| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
গতকাল রাতে বাসে করে বাড়ি ফিরছি। ঢাকার বাস একটা চলমান টকশো। টিকিট একটাই, কিন্তু বিষয়বস্তু ফ্রি।
সামনের সিটে বসা দুই ভদ্রলোক এমনভাবে কথা বলছিলেন, মনে হচ্ছিল তারা নির্বাচন কমিশনের বিশেষ উপদেষ্টা। বিষয় ঢাকার সাম্প্রতিক নির্বাচন।
একজন বললেন, “পাচ হাজার (৪,৩৯৯) ভোটে জেতা মানে কী? এটা কি ল্যান্ডস্লাইড, না ল্যান্ডস্লিপ?”
আমি চুপচাপ কানে হেডফোন গুঁজে রাখলেও গান চালাইনি। কারণ লাইভ বিতর্ক আরও ইন্টারেস্টিং।
কথাটা ঘুরে এলো আমাদের বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর এর দিকে। ঢাকার আসনে তিনি জিতেছেন আনুমানিক ৪,৩৯৯ ভোটের ব্যবধানে। সংখ্যাটা ছোট না। কিন্তু খুব বড়ও না। বিশেষ করে যদি প্রার্থী হন জাতীয় রাজনীতির ভারী ওজনের কেউ।
ভদ্রলোকের যুক্তি ছিল সহজ “ঢাকায় লাখ লাখ ভোটার। সেখানে চার হাজার চারশ নিরানব্বই ভোট মানে কী? এটা কি ঢেউ, না হালকা বাতাস?”
অন্যজন একটু কৌশলী। তিনি বললেন, “জয় তো জয়। গোল একটাও হোক বা চারটা স্কোরবোর্ডে জেতাই লেখা থাকে।”
আমি মনে মনে ভাবলাম হ্যাঁ, কিন্তু ফুটবলে এক গোলে জেতা আর চার গোলে জেতার অনুভূতি আলাদা। একটাতে বুক ধড়ফড় করে শেষ মিনিট পর্যন্ত। অন্যটাতে দর্শক আগেই রিল্যাক্স করে। ৪,৩৯৯ ভোটের জয় সেই শেষ মিনিটের ম্যাচের মতো। উল্লাস আছে, কিন্তু ঘামও আছে। এটা এমন এক ব্যবধান, যা বলে আপনি জনপ্রিয়, কিন্তু অপ্রতিদ্বন্দ্বী নন। আপনি এগিয়ে, কিন্তু খুব দূরে না। তাহলে কি এই জয়ের একটি অংশ এসেছে ঐতিহ্যগত প্রতিপক্ষের ভোট থেকে? তাহলে কি নতুন বা নিরপেক্ষ ভোটাররা খুব বড় আকারে সরে আসেননি?
বাসটা যখন আমার স্টপেজে পৌঁছাল, তখনো তাদের তর্ক শেষ হয়নি।
কিন্তু আমি নেমে আসতে আসতে ভাবছিলাম এমন গল্প কি আগে জোড় গলায় কেউ করেছেণ বা করতে পেরেছেন?
১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১০:৪২
মুনতাসির বলেছেন: নাম্বারটা কিসের সাথে যেন মিলে গেল!
২|
১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১১:২৫
রাজীব নুর বলেছেন: ভাইসাহেব, আমি শুধু বলব রহমতের মাসে শয়তান বিদায় নিয়েছে।
©somewhere in net ltd.
১|
১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১০:০৯
কলাবাগান১ বলেছেন: দারিদ্র্যকে যাদুঘরে পাঠানোর কারিগর:
আন্তর্জাতিক সংস্থা বিশ্বব্যাংকের হিসাবে প্রায় ৩০ লাখ নতুন দরিদ্র্য হয়েছে ড. ইউনূসের আমলে।