নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

শুধু ক্ষমতার পালা বদল নয়, কাংক্ষিত মুক্তির জন্য চাই আদর্শিক পরিবর্তন।

তোমাদের মধ্যে সর্ব উত্তম ঐ ব্যক্তি যে দ্বীনি ইলম শিক্ষাকরে এবং শিক্ষাদেয়। আল-হাদীস.

সাইফুল্লাহ খান

সাইফুল্লাহ খান › বিস্তারিত পোস্টঃ

মি:মওদুদী ও জামাত-শিবিরের দৃষ্টিভঙ্গিঁ।

২২ শে এপ্রিল, ২০১৪ রাত ১১:২৮

যারা জামাতে ইসলামীর

আকর্ষণীয়

নিয়মানুবর্তিতা ও

অন্যান্য কৌশলগত

কার্য্যাবলীকে অবলোকন

করতঃ প্রভাবিত

হয়ে পড়েছেন এবং এ

সম্প্রদায়কে হক্ব

মনে করে বসে আছেন ,

তারা মনোযোগ

সহকারে শ্রবণ করুন ! এ

জামাতের মূখ্য

উদ্দেশ্যই

হলো আল্লাহর

সন্তোষভাজন

সাহাবায়ে কেরাম ,

আইম্মায়ে কেরাম

এবং পূত ও পবিত্র

নবীগণের চরিত্রের

উপর আঘাত

হেনে তাদের অনুসরণ

থেকে মানুষকে দুরে রাখার

মাধ্যমে পথভ্রষ্ট

করে জাহান্নামে নিক্ষেপ

করা । দেখুন মওদূদীর

বক্তব্য :-

"আমি দ্বীনকে বর্তমান

ও অতীত যুগের

ব্যক্তিবর্গ হতে বুঝার

পরিবর্তে সর্বদা কুরআন

ও সুন্নাহ

হতে সরাসরি বুঝার

চেষ্টা করেছি । তা এ

উদ্দেশ্যে যে , আমার ও

প্রত্যেক মুমিন

থেকে আল্লাহর দ্বীন

কি চাচ্ছে তা যেন

বুঝে নিতে পারি ।

এটা দেখে নিতে চেষ্টা করিনি যে ,

অমুক অমুক বুযুর্গ

কি বলেছেন ।

বরং দেখে নিতে চেষ্টা করেছি কুরআন

কি বলেছে এবং রাসুল

সাঃ কি বলেছেন" ।

(দ্রষ্টব্য :-

রূয়েদাদে জামাতে ইসলামী ৩/

৩৭) চিন্তা করুন !

যে ব্যক্তি কোন

ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান

থেকে ঞ্জানার্জন

করলেন না , এমন

কি নির্ভরযোগ্য কোন

আলেম

থেকে একটি পাঠও

গ্রহণ করলেন না ,

এরপর ইজতেহাদ

তথা কুরআন ও হাদীস্

থেকে মাসয়ালা বের

করার

পনেরটি শাস্ত্রের সর্ব

প্রথম বিষয়

আরবী ভাষায়ও পূর্ণ

অভিঞ্জ ছিলেন না ।

শুধু তাই নয় ,

যিনি অনেক

ক্ষেত্রে আরবি কিতাবের

অনুবাদ অন্যের

থেকে শুনে নিতেন ,

তিনি কিভাবে কুরআন

ও হাদীস্

সাহাবায়ে কেরাম ,

তাবেয়ীন ,

তাবে তাবেয়ীন ,

আইম্মায়ে মুজতাহিদ্বীন ,

ফুক্বাহায়ে কেরামদের

বাদ দিয়ে বুঝার

ঘোষণা দিলেন ?

তা আমার বুঝে আসেনা ।

যেখানে স্বয়ং রাসুল

সাঃ বলেছেন :- "যে লোক

নিজ

বুদ্ধি দিয়ে কুরআনের

ব্যাখ্যা করে ,

সে ভ্রান্তির শিকার

হয়" ।(আবু

দাউদ,তিরমিযী,নাসাঈ

) অন্য হাদীসে আছে :-

"যে ব্যাক্তি বুদ্ধি কিংবা অনুমানের

সাহায্যে কুরআনের

ব্যাখ্যা করে , সে যেন

জাহান্নামকে নিজ

বাসস্হান বানিয়ে নেয়" ।

(আবু দাউদ,তিরমিযি,না

সাঈ) এবার

আপনারা একটু

চিন্তা করুন !

তিনি উপরোক্ত

বক্তব্যের

মাধ্যমে কি এই ঘোষণাই

দিলেন না যে , ১।

আমি যেই

ভাবে তাদেরকে ত্যাগ

করেছি , তোমরাও সেই

একই ভাবে তাদের

কে ত্যাগ

করে জাহান্নামের

টিকিট কিনে নাও । ২।

আমি যে ভাবে আমার

পূর্বসূরীদের

ছুড়ে ফেলেছি , তোমরাও

আমাকে সে ভাবে ছুড়ে ফেল

। ৩। আমার পূর্বসূরীগণ

কুরআন ও হাদীস্ সঠিক

ভাবে বুঝেন নাই । তাই

তাদের কে মানা আমার

দ্বারা সম্ভব নয় । ৪।

তাদের বুঝ

অপেক্ষা আমার বুঝ

উত্তম । ৫। আমার

বাসস্হান

জাহান্নামে বানাতে খুব

ইচ্ছা করছিল ,

এজন্যই নিজের মনমত

কুরআনের

ব্যাখ্যা করেছি ।

মন্তব্য ৩ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (৩) মন্তব্য লিখুন

১| ২৩ শে এপ্রিল, ২০১৪ রাত ১২:৩৭

মাহমুদুর রহমান সুজন বলেছেন: আচ্ছা ভাই একজন বুজর্গ সাহেব ভুল করে একটা নতুন কিছু প্রচলন করলেন আর তা সরাসরি (রা:) আমলের পরিপন্তি তখন সে আমল কি গ্রহন যোগ্য হবে?

২| ২৩ শে এপ্রিল, ২০১৪ রাত ১২:৩৮

মাহমুদুর রহমান সুজন বলেছেন: আচ্ছা ভাই একজন বুজর্গ সাহেব ভুল করে একটা নতুন কিছু প্রচলন করলেন আর তা সরাসরি রাসুল(সাঃ) আমলের পরিপন্তি তখন সে আমল কি গ্রহন যোগ্য হবে?

৩| ২৩ শে এপ্রিল, ২০১৪ রাত ৩:২৪

সাইফুল্লাহ খান বলেছেন: কি ভাবে গ্রহণযোগ্য হবে?

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.