নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

শেরপা

দেখতে চাই ধরনী

মুনতাসির

আমি পাহাড়ে চড়ি,সাগরে ডুবি, পৃথিবী আমার প্রেম

মুনতাসির › বিস্তারিত পোস্টঃ

জাকাত ফর আমেরিকানস\'

০৭ ই জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ৮:৫৯

আমরা যারা বাংলাদেশে থাকি - আমাদের চোখে আমেরিকায় বসবাসকারী বাঙালিরা সবসময় একটা স্বপ্নের চরিত্র। কল্পনায় দেখি সকালে স্টারবাক্সের কফি হাতে, লেটেস্ট আইফোন কানে, আর ডিনারে শিকাগোর ডিপ-ডিশ পিজা চিবোচ্ছেন। আহা, কী আরামের জীবন! আমরা তো ভাবি, ওদের দেখে আমাদের দেশের গরিবরা পর্যন্ত ঈর্ষায় জাকাত দিতে ভুলে যায়।

কিন্তু হঠাৎ একটা খবর শুনলাম, আমেরিকায় বাঙালি পরিবারের ৫৪% নাকি সরকারি সাহায্যের উপর নির্ভরশীল! অবাক হয়ে গেলাম। কস কি মমিন! বাংলাদেশের অর্থনীতি পর্যন্ত কয়েক সেকেন্ডের জন্য থমকে দাঁড়ালো, যেন বলছে, "কোথা থেকে এলো ?"

বন্ধু মহলে আলাপ - তাহলে এবার থেকে আমরা জাকাত কি আমেরিকায় পাঠাবো?" আরেকজন তৎক্ষণাৎ সমর্থন করল, "অবশ্যই! ওরাই তো এখন প্রকৃত eligible recipien। need-based aid নিচ্ছেন, কাগজপত্রে প্রমাণিত!"

প্রথমে সবাই হাসতে হাসতে গড়াগড়ি। কিন্তু তারপর একজন ধর্মভীরু বন্ধু গম্ভীর হয়ে, "দেখো, জাকাতের ফিকহে তো স্পষ্ট বলা আছে - যে সত্যিই প্রয়োজনে আছে, তাকে দান করা জায়েজ, বরং সওয়াবের কাজ। নিউ ইয়র্কের কোনো বাঙালি যদি রেন্ট, গ্রোসারি আর মেডিকেল বিলের চাপে struggling করে, তাহলে তাকে সাহায্য করলে কী সমস্যা?"

ঠিক বলেছেন! তাহলে আমেরিকার বাঙালিদের জাকাত নেওয়া হালাল, আর আমাদের পাঠানো অন্তত social responsibility তো বটেই!
সবাই একমত হলাম যে, বিশ্বায়নের এই যুগে দান-খয়রাতও গ্লোবাল হওয়া উচিত। দেশে থাকলে দেশের গরিবকে দাও, বিদেশে থাকলে যে সত্যিই প্রয়োজনে আছে - তাকে দাও। সে লস অ্যাঞ্জেলেসের কোনো অ্যাপার্টমেন্টে থাকুক বা লালমনিরহাটের কোনো টিনের ঘরে। প্রয়োজনের সীমানা তো আর পাসপোর্টের স্ট্যাম্প মানে না!

তো, রমজানে জাকাতের লিস্টে নতুন এন্ট্রি যোগ করবেন তো? "New York Bengali Relief"

কী বলেন, আপনারও কি এমন কোনো 'আরামী' আত্মীয় আছে যার জন্য জাকাত রিজার্ভ করবেন?

মন্তব্য ৪ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (৪) মন্তব্য লিখুন

১| ০৭ ই জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১১:০২

কলাবাগান১ বলেছেন: ভারতীয়রা অলমোস্ট ০% আমেরিকার সরকারী দান-খয়রাত এর উপর নির্ভর করে....ওরা পড়ালিখা করে..আমেরিকাতে হাঊজ হোল্ড ইনকাম সবার উপরে..এটাই পড়ালিখার গুন...ধর্মের জজবা করে না.........নিউ ইয়র্ক এর সোশাল ফান্ড নিয়ে যে কি দূর্নীতি করছে বাংলাদেশিরা, সেটা ইদানিং কার সোমালিয়ার ডে-কেয়ার স্ক্যান্ডাল থেকেও বড় হবে। নিজের বয়স্ক বাবা-মা দের সেবার নামে যা চলছে সেটা কে সেবা না বলে বাবা-মাকে দেখিয়ে দুই নম্বরী ব্যবসা চলছে... মনে হয় বাবা-মায়েরা এটিএম মেশিন। আর মর্টগেজ ফ্রডের কথা আর নাই বললাম.....।এদেশে এসেছ, এদের সাথে মিশে যাও, পড়ালিখা কর, তা না করে কিভাবে চার্চ কিনে মসজিদ বানাবে সেই কাজেই ব্যস্ত বেশী...........। ট্রাম্প যে লিস্ট আজ প্রকাশ করেছে, মান সন্মান ধুলায় মিশায়ে দিয়েছে বাংলাদেশীদের

০৭ ই জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১১:২০

মুনতাসির বলেছেন: যথার্থ্ই বলেছেন । আমরা যে কি ধরনের স্ক্যামার সেটা আমেরিকায় না দেখলে ব্শ্বিাস করতাম না। ট্যাক্স না দিয়ে গরীবনা দেখিয়ে টাকা খাওয়া নিত্য ব্যপার। অদ্ভুত এদের বেশির ভাগেরই বাংলাদেশে দালান কোটা আছে।

২| ০৭ ই জানুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ১২:০০

কলাবাগান১ বলেছেন: সিএনএন এর ওয়েব সাইটে এই মাত্র্র দেখলাম, ৫টি স্টেট (যার মাঝে নিউইর্য়ক আছে), সকল সোশাল ভাতা আপাতত বন্ধ রাখা হচ্ছে ফ্রড ইনভেস্টেগেশন এর জন্য.....নিউইয়র্ক এর বেশ কিছু বাংলাদেশীদের চিনি, বেশীর ভাগই নানা রকম ধান্দা করে খাচ্ছে...সঠিক পথে উপার্জন করা টা ভুলেই গেছে... শুধু ফাক ফোকর খুজে কিভাবে ....এসব এর জন্য যারা আসলেই নিডি, তারাই এখন সাফার করবে

৩| ০৭ ই জানুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৪:৪৬

রাজীব নুর বলেছেন: টাকা না থাকলে পৃথিবীর কোনো দেশেই শান্তি থাকে না।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.