নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

এম আশিক ঝিনাইদহ

এম আশিক

raozan, chittagong, bangladesh

এম আশিক › বিস্তারিত পোস্টঃ

আসন্ন রমাজানে তারাবিহ নামাজ নিয়ে আহলে হাদিস গ্রুপের বিতর্ক

০২ রা জুলাই, ২০১২ রাত ১১:০০

ইদানিং আহলে হাদিস নামের গ্রুপ বিভিন্ন বিতর্কিত মাসায়েল যা মিমাংসিত তা নিয়ে আবার বিতর্ক ছড়াচ্ছে। যেমন তারাবির নামাজ ২০ রাকাত না ৮ রাকাত? সমস্ত হানাফীরা ২০ রাকাত পড়ে থাকেন যদিও বিভিন্ন বর্ণনায় ৮, ১১, ১৩, ২০ রাকাতের কথা আছে। বিতর্কে না গিয়ে সহজে উপলব্ধ ২০ রাকাত পড়ার কিছু কারণ ঃ

*হযরত ওমর রাজিঃ এর যমানায় ২০ রাকাতের ঐক্য (এজমা )হয় যা আহলে হাদিস গ্রুপ মানেননা। তারা যে হাদিস দিয়ে ৮ রাকাতের দলিল দেন তা দিয়ে তারাবির নামাজই প্রমান করা যায়্না তাহাজ্জুদের নামাজ প্রমান হয়।



**রমাজানে যেহেতু অধিক ইবাদত করে আল্লাহর নৈকট্য লাভের আশা থাকে তাই ৮ রাকাত না পড়ে ২০ রাকাত পড়া হয়।

*** এমাসে অনেক বে নামাজী ও নামাজ পড়েন , যারা ২রাকাত নফল পড়তেন তারা আরো বেশি পড়েন। আর লামাজহাবী আহলে হাদিস গ্রুপ নামাজ কে কমিয়ে দেয়।

****যদি ২০ রাকাত পড়া হয় তাহলে ২০ এর ভিতর ৮ তো থাকেই কিন্তু ৮ এর ভিতর কি ২০ থাকে? তবে আহলে হাদিস গ্রুপ মডারেট ইসলাম চায় ছাট কাট করাতেই তাদের মডুগিরি।

***** ধরুন আপনি কোথাও জরুরী কাজে যাবেন, তো আপনার খরচা নিয়ে বিতর্ক হচ্ছে কেউ হিসাব দিল ২০০০ টাকা খরচ লাগবে কেউ হিসাব দেখাল লোকাল বাসে কাটা কাটা গেলে ৮০০ টাকায় সারবে। এখন আপনি কি করবেন? বুদ্ধিমান হলে অবশ্যই ২০০০ টাকা নিয়ে পথে উঠবেন। টাকা কিছু বাচলে কাজে লাগবে। লামাজহাবিরা ফেইসবুকে পোস্ট দিয়ে কমেন্ট বক্স বন্ধ রাখছে যাতে কেউ তাদের ভ্রান্তি কেউ না বুঝতে পারে।

আসুন আসন্য মাহে রমাজেনে আমরা বেশী বেশী ইবাদত করি, বেশী বেশী তেলাওয়াত করি, দান করি । ইসলাম কে সংকুচিত না করি। @বিশেষভাবে লক্ষনিও লামাজহাবীরা অনেক মাসায়েলের ব্যাপারে মক্কা মদীনার আমল দেখায় কিন্তু সেই মক্কা মদীনায় ই ২০ রাকাত পড়া হয়। তাই বাংলাদেশের চুনপুটি আহলে হাদিস গ্রুপের ধোকায় কেউ বিভ্রান্ত হবেননা। আল্লাহ আমাদের সবাইকে আসন্ন রমাজানে বেশি ইবাদাতের মাধ্যমে তাঁর নৈকট্য লাভের তাওফিক দান করুন। আমীন।

মন্তব্য ১৭ টি রেটিং +২/-০

মন্তব্য (১৭) মন্তব্য লিখুন

১| ০২ রা জুলাই, ২০১২ রাত ১১:৩৫

নিরন্তর যাত্রী বলেছেন: আপনারাই ইসলামে বিভক্তি তৈরি করেন । হানাফি আহলে হাদিস মারামারি শুরু করুন কি আর করবেন ।

২| ০২ রা জুলাই, ২০১২ রাত ১১:৩৫

নিরন্তর যাত্রী বলেছেন: আপনারাই ইসলামে বিভক্তি তৈরি করেন । হানাফি আহলে হাদিস মারামারি শুরু করুন কি আর করবেন ।

৩| ০২ রা জুলাই, ২০১২ রাত ১১:৪০

শিকদার বলেছেন: হানাফী আর আহলে হাদিস মারামারি নয়, হক্ক এবং বাতিলের মধ্যে মারামারি।

আহলে হাদিসরা সহহী হাদিসের ধূয়া তুলে মুসলমানদের আমল নষ্ট করছে। রসূল (সাঃ) এর হাদিস হাদিস ই হাদিসকে জয়ীফ বলে ঘৃনা করা রসূল (সাঃ) কে অপমান করার সামিল। নাউযুবিল্লাহ্‌।

আর কিছু মুসলমান আছে এরা শুধু বলবে দেখ, কিভাবে হানাফি ও আহলে হাদিসরা মারামারি করছে।

এরা হচ্ছে সেই টাইপের মুসলমান যারা মধু ও পশ্রাবের মধ্যে পার্থক্য করতে পারেনা। হক্ক এবং বাতিল সম্পর্কে জানুন। পরে কমেন্ট করুন।

৪| ০৩ রা জুলাই, ২০১২ রাত ১২:৪৬

মেমননীয় বলেছেন: বাংগালীর স্বভাবই এমন ফরজের খবর নাই সুন্নত নিয়া মারামারি।
৮/১২/২০ রাকাত পড়লে কি সমস্যা? আপনাদের কামরা কামরি দেইখা তারাবি পড়াই ছাড়ছি। আমার মত যারা তারাবিই পড়েনা তাদের চেয়েত ৮/১২ রাকাত পড়াই ভাল।
দয়া করে ব্লগে ফ্যাসাদ সৃষ্টি করবেন না (ফ্যাসাদ সৃষ্টিকারীর শাস্তির হাদিস নিশ্চই জানা আছে)।

৫| ০৩ রা জুলাই, ২০১২ রাত ১২:৫৭

শাফিউর রহমান ফারাবী বলেছেন: বর্তমানে আহলে হাদীস রা খুব বাড়াবাড়ি করছে।

৬| ০৩ রা জুলাই, ২০১২ রাত ১০:৩৩

এম আশিক বলেছেন: এই যে এখানে ও আহলে হাদিস গ্রুপ মারামারি শুরু করেছে! আচ্ছা আমি একবার ও লিখেছি ৮ রাকাত পড়া যাবেনা। রমজানে শয়তান বাঁধা থাকে তাই সে ধোকা দিতে পারেনা। কিন্তু যারা শয়তান থেকে একধাপ এগিয়ে আছে তার কাছে শয়তান বন্দি আর মুক্ত কি? সে নামাজ পড়বেনা তো পড়বেইনা।

৭| ০৩ রা জুলাই, ২০১২ রাত ১১:২৬

বাঁধ ভেঙে যাই....... বলেছেন: ekta sohoj hisab; trabi muloto 11 rakat nobiji porten. kintu 11 rakate prochur somoy diten. seized 11 rakater mullo ekhon kar 20 rakater soman mullo. eta khalifa omar start korchen. tobe sunnot kintu 11 rakat. r ekta kotha majhab ta kintu prodhno-biddo. majhab mana toto joruri na.

৮| ০৩ রা জুলাই, ২০১২ রাত ১১:২৮

বাঁধ ভেঙে যাই....... বলেছেন: ekta sohoj hisab; trabi muloto 11 rakat nobiji porten. kintu 11 rakate prochur somoy diten. seized 11 rakater mullo ekhon kar 20 rakater soman mullo. eta khalifa omar start korchen. tobe sunnot kintu 11 rakat. r ekta kotha majhab ta kintu prodhno-biddo. majhab mana toto joruri na.

৯| ০৩ রা জুলাই, ২০১২ রাত ১১:৩০

বাঁধ ভেঙে যাই....... বলেছেন: sorry; ekta comment muche diben

১০| ০৪ ঠা জুলাই, ২০১২ সকাল ৭:৩৭

এম আশিক বলেছেন: মাজহাব হল ইসলামের উপর কোরান হাদিস মোতাবেক এমন এক চলার পথ যার দ্বারা একজন শিক্ষিত মানুষ দলিল সহকারে এবং অশিক্ষত ব্যক্তি অনুস্বরণ করে ও চলতে পারে।

১১| ০৪ ঠা জুলাই, ২০১২ সকাল ৭:৩৮

এম আশিক বলেছেন: মাজহাব হল ইসলামের উপর কোরান হাদিস মোতাবেক এমন এক চলার পথ যার দ্বারা একজন শিক্ষিত মানুষ দলিল সহকারে এবং অশিক্ষত ব্যক্তি অনুস্বরণ করে ও চলতে পারে।

১২| ০৪ ঠা জুলাই, ২০১২ দুপুর ২:৫৪

বাঁধ ভেঙে যাই....... বলেছেন: nobiji k namaz k sikkha disen?tini ki nirvul vabe namaz porten?tini tital koto bochor 5 okot namaz practice kore-chilen. sahabider namaz training k disen? ektu uttor den.

১৩| ০৫ ই জুলাই, ২০১২ বিকাল ৪:৩৮

এম আশিক বলেছেন: amader nobi sm ke allah shikkha diyesen. Nobi sm sahaba rd ke shikkha diyesen.
nobi sm @ sahabi amader adorsho.
apni ze proshn koresen shudhu tar uttor diyesi. Amar dharona arekti prosno korben. Korun.

১৪| ০৭ ই জুলাই, ২০১২ রাত ৮:২১

বাঁধ ভেঙে যাই....... বলেছেন: তাহলে মাজহাব ভিন্নতার কারনে নামাজ পড়ার ভিন্নতা কেন? কেন কেউ কেউ অন্য ভাবে নামাজ পড়ে্? আল্লাহ কি নবিজিকে ৩/৪ রকমে নামাজ শিক্ষা দিয়েছেন? যদি নামাজের নিয়ম ১টাই হয় তবে কোন মাজহাব সঠিক নিয়মে নামাজ পড়েছেন। বা আদৌ তা সঠিক নিয়ম কিনা? কারন মাওলানারা( কওমী) বলেন নামাজের ক্ষুদ্র নিয়মও যদি ভুল হয় তবে নামাজ হবেনা। এখন বলেন হনাফী দের নামাজ ঠিক নাকি অন্য মাজহাব?

১৫| ০৮ ই জুলাই, ২০১২ বিকাল ৪:৪৪

এম আশিক বলেছেন: অপনার প্রশ্ন যেহেতু মাজহাব নিয়ে। তাই স্পষটতঃ আপনি লামাজহাবী। আমি আপনাদের ই একটা ফেইসবুক পেজে এবিষয়ে মন্তব্য করেছিলাম। ঐখানে ৪মাজহাব সম্পর্কে যা লিখেছি তা এই এই প্রশ্নের সম্পুরক উত্তর। তার পর ও যদি আপনাকে বুঝাতে না পারি দয়া করে আবার প্রশ্ন করুন।

Alamin Hasan প্রশ্ন (১/৩২১): বলা হয়
আহলেহাদীছগণ নাজাতপ্রাপ্ত
দল। কিন্তু তারা এখন বহু
দলে বিভক্ত। নাজাতপ্রাপ্ত
কাফেলা কি দলে দলে বিভক্ত
হয়? আসলে নাজাতপ্রাপ্ত দল কোন্টি?
-রবীউল ইসলাম, খুলনা।
উত্তর : প্রকৃত আহলেহাদীছ
যারা, তাদের মধ্যে কোন
দলাদলি নেই। কারণ
আক্বীদাগতভাবে সকল আহলেহাদীছই এক। শরী‘আতের
ব্যাখ্যাগত বুঝের পার্থক্যের
কারণে কিছু প্রশাখাগত
বিষয়ে মতভেদ
থাকা স্বাভাবিক। মতভেদ
থাকলেও জামা‘আতগতভাবে ঐক্যবদ্ধ
থাকার নির্দেশ
এসেছে হাদীছে। রাসূলুল্লাহ
(ছাঃ) বলেন, ﻢﻜﻴﻠﻋ
ﻢﻛﺎﻳﺇﻭ ﺔﻋﺎﻤﺠﻟﺎﺑ
ﺔﻗﺮﻔﻟﺍﻭ ‘তোমাদের উপর জামা‘আতী যিন্দেগী ফরয
করা হ’ল
এবং বিচ্ছিন্নতাকে নিষিদ্ধ
করা হ’ল (তিরমিযী হা/২৪৬৫)।
তবে দুনিয়াবী স্বার্থ
হাছিলের উদ্দেশ্যে যিদ ও হঠকারিতাবশে যদি কেউ
দলাদলি সৃষ্টি করে, তবে তার
জন্য আল্লাহ্র নিকট যেকোন
ব্যক্তিকেই
জবাবদিহি করতে হবে এবং শাস্তি ভোগ
করতে হবে (বাক্বারাহ ১৩৭; আলে ইমরান ১০৫; আন‘আম ১৫৯)।
রাসূলুল্লাহ (ছাঃ),
ছাহাবায়ে কেরাম,
তাবেঈনে এযাম এবং মুহাদ্দিছ
ওলামায়ে কেরামের ভাষ্য
অনুযায়ী কুরআন ও ছহীহ হাদীছের নিঃশর্ত
অনুসারী আহলেহাদীছগণই
মাত্র নাজাতপ্রাপ্ত দল
(তিরমিযী, মিশকাত হা/৬২৮৩,
ঐ, বঙ্গানুবাদ হা/৬০৩২;
বাগদাদী, শারফু আছহাবিল হাদীছ; বিস্তারিত
আলোচনা দেখুন: ‘আহলেহাদীছ
আন্দোলন কি ও কেন’ বই)। Jul 1 at 7:29pm · · Like Shafiqul Islam likes this. Muhsin Ashik E Elahi ওহাবী আন্দোলন
থেকে মোয়াহহেদিন।
মোয়াহহেদিন
থেকে গাইরে মুকাল্লিদ
গাইরে মুকাল্লিদ থেকে হুসাইন
বাটালভী সহ আরো কয়েকজনের স্বাক্ষরিত আবেদনে বৃটিস
গভর্মেন্টের
সেক্রেটারী কর্তৃক মনজুরকৃত
( আহলে হাদিস ) ইংরেজ সৃষ্ট দল
নাজাত প্রাপ্ত হওয়ার
আশা রাখেন। এবং শরিয়তের বুঝের ব্যখ্যাগত পার্থক্যের
কারণে কিছু প্রশাখাগত মতভেদ
থাকা স্বাভাবিক দাবি করেন।
বিভিন্ন দলে বিভক্ত হলে ও
তিরমিজীর হাদিস (তোমাদের
উপর জামাতী জিন্দেগী ফরজ করা হল,
এবং বিচ্ছিন্নতাকে নিষিদ্ধ
করা হল) এর আওতার
বাইরে অর্থাৎ তাদের
মাঝে বিভিন্ন
দলাদলি থাকলেও তারা আকিদা গতভাবে এক
হওয়ার দাবি রাখেন। | এখন
আমরা দেখছি শরিয়তের উপর
শিক্ষিত অশিক্ষিত সবার আমল
করার সুবিধার্থে কোরান
হাদিসের উপর অক্লান্ত ইজতেহাদ করে মুজতাহীদ
ইমামগণ যে পথ দেখিয়েছেন
তাকে আমরা মাজহাব বলি।
এবং শরিয়তের বুঝের ব্যখ্যাগত
পার্থক্যের কারণে কিছু
প্রশাখাগত মতভেদ যেমন ঃ শাফেয়ী,
হানাফী মালেকী হাম্বলী দল
রয়েছেন। এবং তারা আকিদা গত
ভাবে এক ই আছেন। | কেউ
যদি কোরান হাদিস বুঝে আমল
করতে পারে তাহলে ভাল। কিন্তু একজন অশিক্ষিত মানুষ
সে কি জন্মের সময় কোরান আর
বোখারী শরিফ ব্যখ্যাসহ
বোগলে করে এসেছিল?
তাকে তো অবশ্যয় আললাহর
হুকুমানুযায়ি (তোমরা না জানলে যারা জানে তাদের কে জিগ্গেস কর)
কারো থেকে জানতে হবে বা কাউ
কে অনুস্বরণ (তাকলিদ)
করতে হবে। আহলে হাদিস
দাবীদার
ভায়েরা ব্যাক্তি অনুস্বরণ কে হারাম বলে থাকেন।
তাহলে তাদের দলের সবাই
কি কোরান হাদিসে পারদর্শি?
নাকি বোগলে কোরান হাদিস
নিয়ে জন্ম নিয়েছেন? বরং এখন
দেখা যাচ্ছে তারাই কোরান হাদিস বাদ দেযয়ার উপক্রম।
তারা এখন ডঃ জাকির নায়েকের
সিডি ডিভিডি কেই গুরুত্ব
দিচ্ছেন। ডঃ গালিবের
লিখাকে মোতিউর মাডানীর
ইউটিউব কে আসমানী বার্তার মত অনুস্বরণ করছেন।
আমরা এটাকে
তাদের মত পুরাপুরি হারাম
বলছিনা তবে টিভি ছ্যানেলে টক
শো দেখার জন্য চাকভুম চাকভুম
নৃত্য দেখা হারাম বলি। পরিশেষে মাজহাব হল
ইসলামের উপর কোরান হাদিস
মোতাবেক এমোন এক চলার পথ
যার দ্বারা একজন শিক্ষিত
মানুষ দলিল
সহকারে এবং অশিক্ষত ব্যক্তি অনুস্বরণ করে ও
চলতে পারে। Jul 1 at 11:52pm Click This Link

১৬| ১৮ ই জুলাই, ২০১২ বিকাল ৪:১৯

দূর্বাক সাহা বলেছেন: আপনারা চালিয়ে যান। একত আসবেই!!

১৭| ২১ শে জুলাই, ২০১২ দুপুর ১২:২৮

এম আশিক বলেছেন: apnar khushi howar karon nei.
amra eke opor ke jacai kori ke kototuk sotter upor ase.

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.