নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আমাকে খুঁজে পেতে এখানে যেতে পারেন- https://www.facebook.com/rezwan.tanim?fref=ts

রেজওয়ান তানিম

প্রকাশিত গ্রন্থঃ অসুখগুলো প্রাপ্তবয়স্ক, শাদা পরচুল অন্ধকার, মৌনমুখর বেলায়, শাহবাগের সাথে সংহতি

রেজওয়ান তানিম › বিস্তারিত পোস্টঃ

পুরাণের কথা (পর্ব -১) : হোমার

১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১১:৩৩

দীর্ঘদিন হল ভাবছি পুরাণ ভিত্তিক পোস্ট দেব । কিন্তু দেয়া হচ্ছিল না । আজকে শুরু করলাম । আশা করি আপনাদের ভাল লাগবে । আমি পুরাণ ভিত্তিক একটা সিরিজ করার চেষ্টা করছি যেটা ব্লগের বাকি পুরাণ ভিত্তিক পোস্ট গুলোর তুলনায় কিছুটা হলেও ভিন্ন হবে । আমার এই সিরিজের নাম দিলাম পুরাণের কথা ।



আমার আজকের পোস্টে থাকছে মহাকবি হোমার এবং তার রচিত অমর মহাকাব্য ইলিয়াড বিষয়ে কিছু আলোচনা । এর কাব্যমূল্য বিষয়ে আলোকপাত করার চেষ্টা করব ।









আপনারা যারা পুরাণ পড়ে অভ্যস্ত তারা হয়ত খেয়াল করেছেন প্রাচীণ যুগে মানুষের বংশ পরিচয়কে অসম্ভব গুরুত্বপূর্ণ মনে করা হত । কোন বিখ্যাত ব্যাক্তির নাম নেবার আগে তার বাবা, দাদা এমনকি পরদাদার নামও বলা হত । তখনকার সমাজে এটাই কৌলিন্যের প্রতীক বলে ধরা হত । তো আমরাও মহাকবি হোমারের জন্ম পরিচয় থেকে আসি।



হোমার তার লেখায় মহাবীর একিলিস, এ্যাজাক্স, এগামেমনন, ডায়োমেডিস, ওডিসিয়াসের বংশ পরিচয়ের কথা সবিস্তারে বর্ণনা করলেও তার নিজের জন্ম সাল, পরিচয় এবং স্থান সব নিয়েই সন্দেহ আছে । বিখ্যাত ইতিহাসবিদ হিরোডোটাস এর মতে তিনি মোটামুটি খ্রীষ্টপূর্ব অস্টম শতকে জন্মলাভ করেন । কোন কোন সূত্র মতে তিনি ট্রয় যুদ্ধের সমকালীন অর্থাৎ খ্রীষ্টপূর্ব দ্বাদশ শতকে জন্মলাভ করেন । তার জন্মস্থান নিয়ে মতভেদ আছে এবং যেহেতু তিনি ছিলেন বিখ্যাত চারণ কবি, তাই তার ব্যাপক ভ্রমণের জন্যে বিভ্রান্তি হয়েছে প্রকট । স্মর্ণা, ইথাকা, রোডস, সাইপ্রাস, আর্গস, এথেন, কিয়স এবং কলোফিন এই সাতটি জায়গার যে কোন একটিতে তিনি জন্মলাভ করেন বলে জনশ্রুতি আছে ।







লুসিয়ান নামক এক ইতিহাসবিদ দাবি করেন তিনি একজন ব্যবিলনীয়ান এবং তার নাম যে হোমার তা রাখা হয় পরে, যখন গ্রিক রাজা তাকে বন্দী করেন(হোমার=বন্দি বা আটক কৃত)। তবে এই মতের জনসমর্থন এবং ঐতিহাসিক ভিত্তি খুবই কম । অধিকাংশ ইতিহাসবিদের মতে তিনি এশিয়া মাইনরের আইয়ন অঞ্চলের স্মর্ণা নামক এলাকা থেকে এসেছেন । এটিই সর্বাধিক প্রচলিত মত ।



হোমারের পিতা ছিলেন একজন চারণ কবি । সে যুগে পিতার কাছ থেকে সন্তান এভাবে পরম্পরায় মানুষ পেশা বা অর্জিত জ্ঞান ধরে রাখতেন । তো হোমার বড় হয়ে হলেন বিখ্যাত চারণ কবি । চারণ কবি বলতে মূলত বোঝায় যারা মুখে মুখে কবিতার পঙতি সৃষ্টি করতেন এবং সেগুলো জনগনের সামনে পরিবেশন করতেন । তারা কিন্তু কোন কিছু আগে থেকে লিখে রাখতেন না এবং সেভাবে পরিবেশন করতেন না। হোমার অত্যন্ত সুকন্ঠের অধিকারী ছিলেন । তাই তিনি যখন বীণাবাদন সহকারে গাইতেন তখন এক ঐন্দ্রজালিক পরিবেশের সৃস্টি হত । বীণাবাদন সহকারে তার এই পরিবেশনা একাধারে সাতদিন পর্যন্ত চলত মাঝে মাঝে । পদ রচনা করতে গিয়ে প্রায়শই তিনি জাতীয় বীরের জীবনালেখ্য নিয়ে দীর্ঘ আলেখ্য রচণা করতেন। এরই ফলম্রুতিতে আমরা পাই ইলিয়াড এবং ওডিসির মত মহাকাব্যগ্রন্থ ।



সবাই নিশ্চয়ই জানেন হোমার ছিলেন অন্ধ কবি । তিনি কিন্তু জন্মান্ধ ছিলেন না । প্রত্যেক সভ্যতা এবং প্রত্যেক জগদ্বিখাত সৃষ্টির পিছনে আছে হারাণোর বেদনা আর সীমাহীন অসভ্যতার নগ্ন থাবা । সে কালের রাজারা কবিদের কে জোরপূর্বক আটকে রাখতেন। সামন্তবাদী রাজারা চারণ কবিদের গীতসুধা পানে উন্মত্ত হয়ে উঠত । যদি তারা মুক্তভাবে তাদের কাব্যচর্চা করতে চাইতেন তাদের আটকে রেখে অন্ধও করে ফেলা হত । হোমার হয়ত সেভাবেই অন্ধ হয়েছিলেন । বিষয়টি এখনো নিশ্চিত নয় ।



আমরা জানি পৃথিবীতে জাত মহাকাব্য বা (Epic of Growth) হচ্ছে মাত্র চারটি । এরা হল বাল্মীকি রচিত রামায়ন, মহর্ষি বেদব্যাস রচিত মহাভারত এবং মহাকবি হোমার রচিত ইলিয়াড এবং ওডিসি । এবারে আমরা আসি জাত মহাকাব্য কি ? সে সকল মহাকাব্য আদি রচনার সময় থেকে আজ পর্যন্ত ধাপে ধাপে পরিবর্তিত এবং পরিবর্ধিত হয়ে আজকের পর্যায়ে এসে পৌছেছে সে গুলোকে বলা হয় জাত মহাকাব্য । এ সকল রচনা যুগে যুগে বিভিন্ন পরিবর্তণের মধ্য দিয়ে যাওয়ায় কিছুটা পরিবর্ধিত রূপ লাভ করেছে । অনেক ক্ষেত্রে এ পরিবর্তন এত প্রগাঢ় হতে পারে যে মনে হতে পারে, এ গুলো একক কোন কবির লেখা নয় ।



হোমারের রচনাগুলো প্রথমে এলোমেলো অবস্থায় ছিল । আনুমানিক খ্রীষ্টপূর্ব ২৫০ অব্দে সামোথাসের এ্যারিস্টার্কাস সর্বপ্রথম ইলিয়াড এবং ওডিসি সম্পর্কিত রচনাগুলো সংকলিত এবং সুসঙ্ঘবদ্ধ করেন । তিনি দুটি মহাকাব্যে এ রচনা গুলো কে রূপ দেন এবং প্রত্যেকটি মহাকাব্যকে ভাগ করেন চব্বিশটি অধ্যায় বা পর্বে । ট্রয় যুদ্ধ নিয়ে রচিত মহাকাব্যটির নামকরণ করা হয় ইলিয়াড এবং ওডিসিয়াসের নিজ রাজ্যে বা স্বদেশ প্রত্যাবর্তন নিয়ে রচিত মহাকাব্যটির নামকরণ করা হয় ওডিসি ।



মজার ব্যাপার হলো ইলিয়াড এবং ওডিসি যে একই ব্যাক্তি হোমার রচিত -সেই ধারণাটি খ্রীষ্টপূর্ব ৩৫০ সাল পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি লাভ করেনি । এই সময়কালের পূর্ব পর্যন্ত ধারণা করা হত মোটামুটি কাছাকাছি সময়ের দুজন বিখ্যাত কবির রচনা এই মহাকাব্য দুটি । যদিও লেখনীর এবং গঠনগত মিলের জন্য অনেকেই ধারণা করতেন একই ব্যাক্তির রচনা ।







এবারে আমরা আসি ইলিয়াড এবং ওডিসি রচনার প্রেরণা হোমার কি করে পেলেন ?? হোমারের মহাকাব্য দুটি রচিত হয়েছে খ্রীষ্টের জনেম্র ৮৫০ বছর পূর্বে । সবাই জানেন ইলিয়াড এবং ওডিসি আলাদা দুটি মহাকাব্য হলেও ঘটনাক্রম মোটামুটি একই আর তা হচ্ছে রাণী হেলেনের অপহরণ এবং তৎসংশ্লিষ্ট ট্রয়ের যুদ্ধ । ট্রয় যুদ্ধ সংঘটন কাল হিসেবে পুরাকালের ইতিহাসবিদেরা যে সময়কে চিহ্নিত করেছেন তা হল মোটামুটি খ্রীষ্টপূর্ব ১২০০। প্রখ্যাত ইতিহাসবিদ (ইতিহাসের জনক ) হিরোডোটাস এর মতে সময়টা হল খ্রীষ্টপূর্ব ১২৫০ সাল । তাই আমরা ধরে নিতে পারি এ যুদ্ধের সময় কাল মোটামুটি চারশ বছর পূর্বে হোমারের ইলিয়াড এবং ওডিসি রচনার ।







কিছুদিন পূর্বে পর্যন্ত ট্রয় যুদ্ধের সত্যতা নিয়ে অনেকের মধ্যেই সন্দেহ এবং অবিশ্বাস ছিল । কিন্তু ১৮৭০ সালে জার্মান প্রত্নতত্ত্ববিদ হাইনরিশ শ্লিমান আনাতোলিয়া এলাকায় খনন কাজ শুরু করেন।এর ভৌগলিক অবস্থান তুরস্কের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের কানাক্কাল প্রদেশের সমুদ্র সৈকতের নিকটে এবং আইডা পর্বতের নিচে দার্দানেলিসের দক্ষিণ পশ্চিমে। এই খনন চলতে থাকায় এক সময় প্রমাণিত হয় যে, এখানে একের পর এক বেশ কয়েকটি শহর নির্মিত হয়েছিল। সম্ভবত এই শহরগুলোরই একটি হোমারের ট্রয় (ট্রয় ৭)। অসামান্য সন্দেহ থাকা সত্ত্বেও মোটামুটি নিশ্চিত ভাবে বলা যায় হোমারের ট্রয় এই অঞ্চলেই ছিল ।







রক্তক্ষয়ী এবং দীর্ঘ এক দশক ব্যাপী চলতে থাকা এই যুদ্ধ এমন সর্বাত্ত্বক এবং ভয়াবহ আকার ধারণ করে যে তাতে প্রায় সকল গ্রীক রাজন্যবর্গ যোগদান করেন । যারা সরাসরি যোগদান করতে পারেন নি, তারা সৈন্য এবং অস্ত্রশস্ত্র বা জাহাজ পাঠিয়ে সাহায্য করেন । ছোটবেলা থেকেই এই যুদ্ধের কাহিনী হোমারের কাছে এক অন্যরকম দ্যোতনা নিয়ে ধরা দিত । কালের সন্তান হিসেবে বীর্যবান পুরুষদের এসব কাহিনী তাকে মুগ্ধ করত, তাই তিনি পরবর্তীতে আমাদের মুগ্ধ করার জন্য এই সব কাহিনীকে একত্রিত করে রচনা করেন অমর মহাকাব্য ইলিয়াড এবং ওডিসি ।







হোমারের লেখনী শক্তি এমনই ছিল যে তিনি বছর, যুগ কিংবা শতাব্দীর বাধন থেকে বের হয়ে সহস্রাব্দের বাধন পার করেছেন অবলীলায় । তাই আজো আমরা রস সুধা আহরণ করি হোমারের রচনা থেকে । মানব জাতির ইতিহাস যতদিন থাকবে ততদিন হোমারের লেখা থাকবে আমাদের মাঝে । বলাবাহুল্য হোমারের রচনাই গ্রীক সাহিত্যের মূল উৎস । কেননা পরবর্তী কালে যত গ্রীক লেখক কবি এসেছেন তারা প্রত্যেকেই ট্রয় যুদ্ধ বা তৎসংশ্লিষ্ট কাহিনী নিয়ে কিছু না কিছু কাব্য, নাটক ইত্যাদি রচনা করেছেন । প্রত্যেক লেখকের লেখাতেই হোমারের লেখনীর প্রভাব ছিল ।



হোমারের লেখনীর বিষয়ে প্রথম যে কথাটা বলতে হয় সেটি হল মধ্য বা শেষ দিকের কোন একটা গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা থেকে কাহিনীর শুরু করা । আমরা সবাই জানি ট্রয় যুদ্ধ সংঘটিত হয় প্রধানত হেলেন এবং প্যারিসের জন্য এবং ট্রয় যুদ্ধ সংঘটনে প্রধাণ ভূমিকা পালন করেন অ্যাগামেমনন, সমস্ত গ্রীক রাজন্যবর্গকে একত্র করে । কিন্তু যেহেতু একিলিস ছিলেন গ্রীক পক্ষের সর্বাধিক শক্তিশালী যোদ্ধা, দেবতাদের প্রিয়পাত্র এবং জিউসের অনুগ্রহভাজন, তাই একিলিসের সাথে এ্যাগামেমননের কলহ ট্রয় পক্ষের যুদ্ধের ক্ষণিকের জয়ের জন্য ভীষণ সুবিধার ব্যাপার হয়ে দাড়ায় । ফলশ্রুতিতে হেক্টরের নেতৃত্বে ট্রয় বাহিনী গ্রীক অর্ণবপোত গুলোতে অগ্নি সংয়োগ ঘটাতে সক্ষম হয় । মহাকবি হোমার নিশ্চিত ছিলেন মূল ঘটনাকে পাশ কাটিয়ে তিনি পেলেউস পুত্র একিলিসকে দেখাবেন নায়ক হিসেবে । তাই তিনি কাহিনী শুরু করেন একিলিস এবং এ্যাগামেমননের সাথে কলহ নিয়ে । (কি নিয়ে কলহ বেধেছিল সেগুলো আগামী পোস্টে বিস্তারিত উল্লেখ করা হবে) । চমৎকার ভাবে কাহিনীর শুরুতেই তিনি নিয়ে এসেছেন টানটান উত্তেজনা । পুরো ইলিয়াড পড়বার সময় পাঠক কূলের পক্ষে সে উত্তেজনা থেকে বের হওয়া আর সম্ভব হয় না । এখানেই হোমারের কৃতিত্ত্ব ।







হোমারের রচনাশৈলীর আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হল দেব দেবীর মধ্যে মানবীয় চরিত্রের বিকাশ । পুরাণে দেব দেবীর উপস্থাপনের জন্য দেবদেবীর মানবিকীকরণ খুব গুরুত্বপূর্ণ ছিল । দেবদেবী সব কিছুর নিয়ন্তা হলেও তারা যে তাদের মানবীয় আবেগ দ্বারা চালিত হতেন, এই জিনিস গুলো হোমারের লেখাতেই সর্বপ্রথম এত সার্থক ভাবে ফুটে ওঠে । দেবদেবীরা অবশ্য নিজেরাই মানবিক হয়ে ওঠেন যখন তারা অলিম্পাস পর্বত থেকে নেমে এসে বিয়ে করেন মর্ত্যমানব পেলেউসকে (জলপরী= নিম্ফ থেটিস) । এর ফলে জন্ম লাভ করে মহাবীর একিলিস । জিউস. পসেডন, এ্যারিস, আফ্রোদেইতি প্রভৃতি সকল দেব দেবীর আরো অসংখ্য মানব সন্তান দেবতাদের আরো মানবীয় আরো ঘনিষ্ঠ করে তোলে গ্রীক বাসীর সঙ্গে । তাদের অসম্মান যেন হেরা এথেনার অসম্মান । আফ্রোদেইতির প্রতি হেরার ক্রোধ যেন মিলে মিশে একাকার হয়ে যায় গ্রীকদের জাত্যাভিমানের সঙ্গে ।



এতক্ষণ যে সব আলোচনা হল এগুলো ছিল ইলিয়াড বিষয়ক । এবারে আমরা ওডিসিয়াস বিষয়ে আলোচনায় আসি । গ্রীক বীরদের মধ্যে সবচেয়ে চতুর এবং বাগ্মীশ্রেষ্ঠ ওডিসিয়াস ট্রয় যুদ্ধ শেষে বেশ কিছু ভুল করে বসেন । তার খেসারত হিসেবে তাকে দশ বছর সময় সমুদ্র জলে পার করতে হয় । তাকে বন্দী থাকতে হয় ক্যালিপসোর কাছে, সিল্লা ও চ্যারিবডিসের কাছে, পদ্মভোজীদের কাছে ইত্যাদি । নানাবিধ বাধাবিঘ্ন অতিক্রম করে তিনি অবশেষে তার প্রিয়তমা অঙ্কশায়িণী পেনিলোপের কাছে পৌছান । দর্শন পান নিজের সন্তানের এবং পিতার । ট্রয় যুদ্ধের উপর ভিত্তি করে রচিত হলে এইটিই একমাত্র জাত মহাকাব্য যাকে মিলনাত্নক এবং প্রেমের পটভূমিতে ফেলা যায় ।



হোমারের রচনার সর্বাপেক্ষা গুরুত্বপূর্ণ দিক হচ্ছে যে সকল বিষয় খুব গুরুত্বপূর্ণ কিন্তু তার বর্ণনায় সেভাবে উল্লেখ নেই এমন বিষয় গুলো তিনি দু চারটি ছোট ছোট সংলাপের মাধ্যমে বর্ণনা দিয়েছেন । যেমন এপিয়াস নির্মিত কাঠের ঘোড়ার বর্ণনা কিন্তু আমরা ইলিয়াডে পাই না । আমরা পাই ওডিসিতে । তাও একিলিস আর ওডিসিয়াসের মধ্যে মৃত্যুপুরীতে সংঘটিত কথোপকথনে, যখন একিলিস পুত্রেরে বীরত্ত্বের প্রশংসা করা হচ্ছিল । এই রকম অংশ খন্ড খন্ড অংশ নিয়ে হোমারের মহাকাব্য রচিত হবার পর থেকে লেখা হচ্ছে নাটক যা সেই পুরাকাল হতে আজো চলে আসছে ।



হোমারের রচনায় একটি উল্লেখযোগ্য দিক হচ্ছে ঘটনা পরম্পরার কার্যকারণ অনুসন্ধান । খেয়াল করলে দেখা যায়, তিনি লেখক হিসেবে যে পক্ষ নেন না কেন, সে পক্ষে কেউ যদি অন্যায় করতে শুরু করে হোমারের রচনা শৈলীর কুশলতার ফলে আমাদের পাঠক হৃদয় অজান্তেই সেই অন্যায়কে প্রশ্রয় দিতে শুরু করে । এর ফলশ্রুতিতে আমরা দেখতে পাই, হেক্টর বধ কল্পে বীরবাহু একিলিসের অবিশ্বাস্য রকমের মানব বধ, এক সময় সীমা ছাড়িয়ে গেলেও আমাদের মনে হয় সদ্য ভ্রাতৃহারা কোন এক ব্রাঘ্য শার্দুল নেমেছে প্রতিশোধের আগুন বুকে নিয়ে । অবশেষে দেবতা অ্যাপোলোর কৃপায় একিলিসের হাত থেকে বেচে ফিরতে পেরে ট্রয় বাসীরা নিজেদের স্ত্রী সন্তানদের মুখ শেষবারের মত দেখতে পায়- যা আমাদের স্বস্তি দেবার বদলে পীড়া দেয়, কেননা এ্যাপোলো এমন প্রতারক সবসময় ? এখানেই কৃতিত্ব হোমারের ।



হোমারের লেখনী পরবর্তী তিন সহস্র বছর ধরে প্রভাবিত করে গেছি তার উত্তরসূরী বিখ্যাত লেখক কবিদের ।এরিষ্টটলের মতে, হোমারের ইলিয়াড কেবল মহাকাব্য নয়- বিশ্বের প্রথম সার্থক ট্রাজেডি । এই হোমারেরই রচনা ওডিসিতে বর্নিত মৃত্যুপুরীর কাহিনী নিয়ে রোমান কবি ভার্জিল রচনা করেন “ইনিড” । পরবর্তীতে ভার্জিলের অনুসরণে দান্তে রচনা করেন “ডিভাইনা কম্মেদিয়া” । পরবর্তীতে নবজাগরণের যুগে আবারো কবি সাহিত্যিক গন ইলিয়াড এবং ওডিসি দ্বারা প্রভাবিত হন । ইংরেজি সাহিত্যের বিখ্যাত কবি মিল্টন, কীটস এবং টেনিসন প্রমুখ হোমারের চমতকার লেখনী শৈলী দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়েছিলেন । বলাবাহুল্য বাংলার কবি মাইকেল মধূসুদনের লেখনীতেও হোমারের লেখার লক্ষ্যনীয় প্রভাব ছিল ।



আশা করি আপনাদের ভাল লাগল হোমারের উপরে এই সংক্ষিপ্ত আলোচনা । এখন থাকছে পুরাণের উপর ভিত্তি করে আমার লেখা ছোট্ট একটি কবিতা - হায় হেলেন







হায় হেলেন



হায় সুন্দরী শ্রেষ্ঠা হেলেন !

যেদিন দেবরাজ হংস বলাকার ছলে,

মিলিত হন লেডার অঙ্কশয়ানে !

সেদিন কি ঘোর অন্ধকার

গ্রাস করেছিল সমগ্র গ্রীসের আকাশ

ভবিষ্যতের শোকে ? কে জানত-

তোমার গুপ্ত প্রণয়ের বলি হবে,

হাজার হাজার অসি, বর্শা কিংবা বল্লমধারী ?

কে জানত দেবোপম একিলিস,

এ্যাজাক্স কিংবা হেক্টরের রক্তে রেঙে উঠবে

তোমার দেহবল্লরী । হায় হেলেন

কলঙ্ক তুমি পৃথিবীর সব ভালবাসার ;

সবাই জানে সে কথা । তবু কেন

তোমার প্রেমের আরাধনা ?

অন্ধ এ কবির আজ তৃপ্তি ; চোখ নেই বলে !

তোমার অগ্নিবাণের মতন

প্রবল রূপের তোড়ে ভষ্মীভূত হবার থেকে

বেচে থাকা অনেক বড় আমার কাছে ।

সর্বনাশা মেডুসার গহ্বরে গেলে

তবু লাশটুকু পাওয়া যায়, তোমার ছলনায়

কত বীরের লাশ ভেসে গেল স্কামান্দারের জলে ।

সেখানে সামান্য কবি আমার

কোথায় হত ঠাই ? এ ভাবনা অবান্তর জানি

তবু শিহরিত করে আমায় ;

হে রক্তপায়ী জিউস কন্যা, তুমি

নরকের বিষবাষ্প আর ঢেলনা যেন,

পৃথিবীর সুপেয় জলে ।





প্রিয় ব্লগার ইমন জুবায়েরকে এই পোস্ট টা উৎসর্গ করলাম । উনি কোন দিনই আমার লেখায় কমেন্ট করেন নি । আমি এক সময় আশা করতাম কোন একদিন হয়ত করবেন । কিন্তু এখন আর আশা করি না । তবে আশা করব পোস্ট টা যেন উনার চোখে পড়ে । না পড়লেও অবশ্য কিছু আসবে যাবে না ।

মন্তব্য ১০৮ টি রেটিং +২৫/-০

মন্তব্য (১০৮) মন্তব্য লিখুন

১| ১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১১:৩৯

শায়মা বলেছেন: হেলেনের কবিতাটা বেশী বেশী সুন্দর। আর হোমারের বিবরণীতে অনেক কিছু জানা হলো।

১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১২:০২

রেজওয়ান তানিম বলেছেন: কবিতা ভাল লাগল জেনে খুশি হলাম । হুট করে লেখা ।

ভাল লাগল আপনাকে প্রথমেই দেখে ।

শুভকামনা সবসময়ের জন্য

২| ১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১১:৪৮

তন্ময় ফেরদৌস বলেছেন: উসাধারন স্টারটিং। চালিয়ে যান। :)
আমি প্রথনে শুরু করেছিলাম, পরে ২ পর্ব লিখে অফ যাই। যখনি ভাবি আবার লেখা শুরু করবো,তখনি চয়ন, আপনি আপ্নারা ফাটাফাটি লেখা দেয়া শুরু করেন ।আমি অফ মেরে যাই। :(
তবে অবশ্যি কন্টিনিউ করবেন। অনেক কিছু জানলাম পোস্ট থেকে।

১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১২:১২

রেজওয়ান তানিম বলেছেন: অফ মেরে যাবেন না ভাই ।

আর আমার পোস্ট গুলো একটু ব্যাতিক্রম ধর্মী অতি অবশ্যই হবে কেন না আমি নিজেই পৌরণিক বিষয় গুলো নিয়ে লিখব ।

আর প্রতিদিন একজন করে ব্যাক্তির জীবনী ।

তবে ভাই, আমি খুব ঢিলা মানুষ । এটা শুরু করেছিলাম ছয় মাস আগে । মাঝখানে অনেক দিন ফেলে রাখা ছিল ।

৩| ১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১১:৫১

ফারহান দাউদ বলেছেন: খুব ভাল একটা সিরিজ হবে মনে হচ্ছে, শুরু করলাম, পরবর্তীতেও অনুসরণ করার আশা রাখি।
আর কিছু মনে না করলে ছোট একটা পরামর্শ, কে মন্তব্য করলো না করলো সেদিকে খেয়াল না করে নিজের আনন্দে ব্লগিং করে যান, বিশাল একটা বিষয়কে গুছিয়ে লেখার ক্ষমতা আপনার আছে, খুব বেশি জনের সেটা থাকে না। ধন্যবাদ। :)

১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১২:২৭

রেজওয়ান তানিম বলেছেন: স্বাগত আমার ব্লগে । বোধহয় এই প্রথম এলেন । ভাল বলেছেন ।

আসলে আমি প্রথম থেকেই আমার কিছু এথিক্স নিয়ে এখনো বহাল তবিয়তেই আছি । মোটামুটি তাই করেই ব্লগে সামান্য হলেও একটা অবস্থান নিতে পেরেছি ।

তো এই ব্লগের হাজার হাজার ব্লগারের মধ্যে আমার খুব প্রিয় তিনজন ব্লগার হলেন হাসান মাহবুব, স্বদেশ হাসনাইন এবং ইমন জুবায়ের ।

প্রথম দুজন নিয়মিত আমার লেখায় কমেন্ট করে আমাকে কৃতজ্ঞ করেছেন । কিন্তু অজ্ঞাত কোন কারণে কোন দিনই আমি ইমন ভাইয়ের কমেন্ট পাইনি ।

কমেন্ট টাকে অনেকটা অটোগ্রাফের মত ধরতে পারেন । অবশ্য ইমন ভাই নিভৃতচারী এবং আনমনা মানুষ বলে উনি কমেন্ট করবেন না এটা মেনে নিয়েছি ।

ধন্যবাদ আপনার মন্তব্যের জন্য

৪| ১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১১:৫৬

রেজোওয়ানা বলেছেন: Khub chomotkar post Tanim viya, ai dhoroner lakha sob somoyai porte valo lage. . . .

১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১২:১৬

রেজওয়ান তানিম বলেছেন: সেটা সব সময়ের জন্যই সত্য । কিন্তু এত এত পোস্ট হয়েছে যে কিভাবে ভিন্নধর্মী করা যায় ভাবতে ভাবতেই আমার বেলা চলে গেল ।

:D :D

৫| ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১২:০২

সবুজ নীলিমা বলেছেন: অনেক ভাল লাগল ভাইয়া।আশা করছি সামনে
আরো ভাললাগবে।

১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১২:০৮

রেজওয়ান তানিম বলেছেন: ঠিক বলেছেন । কবিদের জীবনী অত মজার হয়না । আমার কেচ্ছা কাহিনী কেউ না পরতে চাইলেও কবিতা পড়ার মানুষের অভাব হবে না । তেমনি হোমারের বেলায় একই কথা ।

যা হোক আমার পরের পর্বে আসছে একিলিস ।

৬| ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১২:০২

শিশিরের বিন্দু বলেছেন: আমি অনেক আগেই গ্রিস এবং ট্রয় এর যুদ্ধ নিয়ে একটি বই পরেছিলাম। অসাধারন একটা গল্প। যদিও একিলিসকে আমার একটুও ভালো লাগেনি। হেক্টরকে খুব ভালো লেগেছে। আর গ্রিসের সবাই তো যুদ্ধ করেছে শুধু শুধু। এখানে হেলেন তো নিজ ইচ্ছাতেই এসেছিল। আর মাঝখান থেকে ট্রয় একদম ধংস হয়ে গেল। বাই দা ওয়ে জিতেও একিলিসের লাভ কি হোল? গ্রিসে যখন সে পৌছায় ততদিনে মরে যাওয়া ভালো।

যাই হোক লেখক কে ধন্যবাদ। এরকম পৌরাণিক ঘটনা গুলো এভাবে বিস্তারিত তুলে ধরার জন্য।

১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১২:০৭

রেজওয়ান তানিম বলেছেন: হা হা হা শিশির একিলিস নিয়ে তুমি তো পুরো ভ্রান্তির জগতে বাস করছ । একিলিস কোন দিনই ট্রয় যুদ্ধ থেকে জীবিত ফিরতে পারে নি ।

আর একিলিস সব জেনে শুনেই যুদ্ধ করতে এসেছিল । তার মা তাকে সবই বলেছে আগে । সেই মোতাবেক সে নিজেই সিগ্ধান্ত নিয়েছে যুদ্ধে যাবার জন্য ।

একিলিস যুদ্ধে এসেছিল অমরত্বের গৌরব লাভের জন্য । যুদ্ধে তার কোন লাভ সেই অর্থে না হলেও সে যা চেয়েছিল তা পেয়েছে ।

আলেক্সাজান্ডার ঘুমাবার সময় মাথার কাছে রাখত ইলিয়াড আর তরবারি । সে সবসময় একিলিস হতে চাইত

৭| ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১২:১৯

এসএস বলেছেন: সিরাম হৈসে...
+++

১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১২:২৮

রেজওয়ান তানিম বলেছেন: ধন্যবাদ

৮| ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১২:৩২

ইশতিয়াক আহমেদ চয়ন বলেছেন: সবাই যার যার মত করে ভাবে , সেইসাথে কারও চিন্তাধারা কখনও কারও সাথে মিলে না। আর কে কিভাবে চিন্তা করবে সেটাও কেউ কখনও কাউকে শিখিয়ে দিতে পারে না।

হেলেনের ব্যাপারে আমি বলেছিলাম যেহেতু অ্যাপোলোর কন্যা, তাই এর সত্যতা প্রশ্নবিদ্ধ। কিন্তু ট্রয় যুদ্ধের ব্যাপারে কিছু প্রমাণ পাওয়া গেছে। আপনার যদি এটাই বলার ইচ্ছা থাকতো তাহলে তো সেখানেই বলতে পারতেন কিংবা পরে কখনও বলতেন। কিন্তু এভাবে পোষ্টের নিচে ট্যাগ দিয়ে বলার ঢংটা আমার ভাল লাগে নি।

১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১২:৪২

রেজওয়ান তানিম বলেছেন: তুমি ব্যাপারটাকে অন্যভাবে নিলে চয়ন । আমি তোমাকে আহত করার জন্য এইভাবে বলিনি ।

আমি যেটা বলতে চেয়েছি সেটা হচ্ছে মিথের বাস্তবতা মিথের মত করেই আমাদের বিচার করতে হবে । সেখানে আমাদের সত্য মিথ্যার ব্যাপারটা খাটে না । এইটুকুই ...

আমি সত্যিই দু:খিত, তুমি আহত বোধ করায় । আমি সেই অংশটুকু বাদ দিয়ে দিলাম ।

আমি আবারো দু:খপ্রকাশ করছি ।

৯| ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১২:৫০

ঠোঁটকাটা নির্লজ্জ বলেছেন: ভাল লিখেছেন। সাহিত্যের ছাত্র বলে হলিয়াড, ঈনিড, ওডিসি সবই পড়া ছিল। তারপরেও আপনার লেখা পড়ে ভালো লাগলো।
হোমারের লেখার ধরনের কারনেই আমিও কিন্তু গ্রিক/একিলিস এর পক্ষে আর ট্রয়/হেক্টর এর বিপক্ষে ছিলাম সব সময়! এখনও তাই আছি!! :#)

১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১২:৫৬

রেজওয়ান তানিম বলেছেন: এইতো আপন এসে গেলেন । হোমারের লেখনী এক হেক্টর ছাড়া ট্রয় পক্ষের কারো চরিত্রের বিকাশে কোন রূপ স্কোপই দেয়া হয়নি । তার পরেও কি সুন্দর ভাবে টেনে গেছেন তিনি ভাবতেই অবাক লাগে ।

আশা করি সিরিজটা উপভোগ করবেন

১০| ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১২:৫৭

ত্রিনিত্রি বলেছেন: বাহ, চমৎকার। যদিও দুই একটা প্যারায় এক্সট্রা বেশ কিছু লাইন আছে, যেগুলোর পুনরাবৃত্তি হয়েছে, সেসব বাদ দিলে আরো চমৎকার হতো। পুরাণ সবসময়েই প্রিয়। তাই এটার নিয়মিত পাঠক হবো বলাই বাহুল্য।

অনেক গুলো প্লাস। চলতে থাকুক। হোমার সম্পর্কে অনেককিছু জানা হলো, যেমন আমি জানতাম যে হোমার জন্মান্ধ। এখন জানতাম রাজারা অন্ধ করেছে, কি ভয়ানক।

ভালো লাগল।

১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১:০০

রেজওয়ান তানিম বলেছেন: থাকতে পারে আপু । তেমন করে রিভিউ করতে পারিনি । এমনিতেই গত কদিনের শরীর খারাপ তার উপরে তাড়াহুড়ো ....

দেখে নেই কি করা যায়

১১| ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১২:৫৮

ফয়সাল তূর্য বলেছেন: ব্যাপক পোস্ট, পুরাটা একসাথে পড়া কঠিন, আস্তে আস্তে পড়ব।

১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১:০৬

রেজওয়ান তানিম বলেছেন: ঠিক আছে । ধীরে সুস্থে চালিয়ে যাও

১২| ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১:০৫

গবেট বালক বলেছেন: সুকেসে রাখলাম টাইম নিয়ে পড়তে হবে :)

ধন্যবাদ এ ধরনের পোষ্ট খুজতেছিলাম অনেক দিন থেকে।

১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১:০৫

রেজওয়ান তানিম বলেছেন: ধন্যবাদ ভাই ।

এটাকে সিরিজ হিসেবে কন্টিনিউ করার ইচ্ছা

১৩| ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১:০৫

ইশতিয়াক আহমেদ চয়ন বলেছেন: বাদ দিয়ে দেয়ার জন্য ধন্যবাদ। কথাগুলো এখানে না বলে বাইরে বললে আমার আরও ভাল লাগত।

পোষ্ট ভাল লেগেছে। সিরিজ চলতে থাক।

১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১:০৮

রেজওয়ান তানিম বলেছেন: ব্যাপারটা যে তোমার কাছে ইনসাল্টিং মনে হবে এরকম যে ভাবি নি চয়ন ।

বাদ দাও ।

লেটস ফরগেট ইট

১৪| ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১:২৯

অণুজীব বলেছেন: পোষ্ট ভাল লেগেছে। সিরিজ চলতে থাক।

১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ সকাল ১১:৪৭

রেজওয়ান তানিম বলেছেন: সেই সম্ভাবনা অতি প্রবল ভাইয়া


:D :D

১৫| ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১:৪৯

স্মৃতির নদীগুলো এলোমেলো... বলেছেন: বেশ বড়, আর চোখে ঘুম। কাল এসে পড়ে যাব। এই ধরনের পোস্ট আমি ব্যাপক আগ্রহ নিয়ে গিলি। :)

১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ সকাল ১১:৫৩

রেজওয়ান তানিম বলেছেন: ঠিক আছে এলোমেলো ভাইয়া । দেখা হবে কাল

১৬| ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ৩:১৩

ছাইরাছ হেলাল বলেছেন:

হুট হাট কবিতা তৈরি হচ্ছে।

লক্ষণ ভাল।

আমার প্রিয় বিষয় নিয়ে লেখা।
বেশি ভাল করে পড়তেই হবে।

১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ সকাল ১১:৫০

রেজওয়ান তানিম বলেছেন: ঠিক বলেছেন । অনেক বেশি ভাবতে গিয়ে মাঝে মাঝে লেখাই আর হয় না ।

তাই হুটহাট নিয়মই ভাল

১৭| ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ৩:২৪

সোহরাব সুমন বলেছেন: অপেক্ষা করেন ইমন ভাই নিশ্চই আসবে আপনাব ব্লগে । তবে আমি কিন্তু এইটাতে ইমন ভাইর স্টাইলের গন্ধ পাইছি, বিষয় কী খুইলা বলবেন ?

১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ দুপুর ১২:৩১

রেজওয়ান তানিম বলেছেন: বিষয় কিছু না ভাইয়া । আর আপনি ইমন ভাইয়ার গন্ধ পেয়েছেন বলে কিছুটা অবাক হয়েছি । কারণ আমি এভাবেই সব সময় লিখি ।

যাই হোক আপনাকে ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্য

১৮| ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ ভোর ৫:১৩

নীরব 009 বলেছেন: বন্ধু প্লাস দিলাম। কাল পড়বো। ঘুমের ঘরে আমি নিজেই অন্ধ হয়ে গেলাম গা। মানে এক রাতের রাজা হোমার আর কি। হা হা হা



১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ দুপুর ১২:২৯

রেজওয়ান তানিম বলেছেন: অন্ধ তো আমরা সবাই বন্ধু । কেউ দেহে কেউ মনে ।

একরাদের জন্য যদি দু ধরণের অন্ধই হয়ে যাও, মন্দ কি তবে

১৯| ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ সকাল ৭:০৬

ইমন জুবায়ের বলেছেন: অনেক ভালো লাগল।
ধন্যবাদ।

১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ দুপুর ১২:৪৪

রেজওয়ান তানিম বলেছেন: অনেক আনন্দিত হলাম ইমন ভাই আপনাকে আমার ব্লগে দেখে ।

সত্যি বলতে অবাক হয়েছি ।

নিরন্তর শুভকামনা ।

২০| ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ সকাল ৭:৩০

বৃষ্টিবেস্ট বলেছেন: খুব ভাল লাগল, এই ধরনের লেখা ভাল লাগে।

১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ দুপুর ১:২৪

রেজওয়ান তানিম বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে

২১| ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ সন্ধ্যা ৬:০৫

শিশিরের বিন্দু বলেছেন: কি আশ্চর্য একিলিস ফিরে যেতে পারে নাই? হয়ত আমারি ভুল হয়েছে। আচ্ছা একিলিস তো পথেই কয়েকবার বিপদের সন্মুখিন হয়েছিল। এটাই তো। আচ্ছা তাহলে হয়ত অন্য একজন হবে। দুঃখজনক যে এই বইটা এবং বারমুডা ত্রায়ঙ্গল নামের বইটা আমি ক্লাস সেভেনে পড়ার সময় পরেছিলাম পরে বই দুইটা কে যেন নিয়ে গেছে :( অনেক খুজেও পাইনাই।

যাই হোক একিলিস না হলেও অন্য একজন গ্রিক বীরের অবস্থা এমন হয়ে ছিল। বইটা আবার নীল খেতে খুজতে হবে। পেলে আমি আপনাকে জানাবো।

ভালো থাকবেন ধন্যবাদ।


ওহ আমারও অচ্ছে আছে পৌরাণিক কাহিনী গুলো নিয়ে পোস্ট দেয়ার।

১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ সন্ধ্যা ৬:২৩

রেজওয়ান তানিম বলেছেন: তুমি যার কথা বলছ সে অডিসিয়াস । আমি সব গ্রীক রাজন্য বর্গকে নিয়ে আলাদা আলাদা পোস্ট দেব শিশির ।

আর নীলক্ষেতে হোমারের ইলিয়াড এবং ওডিসির অনুবাদের চমৎকার বাংলা ভার্সন পাওয়া যায় ।

কিনে নিয়ে পড়তে শুরু করে দাও ।

শুভ কামনা

২২| ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ সন্ধ্যা ৭:৪৯

শোশমিতা বলেছেন: সুন্দর পোষ্ট!
অনেক ভালো লাগলো, অনেক কিছু জানা হলো :)
কবিতা অনেক ভালো লাগলো!

১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ৮:০০

রেজওয়ান তানিম বলেছেন: ধন্যবাদ আপু । খুব ভাল লাগল আপনারা সবাই লেখাটা পছন্দ করেছেন বলে

২৩| ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ সন্ধ্যা ৭:৫৮

জলমেঘ বলেছেন: অনেক ভালো লাগলো, চমৎকার লিখেছেন। এ ধরনের লেখায় পাঠকের আগ্রহ শেষ পর্যন্ত ধরে রাখা কঠিন। আপনি সাফল্যের সাথে সেই ধাপ পেরিয়ে এসেছেন। সত্যি খুব ভালো লাগলো।

১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ৮:০১

রেজওয়ান তানিম বলেছেন: ধন্যবাদ মেঘ ।

শেষে এসে কবিতাটি নিশ্চয়ই আপনার ভাল লেগেছে ?? তাহলেই আমি সার্থক

২৪| ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ৯:২৬

অচেনা রাজ্যের রাজা বলেছেন: পুরাণ কথা ভালো লাগলো...অনেক কিছু জানা যাবে এই সিরিজ থেকে।

চলতে থাকুক।

১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ৯:২৬

রেজওয়ান তানিম বলেছেন: ভাল লাগল জেনে খুশি হলাম

২৫| ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১০:০১

সায়েম মুন বলেছেন: অসাধারণ সিরিজ শুরু করছেন। অনেক ভাল লাগলো এই পর্বটা। উৎসর্গ যথার্থ!

১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১০:০৬

রেজওয়ান তানিম বলেছেন: অতি অবশ্যই । আমার মনে হয় উনি একাই গ্রীক পোস্ট গুলো নিয়ে যত কষ্ট করেছেন এবং যে পরিমান পোস্ট দিয়েছেন অন্য সব ব্লগার মনে হয় মিলেও এত পোস্ট দেন নি গ্রীক মিথ নিয়ে ।

আমার গুলো অবশ্য একটু ভিন্নধর্মী করার চেষ্টা থাকবে, প্রতিটিতে একটি করে কবিতার মাধ্যমে ।

২৬| ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১০:২৮

মনিরুল ইসলাম বাবু বলেছেন: বেশ কিছু জিনিস জানলাম । ধন্যবাদ

১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১০:৩২

রেজওয়ান তানিম বলেছেন: শুনে খুশি হলাম

২৭| ১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১২:১৬

সুপান্থ সুরাহী বলেছেন:
এত্ত বড়!! শেষই হতে চায়না...

কবিতাটা দেযায় মাফ কইরা দিলাম... নাইলে একটা রাগের ইমো দিতাম...


সুন্দর এবং যথেষ্ট পরিশৃমসাধ্য কাজ...

হৃদয়পুর থেইক্ক্যা ধইন্যা...

১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১২:৪৮

রেজওয়ান তানিম বলেছেন: হা হা হা ভাল বলেছেন ।

হৃদয়পুর জায়গাটা কোম্মে ভাইজান ??

যাইবার মন চায়

২৮| ১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ দুপুর ১:২০

ঋদ্ধ নওয়াজিস বলেছেন: তথ্য বহুল লেখা। ভাল লাগল।

১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ বিকাল ৩:০৯

রেজওয়ান তানিম বলেছেন: শুনে খুশি হলাম ।

আমার ফেসবুক আইডি - rezwan tanim

২৯| ১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ বিকাল ৩:৪৯

আনজির বলেছেন: খুব ভাল লাগলো কবিতা। লেখাটা আরেকবার পড়বো।

১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ বিকাল ৩:৫২

রেজওয়ান তানিম বলেছেন: পড়ে ফেলুন
শুভকামনা

৩০| ১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ বিকাল ৪:১০

পদ্ম।পদ্ম বলেছেন: খুব ভাল, সিরিজ চলতে থাকুক। ++

১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ বিকাল ৪:২০

রেজওয়ান তানিম বলেছেন: ধন্যবাদ

৩১| ১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ বিকাল ৪:১৬

জগাই মাধব বলেছেন: ফলইং ইউ ম্যান। এখনথেকে আপনাকে চোখে চোখে রাখব।

[email protected]

আশাকরি নেক্সট পর্বের একটা নটিফিকেশন পাবো।

১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ বিকাল ৪:২১

রেজওয়ান তানিম বলেছেন: ঠিক আছে আপনাকে নোটিফাই করা হবে

৩২| ১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ বিকাল ৪:৩৪

রাইসুল জুহালা বলেছেন: লেখাটা পড়ে এতই ভাল লাগল যে আমি জীবনেও কবিতা পড়ি না, কিন্তু আজকে লেখার শেষে কবিতাটাও পড়ে ফেললাম (কিছু বুঝি নাই অবশ্য, সেটা অন্য বিষয়!)। খুবই চমৎকার। বাকি পর্বগুলির জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছি।

১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ বিকাল ৪:৫০

রেজওয়ান তানিম বলেছেন: ধন্যবাদ জুহালা ভাইয়া ।

কবিতাটা একটু এক্সপ্লেইন করি,

পুরাণ অনুসারে হেলেন, তার মানবী মা লেডা, এবং দেবরাজ পিতা জিউস যেদিন মিলিত হয়েছিল, ভবিষ্যতের শোকে সেদিনের আকাশ কি ঢেকেছিল ছায়ামঢ অন্ধকারে - এই প্রশ্ন কবির মতে ।

এখানে কবি, হেলেনকে সর্বনাশের উৎসমূল রুপে দেখিয়েছেন । এবং মেডুসার চেয়েও ভয়ংকর বলে তাকে অভিহিত করা হযেছে । মেডুসা গ্রীক ডাইনী যার চোখের দৃষ্টি যে কাউকে পাথর করে দিত ।

বলা হয়েছে মেডুসার গ্হ্বরে হারানো লাশ গুলো তবু পাওয়া যায় কিন্তু হেলেনের জন্য যুদ্ধ করতে যাওয়া অগনন মানুষের লাশ হয়নি দাফন ।

এই আর কি

৩৩| ১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ৮:২৬

ছাইরাছ হেলাল বলেছেন:

ভীষন কম্পু
ঠিক আছেত
আমার মামু?

১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১২:০৬

রেজওয়ান তানিম বলেছেন: হা হা হা মামা । আমি ছিলাম গভীর ঘুমে ।

এখানে তেমন কিছু হয়নি ।

আপনাদের ওখানে

৩৪| ১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১১:৩৫

মাহমুদা সোনিয়া বলেছেন: সুন্দর প্লান। শুভকামনা রইল। পাশেইব আছি।

১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১২:০১

রেজওয়ান তানিম বলেছেন: ধন্যবাদ । দেখা হবে

৩৫| ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১২:১৫

স্মৃতির নদীগুলো এলোমেলো... বলেছেন: সিরিজটা চলুক। পড়ে বেশ ভালোলেগেছে। তবে কবিতাটায় তেমন আগ্রহ পাইনি, মানে পড়লেও কেবল পড়ে যাওয়াই হয়েছে। আর কিছু না। এই ধরনের কবিতাগুলো আমার কেন যেন তেমন ভালোলাগেনা। কবিতায় আমার সোজা সাপ্টা কথা ভালোলাগে, বেশী কঠিন শব্দ কিংবা কাঠিন্য ভালু পাইনা। এর একটা কারন হচ্ছে মাথায় ঢুকেনা, আমি কবিতা আসলে ভালও বুঝিনা। :P :P

এরপরের পর্বে কি দিবেন? ভালো থাকবেন। :)

১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১২:২০

রেজওয়ান তানিম বলেছেন: কবিতায় আসলে তেম কোন কঠিন শব্দ ব্যবহৃত হয়েছে বলে মনে হয় না এলোমেলো ভাইয়া ।

আসলে কি এখানে উপমা গুলো মিথ থেকেই নেয়া তাই আপনাকে মিথ ভাল জানতে হবে । যা একটু কঠিন কাজ ।

৩৬| ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১:৫৫

আমি তুমি আমরা বলেছেন: বস একটু এখানে আসেন

১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ২:০৬

রেজওয়ান তানিম বলেছেন: অকে

৩৭| ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ৩:০১

ম্যাভেরিক বলেছেন: পুরাণসংক্রান্ত সচরাচর পোস্টের চেয়ে বেশি পরিশ্রমী ও অনুসন্ধিৎসু। ধারাবাহিক চলুক।

১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১১ সকাল ১১:২২

রেজওয়ান তানিম বলেছেন: ধন্যবাদ ম্যাভেরিক ভাই ।

স্বাগত এবং নিরন্তর শুভকামনা আমার ব্লগে প্রথম মন্তব্যের জন্য

৩৮| ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১১ দুপুর ১২:১১

শাহেদ খান বলেছেন: ++++++++

ধারাবাহিক চলতে থাকুক !

১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১১ দুপুর ১২:২৬

রেজওয়ান তানিম বলেছেন: আবারো অনেক দিন পরে দেখে সুখি হলাম ।

কেমন আছ ভাইয়া ??

৩৯| ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১১ দুপুর ১২:৩৬

সকাল রয় বলেছেন:
হোমার এর প্রোপিকটা দেখতাম আপনার প্রোফাইলে আজ দেখি লিখেছেন
খুব খুব ভালো লাগলো

১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১১ দুপুর ১:১২

রেজওয়ান তানিম বলেছেন: হা হা হা । ঠিক বলেছেন । এটা অনেক দিন ধরে প্রোফাইল পিকচার হিসেবে ইউজ করেছি ।

ব্লগে হাজারো গ্রীক বীর, সুন্দরী রূপসী নিয়ে পোস্ট দেয়া হয় কিন্তু কবিরা বাদ থেকে যায় । তাই সবার আগে পুরাকালের কবির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে শুরু করলাম ।

৪০| ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১১ দুপুর ১২:৫৩

ফাইরুজ বলেছেন: দারুণ একটা পোস্ট। ভালো লাগলো।

১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১১ দুপুর ১:২১

রেজওয়ান তানিম বলেছেন: শুনে খুশি হলাম ফাইরুজ

৪১| ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১১ দুপুর ২:০৮

দূর্যোধন বলেছেন: বাহ !! ইন্টারেস্টিং লাগছে।পুরাণ নিয়ে বেশ গোছানো একটা লেখা পড়লাম অনেক দিন পর।
সিরিজ অনুসরনের ইচ্ছাপ্রকাশ করে গেলাম।

১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১১ বিকাল ৩:৫০

রেজওয়ান তানিম বলেছেন: শুনে খুশি হলাম ভাইয়া ।


আমি আশা করছি সিরিজটা চালিয়ে যাবার

৪২| ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১১ বিকাল ৪:৫৫

ডট কম ০০৯ বলেছেন: পড়িয়া ব্যাপক ভাল লাগিল

ধারাবাহিকতা চলুক।

১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১১ সন্ধ্যা ৭:২০

রেজওয়ান তানিম বলেছেন: ধন্যবাদ

৪৩| ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১১ সন্ধ্যা ৭:৪১

নীরব 009 বলেছেন: অসম্ভব ভাল লাগলো পড়তে। +++++++++++++++++++++++ রইলো।



শুভ কামনা। :)

১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১১ সন্ধ্যা ৭:৫৯

রেজওয়ান তানিম বলেছেন: ধন্যবাদ দোস্ত ।

তোমাকে ধইন্যা পাতার ফ্রাই দিলাম

৪৪| ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ৮:০৫

ডেলটা নাইন সেভেন বলেছেন: ভালই লাগল !! কবিতাটাতে কেমন যেন বিষাদ সিন্ধু গন্ধ পেলাম !!


আপনি পুরাণের পোষ্টে ফেরাউনের ছবি দিয়েছেন কেন??

১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ৮:১৩

রেজওয়ান তানিম বলেছেন: আপনি বোধহয় বুঝতে ভুল করেছেন ।

এখানে রথ সহ যে ছবিটি সেটি একিলিসের ছবি

আপনার জ্ঞাতার্থে জানিয়ে রাখি ফেরাউন কোন ব্যাক্তি মানুষের নাম নয়, এ টি প্রাচীন মিশরীয় রাজ বংশের নাম । আর এই রথ (চ্যারিয়ট) হাজার হাজার বছর আগে থেকেই ব্যবহৃত হয়েছে । ফেরাউনের আগে থেকে ।

তাই রথারূঢ় কেউ মানেই ফেরাউন এই ধারণা ভুল ।

বিষাদ সিন্ধুর গন্ধ এখানে কিভাবে এল কে জানে ?

যাই হোক ধন্যবাদ

৪৫| ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ৮:৩৫

ডেলটা নাইন সেভেন বলেছেন: মোসেস আর ফেরাউন কে নিয়ে মুভিটিতে এরকমন একটা দৃশ্য আছে তাই মনে হল।

আপনার কথা শুনে মনে হয় যেন আপনি ছাড়া এসব কেউ জানে না !! ফেরাউন কোন রাজ বংশের নাম নয়। ফারাও ছিল প্রাচীন মিশরের রাজবংশ এবং ফেরাউন ছিল সেইসব শাসনকর্তাদের নাম যারা নিজেদের ঈশ্বর দাবী করে রাজ্য চালাত।

তবে ফেরাউন বলতে সবাই মোসেস এর সেই ফারাওকে চিনে যার মমি এখনও সংক্ষরিত আছে।

কবিটায় খালি হায় হায় দেখে মনে হল বিষাদ সিন্ধুর কথা

১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ৮:৪৩

রেজওয়ান তানিম বলেছেন: মুভিতে এরকম দৃশ্য থাকতে পারে ।

হায় হায় করার কারণ এই যে, এখানে প্রচুর মানুষ মৃত্যু বরণ করেছে ।

ভাল লাগল আপনার কথা শুনে

৪৬| ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১১:২৭

ছাইরাছ হেলাল বলেছেন:

একসময় ইলিয়ড ও অডিসি বই দুটি আমার
সর্বক্ষণিক সঙ্গী ছিল।

অনেক বুঝে ও না বুঝেও ভাল লেগেছে।
সময়ের আবর্তে হারিয়েছে অনেক।

এ লেখাটি পড়ে আবারও ফিরে যাই সেই সব
দিনে।

এ লেখার প্রতিটি শব্দ ও বাক্যের প্রতি থাকবে সতর্ক দৃষ্টি
অবশ্যই ভুল ধরার জন্য নয়।

আবেদন - আরও গভীর মনোযোগের দাবী এ নগণ্য পাঠকের
কথা ভেবেও।


কোন তাড়া না দিয়েই আমি অনেক অপেক্ষায়ও রাজি
অন্তত এই লেখা গুলোর জন্য।

১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১১:৫৭

রেজওয়ান তানিম বলেছেন: ধন্যবাদ মামা । তাড়াহুড়া চাইলেও আমার পক্ষে করা সম্ভব হবে না কারণ আমি এই প্রত্যেকটা পোস্টের সাথে পুরাণ বিষয়ক কবিতা দেয়ার চেষ্টা করব ।

আপনাদের যাতে সর্বোচ্চ ভাল লাগা দিতে পারি সেই চেষ্টাই করবো ।

ভাল থাকবেন

৪৭| ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১১:৩০

বৃষ্টি ভেজা সকাল ১১ বলেছেন: অনেক সুন্দর পোষ্ট তানিম ভাই।


কবিতা সেইরকম ++

১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১১:৫৭

রেজওয়ান তানিম বলেছেন: শুনে খুশি হলাম ভাই

৪৮| ২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১১ ভোর ৪:৩৬

একরামুল হক শামীম বলেছেন: পূরাণের কাহিনী পড়তে ভালো লাগে।
পরের পর্বের অপেক্ষায় থাকলাম।

২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১১ সকাল ১০:৫২

রেজওয়ান তানিম বলেছেন: ধন্যবাদ ভাই

৪৯| ২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১১ সকাল ১১:০০

নাআমি বলেছেন: অসাধারন লাগল মহাকবি হোমার এবং তার রচিত অমর মহাকাব্য ইলিয়াড ..........আর হেলেনকে নিয়ে লেখা কবিতাটা তো দারুন !!

তথ্য সমৃদ্ধ দারুন পোস্টটার জন্য ধন্যবাদ।

আছি সাথে, লিখে যান......... :)

২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১১ সকাল ১১:০৯

রেজওয়ান তানিম বলেছেন: আপনাকে পাশে পেয়ে ভাল লাগল ।

আমি খুবই আনন্দিত পোস্টটি সবার ভাল লাগল বলে

৫০| ২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১১ বিকাল ৩:৩৫

হাসান মাহবুব বলেছেন: দারুণ! অনেক যত্ন এবং সময় দিয়ে লেখা। চালিয়ে যান সিরিজটা।

কবিতাটাও সুন্দর।

২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১১ বিকাল ৩:৩৯

রেজওয়ান তানিম বলেছেন: ভাল লাগল জেনে সত্যিই খুশি হলাম হাসান ভাইয়া ।

ভাল থাকুন

৫১| ২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১০:২৮

শব্দহীন জোছনা বলেছেন: প্রায় এক নিঃশ্বাসে পুরোটা পড়লাম, ভাল যে লেগেছে এটা নিশ্চয় বলার অপেক্ষা রাখে না।

তবে অপেক্ষা রইল পরবর্তী পর্বের জন্য।

২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১০:৩৪

রেজওয়ান তানিম বলেছেন: অনেক দিন পরে এলেন শব্দহীন ।

খুব ভাল লাগল আপনাকে দেখে । কেমন আছেন ??

৫২| ২২ শে সেপ্টেম্বর, ২০১১ সকাল ১১:২৪

নষ্ট কবি বলেছেন: পড়তে পড়তে জানলাম অনেক কিছু




অসাধারন পোষ্ট

২২ শে সেপ্টেম্বর, ২০১১ সকাল ১১:২৬

রেজওয়ান তানিম বলেছেন: ধন্যবাদ নষ্ট কবি

৫৩| ০৪ ঠা অক্টোবর, ২০১১ বিকাল ৫:৫৪

দীপান্বিতা বলেছেন: খুব ভাল লাগলো...পরের পর্ব কবে দেবেন...আপনি যদি ইলিয়াড এবং ওডিসি র কাহিনী ধারাবাহিক ভাবে দেন তো খুব ভাল হবে

০৪ ঠা অক্টোবর, ২০১১ রাত ৯:০৩

রেজওয়ান তানিম বলেছেন: সেতো ভীষণ কঠিন কাজ হবে আপু ।

আমার নিজের লেখালেখি তাহলে মোটামুটি বাদ দিয়ে দিতে হবে ।

তাই চাইলেও তা করা যাবে না ।

তার পরেও যাতে পুরো কাহিনীর স্বাদ সবাই পায় সে ব্যবস্থা করা হবে আপু

৫৪| ১১ ই অক্টোবর, ২০১১ রাত ১০:১৮

জুন বলেছেন: তানিম হোমারের ইলিয়ড আর ওডেসি আমার মুখস্থ ছিল এক সময়। কে কার বাবা কে কার মা কিছু বাদ ছিল না। অনেক দিন বইটা না ধরায় অনেক কিছু মনে নেই। তোমার লেখাটা দেখে আবার সব ফিরে আসলো। খুবই ভালোলাগলো প্রিয় বিষয়টি পড়ে।

তবে কিছু কিছু জায়গা কথ্য ভাষায় লিখলে ভালোলাগবে। যেমন একটা উদাহরণ : তিনি বীনাবাদন সহকারে না লিখে বীনা বাজিয়ে গান গাইতেন লিখলে কেমন হয় দেখতে পারো তানিম।

১১ ই অক্টোবর, ২০১১ রাত ১০:২৪

রেজওয়ান তানিম বলেছেন: হা হা হা আন্টি, এটাতো আসলে মৌলিক কোন সাহিত্য কর্ম নয়, তাই অত কিছু বিবেচনা করে লিখি নাই ।

আপনাকে অনেক ধন্যবাদ পাঠের জন্য

৫৫| ০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১৪ সকাল ১১:১৯

রায়হান মোহাম্মাদ খান বলেছেন: গোছানো এবং তথ্য সমৃদ্ধ একটি লেখা। লেখককে ধন্যবাদ।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.