নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

শুধু ক্ষমতার পালা বদল নয়, কাংক্ষিত মুক্তির জন্য চাই আদর্শিক পরিবর্তন।

তোমাদের মধ্যে সর্ব উত্তম ঐ ব্যক্তি যে দ্বীনি ইলম শিক্ষাকরে এবং শিক্ষাদেয়। আল-হাদীস.

সাইফুল্লাহ খান

সাইফুল্লাহ খান › বিস্তারিত পোস্টঃ

তওবা করার পদ্ধতি।

২৭ শে এপ্রিল, ২০১৪ বিকাল ৩:১৯

তওবার শাব্দিক অর্থ ফিরে আসা।

শরীয়তের পরিভাষায

কোনো গোনাহ্

থেকে ফিরে আসাকে তওবা বলা হয়।

তওবা বিশুদ্ধ ও ধর্তব্য হওয়ার জন্য

৩টি শর্ত রয়েছে।

১. বর্তমানে যে গোনাহে লিপ্ত

রয়েছে, তা অবিলম্বে বর্জন

করতে হবে।

২. অতিতের গুনাহের জন্যে অনুতপ্ত

হতে হবে।

৩. ভবিষ্যতে সে গুনাহ্ না করার দৃঢ়

সংকল্প গ্রহণ

করতে হবে এবং কোনো ফরয কাজ

ছেড়ে থাকলে তা আদায়

বা কাযা করতে হবে।

৥ গুনাহ্ যদি বান্দার বৈষিক হক

সম্পর্কিত হয়, তবে শর্ত এই

যে, প্রাপক জীবিত

থাকলে তাকে সে ধন-সম্পদ ফেরত

দিবে অথবা মাফ করিয়ে নিবে।

প্রাপক জীবিত না থাকলে তার

ওয়ারিসদেরকে ফেরত দিবে।

কোনো ওয়ারিস

না থাকলে বায়তুল

মালে জমা দিবে। যদি বায়তুল

মালও না থাকে অথবা তার

ব্যবস্থাপনা সঠিক না হয়

তবে প্রাপকের পক্ষ

থেকে সদকা করে দিবে।

৥ বৈষিক নয় এমন কোনো হক হলে -

যেমন,

কাউকে অন্যায়ভাবে জ্বালাতন

করলে, গালি দিলে, অথবা কারও

গীবত করলে যেভাবেই সম্ভবপর হয়

তাকে সন্তুষ্ট

করে ক্ষমা নিতে হবে।

মন্তব্য ২ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (২) মন্তব্য লিখুন

১| ২৭ শে এপ্রিল, ২০১৪ বিকাল ৩:৫০

সত্য৭৮৬ বলেছেন: কোনো গোনাহ্ থেকে ফিরে আসাকে তওবা বলা হয়।

কাজেই গোনাহ সম্পর্কে আগে বিস্তারিত আলোচনা করা উচিত- তাইনা?

২| ২৭ শে এপ্রিল, ২০১৪ রাত ১০:৫৪

সাইফুল্লাহ খান বলেছেন: ইনশা আল্লাহ এই ব্যপারে আগামীতে লিখবো।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.