| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
নাজমুল আহসান মুক্ত
দেশকে ভালবাসি, দেশের মানুষকে ভালবাসি।
তবে আবার জেগে ওঠ অনিল।
ন’বছরের মাধবীলতা, তোর মেয়ে,
সেদিন যে কাপুরুষের পা চেপে ধরে কেঁদেছিল;
সেই জানোয়ারের উত্থিত নখরের বিজয়চিহ্ন
আমার কলজের ভিতর রক্তের স্রোত বইয়ে দেয়!
বদর মিয়া, ঘুমিয়ে পড়েছিস?
তোর বাড়িটা তখন জ্বলছিল দাউদাউ করে।
তুই নেই বলে বেয়নেটের খোঁচায় ফিনকি দিয়ে বেরিয়ে এলো রক্ত,
তোর বৃদ্ধ বাবার অর্ধমৃত বুক থেকে।
সে বেয়নেটে আজ রক্তমাখা জাতির পতাকা বাঁধা।
তোরও কি ভোর হয়নি এখনো পিনু গোমেজ!
ভুলে গেছিস, কীভাবে তোর পোয়াতি বউয়ের পেট চিরে…!
মরে গেলো তোর আট মাসের প্রথম সন্তান।
তুই বলতিস, ছেলে হ’লে নাম রাখবি বিজয়!
দ্যাখ, বিজয়ের রক্তে আজ স্নান করে বুড়ো শকুন!
চল, আবার বেরিয়ে পড়ি।
দাউ-জ্বলা রক্তের আগুনে, তুষ করে দেই বিশ্ববিচারকের আসন।
আমাদের যুদ্ধ শেষ হয়নি। যুদ্ধ কখনো শেষ হয়ে যায় না।
পূর্বপ্রকাশঃ http://www.muktokontho.com/mukto90/blog/3686
০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ দুপুর ১:৫৫
নাজমুল আহসান মুক্ত বলেছেন: আমাদের যুদ্ধ শেষ হয়নি। যুদ্ধ কখনো শেষ হয়ে যায় না।
©somewhere in net ltd.
১|
০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ দুপুর ১২:১৬
খুব সাধারন একজন বলেছেন: আমি ছেলেবেলায় বসে বসে ভাবতাম!
যুদ্ধে যাব। আমার দেশটাকে মুক্ত করব-
অভিশাপ ও মহামারীর হাত থেকে।
ছেলেবেলায় কতশত ভাবতাম,
যুদ্ধে যাব। কিন্তু হায়, একাত্তর তো ফুরিয়ে গেছে।
তারপর, কালই-
কী যে শুনলাম শাহবাগে!
রক্তে শণৈ শণৈ আগুন ধরে গেল।
শরীরে ছড়ানো দুই লাখ মাইল শিরা উপশিরায়,
তীব্র অহঙ্কারের এক আগুন ছড়িয়ে পড়ল।
তারপর দেখি কী,
সেই আগুন সহ বিষ্ফোরিত হয়েছে আমার শরীর-
চোখ মেলে দেখি কী, শরীটা আমার নয়, হাজার শরীর।
দেখি,
আগুনটা পাথন্থপথ হয়ে সেনানিবাস ছাড়িয়ে হিমালয়ে গিয়ে মারছে হানা।
এভারেস্ট কোটি বছরের শুভ্র টুপি ছেড়েছুড়ে দিয়ে
দেখি কী,
আগুনটা বইমেলা হয়ে হাজির হল বাংলা সাগরে,
কী ট্যাঙ্কার যে ছাই ফেটে গেল কালকে শাহবাগের উপসাগরে!
বঙ্গোপসাগর হয়ে তেলের আগুন দুদ্দাড় ছড়িয়ে পড়ল সর্বত্র।
নুইয়র্ক, দাম্মাম, করাচি-
সব শত্রুদের খতম হবে আজ। ওইসব বন্দরের নৌবাহিনীকে থোড়াই পরোয়া করে বাঙালি।
কালই, কী যে শুনলাম শাহবাগে!
মুক্তিযুদ্ধ ফুরায়নি।