নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

ফিরে যাওয়া...

সেই সোনালী দিনকে পিছে রেখে আর ভুলে থাকা নয়.

ফিরে যাওয়া... › বিস্তারিত পোস্টঃ

জাতির জনকের শত্রু অথচ জনকের তনয়ার বন্ধু!

২৬ শে অক্টোবর, ২০১৩ বিকাল ৪:১১

১৯৭১ সাল। জাতি, ধর্ম নির্বিশেষে তদানিন্তন পূর্ব পাকিস্তানের আপামর জনসাধারণ যখন তাদের গণতান্ত্রিক অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে আন্দোলনে উত্তাল, তখন নেতৃত্বে ছিলেন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। মদান্ধ এবং পরনারী আসক্ত ইয়াহিয়া তখন ক্ষমতায় থাকার জন্য বিভিন্ন রকম তালবাহানা করছিলো। আর ওই তালবাহানার স্থানীয় পরামর্শদাতা হিসেবে রোল প্লে করেছে জামাতের গো-আজম এবং ওপর এক ক্ষমতালোভী রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ‘ভূট্টো’।



ইয়াহিয়ার আন্তর্জাতিক আস্থাভাজন পরামর্শদাতা ছিলো আমেরিকার ইহুদী পররাষ্ট্রমন্ত্রী কিসিঞ্জার। তাদের যৌথ পরামর্শেই ইয়াহিয়া সেদিন এদেশের সাধারণ গণমানুষের উপর ঝাপিয়ে পরতে পাক-বাহিনীকে আদেশ দেয়। ওই সকল পরামর্শদাতা এবং ইয়াহিয়া সকলেই ছিলো আমাদের জাতির জনকের জানি দুশমন।

তবে বর্তমান পেক্ষাপটে ওই জনকের তনয়া কি করছেন? কিসিঞ্জারের পরিবর্তে ওই দেশেরই অপর এক ইসলাম বিদ্বেষী শয়তান, পিটার কিংকে তিনি বেছে নিয়েছেন আন্তর্জাতিক পরামর্শদাতা হিসেবে ।



আমেরিকা ইয়াহিয়ার সাথে আছে এমন ভাব দেখানোর জন্য ১৯৭১ সালে যুদ্ধের সময় ৭ম নৌ-বহর বঙ্গপসাগর পর্যন্ত এনে ফিরিয়ে নিয়ে যায়। গাছে তুলে মই সরিয়ে ফেলার সেই পুরানো চাল। এবার জনকের তনয়ার সাথেও পিটার কিং ওই একই খেলা খেলছে। সে আমাদের প্রধানমন্ত্রীকে বলেছে “তত্বাবধায়ক সরকার ডেড ইস্যু”। অথচ তার গোয়েন্দা বাহিনী (সিআইএ) অত্যান্ত ভালো করে জানে যে, এদেশের ৯০ ভাগ মানুষ তত্ত্বাবধায়ক সরকার চায়। ছয়টি মেয়র নির্বাচনের ফলাফল তারই বহিঃপ্রকাশ। অথচ জনকের তনয়া পিটার কিং-এর বক্তব্যে আনন্দে বাগবাগ, তিনি এখন কবুতরের মতো গাছের উচু ডালে বসে বাকবাকুম করে বলছেন যে, এক চুলও নড়বেন না। তবে ওই নাসারা দেশ আমেরিকা মইটা সড়িয়ে নিলো বলে। তৃতীয় বিশ্বের তৃতীয় শ্রেণীর নামেমাত্র মুসলমান নেতা নেতৃরা মাত্রাতিরিক্ত ক্ষমতার লোভের কারণে প্রতিনিয়ত একই ফাঁদে পা দিচ্ছে। ওরা বুদ্ধিমত্তার দিক থেকে ‘জালুমান জাহুলা’, অর্থাৎ আত্মধ্বংসকারী গণ্ডমূর্খ।



১৯৭০/৭১ সালে, পাড় মাতাল এবং পরনারী আসক্ত ইয়াহিয়া প্রতিনিয়ত তার বক্তব্য পরিবর্তন করতো, রাজনৈতিক পরিস্থিতি ঘোলাটে করে ক্ষমতায় থেকে যাওয়ার জন্য। আজ আমাদের জনকের তনয়া, জাতির জনকের সেই চরম শত্রু ইয়াহিয়া খানের মতোই আচরণ করছে, এটা কি করে সম্ভাব? ক্ষমতার লোভে মৃত পিতার, মৃত শত্রুর চরিত্রের সাথে বন্ধুত্ব পাতানো? ইয়াহিয়ার তো তবুও গো-আজম ছিলো, ভূট্টো ছিলো, তনয়ার তো কেউ নেই। একদল নিকৃষ্ট আওয়ামী চামচা ছাড়া।



এরশাদকে দলে ভিড়ানোর জন্য আপ্রান চেষ্টা করেও ব্যার্থ। গাজীপুর মেয়র নির্বাচন থেকে এরশাদ শিক্ষা নিয়েছে। সে জনতার ঘৃনা ও বদদোয়ায় ফুটো হয়ে যাওয়া নৌকাতে আর পা দেয়া যাবে না। জামাতের প্রতিটি নেতাকে ১০ বার করে ফাসি দেয়ার ভয় দেখালেও, দল জামাত ফুটো নৌকাতে আর সাথী হবে না। নাছারা মজিনা আর মুশরিক শ্বরণ রাতের আধারে যতই মিটিং করুক না কেনো, দেশে সিভিল ওয়ার লাগানোর সম্ভাবনা দ্রুতই শেষ হয়ে যাচ্ছে। এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ হলো- ক্ষমতা থেকে পালাবার সময়টুকু নির্বাচন করা। হয় বাংলার বুদ্ধিমান রাজা লক্ষণ সেন হয়ে নিজেকে বাচাতে হবে কিংবা বোকা সাদ্দাম/গাদ্দাফী হয়ে এবার শুধু পরিবারসহ নয়, দলসহ জীবন দিতে হবে। তবে আওয়ামী বুদ্ধিমত্তার অন্ধত্বের দিক চেতনা করলে ২য় পরিস্থিতির সম্ভাবনাটাই বেশি বলে আপাত দৃষ্টিতে ধারণা করা যায়।

মন্তব্য ১ টি রেটিং +১/-০

মন্তব্য (১) মন্তব্য লিখুন

১| ২৬ শে অক্টোবর, ২০১৩ বিকাল ৪:২৪

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: ১৯৭০/৭১ সালে, পাড় মাতাল এবং পরনারী আসক্ত ইয়াহিয়া প্রতিনিয়ত তার বক্তব্য পরিবর্তন করতো, রাজনৈতিক পরিস্থিতি ঘোলাটে করে ক্ষমতায় থেকে যাওয়ার জন্য। আজ আমাদের জনকের তনয়া, জাতির জনকের সেই চরম শত্রু ইয়াহিয়া খানের মতোই আচরণ করছে, এটা কি করে সম্ভব !!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.