| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
...নিপুণ কথন...
সময়ের সাথে দৌঁড়ে পারিনা, জীবনের দৌঁড়েও পিছিয়ে আমি!খুঁজে ফিরি আপন মানুষ, মাঝে মাঝে হই বেহুঁশ...হৃদয়ে অবিরাম স্বপ্ন গাঁথন, বলব আজ নিপুণ-কথন।
সার্কভুক্ত দেশগুলোর সরকারপ্রধানকে নিমন্ত্রণ করলে নরেন্দ্র মোদিকে আলাদা করে নিমন্ত্রণ করতে হবে কেন? ভারত কি সার্কের বাইরে? না।
নরেন্দ্র মোদি আসতে চাইলে দুনিয়ার কোনো শক্তি নাই তাঁকে আটকায়। মানতে কষ্ট হলেও এটাই সত্যি।
ভারত বিশ্বের চতুর্থ বৃহৎ পরাশক্তি এখন। ভারত এই অঞ্চলের আমেরিকার স্বীকৃত মিত্র, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আর তিনি দুজনেই রিপাবলিকান। রাশিয়া ভারতের দীর্ঘদিনের বন্ধু, যার প্রমাণ আমরা একাত্তরেও পেয়েছি।
বাকি রইলো চীন। চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংকে মোদি ম্যানেজ করেন রাশান প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে দিয়ে। সার্কে চীন নাই। কাজেই, চীনের প্রেসিডেন্ট আসার সুযোগ নেই।
সার্কভুক্ত দেশগুলোকে তথা ভারতকে নিমন্ত্রণ দিয়েও এখন মানা করার সাধ্য বাংলাদেশের নাই। সেটা করলে যুদ্ধ অবধারিত। ভারতের সাথে যুদ্ধ করবে বাংলাদেশ? আমার মনে হয় না। করলে এতোদিনেই করতো। এখন যদি করেও, ১ দিন টিকতে পারবে তো?
আপনাদের কি মনে হয় ভারতের সবুজ সংকেত ছাড়া ও সুসম্পর্ক ছাড়া আর রাজনীতিতে না ফেরার কথা দিয়ে বিদেশ যাওয়া তারেক রহমান ফিরতে পেরেছেন দেশে, হিন্দু ও আওয়ামী লীগের ভোট ছাড়া হয়েছেন নির্বাচনে জয়ী?
এনসিপি এখন সংসদের বিরোধী দলে। তারা না এলেও এই শপথগ্রহণ হবে। এটাই বাস্তবতা। তবে এনসিপি এমন কিছু করলে তাদের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ এখনকার চেয়েও খারাপ হতে হতে একসময় বিলুপ্ত হবে। কারণ এখানে ব্যাক্তি মোদি আসছেন না, তিনি আসছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে। তাঁকে ডিনাই করা মানে ভারতের পেটের মধ্যে থেকে ভারতকেই ডিনাই করা, যার পরিণাম সবার জানা।
দেব দুলাল গুহ (দেবু ফরিদী)
২|
১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৫৫
ঊণকৌটী বলেছেন: গত শনিবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী নিমন্ত্রণ পেয়েছিলেন কিন্তু ফ্রান্সের রাষ্ট্রপতি ম্যাক্রো ভারত সফরে আসছেন, সেই ব্যস্ততার কারণে আসছেন লোকসভার স্পিকার ওম বিরালা আর পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিশ্রি আসবে |
৩|
১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৪০
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: এসব বিষয় নিয়ে রাজনীতি কোনো কাজের না।
৪|
১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ১:২২
আমি নই বলেছেন: মোদি কে? ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে আমন্ত্রন জানাইছে, ঠিক যেমন করে পাকিস্তান, শ্রীলংকা, মালদ্বীপ বা অন্য রাষ্ট্রকে জানানো হয়েছে।
ভারতের প্রধানমন্ত্রীর পদে না থাকলে মোদির মত একটা সন্ত্রাসীকে কুত্তাও পুছবে না।
৫|
১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সকাল ৯:১৭
শ্রাবণধারা বলেছেন: আপনি যে একটা বড় মাপের গাধার বাচ্চা আপনার এই পোস্টটি তার প্রমাণ। "নরেন্দ্র মোদি আসতে চাইলে দুনিয়ার কোন শক্তি নাই তাকে আটকায়"! হা হা
ওরে গাধা, নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে বিদেশি রাষ্ট্রপ্রধান বা কূটনীতিকদের আমন্ত্রণ একটি রাষ্ট্রীয় সৌজন্যমূলক অনুষ্ঠান, এটা গ্যাংস্টারদের নৃত্যানুষ্ঠান নয়। এটি বাংলাদেশ রাষ্ট্রের অনুষ্ঠান, সে যত ছোট দেশই হোক না কেন। এটা এপস্টেইন গংয়ের ডিনার পার্টি নয় যে ঘেটুপুত্র কমলাকে নাচার জন্য আমন্ত্রণ করা হবে।
৬|
১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সকাল ৯:৪১
রাসেল বলেছেন: ভারতকে সম্মান করা উচিত নিজের সতীত্ব ধরে রেখে।
৭|
১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১০:২৫
রাজীব নুর বলেছেন: এটা সিরিয়াস কিছু না।
অযথাই এনসিপি লাফালাফি করছে। অবশ্য এইসব রাজাকারের ছানাপোনা'রা তাদের নেতাদের কথা মতো লাফাচ্ছে।
৮|
১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ২:৪৪
তানভীর_আহম্মেদ বলেছেন: ভারত মাতা কি জ্যায় ![]()
©somewhere in net ltd.
১|
১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৩০
নতুন বলেছেন: ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে আমন্ত্রন না করার কোন কারন নাই। সেটা জাসি/এনসিপির মূর্খতা।
তবে আপনার পোস্ট দেখে মনে হচ্ছে আপনার প্রধানমন্ত্রীকে আমন্ত্রন না করায় আপনি কস্ট পাচ্ছেন?
কারণ এখানে ব্যাক্তি মোদি আসছেন না, তিনি আসছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে। তাঁকে ডিনাই করা মানে ভারতের পেটের মধ্যে থেকে ভারতকেই ডিনাই করা, যার পরিণাম সবার জানা।
বাংলাদেশ একটা স্বাধীন দেশ। ভারতের পেটের মধ্যের বলে কিছু নাই। উনাকে দাওয়াত না দেওয়ায় আপনার কস্ট কেন হচ্ছে বুঝতে পারলাম না।