নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

নাঈম আহমাদ

নাঈম আহমাদ › বিস্তারিত পোস্টঃ

এবার বগুড়া সরকারি মুজিবুর রহমান মহিলা কলেজে বোরকা নিষিদ্ধ!!!

০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০১৪ সন্ধ্যা ৭:৫১

বগুড়া সরকারি মুজিবুর রহমান মহিলা কলেজে ছাত্রীদের বোরকা পরে কলেজে যেতে নিষেধ করা হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ছাড়া বোরকা পরা ছাত্রীদের পরীক্ষায় অংশ নিতে দেয়া হয়নি বলেও অভিযোগ করেছেন অভিভাবকরা। তবে, অধ্য বলেছেন, বোরকার নিচে ইউনিফর্ম না পরায় ছাত্রীদের কলেজে প্রবেশ করতে নিষেধ করা হয়েছে।



অভিভাবকরা জানান, সরকারি মুজিবুর রহমান মহিলা কলেজের সদ্য বিদায়ী অধ্য প্রফেসর সামস্ উল আলম বোরকা পরা ছাত্রীদেরকে কলেজের নিজস্ব ইউনিফর্মের রঙের বোরকা পরে কলেজে আসতে বলেছিলেন। সে অনুযায়ী ছাত্রীরা বোরকা পরে কলেজে যাতায়াত করছিল।



গত আগষ্ট মাসে নতুন অধ্য হিসেবে প্রফেসর মোস্তফা আলী যোগদানের পর বোরকা পরা ছাত্রীরা নতুন করে বিড়ম্বনায় পড়ে। গত সোমবার উচ্চমাধ্যমিক, ডিগ্রী এবং অনার্স শ্রেনীর প্রায় অর্ধশত ছাত্রী বোরকা পরে কলেজে গেলে মূল ফটকে তাদের আটকে দেয়া হয়। তাদের জানানো হয়, অধ্য ইউনিফর্ম ছাড়া কলেজে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছেন।



এ ঘটনায় ছাত্রীরা ােভ প্রকাশ করলে অধ্য নিজে ছাত্রীদের সাথে দেখা করে বোরকা খুলে ইউনিফর্ম পরে কলেজে প্রবেশ করতে বলেন। এতে অনেক ছাত্রী বাসায় ফিরে যায়।



আজ মঙ্গলবার আবারও ওইসব ছাত্রীরা বোরকা পরে কলেজে প্রবেশ করতে চাইলে মূল ফটকে বাধা দেয়া হয়। এমনকি ডিগ্রী টেষ্ট পরীার্থী মেয়েদেরও কলেজে প্রবেশ করতে দেয়া হয়নি বলে ছাত্রী ও অভিভাবকরা অভিযোগ করেছেন। এঘটনায় ছাত্রী ও অভিভাবকদের মাঝে ােভের সৃষ্টি হয়েছে।



অভিযোগ অস্বীকার করে অধ্য প্রফেসর মোস্তফা আলী বলেন, কিছু ছাত্রী বোরকা পরে কলেজে এলেও বোরকার নিচে ইউনিফর্ম না পরায় তাদের কলেজে ঢুকতে নিষেধ করা হয়েছে। তবে, পরীার্থীদের পরীা দেয়ার সুযোগ দেয়া হয়েছে।



এ ব্যাপারে বগুড়ার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিা ও উন্নয়ন) সুফিয়া নাজিম জানান, কলেজে বোরকা পরার ব্যাপারে সরকারি কোনো নিষেধাজ্ঞা নেই। কেউ বোরকা পরলে আপত্তি থাকার কথা নয়।

মন্তব্য ৩ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (৩) মন্তব্য লিখুন

১| ০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০১৪ সন্ধ্যা ৭:৫৫

পরিবেশ বন্ধু বলেছেন: কি যুগ আইল , ইসলাম গেল ।

২| ০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০১৪ রাত ৮:৪৫

মি. আলম বলেছেন: ২ সেপ্টেম্বর (রেডিও তেহরান): বিশ্বনবী হজরত মোহাম্মদ (সা.)’র রওজা মোবারক সরিয়ে ফেলার ষড়যন্ত্র চলছে বলে খবর পাওয়া গেছে। সৌদি আরবের একটি প্রভাবশালী মহল এ সংক্রান্ত একটি পরিকল্পনা বাস্তবায়নের চেষ্টা করছে বলে ব্রিটিশ পত্রিকা ‘দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্ট’ খবর দিয়েছে।



সৌদি আরবের একজন প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব ও শিক্ষাবিদের নেতৃত্বে এ সংক্রান্ত যে প্রস্তাব পেশ করা হয়েছে তাতে বলা হয়েছে-মসজিদে নববী থেকে রাসুলের রওজা মোবারক অজ্ঞাত স্থানে সরিয়ে নেয়া হবে। প্রস্তাবটি মসজিদে নববী’র সুপারভাইজারদের মধ্যেও বিলি করা হয়েছে।



৬১ পৃষ্ঠার এ সংক্রান্ত নথিপত্র থেকে যে বিষয়টি স্পষ্ট, তাহলো বিশ্বনবী হজরত মোহাম্মদ (সা.)’র রওজা মোবারক 'জান্নাতুল বাকি' কবরস্থানে সরিয়ে নেয়া হতে পারে এবং রাসুল (সা.)-কে এমনভাবে দাফন করা হবে যাতে অন্য কবর থেকে তা আলাদা করা না যায়। মোট কথা রাসুল (সা.)’র রওজা মোবারক কোনটি তা চিহ্নিত থাকবে না।



বর্তমানে রওজা মোবারকের আশেপাশে যেসব কক্ষ রয়েছে, তা ধ্বংসেরও প্রস্তাব করা হয়েছে এসব নথিপত্রে। মহানবী (সা.)’র পরিবারের সদস্যরা এসব কক্ষ ব্যবহার করতেন। প্রস্তাবে মসজিদে নববীর সবুজ গম্বুজটিও ধ্বংসের কথা বলা হয়েছে।



ইসলামিক হেরিটেজ রিসার্চ ফাউন্ডেশনের পরিচালক ড. ইরফান আল-আলাভি বলেছেন, এরইমধ্যে মসজিদে নববীর আশপাশের সব কিছু ধ্বংস করে ফেলা হয়েছে। এখন এর চারপাশে রয়েছে শুধু বুলডোজার। তারা চায় না হাজীরা সেখানে যাক এবং জিয়ারত করুক। মাজার জিয়ারত করাকে তারা শিরক বা অংশিবাদ বলে মনে করে।



উল্লেখ্য সৌদি সরকার ওয়াহাবি বা সালাফি মতবাদে বিশ্বাসী। এ মতবাদে বিশ্বাসীরা মাজার জিয়ারতের বিপক্ষে। এর আগেও তারা ইসলামের ইতিহাসের মহান ব্যক্তিত্বদের বহু মাজার ধ্বংস করে দিয়েছে। বিজ্ঞ আলেমরা বলছেন, কোনো ঈমানদার ব্যক্তি ইসলামি ব্যক্তিত্বদের মাজার ধ্বংসের মতো ভয়াবহ কাজ করতে পারে না। কারণ এ পাপের ক্ষমা নেই।



রাসুল (সা.)’র রওজা মোবারক হচ্ছে মুসলমানদের দ্বিতীয় পবিত্রতম স্থান। প্রতি বছর লাখো-কোটি মুসলমান মহানবী (সা.)-র রওজা মোবারক জিয়ারত করেন। এ রওজা মোবারক ধ্বংসের প্রস্তাব বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেয়া হলে মুসলিম বিশ্বের ক্ষোভের আগুনে সৌদি প্রশাসন ধ্বংস হয়ে যাবে বলে এরইমধ্যে অনেকেই মন্তব্য করেছেন।#

৩| ০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০১৪ রাত ৯:০৩

হরিণা-১৯৭১ বলেছেন: বালছাল বোরকা পড়লে, তার আবার কিসেরপড়ালেখা?

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.