| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
মুকুল
আমি একজন বিপদজনক ব্লগার। আমার লেখা প্রকাশিত হবে না। আমি অন্য কারো লেখায় মন্তব্যও করতে পারবো না। http://mukulbd.blogspot.com
নোয়াখালীতে কেউ বেড়াতে এলে অবাক হয় জেলা শহরের নাম শুনে। বাংলাদেশে নোয়াখালীই একমাত্র জেলা, যার জেলা শহরের নাম জেলার নামে নয়। নোয়াখালী’র জেলা শহরের নাম মাইজদী। কেন নোয়াখালী’র জেলা শহরের নাম মাইজদী হলো তা জানতে হলে পিছনের ইতিহাস জানতে হবে।
নোয়াখালী জেলার পত্তন হয় ১৮২১ সালে। বৃটিশ প্রশাসনিক কর্তৃপক্ষ ১৮২২ সালে নোয়াখালীর জন্যে একটি জয়েন্ট ম্যাজিস্ট্রেটের পদ সৃষ্টি করে। একজন স্বতন্ত্র কালেকটর নিযুক্ত হয় ১৮৩০ সালে। জেলা হিসেবে নোয়াখালী পূর্ণ মর্যাদা লাভ করে ১৮৭৬ সালে। ঐ বছরেই নোয়াখালীতে একজন সেসন জজ ও সিভিল জজ নিয়োগ করা হয় এবং প্রথম পৌরসভা গঠিত হয়। সুধারাম মজুমদার নামে এক ব্যক্তির দানকৃত স্থানে শহরটি স্থাপিত হয়েছিল বলে প্রথম থেকেই এই শহর সুধারাম নামে পরিচিতি লাভ করে।
নোয়াখালী শহরের ইতিহাস ভাঙা গড়ার ইতিহাস। কথায় বলে,
“ভাঙ্গা-গড়া চোরাবালী
তার নাম নোয়াখালী”
চল্লিশের দশকে নোয়াখালী অনেক ছোট ছিলো। শহরটি আরো দক্ষিণে বিস্তীর্ণ অঞ্চল নিয়ে গড়ে উঠেছিলো। কালক্রমে নদী ভাঙনের ফলে উত্তরে সরে আসে। নদী ভাঙনের ফলে কালক্রমে নোয়াখালীর মূল শহরটি উত্তরাংশ অর্থাৎ সোনাপুর হতে কিছুটা বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।
নোয়াখালী শহর নদীগর্ভে বিলুপ্তির কাজটি ত্বরান্বিত করে নোয়াখালী খাল। সাগরের প্রবল জোয়ার এই খালটির মধ্যদিয়ে এসে জেলার তীরবর্তী এলাকায় প্রচন্ডভাবে আঘাত হানতো। নদীর ভাঙন যখন সর্বগ্রাসী মূর্তি ধারণ করে নোয়াখালী শহরকে গ্রাস করতে উদ্যত ঠিক সে সময়ে দীর্ঘ প্রবাস জীবনযাপনের পর সুধারামে ফিরে এসেছিলেন খ্যাতনামা ইঞ্জিনিয়ার ওবায়দুল্লাহ। নদীর ভাঙন থেকে নোয়াখালী শহর তথা সুধারামকে রক্ষার জন্য তিনি বিভিন্ন পর্যায়ে দেন দরবার শুরু করেন। কিন্তু ততকালীন সরকার বাঁধ দিয়ে শহর রক্ষা করা সম্ভব নয় বলে অভিমত প্রদান করলে জনাব ওবায়দুল্লাহ নিজ উদ্যোগে ও অর্থব্যয়ে কয়েক হাজার শ্রমিকের সাহায্যে মন্তিয়ারঘোনার মুখে একটা বিরাট বাঁধ নির্মান করেন। জনাব ওবায়দুল্লাহর মৃত্যুর পর নানা কারণে সেই বাঁধের রক্ষণাবেক্ষণের কোন ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। আর তাই অচিরেই জাঁকজমকপূর্ণ বর্ধিষ্ণু এ শহরটি তার সকল এতিহ্য নিয়ে ক্ষুদ্ধ মেঘনার করাল গ্রাসে বিলীন হয়ে গেলো। নদী ভাঙনের পর সোনাপুর থেকে দত্তের হাট পর্যন্ত পুরনো শহর তথা পৌরএলাকার ভগ্নাংশটুকুই অবশিষ্ট রইলো।
কালিতারা বাজারের কাছে মিউনিসিপ্যালিটির যে শেষ লাইটপোস্ট ছিলো, ঠিক ওখানে গিয়েই নদীর ভাঙনটা বন্ধ হয়ে গেলো। বিচ্ছিন্ন উপকূল হিসেবে সোনাপুর রক্ষা পেলো। আর মূল শহরটা শুধু পৌরসভা সীমারেখা বরাবর বিলুপ্ত হয়ে গেলো।
১৯২২ থেকে ১৯৩২ এবং ১৯৪৮ থেকে পর্যায়ক্রমে মোট চারদফা ভাঙনের পর নোয়াখালী শহরটি তার বাগ-বাগিচা এবং দর্শনীয় সৌধমালাসহ চিরকালের মতো হারিয়ে যায় ভূ-পৃষ্ঠ থেকে।
পুরনো শহর নদী গর্ভে বিলুপ্ত হওয়ার পর ১৯৫০ সালে জেলার সদর দপ্তর অস্থায়ীভাবে মাইজদীতে স্থানান্তর করা হয়। পুরনো শহরের নদী ভাঙা মানুষগুলো তাদের বাড়ী-ঘর, দোকান-পাট, ব্যবসা-বাণিজ্য ও সহায় সম্পত্তি সবকিছু হারিয়ে বাঁচার আশায় মাইজদীতে কোন রকম মাথা গোঁজার মত ঠাঁই করে নেয়। ক্রমান্বয়ে এখানে বসতি ও জনপদ গড়ে উঠে। ১৯৫৩ সালে শহরের পুরনো এলাকা কালিতারা, সোনাপুর ও মাইজদীসহ কাদির হানিফ ইউনিয়নের কয়েকটি মৌজা নিয়ে গেজেট বিজ্ঞপ্তিতে নোয়াখালী পৌর এলাকা ঘোষণা করা হয়। কিন্তু সুদীর্ঘ প্রায় একযুগ পর্যন্ত মাইজদীকে নোয়াখালী জেলার সদরদপ্তর হিসেবে সরকারিভাবে স্বীকৃতি দেওয়ার বিষয়টি বিতর্কিত অবস্থায় ছিলো। অবশেষে ১৯৬২ সালে মাইজদীকে নোয়াখালী জেলার স্থায়ী সদর দপ্তর হিসাবে সরকারিভাবে স্বীকৃতি দেয়া হয়।
নদী এখন আর কাছে নেই। চর পড়তে পড়তে দক্ষিণে সরে গেছে চল্লিশ কিলোমিটারের ও বেশি। নদীগর্ভ থেকে জেগে উঠেছে বিশাল চরাঞ্চল। নতুন করে গড়ে উঠেছে জনবসতি। কিন্তু সাথে নিয়ে গেছে আদি নোয়াখালী শহরের সবকিছু। শুধু স্মৃতিটুকুই আছে।
#
সহায়ক প্রবন্ধসমূহ:
► নোয়াখালী পৌরসভা পরিক্রমা: মোহাম্মদ শামছুল আলম
► নোয়াখালীর ঐতিহাসিক ও ভূতাত্ত্বিক বৈশিষ্ট্য: সানাউল্লাহ নূরী
►মেঘনা গর্ভে নোয়াখালীর প্রাচীন শহর: সালাদিন
► স্মারকগ্রন্থ “নোয়াখালী": নোয়াখালী পৌরসভা
► ছবি: উইকিপিডিয়া
২২ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ৯:০১
মুকুল বলেছেন: ধন্যবাদ রাশু। ![]()
বিশেষ ভাবে ধন্যবাদ রাগিব ভাইকে। তিনি আজ স্মরণ করিয়ে দিয়েছিলেন এই বিষয়ে পোস্ট দিতে। না হলে হয়তো আরো দেরি হতো।![]()
২|
২২ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ৮:৫৯
কোবরা বলেছেন:
নোয়াখালী সর্ম্পকে অনেক কিছু জানলাম,ধন্যবাদ মুকুল ভাই।
২২ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ৯:০২
মুকুল বলেছেন: পড়ার জন্য ধন্যবাদ কোবরা ভাই ![]()
৩|
২২ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ৯:০২
বিবর্তনবাদী বলেছেন: ধন্যবাদ জানলাম অনেক অনেক কিছু।
++++++++++++++
২২ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ৯:০৩
মুকুল বলেছেন: ধন্যবাদ
৪|
২২ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ৯:১৭
তাসু বলেছেন: মুকুল ভাই, নোয়াখালীর মূল এলাকার কথা লিখলেন। নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ার কথাতো লিখলেন না। কালিতারা বাজারের কাছে মিউনিসিপ্যালিটির শেষ লাইটপোস্টের কাছে নদী ভাঙনটা বন্ধ হয়ে গেছে ঠিক, কিন্তু নদী যে স্রোত পরিবর্তন করে দ্বীপ উপজেলা হাতিয়াকে গ্রাস করা শুরু করেছে সেটাও সত্যি। হাতিয়া তার অর্ধেকেরও বেশী অংশ মেঘনাকে দান করে সোনাপুরের দক্ষিনে জাগিয়েছে মাইলের পর মাইল চর।
২২ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ৯:১৯
মুকুল বলেছেন: আপনি কি হাতিয়ার? ঠিক বলেছেন। খুব বেশি তথ্য আমার কাছে এই মুহুর্তে নেই। আরো বড় হয়তো করতে পারতাম, সেটা অনেক সময়ের ব্যাপার। পোস্টও বড় হয়ে যেতো। পরে হয়তো কখনো লেখার সুযোগ হবে। ভালো থাকবেন। শুভেচ্ছা।
৫|
২২ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ৯:০৫
প্রণব আচার্য্য বলেছেন: অনেক তথ্যই জানা ছিল না; ধন্যবাদ মুকুল ভাই
আমার শহরকে চেনানোর জন্য
২২ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ৯:০৭
মুকুল বলেছেন: ধন্যবাদ প্রণব...
৬|
২২ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ৯:০৭
ফয়সল নোই বলেছেন: ভালো।আমার বাড়ি ভোলা।ঐ একই কথা হলো আমিও নোয়াখাইল্লাই![]()
২২ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ৯:০৯
মুকুল বলেছেন: আসেন কোলাকুলি করি ![]()
ভোলা গিয়েছিলাম গত বছর। চর কুকরিমুকরিও ঘুরে এসেছি। সুন্দর জায়গা।
৭|
২২ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ৯:১৩
ফয়সল নোই বলেছেন: আরে চর কুকরিমুকরি যাইতে আমার বাড়ি থেকে ৫টাকা গাড়ি ভাড়া+২০ টাকা ট্রলার ভাড়া।আমরা ছোড কালে এমন কি বড় কালেও হরিণ দেখতে যাইতাম!
আবার আপনি গেলে লইয়া যাইয়েন!রাশুরেও সঙ্গে নিয়েন!
২২ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ৯:১৫
মুকুল বলেছেন: ঠিক আছে। পরের বার গেলে আপনার বাড়ীতে যাবো। দাওয়াত যখন দিয়েছেন, না করি কি করে! ![]()
৮|
২২ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ৯:১৫
ত্যান্দর বলেছেন: মুকুল ভাই, ভাল লাগল আপনার পোষ্ট। গত বছর আমি নোয়াখালী গিয়েছিলাম, আমার ছোটভাই নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ে,ওকে ভর্তি করতে। তখন আমারো কথাটা মনে এসেছে। এখন সব পরিষ্কার হল।
কিন্তু পুরোনো শহরের স্হানটা ম্যাপে চিহ্নিত করে দিরে আরো ভাল হতো
দেখেন না দেয়া যায় কিনা।
২২ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ৯:১৭
মুকুল বলেছেন: আপনার ছোট ভাই বুঝি প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ে! ![]()
ওদের বিশ্ববিদ্যালয় যেখানে, সেটাও এক সময় নদীগর্ভে ছিলো। সোনাপুরের দক্ষিণ দিকে পুরোটাই পরবর্তীতে নদীগর্ভ থেকে জেগে উঠেছে।
৯|
২২ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ৯:২১
ত্যান্দর বলেছেন: বলেন কী? কিন্তু দেখেতো তেমন মনে হয়নি! কত বছর আগে চর জেগেছিল? আর অমন একটা জায়গায় বিশ্ববিদ্যালয় করলো সেখানে আবার যদি ভাঙে!!
পুরোনো শহরের স্হানটা ম্যাপে চিহ্নিত করে দিরে আরো ভাল হতো
দেখেন না দেয়া যায় কিনা।
২২ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ৯:২৩
মুকুল বলেছেন: এই ম্যাপটাতো ছোট। চিহ্নিত করা কঠিন কাজ। তবে দেখবেন, সুধারাম , খাসের হাটা লেখা জায়গাটুকুর বেশির ভাগই নদীগর্ভ থেকে উঠে আসা।
১০|
২২ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ৯:১৯
শফিউল আলম ইমন বলেছেন: মুকুলদা আপনার চমৎকার লেখনিতে নোয়াখালীকে দেখলাম এবং অনেক অজানা তথ্যও জানতে পারলাম। ধন্যবাদ আপনাকে।
ভালো থাকুন।
২২ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ৯:২০
মুকুল বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ ইমন। ভালো থাকুন। শুভেচ্ছা।
১১|
২২ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ৯:৩২
তাসু বলেছেন: হ্যাঁ ভাই, আমি হাতিয়ার। আমি নোয়াখালী শহরের ভাংগন দেখিনি। কিন্তু আমি ৫০/৬০ একরের আমার ফুফু বাড়ী হাতিয়াতে ভেংগে যেতে দেখেছি। সে ভেংগে যাওয়ার স্মৃতি এখনো ফুফুকে কাঁদায়। এর চেয়ে কত বড় বড় বাড়ীই যে হাতিয়াতে ভেংগে গেছে। বলা যায় হাতিয়ার সমৃদ্ধ অংশটাই ভেংগে গেছে।
২২ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ৯:৫০
মুকুল বলেছেন: হাতিয়ায় এমন কোন পরিবার খুঁজে পাওয়া কষ্টকর, যারা ২/৩ ভাঙনের শিকার হয় নি। এখনো ভাঙছে। যার ভাঙে আসলে সেই বোঝে কষ্টটা...
১২|
২২ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ৯:৫৩
নিবেদীতা বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ মুকুল।
কেমন আছেন?
২২ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ৯:৫৫
মুকুল বলেছেন: ধন্যবাদ নিবেদীতা, ভালো আছি। আপনি কেমন? নতুন লিখেছেন কিছু? দাঁড়ান আপনার ব্লগ ঘুরে আসছি। ![]()
১৩|
২২ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ৯:৫৩
মনিটর বলেছেন: এই পোস্ট হল আসল কম্যুনিটি ব্লগিং । +
২২ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ৯:৫৫
মুকুল বলেছেন: ধন্যবাদ মনিটর ভাই। প্রেরণা দেয়ার জন্য ভালো লাগছে। ![]()
১৪|
২২ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ৯:৫৬
স্করপিয়ন্স বলেছেন:
জানলাম
২২ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ৯:৫৯
মুকুল বলেছেন: ![]()
১৫|
২২ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ৯:৫৬
সততার আলো বলেছেন: ভাল লাগল। কারন আমার বাড়ি ফেনী। আর মাইজদিতে আমি জীবনের প্রথম কয়েক মাস ছিলাম। টিকাগুলো সব ওখানেই দিয়েছি।
২২ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ১০:০০
মুকুল বলেছেন: আচ্ছা
১৬|
২২ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ১০:০১
মুকুল বলেছেন: সম্প্রতি ব্যান হওয়া একজন মনের দূঃখে আরেকটি নিকে এসে মাইনাস দিয়ে গেলো ![]()
১৭|
২২ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ১০:০৭
সাইফুর বলেছেন: গুড পোষ্ট
আন্গো বাড়ি নোয়াখালি
২২ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ১০:০৯
মুকুল বলেছেন: তোমারে কৈছে!!! ![]()
১৮|
২২ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ১০:০৯
বিহঙ্গ বলেছেন: মুকুল ভাই,
আপনার প্রতি অনেক অনেক শ্রদ্ধা।
খুব সুন্দর পোস্ট দিয়েছেন। অনেক কিছু জানা হলো।
২২ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ১০:১০
মুকুল বলেছেন: ধন্যবাদ বিহংগ ভাই। ভালো থাকবেন। শুভেচ্ছা।
(
১৯|
২২ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ১০:১৪
রাগিব বলেছেন: মুকুল ভাই, ধন্যবাদ আপনাকে তথ্য জানানোর জন্য।
স্কুলে পড়ার সময়ে একটা উপন্যাসে প্রথম পড়ি নোয়াখালী শহর নদীর ভাঙনে তলিয়ে যাওয়ার কথা। বিশ্বাস করতে পারিনি এই রকম ঘটনা ঘটতে পারে ... আপনার কাছ থেকে বিস্তারিত জেনে ভালো লাগলো।
নোয়াখালী খাল থেকেই না এলাকার নাম হয়েছে নোয়াখালী? (নয়া খাল ->নোয়াখালী)। ওটা কে কাটিয়েছিলো ও কেনো, তা জানেন?
আপনার লেখাটার কিছু অংশ কি বাংলা উইকিপিডিয়াতে দেয়া যাবে? আপনি নিজে যোগ করতে পারেন, বা আমি যোগ করে সম্পাদনা সারাংশে কৃতজ্ঞতা স্বীকার করে নিতে পারি।
২২ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ১০:১৯
মুকুল বলেছেন: রাগিব ভাই, কৃতজ্ঞতা।
আপনি ঠিকই ধরেছেন। নোয়াখালী খাল থেকেই এই নামকরণ। বিস্তারিত পরে হয়তো লিখবো।
বাংলা উইকিপিডিয়াতে অবশ্যই যোগ করতে পারেন। আমি সম্পাদনা করতে ভয় পাই। ![]()
আমি চাই একটি জ্ঞানভিত্তিক পৃথিবী। উইকিপিডিয়া সেই স্বপ্নের একটা সিঁড়ি...
২০|
২২ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ১০:১৫
রাতিফ বলেছেন: মুকুল ভাই, অনেক ধন্যবাদ...।নিজের শেকড় সম্পর্কে অনেক কিছু জানতে পারলাম.........।খুব ভালো লাগলো।
২২ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ১০:২১
মুকুল বলেছেন: ধন্যবাদ রাতিফ ![]()
২১|
২২ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ১০:৩৪
ভাস্কর চৌধুরী বলেছেন:
+
২০০৬ এ আমি আর আমার সাথে দৈনিক দিনকালের (ব্লগের ) শেখ রহিম একটি রিপোর্টিং এর জন্য নোয়াখালি গিয়েছিলাম। হাতে তেমন একটা সময় না থাকার কারণে শুধুমাত্র নোয়াখালী পৌরসভা চেয়ারম্যানের সাথে দেখা হয়। তেমন একটা জায়গা ঘুরতে পারিনি। মুকুল ভাই আবার আসবো আপনার এলাকাতে...........!
লেখাতে নোয়াখালী জেলার অনেক অজানা তথ্যই জানা হল; ধন্যবাদ মুকুল ভাই তথ্যসমৃদ্ধ এ লেখাটি দেওয়ার জন্য।
২২ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ১০:৩৬
মুকুল বলেছেন: ধন্যবাদ। নোয়াখালী আসলে আশা করি দেখা হবে।
২২|
২২ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ১১:২৬
কাল্বেলা বলেছেন:
অনেক কিছু জানতে পারলাম। +
২২ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ১১:৩৩
মুকুল বলেছেন: পড়ার জন্য ধন্যবাদ প্রিয় কালবেলা ![]()
২৩|
২৪ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ২:৪০
সুনীল সমুদ্র বলেছেন:
অনেক অজানা তথ্য জানা গেল।
আমিও একবার নোয়াখালী যেতে আগ্রহী।
মুকুল কী দাওয়াত দেবে?
২৪ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ১০:৫৭
মুকুল বলেছেন: আবার জিগায়!!! কবে আসতেছেন জানিয়ে আমারে ফোন দিয়েন। ফোন নাম্বার মেইলই পেয়ে যাবেন। ![]()
২৪|
২৪ শে মার্চ, ২০০৮ ভোর ৫:১৬
রাগিব বলেছেন: কৃতজ্ঞতাপ্রকাশপূর্বক ও উৎস হিসাবে এই ব্লগের লিংক দিয়ে বাংলা উইকিপিডিয়াতে এটা যোগ করলাম। Click This Link
আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।
২৪ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ১০:৫৮
মুকুল বলেছেন: রাগিব ভাই, কি বলবো আর!! শুধু কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। ভালো থাকবেন। খুব ভালো। শুভেচ্ছা।
২৫|
২৪ শে মার্চ, ২০০৮ ভোর ৫:৩৪
বোঘদাদি হেকিম বলেছেন: মাইজদি জেলা শহর আমি জানতাম না। ভাইজান সোনগাজী চিনেন নাকি?
২৪ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ১০:৫৮
মুকুল বলেছেন: সোনাগাজী চিনি। একবার গিয়েছিলাম। জিজ্ঞেস করলেন কেন?
২৬|
২৫ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ১২:০২
মৈথুনানন্দ বলেছেন: নোয়াখালি জিলার নাম নোয়াখালি হলো কেন?
২৫ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ১০:৩০
মুকুল বলেছেন: নোয়াখালি খাল থেকে নামটা এসেছে
২৭|
২৬ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ৮:২৭
মৈথুনানন্দ বলেছেন: নোয়াখালি খালের নাম নোয়াখালি হলো কেন? ![]()
২৬ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ৮:৩২
মুকুল বলেছেন: স্যরি, আসলে হবে "নয়া খাল" থেকে। নোয়াখালীতে নতুন একটা খাল কাটা হয়েছিলো। নতুন খাল> নয়া খাল> নোয়াখালী। ![]()
২৮|
২৬ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ৮:৪২
মৈথুনানন্দ বলেছেন: ছি: ছি: এসব কি ছবি!!! সানগ্লাস ছাড়া এগুলোর দিকে তাকানো উচিৎ না!!!
তোমার এই মন্তব্যের উত্তরে জানাই :
বৎস মুকুল - আমি তোমার জন্যে ইশপিশাল অর্ডার দিয়ে সাদা সান-গ্ল্যাস তয়ের করে নে' যাবো যখন ঢাকা আসবো অখন। আগেই বলেছি। ওসব ছবি সাদা সান-গ্ল্যাস পড়ে দেখার মজাই আলাদা, আর শুধু সাদা রঙেরই রোদ-চশমা পড়ে দেখার নিয়ম ওসব, না হলে ছবির শানে-নুজুল বুঝিতে পারিবেক না! ![]()
২৬ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ৮:৪৪
মুকুল বলেছেন: আমি অনভিজ্ঞ মানুষ গুরু। এই কথাটা দেখি বিশ্বাস করানোটা কষ্টকর! ![]()
আমি খুবই ভালো ছেলে! ![]()
২৯|
২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৪:৫০
ফারহান দাউদ বলেছেন: পইড়া গেলাম,তারমানে শহর ছিল,এখন নাই,আমি তো ভাবতাম শহরটাই ছিল না।
২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সকাল ৯:৩১
মুকুল বলেছেন: হু ম ম ![]()
৩০|
২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৪:৫৪
পারভেজ বলেছেন: ধন্যবাদ। অজানা কিছু জানা হলো।
২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সকাল ৯:৩২
মুকুল বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ।
©somewhere in net ltd.
১|
২২ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ৮:৫৫
রাশেদ বলেছেন: থ্যাঙ্কস অজানা কিছু জানাবার জন্য।