| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
আমি তোমাদিগকে কিছু ভয়, ক্ষুধা এবং ধন-সম্পদ,জীবন ও ফল-ফসলের ক্ষয়ক্ষতি দ্বারা অবশ্যই পরীক্ষা করিব। তুমি শুভ সংবাদ দাও ধৈয্যশীলগণকে যাহারা তাহাদের উপর বিপদ আপতিত হইলে বলে,''আমরা তো আল্লাহরই এবং নিশ্চিতভাবে তাঁহার দিকেই প্রত্যাবর্তনকারী।'' {সূরা আল-বাকারা:১৫৫-১৫৬} imraniut.wordpress.com
মোহাম্মদ হামিদুর রহমান(ফেব্রুয়ারি ২, ১৯৫৩ - অক্টোবর ২৮, ১৯৭১) বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী একজন শহীদ মুক্তিযোদ্ধা। যুদ্ধে অসামান্য বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাঁকে বীরশ্রেষ্ঠ উপাধিতে ভূষিত করা হয়। মাত্র ১৮ বছর বয়সে শহীদ হওয়া হামিদুর রহমান সাত জন বীর শ্রেষ্ঠ পদকপ্রাপ্ত শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে সর্বকনিষ্ঠ।
সংক্ষিপ্ত জীবনী:
মোহাম্মদ হামিদুর রহমান ১৯৫৩ সালের ২ ফেব্রুয়ারি যশোরের মহেশপুর উপজেলার খোরদা খালিশপুর গ্রামে জন্ম গ্রহন করেন।তাঁর পিতা আব্বাস আলী মন্ডল, মাতা মোসাম্মাৎ কায়সুন্নেসা। খালিশপুর প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং পরবর্তীকালে স্থানীয় নাইট স্কুলে সামান্য লেখাপড়া করেন। ১৯৭১ সালের ২রা ফেব্রুয়ারি ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টে যোগদান করেন। যোগদানের পরই চট্টগ্রামের সেনানিবাসে ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টাল সেন্টারে প্রশিক্ষণের জন্য যান। ২৫শে মার্চ পাকিস্তান সেনাবাহিনীর আক্রমনের মুখে চাকরীস্থল থেকে নিজ গ্রামে চলে আসেন। বাড়ীতে একদিন থেকে পরদিনই মুক্তিযুদ্ধে যোগ দেওয়ার জন্য চলে যান সিলেট জেলার শ্রীমঙ্গল থানার ধলই চা বাগানের পূর্ব প্রান্তে অবস্থিত ধলই বর্ডার আউটপোস্টে।
১৯৭১ সালের অক্টোবর মাসে হামিদুর রহমান ১ম ইস্টবেঙ্গলের সি কোম্পানির হয়ে ধলই সীমান্তের ফাঁড়ি দখল করার অভিযানে অংশ নেন। ভোর চারটায় মুক্তিবাহিনী লক্ষ্যস্থলের কাছে পৌছে অবস্থান নেয়। সামনে দু প্লাটুন ও পেছনে এক প্লাটুন সৈন্য অবস্থান নিয়ে অগ্রসর হতে থাকে শত্রু অভিমুখে।
যেভাবে শহীদ হলেন:
শত্রু অবস্থানের কাছাকাছি এলে একটি মাইন বিস্ফোরিত হয়। মুক্তিবাহিনী সীমান্ত ফাঁড়ির খুব কাছে পৌছে গেলেও ফাঁড়ির দক্ষিণ-পশ্চিম প্রান্ত হতে পাকিস্তানী সেনাবাহিনীর মেশিনগানের গুলিবর্ষণের জন্য আর অগ্রসর হতে পারছিলো না। অক্টোবরের ২৮ তারিখে ১ম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট ও পাকিস্তান বাহিনীর ৩০এ ফ্রন্টিয়ার রেজিমেন্টের মধ্যে তুমুল সংঘর্ষ বাধে। ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের ১২৫ জন মুক্তিযোদ্ধা যুদ্ধে অংশ নেয়। মুক্তিবাহিনী পাকিস্তান বাহিনীর মেশিনগান পোস্টে গ্রেনেড হামলার সিদ্ধান্ত নেয়। গ্রেনেড ছোড়ার দায়িত্ব দেয়া হয় হামিদুর রহমানকে। তিনি পাহাড়ি খালের মধ্য দিয়ে বুকে হেঁটে গ্রেনেড নিয়ে আক্রমণ শুরু করেন।
দুটি গ্রেনেড সফল ভাবে মেশিনগান পোস্টে আঘাত হানে, কিন্তু তার পরপরই হামিদুর রহমান গুলিবিদ্ধ হন। সে অবস্থাতেই তিনি মেশিনগান পোস্টে গিয়ে সেখানকার দুই জন পাকিস্তানী সৈন্যের সাথে হাতাহাতি যুদ্ধ শুরু করেন। এভাবে আক্রণের মাধ্যমে হামিদুর রহমান এক সময় মেশিনগান পোস্টকে অকার্যকর করে দিতে সক্ষম হন। এই সুযোগে ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের মুক্তিযোদ্ধারা বিপুল উদ্যমে এগিয়ে যান, এবং শত্রু পাকিস্তান সেনাবাহিনীকে পরাস্ত করে সীমানা ফাঁড়িটি দখল করতে সমর্থ হন। কিন্তু হামিদুর রহমান বিজয়ের স্বাদ আস্বাদন করতে পারেননি, ফাঁড়ি দখলের পরে মুক্তিযোদ্ধারা শহীদ হামিদুর রহমানের লাশ উদ্ধার করে।
হামিদুর রহমানের মৃতদেহ সীমান্তের অল্প দূরে ভারতীয় ভূখন্ডে ত্রিপুরা রাজ্যের হাতিমেরছড়া গ্রামের স্থানীয় এক পরিবারের পারিবারিক গোরস্থানে দাফন করা হয়। নীচু স্থানে অবস্থিত কবরটি এক সময় পানির তলায় তলিয়ে যায়।
ছবিঃ অরক্ষিত অবস্থায় মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে ‘বীর শ্রেষ্ঠ শহীদ সিপাহী হামিদুর রহমান স্মৃতি ফলক’
২০০৭ সালের ২৭শে অক্টোবর বাংলাদেশের তত্ত্বাবধায়ক সরকার হামিদুর রহমানের দেহ বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নেয়। সেই অনুযায়ী ২০০৭ সালের ১০ই ডিসেম্বর বাংলাদেশ রাইফেলসের একটি দল ত্রিপুরা সীমান্তে হামিদুর রহমানের দেহাবশেষ গ্রহন করে, এবং যথাযোগ্য মর্যাদার সাথে কুমিল্লার বিবিরহাট সীমান্ত দিয়ে শহীদের দেহাবশেষ বাংলাদেশে নিয়ে আসা হয়। ১১ই ডিসেম্বর রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানকে ঢাকার বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে সমাহিত করা হয়।
সূএ:বাংলা উইকিপিডিয়া
ছবিসূএ: news-bangla.com
৭ বীরশ্রেষ্ঠের পরিচয় - (১ম পর্ব): ক্যাপ্টেন মহিউদ্দীন জাহাঙ্গীর
০২ রা ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:১৩
নিরব হাসি বলেছেন: ঠিক আছে।
২|
০২ রা ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:০২
ভাবের অভাব বলেছেন: পড়লাম, বলতে খারাপ লাগছে কিছু তথ্য ভুলে গেছিলাম। আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।
০২ রা ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:১৯
নিরব হাসি বলেছেন: পাঠ্যবইয়ে ছাড়া মহান বীরদের জীবনী আজকাল আর পড়া হয়ে উঠে না।
৩|
০২ রা ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:০৮
ওসমানজি২ বলেছেন: ধন্যবাদ ২য় পর্বের জন্যে। চালিয়ে যান।
০২ রা ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:১৬
নিরব হাসি বলেছেন: চেষ্টা থাকবে ১৬ই ডিসেম্বরের আগেই সব পর্ব শেষ করার।
৪|
০২ রা ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:০৯
মে ঘ দূ ত বলেছেন: স্যালুট এই মহান বীরের স্মৃতির প্রতি।
লেখককে ধন্যবাদ পোষ্টের জন্য।
০২ রা ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:২১
নিরব হাসি বলেছেন: আপনাকে অনেক ধন্যবাদ পড়ার জন্য।
৫|
০২ রা ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:৪৭
হোদল রাজা বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ!!
০২ রা ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:৫৩
নিরব হাসি বলেছেন: সাথে থাকবেন আশা করি।
৬|
০২ রা ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:০৩
আবদুল্লাহ আল মনসুর বলেছেন: স্যালুট এই মহান বীরের স্মৃতির প্রতি।
পোস্টটির জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ..
৭|
০২ রা ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:০৫
এ.টি.এম.মোস্তফা কামাল বলেছেন: তাঁকে সালাম জানাই।
৮|
০২ রা ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:২২
পুরাতন বলেছেন: পরের পর্বের অপেক্ষায় ...
৯|
০২ রা ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:২২
হামিদ পায়োনিয়ার বলেছেন: এই প্রচেষ্টা যেন থেমে না যায় !!!!!!
»»»
মোঃ হামিদুর রহমান হামিদ
জম্ম: ২রা ফেব্রুয়ারী,১৯৮৯
আমার যে কি ভাল লাগে যখন শহীদ বীরশ্রেষ্ঠ মোহাম্মদ হামিদুর রহমান-এর কথা মনে পড়ে।
সত্যিই আমি ভাগ্যবান।
+ সহ ধন্যবাদ
০২ রা ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৫:৪৭
নিরব হাসি বলেছেন: থেমে যাবে না - আশা করি।
১০|
০২ রা ডিসেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:০৫
অমাবশ্যার চাঁদ বলেছেন: চলুক +++
১১|
০৩ রা ডিসেম্বর, ২০০৯ ভোর ৪:৫২
হামিদ পায়োনিয়ার বলেছেন:
১২|
০৩ রা ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:০৮
শয়তান বলেছেন: আমার কমেন্ট মোছার নির্বুদ্ধিতা কেন হলো ছোটভাই ? জানাবা একটু ?
০৩ রা ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:১৫
নিরব হাসি বলেছেন: ওওওহ সরি ভাই, আমি ১১ নং কমেন্টটা মুছতে গিয়ে আপনেরটা ...
১১নং এর ইমোটা এই পোস্টের সাথে ঠিক যায় না।
আশা করি ঘটনা বুঝছেন বড়ভাই।
©somewhere in net ltd.
১|
০২ রা ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:০০
পাহাড়ের কান্না বলেছেন: ধন্যবাদ প্রতিটা লিঙ্ক এভাবেই থাকবে।