| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
সত্য অনুসন্ধানী - হতে চাই মুমিন কুরান-হাদিস পড়ে
সত্যের অনুসন্ধানী
হেফাজতে ইসলাম ঢাকা মহানগরী প্রচার সেলের প্রধান মাওলানা আহলুল্লাহ ওয়াছেল বলেছেন, বিভিন্ন মাধ্যমে আমরা জানতে পেরেছি, হেফাজতে ইসলামের ১৩ দফার ভুল ব্যাখ্যা করে কর্মজীবি নারী বিশেষতঃ গার্মেন্ট নারী শ্রমিকদের বোঝানো হচ্ছে, ১৩ দফা বাস্তবায়িত হলে তারা কর্মস্থলে যেতে পারবে না। তাদের রুজি বন্ধ হয়ে যাবে। এর উদ্দেশ্য হচ্ছে দেশের ভেতর অস্থিতিশিল পরিস্থিতি সৃষ্টি করা আর বহির্বিশ্বে বাংলাদেশের ভাবমূর্তিকে বিনষ্ট করা।
বিবৃতিতে তিনি বলেন, আমরা পরিষ্কার বলতে চাই, ইসলাম নারীকে যে মর্যাদার আসনে অধিষ্ঠিত করেছে আমরা তাই নিশ্চিত করতে চাই। কর্মজীবি নারী কর্মস্থলে যাবে শ্রমিকরা গার্মেন্টসে যাবে আমরা তো তার বিরোধিতা করছি না। আমরা বরং তাদের জন্য শালীন সুন্দর ও নিরাপদ কর্মস্থল ও পরিবেশ চাই। যে সকল নারীবাদী সংগঠন ও ব্যক্তি নারীকে পণ্য হিসাবে ব্যবহার করে নিজেদের স্বার্থসিদ্ধিতে মাতোয়ারা, ভোগ্যপণ্য হিসাবে নারীকে পথে ঘাটে ময়দানে অশালীনভাবে উপস্থাপন করছে আমরা তার প্রতিবাদ করতে চাই। আমরা চাই নারী পুরুষের অবৈধ, অবাধ অশালীন মেলামেশা বন্ধ করতে, লিভ টুগেদারের অভিশাপ থেকে আমাদের প্রিয় বাংলাদেশকে বাঁচাতে। আর সেই জন্যই হেফাজতে ইসলামের ১৩ দফার ৮ নং দফাতে সুস্পষ্টভাবে বলেছিঃ “দেশের অর্ধেক নারী। দেশের সার্বিক উন্নয়নের জন্য নারী জাতির উন্নতির বিকল্প নেই। এ লক্ষ্যে তাদের শিক্ষা, স্বাস্থ্য, সম্মানজনক জীবিকা ও ইজ্জত-আব্র“র নিরাপত্তা এবং কর্মজীবি নারীদের কর্মস্থলের শালীন পরিবেশ ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। তৎসঙ্গে সকল প্রকার বেহায়াপনা, অনাচার, ব্যাভিচার, প্রকাশ্যে নারী-পুরুষের অবাধ ও অশালীন মেলামেশা, নারী-নির্যাতন, যৌন হয়রানী, নারীর বিরুদ্ধে সর্বপ্রকার সহিংসতা, যৌতুকপ্রথাসহ যাবতীয় নারী নির্যাতনমূলক ব্যবস্থা কঠোর হস্তে দমন করতে হবে।” সুতরাং হেফাজতে ইসলামের এই দফার বিরোধিতা তারাই করতে পারে, যারা নারীকে ভোগের বস্তু হিসাবে দেখে অভ্যস্ত, ইসলামপ্রদত্ত নারীর স্বাধীনতা ও মর্যাদা যাদের গাত্র দাহের কারণ হয়, যারা নারীপুরুষের অবাধ ও অশালীন মেলামেশাকে আধুনিকতার অনুষঙ্গ মনে করে। নারী সমাজকে লক্ষ করে বলতে চাই। ইসলামী অনুশাসনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হোন, শান্তি, নিরাপত্তা, উন্নতির পাশাপাশি সুস্থ সুন্দর জীবন উপভোগ করুন। সুন্দর, শালীন, অপরাধমুক্ত সমাজ গড়ার সহযাত্রী হোন। (সুত্রঃ নয়া দিগন্ত, ১৮-০৪-২০১৩ ইং)
©somewhere in net ltd.