| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
মৃতস্বর
স্বর মরেগেছে, তাই ভার্চুয়াল উপস্থিতি। মৃতস্বরের ইংরেজিটা হলো DeadVoice. আর এই নামটা কেউ চুরি করলে খবর আছে। চিঠির ঠিকানা- [email protected]
বাংলাদেশের রাজনৈতিক ডামাডোলের মধ্যে ইদানিং অনেকগুলো নতুন রাজনৈতিক প্লেয়িং কার্ডের নাম আর কার্যকারিতা দেখলাম।এই কার্ডগুলো সবাই যেমন ব্যবহার করেনা তেমনি সব কার্ড সবারে দানও এনেদিতে পারেনা। সব কার্ড ট্রাম্প কার্ড না, আবার মাঝে মাঝে অনেক সাধারণ কার্ডও ট্রাম্প কার্ডকে ওভারট্রাম্প করে। আসুন সেইরকম কিছু কার্ড সম্পর্কে জানি-
ইসলাম কার্ড- প্রায় সবাই কম বেশী ব্যবহার করেছে কিন্তু ইদানিং জামায়াতের হাতে এই কার্ড সেরা ট্রাম্প হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। অনেকের মতে এই কার্ড নাকি কিছু কিছু ক্ষেত্রে মুক্তিযুদ্ধ কার্ডকে ওভারট্রাম্প করেছে।
মুক্তিযুদ্ধ কার্ড- প্রধানত আওয়ামীলীগের কাছে থাকে এবং বড়-ছোট যে কোন প্রয়োজনে এটা তারা ব্যবহার করে। কার্ডটি প্রায় সব সময় ট্রাম্প কার্ড হিসেবে বিবেচিত এবং বহু পরীক্ষিত।
জঙ্গি কার্ড- এই কার্ডটিও আওয়ামীলীগের ব্যবহারে কার্যকর হিসেবে প্রমাণিত, যদিও এখন তেমন কাজে আসেনা।
সংখ্যালঘু/হিন্দু কার্ড- আওয়ামীলীগের ব্যবহৃত অন্যতম কমোন কার্ড, অন্যেরা ব্যবহার করে সুবিধে করতে পারেনা।
গনতন্ত্র কার্ড- বিএনপি বেশী ব্যবহার করেছে যদিও আওয়ামীলীগ কখনো কখনো হাতিয়ে নিয়েছে।
দুর্নীতি কার্ড- প্রধানত প্রধান বিরোধী দলের হাতে থাকে। নির্বাচনে ভালোই কার্যকর।
রাজাকার কার্ড- সবসময় জামায়াতের বিপরীতে সবাই ব্যবহার করে। সবচেয়ে কার্যকরভাবে ব্যবহার করতে পেরেছে আওয়ামিলীগ।
বাঙ্গালী জাতীয়তাবাদ কার্ড- আওয়ামীলীগের কার্ড হিসেবে বিবেচিত। এই কার্ড এখন তেমন কার্যকর নয়।
বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ কার্ড- বিএনপির কার্ড হিসেবে বিবেচিত। এই কার্ড এখন তেমন কার্যকর নয়।
©somewhere in net ltd.
১|
১২ ই মার্চ, ২০১৩ দুপুর ১২:৫৪
নায়করাজ বলেছেন: জামায়াতীদের সাফল্য দেখে আমি মুগ্ধ। জামায়াত যুদ্ধাপরাধ ইস্যুতে বিএনপিকে সফলভাবে পকেটে পুরতে পেরেছে। কেবল তা-ই নয়, বিএনপির মধ্যে মুক্তিযোদ্ধা এবং মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের সকল বুদ্ধিজীবীদেরও জামায়াত তাদের পকেটে পুরতে পেরেছে। বাংলাদেশের মানুষের বিবেক বন্ধক দেয়ার দৃশ্য অবশ্য নতুন না। আমাদের রাজনীতি মানে হল বিবেক বন্ধক রেখে চামচামি করা। এই বিবেকহীনদের জন্যই ৪২ বছরে অল্প কয়েকটা যুদ্ধাপরাধীর বিচার করা যায় নি।