায়ী "এ্যলকোহল" আর কিছুই নয়। এত বিচিত্র চরিত্রের মানুষ আমি জীবনে দেখিনি।
আমার গবেষণার অন্যতম এক সাবজেক্ট হল এই K Z ;) তার সমন্ধে লিখলে অনেক কিছুই লিখা যায়, দুই চারটা পোষ্টও করে ফেলা যায়। আমার এই ব্লগীয় নাম "মহা সমন্বয়" নামটাও কিন্তু তার সাথে আলোচনা করেই নেয়া।
দীর্ঘ ৯ মাস গবেষণা করে K Z সমন্ধে আমার দুটি ধারণা হয়েছে:
১: মাঝে মাঝে উনাকে আমার মনে হয় জ্ঞানী, অনেক বেশিই জ্ঞানী এবং বুদ্ধিমান, একটু বেশিই বুদ্ধিমান।
২: মাঝে মাঝে মনে হয় উনি তো শিশু, নির্বোধ এবং পাগল।

আচ্ছা জ্ঞানী লোকেরা আসলেই কি পাগল টাইপের হয় ? মাঝে মাঝে আমি নিজেই হয়ে যাই কনফিউজড... |-)

৪৮| ০৬ ই এপ্রিল, ২০১৬ ভোর ৬:৩২

ফরিদ আহমাদ বলেছেন: ধার্মিক, আর বকধার্মিক যাই বলেননা কেন তাদের কাজগুলো লোভের বশবর্তী হয়ে।
ধর্মীয় পরিভাষায় বললে ধার্মিকেরা পরলৌকিক, বকধার্মিকেরা ইহলৌকিল।

৪৯| ২৭ শে মার্চ, ২০১৭ রাত ১২:২৭

ফরিদ আহমদ চৌধুরী বলেছেন: চমৎকার পোস্ট । আপনার পোস্টের প্রত্যেকটা কথার সাথে সহমত।

৫০| ২৯ শে জুন, ২০১৭ সকাল ৯:৩৩

স্বতু সাঁই বলেছেন: সমস্যা একটাই সকলে মনে করে তারা জন্মগতভাবে মুসলিম। মুসলিম হতে হয়, এ কথাটা ভুলে যায়।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.