নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

শুধু ক্ষমতার পালা বদল নয়, কাংক্ষিত মুক্তির জন্য চাই আদর্শিক পরিবর্তন।

তোমাদের মধ্যে সর্ব উত্তম ঐ ব্যক্তি যে দ্বীনি ইলম শিক্ষাকরে এবং শিক্ষাদেয়। আল-হাদীস.

সাইফুল্লাহ খান

সাইফুল্লাহ খান › বিস্তারিত পোস্টঃ

দৈনন্দিন জীবনের কিছু মাছআলা মাছায়েল।

২২ শে এপ্রিল, ২০১৪ দুপুর ১:৫২

প্রঃ মৌখিক জওয়াব

কিভাবে দিতে হয়?

উঃ আযানে যা বলা হয়

উত্তরে তাই

বলা তবে হাইয়া আলাল ফালাহ

এবং হাইয়া আলাল ফালাহ বলার

সময়

লাহাউলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা

বিল্লাহ বলা।

প্রঃ কাদের ওপর আযানের জওয়াব

দেয়া ওয়াজিব নয়?

উঃ ১. নামায আদায়কারী। ২.

খোতবাহ শ্রবণকারী। ৩.

ইলমে দ্বীন শিক্ষারত ব্যক্তি ও

শিক্ষাদানকারী। ৪. পায়খানা-

প্রস্রাব এবং সহবাসে লিপ্ত

ব্যক্তি। ৫. যাদের ওপর গোসল

ফরয।

প্রঃ এক মসজিদে একাধিক আযান

কিংবা শহরের বিভিন্ন

মসজিদে এক সঙ্গে আযান হলে,

কোনটির জওয়াব দিতে হবে?

উঃ যে আযান

আগে শোনা যাবে তারই জওয়াব

দিতে হবে।

প্রঃ আযান ও ইকামতের

মধ্যে কি কি পার্থক্য?

উঃ আযান ও ইকামতের

মধ্যে কয়েকটি বিষয়ে পার্থক্য

আছে

১. আযান দিতে হয় নামায শুরু

হওয়ার বেশ কিছু সময় পূর্বে,

যাতে মুসল্লিরা স্বাভাবিকভাবে

ওযু-

ইস্তেঞ্জা সেরে মসজিদে এসে জা

মাতে শামিল হতে পারে। আর

ইকামত দেয়া হয় জামাত

কায়েমের পূর্ব মুহূর্তে।

পবিত্রতার মাসায়েল

প্রঃ নামাজ সহীহ হওয়ার জন্য

প্রধান শর্ত কি?

উঃ পাক-পবিত্র হওয়া।

প্রঃ পাক-পবিত্র হওয়ার

কি কি উপায়?

উঃ ওযু করা, গোসল

করা অথবা তায়াম্মুম করা।

মন্তব্য ৪ টি রেটিং +১/-০

মন্তব্য (৪) মন্তব্য লিখুন

১| ২২ শে এপ্রিল, ২০১৪ দুপুর ২:০৫

তরিকুল ইসলা১২৩ বলেছেন: ভালো লাগলো

২| ২২ শে এপ্রিল, ২০১৪ বিকাল ৩:৩৫

সাইফুল্লাহ খান বলেছেন: ধন্যবাদ।

৩| ২২ শে এপ্রিল, ২০১৪ সন্ধ্যা ৬:১০

আদম_ বলেছেন: ধন্যবাদ।

৪| ২২ শে এপ্রিল, ২০১৪ সন্ধ্যা ৭:২৭

সাইফুল্লাহ খান বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকেও।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.