নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

imraniut.wordpress.com

সকল প্রশংসা বিশ্ব পালনকর্তা আল্লাহর জন্য সমর্পিত।

নিরব হাসি

আমি তোমাদিগকে কিছু ভয়, ক্ষুধা এবং ধন-সম্পদ,জীবন ও ফল-ফসলের ক্ষয়ক্ষতি দ্বারা অবশ্যই পরীক্ষা করিব। তুমি শুভ সংবাদ দাও ধৈয্যশীলগণকে যাহারা তাহাদের উপর বিপদ আপতিত হইলে বলে,''আমরা তো আল্লাহরই এবং নিশ্চিতভাবে তাঁহার দিকেই প্রত্যাবর্তনকারী।'' {সূরা আল-বাকারা:১৫৫-১৫৬} imraniut.wordpress.com

নিরব হাসি › বিস্তারিত পোস্টঃ

গোসলের আহকাম, ফরজ গোসলের পদ্ধতি ও অন্যান্য

২১ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:১৬

গোসলের ফরজ

১ গড়গড়া কুলি করা ।

২. নাকে পানি দেয়া ও

৩. এরপর সারা দেহে পানি ঢালা।



গোসলের আহকাম

যে কাজগুলোর জন্যে গোসল করা ফরজ

১. কোন কারণে বীর্যপাত হলে ।

২. পুরুষাংগের মাথা স্ত্রীঅংগে প্রবেশ করালে ।

৩. মহিলাদের হায়েজ হলে ।

৪. মহিলাদের নেফাজ হলে ।



গোসলের সুন্নত

১) আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য গোসল করা ।

২) ক্রম বজায় রাখা ।

৩) প্রথমে ওজু করা ।

৪) দু হাতের কবজী পর্যন্ত ধোয়া।

৫) শরীর থেকে নাপাকী ঘষে দুর করা ।

৬) মেছওয়াক করা।

৭) সারা দেহে তিন বার পানি ঢালা।



গোসলের মুস্তাহাব সমূহ

১) উচু স্থানে বসে পোসল করা যাতে পনি গড়িয়ে যায় ও গায়ে ছিটা না লাগে।

২) পানির অপচয় না করা ।

৩) বসে গোসল করা ।

৪) লোক সমাগম স্থানে গোসল না করা ।

৫) পাক জায়গায় গোসল করা ।

৬) ডান থেকে শুরু করা ।



ফরজ গোসলের মসনুন পদ্ধতি

১. মনে মনে জানাবত (স্ত্রী-সঙ্গম, স্বপ্নদোষ,ঋতুস্রাব ও প্রসব ইত্যাদি নিমিত্ত যে নাপাকি) দূর করার নিয়ত করা।

২. শুরুতে লজ্জাস্থানে লেগে থাকা নাপাকি ধুয়ে ফেলা।

৩. তারপর সাবান বা অনুরূপ কিছু দিয়ে হস্তদ্বয় ধৌত করা।

৪. অতঃপর নামাজের অজুর ন্যায় পূর্ণাঙ্গ অজু করা।

৫. এরপর পানি দিয়ে তিনবার মাথা ভিজানো।

৬. তারপর প্রথমে শরীরের ডান অংশে এবং পরে বাম অংশে পানি ঢালা।

৭. অতঃপর সারা দেহে পানি ঢালা।

أَشْهَدُ أَنْ لَا إلَهَ إلَّا اللَّه وَأَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُهُ وَرَسُولُهُ

৮. গোসল শেষে এই দোয়া পড়া

তাইয়াম্মুম( অজু ও গোসলের বিকল্প)



আল্লাহ পাক বলেন

وَإِن كُنتُم مَّرْضَى أَوْ عَلَى سَفَرٍ أَوْ جَاء أَحَدٌ مَّنكُم مِّنَ الْغَائِطِ أَوْ لاَمَسْتُمُ النِّسَاء فَلَمْ تَجِدُواْ مَاء فَتَيَمَّمُواْ صَعِيدًا طَيِّبًا فَامْسَحُواْ بِوُجُوهِكُمْ وَأَيْدِيكُم مِّنْهُ

যদি অসুস্থ অথবা সফরে থাকো, অথবা তোমাদের মধ্য থেকে কেউ ইস্তেঞ্জা করে আসে অথবা তোমরা স্ত্রী-সহবস করে থাকো অতপর পানি না পাও, তবে পবিত্র মাটি দিয়ে তাইয়াম্মুম করবে অর্থাৎ তা দিয়ে নিজেদের মুখমণ্ডল ও হস্তসমূহ মাসেহ্‌ করবে (সূরা মায়েদাহ্‌: ৬)



তায়াম্মুমের হুকুম-

 যদি পানি না পাওয়া যায় ।

 পাওয়া গেলেও নাগালের বাইরে ।

 পানি ব্যবহারে ভীষণ ক্ষতির আশংকা ।

 যে সব নামাজের কাজা নেই ( যেমন- জানাযা ও ঈদের নামাজ ইত্যাদি) তা অজু করলে না পাওয়ার আশংকা থাকলে ।



তায়াম্মুমের ফরজ

১. পাক হওয়ার নিয়ত করা

২. দুই হাত একবার মাটিতে মেরে তা দিয়ে মুখমণ্ডল মাসেহ করা।

৩. দুই হাত আবার মাটিতে মেরে দুই হাত কনুই মাসেহ করা।



তায়াম্মুমের সুন্নত

১. বিসমিল্লাহ বলা

২. প্রথমে দুই হাত পরে দুই হাত কনুই মাসেহ করা।

৩. মাটিতে হাতের তালু মারা পিঠের দিক নয় ।

৪. মাটিতে হাত মারার পর মাটি ঝেড়ে ফেলো ।

৫. দুই হাতের আংগুল প্রসারিত করে মাটিতে মারা যাতে হাতে ধুলা লাগে ।

৬. অন্তত তিন আংগুল দিয়ে চেহারা ও হাত মাসেহ করা

৭. প্রথমে ডান হাত ও পরে বাম হাত মাসেহ করা ।

৮.চেহারা মাসেহ করার পর দাড়ি খেলাল করা ।



যা কিছুর দ্বারা তাইয়াম্মুম সঠিক হবে

* মাটি

* বালি

* বিভিন্ন ধরনের পাথর, যেমন কালো পাথর, মারমার (মার্বেল) পাথর, চুনা পাথর ইত্যাদি

* পোড়া কাদা-মাটি যেমন ইট ও কলস।

হায়েজ ও নেফাস

হায়েজঃ

বয়োপ্রাপ্ত হওয়ার পর মেয়েদের প্রসবের দ্বার দিয়ে স্বভাবগত যে রক্ত বের হয় তাকে হায়েজ বলে ।



হায়েজ হওয়ার বয়সঃ



মেয়েদের হায়েজ হওযার বয়স ৯ থেকে ৫৫ বছর । ৯ বছরের আগে এবং ৫৫ বছর বছরের পরে রক্ত এলে তা হায়েজ কিসাবে গণ্য হবে না ।

হায়েজের মুদ্দৎ বা কালঃ

হায়েজের মুদ্দৎ কমপক্ষে তিন দিন তিন রাত এবং ঊর্দ্ধে দশ দিন দশ রাত । তিন দিন তিন রাতের কম এবং দশ দিন দশ রাতের বেশী রক্ত এলে তা হায়েজ হিসাবে গণ্য হবে না ।



নেফাস

সন্তান ভুমিষ্ট হওয়ার পর মেয়েদের প্রসবের দ্বার দিয়ে স্বভাবগত যে রক্ত বের হয় তাকে নেফাস বলে ।

নেফাসের মুদ্দৎ বা কালঃ

নেফাসের মুদ্দৎ ঊর্দ্ধে ৪০দিন, নিম্নে কোন মুদ্দত নেই ।



হায়েজ ও নেফাসের হুকুমঃ

1. হায়েজ ও নেফাসের দিনগুলিতে নামাজ রোজা করা হারাম, নামাজ একেবারে মাফ, কিন্তু পাক হওয়ার পর রোজার কাজা রাখতে হয় ।

2. হায়েজ ও নেফাসের দিনগুলিতে মসজিদে যাওয়া, কা’বা ঘর তাওয়াফ করা, কুরআন পাঠ করা হারাম, তবে দোয়া দরুদ পড়া যাবে, যদিও তা কোরআনের আয়াত হোক ।

3. হায়েজ ও নেফাসের দিনগুলিতে স্ত্রী-পুরুষ মিলিত হওয়া হারাম ।









সূএঃ Click This Link

মন্তব্য ১৫ টি রেটিং +১৯/-৭

মন্তব্য (১৫) মন্তব্য লিখুন

১| ২১ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:২২

রেফিন বলেছেন: তথ্যবহুল পোস্ট। সবার জানা দরকার।
ধন্যবাদ, শেয়ার করার জন্য।

২| ২১ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:২৯

স্বপ্নীলবেষ্ট বলেছেন: ধন্যবাদ। সুন্দর পোষ্ট।

৩| ২১ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:৩২

গরম কফি বলেছেন: ভাল লাগল! +++

৪| ২১ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:৩৬

আরিফুর রহমান বলেছেন: খাইছে আমারে...

ঘোচল করতেও আজকাল 'পদ্ধতি' মারাইতে হয় নাকি!!

হিহিহিিহিহ!! হালার পাবলিকের আর কাম নাই.. পদ্ধতি মারাইবো...

৫| ২১ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:৩৯

মেঘকন্যা বলেছেন: ধন্যবাদ।

৬| ২১ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:৪০

বক্ররেখা বলেছেন: ছাগু ছু্ৃৃ কি গোসল ফরজ হয়??

৭| ২১ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:৫৮

স্বপ্নকথক বলেছেন: comment by: বক্ররেখা বলেছেন: ছাগু ছু্ৃৃ কি গোসল ফরজ হয়??
=p~ =p~ =p~ =p~ =p~ =p~ =p~ =p~

৮| ২১ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:০৯

মৌনোতা বলেছেন: বক্ররেখা, আরিফুর, স্বপ্নকথক এদের এ মন্তব্যগুলো কি মডারেটরদের ছোখে পড়েনা? কতিপয় এ ব্লগারগুলো সব ধরনের পোস্ট এ গিয়ে আজেবাজে মন্তব্য করে ব্লগের পরিবেশকে বিষিয়ে তুলছে। এতো সুন্দর আর তথ্যবহুল পোস্টও এদের নগ্ন আক্রমন থেকে রেহাই পায়নি।

সুন্দর পোস্ট এর জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।

৯| ২১ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:৪১

ফান্টুস বলেছেন: শিতকালে বেশি জন্ত্রনা

১০| ২২ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১:৩৫

পিচ্চি হুজুর বলেছেন: "মৌনোতা বলেছেন: বক্ররেখা, আরিফুর, স্বপ্নকথক এদের এ মন্তব্যগুলো কি মডারেটরদের ছোখে পড়েনা? কতিপয় এ ব্লগারগুলো সব ধরনের পোস্ট এ গিয়ে আজেবাজে মন্তব্য করে ব্লগের পরিবেশকে বিষিয়ে তুলছে। এতো সুন্দর আর তথ্যবহুল পোস্টও এদের নগ্ন আক্রমন থেকে রেহাই পায়নি।

সুন্দর পোস্ট এর জন্য আপনাকে ধন্যবাদ। " সহমত। আরে বুঝেন না মডুরাই এগুলা রে পুষে। খালি একবার কইছিলাম "xxx" এর পাছায় গদাম এইজন্য আমারে general কইরা দিছে।

১১| ২৪ শে জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:০৫

নীল ভোমরা বলেছেন: প্রয়োজন মনে করলে পালন করেন..... বিশ্বাস না থাকলে পালন কইরেন্না। কিন্তু আজেবাজে মন্তব্য করে নিজেকে ছোট করা কেন?!

১২| ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ৯:০১

রং চা বলেছেন: comment by: নীল ভোমরা বলেছেন: প্রয়োজন মনে করলে পালন করেন..... বিশ্বাস না থাকলে পালন কইরেন্না। কিন্তু আজেবাজে মন্তব্য করে নিজেকে ছোট করা কেন?!

সহমত, বাচ্চা পুলাপান,নতুন দাড়ি হইলে কতো ভং দেহা যায়।

১৩| ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ৯:০৬

ধ্রুব তারা বলেছেন: আচ্ছা দেহে তিনবার পানি ঢালা মানে কি শাওয়ার-এর নিচে গোসল করা যাবে না??

১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৪:৫১

নিরব হাসি বলেছেন: যাবে তবে বালতি দিয়ে পানি নিয়ে করতে পারেন।

১৪| ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:১৪

তাশফিকাল বলেছেন: ভাল পোষ্ট...

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.