নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

বিশ্বজোড়া পাঠশালাতে সবাই ছাত্র-ছাত্রী, নিত্য নতুন শিখছি মোরা সদাই দিবা-রাত্রী!

নীল আকাশ

এই ব্লগের সমস্ত লেখা সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। আমার অনুমতি ছাড়া এই ব্লগের লেখা অন্য কোথাও প্রকাশ করা যাবে না।

নীল আকাশ › বিস্তারিত পোস্টঃ

সর্বশ্রেষ্ঠ নবী এবং রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর সহী হাদীস কিভাবে চিহ্নিত করবেন?

৩০ শে নভেম্বর, ২০২০ বিকাল ৪:৩১


[সকল প্রশংসা আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের জন্য, যিনি আমাদেরকে সর্বোত্তম দীনের অনুসারী ও সর্বশ্রেষ্ঠ রাসূল মহানবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর উম্মত হওয়ার তৌফিক দান করেছেন। সালাত ও সালাম বর্ষিত হোক মুহাম্মাদ ইব‌ন আব্দুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) উপর, যিনি আমাদেরকে কল্যাণকর সকল পথ বাতলে দিয়েছেন ও সকল প্রকার অনিষ্ট থেকে সতর্ক করেছেন। আরও সালাত ও সালাম বর্ষিত হোক মহানবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর পরিবারবর্গ (আহলুল বাইয়াত) এবং উনার সাথীদের উপর, যারা তার আনীত দ্বীন ও আদর্শকে পরবর্তী উম্মতের নিকট যথাযথ ভাবে পৌঁছে দিয়েছেন এবং কেয়ামত পর্যন্ত যারা তাদের অনুসরণ করবে তাদের সবার উপর।]

সর্বশ্রেষ্ঠ রাসূল রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) পবিত্র কুরআন শরীফের ধারক ও বাহক। আল্লাহ তা’আলা তাঁর কিতাবে মানবজাতিকে একটি আদর্শ অনুসরণের ও অনেক বিধিবিধান পালনের নির্দেশ দিয়েছেন, কিন্তু অনেক ক্ষেত্রেই তাঁর বিস্তারিত বিবরণ দেননি। এর ভার ন্যস্ত করেছেন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর উপর। তিনি নিজের কথা, কাজ ও আচার-আচরনের মাধ্যমে কুরআনের আদর্শ ও বিধান বাস্তবায়নের পন্থা ও নিয়ম কানুন বলে দিয়েছেন। পবিত্র কুরআন শরীফকে কেন্দ্র করেই তিনি ইসলামের এক পূর্ণাঙ্গ জীবনবিধান পেশ করেছেন। অন্যকথায়, কুরআন মজীদের শিক্ষা ও নির্দেশসমূহ ব্যক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে কার্যকর করার জন্য মহানবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) যে পন্থা অবলম্বন করেছেন, তাই হচ্ছে হাদীস। হাদীস সমূহও যে ওহীর সূত্রে প্রাপ্ত এবং তাশরী’আতের অন্যতম উৎস সেটা পবিত্র কুরআন শরীফেরই উল্লেখ করা আছেঃ-
১। “আর তিনি মনগড়া কথাও বলেন না, এতো ওহী যা তাঁর প্রতি প্রত্যাদেশ হয়” (৫৩:৩-৪)
২। “তিনি যদি আমার নামে কিছু রচনা চালাতে চেষ্টা করতেন আমি অবশ্যই তাঁর ডানহাত ধরে ফেলতাম এবং কেটে নিতাম তাঁর জীবন ধমনী” (৬৯:৪৪-৪৬)
৩। “রাসুল তোমাদের যা দেন তা তোমরা গ্রহণ কর এবং যা তোমাদের নিষেধ করেন তা থেকে বিরত থাক।” (৫৯:৭)


মহানবী রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) নিজেই বলে গেছেনঃ “জেনে রাখ, আমাকে কুরআন দেয়া হয়েছে এবং তার সাথে দেয়া হয়েছে এর অনুরূপ আরও একটি জিনিস”। (আবূ দাঊদ, ইবনমাজা, দারিমী)


মহানবী রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম), সাহাবায়ে কিরাম, তাবেয়ী, তাবেঈনদের কথা, কাজ এবং সমর্থন একই বিষয় কেন্দ্র করেই পরিচালিত হলেও, শরীয়তের ভাষায় মর্যাদার কারনে এই বিষয়কে কয়েকটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে-
১) মহানবী রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর কথা, কাজ এবং সমর্থনকে বলা হয় হাদীস।
২) সাহাবায়ে কেরামদের কাজ এবং সমর্থনকে বলা হয় আছর।
৩) তাবেয়ী, তাবেয়ীনদের কাজ এবং সমর্থনকে বলা হয় ফতোয়া।


সিহা সিত্তা কি? হাদীসের বিশ্বস্ততা কি?
হাদীস গ্রন্থগুলোর মধ্যে ছয়টি হাদীস গ্রন্থকে সবচেয়ে বেশি বিশুদ্ধ বলা হয়, এরা ‘সিহাহ সিত্তা’ বা ‘ছয় বিশুদ্ধ বই’ নামেও পরিচিত। সিহাহ অর্থ বিশুদ্ধ, সিত্তা অর্থ ছয়। সিহাহ সিত্তা এর আভিধানিক অর্থ হল ছয়টি বিশুদ্ধ, আর ইসলামী পরিভাষায় এটি হাদীস শাস্ত্রের ছয়টি বিশুদ্ধ হাদীস গ্রন্থ। এই সকল হাদীসগ্রন্থের মধ্যেকার কিছু হাদীসকে সহীহ হাদীস, কিছু হাদীসকে হাসান হাদীস এবং কিছু হাদীসকে যায়ীফ হাদীস বলে।

আপনি জানেন কি, সহীহ হাদীস, হাসান হাদীস ও যায়ীফ হাদীস কাকে বলে?
বিশ্বস্ততা হিসেবে হাদীস তিন প্রকারঃ
১। সহী হাদিসঃ যে হাদীসের বর্ণনাকারীদের বর্ণনার ধারাবাহিকতা রয়েছে, সনদের প্রতিটি স্তরে বর্ণনাকারীর নাম, বর্ণানাকারীর বিশ্বস্ততা, আস্তাভাজন, স্বরণশক্তি অত্যন্ত প্রখর কোনস্তরে তাদের সংখ্যা একজন হয়নি তাকে সহীহ হাদীস বলে।

২। হাসান হাদিসঃ সহীহ সবগুনই রয়েছে, তবে তাদের স্বরণ শক্তির যদি কিছুটা দুর্বলতা প্রমাণিত হয় তাকে হাসান হাদীস বলে।

৩। জায়ীফ হাদীস হাসান, সহী হাদীসের গুন সমুহ যে হাদীসে পাওয়া না যায় তাকে যায়ীফ হাদীস বলে।

সহী হাদীস কিভাবে চেনা যাবে?
صحيح শব্দটি আরবি। বহুবচনে صحاح। এর আভিধানিক অর্থ সুস্থ। সাধারণত মানুষের শারীরিক সুস্থতার জন্য ‘সহী’ ব্যবহৃত হয়, যেমন হাদিসে এসেছে:” وَأَنْتَ صَحِيحٌ ” ‘তুমি সুস্থাবস্থায়’। এ থেকেই সনদ ও মতন এর যেকোন দোষমুক্ত হলেই হাদীসকে সহী বলা হয়।

যেকোন হাদীসের দুইটা অংশ থাকেঃ
সনদঃ হাদীসের মূল কথাটুকু যে সুত্র পরম্পরায় গ্রন্থ সংকলনকারী পর্যন্ত পৌঁছেছে তাঁকে সনদ বলা হয়। এতে হাদীসের বর্ণনাকারীদের নাম একের পর এক সজ্জিত থাকে।
মতনঃ হাদীসের মূল কথা ও তাঁর শব্দ সমষ্টিকে মতন বলে।

‘সহী’-র পারিভাষিক সংজ্ঞা প্রসঙ্গে হাফিজ ইবনে হাজার আসকালানী তার লেখায় বর্ননা করেছেনঃ
هو ما نقله العدل تام الضبط متصل السند غيرمعلل ولا شاذ .
“যে হাদীস মুত্তাসিল সনদ তথা অবিচ্ছিন্ন সনদ পরম্পরায় বর্ণিত হয়, রাবী বা বর্ণনাকারী আদিল ও পূর্ণ আয়ত্বশক্তির অধিকারী হয়, এবং সনদটি শায কিংবা মুআল্লাল নয়; এমন হাদীস’কে সহী বলে।
মোটকথা, হাদীস সহী হওয়ার জন্য পাঁচটি শর্ত রয়েছেঃ
১. সনদ মুত্তাসিল হওয়া।
২. রাবির আদিল হওয়া।
৩. রাবির দ্বাবিত হওয়া।
৪. শায না হওয়া।
৫. মু‘আল্লাল না হওয়া।

প্রথম শর্ত: اتصال السند বা সনদ মুত্তাসিল হওয়া:
সনদ মুত্তাসিল হওয়ার অর্থ, হাদীসের সনদে বিদ্যমান প্রত্যেক রাবি (বর্ণনাকারী) তার শায়খ (শিক্ষক) থেকে সরাসরি হাদীস শ্রবণ করেছেন প্রমাণিত হওয়া। যেমন গ্রন্থকার মুহাদ্দিস বললেন: আমার নিকট বর্ণনা করেছে অমুক (প্রথম উস্তাদ), তিনি বললেন: আমার নিকট বর্ণনা করেছে অমুক (দ্বিতীয় উস্তাদ), তিনি বললেন: আমার নিকট বর্ণনা করেছে অমুক (তৃতীয় উস্তাদ), তিনি বললেন: আমার নিকট বর্ণনা করেছে অমুক (চতুর্থ উস্তাদ)। এভাবে প্রত্যেক রাবি স্বীয় শায়খ থেকে শ্রবণ করেছে নিশ্চিত করলে সনদ মুত্তাসিল। শায়খের অনুমতি গ্রহণ করা, শায়খকে হাদীস শুনিয়ে সম্মতি নেওয়াকে সরাসরি শ্রবণ করা বলা হয়।

দ্বিতীয় শর্ত: عدالة الراوى বা রাবির ‘আদল:
সহী হাদীসের দ্বিতীয় শর্ত রাবির ‘আদল’ হওয়া। عدل ‘আদ্‌ল’ শব্দের অর্থ সোজা ও বক্রতাহীন রাস্তা, যেমন বলা হয় طريق عدل ‘সোজা রাস্তা’। পাপ পরিহারকারী ও সুস্থরুচি সম্পন্ন ব্যক্তি ন্যায় ও সোজা রাস্তার অনুসরণ করে, তাই তাকে ‘আদ্‌ল’ বা ‘আদিল’ বলা হয়। عادل কর্তাবাচক বিশেষ্য, অর্থ ন্যায়পরায়ণ ব্যক্তি। হাদীসের পরিভাষায় দীনদারী ও সুস্থরুচিকে عدالة বলা হয়।
‘আদিল’ এর পারিভাষিক সংজ্ঞা: মুসলিম, বিবেকী, সাবালক, দীন বিরোধী কর্মকাণ্ড থেকে মুক্ত ও সুস্থ রুচির অধিকারী ব্যক্তিকে উসুলে হাদীসের পরিভাষায় ‘আদিল’ বলা হয়। নিম্নে প্রত্যেকটি শর্ত প্রসঙ্গে আলোকপাত করা হলো:
মুসলিম: রাবির ‘আদিল হওয়ার জন্য মুসলিম হওয়া জরুরি। অতএব কাফের ‘আদিল’ নয়, তার হাদীস সহী নয়। কাফের কুফরি অবস্থায় হাদীস শ্রবণ করে যদি মুসলিম হয়ে বর্ণনা করে, তাহলে তার হাদীস গ্রহণযোগ্য। কারণ সে সংবাদ দেওয়ার সময় আদিল, যদিও গ্রহণ করার সময় আদিল ছিল না। যেমন জুবাইর ইব্‌ন মুতয়িম রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু বলেন:
«سَمِعْتُ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقْرَأُ فِي الْمَغْرِبِ بِالطُّورِ»
“আমি নবি সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামকে মাগরিবের সালাতে সূরা তূর পড়তে শুনেছি”। তিনি শুনেছেন কাফের অবস্থায়, আর বর্ণনা করেছেন মুসলিম অবস্থায়। (বুখারি ও মুসলিম)

সাবালিগ: রাবির আদিল হওয়ার জন্য সাবালিগ হওয়া জরুরি। কেউ শৈশবে হাদীস শ্রবণ করে যদি সাবালিগ হয়ে বর্ণনা করে, তাহলে তার হাদীস গ্রহণযোগ্য, সাবালিগ হওয়ার পূর্বে তার হাদীস গ্রহণযোগ্য নয়। কতক সাহাবির ক্ষেত্রে এ শর্ত প্রযোজ্য নয়, যেমন ইব্‌ন আব্বাস, ইব্‌ন যুবায়ের ও নুমান ইব্‌ন বাশির প্রমুখ, তাদের হাদীস শৈশাবস্থায় গ্রহণ করা হয়েছে।

বিবেকবান: রাবির আদিল হওয়ার জন্য বিবেক সম্পন্ন হওয়া জরুরি। বিবেকহীন ও পাগল ব্যক্তির বর্ণনা গ্রহণযোগ্য নয়। পাগল দু’প্রকার: স্থায়ী পাগল ও অস্থায়ী পাগল। স্থায়ী পাগলের হাদীস কোনো অবস্থায় গ্রহণযোগ্য নয়। অস্থায়ী পাগলের মধ্যে যদি সুস্থাবস্থায় সহীর অন্যান্য শর্ত বিদ্যমান থাকে, তাহলে তার হাদীস গ্রহণযোগ্য, তবে শ্রবণ করা ও বর্ণনা করা উভয় অবস্থায় সুস্থ থাকা জরুরি।

দীনদারী: রাবির ‘আদিল হওয়ার জন্য দীনদার হওয়া জরুরি, তাই পাপের উপর অটল ব্যক্তি আদিল নয়। পাপ হলেই ‘আদল বিনষ্ট হবে না, কারণ মুসলিম নিষ্পাপ নয়, তবে বারবার পাপ করা কিংবা কবিরা গুনায় লিপ্ত থাকা ‘আদল পরিপন্থী। দীনের অপব্যাখ্যাকারী, তাতে সন্দেহ পোষণকারী ও বিদ‘আতির হাদীস গ্রহণ করা সম্পর্কে আহলে ইলমগণ বিভিন্ন শর্তারোপ করেছেন।

সুস্থ রুচিবোধ: রাবির ‘আদল হওয়ার জন্য সুস্থ রুচিবোধ সম্পন্ন হওয়া জরুরি। সুস্থ রুচিবোধের নির্দিষ্ট কোনো সংজ্ঞা নেই। প্রত্যেক সমাজের নির্দিষ্ট প্রথা, সে সমাজের জন্য মাপকাঠি, যা স্থান-কাল-পাত্র ভেদে নানা প্রকার হয়। সাধারণত সৌন্দর্য বিকাশ ও আভিজাত্য প্রকাশকারী কর্মসমূহ সম্পাদন করা এবং তুচ্ছ ও হেয় প্রতিপন্নকারী কর্মসমূহ পরিত্যাগ করাকে সুস্থ রুচিবোধের পরিচায়ক বলা হয়।

হাফেয ইব্ন হাজার রাহিমাহুল্লাহ ‘আদল’ এর সংজ্ঞা প্রসঙ্গে বলেন, ‘আদল’ ব্যক্তির মধ্যে এমন যোগ্যতা, যা তাকে তাকওয়া ও রুচিবোধ আঁকড়ে থাকতে বাধ্য করে”। অতএব ফাসেক ও আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্নকারী ‘আদিল’ নয়, যদিও সে সত্যবাদী। জামাত ত্যাগকারী ‘আদিল’ নয়, যদিও সে সত্যবাদী, সুতরাং তাদের বর্ণনাকৃত হাদীস সহী নয়।
আল্লাহ তাআলা বলেন,يَٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُوٓاْ إِن جَآءَكُمۡ فَاسِقُۢ بِنَبَإ فَتَبَيَّنُوٓاْ أَن تُصِيبُواْ قَوۡمَۢا بِجَهالَة فَتُصۡبِحُواْ عَلَىٰ مَا فَعَلۡتُمۡ نَٰدِمِينَ ٦ [الحجرات: ٦
“হে ঈমানদারগণ, যদি কোনো ফাসেক তোমাদের কাছে কোনো সংবাদ নিয়ে আসে, তাহলে তোমরা তা যাচাই করে নাও। এ আশঙ্কায় যে, তোমরা অজ্ঞতাবশত কোনো কওমকে আক্রমণ করে বসবে, ফলে তোমরা তোমাদের কৃতকর্মের জন্য লজ্জিত হবে”। ফাসেক ব্যক্তির সংবাদ যাচাই ব্যতীত গ্রহণ করা যাবে না, পক্ষান্তরে আদিল ব্যক্তির সংবাদ গ্রহণযোগ্য। আল্লাহ বলেন,
وَأَشۡهِدُواْ ذَوَيۡ عَدۡلٖ مِّنكُمۡ وَأَقِيمُواْ ٱلشَّهَٰدَةَ لِلَّهِۚ ٢ [الطلاق : ٢
“আর তোমাদের মধ্য থেকে ন্যায়পরায়ণ দু’জন সাক্ষী বানাবে। আর আল্লাহর জন্য সঠিক সাক্ষ্য দেবে।” । এ আয়াতে আল্লাহ ‘আদিল’ ব্যক্তিদের সাক্ষীরূপে গ্রহণ করার নির্দেশ দিয়েছেন।

সারাংশ : ‘আদিল’ ব্যক্তির মধ্যে দু’টি গুণ থাকা জরুরি: দীনদারী ও সঠিক রুচিবোধ।
এই দু’টি গুণকে ‘আদালত’ বলা হয়। কখনো ‘আদিল’ ব্যক্তির জন্য ক্রিয়াবিশেষ্য ‘আদ্‌ল’ শব্দ ব্যবহার করা হয়, যেমন লেখক বলেছেন: يرويه عدل এখানে ‘আদ্‌ল’ অর্থ ‘আদিল’। নীচের লেখায় আদিল, আদালত ও আদ্‌ল শব্দগুলো অধিক ব্যবহার করা হবে।

তৃতীয় শর্ত: ضبط الراوىরাবির জাবত বা সংরক্ষণ:
সহী হাদীসের দ্বিতীয় শর্ত রাবির ‘দাবত’। ضبط ক্রিয়াবিশেষ্য, আভিধানিক অর্থ নিয়ন্ত্রণ। এ থেকে যিনি শায়খ থেকে হাদীস শ্রবণ করে নিজের নিয়ন্ত্রণে রাখতে সক্ষম হন, তাকে ضابط বলা হয়। ‘দ্বাবিত’ কর্তাবাচক বিশেষ্য, অর্থ সংরক্ষণ ও নিয়ন্ত্রণকারী।
ضبط এর পারিভাষিক অর্থ: শায়খ থেকে শ্রবণ করা হাদীস হ্রাস, বৃদ্ধি ও বিকৃতি ব্যতীত অপরের নিকট পৌঁছে দেওয়াই ضبط।
ضبط দু’প্রকার: স্মৃতি শক্তির জাবত ও খাতায় লিখে জাবত। সাহাবি ও প্রথম যুগের তাবেয়িগণ স্মৃতি শক্তির উপর নির্ভর করতেন, পরবর্তীতে লেখার ব্যাপক প্রচলন হয়। তখন থেকে স্মৃতি শক্তি অপেক্ষা লেখার উপর নির্ভরতা বৃদ্ধি পায়, তবে লিখিত পাণ্ডুলিপি নিজ দায়িত্বে সংরক্ষণ করা জরুরি।

চতুর্থ শর্ত : عدم الشذوذ বা ‘শায’- না হওয়া :
‘মাকবুল বা গ্রহণযোগ্য রাবি যদি তাদের চেয়ে উত্তম বা অধিক নির্ভরযোগ্য রাবিদের বিপরীত বর্ণনা করে, তাহলে তাদের বর্ণনাকে শায বলা হয়’। সুতরাং কোন হাদীস সহী হতে হলে এমন না হওয়া। মকবুল অর্থ গ্রহণযোগ্য রাবি, যার একা বর্ণিত হাদীস ন্যূনতম পক্ষে ‘হাসানে’-র মর্যাদা রাখে। মকবুলের চেয়ে উত্তম রাবিকে সেকাহ বলা হয়, যার একা বর্ণিত হাদীস ‘সহী’-র মর্যাদা রাখে।
পঞ্চম শর্ত : عدم العلة কোন ধরনের ইল্লত না থাকা :
ইল্লত দ্বারা উদ্দেশ্য সুপ্ত ও গোপন ইল্লত বা ত্রুটি, বিজ্ঞ মুহাদ্দিস ব্যতীত যা কেউ বলতে পারে না। সনদ ও মতন উভয় স্থানে দোষণীয় ইল্লত হতে পারে।

একটা সহী হাদীসের উদাহরণঃ
حدثنا الحميدي (عبد الله بن الزبير) قال حدثنا سفيان قال حدثنا يحيى بن سعيد الأنصاري قال أخبرني محمد بن إبراهيم التيمي أنه سمع علقمة بن وقاص الليثي يقول سمعت عمر بن الخطاب رضي الله عنه على المنبر قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول * إنما الأعمال بالنيات وإنما لكل امرئ ما نوى فمن كانت هجرته إلى دنيا يصيبها أو إلى امرأة ينكحها فهجرته إلى ما هاجر إليه –
বর্ণিত হাদীসটির সনদে ইমাম বুখারি রহমাতুল্লাহি আলাইহি থেকে রাসুল সাল্লালাহু আলাহিস ওয়াসাল্লাম পর্যন্ত ৬ জন রাবী রয়েছে। যথাঃ
১. হুমাইদি (আবদুল্লাহ বিন জুবায়ের)
২. সুফিয়ান
৩. ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ আল আনসারি
৪. মুহাম্মাদ ইবনে ইবরাহিম আত তাইমী
৫. আলকামাহ ইবনে ওয়াক্কাস আল লাইসি
৬. সাহাবি উমর ইবনে খাত্তাব রাদিয়াল্লাহু আনহু
উপরোক্ত প্রত্যেক রাবি নিজ শায়খ থেকে হাদীসটি শুনেছেন যা হাদীসটির সনদে স্পষ্ট উল্লেখ রয়েছে। তাই সনদটি মুত্তাসিল। প্রত্যেক রাবী আদিল ও পূর্ণরুপে জীবিত ছিলেন। তাছাড়া বর্ণিত হাদীসটি শায বা মুয়াল্লাল নয়। এ হাদীসটি ইমাম বুখারি রহমাতুল্লাহি আলাইহি তার সহী বুখারিতে সর্বপ্রথম পেশ করেছেন। এতে সহী হাদীসের পাঁচটি শর্ত পূর্ণরুপে বিদ্যমান রয়েছে। তাই নি:সন্দেহে এটি একটি সহী হাদীস।

*** আশা করছি এতদূর যারা এসেছেন তারা একটা হাদীসকে সহী বলার আগে তাকে কতটা পরীক্ষা নিরীক্ষার মাধ্যমে চিহ্নিত হতে হয় সেটা বুঝতে পারছেন।

যে কেউ ইচ্ছে করলেই একটা হাদীস’কে ভুল বলে দিতে পারবে না যদি তার সনদ এবং মতন বিশুদ্ধ হয়। না জেনেই বহু হাদীস ভুল আছে বলা মারাত্মক গুনাহের কাজ। কারণ মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ইন্তিকালের পর হযরত আয়েশা (রাদীয়াল্লাহু আনহা) ও তার অন্য স্ত্রীগণ ছিলেন হাদীসের সংগ্রহের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উৎস। মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ইন্তিকালের হযরত আয়েশা রাদীয়াল্লাহু আনহা আরও প্রায় ৪৮ বছর বেঁচে ছিলেন। তিনি ৫৭ হিজরীতে ৬৬ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন। হযরত আবুবকর (রাদীয়াল্লাহু আনহু), হযরত উমর (রাদীয়াল্লাহু আনহু) এবং হযরত উসমান (রাদীয়াল্লাহু আনহু) এর শাসনামলে তিনি হাদীসের ব্যাখ্যা দিতেন। তিনি প্রায় ২৪১০টি হাদিস বর্ণনা করে গেছেন। প্রায় আহকামে শরীয়তের এক-চতুর্থাংশ হাদীস হযরত আয়েশা রাদীয়াল্লাহু আনহা এর নিকট হতেই বর্ণিত হয়েছে। (সূত্রঃ মাওলানা আবদুল জলিল, বিশ্বনবীর (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) জীবনী, তৃপ্তি প্রকাশকুঠি, বাংলাবাজার, ঢাকা, পৃঃ১৭০-১৭১)। আবু হুরায়রা রাদীয়াল্লাহু আনহু ও আবদুল্লাহ ইবন উমর রাদীয়াল্লাহু আনহু ছাড়া আর কোন পুরুষ সাহাবী হযরত আয়েশা রাদীয়াল্লাহু আনহা এর চেয়ে বেশি হাদীস বর্ণনা করতে পারেন নি। হযরত আবি মুসা আল-আশয়ারী (রাদীয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত আছে, ‘আমরা আছহাবে রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর কোন হাদীস সম্পর্কে অসুবিধার সম্মুখীন হলে তা সাইয়্যেদা আয়েশা রাদীয়াল্লাহু আনহা কে জিজ্ঞাসা করতাম এবং তাঁর নিকট থেকেই জ্ঞানলাভে সমর্থ হতাম।’ (জামি’ আত-তিরমিযী শরীফ)

কুরআন মাজীদের সাথে হাদীস সংমিশ্রণ হওয়ার আশংকায় কুরআন শরীফ পুর্ণ গ্রন্থাকারে লিপিবদ্ধ না হওয়া পর্যন্ত হাদীস পূর্ণাঙ্গরূপে লিপিবদ্ধ করতে কেউ সাহস পায়নি। হযরত আবূ বকর রাদীয়াল্লাহু আনহু এর আমলে কুরআন মজীদ গ্রন্থাকারে লিপিবদ্ধ হলে সাহাবীগণ হাদীস লিপিবদ্ধ করার ব্যাপারে আর কোন বাধা আছে বলে অনুভব করেননি। হিজরী প্রথম শতাব্দীর শেষভাগে সাহাবি ও তাবেয়ীগণ প্রয়োজন অনুসারে হাদীস লিপিবদ্ধ করা শুরু করেন।

অনেকেই দাবী করছেন সিহা সিত্তা বহু বছর পরে রচিত হয়েছে। সিহা সিত্তাইন বা প্রথম দুইটা বিশুদ্ধতম হাদীস গ্রন্থ কি খুব বেশিদিন পরে লেখা হয়েছে?
ক্রমিক নং গ্রন্থের নাম সংকলকের নাম জন্ম ওফাত জীবন কাল হাদিস সংখ্যা
১) সহী বুখারী মুহাম্মদ ইবনে ইসমাঈল ইবনে ইবরাহিম ইবনে মুগিরা
১৯৪ হিজরি ২৫৬ হিজরি ৬২ বছর ৭৩৯৭ টি
২) সহী মুসলিম মুসলিম ইবনে হাজ্জাজ আল কুশায়রি আল নিশাপুরী
২০৪ হিজরিতে নিশাপুরে ২৬১ হিজরি ৫৭ বছর ৪০০০ টি

*** এত দূর কষ্ট করে এত কিছু লেখার মূল কারণ হচ্ছে-
শ্রদ্ধেয় ব্লগার বিদ্রোহী ভিগু ভাইয়ের সর্বশেষ পোস্টে একটা মন্তব্যে একটা পরিশুদ্ধ সহী হাদীস বুখারী শরীফ (যথাযথ সূত্র উল্লেখ পূর্বক) থেকে সেখানে দেয়া হয়েছিল-
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) (তাবূক যুদ্ধের) সফর থেকে প্রত্যাগমন করলেন। আমি আমার কক্ষে পাতলা কাপড়ের পর্দা টাঙিয়েছিলাম। তাতে ছিল (প্রাণীর) অনেকগুলো ছবি। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন এটা দেখলেন, তখন তা ছিঁড়ে ফেললেন এবং বললেনঃ ক্বিয়ামাতের দিন সে সব মানুষের সবচেয়ে কঠিন আযাব হবে, যারা আল্লাহ্‌র সৃষ্টির (প্রাণীর) অনুরূপ তৈরী করবে। ‘আয়িশাহ (রাঃ) বলেনঃ এরপর আমরা তা দিয়ে একটি বা দু’টি বসার আসন তৈরী করি।
(বুখারী পর্ব ৭৭ অধ্যায় ৯১ হাদীস নং ৫৯৫৪; মুসলিম ৩৭/২৬, হাঃ ২১০৭)
হাদিসের মানঃ সহিহ হাদিস, সূত্রঃ http://ihadis.com/search/5951


আমি সেখানে জানতে চেয়েছি, কেন এই বিশুদ্ধতম এবং পরীক্ষিত একটা হাদীস পবিত্র কুরআন শরীফের একটা আয়াতের সাথে কনফ্লীক্ট করবে? যুগ যুগ ধরে এত এত ইসলামিক ফিকহ শাস্ত্রবিদগন পবিত্র কুরআন এবং হাদীস নিয়ে এত গবেষনার পরেও কেন এই ভুল ধরা পরলো না? তারা কি কেউ পবিত্র কুরআন শরীফের সেই সুনির্দিষ্ট আয়াত পড়েন নি? (নাউজুবিল্লাহ)

ইসলামে পবিত্র কুরআন শরীফের পরেই রাসুল সাল্লালাহু আলাহিস ওয়াসাল্লাম এর সুন্নাহ এবং হাদীসের অবস্থান।
আল্লাহ রাব্বুল আলামীন ইসলামকে একটা পরিপূর্ণ এবং শ্বাশত ধর্ম রূপেই প্রেরণ করছেন। যার বাস্তব প্রয়োগ মহানবী সাল্লালাহু আলাহিস ওয়াসাল্লাম তার সাহাবীদের মাধ্যমে বাস্তবায়ন করে আমাদের জন্য সীরাতুল মুস্তাকীমের পথ দেখিয়ে দিয়ে গেছেন।

এখন কেউ যদি বলে আমরা ইসলাম মেনে চলবো শুধুই কুরআন শরীফ পড়ে, সেটা আদৌ কখনই সম্ভব না। কুরআন শরীফে অনেক তথ্য আছে যার ব্যাখ্যা হাদীস জানা ছাড়া অসম্ভব। কুরআন শরীফে বিরাশিবার সালাত কায়েম করতে বলা হয়েছে, অথচ কোথাও কয় ওয়াক্তে কত রাকাত ফরজ নামাজ আদায় করতে হবে সেটা কি লেখা আছে? যেমন ধরুন যোহরের নামাজে ফরজ কয় রাকাত, মাগরীবের নামাজে ফরজ কয় রাকাত? এইসব ক্ষেত্রে কী করবেন?

আল্লাহ রাব্বুল আলামীন পবিত্র কুরআন শরীফ শুরুই করেছেন ইকরা অর্থাৎ পড় দিয়ে। তিনি আমাদের জ্ঞান অর্জন করার জন্য সরাসরি নির্দেশ দিয়েছেন। সিহা সিত্তার হাদীস গ্রন্থগুলির বাংলা অনুবাদ ইসলামিক ফাউন্ডেশন বের করেছেন। অন্ততঃ সেইগুলিও তো আমরা পড়তে পারি।
কিন্তু আমরা সবাই কি তাই করি?
হাদীস শাস্ত্রের উপর অনেক বই আছে সহী হাদীস চিহ্নিত করার জন্য।
আমরা সেইগুলি পড়েই কি দাবী করছি হাদীস মানা যাবে না?
বরং নিজে সহী হাদীস চিহ্নিত করতে শিখুন, অপরকে শিক্ষা দিন।

এই পার্থিব জগতের বহু বিষয়ই তো শিখলেন বুঝলেন অথচ অনন্তর যে জীবন আমাদের কাটাতে হবে তার জন্য প্রায় কিছুই শিখছেন না। আপনার কি মনে হয় নবীর সুন্নাহ এবং হাদীস প্রকৃতভাবে না মানলে পরকালের জীবন সুখের কাটবে?

ইসলামের শত্রুরা অনেকদিন ধরেই এই অপচেষ্টা চালাচ্ছে যেন মুসলিমরা নবীর সুন্নাহ এবং হাদীস এর থেকে মুখ ঘুরিয়ে নেয়।
তা না হলে ইসলামে ব্যাপক ক্ষতি করা কখনই সম্ভব না। হাদীস মানবো না, শুধু কুরআন মানবো এইসব বলে বা লিখে
ভেবে দেখুন নিজের অজান্তেই কি এই ভয়ংকর কাজে শরীক হয়ে যাচ্ছেন?

ধন্যবাদ এবং শুভ কামনা।
কপিরাইট @ নীল আকাশ, নভেম্বর ২০২০

মন্তব্য ৮৮ টি রেটিং +১৪/-০

মন্তব্য (৮৮) মন্তব্য লিখুন

১| ৩০ শে নভেম্বর, ২০২০ বিকাল ৫:০০

ফটিকলাল বলেছেন: তার মানে কোরান বোধগম্য কোনো গ্রন্থ নয় যেটা জানার জন্য হয়রত মুহাম্মদ সাঃ এর মৃত্যুর ২০০ বছর পরের লেখা গ্রন্থ? এমনকি যে হাদিস শব্দটা ব্যাবহার করেছেন সেটাও নবী সা এর ওফাতের পরও চালু ছিলো না এমনকি তার সংরক্ষনের অনুমতিও ছিলো সেসব গ্রন্থের সহায়তা নিতে হবে?

এটা ব্যাক্তিআক্রমন বা ইসলামকে আক্রমন করছি তা ভেবে বসবেন না। যেহেতু আপনি ইসলাম নিয়ে এত বড় একটা পোস্ট লিখেছেন মনে হচ্ছে আপনি ইসলাম সম্পর্কে অনেক জানেন। তাই জানতে চাচ্ছি। কারন কোরানেই লেখা মহান আল্লাহ পাক কোরান অবতীর্ন করেছেন সবার বোধগম্য করে এবং সীরাতে সহ নানা গ্রন্থে এসেছে কোরান মূলত ৭ টি ডায়ালেক্টে নাযিল হয়েছে।

ব্যাখ্যা গুলো হয়তো জেনেই লিখেছেন!

৩০ শে নভেম্বর, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:৫৭

নীল আকাশ বলেছেন: প্রথম মন্তব্যের জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।
আমি আপনার দ্বিতীয় মন্তব্যের উত্তর আগে দিয়েছি। কারণ সেটার উত্তর জানা আগে দরকার।
আপনার কাছ থেকে সেই উত্তর পাবার পর আমি এই মন্তব্যের যথাযথ উত্তর দেবো।

কোরান মূলত ৭ টি ডায়ালেক্টে নাযিল হয়েছে - এটা একলাইনে যেমন লেখা যায় না, ঠিক তেমনি এটার ব্যাখ্যাও একলাইনে দেয়া যাবে না। কারণ তাতে যে পড়বে সে নিজেও কনফিউজড হয়ে যাবে। আপনাকে আমি এটা জানার জন্য যথাযথ লেখার সূত্র দেবো পড়ে আসার জন্য।

শুভ কামনা আপনার জন্য।

২| ৩০ শে নভেম্বর, ২০২০ বিকাল ৫:০৪

ঢাবিয়ান বলেছেন: গ্যলারিতে বসলাম। আশা করি সুন্দর যুক্তি তর্ক হবে। বর্তমানের প্রেক্ষাপটে এটা অত্যন্ত গুরুত্বপুর্ন একটি ইস্যূ। ফেসবুকেও বেশকিছু লেখা পড়ছি যারা কেউই তথাকথিত উগ্র মৌলবাদী নয়। তাই আগ্রহ তৈরী হয়েছে।

৩০ শে নভেম্বর, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:৩৬

নীল আকাশ বলেছেন: সালাম ভাই,
প্রথমেই আপনার মন্তব্য নিয়ে বসলাম।
মৌলবাদী শব্দের আভিধানিক অর্থ হচ্ছে যখন কেউ ধর্ম'কে দৃঢ়ভাবে পালন করে। আমাকে যখন কেউ মৌলবাদী বলে আমি খুব খুশি হয়ে বলি আলহামদুল্লিল্লাহ। মানুষ সাক্ষ্য দিচ্ছে আমি ইসলামকে দৃঢ়ভাবে পালন করছি।

এই পোস্ট দেয়ার কারন হলো, আমরা অনেকেই হাদীস এর বিস্তারিত বিষয় নিয়ে জানি না। অজ্ঞতা কোন পাপ নয় বরং সুযোগ থাকার পরেও যখন কেউ কিছু শিখে না তখন সেটা দুঃখজনক।

কষ্ট করে এটা লিখলাম যেন সবাই অন্ততপক্ষে সহী হাদীস কাকে বলে এবং কেন সেটা সহী সেটা বুঝতে পারে।
ধন্যবাদ।

৩| ৩০ শে নভেম্বর, ২০২০ বিকাল ৫:০৭

ফটিকলাল বলেছেন: ৫৪:১৭

আমি কোরআনকে সহজ করে দিয়েছি বোঝার জন্যে। অতএব, কোন চিন্তাশীল আছে কি?

তাফসীরে জালাইলান: And verily We have made the Qur’ān easy to remember We have facilitated its memorisation and disposed it to serve as a source of remembrance. So is there anyone who remember? anyone who will be admonished by it and memorise it? the interrogative here is intended as an imperative in other words memorise it and be admonished by it; none of God’s scriptures is memorised by heart other than it the Qur’ān.


১৯:৯৭

আমি কোরআনকে আপনার ভাষায় সহজ করে দিয়েছি, যাতে আপনি এর দ্বারা পরহেযগারদেরকে সুসংবাদ দেন এবং কলহকারী সম্প্রদায়কে সতর্ক করেন

তাফসীরে জালাইলান: Indeed We have made it easy namely the Qur’ān in your tongue only that you may bear good tidings therewith to the God-fearing those who will be prosperous because of their faith and warn threaten therewith a folk who are contumacious luddan the accusative plural of aladd in other words extremely disputatious using false arguments — and they are the disbelievers of Mecca.

আপনার বোঝার সুবিধার্থে দিয়ে গেলাম যদিও এত বড় পোস্ট লেখার জন্য আপনার এসব আগেই জানা বলে মনে করছি

৩০ শে নভেম্বর, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:৫০

নীল আকাশ বলেছেন: আমি ইচ্ছে করেই এই মন্তব্যের প্রতি মন্তব্য দিচ্ছি কারণ আপনি এখানে পবিত্র কুরআন শরীফের তাফসীর উল্লেখ করেছেন।

আপনার কাছে আমি জানতে চাইছি-
১) পবিত্র কুরআন শরীফের এইসব তাফসীর গ্রন্থগুলিতে কুরআন শরীফের আয়াতের ব্যাখ্যা লেখার জন্য কি হাদীস ব্যবহার করা হয়েছে? এক বা একাধিক হাদীস?
২) ইসলামের সব হুকুম আহকামগুলির বিস্তারিত কি পবিত্র কুরআন শরীফে দেয়া আছে? যেমন ধরুন, প্রত্যেক বালেগ নর এবং নারীর উপর পাঁচ ওয়াক্ত সালাত আদায় করা ফরজ। কিন্তু এই ফরজ সালাত কোন ওয়াক্তে কয় রাকাত পড়তে হবে সেটা পবিত্র কুরআন শরীফের কোন সূরার কত নাম্বার আয়াতে দেয়া আছে সেটা আমাকে জানাবেন।

ধন্যবাদ।

৪| ৩০ শে নভেম্বর, ২০২০ বিকাল ৫:০৮

ঢাবিয়ান বলেছেন: ব্লগার নতুন নকিব ভাইকেও আশা করছি এই পোস্টে। ইসলাম ধর্ম নিয়ে যারা ব্যপক পড়াশোনা করেছেন, গবেষনা করেছেন তাদের মতামত জানতে চাই।

৩০ শে নভেম্বর, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:৪১

নীল আকাশ বলেছেন: সম্মানিত ব্লগার নকীব ভাই আসলে আরো ভালো হবে। আরবী লাইনে পড়াশুনা করার কারণে
এই বিষয়টা উনাদের বিস্তারিত পড়া আছে। কিন্তু আমি আমার আগ্রহ থেকেই পড়ছি এবং শিখছি।
শুভ কামনা।

৫| ৩০ শে নভেম্বর, ২০২০ বিকাল ৫:১৯

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: শ্রমসাধ্য পোস্ট।

উদ্ধৃত হাদিসটি কোরানের কোন আয়াতের সাথে কনফ্লিক্ট করলো (নাউযুবিল্লাহ), পোস্ট পড়ে বুঝতে পারলাম না যুনাইদ ভাই। সম্ভব হলে আবার বুঝিয়ে দিন।

সুন্দর পোস্টের জন্য শুভেচ্ছা।

০২ রা ডিসেম্বর, ২০২০ সকাল ১০:১৬

নীল আকাশ বলেছেন: শুভ সকাল,
অনেক দেরি করে এই মন্তব্যে ফিরলাম। অনুগ্রহ করে ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।

মুর্তি/ভাস্কর্য হালাল বলার সপক্ষে যুক্তি দেখাতে যেয়ে শ্রদ্ধেয় ব্লগার ভিগু ভাই পবিত্র কুরআন শরীফের হযরত মুসা আলাহিস ওয়াসাল্লাম এর কাওমের একটা রদ হয়ে যাওয়া আয়াত নিয়ে এসে জাস্টিফাই করতে চেয়েছেন। আমি উনাকে বলেছি এই আয়াত রদ হয়ে গিয়েছে, এটা আমাদের জন্য না। এবং উম্মতে মোহাম্মাদীর জন্য এই বিষয়ে দিক নির্দেশনা সহী হাদিসেই দেয়া আছে। সেখানে অনেকেই হাদিসের সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে বলেছেন কুরআন মানা যাবে কিন্তু হাদীসের সত্যতা প্রশ্নবিদ্ধ, তাই মানা যাবে না।
আমি এখানে সহী হাদীস কি, কাকে বলে, কিভাবে চিহ্নিত করা যায়, সেটা পরিষ্কারভাবে দেখিয়ে দিয়েছি।
যেন সহী হাদীসের সত্যতা নিয়ে আর কেউ আন্দাজে কটূ কথা না বলে। হাদীস নিয়ে কটূ কথা বলা মারাত্মক গুনাহের কাজ।
ধন্যবাদ এবং শুভ কামনা।

৬| ৩০ শে নভেম্বর, ২০২০ বিকাল ৫:৩৭

রাজীব নুর বলেছেন: ভালো লিখেছেন।
তবে হাদিসে নানান ঝামেলা আছে, একেকজন একেকভাবে হাদীস ব্যখ্যা করে। তাই আমি সরাসরি কোরআনে নজর দেই।

০২ রা ডিসেম্বর, ২০২০ সকাল ১০:১৯

নীল আকাশ বলেছেন: হাদীস নিয়ে যে বাহ্যিক ঝামেলা আপনাদের কাছে মনে হয় সেটা দূর করার জন্যই এই পোস্ট লিখলাম।
এরপর তো আর সহী হাদীস নিয়ে ঝামেলা লাগার কথা না।
বিশুদ্ধ হাদীস নিয়ে বেশ কিছু তাফসীর গ্রন্থ আছে। আপনি যদি সত্যই পড়তে চান তাহলে আপনাকে জানানো যাবে।
ধন্যবাদ।

৭| ৩০ শে নভেম্বর, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:০৪

সাড়ে চুয়াত্তর বলেছেন: এই যুগে অনেকে কোরানকে গুরুত্ব দিলেও হাদিসকে গুরুত্ব দিতে চাচ্ছেন না। এটা একটা ভয়াবহ অবস্থা। সহি হাদিসকে অবশ্যই গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করতে হবে। সহি হাদিস অস্বীকার করা কঠিন গুনাহর কাজ। হাদিসকেও এক ধরণের অহি বলা হয়েছে। হাদিসে কুদসি বলে কিছু হাদিস আছে যা আল্লাহর কথা কিন্তু হাদিসের মাধ্যমে বিবৃত হয়েছে। রসুল (সাঃ) মনগড়া কোন কথা বলতেন না। সহি হাদিসে সাথে কোরআনের কোনও আয়াতের বিরোধ হওয়ার কোনও সুযোগ নেই সে ক্ষেত্রে হাদিসটা সহি বলে গণ্য হতো না। রসূলের (সাঃ) কথায় বহু কিছু ফরজ ও ওয়াজিব হয়েছে। কাজেই কোরআনে নেই বলেই একটা ব্যাপার ফরজ, ওয়াজিব, হারাম হালাল হতে পারবে না এটা ভুল ধারণা। আমাদের রসূলের(সাঃ) আগে অনেক নবী ও রসুল এসেছেন। ওনাদের অনেকের শরিয়ার সাথে আমাদের রসুল (সাঃ) এর শরিয়ার ছোটখাটো পার্থক্য আছে। তবে বিশ্বাসগত ( আকিদাগত) মৌলিক কোনও পার্থক্য নেই। কোরআনে অনেক ক্ষেত্রে আগের নবীর সময়ের কোনও নিয়ম বর্ণনা করা হয়েছে। তার মানে এটা আমাদের মানার জন্য বলা হয়েছে এমন টা না। সকল নবী- রসুল এক আল্লাহর বাণী নিয়ে এসেছেন সেই নির্দিষ্ট যুগ বা জনপদের জন্য। আমাদের রসুল (সাঃ) সমগ্র পৃথিবীর জন্য ও কেয়ামত পর্যন্ত সময়ের জন্য প্রেরিত হয়েছিলেন।

০৫ ই ডিসেম্বর, ২০২০ সকাল ১১:০৯

নীল আকাশ বলেছেন: ধন্যবাদ ভাই। দেরি করে ফিরলাম আপনার মন্তব্যের প্রতিউত্তর দিতে, স্যরি।
এদের সমস্যা আসলে অন্য জায়াগায়। হাদিস মানবো না এইসব ডায়ালগ রিলেটিভ। এখন স্বার্ত্থের সাথে কনফ্লীক্ট করছে তাই হাদিস মানবো না। আবার যেকাহ্নে দরকার পড়বে সেখানে শুধু হাদিস হলেই চলবে।
একটা কথা সবাই ভুলে যায়, পবিত্র কুরআন কিন্তু গ্রন্থাকারে নাযিল হয় নি। এটাও হযরত মুহাম্মাদ সাল্লালাহু আলাহিস ওয়াসাল্লাম এর মুখ নিশ্রিত। এরা দ্বীচারীএবং সুযোগ সন্ধানী। একই ব্যক্তির মুখ থেকে বের হওয়া কিছু লাইন এরা গ্রহণ করবে আবার কিছু লাইন গ্রহণ করবে না।

আমাদের রসূলের(সাঃ) আগে অনেক নবী ও রসুল এসেছেন। ওনাদের অনেকের শরিয়ার সাথে আমাদের রসুল (সাঃ) এর শরিয়ার ছোটখাটো পার্থক্য আছে। তবে বিশ্বাসগত ( আকিদাগত) মৌলিক কোনও পার্থক্য নেই। কোরআনে অনেক ক্ষেত্রে আগের নবীর সময়ের কোনও নিয়ম বর্ণনা করা হয়েছে। তার মানে এটা আমাদের মানার জন্য বলা হয়েছে এমন টা না। সকল নবী- রসুল এক আল্লাহর বাণী নিয়ে এসেছেন সেই নির্দিষ্ট যুগ বা জনপদের জন্য। আমাদের রসুল (সাঃ) সমগ্র পৃথিবীর জন্য ও কেয়ামত পর্যন্ত সময়ের জন্য প্রেরিত হয়েছিলেন।
এটাই আসল কথা। তা না হলে একটাই আসমানী কিতাব থাকতো। পরিবর্তিত হলে আল্লাহ আবার সেটাই পৃথিবীতে পাঠাতেন। নতুন করে কেন ভিন্ন আসমানী গ্রন্থ পাঠাচ্ছেন আলাদা আলাদা কওমের বা উম্মতের জন্য?

৮| ৩০ শে নভেম্বর, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:২৫

চাঁদগাজী বলেছেন:




হাদিস ততকালীন আরব রাজত্বে দরকার ছিলো, এখন ১০ম শ্রেণীর বাচ্চাও ততকালীন পন্ডিতের চেয়ে জ্ঞানী।

৩০ শে নভেম্বর, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:৩৯

নীল আকাশ বলেছেন: আপনি দয়া করে এই ধর্মীয় পোস্টে কোন অযাচিত মন্তব্য করবেন না। এখানে আল্লাহ রাসুল সাহাবী এবং আহলুল বায়াতের নাম লেখা হয়েছে। উনাদের সম্মান করতে শিখুন।

৯| ৩০ শে নভেম্বর, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:৩২

চাঁদগাজী বলেছেন:


আরব রাজতন্ত্র গঠনের সময়, বেদুইনরা নিজের গোত্রের নিয়ম কানুন ব্যতিত কোন নিয়ম কানুন মানতো না; তখন নবী (স: ) নির্দেশই ছিল সার্বজনীন নিয়ম। এখন আমরা রিপাবলিকে বাস করছি, আরবের আদি রাজতন্ত্রের নিয়ম কানুন আমাদের দরকার নেই। আরবদের মাঝে গৃহযুদ্ধের ও ঐক্যহীনতার কারণ হচ্ছে গোত্রের অধিকার রক্ষা ও পুরাতন রাজতন্ত্রের নিয়মাবলির প্রয়োগ। মোল্লারা আরবদের নিয়ম কানুন আমাদের দেশে চালু করার চেষ্টা করে আমাদের রিপাবলিকের সংবিধানকে অমান্য করে চলছে।

০৫ ই ডিসেম্বর, ২০২০ সকাল ১১:১৩

নীল আকাশ বলেছেন: স্বল্প জ্ঞান নিয়ে কথা বলার অভ্যাস আর গেল না!
শরিয়তের বিষয়ে হযরত মুহাম্মাদ সাল্লালাহু আলাহিস ওয়াসাল্লাম নিজে কোন কিছুই বলতেন না যতক্ষণ না পর্যন্ত আল্লাহর কাছ থেকে এর উপযুক্ত অহী আসতো। "হযরত মুহাম্মাদ সাল্লালাহু আলাহিস ওয়াসাল্লাম এর নির্দেশই ছিল সার্বজনীন নিয়ম" যেটা উল্লেখ করেছেন সেটা আল্লাহর নিয়ম।
আল্লাহর নিয়ম আপনি মানবেন কি মানবেন না সেটা আপনার বিষয়। কারন শেষ বিচারের দিন জবাবদিহী শুধুই আপনাকে করতে হবে।



১০| ৩০ শে নভেম্বর, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:৪৫

চাঁদগাজী বলেছেন:



লেখক বলেছেন, " আপনি দয়া করে এই ধর্মীয় পোস্টে কোন অযাচিত মন্তব্য করবেন না। এখানে আল্লাহ রাসুল সাহাবী এবং আহলুল বায়াতের নাম লেখা হয়েছে। উনাদের সম্মান করতে শিখুন। "

-এই ধরণের আদি আরবী নিয়ম-কানুনের পক্ষে প্রচারণা করে, আমাদের জাতির ঐক্য, শৃংখলা, সংবিধানের গুরুত্ব কমানো ঠিক নয়।

০৫ ই ডিসেম্বর, ২০২০ সকাল ১১:১৫

নীল আকাশ বলেছেন: এটা কোন আরবী নিয়ম কানুন না। এটা হাদীস বিষয়ক পোস্ট।
পোস্ট না পড়ে আর কত দিন এভাবেই আন্দাজে মন্তব্য করে বেড়াবেন?

১১| ৩০ শে নভেম্বর, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:৪৮

চাঁদগাজী বলেছেন:



আরবদের আদি নিয়ম-কানুন ও নতুন ভাবনার মাঝে সংঘর্ষ হয়ে সেখানে মানুষের ঐক্য বিন্ষট হয়ে, গৃহযুদ্ধ লেগে আছে; সেসব নিয়ম কানুনের পক্ষে কথা বলে আমাদের জাতির ঐক্য বিনষ্ট করা হচ্ছে।

০৫ ই ডিসেম্বর, ২০২০ সকাল ১১:১৭

নীল আকাশ বলেছেন: মুসলিম জাতীর জাতিয় ঐক্য নষ্ট হচ্ছে আপনার মতো ইসলাম নিয়ে মহা অজ্ঞ ব্যক্তিদের দ্বারা; যারা না জেনে অযথাই হাউকাউ করে বেড়ায়।

১২| ৩০ শে নভেম্বর, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:৩০

অশুভ বলেছেন: অনেক কিছু জানলাম। লেখককে অনেক ধন্যবাদ।
নিচের বাক্যটার সাথে একটু দ্বিমত আছে।
কুরআন শরীফে বিরাশি বার সালাত কায়েম করতে বলা হয়েছে, অথচ কোথাও কখন কয় ওয়াক্ত পড়তে হবে সেটা দেয়া নেই। এইসব ক্ষেত্রে কী করবেন?
@নীল আকাশ ভাই এখানে কিছু রেফারেন্স দিলাম যা পড়ে দেখতে পারেন।





৩০ শে নভেম্বর, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:৪০

নীল আকাশ বলেছেন: প্রথমেই আপনাকে আমার ব্লগ বাড়িতে সুস্বাগতম।
চমৎকার একটা মন্তব্যের জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ।
আমি সালাতের ওয়াক্ত নিয়ে যে মন্তব্যটা করেছি সেটার ব্যাখ্যা দিচ্ছি।
আপনার দেয়া ছবিগুলিতে সালাতের ওয়াক্ত কখন কখন হবে সেটা নিয়ে পবিত্র কুরআনের আয়াত দেয়া আছে। আমি বলতে চেয়েছি যে এই ওয়াক্তগুলিতে কয় রাকাত ফরজ নামাজ আদায় করতে হবে সেটা কি লেখা আছে? যেমন ধরুন যোহরের নামাজে ফরজ কয় রাকাত, মাগরীবের নামাজে ফরজ কয় রাকাত?
এটা জানার জন্যই আমাদের সুন্নাহ এবং হাদীস দেখতে হবে। যেহেতু এটা নিয়ে প্রশ্ন এসেছে আমি লেখায় আরো বিস্তারিতভাবে লিখে দিচ্ছি।
ধন্যবাদ।

১৩| ৩০ শে নভেম্বর, ২০২০ রাত ৮:০৩

ফটিকলাল বলেছেন: ধন্যবাদ উত্তরের জন্য।

আমার প্রশ্ন সেখানেই। কোরানে এরকম ভাবে চার জায়গাতে নিজের আর্থিক ও বোধগম্যতার সরলতা ঘোষনা করেছেন। তারপরও আমাদেরকে ব্যাখ্যার জন্য হযরত মুহাম্মদ সাঃ কে অনুসরন করার কথা বলা আছে খুব সম্ভবত পাঁচ জায়গায়। এই অনুসরনের কথা খোলাফায়ে রাশেদিন থেকে শুরু করে পরবর্তী খলিফারাও জানতেন এবং যতদূর আবু বকর রাঃ এরকম হাজার পাচেক হাদিস জমিয়ে আগুন ধরিয়ে ফেলেন কারন তিনি ভয় পেয়েছিলেন এতে ফিতনা ও দলাদলির সূচনা হয় কিনা। তার অর্থ হচ্ছে তারা নিজেরাও হাদিস সংগ্রহের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেননি।

তাহলে এখানে হাদিসের যে বাধ্য বাধকতা তা ঐতিহাসিকভাবে এবং কোরানের আয়াতের আভিধানিক অর্থানুসারেই সূচিত হয়েছে। তবে একটা তথ্য দিয়ে রাখি কোরানের তাফসীর লেখা শুরু হয় তার জীবদ্দশাতেই খুব সম্ভবত সা’দ রাঃ ও জাবির রাঃ শুরু করেন যা পরে বিলুপ্ত হয়ে যায়। আর কোরানের লিখিত ডকুমেন্ট পাওয়া যায় ইসহাক রাঃ এর লেখা ৭৪৫ সালে যা বিলুপ্ত হলে তার ছাত্র সেটার সংকলন করে।

তার মানে হাদিস শব্দটিই হলো একটু নতুন ধারনা যেখানে কোরান হলো ইসলামিক ভিত্তি।

আপনার প্রশ্ন রাকাত নিয়ে, কিন্তু রাকাতের সংখ্যাও ধ্রুব নয়। মুসাফিরের জন্য পরিবর্তিত হয় এমনকি যেখানে ওয়াক্তিয়া নির্নয় করা সম্ভব নয় অথবা কেবলা অনির্ণেয় সেখানে সবকিছুই পাল্টে যায়। এমনকি মাজহাব ভেদে এ ব্যাপারে কেউ ঐক্যমত্য নয়।

মাজহাব ভেদে রোজা হজ্ব সবকিছুতেই দ্বিধাবিভক্ত এবং খোদ সুন্নীদের মধ্যেই শাফি রা , বুখারী রাঃ সহ বিভিন্ন ইমামের মতভিন্নতা দেখা দেয়। এমনকি হানাফী অনুসারীরা অনেক ব্যাপারে বুখারীকেও সাইডে রাখে।

যেখানে কোরান নিজেই দাবী করছে এর সরলতা সেখানে হাদিস যেসব এক্সট্রা (?) সেগুলো তো দ্বন্দের জন্ম দেয় আর দ্বন্ধ মানেই তো ঈমানের ফাটল।

তাহলে নবী সাঃ এর ওফাতের ২৫০ বছর পর সংগৃহিত সেটা যতই সহী দাবী করা হোক সেগুলো সম্পর্কে ঐতিহাসিক সত্যতা প্রশ্নবিদ্ধ কি হওয়া উচিত নয়? এমন অনেক সহী হাদিস আছে যেগুলো এত রেয়াত সনদের পরেও প্রশ্নবিদ্ধ। অনেক হাদিস অনেক দেশে সংকলন করাই হয় না তার মধ্যে একটা যেখানে নবী সাঃ নিজের জীবিকা সম্পর্কে বলেছিলেন।

এরকম বহু উদাহরন আছে।

আশা করি আপনি আমার ডাইলেমা বুঝতে পেরেছেন

০১ লা ডিসেম্বর, ২০২০ দুপুর ২:৪৪

নীল আকাশ বলেছেন: খুব গুরুত্বপূর্ণ একটা মন্তব্য দিয়েছেন। আপনি এই মন্তব্যে একসাথে অনেক কিছু নিয়ে এসেছেন ।
এর উত্তর দিতে গেলে আমাকে কিছু বিষয় আগে শতভাগ নিশ্চিত হবার জন্য দেখে নিতে হবে।
আমি এই মন্তব্যে আবার ফিরে আসবো।
ইসলাম নিয়ে আপনার ডাইলেমা নিয়ে আলোচনা করবো।
অপেক্ষায় থাকুন আপনি।

০৫ ই ডিসেম্বর, ২০২০ সকাল ১১:২৫

নীল আকাশ বলেছেন: "আবু বকর রাদিআল্লাহু আনহু" রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যার সম্পর্কে বলেছিলেন, এই পৃথিবীতে আমি সবার ইহসান পরিশোধ করেছি, কিন্তু আবু বকরের ইহসান পরিশোধ করতে পারিনি। কারণ তার ইহসানগুলো এমন তা আমার পক্ষে পরিশোধ করা সম্ভব নয়, তা স্বয়ং আল্লাহ পরিশোধ করবেন। অথচ তিনি হাজার পাচেক হাদিস জমিয়ে আগুন ধরিয়ে ফেলেন এটা কোথায় পেয়েছেন? আমি জানতে চাইছি। নিশ্চয়ই কোন সূত্র থেকে লিখেছেন! সেটা উল্লেখ করুন। প্রায় সমস্ত সাহাবীরাই ত্তখন জীবিত ছিলেন, তখন এত জয়ীফ হাদীস কোথা থেকে আসলো? উনার সময়ে তো হাদীস সংকোলনের কাজে হাত দেয়া হয়নি।

০৫ ই ডিসেম্বর, ২০২০ সকাল ১১:৩৫

নীল আকাশ বলেছেন: হাদিস শব্দের অর্থ হচ্ছে নতুন, যা পুরাতন এর সাথে মিলে না।
একটা কথা সবাই ভুলে যায়, পবিত্র কুরআন কিন্তু গ্রন্থাকারে নাযিল হয় নি। এটাও হযরত মুহাম্মাদ সাল্লালাহু আলাহিস ওয়াসাল্লাম এর মুখ নিশ্রিত। একই ব্যক্তির মুখ থেকে বের হওয়া কিছু লাইন গ্রহণ করবে আবার কিছু লাইন গ্রহণ করবে না এটা ভন্ডামী ছাড়া আর কিছু না। পবিত্র কুরআন শরীফে আল্লাহ সুস্পষ্টভাবে বহুবার মহানবীকে মেনে চলতে বলেছেন। হযরত মুহাম্মাদ সাল্লালাহু আলাহিস ওয়াসাল্লাম এর নবুয়তী জীবনের সকল কথা, কাজ এবং অনুমোদনকে হাদীস বলে। এখন এটা আপনি মানবেন কি মানবেন না এটা আপনার বিষয়, কারণ শেষ দিনে এর উত্তর আপ্নাকেই দিতে হবে।
হাদিস নিয়ে নতুন নকীব ভাইয়ের একটা পোস্ট আছে। এটা পড়ে আসুনঃ
হাদীস কাকে বলে? হাদীস কত প্রকার ও কি কি? সর্বোচ্চ সংখ্যক হাদীস বর্ণনাকারী কয়েকজন সাহাবি এবং প্রধান প্রধান হাদীসগ্রন্থগুলো

০৫ ই ডিসেম্বর, ২০২০ সকাল ১১:৩৯

নীল আকাশ বলেছেন: আরেকটা বিষয়, আমি কোন মুহুর্তেই হাদিস কনফার্ম না হয়ে পড়তে বা বিশ্বাস করতে বলিনি।
আপনি চেক করে দেখুন, আমি সহী সূত্র ছাড়া কোথাও লেখায় হাদীস ব্যবহার করি না। সনদ সহী কিনা সেটা লিখে দেই।
এই পোস্টের বক্তব্যও কিভাবে আপনি সহী হাদীস খুজে বের করতে পারবেন। সহী সনদ দেখে হাদীস পড়ুন।
সহী হাদীস কখনও কোনদিন পবিত্র কুরআনের আয়াতের সাথে কনফ্লীক্ট করবে না।
ধন্যবাদ।

১৪| ৩০ শে নভেম্বর, ২০২০ রাত ৮:২০

ঢাবিয়ান বলেছেন: আরো বেশ কিছু লেখা পড়ে জানলাম যে ইসলাম ভাস্কর্য বা মুর্তি সমর্থন করে না। ধর্মীয়ভাবে তাই ভাস্কর্য স্থাপনের পক্ষে কোন যুক্তি কোন অবস্থাতেই গ্রফনযোগ্য নয়।

ভাস্কর্য বা মুর্তি স্থাপন তাই সরকারকে সেকুলার মনোভাব নিয়ে বানাতে হবে। সরকার সেটাই জানান দিয়ে বানাক না কে মানা করেছে? অযথা ধর্মীয় বিধানকে অপব্যখ্যা বলার দরকার কি?

আপনাকে ধন্যবাদ পোস্টটির জন্য। লেবাস পড়ে ধার্মিক সাজা ভন্ডদের মুখোশ উন্মোচন খুব জরুরী।

০১ লা ডিসেম্বর, ২০২০ দুপুর ২:২৩

নীল আকাশ বলেছেন: ধার্মিক সাজা ভন্ডদের মুখোশ উন্মোচন করতে যেয়েই তো সেকুলারদের সমর্থক এবং ভণ্ডদের বিকৃত কর্মকান্ডের মধ্যে এসে পড়েছি।
কেউ যদি ধর্মীয় অপব্যাখ্যা দেয় সেটা ধরিয়ে অবশ্যই দিতে হবে। যেন বাকিরাও নিজেদের সংশোধন করতে পারে।
ধন্যবাদ।

১৫| ৩০ শে নভেম্বর, ২০২০ রাত ৮:২৪

চাঁদগাজী বলেছেন:



আমাদের সংবিধানই সবচেয়ে শক্তিশালী জীবন বিধান।

০১ লা ডিসেম্বর, ২০২০ সকাল ৯:২৮

নীল আকাশ বলেছেন: আল্লাহর দেয়া বিধানের চেয়েও শক্তিশালী? নাউজুবিল্লাহ!

১৬| ৩০ শে নভেম্বর, ২০২০ রাত ৯:০৮

চাঁদগাজী বলেছেন:



আপনি বাংগালী ইন্জিনিয়ারদের সুনাম নষ্ট করছেন।

০১ লা ডিসেম্বর, ২০২০ দুপুর ২:৪৫

নীল আকাশ বলেছেন: আর আপনি বিদেশে বসে সারা দেশের মানুষের নামে বদনাম কুড়াচ্ছেন।

১৭| ০১ লা ডিসেম্বর, ২০২০ রাত ১২:৫৪

স্থিতধী বলেছেন:

"তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) (তাবূক যুদ্ধের) সফর থেকে প্রত্যাগমন করলেন। আমি আমার কক্ষে পাতলা কাপড়ের পর্দা টাঙিয়েছিলাম। তাতে ছিল (প্রাণীর) অনেকগুলো ছবি। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন এটা দেখলেন, তখন তা ছিঁড়ে ফেললেন এবং বললেনঃ ক্বিয়ামাতের দিন সে সব মানুষের সবচেয়ে কঠিন আযাব হবে, যারা আল্লাহ্‌র সৃষ্টির (প্রাণীর) অনুরূপ তৈরী করবে।"

গেলো বই মেলাতে আপনার লিখিত এই বইয়ের প্রচ্ছদে একটি নারী মুখের অবয়ব দেখা যাচ্ছে যা আল্লাহর সৃষ্টির অনুরূপ। তখন সম্বভত আপনি এই হাদিসটি জানতেন না। আল্লাহ আপনাকে , প্রকাশককে ও দুইজন সহ ব্লগার যারা প্রচ্ছদটি ডিজাইন ও অঙ্কন করেছেন তাদের কিয়ামতের কঠিন আযাব থেকে রক্ষা করুক। আশা করি এর জন্য আপনি বাকিদের সহ ( যদি তাঁরা কাজটিকে ভুল মেনে থাকেন) তওবা করে নিয়েছেন ইতিমধ্যে এবং পরবর্তী তে আপনার আর কোন বই বা সৃষ্টিকর্মে এমন প্রাণী অবয়ব আর একদম খুঁজে পাওয়া যাবেনা। বিদ্রোহী ভৃগুদার সেই পোস্টের ৩৪ নং কমেনটে ভুয়া মফিজ ভাই আপনার উদ্দেশ্যে ৪ টি স্পেসিফিক প্রশ্ন রেখেছিলো, তার সব গুলোর উত্তর এখানে নেই, হয়তো অন্য কোন পোস্টে পাওয়া যাবে।

১৮| ০১ লা ডিসেম্বর, ২০২০ রাত ১:০৯

কানিজ রিনা বলেছেন: চাঁদগাজী না বুঝে শুনে ধর্মীয় পোস্টে কেন মন্তব্য করতে আসে? সৌদির মানুষ আর বাংলাদেশের মানুষের কি হাত পাও নাক চোখ মুখ আলাদা করে সৃষ্টি করা হয়েছে?
তাছাড়া সৌদির মানুষজন কি কোরআনের হাদিসের সবকিছু মেনে চলে?
অসংখ্য অসংখ্য আন্তরিক অভিনন্দন ও ধন্যবাদ সুন্দর পোস্ট দেয়ার জন্য। এবং মন্তব্যগুলো পড়ে অনেক ভালো লাগলো।

০৮ ই ডিসেম্বর, ২০২০ সকাল ১০:০৭

নীল আকাশ বলেছেন: দেরি করে ফেরার জন্য দূঃখিত।
উনার ধর্মীয় বিষয়গুলি নিয়ে চুল্কানীর স্বভাব আছে। ইসলাম আল্লাহ এবং মহানবীকে অনুসরন করতে বলেছে।
সুনির্দিষ্ট কোন দেশের মানুষকে অনুসরণ করতে বলেনি।
পোস্ট আপনার ভালো লেগেছে দেখে খুশি হলাম।
ভালো থাকবেন, শুভ কামনা।

১৯| ০১ লা ডিসেম্বর, ২০২০ রাত ১:৩১

চাঁদগাজী বলেছেন:



@কানিজ রিনা ,

আরবের বেদুইনরা ভালো মানুষ নন, এরা মিথ্যুক ও জল্লাদ; তাদের সমস্যার শেষ নেই।

২০| ০১ লা ডিসেম্বর, ২০২০ রাত ২:৩৫

নেওয়াজ আলি বলেছেন: অত্যল্প জ্ঞানগর্ভ পোষ্ট এবং মন্তব্য । যদিও একজনের মন্তব্য বড় বেমানান ।

০১ লা ডিসেম্বর, ২০২০ সকাল ৯:২৭

নীল আকাশ বলেছেন: ধন্যবাদ। আমি যৌক্তিক আলোচনা করা পছন্দ করি।
উনি যদি সত্যই জানতে চান তাহলে আমি চেষ্টা করবো উনাকে সঠিক অনেক বিষয় জানাতে।
জ্ঞান নিজের ভিতরে গোপন করে রাখার বিষয় নয়।

২১| ০১ লা ডিসেম্বর, ২০২০ রাত ৩:৫৮

এ আর ১৫ বলেছেন: সিয়াসিত্তার লেখকগণ কেউই কোরান শরিফের আয়াত গুলোকে হাদিসের বিশুদ্ধতা নিরুপনের মাধ্যম বলে গণ্য করেন এবং অনেক সহি হাদিস যেগুলোর উপর ভিত্তি করে শরিয়া আইণ বানানো হয়েছে, পরে সেগুলো প্রমাণিত হয়েছে কোরান বিরুধি।

০১ লা ডিসেম্বর, ২০২০ সকাল ৯:২৫

নীল আকাশ বলেছেন: আপ্নি এই মন্তব্য কোথা থেকে পেয়েছেন সেটা যথাযথ সূত্র উল্লেখ করুন।
আপনি সিহা সিত্তার সব লেখকদের বিরুদ্ধে গুরতর অভিযোগ এনেছেন।

২২| ০১ লা ডিসেম্বর, ২০২০ ভোর ৬:২১

একজন মুসলিম বলেছেন: @ফটিকলাল- মৃত্যুর ২০০ বছর পর ! সাহাবাগনের সহিফা(collections) কোথায় গেল? তাঁদের কাজ কে মূল্যায়ন করবেন না?

২৩| ০১ লা ডিসেম্বর, ২০২০ সকাল ৯:২৩

নীল আকাশ বলেছেন: @স্থিতধী'কে বলছিঃ
আমি ইচ্ছে করেই আপনার দেয়া ১৭ নাম্বার মন্তব্যের কোন প্রতি উত্তর দেইনি।
প্রথমতঃ আপনার এই মন্তব্য আমার এই পোস্টের সাথে সর্ম্পূণ অপ্রাসঙ্গিক এবং অপ্রয়োজনীয় সর্ম্পূণ ব্যক্তিগত আক্রমণ করে করা একটা মন্তব্য। যেহেতু একই ধরণের একই টাইপের ব্যক্তি আক্রমণমূলক মন্তব্য আপনি পর পর দুইটা জায়গায় করেছেন তাই সেটা কোনভাবেই ভুল করে করেন নি, এইগুলি ইচ্ছেকৃত। এবং আপনি নতুন কোন ব্লগারও নন, বিগত চারবছর ধরেই আপনি ব্লগীং করছেন। সুতরাং ব্লগের রুলস অবশ্যই আপনার জানা উচিত।

দ্বিতীয়তঃ আপনি অন্য পোস্টের আরেকজন ব্লগারের মন্তব্য এখানে টেনে নিয়ে এসেছেন যেটা সেই পোস্টদাতাকে উল্লেখ করা করা হয়েছে। ব্লগ সর্ম্পকে নূন্যতম জ্ঞান থাকলে এটা আপনি জানতেন যে ব্লগার ভুয়া মফিজ ভাই সেই ৩৪ নাম্বার মন্তব্যে পোস্টদাতার সাথে কথা বলেছেন, এবং ৪টা পয়েন্ট উল্লেখ করে সেটাতেই আলোচনা করার জন্য অনুরোধ করেছেন। উনি আমাকে সুনির্দিস্ট করে (@ নীল আকাশঃ দিয়ে) মন্তব্য করেছেন ৩৬ নাম্বার মন্তব্যে। কিন্তু ইচ্ছে করেই আরেকজন ব্লগারের মন্তব্য আপনি এখানে টেনে নিয়ে এসেছেন। ব্লগার ভুয়া মফিজ ভাই যদি প্রয়োজন মনে করতেন তাহলে উনি আমাকে এখানে এসে নিজেই মন্তব্য করতেন। আরেকজনের মন্তব্য আপনি কেন এখানে টেনে নিয়ে এসেছেন? এরসাথে ব্লগের সিনিয়র দুইজন ব্লগারকেও এর সাথে সংশ্লীট করে অপ্রাসঙ্গিক এবং অপ্রয়োজনীয় সর্ম্পূণ ব্যক্তিগত আক্রমণ করে মন্তব্য করেছেন।

আপনার এই মন্তব্য ব্লগের রুলস ভঙ্গ করেছে বলেই আমি মনে করছি।

২৪| ০১ লা ডিসেম্বর, ২০২০ সকাল ১১:১৪

এ আর ১৫ বলেছেন: আচ্ছা আমার কাছে অনেক উদাহরন আছে , প্রথমে একটা নিয়ে আলোচনা করি ।
ইসলাম ধর্ম ত্যাগকারি মুরতাদকে হত্যা করার বিধান আছে শরিয়া আইণে এবং সেটা একটা সহি হাদিসের উপরে ভিত্তি করে , এখন দেখুন কোরান কি বলে মুরতাদ হত্যার ব্যপারে --
মুরতাদ-হত্যার পক্ষে বিপক্ষে

২৫| ০১ লা ডিসেম্বর, ২০২০ সকাল ১১:১৫

রামিসা রোজা বলেছেন:
আপনি পরিশ্রম করে এতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে
লিখেছেন এবং পড়ে অনেক কিছু জানতে পারলাম।

ধন্যবাদ আপনাকে।

০৮ ই ডিসেম্বর, ২০২০ দুপুর ১২:০৪

নীল আকাশ বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে। এই বিষয়টা অনেকেই পরিপূর্ণ ভাবে জানে না। না জেনেই আন্দাজে সব হাদিস ঠিক না, সব হাদিস ভুল, হাদিস মানবো না এইসব বলে বেড়ায়।
এদের জবাব দেয়ার জন্য এটা লিখেছি।
কারো উপকার হলেই আমার এই কষ্ট কাজে লেগেছে।
ধন্যবাদ এবং শুভ কামনা।

২৬| ০১ লা ডিসেম্বর, ২০২০ সকাল ১১:২৩

স্থিতধী বলেছেন: ২৩ নং মন্তব্যের উত্তর;

ইন্টারেস্টিং! একজন ব্লগারের পাব্লিকলি প্রকাশিত মন্তব্য/ মতবাদ এবং তাঁর পাব্লিকলি প্রকাশিত বই কে ঘিড়ে কোন প্রশ্ন ও কৌতুহল থাকলে সেটার নাম হয় ব্যাক্তি আক্রমণ! মনে হচ্ছে যেন আমি কাউকে কারো পেশাজীবনের সফলতা-ব্যারথতা বা তাঁর একান্ত ব্যাক্তি জীবনের খুঁটিনাটি বিষয়ে প্রশ্ন তুলে আক্রমণ করে ফেলেছি! তাই কি?

আমার প্রশ্ন এখানে অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক । যে হাদিস বিষয়ে আপনি ব্লগে প্রচারণা চালাচ্ছেন তীব্র আবেগ নিয়ে এবং বাংলাদেশের মুসলমান এমনকি রাষ্ট্রকেও সেসব মেনে চলার আহ্বান জানাচ্ছেন; সে সকল বাণী আপনি আপনার সকল পাব্লিক কর্মকাণ্ডে (ব্যাক্তিগত বাদ ই দিলাম) নিজেই মেনে চলছেন কিনা সেটা নিয়ে প্রশ্ন করার অধিকার সকলের রয়েছে । কারন কারো কথা ও কাজে মিল না পেলে আমরা সেটাকে নিয়ে সঙ্গত ভাবে প্রশ্ন তুলি ।

এখানে আপানার শেয়ার করা হাদিসটিকে আমি স্পষ্ট ভাবে উল্লেখ করেই জিজ্ঞেসা করেছি যে হাদিসে ঐ নির্দেশ জানা থাকার পরও আপনি কি করে আপনার বইতে একটি আল্লাহর সৃষ্টির অনুরূপ নারী অবয়ব রাখতে পারলেন? এর একটা উত্তর আমার কাছে সম্ভব লেগেছে যে হয়তো আপনি বইটি প্রকাশের আগে এই হাদিসটি তখন জানতেন না। ব্যাস এতটুকুই! এখন আপনি এটা জানালেই পারতেন যে আপনি বুঝে নাকি না বুঝে সেই কাজটি করেছিলেন ? না বুঝে করে থাকলে হয়তো ভবিষ্যতে আপনার কথা ও কাজে কোন ব্যাতিক্রম আর পাওয়া যাবেনা। কিংবা এ নিয়ে অন্য কোন ব্যাখ্যাও আপনার কাছে থাকতে পারে। সেটা নিয়ে জানতে চাওয়া যে কোন বিবেচনাতে ব্যাক্তি আক্রমণ নয়। বিষয়টি আপনি বুঝেও না বুঝার ভান করলে অবশ্য তখন আমাকে অন্য কিছু ভাবতে হবে আপনার নিয়্যত নিয়ে।

ভুয়া মফিজ ভাই ৩৪ নং মন্তব্যে যে পয়েন্ট গুলো বলেছে সেগুলোর ই পয়েন্ট বাই পয়েন্ট উত্তর আপনার কাছে ৩৬ নং মন্তব্যে জানতে চেয়েছেন।পোস্টটি সহ মন্তব্য গুলো পাব্লিক এবং পোস্টের কন্টেন্ট পাব্লিক হওয়াতে এ নিয়ে ব্লগার দের আগ্রহ থাকা স্বাভাবিক । প্রশ্ন গুলোর উত্তর জানার আগ্রহ পাঠক ও ব্লগার হিসেবে আমার নিজেরও, তাই আপানাকে সে পয়েন্ট গুলোর কথা আমার মনে করিয়ে দেয়ানোটা কোন অবস্থাতেই অপ্রাসঙ্গিক বা ব্যাক্তিগত আক্রমণ কোনটাই হয়না । সিনিয়রিটির মতো হাস্যকর কথা বলে আমাকে ‘অপ্রাসঙ্গিক’ বা ‘ব্যাক্তিগত আক্রমণ’ বিষয়ে শেখাতে আসবেন না । ব্লগ সিনিয়রিটি দেখানোর জায়গা নয়, এখানে যুক্তি তর্ক চলে , প্রশ্ন – উত্তর ও আলোচনা চলে । প্রশ্নের উত্তর থাকলে আপনি দেবেন, না থাকলে দেবেন না। কিন্তু আমার প্রশ্ন করার অধিকারের মতো সরল বিষয়কে অযথা বক্র করে দেখানোর চেষ্টা করবেন না। ধন্যবাদ ।


০১ লা ডিসেম্বর, ২০২০ দুপুর ১:৫৮

নীল আকাশ বলেছেন: আপনি আবার চরম হাস্যকর কিছু যুক্তি নিয়ে হাজির হয়েছেন তাহলে?
আপনি প্রকাশিত বই নিয়ে কিছু বলতে চাইলে সেটা আমার বই সর্ম্পকীত পোস্টে যেয়ে মন্তব্য করবেন।
কারণ এটাকে বলে প্রাসঙ্গিকতা।

আপনার নির্বোধের মত যুক্তি মেনে চললে-
১। কেউ যদি মুভি রিভিউ লিখতে চায় তাহলে তাকে নায়ক নায়িকা ডিরেক্টর প্রযোজক হতে হবে।
২। দুর্নীতি নিয়ে কথা বলতে গেলে দূদকে চাকরী করতে হবে।
৩। ধর্মীয় পোস্ট নিয়ে কিছু বলতে গেলে তাকে টাইটেল পাস মওলানা হতে হবে।
এটাই তো বুঝাতে চাইছেন তাইনা? এইসব হাস্যকর যুক্তি নিয়ে আমার ব্লগে আর কখনই মন্তব্য করতে আসবেন না।

এত বড় দুইটা মন্তব্য করেছেন সেখানে কি আমার এই পোস্টের কোন কিছু নিয়ে লিখেছেন? একটা শব্দও?

আপনি আরেকজনের মন্তব্য এখানে টেনে নিয়ে এসেছেন কেন? নিজের কিছু বলার নেই তো এখানে এসেছেন কেন?
ভুয়া মফিজ ভাই যদি কিছু জানতে চান তাহলে উনি নিজেই এসে মন্তব্য করবেন।
উনার হাদীসের সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন তোলার জবাবই হলো এই পোস্ট।
এটা বুঝার মতো নূন্যতম জ্ঞান থাকলে এখানে এসে বেহুদা প্যাঁচাল আর বকবক করতেন না।
সেসব ব্লগার প্রাসঙ্গিক মন্তব্য করে না তাদের আমার ব্লগে আসার কোন দরকার নেই।

এখন বলুন আমার ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে কথা বলার কিংবা প্রশ্ন করার আপনি কে? হু আর ইয়ু? হাউ ডেয়ার ইউ?
আমি ব্লগে পোস্ট দিয়েছে। পছন্দ হলে পড়বেন, না হলে না পরে চলে যাবেন।
কোন মন্তব্য করলে পোস্টের বিষয়ের সাথে প্রাসঙ্গিক মন্তব্য করবেন।

২৭| ০১ লা ডিসেম্বর, ২০২০ দুপুর ১২:১২

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: স্থিতধি ভায়ার ২৬ নং মন্তব্যে সহমত।

আপনি যেখানে সহীহ হাদীস দিয়েছেন আমার ভাস্কর্য পোষ্টে, এবং হাদীসেক খুবই গুরুত্বদিচ্ছেন, এমনিক আমার মান্যতার ক্রমে
প্রথম স্থানে কোরআনের উল্লেখকে অনলি কোরআন টাইপ ট্যাগিং দিতে চেয়েছেন- সেখানে আপনার যাপিত জীবনে সেই হাদীসের বিপরীত কর্ম নিয়ে জানতে চাওয়া ব্যক্তি আক্রমন হয় কি করে?

এ কি স্ব-বিরোধীতা নয়?
সামু ফেসবুক গ্রুপে আপনি ফরিদ সাহেবকে যেভাবে অশালীন ভাষায় ব্যক্তি আক্রমন করেছেন যা প্রায় গীবত পর্যায়ে পড়ে।
এটা কি ঠিক । জানতে চাওয়া আর কাউকে হেয় করা দুটো ভিন্ন বিষয়। আশা করি বুঝতে পারছেন।


০১ লা ডিসেম্বর, ২০২০ দুপুর ২:১২

নীল আকাশ বলেছেন: আপনি তো সহমত হবেন এটা জানা কথা।
কুরআন শরীফে অন্য উম্মতদের একটা আয়াত এনে রাসুল সাল্লালাহু আলাহিস ওয়াসাল্লাম এর সরাসরি নির্দেশ অগ্রাহ্য করার জন্য ব্লগে পোস্ট দিয়েছেন। নিজের পোস্টে পাস কাটিয়ে যাওয়া ছাড়া একটা প্রশ্নেরও উত্তর দিতে পারেন নি। নিজের লেখার সপক্ষে একটাও ধর্মীয় লেখা, সূত্র, সমর্থন দেখাতে পারেন নি। আপনার লেখা নিয়ে ব্লগারদের সিদ্ধান্ত কি সেটা উপরেই দেয়া আছে।

এখন আবার আরেক বিষয় নিয়ে এসেছেন। নিজে যে পোস্ট দিয়েছেন সেটার লেখা আগে সামলান। যার পোস্ট তাকে দেখতে দিন। গ্রুপে পেজেই সবকিছু দেয়া আছে। সবাই দেখেছে, আপনার নব্য আবিষ্কার করার কোন দরকার নেই।

স্থিতধি ভায়ার ২৬ নং মন্তব্যে সহমত।
এর মানে আপনি ব্লগে কোন ব্লগারের ব্যক্তিজীবন নিয়ে কথা বলা বা প্রশ্ন করাটাকেও সমর্থন করছেন।
ব্লগের নতুন ব্লগার যারা আসছেন তারা এটাই শিখবেন আপনাদের কাছ থেকে।

২৮| ০১ লা ডিসেম্বর, ২০২০ দুপুর ১২:৫৭

ঢাবিয়ান বলেছেন: এই পোস্ট দেয়া হয়েছে সহী হাদিস চিহ্নিত করার উপায় এবং মুর্তি বাঁ ভাস্কর্য ইস্যূতে ইসলামি বিধান নিয়ে। পোস্টটি ব্লগার নীল আকাশ কতখানি ইসলাম ধর্ম পালন করেন বা না করেন তা নিয়ে নয়। ব্লগার নীল আকাশ বা অন্য যে কেউ কতখানি ধর্মীয় অনুশাষন মেনে চলেন তা একান্তই তার ব্যক্তিগত ব্যপার।

Dr. Asif Nazrul এই বিষয়ে চমৎকার একটি ফেসবুক স্ট্যটাস দিয়েছেন। তিনি বলেছেন -
ভাস্কর্য ইস্যূতে কথা বলতে গিয়ে দেশের আলেম সমাজকে কিছু মানুষ যে ভাষায় আক্রমন করছেন তা অত্যন্ত দু:খজনক। এর নিন্দা জানাই। আমাদের কথা বলতে হবে কারো বক্তব্য নিয়ে।বক্তব্যের উত্তর দেয়ার নামে বক্তার চরিত্রহনন বা তাকে হুমকি দেয়া অপরাধমূলক কাজ।

০১ লা ডিসেম্বর, ২০২০ দুপুর ২:১৮

নীল আকাশ বলেছেন: এইসব কর্মকান্ড নতুন কিছু না। এটাই এদের স্বভাব এবং চরিত্র।
এরা যখনই কেউ যুক্তিতে হেরে যাবে, যৌক্তিক প্রশ্নের কোন উত্তর দিতে পারবে না তখন এরা পোস্ট দাতার ব্যক্তিজীবন টেনে নিয়ে আসবে অসভ্যের মতো।
আমাদের কথা বলতে হবে কারো বক্তব্য নিয়ে।বক্তব্যের উত্তর দেয়ার নামে বক্তার চরিত্রহনন বা তাকে হুমকি দেয়া অপরাধমূলক কাজ।
এইসব অসভ্য এবং নির্লজ্জ বেহায়ারা দেখবেন তারপরও দিনের পর ঠিক এই কাজই করে যাবে।
ব্লগের বর্তমান অবস্থা এখন নিশ্চয় বুঝতে পারছেন!
কেন ভালো ব্লগাররা ব্লগে ছেড়ে ছেড়ে চলে গেলে আর এখানে ফিরে আসে না এবার বুঝতে পেরেছেন?
কৃতজ্ঞতা এবং শুভ কামনা আপনার জন্য।

২৯| ০১ লা ডিসেম্বর, ২০২০ দুপুর ১:১৯

রাজীব নুর বলেছেন: অহংকার ভালো নয় ভাইজান।

০৮ ই ডিসেম্বর, ২০২০ দুপুর ১২:০৬

নীল আকাশ বলেছেন: কোন জায়গা থেকে অহংকার ভাইজান এখানে টেনে নিয়ে আসলেন?

৩০| ০১ লা ডিসেম্বর, ২০২০ দুপুর ২:৩৪

কামরুননাহার কলি বলেছেন: আমার প্রথম কথা হলো- হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) কোন হাদিস লিখেননি, কাউকে লিখতে বলেননি বা কাউকে দিয়েও লেখাননি।
শুধু আমি এই টুকো জানি যে, আল্লাহ তাআলা বলেছেন, তোমরা দুটি জিনিস আকড়ে রাখে ১ কুরআন এবং ২ রাসুল (সাঃ) এর সুন্নত।

যদি বলেন সুন্নত কী? হ্যা ‍সুন্নত সেটাই- রাসুল (সাঃ) জীবনে যে কাজগুলো করেছেন, যেভাবে বলেছেন, যেভাবে প্রাক্টিক্যাল ভাবে করেছেন, সেটাই সুন্নত।

তাই হাদিস আমার কাছে অস্পর্শ কারণ রাসুল (সাঃ) এর জীবনী এবং হাদিস এই দুটোর মধ্যে রয়েছে অনেক বড় পার্থক্য। তার জীবনীর সাথে হাদিসের খুব অমিল রয়েছে।

এখন কথা হলো তার জীবনী যদি হয় আলাদা আর হাদিস যদি হয় আলাদা তাহলে আমরা কোনটা বিশ্বাস করবো?

এবার আসি কুরআনের কথায়। আপনারা অনেকেই বলেন কোরআনের আয়াতের ব্যাখ্যা হাদিসে দেওয়া আছে। এটা সত্য হলেও তা ভুলও আছে। হাদিসে এমন এমন জিনিস লেখা আছে যেটা কোরআনে এবং রাসুল (সাঃ) এর জীবনীতে লেখা নেই। তাই হাদিসে সত্যও আছে মিথ্যাও আছে। তাই আমাদের মুসলিম হিসেবে উচিত কুরআনে যেটা হাদিসে নাই সেটা বাদ দেওয়া উচিত, এবং রাসুল (সাঃ) তিনি যেটা করেননি বা বলেননি সেটা বাদ দেওয়া উচিত।

০৮ ই ডিসেম্বর, ২০২০ দুপুর ১২:১১

নীল আকাশ বলেছেন: কুরআন মজীদের শিক্ষা ও নির্দেশসমূহ ব্যক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে কার্যকর করার জন্য মহানবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) যে পন্থা অবলম্বন করেছেন, তাই হচ্ছে হাদীস।
হাদীস সমূহও যে ওহীর সূত্রে প্রাপ্ত এবং তাশরী’আতের অন্যতম উৎস সেটা পবিত্র কুরআন শরীফেরই উল্লেখ করা আছেঃ-
১। “আর তিনি মনগড়া কথাও বলেন না, এতো ওহী যা তাঁর প্রতি প্রত্যাদেশ হয়” (৫৩:৩-৪)

আরেকটা গ্রুরুত্বপূর্ণ বিষয় মনে রাখবেন, জয়ীফ বা মিথ্যা বা ভুল বা পরিবর্তিত হাদিস কোন হাদিস নয়। এরা সর্বদাই পরিত্যাজ্য।

৩১| ০১ লা ডিসেম্বর, ২০২০ দুপুর ২:৪১

অগ্নিবেশ বলেছেন: নীল পরি ধরা খাইছে।

০৮ ই ডিসেম্বর, ২০২০ দুপুর ১২:১৩

নীল আকাশ বলেছেন: পাগলামী ছাগলামী অন্য কোথাও যেয়ে করবেন?
আমার ব্লগ কোন মানসিক হাসপাতাল না।
নীল পরি কে? কার কথা কার জায়গায় নিয়ে এসেছেন?
যার ব্লগের কথা তার ব্লগে বলে আসবেন।

৩২| ০১ লা ডিসেম্বর, ২০২০ দুপুর ২:৫১

ফটিকলাল বলেছেন: @একজন মুসলমান, কমেন্টে আমি সে দুজন সাহাবীর নাম উল্লেখ করেছি। যদিও পুরো নাম তাদের মনে নেই এবং তাদের সেসব ডকুমেন্ট বিলুপ্ত। শুধু মাত্র কোরানের কিছু করি পাওয়া গেছে ইয়েমেন যাকে সানা’র পান্ডুলিপি হিসেবে ডাকা হয়। আরও যেগুলো আছে তার মধ্যে বার্মিংহামের পান্ডুলিপি আরেকটা তুরস্কের মিউজিয়ামে সংরক্ষিত আছে


@নীল আকাশ

বুখারী রাঃ যখন হাদিস সংগ্রহ করেছেন তখন তিনি এটাও পরখ করতেন সেই হাদিসবর্ননাকারী তা পালন করছে কিনা। একবার এক বৃদ্ধ হাদিস উদ্ধৃতি করতে করতে তার সওয়ার ঘোড়ার সাথে খুব খারাপ এবং বেঈনসাফী করলেন। বুখারী রাঃ তাকে সরাসরি কিছু না বললেও তার উল্লেখিত হাদিস তিনি গ্রহন করেননি। ব্লগার স্থিতধি সাহেব ঠিক সেটাই বলেছেন আপনার লেখা বইয়ের প্রসঙ্গে যেখানে আপনি পুরো জাতির জন্য একজন বেপর্দা নারীর প্রচ্ছদে আঁকা বই সবার মধ্যে ছড়িয়ে দিচ্ছেন কিন্তু আপনি সবাইকে হাদিসের জ্ঞান দেন। এটা বুখারী রাঃ এর পরীক্ষিত হাদিস সংগ্রহের মানদন্ডের কথাই মনে করিয়ে দেয়। আপনি পুরো জাতীকে আপনার লেখা বইয়ের বেপর্দা প্রচ্ছদ যা মূলত এক নারী অবয়ব সেটা কিন্তু পুরোপুরি আপনার উল্লেখিত হাদিসের বিরোধী হয়।

অথচ ব্লগার ঠাকুর মাহমুদের পোস্টে আপনি আমার মন্তব্যের উত্তর না দিয়ে আমাকে মাল্টিনিক বললেন যেটা মূলত এডহোমিনেম ফ্যালাসী বা বযাক্তি আক্রমনাত্মক। ঠাকুর মাহমুদ সাহেব হেফাজতের জঙ্গি গোষ্ঠিকে মৌলবাদী এবং তাদের সমর্থককে শয়তান বলায়(কারন তারা সুরা বাকারার ফেতনা সম্পর্কিত আয়াত অনুসারে) উল্টো আমার বিরুদ্ধে ব্যাক্তিআক্রমনের অভিযোগ আনেন।

এটা তো সিন্ডিকেটবাজিরই ইঙ্গিত। যখনই কোনো যুক্তির আদলে শঠতা প্রকাশ পায় সেটা নিয়ে কথা বললেই উল্টো অভিযোগ করাটা হাস্যকর মনে হচ্ছে।

০২ রা ডিসেম্বর, ২০২০ দুপুর ২:৪৯

নীল আকাশ বলেছেন: আপনি উপরে আমাকে আপনার মনের দ্বিধা এবং সংশয় কাটানো জন্য অনুরোধ করেছিলেন।
আমি এক এক করে সেই সব সংশয় নিয়ে আপনাকে ডকুমেন্ট দেবো। মনোযোগ দিয়ে সেইগুলি পড়বেন।
আজকে প্রথমেই পবিত্র কুরআন শরীফের সাত আহরুহ নিয়ে কিছু লেখা দিচ্ছি।
আপনি একদম প্রথম মন্তব্যে এটার কথা উল্লেখ করেছেন।
একটা লিংক দিচ্ছি। ভাল করে পড়বেন। ইবন তাইমিয়া রাহমাতুল্লাহি আলাইহি'র লেখা।
পড়ার পর জানাবেন দ্বিধা কেটেছে কিনা।
কুরআনের ৭ হারফ এবং ১০ কিরাআত - ইবন তাইমিয়া রাহমাতুল্লাহি আলাইহি

এটা শেষ হবার পর বাকিগুলি নিয়ে আবার ফিরবো আপনার কাছে।
ধন্যবাদ।

৩৩| ০১ লা ডিসেম্বর, ২০২০ বিকাল ৩:৩৫

মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন:
আসল সমস্যা হল আমরা কোরআন ও হাদীস ভালভাবে না জেনে না বুঝেই নিজস্ব মতামতটাই প্রাধান্য দিচ্ছি বা যেটা আমাদের পক্ষে যায় সেটাই টেনে আনছি তাইতো সমস্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে।

ভাস্কর্য নামে মূর্তি কিংবা মূর্তির নামে ভাস্কর্য চালিয়ে দেওয়া এবং এর পক্ষে ধর্মকে দাড় করানো যুক্তিহীন নিন্দনীয় কাজ।

সবাইকে আল্লাহ হেদায়েত দান করুন।

০৮ ই ডিসেম্বর, ২০২০ দুপুর ১২:১৬

নীল আকাশ বলেছেন: ভাইরে এটা না বুঝে না, ইচ্ছেকৃত। এরা সবই বুঝে, বুঝে শুনেই এইসব কাজ করে। কোনটা ভাস্কর্য আর কোনটা মূর্তি এরা খুব ভালো করেই জানে।
আর তাই এইসব নোংরামী কাজে প্রতিবাদ করলেই শুরু হয়ে যায় পাঠাদের ব্যক্তি আক্রমণ।
যুক্তি তর্কে না পারলেই ব্যা ব্যা............

৩৪| ০১ লা ডিসেম্বর, ২০২০ বিকাল ৩:৪৪

এ আর ১৫ বলেছেন: আমি বুঝলাম না ওনার লেখা বইয়ের প্রচ্ছদের সমস্যা কি । বইটি সম্ভবত একটি মেয়ের জীবন কাহিণী যার নাম শবনম তাই একটা মেয়ের ছবি তো থাকতেই পারে প্রচ্ছদে ।

০৮ ই ডিসেম্বর, ২০২০ দুপুর ১২:২০

নীল আকাশ বলেছেন: বাদ দিন ভাই। এরা যখন যুক্তি তর্কে হেরে যাচ্ছে তখন নিয়ে এসেছে ব্যক্তিগত বিষয়!
পবিত্র কুরআনের অন্য উম্মতদের আয়াত এরা মানবে কিন্তু নিজের নবীর সহী হাদিস এরা মানবে না।
সহী হাদিস কাকে বলে এটা নিয়ে পোস্ট অথচ দেখুন সেটা বাদ দিয়ে অজস্র অপ্রয়োজনীয় মন্তব্য।
ব্লগে সবার কাছে ভন্ডামী ধরা পরে গেছে দেখে মাথা খারাপ হয়ে গেছে।

৩৫| ০১ লা ডিসেম্বর, ২০২০ বিকাল ৪:১২

মেটালক্সাইড বলেছেন: @পোস্টের জন্য
"হাদীসে কুদসি" বিষয়ে স্বল্প হলেও বিররণ প্রয়োজন ছিল। এটি এই পোস্টের বড় মাইনাস পয়েন্ট। লেখায় হাদীসের মান যাচাইয়ের বিশ্লেষণে তাফসীরের বিষয়টি অতীব প্রাসঙ্গিক এবং বিশুদ্ধ হাদীস ও অন্যান্য বিষয় ছাড়া তাফসীর অসম্ভব।
বাংলা ভাষায় তাফসীর করার তেমন পান্ডিত্য নাই বলতে গেলে। তবে আবুবকর যাকারিয়া কিং ফয়সালের অনুদানে যে তাফসিরটি করেছেন সেটি সকল ব্লগারকে বিনীত অনুরোধ পড়ার জ্ঞান আহরণের জন্য। অন্তত আবুবকর যাকারিয়ার মেধার পরিচয় পাবেন তার বাংলা লেখনীর মধ্যে।

@পোস্ট পঠিতদের জন্য
লেখককে এভাবে হেয় করা আমার কাছে খুবই দৃষ্টিকটূ লেগেছে। বিনীত অনুরোধ ব্যক্তিগতভাবে গ্রহণ করবেন না। আমি এই ব্লগের কাউকে চিনি না ও জানি না।
কিছু সত্য ঘটনা লেখকের জন্য ঢাল হিসেবে দিচ্ছি।
রাসূলের চাচা হামজা ইবনে আবদুল মুত্তালিবকে হত্যা করেছিল হাবশী দাস ওয়াসি তার মালিক হিন্দ বিনতে রাবিয়াহ নির্দেশে। কারণ হিন্দের পিতা উতবাহ ইবনে রাবিয়াহ বদর যুদ্ধে হযরত হামজা রঃ কর্তৃক নিহত হয়েছিলেন। আর হিন্দের স্বামী আবু সুফিয়ান ছিলেন রাসূলের দুশমন কাফেরদের প্রথম সারির নেতা।
মক্কা বিজয়ের পর সর্বশ্রেষ্ঠ মানব হযরত মুহাম্মদ সঃ অন্য সবার মত তার চাচার হত্যাকারীদের অন্তর থেকে ক্ষমা করে দেন আর আল্লাহর কাছে তাদের জন্য হেদায়েত প্রার্থনা করেন। পরম দয়াময় সুবহানুওয়াতায়ালা রাসূলের প্রার্থনা মঞ্জুর করেন এবং সেই বিশেষ তিন ব্যক্তি মুমিন হিসেবে পৃথিবী থেকে বিদায় নেন পরবর্তীতে।

অনেকের জানা থাকা সত্ত্বেও ঘটনাটি এই কারণে উল্লেখ করেছি রাসূল সঃ ছাড়া আমরা সবাই অপরিপূর্ণ মানুষ। ইসলামকে পাশে রেখে আমরা যদি রাসূলের ব্যক্তিগত মানবিক, সামাজিক, পারিবারিক, রাষ্ট্রীয় চারিত্রিক গুণগুলো পর্যালোচনা করি তাহলে যে কেউ এমনকি একজন নাস্তিক পন্ডিত পর্যন্ত নির্দিধায় স্বীকার করবেন যে, একজন মানুষের মধ্যে এত গুণের সমাহার হবে তখনই যখন
তিনি মহামানব হবেন এবং হয়েছে সেটাই।

কারো ব্যক্তিগত দোষ ত্রুটি গোপন করে রাখা কিন্তু ভদ্রতা ও শিক্ষিত আদব হিসেবে মানা হয় এবং ইসলাম আমাদের এটাই শিক্ষা দেয়।

@লেখকের জন্য
কপি পেস্ট না হয়ে (ক্ষমা করবেন শব্দের জন্য) যদি আপনার ব্যক্তিপ্রসূত লেখা হয় তাহলে সাধুবাদ আপনার জন্য। লেখার মধ্যে স্তরবিন্যাস ও সংযোজন খুব ভাল হয়েছে। তবে আমার মত সবাই একটি বিষয় অনুধাবন করেছেন, স্বল্প পান্ডিত্যর সীমাবদ্ধতা। আশা করি ভবিষ্যতে সীমাবদ্ধতাটুকু কাটিয়ে উঠবেন ও অর্জিত জ্ঞানকে লেখার ভেতর প্রতিফলন ঘটাবেন।

ধন্যবাদ@সবাইকে।

০১ লা ডিসেম্বর, ২০২০ বিকাল ৪:৫৫

নীল আকাশ বলেছেন: ধন্যবাদ এত কষ্ট করে এত বড় একটা মন্তব্য করার জন্য।
আমি শুধু হাদীসে কুদসী না বরং কাওলী, ফে'লী, তাকরীরি হাদীস কাকে বলে সেটাও উদাহরন সহ লিখতে চেয়েছিলাম। কিন্তু লেখার সাইজ বড় হয়ে যাচ্ছে লেখার পরেও কেটে বাদ দিয়ে দিয়েছি। সনদ মতন কি সেটাই জানে না অনেকে হাদীসে কুদসী ব্যাখ্যা করতে গেলে আরো জটিলতা সৃষ্টি হবে।
লেখার মাঝে শুধু হাফিস ইবন হাজার আসকালানীর অংশ হুবুহু দেয়া হয়েছে। কারণ এখানে কোন ভুল হলে বিপদ। বাকি সব অংশ আমার হাদীস নিয়ে বড় একট লেখা লিখছি সেখান থেকে নিয়েছি।
আমি শিখছি এখনও এবং ইসলাম নিয়ে শেখার কোন শেষ নেই। লেখার মাঝে সীমাবদ্ধতা কোথায় ছিল বলে দিলে ভালো হতো।
ধন্যবাদ।

৩৬| ০১ লা ডিসেম্বর, ২০২০ বিকাল ৪:৩১

ফটিকলাল বলেছেন: @মেটালক্সাইড সাহেব

“কারো ব্যক্তিগত দোষ ত্রুটি গোপন করে রাখা কিন্তু ভদ্রতা ও শিক্ষিত আদব হিসেবে মানা হয় এবং ইসলাম আমাদের এটাই শিক্ষা দেয়।“

সুন্দর উক্তি ছিলো এটি এবং এই কথাটি বলেই মাদ্রাসার শিশুদের ধর্ষন ধামাচাপা দেয়া হয়। বিষফোঁড়া বই সহ নানা ধর্ষিত মাদ্রাসার শিশুদের ইন্টারভিউতে এরকম কথা সমৃদ্ধ হাদিস উঠে এসেছে যেখানে তাদের সিনিয়র ও শিক্ষকরা রাতের আঁধারে এমন ধর্ষন করতো।

এক্ষেত্রে সবাইকে জ্ঞান দেবার আগে নিজেকে শুধরালেই কিন্তু এসব হাদিসের অপব্যাবহার রোধ করা যায় রাসুল সাঃ এর জীবনাদর্শ উৎকৃষ্ট রূপে পালন করা যায়, তাই না?

৩৭| ০১ লা ডিসেম্বর, ২০২০ বিকাল ৫:১৫

মেটালক্সাইড বলেছেন: @ফটিকলাল,

সম্মানিত ব্লগার, আমার যদি বুঝতে ভুল না হয় সম-সাময়িক ঘটনাপ্রবাহ ও ব্যক্তি বিশেষের কারণে আপনার কাছে কি ইসলাম প্রশ্নবিদ্ধ নাকি এর বিধি-ব্যবস্থা যেমন আয়াত,হাদিস বা সাহাবা ও তাদের উত্তরসূরিদের কর্মপ্রবাহ প্রশ্নবিদ্ধ?

এটা ব্লগ আর আমি একজন পাঠক ব্লগার। এই লেখাটি এড়িয়ে যায়নি কারণ হচ্ছে, কিছু শব্দগুচ্ছের জন্য। প্রারম্ভেই লেখক সিহা সিত্তাহ গ্রন্থের কথা উল্লেখ করায়। স্বাগতম জানানো হয়েছে যুক্তি তর্ক ও আলোচনাকে। অথচ ৩৬টি মন্তব্য সিত্তার বইগুলো নিয়ে কেউই কিছু বলছে না। ভিন্ন ভিন্ন বিষয় উঠে আসছে।
৩৫নং এ আমি সেই বিষয়টির দিকে ইংগিত করেছি।

ট্রাম্পের নির্বুদ্ধিতার জন্য যেমন আমেরিকানরা বেকুব হয়ে যায়নি ঠিক তেমনি সমষ্টিগত কিছু মানুষের কর্মকান্ডের জন্য ইসলাম নষ্ট হয়ে যায়নি। আমি, আপনি বা অন্যরা চাইলে বা না চাইলেও ব্রক্ষ্মান্ড ধবংস হওয়ার পূর্বপর্যন্ত ইসলামের অস্তিত্ব থাকবে।

এই মহা সত্যটা একমাত্র বর্তমান ইহুদি জাতি অন্তর থেকে অনুধাবন করতে পেরেছে। বাকিরা ম্যাওপ্যাওর পিছনে দৌড়চ্ছে।

৩৮| ০১ লা ডিসেম্বর, ২০২০ বিকাল ৫:২৮

ফটিকলাল বলেছেন: “এক্ষেত্রে সবাইকে জ্ঞান দেবার আগে নিজেকে শুধরালেই কিন্তু এসব হাদিসের অপব্যাবহার রোধ করা যায় রাসুল সাঃ এর জীবনাদর্শ উৎকৃষ্ট রূপে পালন করা যায়, তাই না?”

@মেটালক্সাইড

আমার মন্তব্যের শেষের লাইনটিই কিন্তু এর উত্তর দিয়ে দিয়েছে। আবারও অনুধাবন করার অনুরোধ করছি।

৩৯| ০১ লা ডিসেম্বর, ২০২০ বিকাল ৫:৪৩

স্থিতধী বলেছেন: জনাব নীল আকাশ, আপনি মন্তব্য পড়ে উত্তর দেন নাকি আগে দেখেন যে কে মন্তব্য করেছে তার পর কিছু একটা রেডিমেড উত্তর দিয়ে দেন? কারন মন্তব্যে ভালোমতো পড়ে নিয়ে উত্তর দিলে তো এমন অত্যন্ত অদ্ভুত অর্থহীন প্রতি উত্তর দেয়ার কথা নয়! আপনি যে তিনটি পয়েন্ট ২৬ নং কমেণ্টের প্রতিউত্তরে লিখলেন তার একটিও আমার মন্তব্য গুলোর বক্তব্যের ধারে পাশেও যাচ্ছেনা ।

প্রথমত আপনার এই লেখাটি বিদ্রোহী ভৃগুদার পোস্টের বিপরীতে করা একটি পোস্ট, যার কারনে আপনি সেই পোস্টের কমেন্টে গিয়েও এই পোস্টের উল্লেখ করে আসছেন। যেহেতু আমিও ওই পোস্টের পাঠক ও আলোচকদের মাঝে ছিলাম তাই স্বাভাবিকভাবেই আপনার এই পোস্ট টীও আমাকে আকর্ষণ করবে এবং এখানে আমি কাঙ্খিত উত্তর খুঁজতে চলে আসি।

১৭ নং মন্তব্যে আমি বুখারী শরিফের অধ্যায় ৯১, হাদিস নং ৫৯৫৪, যে হাদিসটি উল্লেখ করেছি সেটা আপনার এই লেখাটি থেকেই নেওয়া ঠিক যেই হাদিসটি আপনি বিদ্রোহী ভৃগুদার পোস্টেও শেয়ার করেছিলেন । তাই অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক ভাবেই আমি সেই হাদিসটির সূত্র ধরেই আপনাকে প্রশ্ন করেছি যে আপনার ঐ বইটি প্রকাশের সময় আপনি কি এই হাদিসটি জানতেন নাকি জানতেন না? তার মানে প্রশ্নটি এই হাদিস কেন্দ্রিক, যা এই পোস্টেই লেখা আছে, অর্থাৎ এটি পোস্ট থেকে অপ্রাসঙ্গিক কোন বিষয় নয়। দ্বিতীয়ত, আপনার বইটিও প্রাসঙ্গিক হয়ে যায় যেহেতু সেটির প্রচ্ছদে আল্লহর সৃষ্টির অনুরূপ এক নারী অবয়ব আছে যা এই হাদিসের একটি বিষয়ের মাঝে পড়েছে । এখন কোন যুক্তিতে আপনি এটিকে অপ্রাসঙ্গিক ব্যাক্তি আক্রমণ বলছেন? আপনার বইটি কি পাব্লিক লি প্রকাশিত হয়নি? সেটি কি এই ব্লগেই সব ব্লগারের সাথে এ বছর পাব্লিকলি রিভিঊড হয়নি? আপনি কি কেবলমাত্র আপনার পরিচিত, বন্ধুবান্ধবদের কে ডেকে বাড়িতে ঐ বইয়ের পাঠ চক্র বসিয়েছিলেন ? তা তো নয় ! তাহলে এই বই নিয়ে ঐ হাদিসের ই প্রসঙ্গে কথা বলা কোনভাবেই আপনার ব্যাক্তি জীবন নিয়ে আক্রমণ হতে পারেনা । আবার কেউ কেউ তো দেখি ওর মধ্যে হুমকিও খুজে পাচ্ছে! অথচ আমি উল্টো দোয়া করেছি যে আল্লাহ যেনো আপনাকে কেয়ামতে ঐ কাজের জন্য আযাব না দিয়ে বসেন। সেটাতে কেউ কেউ হুমকি দেখছে , তাঁদের কল্পনাশক্তিকে সালাম!

আমার প্রশ্ন টা অত্যন্ত সোজা সাপ্টা ছিলো, আপনি নিজে যদি একজন সরল মনের ধার্মিক ব্যাক্তি হতেন তবে এর উত্তর দিতে গিয়ে আপনার এতো অহেতুক কথা প্যাঁচানোর প্রয়োজন পড়তোনা । আপনি বলতেই পারতেন যে আপনি হাদিসটি তখন জানতেন না, কিংবা আপনার এ নিয়ে ভিন্ন রকম অন্য ব্যাক্ষ্যা অথবা এটি জায়েজ করে এমন ভিন্ন কোন হাদিস/ ফতোয়া ই আছে হয়তো যা আমরা জানি না । আবার যেহেতু পোস্ট টি বিদ্রোহী ভৃগুদার পোস্টের একটি রিয়েকশন, সেখানে ভুয়া মফিজ ভাইয়ের সব প্রশ্নের উত্তর এই পোস্টে না পাওয়ায় আমি আপনাকে ওনার বাকি প্রশ্ন গুলো সম্পর্কে মনে করিয়ে দিই কেবল এই আশায় যে আপনি হয়তও সব প্রশ্নের ই উত্তর অন্য পোস্টে দিয়ে দিবেন । ওটীও অপ্রাসঙ্গিক? ব্যাক্তি আক্রমণ!

খুব সাধারণ কিছু প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়ে আপনার এমন অহেতুক ক্ষেপে যাওয়াটা ইঙ্গিত দেয় যে আপনি আপনার কাজ নিয়ে স্বচ্ছ নন । মানুষ মাত্র- ই ভুল করে, নিজেকে একজন সাধারণ মানুষ ভাবলে আপনি হয় বিনয়ের সাথে নিজের ভুল শোধরানোর কথা বলতে পারতেন অথবা আল্লাহর সৃষ্টির অনুরূপ ছবি- ভাস্কর্য বিষয়ে কখন কোথায় কিভাবে আমরা ব্যাতিক্রম হতে পারি সে নিয়ে ব্যখ্যা দিতেন । তবে যেহেতু আপনি নিজেকে নির্ভুল ও প্রশ্নের উর্ধে জ্ঞান করছেন, তাই হয়তো সামান্য প্রশ্নতেই আপনাকে এভাবে বিচলিত, রাগান্বিত হতে হচ্ছে।

৪০| ০১ লা ডিসেম্বর, ২০২০ বিকাল ৫:৪৬

মেটালক্সাইড বলেছেন: @লেখকের জন্য,

আপনার বিশ্লেষণটির সময়কাল হচ্ছে এর সীমাবদ্ধতা।
ইতিহাস থেকে যেটুকু জানা যায়, মোটামোটি সমস্ত হাদীদ সংকলন হয়ে যাওয়ার পর বিখ্যাত মুহাদ্দিসগণ মান নির্ধারনের জন্য একাডেমিকভাবে এই পদ্ধতিতে সমস্ত সালাফগণ সম্মত হয়েছিলেন।
তাহলে রাসূলের জীবদ্দশা,খোলাফায়ে রাশেদীন,তাবেঈ ও তাবে তাবেঈনদের সময় কি হাদিসের মান নির্ধারণ হয়নি?

দুটি পর্যায়কালে বিভক্ত হয়ে যাবে আপনার লেখা যদি শিরোনামকে অর্থবহ করে রাখতে চান।

আমি শিখছি এখনও এবং ইসলাম নিয়ে শেখার কোন শেষ নেই।
যে বিনয় এই বাক্য প্রকাশ পাচ্ছে ঠিক এই একটি শিক্ষা হচ্ছে ইসলামের অর্থ - মহান প্রতাপশালী সর্বশক্তিমান সৃষ্টিকর্তার সামনে নিজেকে বিনিতভাবে আত্নসমর্পণ কর।
পৃথিবীর বিখ্যাত সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের রিলিজিয়ন মনীষীরা ইসলাম ধর্ম গবেষণা করে ঠিক উপরোক্ত অর্থটাকে সঠিক বলেছেন।

০২ রা ডিসেম্বর, ২০২০ সকাল ১০:০৫

নীল আকাশ বলেছেন: শুভ সকাল,
আপনার মন্তব্য গতকালকেই পড়েছিলাম কিন্তু ব্যস্ততার কারণে ফিরতে পারি নি।
রাসূলের জীবদ্দশা,খোলাফায়ে রাশেদীন,তাবেঈ ও তাবে তাবেঈনদের সময় কি হাদিসের মান
আপনি যে সময়কালে বিষয় উল্লেখ করেছেন, সেটা নিয়ে কিন্তু পোস্টে একটা অংশ উল্লেখ করেছি, সম্ভবত সেটা চোখে পড়েনি।
মহাবনী জীবনদশায় তো হাদীসের শুদ্ধতার জন্য উনি নিজেই জীবিত ছিলেন। ঊনার ওফাতের পর, হযরত আবি মুসা আল-আশয়ারী (রাদীয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত আছে, ‘আমরা আছহাবে রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর কোন হাদীস সম্পর্কে অসুবিধার সম্মুখীন হলে তা সাইয়্যেদা আয়েশা রাদীয়াল্লাহু আনহা কে জিজ্ঞাসা করতাম এবং তাঁর নিকট থেকেই জ্ঞানলাভে সমর্থ হতাম।’ (জামি’ আত-তিরমিযী শরীফ)
যতদিন আহলুল বায়াতের সম্মানিত স্ত্রীগন জীবিত ছিলেন এবং নামকরা হাদীস বর্ননাকারী সাহাবী যেমন হযরত আবু হুরাইরাহ (রাদিয়াল্লালু আনহু), উম্মুল মুমিনিন হযরত আয়েশা সিদ্দিকা (রাদিয়াল্লালু আনহা), হযরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রাদিয়াল্লালু আনহু), হযরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর (রাদিয়াল্লালু আনহু), হযরত জাবের ইবনে আবদুল্লাহ (রাদিয়াল্লালু আনহু) ততদিনও হাদীসের সত্যতা বিচার করা কঠিন কোন কাজই ছিল না।
কিন্তু হযরত আলী (রাদিয়াল্লালু আনহু) এর সময়ে সিফফীনের যুদ্ধ এবং পর পর রোম সিরিয়া অভিযানে অনেক হাদীস জানা সাহাবীরা শাহাদাত বরন করেন। ঠিক তখনই হাদীস সংগ্রহ করা এবং এর বিশুদ্ধতারমান মানদন্ড তৈরি করার প্রয়োজন দেখা দেয়।
উপরে না জানা কারণে অনেকে দাবী করেছেন হাদীস লিখে রাখার প্রচলন হয়েছে অনেক অনেক পরে। অথচ হযরত আলী (রাদিয়াল্লালু আনহু), হযরত আবদুল্লাহ ইবনে ওমর (রাদিয়াল্লালু আনহু), হযরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রাদিয়াল্লালু আনহু), হযরত আনাস ইবনে মালিক (রাদিয়াল্লালু আনহু) প্রমুখ সাহাবীগণ কিছু কিছু হাদীস লিপিবদ্ধ করে নিজের কাছেই রাখতেন। হযরত আবূ হুরায়রা বলেন “আবদুল্লাহ ইবনে আমর ব্যতীত আর কোন সাহাবী আমার অপেক্ষা অধিক হাদীস জানতেন না। কারণ, তিনি হাদীস লিখে রাখতেন আর আমি লিখতাম না।”

রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)এর ওফাত কালীন ঘটনা নিয়ে আমার চারপর্বের সিরিজের কথা মনে হয় আপনি ভুলে গেছেন। ইসলামের ইলম এবং তাশরী’আতের জ্ঞান মহা মহা সমুদ্রের চেয়ে বড়।
একজীবনে সাধারন মানুষ স্বেচ্ছায় কতটুকুই বা জানতে পারে যদি মহান আল্লাহ অনুগ্রহ না থাকে।
শুভ কামনা।

৪১| ০১ লা ডিসেম্বর, ২০২০ রাত ৯:১৯

ঢাবিয়ান বলেছেন: @ স্থিতধী , নীল আকাশ তার নিজস্ব প্রতিউত্তর দেবে। তবে আপনাকে কিছু কথা না বলে পারছি না।আপনার কথা শুনে মনে হচ্ছে ইসলাম ধর্ম সম্পর্কে শুধু তারাই কথা বলতে পারবে যারা সেই ১৪০০ বছর আগেকার মত করে ব্যক্তিজীবনে কঠোরভাবে তা মেনে চলেন!! এতো অনেকটাি পাড়া গায়ের অশিক্ষিত কাটমোল্লার মত কথা হয়ে গেল।মোল্লাদের ওয়াজ না শুনে কিছু ইসলামিক স্কলারের লেকচার দয়া করে শুনলে বু্ঝতে পারবেন যে ধর্ম কেবলই শুধু কিছু আচার অনুষ্ঠান পালন নয়, ধর্মীয় আলোকে কর্মের গুরুত্ব অনেক বেশি ব্যক্তির পারিবারিক ও সামাজিক জীবনে। তাই নিজ ধর্ম নিয়ে কথা বলার অধিকার প্রতিটা মানুষের মৌলিক অধিকার।

যে কোন পোস্টে সবচেয়ে বিরক্তিকর হচ্ছে অপ্রাসঙ্গিক মন্তব্য।

৪২| ০২ রা ডিসেম্বর, ২০২০ রাত ১২:৪০

জোছনাস্নাত রাত্রি বলেছেন: পোস্ট ভাল লেগেছে কিন্তু সাথের বেশিরভাগ মন্তব্যই লেখার সাথে যুক্ত না। ব্লগে তাহলে আবার ব্যক্তি আক্রমন শুরু হয়েছে।

৪৩| ০২ রা ডিসেম্বর, ২০২০ দুপুর ২:৩৬

মেটালক্সাইড বলেছেন: @লেখকের জন্য

আন্তরিক ধন্যবাদ প্রতিউত্তরের জন্য। একটি সত্য ঘটনা বলি, বছরপূর্বে এই দেশের একজন নতুন প্রজন্মের ইসলামিক পন্ডিতকে আমি অনুরোধ করেছিলাম, মহান আল্লাহ্‌ সুবহানুতায়ালা যে পান্ডিত্য দান করেছেন তাকে সে আলোকে এই ব্লগে ইসলামিক বিষয়ে লেখার জন্য। নাস্তিক ব্লগ বলে সে ইগনোর করে। কিন্তু এই ব্লগে বিচরণ করে বুঝলাম প্রকৃত নাস্তিক এই ব্লগে খুব কম। তাই বলে কি সবাই আস্তিক? ধার্মিক পোস্টে ক্যাচাল পাড়ার জন্য চাঁদগাজী বিখ্যাত। তাই আমি সবসময় তার লেখায় খুজি কখন সে আল্লাহ্‌ ও তার রাসূলেদের সরাসরি আক্রমণ করে। আশ্চর্য এই জায়গাটিতে তিনি খুব সংযত। বাকিরা কখনো লেজ, সুবিধা না হলে মাথা সুবিধা না হলে ম্যাওপ্যাও নিয়ে ক্যাচাল পারে।
নিজেই অনুধাবন করেছেন ইসলাম এক অতল জ্ঞানের সাগর যার সীমা নেই। তাই অনুরোধ অতি গভীরে প্রবেশ করুন সে গভীরতার অভিজ্ঞতার আলোকে পোস্ট দিন আর আমরা জ্ঞান আহরণ করি।
প্রতিউত্তর অপ্রয়োজনীয় আবারো ধন্যবাদ।

৪৪| ০২ রা ডিসেম্বর, ২০২০ দুপুর ২:৪৭

ফটিকলাল বলেছেন: মতবিরুদ্ধ কথা বললে নাস্তিক বলে ট্যাগ করাটা কি ধরনের ব্যাবহার? একজন মানুষ নাস্তিক হতেই পারে এবং নাস্তিকদের কমেন্ট যদি এতই খারাপ লাগে তাহলে ব্লক করলেই হয় বা পোস্টের উপরে দিলেই হয় যে নাস্তিকের কমেন্ট গ্রহনযোগ্য নয়।

পাব্লিক প্লেসে একজন ধার্মিকের যেমন মত প্রকাশের অধিকার আছে তেমনি সে ধার্মিক যদি ভুল করেন বা মিথ্যা অহংকারে মানুষের কটুক্তি বা তার লেখা ও কমেন্টে যদি হিপোক্রেসি প্রকাশ পায় তা নিয়ে কথা বললে নাস্তিক, বযাক্তি আক্রমণের ট্যাগ নিতে হয় তাহলে তো এর পরিনাম ভালো হবে না।

সাম্প্রতিক লালমনিরহাটে জঙ্গি জানোয়ারগুলো এক শিক্ষককে পুড়িয়েছে। ধর্মকে ঢাল বানিয়ে হত্যা খুন সহ নানা ফেতনা সৃস্টি করার আগে নাস্তিক ট্যাগ দেয়া হচ্ছে।

এটা অসুস্থ মানসিকতা এবং একটি আলোচনাকে ভিন্ন খাতে নেবার প্রবনতা।

যদি ধর্মীয় পোস্ট এমনই হয় যে লেখকের বিরুদ্ধে কথা বলা যাবে না, এবং লেখক যা বলবেন তাই ধর্ম সেটা আরো হাস্যকর হয়ে যায়।

প্রতিটি প্রতিউত্তরে দেখা যাচ্ছে লেখক বিস্তারিত জেনে উত্তর দেবেন। এর মানে কি এই নয় যে লেখক কোনো বিষয়ের ওপর বিস্তারিত না জেনেই এসব তথ্য বা মন্তব্য করছেন? তাহলে সেখানে একজন বিরুদ্ধমতের কমেন্ট নিয়ে যে আহাজারী করা হচ্ছে সেটা তো নিশ্চই লেখকের দূর্বলতার বহিঃপ্রকাশ

০২ রা ডিসেম্বর, ২০২০ বিকাল ৩:০৮

নীল আকাশ বলেছেন: আপনি শুধু শুধুই খেপে যাচ্ছেন। আমি আপনাকে কোথায় নাস্তিক বলেছি?
ব্লগে ব্লক করলেই কি সব কিছুর সমাধান হয়ে যায়? চাদ্গাজী ভাই কে কি আমি ব্লক করেছি? এত বিরক্ত করার পরেও?

আমি প্রথমেই জানতে চেয়েছি ইসলাম নিয়ে আপনার আগ্রহ কতটুকু?
কিছুক্ষণ আগেই আপনার জন্য অনেক খুঁজে একটা ভাল লিংক দিলাম পড়ার জন্য। আগে যেয়ে সেটা আসুন।
একটা জিনিস আপনাকে বুঝতে হবে। যখন ধর্মীয় বিষয় নিয়ে বলা বা লেখা হয় ,তখন সেখানে শতভাগ সর্তকতা মেনে চলতে হয় যেন কোন ভুল না হয় (আল্লাহ মাফ করুন)। প্রতিটা লেখার উপযুক্ত সার্পোটিং ডকুমেন্ট এবং সূত্র / সনদ / ফতোয়া দেয়া থাকতে হয়। এছাড়া কোন লেখা ধর্মীয় দাবী করার ঠিক না কারণ সেখানে কোন ধর্মীয় সার্পোটিং থাকে না। ভাস্কর্য নিয়ে ভিগু ভাইয়ের পোস্টে যেয়ে দেখুন কোন সার্পোটিং নেই, যার কারণে উনি আমাদের প্রশ্নের বিপরীতে পাশ কাটিয়ে যাওয়া ছাড়া আর কোন প্রতি উত্তরই দিতে পারেন নি। এইসব লেখা আদতে নিজের মনগড়া লেখা, ধর্মীয় লেখা নয় কখনই।

কোন পোস্টে লেখার বিষয়বস্তু ছাড়া অন্য কোন বিষয় ইচ্ছেকৃতভাবে নিয়ে আসা অবশ্যই অসুস্থ মানসিকতা এবং একটি আলোচনাকে ভিন্ন খাতে নেবার অপচেষ্টা। উপরে দেখুন এই পোস্টের বেশিরভাগ মন্তব্য কিন্তু হাদীস সহী কিভাবে চিনতে হয় সেটার সাথে সর্ম্পক নেই। আমি আশা করেছিলাম হাদীসের বিভিন্ন ধারা এবং ভাগগুলি আরো ভালোভাবে প্রতিমন্তব্য এ তুলে দিবো। অথচ দেখুন সেই বিষয়ে একমাত্র শ্রদ্ধেয় ব্লগার মেটালক্সাইড ছাড়া কেউ কিছুই জিজ্ঞেস করেন নি।

আপনি নিশ্চিত থাকুন। আপনার ইসলাম নিয়ে সংশয়/ডাইলেমা কাটানোর জন্য আমি আমার সর্বোচ্চ চেষ্টা করবো, বাকিটা আল্লাহর হাতে।
ভালো থাকুন সুস্থ থাকুন।

৪৫| ০২ রা ডিসেম্বর, ২০২০ দুপুর ২:৫৬

ফটিকলাল বলেছেন: আরেকটা ব্যাপার দেখলাম ব্লগার মেটালক্সাইড, জ্যোছনাস্নাত রাত্রির কোনো ব্লগ পোস্ট নেই। জ্যোছনাস্নাত রাত্রি বছর খানেক ধরে ব্লগে আছেন এবং শুধু মাত্র একজনের ব্লগেই শুধু কমেন্ট করেন ও লাইক দেন। এমনকি যে ব্লগারের পোস্টেই উনি কমেন্ট করেন ও লাইক দেন সেখানে লাইক দেয়া আইডিগুলো পরীক্ষা করলে দেখা যায় তারা শুধু নির্দিষ্ট ব্লগারের পোস্টেই লাইক কমেন্ট দিয়ে থাকেন।

দেখে মনে হচ্ছে এসব আইডি গুলো উক্ত ব্লগারের ডাই হার্ড ফ্যান এবং তখনি তিনি সমস্যায় পড়েন বা সমমনা পোস্টে কোনো কিছু বলার দরকার হয় তখনি তারা পুনরুজ্জীবিত হয়। তাদের কমেন্টের বানান ধরন সব একই রকম থাকে। এটা অবাক করার মতো। মনে হয় তারা সেম স্কুল ও সেম টিউটরের কাছে প্রাইভেটে পড়েছেন।

০২ রা ডিসেম্বর, ২০২০ বিকাল ৩:১৫

নীল আকাশ বলেছেন: আপনি সম্ভবত ব্লগার মেটালক্সাইড এর ৩৭ নাম্বার মন্তব্য পড়েন নি। উনি নিজেই বলে গেছেন যে "এটা ব্লগ আর আমি একজন পাঠক ব্লগার"। এরপর আপনার এইধরণের মন্তব্য অনভিপ্রেত।

ব্লগে সাইলেন্ট পাঠক ব্লগার আছেন অনেক, যারা শুধু পড়েন এবং যেখানে পছন্দ হয় শুধু সেখানেই অনুভূতি প্রকাশ করেন।
ব্লগে আমার যদি অনেক ডাইহার্ড ফ্যান থাকে সেটাও আমার কৃতিত্ব। কারণ আমি আমার লেখা দিয়ে তাদের মুগ্ধ করেছি।
আপনিও করুন। কে আপনাকে মানা করেছি।
আমি নিজেও ব্লগে বেশ কিছু ব্লগারের ডাইহার্ড ফ্যান।
শুভ কামনা।

৪৬| ০২ রা ডিসেম্বর, ২০২০ বিকাল ৩:৫৬

মেটালক্সাইড বলেছেন: @ফটিকলাল
এর আগে উদাসী স্বপ্ন নামে এক ব্লগার আমাকে সরাসরি জামাত বলে আক্রমণ করেছিলেন কয়েকবার অথচ তার পোস্ট বা মন্তব্যর ধারে কাছেও ছিলাম না। ব্লগের ইমেজ ঠিক রাখার জন্য পাল্টা আক্রমণ না করে এডমিনকে প্রমাণসহ অভিযোগ করেছিলাম। এডমিন ব্যবস্থা নিয়েছিলেন। এই অভিজ্ঞতার কারণে গতকাল ৩৮নং ইগনোর করেছিলাম। সেই ঘটনা আজ আবার মনে করিয়ে দিলেন।
হ্যাঁ, বিনা পোস্ট ও কয়েকমাসের আয়ু আমার আইডি আর আমি পাঠক ব্লগার লেখক নয়। আর আকর্ষণ নেই এই ব্লগের প্রতি। সপ্তাহে একটুর জন্য বুকমার্ক ক্লিক করি। ভালোলাগায় মন্তব্য করেছিলাম।
নিজের নাক কেটে পরের যাত্রা ভংগ করে ভুলে যাওয়া প্রবাদটি পুনরায় স্মরণ করিয়ে দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ।
অনেকদিন ধরে ভাবছিলাম সামহোয়্যারের বুকমার্ক ডিলিট করে দেব ।
এবার ব্লগাররা সেই কাজটা ষোল কলায় পূর্ণ করে দিলেন।

করোনা লকডাউনের পর থেকে শের শায়রী এই ব্লগে অনুপস্থিত। উনার লাস্ট আপডেট দয়া করে কেউ যদি জানান তাহলে অনেক ব্লগার খুশি হবেন।

ধন্যবাদ সবাইকে। বিদায় জানায় সমস্ত ব্লগারদের। একটি অনুরোধ, এখানে সবাই সুশীলজন। আপনাদের যার যা সামর্থ আছে তাই দিয়ে অবক্ষয়ে ধবংসিত এই জাতি ও সমাজটাকে পুনরায় আলোর মাঝে ফিরিয়ে নিয়ে আসার চেষ্ঠা করবেন।

০২ রা ডিসেম্বর, ২০২০ বিকাল ৪:৫২

নীল আকাশ বলেছেন: শের শায়রী ভাইকে আমি আপনার এই খোজার কথা জানাবো।
উনি ভাল আছেন। ধন্যবাদ আপনাকে উনার খোঁজ নেয়ার জন্য। ব্লগের অন্যতম সেরা লেখক উনি।
শুভ কামনা আপনাকে।

৪৭| ০২ রা ডিসেম্বর, ২০২০ বিকাল ৪:০৩

ফটিকলাল বলেছেন: সহী হাদিস সীরাত ফেলে এখন তেরো শতকের তাইয়িমিয়া। দুঃখিত তার নামের সাথে রহঃ বলছি না। কারন তিনি ইসলামী জঙ্গিবাদের প্রবক্তা। চেঙ্গিস খানের একমাত্র মুসলমান বংশধর ঘজন খান যখন মুসলমান সম্রাজ্যে আক্রমন করলেন তখন মুসলমানদের বাঁচাতে উনি রাজাকে আহবান জানান এই বলে যে তার পূর্বপুরুষদের সাথে চুক্তি ছিলো তারা কখনো মুসলমান সম্রাজ্য আক্রমন করবে না তার ফলশ্রুতিতে সাহায্য সহযোগিতা এবং যুদ্ধের উপকরন পাবে। কিন্তু ঘজন খান মুসলিম সম্রাজ্যে হানা দিয়ে সে চুক্তি ভঙ্গ করেছেন। কিন্তু নানা কারনে ঘজন খানের ইনভেশন থামানো যায়নি। তখন তাইয়িমিয়া আমাদিয়া ইশতিশাদী ইনঘিমাসের নামে আত্মঘাতী হয়ে ফিদায়ী অভিযানের ফতোয়া দেন যার মোট পৃষ্ঠা সংখ্যা ৪৯টি বর্তমানে মিশরে এটি সংরক্ষিত এবং নানা দেশে এক প্রকাশনা নিষিদ্ধ। যদি চান তো এর নাম দিতে পারি। এই আত্মঘাতী হওয়া বা যুদ্ধের সময় মুসলমান নারী শিশুকে ঢাল হিসেবে ব্যাবহার করে নিজেদের রক্ষা করা এবং বিধর্মী নারী শিশুকে কতল করে আত্মঘাতী হবার ফতোয়া ও জঙ্গি সালাফীবাদের সূচনা এর হাত ধরেই করেছেন।

আর যে সাতটি ডায়ালেক্টের কারন খুঁজছেন তা দুটো হাদিসে স্বল্প কথাতেই এসেছে। এজন্য গুগল স্কলার হতে হয় না। আজকাল দেখি ইসলামের সীহাসিত্তা না পড়ে গুগল করেই নিজেকে আলেম বানিয়ে ফেলছে। হাদিস দুটোর একটিতে বর্নিত সুরা ইখলাস এক সাহাবী তেলোয়াত করতে থাকলে আরেক সাহাবী ভড়কে যায় এবং সাথে সাথে নবী মোহাম্মদ সাঃ এর কাছে গিয়ে অভিযোগ করে যে কোরানের বিকৃত হচ্ছে। তখন নবী সাঃ ঐ সাহাবীকে ডেকে বলে ইখলাস সুরার তেলাওয়াত শোনাতে তখন তিনি শুনে বলে ইহা কোরানের সরিবোতকৃস্ট সূরা এবং এর ফজিলত বর্ননা করে বলেন এটাও সহী।


আরেকজায়গায় সাত টি আঞ্চলিক ভাষায় বর্নিত হবার কারন হিসেবে আমার দ্বিতীয় কমেন্টে উল্লেখিত তাফসীরের কথাটারই প্রতিধ্বনি ছিলো যাতে কোরান সবার জন্য বোধগময হয়।

আপনি ঠিক কোন কারনে এটা বুঝতে পারেননি সেটা ভেবে অবাক হচ্ছি। যেখান কোরান নিজেই দাবী করছে সবার জন্য বোধগময করার তাহলে হাদিস বানিয়ে কেনো ইসলামকে জটিলতর করছেন। বাংলা উইকিপিডিয়া কপি করে অনেকে বলছেন যে হাদিস নাকি নবী সাঃ এর জীবিতকালে লিপিবদ্ধ শুরু হয় এবং সেখানে রেফারেল্স হিসেবে মাত্র একটি বই উল্লেখ করা যেটার নাম মিশকাতুল মাসাবীহ। আমাদের নিজস্ব একটি মাদ্রাসা ও এতিমখানা থাকার সুবাদে বই আমাদের ঘরে আছে। সেখানে এসব হাদিস সংগ্রহের কথা কিছুই নেই বরংচ প্রয়োজনীয় কিছু হাদিস চ্যাপ্টার ওয়াইন ব্যাখ্যা করা।

মানুষ যখন আসল বই না পড়ে গুগল উইকিপিডিয়ার সহায়তা নেয় তখন এসব বিভ্রান্তি সৃস্টি হবেই। এবং তাতে দলবিভক্তি ফেতনার সৃস্টি হবে। আর কে না জানে আমাদের দেশে কিছু উগ্র জঙ্গি মুসলমানরা কোনো অপরাধ করার আগে এসব ট্যাগ মারতে পারদর্শী কারন তারা চায় না সমাজে তারা যে ধর্মীয় প্রভাব চালু করেছেন সেসব রক্ষা করতে হলে তাদেরকে নিকেষ করতে হবে না।

আপনি মনে করবেন না যে আমি সে দোষে দুস্ট করছি। কিন্তু ব্লগে অনেকেই এরকম অহরহ ট্যাগ করেন এমন লোকদেরকে যারা কখনো নিজের রিদ্দা বা শাতিমে রাসুলের কথা দালিলিকভাবে প্রমান করেননি। আর ইসলামে শাতিমে রাসুল বা রিদ্দার জন্য হুদুদের হ্বকদ আগায় করার জন্য এই প্রমান থাকাটা জরুরি।

আর আপনি যে লিংকটা দিয়েছেন সে সাইটের পিএইচপি ব্যাকএন্ডে সমস্যার কারনে সার্ভার কোয়েরীর সমস্যা হচ্ছে। আপনি বুয়েট পাশ যন্ত্রকৌশলের ছাত্র এবং প্রথিতযশা ফ্যাক্টরির ম্যানেজার আপনার এটা বোঝার কথা।

তাই অনুরোধ এভাবে গুগল করে দীক্ষা নেয়ার চাইতে যেকোনো ইসলামী বই পুরোটা পড়ুন। ধন্যবাদ

০২ রা ডিসেম্বর, ২০২০ বিকাল ৪:৩৯

নীল আকাশ বলেছেন: অবাক হলামঃ আর আপনি যে লিংকটা দিয়েছেন সে সাইটের পিএইচপি ব্যাকএন্ডে সমস্যার কারনে সার্ভার কোয়েরীর সমস্যা হচ্ছে।
আমি কিছুক্ষণ আগেই সেই লেখা পড়ার পরেই আপনাকে লিংক দিলাম। এখন খুলেছে না কেন?
ইবন তাইমিয়া রাহমাতুল্লাহি আলাইহি এর বিরুদ্ধে এত বড় গুরতর অভিযোগ এই প্রথম শুনলাম।
আপনার ভাষা কিছু কিছু ক্ষেত্রে এখানে বেশ আক্রমনাত্মক। উনার বিরুদ্ধে এই অভিযোগ আমি খুজে দেখবো।
আমার বাসায় ইসলামী বই প্রচুর আছে তারপর সুন্দর সাজেশনের জন্য ধন্যবাদ। আমি নিয়মিতই পড়ি।
যে কোন জায়গা থেকে সবসময় ভালটা গ্রহণ করবেন আর খারাপটা ত্যাগ করবেন।
আল্লাহ রাব্বুল আলামীন আমাদের এইজন্যই আমাদের বিবেক বলে একটা জিনিস দিয়েছেন।
ধন্যবাদ।

৪৮| ০২ রা ডিসেম্বর, ২০২০ বিকাল ৪:০৫

ফটিকলাল বলেছেন: @মেটালঅক্সাইড

হুমকির জন্য ধন্যবাদ।

৪৯| ০৮ ই ডিসেম্বর, ২০২০ দুপুর ২:৫২

কামরুননাহার কলি বলেছেন: “আর তিনি মনগড়া কথাও বলেন না, এতো ওহী যা তাঁর প্রতি প্রত্যাদেশ হয়” (৫৩:৩-৪)
এই আয়াতের সাথে হাদিসের কোন সম্পর্ক নেই। রাসূল (সাঃ) তাকে আল্লাহ হাদিস লিখতে বলেননি বা তিনিও লিখেননি এবং কাউকে লেখতেও বলেননি। রাসূল (সাঃ) যেটা করেছেন সেটাই সুন্নত, সেটাই আমরা পালন করবো। তার সুন্নতের সাথে এবং কোরআনের সাথে হাদিসের অনেক বড় গড়মিল রয়েছে। আসা করি বুজতে পেরেছেন। আপনি একবার সেটা চিন্তা করে দেখবেন। হাদিস অনেক কিছুই বলেছে সে গুলো কোরআনে কোথাও নেই বা রাসূল (সাঃ) সেটা করেননি। কিন্তু তিনি যেটা করেননি সেটা কেনো উম্মতকে করতে বলবেন। এরকম বহু হাদিস আছে যেগুলো তার কাজের সাথে মিল নেই।

১০ ই ডিসেম্বর, ২০২০ সকাল ১০:২৩

নীল আকাশ বলেছেন: শুভ সকাল।

আপনি সম্ভবত হাদিসের প্রকারভেদ নিয়ে ভালোভাবে জানেন না।
হাদীসের শ্রেণী বিভাগঃ হাদীস শাস্ত্রের পণ্ডিতগণ হাদীসকে প্রধানত তিনটি ভাগে ভাগ করেছেন-
১. কাওলী ২. ফে’লী ৩. তাকরীরি।
১) কাওলীঃ আদেশ, নিষেধ অথবা অন্যান্য যত প্রকার মৌখিক বর্ণনা আছে তাকে ‘হাদীসে কাওলী’ বলে।
উদাহরণঃ হযরত আনাস (রা.) হতে বর্ণিত হয়েছে, তিনি বলেছেন হযরত রাসূলে করীম (স.) বলেছেন- ফাসেক ব্যক্তির প্রশংসা ও স্তুতি করা হলে আল্লাহ তায়ালা অসন্তুষ্ট ও ক্রুদ্ধ হন এবং এ কারণে আল্লাহর আরশ কেঁপে ওঠে। [বায়হাকী]
এই হাদীসটি রাসূল (স.)-র একটি বিশেষ কথার উল্লেখ থাকার কারণে এটা কাওলী হাদীস।
২) ফে’লীঃ কাজ-কর্ম, আচার-ব্যবহার, উঠা-বসা, লেন-দেন সম্পর্কীয় কথাগুলোকে ‘হাদীসে ফে’লী বলে।
উদাহরণঃ হযরত আবু মুসা (রা.) হতে বর্ণিত হয়েছে, তিনি বলেছেন, আমি রাসূলে করীম (স.) কে মোরগের গোস্ত খেতে দেখেছি। (বোখারী ও মুসলিম)
এই হাদীসটিতে রাসূলের (স.)-র একটি কাজের বর্ণনা দেয়া হয়েছে এই জন্য এটি ‘হাদীসে ফে’লী’।

৩) তাকরীরিঃ অনুমোদন বা সমর্থন জ্ঞাপন সূচক হাদীস। দেখা গেছে অনেক সময় সাহাবীগণ অনেক কাজ করেছেন, যে কাজের ব্যাপারে রাসূল (স.) সমর্থন দিয়েছেন অথবা মৌনতার মাধ্যমে স্বীকৃতি দিয়েছেন, এই ধরনের হাদীসকে ‘তাকরীরী হাদীস’ বলে।

সহী হাদিস অবশ্যই মানবেন, সহী হাদিস অস্বীকার করার ঈমানের ব্যাপার।
বেশ কিছু হাদিস মহানবীর সময়েই উনার অনুমতি নিয়ে লেখা হয়েছিল।
কিছু মনগড়া হাদিস কুরআনের আয়াতের সাথে মিলে না - এদের জয়ীফ হাদিস বলে।
সহী হাদিস কখনই কুরআনের আয়াতের সাথে কনফ্লীক্ট করবে না।
সবাই যেন সহী হাদিস খুব সহ যে বেছে নিতে পারে সেজন্যই এই পোস্ট দেয়া হয়েছে।
শুভ কামনা।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.