নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

জ্ঞান মনের জানালা খুলে দায় এবং সেই খোলা জানালা দিয়ে না জানা বিষয় গুলো দেখি যা বাংলাদেশের সীমা ছাড়িয়ে সারা পৃথিবী দেখতে সাহায্য করে ।

এইচ এন নার্গিস

আমি একজন লেখক, সমাজ কর্মি , মা এবং মুক্তিযোদ্ধা

এইচ এন নার্গিস › বিস্তারিত পোস্টঃ

"আয়েশা খাতুন" দের গ্রামীণ জীবন । "নারী ক্ষমতায়ন" নিয়ে কিছু কথা

১১ ই ডিসেম্বর, ২০২৫ রাত ১:১৯

নারী ক্ষমতায়ন নিয়ে কিছু কথা
 
শহরের  আবহে বড়ো হওয়া রীতার,   গ্রামীণ জীবন কেমন তা খুব কাছ থেকে এবং ভিতরে প্রবেশ করে জানার সুযোগ হয় ।
বাইরে থেকে আমরা জানি সুজলা সুফলা শস্য শ্যামলা সুন্দর দৃশ্যে ভরা একটা মোহময় জীবন। কিন্তু কজন খোঁজ রাখে কি ভাবে চলে এর  মেকানিজম।এই সুন্দর দৃশ্যের আড়ালে লুকিয়ে আছে কতো  দুঃখ  বেদনা আর কষ্ট আর যার বেশির ভাগেই মেয়েদের কপালে।
"কোন রণে কত খুন দিলো নর লেখা আছে ইতিহাসে, কত নারী দিলো সিঁথির সিঁদুর লেখা নাই তার পাশে " । অর্থাৎ মেয়েদের শ্রম দিয়ে এখানে পুরুষরা সম্পত্তি করে নাম হয় পুরুষটার নারীর নয়।
এই বাড়িতে আসার পর আস্তে আস্তে তাদের স্বভাব আর আচরণের ঝাঁপি উন্মোচন হতে থাকে। ইউনিভারসিটি শেষ করা রীতা  এভাবেই  বড়ো হয়েছে যে  সে একদিন  চাকুরী করবে। বাবা এমন ভাবেই  তারা কে বড়ো করেছে।
সাধারণত দেখা যায় একটা মেয়েকে শাশুড়ী  জ্বালায় কিন্তু এখানে শ্বশুর ব্যাক্তিটি কে মনে হচ্ছে কন্ট্রোলিং ।  বেচারা শাশুড়ী  মা যেন জীবন্ত একটি  সেবা দাসী।  দেখতে দেখতে শাশুড়ি মা তার খুব ঘনিস্ট হয়ে উঠলো । রীতাও তার খুব কাছের হয়ে গেল ।রীতার কাছে জীবনের গল্পের এটা ওটা নানান সময়ে ঘটা বিষয় গুলো তিনি অকপটে বলতে  থাকেন  ।
রীতা জানতে পারে এখানে ঘটে চলেছে কার্ল মার্ক্সের শোষণ সূত্রের থিওরী  ।
এক শ্রেণীর শোষণ করা শ্রম দিয়ে উৎপাদন হয় , যার কোন বিনিময় মূল্য সে  প্রয়োজনেও পায় না।   আর একজন সম্পদের পাহাড় গড়ে। 
যেন মনে হয় সবই  কর্তার   একার কৃতিত্ব এবং তার একক  পরিশ্রমের ফল । জমি জমা যতো আছে তার নামে সব কেনা।ফল স্বরূপ তার ক্ষমতাও অসীম। আর শাশুড়ি মার হাতে সারা জীবন একটি টাকাও আসে নাই। তার স্বাদ আহ্লাদ নাই। খরচ করার খমতাও নাই।
 এর  পেছনে যে আর একজন খাটছে সেটা  উল্লেখ হয় না এবং তার বিনিময় মূল্যও পায়না । 
মেয়েটির অসুখে চিকিৎসা খরচ হয় না। জীবনের বেসিক প্রয়োজনীয় জিনিস যেমন কাপড় বা শাড়ি যা দায় তা  নিয়েই কৃতার্থ হতে হয়।
তার উপর যে রোলার কস্টার চালানো হচ্ছে সেটা  রীতার উপরও  চালানোর পরিকল্পনা করেছিল শ্বশুর আব্বা ।
  ছলে বলে কৌশলে,মাঝে মাঝে চেঁচামেচি করে,খারাপ ব্যাবহার করে   রীতাকে অনেকবার কর্ণ গোচর করিয়ে ছিল,  ' উপার্জন করে সব টাকা স্বামীর হাতে দিতে হবে। তোমার টাকা তোমার নয় ,তোমার পরিশ্রম লব্ধ টাকা  আমাদের।কারন ছেলের টাকা দিয়ে তিনি অনেক জমি কিনেছেন এবং সেটা  তিনি চালিয়ে যেতে চান।   
 এটা তো দেখছি রীতিমত ডাকাতি।"রাজার হস্ত করে সমস্ত কাঙ্গালের ধন চুরি" ।
"জুলুমের কালে তুমি যদি নিরেপেক্ষ থাকো তাহলে তুমি জালিমের পক্ষেই নিয়েছ" আর্চবিশপ ডেসমন্ট টুটু
এর প্রতিবাদ করার সময় রীতার শাশুড়ি রীতার দিকে হয়েছিলো । সাহস দিয়ে ছিলেন  তিনিই ।পায়ের তলে মাটি পেয়ে ছিল রীতা। একজন তার পক্ষে আছে।
রীতার  যে চাকুরী  তা  একটি  ইন্টার ন্যাসান্যাল ওমেন অরগানাইজেসানে । পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানে তাকে মিটিং এ  যেতে হয় ।
লন্ডন আন্ডার গ্রাউন্ডের  পিকাডেলি লাইন ধরে তাড়াতাড়ী আজকে রীতাকে  যেতে হবে ওয়েস্টেমিনিস্টার টাউন হলে।  প্রেজেনটেসান করতে হবে বিরাট এক গ্রুপের সামনে। 
ফ্লিপ চার্ট দিয়ে বোঝাতে হবে তার কাজের ধরন এবং অগ্রগতি । 
মেয়েরা কতখানি ভুক্তভোগী এইসব । তার সেই প্রেজেনটেসানে রীতা  যে যে মেয়েদের কে  রোল মডেল মনে করে উল্লেখ করেছিল, মেয়েদের এগিয়ে নেয়ার জন্য সাহস দেয়ার জন্য ,সেই লিস্টে সেদিন রীতা তার শাশুড়ির কথা উল্লেখ করে ছিল।
 শুধু অত্যাচারিত হওয়ার কথা নয় তার সাপোর্টের কথাটিও । লিস্টে থাকা নারীরা ছিল প্যাঙ্কহ্রাস্ট (Emmeline Pankhurst), Emily Davison, Epsom Derby, Margaret Benston, Maria Mies আর তার শাশুড়ি।
গ্রামে  গঞ্জে বাড়িতে বাড়িতে নারীর ক্ষমতায়নের জন্য দায়িত্ব পেয়ে রীতা আজ একজন পরিচিত ব্যাক্তিত্ব  । মেয়েরা তাকে সমীহ করে। রীতার কাজ এখন চিন্তায় চেতনায় কি ভাবে পৃথিবীর সব নারীকে অসহায় অবস্থা থেকে তুলে আনা ।
নারীর ক্ষমতায়ন
শক্তিশালী অর্থনীতি গোড়তে হলে দরকার সবার  অংশ গ্রহণ । যা মেয়েদের বাদ দিয়ে সম্ভব নয়।তাই প্রত্যেকটি সেক্টরে মেয়েরাকে ইনভল্ব হতে হবে । অংশ গ্রহণ করতে হবে কাজে ।  যাকিনা একজন মেয়েকে আত্মবিশ্বাসী করে এগিয়ে যেতে সাহায্য করে। নারীর ক্ষমতায়ন রাজনীতিতে ,অর্থনীতিতে  এবং সমাজে এক বিরাট ভূমিকা রাখে।
সন্তান লালন পালন এবং বড়ো করার দায়িত্ব স্বামী স্ত্রী উভয়ের । এই দায়িত্ব দুজনকেই ভাগাভাগি করে নিতে হবে।এবং দুজনকেই ইনকাম করতে হবে।
পৃথিবীর অনেক দেশেই নারীর জীবন ঝুঁকি পুর্ন কারন সুস্বাস্থ্য এবং মানসিক স্বাস্থ্য ঠিক রাখার ক্ষমতা তাদের হাতে নাই।
বেশির ভাগ দেশে নারী পুরুষের চেয়ে শিক্ষায় পিছিয়ে। এমনকি তাদের ফর্মাল এডুকেসানও নাই । মেয়েদের যে সক্ষমতা আছে, জ্ঞান আছে, তা অনেক সময় রেকগনাইজও  করা হয়না।
সময় এসেছে এই সব স্থান গুলো রিকগনাইজ করা এবং তার পরিবর্তনের । দরকার নুতুন পলিসি প্রনয়ন এবং প্রোগ্রামের ধারা পরিবর্তনের। যা দিয়ে একজন নারী ঘরে এবং বাইরের জগতে সমান ভাবে অংশ গ্রহণ করতে পারে। যার জন্য দরকার ম্যাস কমুনিকেসান ।
'Everyone has the right to education'
৪০ বছর আগে ইউনাইটেড ন্যাসান থেকে এই ঘোষণা আসে।
অভিজ্ঞতা থেকে  দেখা গেছে একটা দেশের উন্নতির জন্য একটা অংশকে বাদ দিয়ে সম্ভব নয়। শিক্ষাই  হল সবচেয়ে গুরুত্ব পূর্ণ বিষয় যা দিয়ে নারীকে ক্ষমতায়ন করা সম্ভব। যা দ্বারা একজন নারীর জ্ঞান,  কর্ম দক্ষতা, এবং আত্মবিশ্বাসবৃদ্ধি পায়।
১৯৯০ সালে থাইল্যান্ডে অনুষ্ঠিত 'ওয়ার্ল্ড কনফারেন্স' এর মিটিঙে সমস্ত দেশের প্রধানরা একমত হয় এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে 'সবার জন্য শিক্ষা' এই ব্যাবস্থা কার্জকরী করার জন্য নীতি নির্ধারণ করার।
সারা বিশ্বে ৯৬০ মিলিয়ন অক্ষর জ্ঞান হীন মানুষ আছে তার  তিন ভাগ্যের দুই  ভাগ নারী। তিন ভাগের এক ভাগ বয়স্ক মানুষ যাদের কোন অক্ষর জ্ঞান নাই এবং তার বেশির ভাগ বয়স্ক নারী। ১৩০ মিলিয়ন ছেলেমেয়ে যারা কিনা প্রাথমিক স্কুলেও যায়নি। তার ৭০% মেয়ে শিশু।
ইউনাইটেড ন্যাসান দ্বারা শিক্ষা বিস্তারের জন্য রেগুলেসান পাস যা প্রত্যেক দেশ কে মানতে হবেঃ
১) যতো শীঘ্র সম্ভব নারী পুরুষের ব্যাবধান দূর করার পলিসি গ্রহণ করে নারীর শিক্ষার ব্যাবস্থা করা।
২) সরকারকে নুতুন মেকানিজমের ব্যাবস্থা করে মেয়েকে সমান সুযোগের ব্যাবস্থা দিয়ে সব ধরনের রাজনৈতিক কর্ম কাণ্ড,সমাজ এবং পাবলিক জীবনে অংশ গ্রহণের ব্যাবস্থা করতে হবে এবং নারীর সচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে তাতে অংশ গ্রহণের জন্য।
৩) নারীর যে যোগ্যতা আছে তাকে জাগ্রত করতে হবে এবং তাদের শিক্ষা বিস্তার স্কুলের উন্নয়ন এবং কাজে যোগদানের ব্যাবস্থা করে তারাকে উপার্জন ক্ষম বানাতে হবে। যা দিয়ে একজন নারী অজ্ঞতা দূর করে অক্ষর জ্ঞান সম্পন্ন হয়ে দুর্বলতা আর  দুরভ্যগ্য থেকে রক্ষা পাবে।
৪) একজন নারীকে ডিসক্রিমিনেসানের হাত থেকে রক্ষা করার জন্য যতো রকমের চর্চা আছে সমাজে সে গুলো বন্ধ করতে হবে।
৫) নারীর ইনকাম বৃদ্ধি করার জন্য পলিসি গ্রহণ করতে হবে। যাতে তারা সক্ষমতা বৃদ্ধি করে শক্তিশালী হতে পারে।
৬) সোশ্যাল সিকিউরিটি সিস্টেম থাকতে হবে।
৭) চাকুরী দাতার ডিসক্রিমিনেসান বন্ধ করতে হবে
৮) এনন আইন থাকতে হবে যাতে তারা বাচ্চা জন্মদানের সময় এবং শিশু বয়েসে লালন পালন করার সময় পায়।
৯) পরিবার পরিকল্পনার ব্যাবস্থাদি হাতের নাগালে আনতে হবে।
১০) নারী নির্যাতন বন্ধ্যে  কঠোর আইন পাস সহ বিনাপয়সায় আইনি সেবা থাকতে হবে।
১১) স্কুল,  ক্লিনিক , সেবা প্রতিস্টান,  হসপিটালে   লিফলেট  রাখতে হবে । প্রচুর প্রচারণা চালাতে হবে  মিডিয়ার ব্যাবহার  দিয়ে।
রীতা যখন প্রচার চালায় তখন সে বেস কিছু তার প্রিয় স্লোগান ব্যাবহার করে আর তা হলঃ ১) মেয়েরা শিক্ষিত হলে দেশ আলোকিত হয়।২) মেয়ের জন্ম হয় তাকে সন্মান দেয়ার জন্য ধর্ষণ করার জন্য নয়। ৩) হাসিখুশি মেয়ে মানে হাসি খুশি পরিবার ৪) একজন নারী শিক্ষিত হলে ভীত হয়না ৫) একটা দেশের নারীরা যখন শক্তিশালী তার মানে সেই দেশ টাই শক্তিশালী ।
রীতা পরিপূর্ণতা পায় যখন নারীকে ক্ষমতায়নের জন্য সে কিছু করতে পারে।
লেখক ও গবেষকঃ হুসনুন নাহার নার্গিস , নারী ও শিশু অধিকার কর্মি ,লন্ডন।
 

মন্তব্য ২ টি রেটিং +১/-০

মন্তব্য (২) মন্তব্য লিখুন

১| ১৪ ই ডিসেম্বর, ২০২৫ রাত ৯:৫২

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:



"আয়েশা খাতুন" দের গ্রামীণ জীবন । "নারী ক্ষমতায়ন" নিয়ে কথামালায় বেশ কিছু গুরুত্বপুর্ণ দিক উঠেছে ।

বাংলাদেশে নারীর সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক সমঅধিকার প্রতিষ্ঠার একটি বিশ্লেষণী কাঠামো প্রদান
করেছে লেখাটি । বাংলাদেশে গ্রামীণ নারীদের ক্ষমতায়নের ক্ষেত্রে স্থানীয় সংস্কৃতি, অর্থনৈতিক বাস্তবতা ও সামাজিক
কাঠামোর প্রতি সংবেদনশীল হওয়া জরুরি।

বলাই যায় লিবারাল ফেমিনিজমের আলোকে গ্রামীণ নারীদের জন্য শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, আইনি সহায়তা ও কর্মসংস্থানে
সমান সুযোগ নিশ্চিত করা প্রয়োজন। প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষায় মেয়েদের ঝরে পড়া রোধ, বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ এবং উত্তরাধিকার ও সম্পত্তির অধিকার বাস্তবায়ন একটি গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা।

সোশ্যালিস্ট ফেমিনিজম এর দৃস্টিতেও গ্রামীণ নারীর শ্রমকে যথা গৃহকর্ম ও কৃষিশ্রম প্রভৃতিতে স্বীকৃতি দেওয়ার ওপর
জোর দেয়। ক্ষুদ্রঋণ, সমবায় ব্যবস্থা, নারীকেন্দ্রিক কৃষি উদ্যোগ এবং ন্যায্য মজুরি নিশ্চিত করে অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন
গড়ে তোলা জরুরি।

র‍্যাডিকাল ফেমিনিজমের দৃষ্টিতেও যদি দেখা হয় সেখানেও দেখা যাবে পারিবারিক ও সামাজিক ক্ষমতা কাঠামোতে
বিদ্যমান পিতৃতান্ত্রিক নিয়ন্ত্রণ চিহ্নিত ও চ্যালেঞ্জ করা প্রয়োজন। নারীর সিদ্ধান্তগ্রহণ ক্ষমতা, চলাচলের স্বাধীনতা এবং
সহিংসতা-মুক্ত জীবন নিশ্চিত করতে সামাজিক সচেতনতা ও পুরুষদের অংশগ্রহণ অপরিহার্য।

সবশেষে লন্ডনের মত গ্লোবাল ফেমিনিজম এর প্রেক্ষাপটেও গ্রামীণ নারীদের শ্রেণি, বয়স, ধর্ম ও ভৌগোলিক
অবস্থানের ভিন্নতা বিবেচনায় নেওয়ার দিকনির্দেশ দেয়। একক নীতির পরিবর্তে বহুমাত্রিক ও স্থানীয়ভাবে উপযোগী
কর্মসূচি গ্রহণই টেকসই নারী ক্ষমতায়নের পথ।

সার্বিকভাবে গ্রামীণ নারীর ক্ষমতায়ন মানে কেবল অর্থনৈতিক উন্নয়ন নয়, বরং মর্যাদা, কণ্ঠস্বর ও সিদ্ধান্তগ্রহণে নারীর
পূর্ণ অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার প্রয়াস নিতে হবে ।

যাহোক, আপনার এই পোস্টে গ্রামীন নারী আয়েশা খাতুন নিয়ে লেখাটি পাঠের সময় আরেক গ্রামীন আয়েশা খাতুনের
কথা খুব মনে পড়ছে।তিনি মিসেস আয়শা খাতুন,একজন নারী মুক্তিযোদ্ধা। তিনি বরিশাল জেলার উজিরপুর উপজেলায়
সাতলা ইউনিয়নে জন্মগ্রহন করেন।

বর্তমান সমাজের ছেলেমেয়েরা মুক্তিযোদ্ধের কথা হয়তো ভুলতে বসেছে। তারা জানে না কি ভাবে দেশ স্বাধীন হলো।
দেশ স্বাধীন করার জন্য কত মা লাঞ্চিত হতে হয়েছে। কত মা তার স্বামীকে হারিয়েছে আবার কত ভাই তার বোনকে
হারিয়েছে। হারিয়েছে লাখো মায়ের সম্মান।আমাদের সমাজে নারীরা সব সময় অবহেলিত ভাবে জীবন যাপন করে।
ধর্মীয় ভাবে তারা ইচ্ছা করলেই বাইরে চলা ফেরা করতে পারে না। আমাদের সমাজে অজানা রয়েছে অনেক নারীর
মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক লোম হর্ষক জীবন কাহিনী। মুক্তিযোদ্ধা এই আয়েশা খাতুনের জীবনের কিছু দিক নিয়ে এই
সামুতেই রয়েছে প্রায় বছর দশেক আগের লেখা একটি পোস্ট।এই লিংক ফলো করে দেখে আসতে পারেন মুক্তিযোদ্ধা
আয়েশা খাতুনকে নিয়ে ব্লগার সোহেল চৌধুরীর লেখাটি ।
সাতলা গ্রামের এক নারী মুক্তিযোদ্ধার গল্প "মিসেস আয়শা খাতুন"

শুভেচ্ছা রইল

২| ১৫ ই ডিসেম্বর, ২০২৫ রাত ৮:৩২

এইচ এন নার্গিস বলেছেন: খুব ভালো বলেছেন। ধন্যবাদ লিংক টি দেয়ার জন্য। লিংক টি পড়বো ।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.