![]() |
![]() |
নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
“সৃষ্টির অধিকার”
তোমার অসামান্য দু'টি চোখ,
প্রলয়ের বাহন তোমার
তবু মুখে লক্ষীর ছাপ -এঁকেছে মানুষ,
মানুষের পৃথিবীতে না এলে তুমিও কি জানতে
মানুষের হাতে থাকে সৌন্দর্য সৃষ্টির এতোটা অধিকার?!
-----------------------------------------------------------------------
“বিশ্বাস”
তোমাকে আমি মানি না,
তোমার ঐশী শক্তিতে ভীত ও নই;
আমাকে আকর্ষণ করে -এক তোমার ঐ মুখ,
মানুষের পবিত্র ভক্তি, সশ্রদ্ধ ভয়..
যেখানে আজো তুমি মানুষের ঈশ্বর।
-----------------------------------------------------------------------
“মানুষের ঈশ্বর”
অদ্ভূত এই লগ্ন তিথি র হিসাব
মহালয়া ভোরে তুমি কি নিপূণ
চোখ জোড়া আঁকো কারিগর !
-প্রাণ পায় মাটির দেবতা, শুরু হয়
মানুষের উৎসব,
মানুষ জানে না তার ঐশ্বরিক দু'টি হাত
মানুষের মাঝেই মানুষের ঈশ্বর!
-----------------------------------------------------------------------
“উৎসবের শহর!”
বিকেল ফুরিয়ে এলেই আলোর পথ ধরে হাঁটতে থাকি
ওদিকে ধূপের গন্ধ, মণ্ডপে মণ্ডপে দেবীর বোধন,
পথে পুণ্যার্থীর ভিড়.. যদিও এসব কিছু ই নয়,
টানতে থাকে উৎসবের সন্ধ্যার এই আলোর শহর!
-----------------------------------------------------------------------
০১ লা অক্টোবর, ২০১৭ রাত ১২:৫৮
এন ইসলাম রনি বলেছেন: না, অবশ্য ই এটা আপনার ব্যর্থতা নয়। আমি যেভাবে ভাবছি আপনি হয়তো অন্যভাবে ভাবছেন তাই আমরা কেউকারো কাছে পৌঁছাতে পারছি, এটা আমাদের ভাবনার দূরত্ব মাত্র।
এখানে প্রতিটা অংশের আলাদা শিরোনাম আছে, কিন্তু সবটা একজন ঈশ্বরী কে নিয়েই.. আর খুব বেশি ভেবেও শিরোনাম টা দেয়া নয়, ভুল আমারো হতে পারে।
©somewhere in net ltd.
১|
০১ লা অক্টোবর, ২০১৭ রাত ১২:৩১
অর্থনীতিবিদ বলেছেন: কবিতার নাম মানুষের শহরে একজন ঈশ্বরী। কিন্তু কবিতার কোথায় তো ঈশ্বরী শব্দটা পেলাম না। নাকি কোনো দেবীকে উল্লেখ করা হয়েছে? ঠিক বুঝতে পারছি না। আমারই ব্যর্থতা মনে হয়।