নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

বহুদিন আগে কোন এক বারান্দায় শেষ বিকেলের আলোয় আলোকিত উড়ন্ত খোলা চুলের এক তীক্ষ্ণ হৃদয়হরনকারী দৃষ্টি সম্পন্ন তরুনীকে দেখে ভেবেছিলাম, আমি যাদুকর হব। মানুষ বশীকরণের যাদু শিখে, তাকে বশ করে নিশ্চিন্তে কাটিয়ে দিব সারাটি জীবন।

কাল্পনিক_ভালোবাসা

একদিন সব হাসির ময়নাতদন্ত হবে, ফরেনসিক রিপোর্টে লেখা থাকবে - সবই মিথ্যে।

কাল্পনিক_ভালোবাসা › বিস্তারিত পোস্টঃ

ভোজন রসিক বা রসিকতা!!

২৪ শে জানুয়ারি, ২০১৯ রাত ১:৫৬

'ভোজন রসিক' শব্দটির অর্থ নিয়ে আমাদের দেশের মানুষের মধ্যে একটা বিভ্রান্তি কাজ করে। অধিকাংশ মানুষ ভাবেন - খাদক বা যারা বেশি খেতে পারেন, তারাই বুঝি ভোজন রসিক। আর ভদ্রস্থ ভাষায় আপনি যদি একটু স্বাস্থ্যবান বা প্রচলিত ভাষায় 'মোটা' হয়ে থাকেন, তাহলে তো কেল্লাফতে! আর কোন সন্দেহের অবকাশই নেই। দশজনের খাবার প্লেটে ঢেলে আপনার দিকে সকৌতুক কিংবা আন্তরিকভাবে তাকিয়ে থেকে ভোজনে বাধ্য করার নাম যে শুধুই বিকৃত রসিকতা সেটা বুঝতে গৃহকর্তা বা আপ্যায়নকারীর বয়েই গেছে।

ভোজন রসিক শব্দটির মূল অর্থ হচ্ছে - যিনি খাবারকে সম্মান করেন, বিভিন্ন খাবারের বিদ্যমান স্বাদ, উপাদান এবং বৈশিষ্ট্যকে সতন্ত্রভাবে মূল্যায়ন করার পাশাপাশি উপযুক্ত আয়োজন করে খাবারটি গ্রহণ করতে পারেন। আরো সহজভাবে বললে, যে কোন সাধারন খাবারকে যিনি মজা এবং আয়েশ করে খেতে পারেন, তিনিই ভোজন রসিক।

যেমন ধরুন পান্তা ভাত! হালের অনেক মানুষকে পান্তা ভাত নিয়ে নাক ছিটকাতে দেখেছি। পান্তা যেন শুধুই পহেলা বৈশাখের জন্য সংরক্ষিত। যে কোন খাবার যে কারো ভালো না লাগতেই পারে, কিন্তু তাকে অবহেলা করার সুযোগ নেই। ভার্সিটি পড়ার সময় ক্লাসে পান্তা ভাত খেয়ে এসেছি শুনে অনেকেই হাসলো। এক মেয়ে এসে আমাকে অনেকটা নাক ছিটকে জিজ্ঞেস করল, এ্যাই তুমি সত্যি কি পান্তা খেয়ে ক্লাসে আসো?

তখন অবিবাহিত ছিলাম, মেরুদন্ড আরো কিছুটা শক্ত ছিলো, মেজাজে তেজদ্বীপ্ত ভাবও বেশ উজ্জল। মিষ্টি হেসে বলেছিলাম, আমার দাদা তাঁর জীবিতকালে পান্তা খাওয়ার কোটা শেষ করে যেতে পারেন নি বিধায়, আমরা এখনও মাঝে মাঝে পান্তা খাই। তোমরা ভাগ্যবান, পান্তা খাওয়ার কোটা, তোমার দাদাই শেষ করে গেছে। তোমাদের জন্য আর কিছু নেই।

একটা সময় প্রায় পাটুরিয়া ফেরীঘাটে বেড়াতে যেতাম। রাস্তায় এত জ্যাম ছিলো না, এত গাড়িও ছিলো না। ঘাটে গিয়ে ফেরীতে উঠতাম। ফেরীতে করে ঐপাড়ে যেতাম আবার এই পাড়ে চলে আসতাম। ফেরীতে আগে ৫০ টাকায় পেট চুক্তিতে খাবার পাওয়া যেত। তরকারী কিনলে ডাল ভাত ফ্রি। সেই খাবারগুলো দেখতাম দুরদুরান্তের যাত্রীরা গোগ্রাসে খাচ্ছে। একবার গরম গরম ইলিশ মাছ দেখে আমারও বেশ খেতে ইচ্ছে হলো, মোটামুটি একটা ফাঁকা টেবিল দেখে বসে পড়লাম। আমি খাওয়া শুরু করতেই আমার সামনে একলোক এসে বসলেন। বাড়তি খাতির যত্ন এবং কথোপকথনে বুঝলাম, তিনি এই ক্যান্টিনের পাচক। আমি আমার মত করে খেয়ে যাচ্ছি আর আড় চোখে উনার কি খান সেটা দেখার চেষ্টা করছি। দেখলাম সাদা গরম ভাত তিনি লবন দিয়ে ভালো করে মাখালেন। এক চামচ ঘন ডাল নিলেন আর বাকি দুই তিন চামচ ডালের উপরের পানি। ভাত আর ডাল সুন্দর করে মাখিয়ে দুটো কাঁচা মরিচ ডলে ডলে মেশালেন। এই মেশাতে মেশাতে ক্যান্টিনের বয় একটা দুটো আস্ত দেশী পেঁয়াজ ছিলে দিয়ে গেলো।

ভদ্রলোক লোকমা ভরে ভাত মুছে দিচ্ছেন আর পেঁয়াজে একটা কামড় দিচ্ছেন। চাবানোর সময় পেঁয়াজের কচকচ আওয়াজ যেন তার তৃপ্তির কথা বার বার জানান দিচ্ছিলো। এই পর্যায়ে, ক্যান্টিনের ছেলেটা এক পিস ভাজা ইলিশ তার সামনে এনে রাখলো। তিনি আরো কিছু ভাত নিলেন প্লেটে। আবারও সামান্য ডালের পানি নিলেন। খুব ভালো করে মাছের কাঁটা বেছে তিনি প্লেটের ভাতের সাথে প্রায় পিষে ফেললেন। আবার শুরু করলেন খাওয়া। তিনি খাচ্ছেন আর মাঝে মাঝে তর্জনী দিয়ে তর্জনী দিয়ে লবনের বাটি থেকে একটু লবন নিয়ে ভাতের সাথে ভালো করে মাখিয়ে নিচ্ছেন।

আমি মন্ত্রমুগ্ধের মত তাঁর খাওয়া দেখতে লাগলাম। আহা! কি সাধারন মেন্যু অথচ কি আয়েস করেই না তিনি খাচ্ছেন!! প্রতিটা ভাতকে যেন তিনি যত্ন করে মুখে চালান দিচ্ছেন। খাবার প্রায় শেষ দিকে। প্লেট উচু করে ছোট ছোট চুমুক আর হালকা শব্দে তিনি খাওয়া শেষ করলেন।

ফেরী তখন ঠিক মাঝ নদীতে। খোলা জানালা দিয়ে চমৎকার বাতাস আসছে। আমার সাথে উনার চোখাচোখি হলো। একটা মৃদ্যু হাসি দিয়ে জিজ্ঞেস করলেন, আর কিছু নিবেন? একপিস মাছ দিমু?

আমার খাওয়া প্রায় শেষ পর্যায়ে। অল্প দুই এক লোকমা বাকি। আমারও ভদ্রলোকের মত খেতে ইচ্ছা হলো। ডাল দিয়ে ভালো করে ভাত মাখালাম, লবন নিলাম, বাকি থাকা ইলিশ মাছটা ভাতের সাথে ভালো করে মাখাতে মাখাতে পালটা হাসি দিয়ে বললাম, না ভাই, কিছু লাগবে না ধন্যবাদ।

আমার চোখে, এটাই ভোজন রসিকতা, ফেরীর ঐ সামান্য পাচকই হয়ত সেরা ভোজন রসিক। বেশি খেতে পারা মানেই ভোজন রসিক না

যাইহোক, মুল ঘটনায় আসি। মাঝে মাঝে আমার খুব অদ্ভুত খাবার খেতে ইচ্ছা করে। যা না খাওয়া পর্যন্ত আমার শান্তি হয় না। যেমন আজকে মাঝরাতে প্রচন্ড ইচ্ছে করলো কাচকি মাছের শুঁটকি দিয়ে আলু কুঁচি আর কয়েক পিস বেগুন দিয়ে মাখামাখা একটা তরকারী দিয়ে গরম ধোঁয়া উঠা ভাত খাই। সাথে থাকবে পাতলা মসুরের ডাল, লেবু, কাঁচা মরিচ আর দেশী পেঁয়াজ।

এটা খাওয়ার সিস্টেম হচ্ছে, গরম ভাতে শুঁটকি মাখিয়ে কয়েক নলা ভাত গোগ্রাসে খাবার পর, দ্বিতীয় বার গরম ভাত নিয়ে তাতে ডাল, আর লেবু চিপে প্রতিবার খাওয়ার সময় কাঁচা মরিচে কামড় দিতে হবে। দুই একবার পেঁয়াজে কামড় দেয়ার পর মনে হবে- আহ!! বেহেস্তে আছি।

বলাবাহুল্য, আম্মাকে ভয়ানক ভালোবাসি। ভদ্রমহিলা, আমাকে মাঝ রাত্রিতেই খাবারটি তৈরী করে দিয়েছেন।

মন্তব্য ৭২ টি রেটিং +২৩/-০

মন্তব্য (৭২) মন্তব্য লিখুন

১| ২৪ শে জানুয়ারি, ২০১৯ রাত ২:০৪

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন: খাবার নিয়ে এমন লেখা ব্লগে আসেই না, লেখাটি ষ্টিকি করা হোক, ধন্যবাদ কাল্পনিক ভালোবাসা ভাই সুন্দর অভিজ্ঞতা শেয়ার করার জন্য ।

২৪ শে জানুয়ারি, ২০১৯ রাত ২:২১

কাল্পনিক_ভালোবাসা বলেছেন: কি সর্বনাসের বিষয়! এটা তো স্টিকি করার মত এমন কোন পোষ্ট না। শুধুমাত্র ব্যক্তিগত অনুভুতি আর ভোজন রসিকের ধারনা দিলাম। :)

২| ২৪ শে জানুয়ারি, ২০১৯ রাত ২:১২

কাজী ফররুখ আহমেদ বলেছেন: ঠাকুরমাহমুদ ভাই, চীনে তো এখন আর মাঞ্জালাদের ভাতের কষ্ট হয়না, কিন্তু মনে আছে কি আমরা শেনডং চলে যেতাম শুধু মাত্র ভাত খাবার জন্য, শেষে হোটেলে আপনি রাইস কুকার কিনে নিলেন - ভাত খেতেই হবে, ভাতের সাথে কোনো কিছুর তুলনা হয় অন্তত আমার আপনার জানা নাই । ধন্যবাদ কাল্পনিক ভালোবাসা ভাই আবারো ধন্যবাদ ।।

ঠাকুর ভাইয়ের সাথে আমিও সমর্থন করছি লেখাটি ষ্টিকি করা হোক ।

২৪ শে জানুয়ারি, ২০১৯ রাত ২:২৩

কাল্পনিক_ভালোবাসা বলেছেন: ভাতের নেশা বড় নেশা! চায়নায় আপনাদের ভাত বা খাওয়ার অভিজ্ঞতা নিয়ে কিন্তু অবশ্যই লিখতে পারেন!

৩| ২৪ শে জানুয়ারি, ২০১৯ রাত ২:১৭

স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: খাবার নিয়ে এখনো খুব মজা হয়,
একসময় আমি খেতে বসলে অন্যদের কপাল পুড়ত
ভালো খাবার গুলো অনেক দ্রুত খেয়ে ফেলতাম ।

.............................................................................
কোন কোন সময় খাবার শুরুর ৫মিনিট পর আমার খাবার
আসত ব্যালেন্স রাখার জন্য ।

২৪ শে জানুয়ারি, ২০১৯ রাত ২:২৭

কাল্পনিক_ভালোবাসা বলেছেন: হা হা হা!

৪| ২৪ শে জানুয়ারি, ২০১৯ রাত ২:২৮

শাহিন বিন রফিক বলেছেন:



আপনার দেওয়া খাবার বর্ণনা বিশেষকরে ডালের, এই রকমভাবে খেতে আমি আমার গ্রামের ছোট বেলায় দেখেছি। আমি নিজে ডাল খেতে পারি না তবে পান্তা খেয়েছি বহুবার ধরতে গেলে নিয়মিত তবে ঘোল বা গুড় দিয়ে।

২৪ শে জানুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ১২:৪৭

কাল্পনিক_ভালোবাসা বলেছেন: আপনাকে অনেক ধন্যবাদ পড়ার জন্য।

৫| ২৪ শে জানুয়ারি, ২০১৯ রাত ২:৩৫

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন: ব্লগে “ধর্মিয় প্রলাপ, রাজনৈতিক গীত, কবিতার নগ্নতা “ দেখে দেখে যখন হতাস তখন খাবার নিয়ে বৈচিত্রময় পোষ্টের জন্য বিগ থাম্বসআপ এবং ধন্যবাদ। কাজী ফররুখ আহমেদ চাউলের ব্যপারী - সে জানে অন্নের মুল্য । ভোজন রসিক আর খাদ্য বিলাসী যে এক নয় - তা আপনার পোষ্টে চমৎকার ভাবে উঠে এসেছে । এই পোষ্টের কারণে আশা করছি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বাসার খাবারের ছবির পোষ্ট “ব্লগে কমবে” - ব্লগ তো সোস্যাল মিডিয়া নয় যেখানে ঘরের আসবাবপত্র সহ খাবারের ছবির পোষ্ট হুলুস্থুল করে দেওয়া যায় - ব্যাপারটি বিরক্তি উৎপাদন করে । প্রদর্শিত খাবারের মেন্যু নিয়ে যারা ব্লগে আসেন আশা করি তারা সচেতন হবেন ।

২৪ শে জানুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ১২:৪৮

কাল্পনিক_ভালোবাসা বলেছেন: আপনাকে ধন্যবাদ। আমি চাই আমাদের ব্লগাররা বৈচিত্রময় লেখা নিয়ে আসুক। একঘেয়ে লেখা থেকে সকলেই বের হোক।

৬| ২৪ শে জানুয়ারি, ২০১৯ রাত ২:৪৪

সোহানী বলেছেন: একটু লিংক করি সঙজ্ঞা কে। যেমন যে ব্যাক্তি আয়েশ করে যেকোন খাবার খান ও প্রতিটা খাবারের স্বাদ বুঝতে সক্ষম তিনি আর যাই হোক খাদ্য প্রেমিক। আর একজন খাদ্য প্রেমিকই তথাকথিত স্বাস্থ্যবান বা মোটা। কাজের যুক্তি হলো যিনি খাবার খেতে পছন্দ করেন তিনি মোটা হতে বাধ্য এবং তিনি ভোজন রসিক হিসেবে আখ্যায়িত হবেনই.....।

কি ভাই, যুক্তি কি ঠিক আছে?????? ;)

২৪ শে জানুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ১২:৫০

কাল্পনিক_ভালোবাসা বলেছেন: হা হা হা! মোটেই না। ধরা খেয়ে গেছেন সোহানী আপু!! আপনার যুক্তি বিপরীতে একেবারে হাতে নাতে ভিডিও দিচ্ছি। বর্তমান বিশ্বে অন্যতম সেরা ভোজন রসিক বলা যায় এই ভদ্রলোককে মার্ক উইন

B-)

৭| ২৪ শে জানুয়ারি, ২০১৯ রাত ৩:৫৩

ব্লগ মাস্টার বলেছেন: আহা! আপনার লেখাটা পড়ে, সেই ছোট বেলা মায়ের হাতে পাটা মুছা ভাত খাবারের কথা মনে পড়ে গেল।

২৪ শে জানুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ১২:৫৬

কাল্পনিক_ভালোবাসা বলেছেন: আহ! সেটাও অদ্ভুত মজার খাবার। এক সময় সব স্মৃতি হয়ে যাবে।

৮| ২৪ শে জানুয়ারি, ২০১৯ ভোর ৪:১৫

মা.হাসান বলেছেন: শেষের লাইনটি পড়ে চোখ ভিজে আসলো। মায়ের অনেক বয়স হয়েছে। যখন দুজনেরই বয়স আরো ত্রিশ বছর কম ছিল মাকে এরকম অনেক যন্ত্রনা দিয়েছি। এখন মায়ের প্রিয় খাবার মাকে কেই বা রেধে দেয়।

আপনারা মাতা-পুত্র দীর্ঘায়ু হোন, মজার খাবারের কথা আমাদের জানাতে থাকুন।

২৪ শে জানুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ১:১২

কাল্পনিক_ভালোবাসা বলেছেন: আপনার এবং মায়ের কথা জেনেও মনটা খুব আদ্র হলো। আসলে মায়েদের কোন আপন পর নেই। মা তো মা ই। আমিও মাঝে চেষ্টা করি মাকে ভালো মন্দ কিছু রান্না করে খাওয়াতে।

৯| ২৪ শে জানুয়ারি, ২০১৯ ভোর ৬:১৪

রাফা বলেছেন: উদরপুর্তি করে অর্থাত টইটুম্বুর করে খাওয়াকে কখনই ভোজন রসিক বলা যায়না।
বরং পরমতৃপ্তি নিয়ে খাওয়াকেই ভোজন রসিক বা ভোজন প্রেমিক বলা যায়।

খাওয়ার ধারাবর্ণনা ভালো লাগছে।ধন্যবাদ,কা.ভালোবাসা।

২৮ শে জানুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৪:৩৪

কাল্পনিক_ভালোবাসা বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ প্রিয় রাফা। আশা করি ভালো আছেন।

১০| ২৪ শে জানুয়ারি, ২০১৯ ভোর ৬:২৬

চাঁদগাজী বলেছেন:


বাংগালীদের অনেক খাবারই সঠিকভাবে রান্না হয় না; অনেক বাংগালী খাবার মানুষের স্বাস্হের জন্য হুমকি!

২৮ শে জানুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৪:৩৫

কাল্পনিক_ভালোবাসা বলেছেন: ইহা মিথ্যে নয়, ক্ষেত্র বিশেষে ইহা সত্য।

১১| ২৪ শে জানুয়ারি, ২০১৯ সকাল ৭:৫৩

দিকশূন্যপুরের অভিযাত্রী বলেছেন: এক কথায় অাসাধারন!

২৮ শে জানুয়ারি, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:৩৬

কাল্পনিক_ভালোবাসা বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে। :)

১২| ২৪ শে জানুয়ারি, ২০১৯ সকাল ৭:৫৮

রাজীব নুর বলেছেন: আপনার পোষ্ট পড়ে আমি নিজেকে জিজ্ঞেস করলাম- আমি কি ভোজন রসিক?
ফেরীর খাবার এক সময় ইচ্ছা করেই খেতাম। এখন খাই না।
কেউ কেউ খুব আরাম করে বসে খান, দেখতে ভালো লাগে। হুয়াময়ুন আহমেদের তো বলেছেন- ''পৃথিবীর মধ্যে সবচেয়ে সুন্দর দৃশ্য হলো- কেউ তৃপ্তি নিয়ে বসে আরাম করে খাচ্ছে।

২৮ শে জানুয়ারি, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:৩৭

কাল্পনিক_ভালোবাসা বলেছেন: সেটা তো অবশ্যই। কেউ তৃপ্তি করে কিছু খাচ্ছে এটা দেখলে আমার বড় আনন্দ হয়।

১৩| ২৪ শে জানুয়ারি, ২০১৯ সকাল ৮:২৮

পাঠকের প্রতিক্রিয়া ! বলেছেন: লেখার প্রকাশভঙ্গিটা দারুন। এখনো বেশীরভাগ বাঙালি মাছ-ভাতে আর ডালে সন্তুষ্ট। তবে ২.৪১কোটি মানুষ এখনো হতদরিদ্র। আফসোস।


#বলাবাহুল্য, আম্মাকে ভয়ানক ভালোবাসি। ভদ্রমহিলা, আমাকে মাঝ রাত্রিতেই খাবারটি তৈরী করে দিয়েছেন।
মায়েরা এমনই। "আমার সন্তান যেন থাকে দুধে ভাতে" চরণের স্বর্থকতা এখানেই।

২৮ শে জানুয়ারি, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:৩৮

কাল্পনিক_ভালোবাসা বলেছেন: আপনাকে ধন্যবাদ লেখাটি পড়ার জন্য। সন্তানের জন্য মায়েরা যে কষ্ট করেন, সেটা কোন তুলনা নেই।

১৪| ২৪ শে জানুয়ারি, ২০১৯ সকাল ১০:০৮

মোস্তফা সোহেল বলেছেন: অনেক দিন মায়ের হাতের খাবার খাওয়া হয়না।মায়ের হাতের খাবার অনেক মিস করি।

২৮ শে জানুয়ারি, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:৩৮

কাল্পনিক_ভালোবাসা বলেছেন: আহারে ভাই!

১৫| ২৪ শে জানুয়ারি, ২০১৯ সকাল ১০:১৮

নীল আকাশ বলেছেন: কা_ভা ভাই শুভ সকাল,
আপনার মধ্যরাতের খাবারটা তো মনে হচ্ছে বেশ মজাদার হবে! একবার ট্রাই করে দেখতে হবে.......
ভোজন রসিক মানে হলো বেশি খাওয়া নয়! বরং কোনটা মজাদার সেটা বুঝা আর কোন খাবার মুখে দেবার পর সেটা মজা হয়েছে নাকি সেটা সাথে সাথেই বুঝে ফেলা! অনর্থক স্বাদ না হলে একগাদা খাওয়ার কোনই মানে হয় না........
দেখতে ভালো হলেই খেতে মজাদার হবে এমন কোন কথা নেই।
ব্যতিক্রম একটা পোস্ট দেবার জন্য ধন্যবাদ। আমাদের কারো কারো আসলেই এই পোস্ট দেখে শেখা উচিৎ!
গৎবাধা লেখা ছাড়াও যে আরও টপিক আছে লেখা সেটা বুঝা..........
ধন্যবাদ এবং আপনার জন্য শুভ কামনা রইল!

২৮ শে জানুয়ারি, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:৪৫

কাল্পনিক_ভালোবাসা বলেছেন: শুভ সন্ধ্যা। উপযুক্ত মশলা ব্যবহার করে যদি রান্না করা যায়, তাহলে অবশ্যই এটা অতি উপাদেয় একটি খাবার। ভোজন রসিক শব্দটির অর্থ বলতে আমি যা বুঝি তা হচ্ছে যে কোন খাবারকে সম্মান করার আগ্রহ, খাবার উপভোগের প্রচলিত পদ্ধতির পাশাপাশি নতুন কোন উপায়ে খাবারটি খাওয়ার চেষ্টা। খাদককে ভোজন রসিক বলা যাবে না।

আপনাকে ধন্যবাদ পোষ্টটিকে ব্যতিক্রম হিসেবে মুল্যায়ন করার জন্য। শুভেচ্ছা জানবেন।

১৬| ২৪ শে জানুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ১২:৫৬

ব্লগ সার্চম্যান বলেছেন: মা-কে আমারদের পক্ষ থেকে সালাম জানাবেন ভাই।জগৎ সংসারে মা যতদিন বেঁচে থাকেন ততদিনই সন্তানদের আসল সুখ। সন্তানদের আর চাওয়া পাওয়া আর আবদার পূরণে সর্বক্ষণ যেন মা আর বাবা প্রস্তুত হয়ে বসে থাকেন । শুধু সন্তান বলতে দেরি
সামনে আসতে দেরি হয়না। পান্তা সাথে ইলিশ ভাজা ছাড়াও করলা ভাজি ও গুরো চিংড়ি ভর্তাও বেশ টেষ্ট আনে ।

২৮ শে জানুয়ারি, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:৫০

কাল্পনিক_ভালোবাসা বলেছেন: সঠিক বলেছেন। এই প্রসঙ্গে সুন্দর একটি প্রার্থনা আছে। তা হচ্ছে, হে আমার প্রতিপালক! আমার পিতা-মাতার প্রতি দয়া করো, যেমন তারা দয়া, মায়া, মমতা সহকারে শৈশবে আমাকে প্রতিপালন করেছিলেন। আমি এই প্রার্থনা প্রতিনিয়ত করি।

শুভেচ্ছা জানবেন।

১৭| ২৪ শে জানুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ১:০৩

বোকা মানুষ বলতে চায় বলেছেন: মাঝে মাঝে দুঃখ হয়, না হইলাম "খাদক", না " ভোজন রসিক"... হইলাম শেষে বোকা মানুষ। দুক্ষু আর দুক্ষু রে ভাই.... :(

২৮ শে জানুয়ারি, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:৫২

কাল্পনিক_ভালোবাসা বলেছেন: আপনি যে কি, সেইটা আমি জানি! ;)

১৮| ২৪ শে জানুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ১:১৬

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: সুন্দর শেয়ার ।

২৮ শে জানুয়ারি, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:৫৩

কাল্পনিক_ভালোবাসা বলেছেন: ধন্যবাদ সেলিম ভাই!

১৯| ২৪ শে জানুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ১:২৫

:):):)(:(:(:হাসু মামা বলেছেন: খাবারের কথা গুলো শুনে ভালো লাগল।

২৮ শে জানুয়ারি, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:৫৪

কাল্পনিক_ভালোবাসা বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে। :)

২০| ২৪ শে জানুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ১:২৮

মাহমুদুর রহমান বলেছেন: তখন অবিবাহিত ছিলাম, মেরুদন্ড আরো কিছুটা শক্ত ছিলো, মেজাজে তেজদ্বীপ্ত ভাবও বেশ উজ্জল। মিষ্টি হেসে বলেছিলাম, আমার দাদা তাঁর জীবিতকালে পান্তা খাওয়ার কোটা শেষ করে যেতে পারেন নি বিধায়, আমরা এখনও মাঝে মাঝে পান্তা খাই। তোমরা ভাগ্যবান, পান্তা খাওয়ার কোটা, তোমার দাদাই শেষ করে গেছে। তোমাদের জন্য আর কিছু নেই।
চমৎকার জবাব।

২৮ শে জানুয়ারি, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:৫৭

কাল্পনিক_ভালোবাসা বলেছেন: ধন্যবাদ :)

২১| ২৪ শে জানুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ১:৪৭

মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন:
আমি নিজের হাতে আপনার দেওয়া মেনু অনুযায়ী কাচকি মাছের শুটকি রেধে খেয়েছি।

মশুর ডাল ও আলু, টমাটো দিয়েও রান্না করা যায় সেটাও ভাল হয় তবে ডাল আস্তা থাকতে হবে।

+++++

২৮ শে জানুয়ারি, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:৫৯

কাল্পনিক_ভালোবাসা বলেছেন: আহা! এটাও বেশ সুন্দর একটি খাবার। গরম ভাতের সাথে শুধু এই টাইপের ডাল দিয়ে কয়েক প্লেট ভাত খেয়ে ফেলা যায়!

২২| ২৪ শে জানুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৩:০০

কিরমানী লিটন বলেছেন: মাহমুদুর রহমান বলেছেন: তখন অবিবাহিত ছিলাম, মেরুদন্ড আরো কিছুটা শক্ত ছিলো, মেজাজে তেজদ্বীপ্ত ভাবও বেশ উজ্জল। মিষ্টি হেসে বলেছিলাম, আমার দাদা তাঁর জীবিতকালে পান্তা খাওয়ার কোটা শেষ করে যেতে পারেন নি বিধায়, আমরা এখনও মাঝে মাঝে পান্তা খাই। তোমরা ভাগ্যবান, পান্তা খাওয়ার কোটা, তোমার দাদাই শেষ করে গেছে। তোমাদের জন্য আর কিছু নেই।
চমৎকার জবাব।

আমিও একমত...

২৮ শে জানুয়ারি, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:০১

কাল্পনিক_ভালোবাসা বলেছেন: আসলে যারা নিজেদের মুল স্বত্তাকে ভুলে যাওয়ার চেষ্টা করেন, আমি তাদের অপছন্দ করি।

২৩| ২৪ শে জানুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৪:০৫

হাসান রাজু বলেছেন: পোস্ট প্রায় শেষ। তখন দেখি লেখা যাইহোক, মুল ঘটনায় আসি। খেয়াল করে দেখলাম পোস্ট শেষ হতে আর মাত্র কয়েক লাইনই বাকি :( । মখা বনে গেলাম। ৪০ লাইনের পোস্টে ৩৫ টা লাইন পড়ার পর জানলাম এখনো মূল ঘটনা বর্ণনা শুরুই হয় নি। কিন্তু অসাধারণ।

আরও অসাধারণ এই কারনে। কাল আমাদের প্রোগ্রাম হল সকাল ৭ টা নাগাদ ঘুম থেকে উঠে (সাধারণত শুক্রবার আমরা ঘুম থেকে অনেক দেরি করে বিছানা ছাড়ি। সময়টা বললাম না। অভিজ্ঞরা বুঝে নিবে। ) ভাত + আলু ভর্তা + ডিম ভাজি + ডাল রান্না করে গরম গরম পেটে চালান দিব। এরপরই আবার ঘুমিয়ে গিয়ে অবশিষ্ট ঘুমের কোটা পূরণ করব। এই আয়োজনে আরও দুজন ঘুম কাতুরে সামিল হবেন আশা করি। এটা বেশ সপ্তাহ দুয়েক হল প্ল্যান করছি কিন্তু কোন না কোন কারনে হচ্ছে না। কাল ইনশাআল্লাহ্‌ সফল হবে।
আমার আপনার অন্যায় সব সাধ পুরনে সদা প্রস্তুত ওই সব ভদ্রমহিলারা ভালো থাকুন অনন্তকাল।

২৮ শে জানুয়ারি, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:০৪

কাল্পনিক_ভালোবাসা বলেছেন: হা হা হা। আসলে এই ধরনের লেখার প্রারম্ভিকতা হয় অনেকটা বার হাত কাকুরের তের হাত বিচির মত।

ডাল, ভাত, আলু ভর্তা হচ্ছে পৃথিবীর সর্বকালের সেরা কম্বিনেশনগুলোর মধ্যে একটি। এর সাথে ডিম যোগ হলে সেটা হয়ে দাঁড়ায় আভিজাত্য আর দুই এক ফোট ঘি দিয়ে দিলে তো রাজযোটক। !

আপনার প্রার্থনার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ। কৃতজ্ঞতা এবং শুভেচ্ছা জানবেন।

২৪| ২৪ শে জানুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৪:১২

নূর মোহাম্মদ নূরু বলেছেন:
আপনার লেখাটি পড়ে জনৈক ইসমাইল হোসেনের একটি কবিতার
কিয়দাংশ মনে পড়লোঃ

আ‌মি বড়ই ভোজন র‌সিক, ‌পেটটা পু‌রে খাই;
দাওয়াত পে‌লেই সেথায় ছু‌টি, ‌কোন কথা নাই।
দাওয়াত ছাড়াও মা‌ঝে-ম‌ধ্য‌ে ‌পেটটা বে‌চে আ‌সি
কোন কিছু‌ই অরু‌চি নাই, ‌ভোজন ভালবা‌সি। ‌

কেউ য‌দি কয়, খা‌বে না‌কি? ‌সেথায় প‌ড়ি ব‌সে।
আ‌শে-পা‌শের ভদ্র‌ লো‌কে ‌মিচ‌্মিচি‌য়ে হা‌সে।
ভা‌বি আ‌মি ম‌নে ম‌নে কুচ্-পরওয়া নাই
খাব আ‌মি কব্জ‌ি মে‌রে, ‌যে যা ভা‌বিস ভাই।

আপনাকে ধন্যবাদ কাভা ভাই
চমৎকার লেখনীর জন্য।

২৮ শে জানুয়ারি, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:০৫

কাল্পনিক_ভালোবাসা বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ নুরু ভাই। :)

২৫| ২৪ শে জানুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৫:০৯

জানা বলেছেন: :D :D তোমার ভোজন রসিকতা পড়ে মজা লাগলো জাদিদ :D :D । 'ভোজন রসিক' বলতে বলতে যা অনেকেই বোঝেন বা ভুল ধারণা করেন বলে তুমি বলতে চেয়েছো তা সত্যি এবং এমন লোকের সংখ্যা কিন্তু 'শিক্ষিত' মানুষের মধ্যেও অসংখ্য। অবশ্য কেউ কেউ এই শব্দটিকে 'রসিকতায়' নিয়ে ওজনদার(পদস্থ বা ব্যক্তিত্বসম্পন্নদের কথা বলছি না ;) ) উপর চাপিয়ে একটু আনন্দ নিতে ভালবাসেন। কিন্তু একজন সত্যিকারের 'ভোজন রসিক' আমার কাছে একজন শিল্পী। খাবার নিয়ে আদ্যোপান্ত ধারণা, আস্বাদ নেবার অদম্য আগ্রহ এবং 'গোগ্রাস' বিষয়টিকে স্থায়ীভাবেবর্জন করে রসিয়ে বা আনন্দ করে ভোজন বিলাসী'রাই আসলে 'ভোজন রসিক (এটা আমার নিজের ব্যাখ্যা। দ্বিমত সানন্দে নেবো :))। তুমি কি বলো জাদিদ?

প্রচলিত খাবার, প্রাচীন এবং আধুনিক সংস্করণ খাবার, আঞ্চলিক খাবার, বিভিন্ন উৎসবের খাবার, ভিনদেশী খাবার, ফিউশন খাবার, সংস্কৃতি ভেদে ভিন্ন ভিন্ন খাবার, স্বাস্থসম্মত খাবার এবং "মোটাতাজা করণ" (গরুর জন্যে নয় কিন্তু :P ) 'ক্যাট ওয়াক' খাবার B-) , সৌন্দর্য্য সচেতন খাবার :`> সহ যাবতীয় খাবারের স্বাদ গ্রহণে বিশেষ আগ্রহী এবং স্বাদ গ্রহণের পর সঠিক মূল্যায়ন করার ক্ষমতাসম্পন্ন 'রসিক'এরা যথার্থ ভোজন রসিক। দেখি, আর কার কি মনে হয় :) :-B

(বাই দ্যা ওয়ে, তোমার পোস্টে আসার দরজা অবশেষে খোলা পেয়ে ভাল লাগলো :)

২৮ শে জানুয়ারি, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:০৯

কাল্পনিক_ভালোবাসা বলেছেন: প্রথমত, যে কোন পোষ্টে আপনার মন্তব্য পেলে আমরা ব্লগাররা দারুনভাবে অনুপ্রাণিত হই!! এটা অদ্ভুত একটি অনুভুতি।

দ্বিতীয়ত, খাবার নিয়ে আদ্যোপান্ত ধারণা, আস্বাদ নেবার অদম্য আগ্রহ এবং 'গোগ্রাস' বিষয়টিকে স্থায়ীভাবেবর্জন করে রসিয়ে বা আনন্দ করে ভোজন বিলাসী'রাই আসলে 'ভোজন রসিক ইহাই চুড়ান্ত ভোজন রসিকের সংঙ্গা।

যাক, সেই ভুতটা দুর হয়েছে জেনে আনন্দিত!!

২৬| ২৪ শে জানুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৫:১১

ফয়সাল রকি বলেছেন: বিয়ের পরে শ্বাশুড়ি-মা যখন জানলেন আমার প্রিয় ফল কাঁঠাল, তখন তিনি আমার জন্য দু'টো প্রমাণ সাইজের কাঁঠাল নাস্তায় রেখেছিলেন। আর যখন আমি মাত্র ৫/৬ পিস খেয়ে উঠে পড়লাম তখন তিনি খুবই মর্মাহত হলেন। আমি যতই বলি কাঁঠালটা খুবই ভাল ছিল, উনি ততই অবিশ্বাস করেন :(

২৮ শে জানুয়ারি, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:১৪

কাল্পনিক_ভালোবাসা বলেছেন: আহারে! আমি নিশ্চিত, আপনি সকালে না খেয়ে দুপুর আর সকালের মাঝামাঝি সময়ে খেলে হয়ত আরো বেশি খেতে পারতেন।

২৭| ২৪ শে জানুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৫:৩১

মনিরা সুলতানা বলেছেন: মিষ্টি হেসে বলেছিলাম, আমার দাদা তাঁর জীবিতকালে পান্তা খাওয়ার কোটা শেষ করে যেতে পারেন নি বিধায়, আমরা এখনও মাঝে মাঝে পান্তা খাই। তোমরা ভাগ্যবান, পান্তা খাওয়ার কোটা, তোমার দাদাই শেষ করে গেছে। তোমাদের জন্য আর কিছু নেই।

হাহাহাহাহা এক্কেবারে জব্বর উত্তর ;) ভাতের নেশা রে ভাই ! মারাত্মক নেশা।
এই রকম হুট হাট রুচির ব্যারাম আমার ও আছে, যতটুকু পারি শখ মিটাই।

চমৎকার লেখা !!!

০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ২:৫০

কাল্পনিক_ভালোবাসা বলেছেন: কেউ আলগা ঢং করলে, তাঁকে উপযুক্ত সাইজ দিতে আমি কিছুটা হলেও চেষ্টা করি। আর ঢংগি মেয়ে হলে তো আপা কথাই নাই। ;)
ভাতের নেশা সবচেয়ে মরনব্যাধি নেশা আপা। এই বিষয়ে কোন দ্বিমত নাই।

কবে যে আপনার হাতের খাবার খাবো!! :(

২৮| ২৪ শে জানুয়ারি, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:০৫

কালোপরী বলেছেন: :)

২৯| ২৪ শে জানুয়ারি, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:০৮

ফেরদৌসা রুহী বলেছেন: এই হিসাবে আমিও একজন ভোজন রসিক।

৩০| ২৪ শে জানুয়ারি, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:২৪

পাঠকের প্রতিক্রিয়া ! বলেছেন: অ. ট.

কাল্পনিক_ভালোবাসা ,
আপনার প্রোপিকটা ভিলেন টাইপের। দেখলেই গুন্ডা গুন্ডা লাগে।


পুনশ্চঃ অনেকদিন ব্যান খাই না। আমার বর্তমান রিপোর্ট কী?

২৮ শে জানুয়ারি, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:১৮

কাল্পনিক_ভালোবাসা বলেছেন: জী, আমি প্রকৃত প্রো পিকই বেছে নিয়েছি। :) :)

অট হচ্ছেঃ গরু-ছাগলে স্বয়ংসম্পূর্ণ বাংলাদেশ।

৩১| ২৪ শে জানুয়ারি, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:২৪

নষ্টজীবন® বলেছেন: খুবই ভালো লাগলো ভোজন রসিক শব্দের সাথে পরিচিত হয়ে, সুন্দর আলোচনা করেছেন ভাই।

পান্তাভাতে পেঁয়াজ কাঁচামরিচ আর লবণ মিশিয়ে খাওয়ার স্বাদ এখনো অনুভব করি, আহ! কি যে স্বাদের খাবার! সবাই এই স্বাদ বুঝে না।

২৮ শে জানুয়ারি, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৩৫

কাল্পনিক_ভালোবাসা বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে আমার লেখাটি পড়ার জন্য। শুভেচ্ছা জানবেন।

৩২| ২৪ শে জানুয়ারি, ২০১৯ রাত ৮:১০

আর্কিওপটেরিক্স বলেছেন: আপনার লেখার হাত চমৎকার....
খাওয়াদাওয়ার ব্যাপারে দৃষ্টিভঙ্গিই আসল....
সাধারণই এভাবে হয়ে ওঠে অসাধারণ....
ডালের ভর্তা জোসস লাগে খেতে.....
একটু সরিষার তেল, শুকনো বা কাঁচা মরিচ..... এন্ড ইটস জাস্ট অওসাম.... ইয়াম্মি ইয়াম্মি ডেলিশিয়াস...
লেখাটা দারুণ লেগেছে.... :)

পান্তা ভাত আমার প্রিয় খাবার....
সাথে ভর্তা, মরিচ, পেঁয়াজ.... এককথায় অমৃতসম.....

দেশী খাবারের স্বাদই আলাদা.....
আর মায়ের হাতের রান্না.... মধু মধু মধু..... সুস্বাদু......
হাত চেটেপুটে খেতে হয়....

তবে যাই বলেন আমিও ভোজনরসিক B-))
এরকম আরো পোস্টের জন্য আকুল আবেদন রইলো কাভা ভাই.....

৩৩| ২৪ শে জানুয়ারি, ২০১৯ রাত ৯:৩১

প্রামানিক বলেছেন: মনে পড়েছে, যাচ্ছি বাড়ি
সালটা ছিল আশি
খাচ্ছি বসে দুই পিস মাংস
ভেড়া কিংবা খাসি।

ভাত দিয়েছে গামলা ভরে
ডাল ছিল যে ফ্রি
ডাল তো নয় ঘোলা পানি
দেখতে কি বিশ্রি!

আঠাশ টাকা দ্বিগূন মূল্য
উপায় তো আর নাই
নদীর মাঝে একটি হোটেল
বাধ্য হয়েই খাই।

খেতে বসেছি অনেক খেলাম
পুষিয়ে নিচ্ছি খেয়ে
আট প্লেট ভাত করলাম সাবার
ডাইলটা ফ্রি পেয়ে।

যতই খাবেন আঠাশ টাকা
তাই তো আমি খেলাম
অর্ধেক রাস্তা যাওয়ার পরেই
টের কিছুটা পেলাম।

গুড় গুড় গুড় ডাকলো পেটে
মোচর দিল যেই
পেটের ব্যাথায় জান বাঁচে না
হুঁশ টুস্ আর নেই।

অনেক কষ্টে সন্ধ্যা রাতে
ফিরলাম যখন বাড়ি
ব্যাগটা ফেলে দৌড়ে গেলাম
টয়লেট তাড়াতাড়ি।

আপনার পোষ্ট পড়ে পুরানো কথা মনে পড়ে গেল। ধন্যবাদ এমন রসালো পোষ্ট দেয়ার জন্য।

৩৪| ২৪ শে জানুয়ারি, ২০১৯ রাত ১০:২৬

অপু দ্যা গ্রেট বলেছেন:



আহা । এখন তো ক্ষুধা লেগে গেছে ।

আমার কাছে খাওয়া মানেই এর স্বাদ নেয়া । মজা করে খাওয়া । প্রতিটা কামড়ে যেন স্বাদ লেগে যায় মুখ ভরে । তবে বেশি খেতে পারি । যাক কাল গিয়ে সবাইকে বলব ভোজন রসিক মানে এইটা, ওইটা না ।

৩৫| ২৫ শে জানুয়ারি, ২০১৯ রাত ১:৪২

নাঈম জাহাঙ্গীর নয়ন বলেছেন: আহ! দারুণ খাবারের কথা স্মরণ করিয়ে দিলেন ভাই! লাউ শাক ফেবি মাছের শুঁটকি সঙ্গে দেশি ছোট আলু দুইভাগ করে মাখা মাখা তরকারির সাথে গরম অথবা সকালের কড়কড়ে ভাত, কেমন স্বাদ যে না খাইছে সে বুঝবে কি করে। আর পান্তা ভাতের সঙ্গে কাঁচামরিচ পেঁয়াজ লবণ কতটা স্বাদের খাবার তা সবাই বুঝবেনা কোনভাবে।

খুব ভালো লাগলো পরনো স্বাদের খোঁজ পেয়ে।

৩৬| ২৫ শে জানুয়ারি, ২০১৯ রাত ৩:১১

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:
খাবার অবিস্মরণীয় সুস্বাদু হয়, যখন পেটে খুধা থাকে।
কামারখালী ঘাট (গোয়ালন্দের পরের ফেরি ঘাট, এখন ব্রীজ হয়ে গেছে।)
যশোর ঢাকা ফেরার পথে ফেরির অপেক্ষায় খুধা পেটে রাস্তার পাসে খাবার দোকান, গরম ভাত, ইলিশ মাছের বড় টুকরা, সাথে আস্তো ইলিশ মাছের ডিম।
কামারখালী ঘাটের সেই খাবার ভাষার বাইরে স্মরণীয় স্বাদ!

৩৭| ২৫ শে জানুয়ারি, ২০১৯ সকাল ৭:০৬

জনৈক অচম ভুত বলেছেন: পোস্ট পড়ে আমার মতো ভোজনবেরসিকের মনেও এখন ভোজনরসিক হবার ইচ্ছে জাগছে। 8-|

৩৮| ২৫ শে জানুয়ারি, ২০১৯ সকাল ৯:৫০

সোহানী বলেছেন: এইটা কি ভিডিও দিলেন ভাইজান!! মার্ক এর অনেক ভিডিও দেখেছি কিন্তু তাকে আপনি কিভাবে এরে ভোজন রসিক বলবেন???? সেতো সিম্পল ট্রাভেল শো করে তবে বেইজড্ অন ফুড..... এই যা। তাকে কি ওই সারেন এর মতো আয়েশ করে খেতে দেখেছেন??? উহু পাবেন না। তার বিষয় কান্ট্রিস জেনারেল ফুড কালচার, এর চেয়ে বেশী কিছু নয়!!!

৩৯| ২৬ শে জানুয়ারি, ২০১৯ রাত ৮:৫৮

আফসানা মারিয়া বলেছেন: ভোজন রসিক হিসেবে নিজেকে প্রমোট!

৪০| ২৭ শে জানুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৩:২৯

এস এম ইসমাঈল বলেছেন: সুন্দর পোষ্টের জন্য মুবারাকবাদ, প্রিয় লেখক।
ভোজন রসিক বলতে আমি যেটা বুঝি, তা হলো যিনি যে কোন খাবারকে আনন্দের সাথে গ্রহন করতে জানেন, তিনিই ভোজন রসিক।

গ্রামের বাড়ীতে আমার এক চাচা ছিলেন, তিনি মাশাআল্লাহ বেশ খেতে পারতেন। খুব সহজ সরল টিপিক্যাল গ্রামের মানুষ বলতে আমরা যা বুঝি ঠিক সে রকম।

আমার এক বড়লোক মামাকে দেখেছি সাত সকালে রান্না করা গরম ভাতে পানি মিশিয়ে খেতে। গরমকালে লেবু, পিয়াজ, কাচা মরিচ, আগুনে পোড়া লইট্টা শুটকি দিয়ে বা আলু ভরতা দিয়ে আমাদের বাসায় মাঝে মাঝে খাওয়া হতো।

আমার মামণিকে দেখতাম, মাঝে মাঝে রাতের বেচে যাওয়া ভাত দিয়ে আমাদের মজাদার খিচুরি বানিয়ে দিতেন।

আমার গিন্নি রাতের বেচে যাওয়া ভাত সকালে ডিম আর পেয়াজ দিয়ে ভেজে ছেলে-মেয়েদের টিফিন হিসাবে দিতেন। ছেলে-মেয়েরা সেগুলো খুব মজা করে খেত। এক সময় আমার গিন্নির বানানো ভাত ভাজার রেসিপি নিয়ে বেশ হই চই পড়ে গি্যেছিল।
দেখতাম বেশ কয়েকজন ভদ্র মহিলারা দল বেধে আমাদের বাসায় হাজির। কারন উনাদের বাচ্চারা তাদের মাকে বলতো, যে মা তুমি আমাকে হামেদের মা মনির মত করে ভাত রান্না করে দিতে পারো না? ওর মায়ের বানানো ভাত ভাজা খেতে যা মজা, সেরকম করে তুমি আমাকে বানিয়ে দিতে পার না?
ভাত নিয়ে আমার আরো বেশ কিছু মজার ঘটনা আছে, সে গল্প না হয় আরেক দিন হবে।

৪১| ২৮ শে জানুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৩:৫৮

অলিভিয়া আভা বলেছেন: আহা খুব সুন্দর লেখা। ভোজন রসিকের সংজ্ঞা আবার যেন নতুন করে পড়লাম। সত্যিই খাবার একটা পবিত্র জিনিস, খাবারকে ভালোবাসাও এক ধরনের আত্মতৃপ্তি এনে দেয়।

৪২| ২৮ শে জানুয়ারি, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৫৩

আবুহেনা মোঃ আশরাফুল ইসলাম বলেছেন: ইলিশ মাছের ডিম ভাজা দো-পেঁয়াজা করে দিলে আমার আর কিছু লাগে না। গরম ধোঁয়া ওঠা ভাতের সাথে খেলে মনে হয় বেহেশতের একটা মেন্যু খেলাম।

৪৩| ০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ রাত ৩:৪৯

কাতিআশা বলেছেন: আপনার পোস্ট টা পড়ে এত ক্ষিদা লেগে গেল!...কি আর করা, ডেস্কে বসে চানাচুরই খাচ্ছি. :((

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.