| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
নাফিজ মুনতাসির
ভালোবাসি বন্ধুত্ব করতে, আড্ডা দিতে, সুপারন্যাচারাল বিষয়গুলো নিয়ে পড়তে, প্রচুর মুভি দেখতে, বই পড়তে, নিজে সবসময় হাসিখুশি থাকতে এবং মানুষকে হাসিখুশি রাখতে।
অনেক হয়েছে বাইরের দেশের ভৌতিক ঘটনা নিয়ে আলোচনা। এবার হবে নিজের দেশ নিয়ে। ভৌতিক ঘটনাগুলো নিয়ে আবার কেউ ছুরী চালাতে যেয়েন না আমার উপর। এগুলো কতটা বিশ্বাসযোগ্য তা সবাই জানেন। কিন্তু রাতের বেলা এসব পড়তে কার না ভালো লাগে?? আরেকটা কথা যতই অবিশ্বাস্যই হোক আপনাদের কারো এরকম মিথ জানা থাকলে জানাবেন। ১টি ছাড়া সবগুলো সংগ্রহীত।
এগুলো দিয়েছেন ব্লগার সৌম্য
১। গানস অফ বরিশালঃ গুগলে লেখে সার্চ দিলেই পাবেন। ব্রিটিশরা বরিশালে আসার সময় নাম ছিল বাকেরগঞ্জ। বাকেরগঞ্জের ততকালীন ব্রিটিশ সিভিল সার্জন প্রথম ঘটনাটা লেখেন। বর্ষা আসার আগে আগে গভীর সাগরের দিক থেকে রহস্যময় কামান দাগার আওয়াজ আসতো। ব্রিটিশরা সাগরে জলদস্যু ভেবে খোজা খুজি করেও রহস্যভেদ করতে পারে নাই।
২। বগা লেকঃ কেওকারাডং এর আগে রুপসী বগা লেক। বম ভাষায় বগা মানে ড্রাগন। বমদের রুপকথা অনুযায়ী অনেক আগে এই পাহাড়ে এক ড্রাগন বাস করতো। ছোট ছোট বাচ্চাদের ধরে খেয়ে ফেলতো। গ্রামের লোকেরা ড্রাগনকে হত্যা করলে তার মুখ থেকে আগুন আর প্রচন্ড শব্দ হয়ে পাহাড় বিস্ফোরিত হয়। রুপকথার ধরন শুনে মনে হয়, এটা একটা আগ্নেয়গীরির অগ্ন্যুতপাত। উপজেলা পরিষদের লাগানো সাইনবোর্ডে সরকারী ভাবে এই রহস্যের কথা লেখা। এখনো এর গভীরতা কেউ বলতে পারে না। ইকো মিটারে ১৫০+ পাওয়া গেছে। প্রতিবছর রহস্যময় ভাবে বগা লেকের পানির রঙ কয়েকবার পালটে যায়। যদিও কোন ঝর্না নেই তবুও লেকের পানি চেঞ্জ হলে আশপাশের লেকের পানিও চেঞ্জ হয়। হয়তো আন্ডার গ্রাউন্ড রিভার থাকতে পারে। রহস্য ভেদ হয়নি এখনো।
৩। চিকনকালা (নিফিউ পাড়া): মুরং গ্রামটা বাংলাদেশ-বার্মা নো ম্যানস ল্যান্ডে। আমি এখানে মৃত চিতাবাঘের ছাল দেখেছি। দুপুর ১২টায় বুনো দাঁতালো শুকর, ময়ুর দেখেছি। দিনের বেলাতেই বার্কিং ডিয়ার আর ভাল্লুকের ডাক শুনেছি। কাছের মুরং গ্রাম চিকনকালার লোকেরা বলে প্রতিবছর নাকি (দিনটা নির্দিষ্ট না) হঠাত কোন জানান না দিয়ে বনের ভিতর রহস্যময় ধুপ ধাপ আওয়াজ আসে। শিকারীরা আওয়াজটা শুনলেই সবাই দৌড়ে বন থেকে পালিয়ে আসে। কিন্তু প্রতিবছরেই কয়েকজন পিছে পড়ে যায়। যারা পিছে পড়ে তারা আর ফিরে আসে না। কয়েকদিন পরে বনে তাদের মৃত দেহ পাওয়া যায়। শরীরে আঘাতের চিহ্ন নেই। শুধু চেহারায় ভয়ঙ্কর আতঙ্কের ছাপ।
৪। সোয়াচ অফ নো গ্রাউন্ড: মেঘন নদী যেখানে সাগরে মিশেছে যায়গাটাকে বলে সোয়ার্জ অফ নো গ্রাউন্ড বা অতল স্পর্ষী। গাঙ্গেয় ব-দ্বীপ গঠনের পর থেকেই ২মুখী স্রোতের ঠেলায় তলার মাটি সরে যাচ্ছে। এখানে গভীরতা পরিমাপ করা যায়নি। সম্প্রতী ঢাকার একটা এডভেঞ্চার ক্লাবের সাথে সামহোয়ারের প্রাক্তন ব্লগার মুনতাসীর ভাই (এখন আর ব্লগে আসেন না) এখানে তিমির অনেক মারাত্মক কিছু ছবি তুলেন।
এগুলো ফেসবুকের 'ভূতুড়ে গল্প' পেজ থেকে সংগ্রহিত
৫। চুয়াডাঙ্গার আলিয়াপুর নামক গ্রামে নাকি প্রতি আমাবস্যায় রাত ১২টা থেকে রাত ৩টা পর্যন্ত একদল কুকুর দলবেঁধে গ্রামটি ঘিরে চক্কর দেয়।। অনেকেই সেই কুকুরের দলকে দেখতে পেয়েছেন।। আশ্চর্যের ব্যাপার হলো, তারা শুধুমাত্র আমাবস্যার রাতেই উপস্থিত হয় এবং সারা মাসে তাদের আর দেখা যায় না।। কয়েক যুবক মিলে একবার রাত করে তাদের দেখার জন্য প্রস্তুতি নেয়।। তাদের মাঝে ২ জন কুকুরের কামড়ে মারাত্মক ভাবে আহত হয়।। যুবকদের প্রায় সকলেই একই স্বীকারউক্তি দেয় যে, সেই সব কুকুরগুলো কালচে বর্ণের ছিলো, কারন অন্ধকারে তাদের স্পষ্ট দেখা যাচ্ছিল না।। তারা একটা ছন্দ মিলিয়ে এক লাইনে হাঁটছিলো এবং তাদের প্রত্যেকের চোখ থেকেই এক প্রকার নীলচে আভা বের হচ্ছিল।
৬। পুরান ঢাকাতে কিছু মিষ্টির দোকান আছে যেখান থেকে কিছু লোক কয়েকদিন পর পর এসে রাত ৮টার দিকে ১০-১২ কেজি মিষ্টি কিনে নিয়ে যায়।। তারা যেই দোকানে ঢুকে সেই দোকানের মালিককে লাইট নিভিয়ে দিতে বলে।। অন্ধকারে তারা আসে, অন্ধকারে চলে যায়।। এই লোকগুলো আকারে অনেক লম্বা এবং তাদের চেহারা আজ পর্যন্ত কেউ ভালো করে দেখতে পারে নি।। ধারণা করা হয়, এরা জীন প্রজাতি।। পুরান ঢাকার বেশিরভাগ মিষ্টির দোকানের লোকেরাই উনাদের কথা জানেন।
৭। লালবাগ কেল্লার নিচ দিয়ে অনেক গুলো সুড়ঙ্গ আছে, যেগুলো জমিদার আমলে করা।। জমিদাররা বিপদ দেখলে সেইসব পথে পালিয়ে যেতো।। তেমনই একটা সুড়ঙ্গ আছে, যার ভেতরে কেউ ঢুকলে তাকে আর ফিরে পাওয়া যায় না।। মানে, সে আর ফিরে আসে না।। পরীক্ষা করার জন্য একবার ২টা কুকুরকে চেইনে বেঁধে সেই সুড়ঙ্গে নামানো হয়েছিলো।। চেইন ফেরত আসে কিন্তু কুকুর দুটো ফিরে আসে নি।
(এই ঘটনাটির ব্যাখ্যা)দিয়েছেন ব্লগার শুভ্র নামের ছেলে
সুবেদার আজম শাহ ১৬৭৮ সালে ঢাকায় একটি প্রাসাদ দুর্গ নির্মাণে হাত দেন। তখন ঢাকার সুবেদারদের থাকার জন্য স্থায়ী কোনো ব্যবস্থা ছিল না। স্বল্প সময়ের জন্য দায়িত্ব পালন করতে আসা সুবেদাররা ঢাকায় স্থায়ী ভবন নির্মাণে কোনো উৎসাহ দেখাননি। যুবরাজ আযম শাহ প্রথম এই উদ্যোগ নেন। তিনি অত্যন্ত জটিল একটি নকশা অনুসরণ করে দুর্গের নির্মাণকাজ শুরু করেন। তিনি দুর্গের নামকরণ করেন কিল্লা আওরঙ্গবাদ। কিন্তু পরের বছর সম্রাট আওরঙ্গজেব তাঁকে দিলি্ল ফেরত পাঠান। ফলে দুর্গের কাজ অসমাপ্ত রেখে তাঁকে দিলি্ল চলে যেতে হয়। এরপর সুবেদার হয়ে দ্বিতীয়বারের মতো ঢাকা আসেন শায়েস্তা খাঁ। যুবরাজ আযম শাহ তাঁকে লালবাগ দুর্গের অসমাপ্ত কাজ শেষ করার জন্য অনুরোধ করেন। শায়েস্তা খাঁ দুর্গের কাজ পুনরায় শুরু করেন। কিন্তু ১৬৮৪ সালে তাঁর অতি আদরের মেয়ে পরি বিবি অকস্মাৎ মারা গেলে তিনি অশুভ মনে করে এর নির্মাণকাজ বন্ধ করে দেন। এর পরিবর্তে নির্মাণ করেন চিন্তাকর্ষক পরি বিবির সমাধিসৌধ।
কিন্তু এ সময়ের মধ্যে লালবাগ দুর্গের প্রায় ১২ শতাংশ নির্মাণকাজ শেষ হয়ে এসেছিল। দুর্গের নিয়ম অনুযায়ী একটি ভূগর্ভস্থ পথও নির্মিত হয়েছিল। আত্মরক্ষা কিংবা প্রয়োজনে পালিয়ে যাওয়ার জন্য সাধারণত এ পথ ব্যবহৃত হয়। দুর্গের দক্ষিণ-পূর্ব দেয়ালের সঙ্গে যুক্ত আছে এ সুড়ঙ্গ পথটি। কোনো কোনো স্থাপত্যিকের ধারণা, এ পথটি প্রায় ১৮ কিলোমিটার দূরে টঙ্গী নদীর সঙ্গে যুক্ত। আবার কেউ মনে করে, এটি একটি জলাধারের মুখ। এর ভেতরে একটি বড় চৌবাচ্চা আছে। মোগলদের পতনের পর লালবাগ দুর্গ যখন সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত হয়ে যায়, তখন ঢাকাবাসীর সব আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয় এই সুড়ঙ্গ। আর তখন থেকেই নানা মুখরোচক কাহিনী চালু হয় সুড়ঙ্গটি নিয়ে।
যেহেতু সুড়ঙ্গ পথের রহস্য উদ্ঘাটনের জন্য আজ পর্যন্ত প্রত্নতাত্তি্বক খননকাজ হয়নি, তাই এটি নিয়ে নানা কল্পকাহিনী চালু আছে। এ কারণেই এ সুড়ঙ্গ পথটি ঢাকার আদি বাসিন্দাদের কাছে এক বিরাট রহস্য। তাই আজও এই সুড়ঙ্গের সামনে তারা জড়ো হয়ে দাঁড়ায়। জানমালের যাতে কোনো ক্ষতি না হয় বা কৌতূহলবশত কেউ যেন এর ভেতরে প্রবেশ না করে সে জন্য সুড়ঙ্গমুখে গেট নির্মাণ করে তাতে তালা দেওয়া হয়েছে। ঢাকাবাসীর মনে তালা দেওয়ার ব্যবস্থা কিন্তু আজও হয়নি।
৮। পুরান ঢাকার ১টা গার্লস স্কুলের সামনে দিয়ে নাকি রাত ১২টার পর একটা বউকে হেঁটে যেতে দেখা যায়।। যার পড়নে থাকে লাল পার দেয়া একটা হলুদ শাড়ি।। সে কোথা থেকে আসে এবং কোথায় যায় তা কেউ আজ পর্যন্ত শনাক্ত করতে পারে নি।। অনেকেই নাকি বউটাকে দেখেছে।। এই ব্যাপারে আপনাদের অভিমত জানতে চাচ্ছি।
৯। বাংলাদেশের সাঁওতাল উপজাতিরা অনেক দেব/দেবীর পুজা করে।। এই সব দেব/দেবীর মাঝে কিছু আছে যারা অপদেবতা।। তেমনি এক ধরনের অপদেবতার পুজা করে সাঁওতালরা যাদের "গদ্রবঙ্গা" বলা হয়।। এইসব দেবতারা সাইজে ২-৩ ফিট হয়।। চেহারাও ছোট বাচ্চাদের মতো।। ওরা বিভিন্ন সাঁওতাল পরিবারেও পালিত হয়ে থাকে।। ওদেরকে লালন, পালন, আর পুজা দেয়ার কারন হলো, এইসব দেবতারা যেইসব পরিবারে পালিত হয় তাদেরকে অনেক ধনী করে দেয়।। এইসব দেবতারা অন্য বাড়িঘর থেকে স্বর্ণ চুরি করে তা নিজ পালিত ঘরের মালিককে দেয়।। তবে, এর বিনিময়ে তারা যা দাবি করে তা খুবই ভয়ঙ্কর।। স্বর্ণ দেয়ার বদলে এইসব অপদেবতারা যে বাড়িতে পালিত হয়, সেই বাড়ির মালিকের ছোট ছোট ছেলে সন্তানগুলোকে চায়।। তারা এইসব ছোট ছেলেদেরকে মেরে ফেলে (কথিত আছে, খেয়ে ফেলে, কারন সেইসব ছোট বাচ্চাদের আর পাওয়া যায় না)!! আর বাড়ির মালিক যদি তাদের এই চাহিদা পূরণ করতে না পারে, তাহলে "গদ্রবঙ্গা" রা ঐ পরিবারকে ধ্বংস করে দেয়।। এসব জানার পরও এখনো সাঁওতাল অনেক পরিবারই ধনী হবার লোভে এইসব অপদেবতা পালন করে আসছে।
১০। ঢাকার তেজগাঁও এর মনিপুরীপাড়া এলাকায় একটা পুরনো খ্রিস্টান বাড়ি আছে।। এই বাড়িতে ভাড়া থাকা প্রায় সব ভাড়াটিয়াই বিভিন্ন অদ্ভুত বা ভূতুড়ে কাণ্ডকারখানার সম্মুখীন হন।। অনেক সময়ই গভীর রাতে(রাত ১-২টার দিকে) বাড়িটার নিচের উঠোনের দোলনায় কাউকে দুলতে দেখা যায়।। ঘটনাটি দেখেছেন এমন লোকের সংখ্যা নেহায়েত কম নয়।। এছাড়াও বাড়ির ছাদে অনেকসময় নাকি গভীর রাতে কারা হইচই করে।। কিন্তু তৎক্ষণাৎ ছাদে গেলেও কাউকে দেখা যায় না।। এই বাড়িটিকে ঘিরে লোক মনে কৌতূহলের কোনো শেষ নেই।। শোনা যায়, উক্ত বাড়িওয়ালার মেয়ে প্রায় ১৬ বছর আগে গলায় ফাঁস দিয়ে নিজ ঘরে মারা যায়।। মেয়েটি মানসিকভাবে অসুস্থ ছিলো।। এই আত্মহত্যার পর থেকেই এমন অদ্ভুতুড়ে কার্যকলাপ শুরু হয়।
এটি দিয়েছেন ব্লগার হাদী নয়ন
১১। মিরপুর ইনডোর স্টোডিয়ামে আগে যখন পুকুর ছিল তখন যে ২/৩বছর পর পর একজন করে মানুষ নিত।শেষ মানুষ টার কথাই আমার মনে আছে আমি তখন খুব ছোট, তখন একদিন দুপুর বেলা ৬নং সেকশনের নান্টু নামে একজন পুকুরে গোসল করতে নামে প্রতিদিনের মত কিন্তূ সে আর উঠে আসে না,পুকুর পারে তার সেন্ডেল লুন্গি গামছা সব পরে থাকে।এদিকে তার মা তার খোজে পুকুরে আসে সবাই বলে হা দেখছিলাম ওতো গোসল করতে আইছিল ইত্যাদি।তখন ঐ পুকুরে আশপাশের অনেক মনুষি গোসল করতো।তারপর কত ডুবুরি কত মানুষ পুকুরে তন্ন তন্ন করে খুজল কিন্তূ নান্টু মিয়াকে আর খুজে পেলনা।তারপর ২৪ ঘন্টা পর তার লাশ ভেসে উঠছিল কোনরকম কিছুই হয়ছিলনা লাশের শরিরে।সবাই বলছিল শিকলে নিয়ে গেছিল।স্টোডিয়াম বানাবার সময়ও নাকি অনেক সমস্যা হয়েছিল তখন শুনেছিলাম।
এটা আমার নিজের অভিজ্ঞতা। এর ব্যাখ্যা পরে অনেক পেয়েছি। কিন্তু দিতে চাচ্ছি না।
১২। এই ঘটনাটি আমার নিজের ফুফুর গ্রামের বাড়িতে এবং নিজে এর চাক্ষুস সাক্ষী। ঘটনাগুলো আজ থেকে প্রায় ৫বছর আগের ঘটনা। আমার ফুফুর গ্রামের বাড়ি চাঁদপুরে। আমি একবার বেড়াতে গেলাম। সেই গ্রামের সকল মানুষ তখন সন্ধ্যা হবার আগেই যে যার বাসাই চলে যেত। কারণটা টের পেলাম রাতে। গ্রামের প্রায় সব বাসার চালে প্রচন্ডভাবে ঢিল মারা শুরু হলো এবং সেই সাথে প্রচন্ড জোরে মেয়ে মানুষের গলায় কান্নার শব্দ। সেই সময়ে প্রায় প্রতিদিনের ঘটনা ছিলো এটি। গ্রামের প্রায় ২০০০ জন মানুষসহ আমি নিজে এই ঘটনার সাক্ষী।
উৎসর্গ : ব্লগার রিফাত হোসেন(নিজেও এসব বিশ্বাস করেন না কিন্তু আমার এরকম এক পোষ্টে যিনি আমার সাথে লড়ে গেছেন) এবং ব্লগার মাহমুদহাসান(আমাকে সেরকম পঁচানো পঁচিয়েছিলেন)
০৮ ই ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১২:৩৬
নাফিজ মুনতাসির বলেছেন: নামটা ভুলে গিয়েছিলাম.....ফুফাতো ভাইকে মাত্র ফোন দিয়ে জেনে নিলাম।
চাদপুরের মতলব উত্তরের মিঠুরকান্দি গ্রামের নাম। সেই গ্রামটিতে যারা থাকে এবং আমার দাদী-চাচারা সবাই সেই গ্রামের আরো নানা ঘটনা বলতো।
ব্যাখ্যা এখন এসে অনেকে দিচ্ছে। কিন্তু আমি শুনতে চাইনি। কারণ থাক না কিছু রহস্য নিজের মাঝে।
২|
০৮ ই ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১২:৪৮
সৌম্য রাউত বলেছেন: http://www.bhooterblog.com
০৮ ই ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১২:৫২
নাফিজ মুনতাসির বলেছেন: ভালো জিনিস তো.......ঘুরতে গেলাম।
৩|
০৮ ই ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১:০২
বৈকুন্ঠ বলেছেন: ভালু পুস্ট
০৮ ই ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১:১৮
নাফিজ মুনতাসির বলেছেন: ধন্যবাদ।
৪|
০৮ ই ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১:০৪
সৌম্য বলেছেন: অনেক দিন আগের পোষ্টে ভুল করেছিলাম। আসলে নাম হবে সোয়াচ অফ নো গ্রাউন্ড। গানস অফ বরিশালের কথা ব্রিটানিকা'তেও আছে। গুগলে ইংরেজীতে লিখে সার্চ দিলে পাবেন। আর চিকনকালার বনটা নিয়ে আমার নিজের অনেক সন্দেহ আছে। চিকনকালা (নিফিউ পাড়া) গ্রামটা মুরং গ্রাম। আমি নিজেই তাদেরকে চিতা বাঘ খেতে দেখেছি (ছবি পোষ্ট করছিলাম)। চিকনকালাতে যেই সামান্য সময় কাটিয়েছি (বাথরুম করার জন্যে) ওর মাঝে গ্রামের লোকেরা কেউ এসব বলেনি। বলেছিল যেই ছেলেটা (অন্যগ্রাম থেকে গাইড হিসাবে এনেছিলাম, মুলত সে থানছির লোক) সে ভৌতিক গল্প বলতে ওস্তাদ। না যাওয়ার বাহানা করতে বলেছিল সে নাকি স্বপ্নে যাই দেখে তাই ফলে যায়। রাতে স্বপ্ন দেখেছিল তল্যাং ময় (সাকা হাফং ) এর চুড়ায় বার্মিজ আর্মি এসেছে, গুলি করে আমাদের সবাইকে মেরে ফেলছে। ঐ লোক বানোয়াট কথা বলতে ওস্তাদ।
০৮ ই ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১:১৭
নাফিজ মুনতাসির বলেছেন: বললাম না এসব ঘটনা কতটুকু সত্য তা এখন সবাই জানে। তারপরও কিছু ঘটনা থাক আমাদের মাঝে রহস্যময় হয়ে।
আপনাকে কি ধন্যবাদ দিবো না হিংসা করবো বুঝতে পারছি না।
আপনার অভিজ্ঞতাগুলো একইসাথে ভালো লাগছে আবার হিংসাও হচ্ছে।
অনেক ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্য।
৫|
০৮ ই ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১:০৪
সাইফুলহাসানসিপাত বলেছেন: আমি পড়মু না ডর লাগে ।
০৮ ই ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১:১৮
নাফিজ মুনতাসির বলেছেন:
৬|
০৮ ই ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১:০৮
tshahrear বলেছেন: ৮ নাম্বারটার ব্যাখ্যা দেবেন না কেন ??? ব্যাপারটা কি আপনার ব্যাক্তিগত ?? মানে আপনার কেউ হয় নাকি আপনি তার কোন অনিষ্ট করেছিলেন জীবিত থাকতে???? ব্যাখ্যা কি আসলেই আপনি জানেন না ঢং করতাসেন???? মেজাজটা বিলা হইয়া গেল.......... পুরা পোস্টটা একাই ১০টা প্লাস পেতে পারত........... এই একটা কথার জন্য ১০টা মাইনাস............
০৮ ই ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১:২১
নাফিজ মুনতাসির বলেছেন: আরে না ধূর.......আপনি মনে হয় বুঝতে একটু ভুল করেছেন।
আসল ব্যাখ্যা অনেক পড়ে সবাই জানতে পেরেছে......অনেক হাস্যকর বলে আমি এড়িয়ে গেছি......মজা নষ্ট হয়ে যায়।
৭|
০৮ ই ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১:১৯
আরিফসুমন বলেছেন: ভাই করলেন কি?? এই রাতের বেলা এখন আমি ঘুমাই কি করে
০৮ ই ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১:২৬
নাফিজ মুনতাসির বলেছেন: আপনার জানালার দিকে তাকিয়ে শুয়ে পড়েন। রাতে সাদা শাড়ি এ লাল চোখের কেউ আসলে আমারে ডাক দিয়েন। আমি আছি.....
৮|
০৮ ই ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১:২৫
নাফিজ মুনতাসির বলেছেন: @নাহিদ পারভেজ....বস রাগ কইরেন না......আসলে এসব অনেক ঘটনা সবদেশে সবজায়গায়ই আছে....আমাদের দেশেরগুলোও সবগুলোর ব্যাখ্যা পাবেন হয় হাস্যকর নয়তো বা পুরনো মিথ।
আপনার কমেন্টটা শুধুমাত্র ভাষা সংক্রান্ত জটিলতার কারণে মুছে দিয়েছি। মজাটাই মেরে দিবেন তাই। আশা করি রাগ করবেন না।
০৮ ই ডিসেম্বর, ২০১১ সকাল ১০:৫২
নাফিজ মুনতাসির বলেছেন: ধুর ধুর.....নিজের পোষ্টে দেখি নিজেই কমেন্ট মারে....মাইনাস
৯|
০৮ ই ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১:২৮
নাহিদ পারভেজ বলেছেন: হুরর বেটা রাগ করার কি আছে। কোঁতা গা যা...
ফ্র্যাংক ম্যান...
০৮ ই ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১:৩১
নাফিজ মুনতাসির বলেছেন: রাতে সাবধানে ঘুমাতে যেয়েন। তেনারা আসলে ডাক দিয়েন।
১০|
০৮ ই ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ২:০০
রবিন মিলফোর্ড বলেছেন: এখন পড়ব না রুমে একা যদি ভয় পাই
কমেন্ট করে রাখলাম যাতে কালকে পড়তে পারি । রহস্যময় কাহিনী পড়তে অনেক মজা লাগে । কালকে পড়ে দেখব ।
০৮ ই ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ২:০২
নাফিজ মুনতাসির বলেছেন: আপনার জানালার দিকে তাকিয়ে শুয়ে পড়েন। রাতে সাদা শাড়ি এ লাল চোখের কেউ আসলে আমারে ডাক দিয়েন। আমি আছি.....
১১|
০৮ ই ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ৩:২৯
নিটসাহা বলেছেন: পৃথিবীতে ভূত,প্রেত,আর জীন,পরী বলে কিছু নেই।যারা তাহা বিশ্বাস করে তাদের অন্তরের উপড় রয়েছে পর্দা।
০৮ ই ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ৩:৩৪
নাফিজ মুনতাসির বলেছেন: কিসের মধ্যে কি???
১২|
০৮ ই ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ৩:৫০
দুঃখ বিলাসি বলেছেন: সাদা শাড়ি ও লাল চোখের একটি মেয়ে দাড়িয়ে আছে আপনার পাশে।
০৮ ই ডিসেম্বর, ২০১১ সকাল ১০:৪২
নাফিজ মুনতাসির বলেছেন: আর বলবেন না......আমি ভয়ে রাতে কাত হয়ে গেছি......সাদা শাড়ী....লাল চোখ......উফফফফফ
১৩|
০৮ ই ডিসেম্বর, ২০১১ ভোর ৪:৩৯
সোহান বাশার বলেছেন: আমার মা বলত রাত্র ৩ টার দিকে আমাদের ঘরের পেছনের রাস্তা দিয়ে নাকি প্রায়ই একটা ঘোড়া যাইত এটার খুড়ের আওয়াজে নাকি আম্মার ঘুম ভেঙ্গে যেত।
০৮ ই ডিসেম্বর, ২০১১ সকাল ১০:৪৩
নাফিজ মুনতাসির বলেছেন: বলেন কি??? কোর জায়গার ঘটনা এটি???
১৪|
০৮ ই ডিসেম্বর, ২০১১ ভোর ৬:৩৩
হাসান মাহবুব বলেছেন: মজাই লাগে এসব পড়তে। আমি অবশ্য কোনদিন দেখিনাই এসব। দেখবোও না।
০৮ ই ডিসেম্বর, ২০১১ সকাল ১০:৪৪
নাফিজ মুনতাসির বলেছেন: রাতে বেলা তো এসব পড়তে দারুন মজা.......
কোনদিনও দেখার সম্ভাবনা নাই অবশ্য.......কিন্তু......
১৫|
০৮ ই ডিসেম্বর, ২০১১ সকাল ৭:৪৩
রিফাত হোসেন বলেছেন: ৬। পুরান ঢাকাতে কিছু মিষ্টির দোকান আছে যেখান থেকে কিছু লোক কয়েকদিন পর পর এসে রাত ৮টার দিকে ১০-১২ কেজি মিষ্টি কিনে নিয়ে যায়।। তারা যেই দোকানে ঢুকে সেই দোকানের মালিককে লাইট নিভিয়ে দিতে বলে।। অন্ধকারে তারা আসে, অন্ধকারে চলে যায়।। এই লোকগুলো আকারে অনেক লম্বা এবং তাদের চেহারা আজ পর্যন্ত কেউ ভালো করে দেখতে পারে নি।। ধারণা করা হয়, এরা জীন প্রজাতি।। পুরান ঢাকার বেশিরভাগ মিষ্টির দোকানের লোকেরাই উনাদের কথা জানেন।
উত্তর : জ্বীন মিষ্টি নয় বরং, শুকনো গোবর এবং হাড্ডি খেয়ে থাকে ।
-------------------------
অনেক ফিকাহের কিতাবে উল্লেখ করা হয়েছে, কয়লা দিয়ে ইস্তেন্জা (শৌচ কর্ম) করা যাবে না। কারণ কয়লা হল জিনদের খাদ্য।
এ প্রসঙ্গে অবশ্য একটি হাদীস এসেছে। হাদীসটি হল :
قدم وفد الجن على رسول الله صلى الله عليه وسلم فقالوا يا محمد انه أمتك أن يستنجوا بعظم أو روثة أو حممة فإن الله تعالى جعل لنا فيها رزقا قال : فنهى رسول الله صلى الله عليه وسلم عن ذلك.
الراوي: عبدالله بن مسعود المحدث: أبو داود - المصدر: سنن أبي داود - الصفحة أو الرقم: 39
خلاصة الدرجة: سكت عنه [وقد قال في رسالته لأهل مكة كل ما سكت عنه فهو صالح]
জিনদের একটি প্রতিনিধ দল রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর কাছে আসল। তারা বলল, হে মুহাম্মাদ! আপনার উম্মত হাড্ডি, গোবর ও কয়লা দ্বারা ইসতেন্জা করে থাকে। অথচ আল্লাহ তাআলা এ গুলোকে আমাদের জন্য খাদ্য হিসাবে নির্ধারণ করেছেন। হাদীসের বর্ণনাকারী আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ রা. বলেন, এরপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাদেরকে এ সকল বস্তু দিয়ে ইসতেন্জা করতে নিষেধ করেছেন। (বর্ণনায় : আবু দাউদ)
قال علقمة : أنا سألت ابن مسعود . فقلت : هل شهد أحد منكم مع رسول الله صلى الله عليه وسلم ليلة الجن ؟ قال : لا، ولكنا كنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم ذات ليلة. ففقدناه، فالتمسناه في الأودية والشعاب . فقلنا : استطير أو اغتيل، قال فبتنا بشر ليلة بات بها قوم . فلما أصبحنا إذا هو جاء من قبل حراء. قال فقلنا : يا رسول الله ! فقدناك فطلبناك فلم نجدك فبتنا بشر ليلة بات بها قوم . فقال " أتاني داعي الجن . فذهبت معه . فقرأت عليهم القرآن " قال فانطلق بنا فأرانا آثارهم وآثار نيرانهم . وسألوه الزاد . فقال " لكم كل عظم ذكر اسم الله عليه يقع في أيديكم ، أوفر ما يكون لحما . وكل بعرة علف لدوابكم " . فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " فلا تستنجوا بهما فإنهما طعام إخوانكم". رواه مسلم
আলকামা বলেন, আমি আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ রা. কে জিজ্ঞেস করলাম, জিনের রাতে আপনাদের মধ্যে কি কেউ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর সাথে ছিলেন? তিনি বললেন, না। কিন্তু ঘটনা হল, আমরা এক রাতে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর সাথে ছিলাম। তাকে আমরা পেলাম না। আমরা তাকে বিভিন্ন ঘাটি ও পাহাড়ে খোঁজ করতে থাকলাম। আমরা বলতে লাগলাম তিনি উধাও হয়ে গেছেন অথবা কেউ তাকে অপহরণ করেছে। আসলে সে রাতটি আমরা অত্যন্ত খারাপভাবে কাটিয়েছি। যখন সকাল হল তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়া সাল্লাম হেরা পর্বতের দিক দিয়ে আমাদের কাছে হাজির হলেন। আমরা বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আমরা আপনাকে হারিয়েছিলাম। অনেক খোঁজা-খোঁজি করেছি। আপনাকে না পেয়ে আমরা খুব দু:চিন্তায় (খুব খারাপ) রাত কাটিয়েছি। তিনি বললেন, জিনদের মধ্য থেকে একজন আহবানকারী এসেছিল আমার কাছে। আমি তার সাথে গেলাম। আমি তাদের কুরআন পাঠ করে শুনালাম। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাদের নিয়ে সে স্থানের দিকে চললেন। তিনি আমাদের তাদের পদচিহ্নগুলো দেখালেন। তাদের আগুনের আলামতগুলোও দেখালেন। তারা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়া সাল্লাম-কে তাদের খাদ্য-খাবার সম্পর্কে জিজ্ঞেস করেছিল। তিনি তাদের বললেন, তোমাদের খাবার হল সে সকল জন্তু জানোয়ারে হাড্ডি যা আল্লাহর নাম নিয়ে জবেহ করা হয়েছে। এর মধ্যে যা তোমাদের নাগালে আসে তা তোমরা খাবে। এটা তোমাদের জন্য গোশ্ত বলে গণ্য হবে। আর তোমাদের পালিত জানোয়ারের গোবরও তোমাদের খাদ্য।
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়া সাল্লাম এ সম্পর্কে বলেছেন :
الجن ثلاثة أصناف: صنف يطير في الهواء، وصنف حيات وكلاب، وصنف يحلون ويظعنون). رواه الطبراني، وابن حبان والحاكم أنظر صحيح الجامع الصغير للألباني رقم الحديث 3114 (
জ্বীন তিন প্রকার। এক. যারা শূন্যে উড়ে বেড়ায়।
দুই. কিছু সাপ ও কুকুর।
তিন. মানুষের কাছে আসে ও চলে যায়।
(সূত্র : তাবারানী। প্রখ্যাত হাদীস বিশারদ শায়খ আলবানী হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। দেখুন, সহীহ আল জামে আস সাগীর, হাদীস নং ৩১১৪, আবু সালাবা আল খাশানী রা. থেকে বর্ণিত।) (মুজামু আলফাজ আল-আকীদাহ)
জ্বীন বিভিন্ন প্রাণীর রূপ ধারণ করতে পারে। কিন্তু তাদের একটি গ্রুপ সর্বদা সাপ ও কুকুরের বেশ ধারণ করে চলাফেরা করে মানব সমাজে। এটা তাদের স্থায়ী রূপ।
০৮ ই ডিসেম্বর, ২০১১ সকাল ১০:৪৫
নাফিজ মুনতাসির বলেছেন: বিশাল গবেষণার পোষ্ট......মাঝে মাঝে স্বাদ পরিবর্তন করার জন্য খেয়ে থাকতে পারে। এক খাবার আর কতো.....
১৬|
০৮ ই ডিসেম্বর, ২০১১ সকাল ৭:৪৪
আশিকুর রহমান অমিত বলেছেন: মজা পেলাম। খুজলে মনে হয় সব গুলোর ব্যখ্যা পাওয়া যাবে।
০৮ ই ডিসেম্বর, ২০১১ সকাল ১০:৪৬
নাফিজ মুনতাসির বলেছেন: ব্যাখ্যা সবগুলোরই পাওয়া যাবে এবং দেখবেন বেশ হাস্যকর ব্যাখ্যাই পাওয়া গেছে......
১৭|
০৮ ই ডিসেম্বর, ২০১১ সকাল ৭:৪৬
রিফাত হোসেন বলেছেন: আদিভৌতিক, রহস্য আমাকে খুবই টানে কিন্তু
উৎসর্গ : ব্লগার রিফাত হোসেন(নিজেও এসব বিশ্বাস করেন না কিন্তু আমার এরকম এক পোষ্টে যিনি আমার সাথে লড়ে গেছেন) এবং ব্লগার মাহমুদহাসান(আমাকে সেরকম পঁচানো পঁচিয়েছিলেন)
ব্যাপারটা বুঝতে পারলাম না আপনার এই পোষ্টেতো আর কোন কমেন্ট করি নাই !!!
আমি নিজেই রহস্যে পড়ে গেলাম !!
সমাধান চাই । ![]()
০৮ ই ডিসেম্বর, ২০১১ সকাল ১০:৪৯
নাফিজ মুনতাসির বলেছেন: পোষ্টটি আপনার চোখে পড়ে নাকি সেটা নিয়েই টেনশনে ছিলাম।
ভুলে গেলেন নাকি আমাকে
??? আমি তো ভাবলাম আপনার মনে আছে....... যাই হোক এই পোষ্টে ঘুরে আসেন....তাহলেই মজার কিছু ঘটনা মনে পড়বে।
" রহস্যময় বাংলাদেশ "
১৮|
০৮ ই ডিসেম্বর, ২০১১ সকাল ১০:০৯
আরেফিন জিটি বলেছেন: পুরান ঢাকার মিষ্টির দোকানের ঘটনাটা অনেকেরই জানা, তবে ঘটনাগুলো ৫০-৬০ বছর আগের। এমনকি সে সময়কার কিছু মিষ্টির দোকানি রাতের একটা নির্দিষ্ট সময় *তাদের জন্য বিশেষভাবে কিছু মিষ্টি তৈরি রাখতো। তার জন্য তারা নাকি ভাল দামও পেত।
০৮ ই ডিসেম্বর, ২০১১ সকাল ১০:৫০
নাফিজ মুনতাসির বলেছেন: এই ব্যাপারটা আমিও অনেক শুনেছি.......খুব বিখ্যাত মিথ এটি........
১৯|
০৮ ই ডিসেম্বর, ২০১১ সকাল ১০:১৮
রাইসুল জুহালা বলেছেন: ইন্টারেস্টিং লাগল ব্যাপারগুলি।
০৮ ই ডিসেম্বর, ২০১১ সকাল ১০:৫১
নাফিজ মুনতাসির বলেছেন: তাও আবার নিজ দেশের.......ব্যাপারটাই আলাদা...
২০|
০৮ ই ডিসেম্বর, ২০১১ দুপুর ১২:৫০
Observer বলেছেন: ভুতের গল্প পড়লাম এইবার আচ্ছা করে হেসে নিই
জীনের মাইয়া বিয়া করতাম চাই
০৮ ই ডিসেম্বর, ২০১১ দুপুর ১:১২
নাফিজ মুনতাসির বলেছেন:
২১|
০৮ ই ডিসেম্বর, ২০১১ দুপুর ১২:৫৮
ফেলুদার চারমিনার বলেছেন: ভালু পাইলাম পোস্টখান ![]()
০৮ ই ডিসেম্বর, ২০১১ দুপুর ১:১৩
নাফিজ মুনতাসির বলেছেন:
ধন্যবাদ।
২২|
০৮ ই ডিসেম্বর, ২০১১ দুপুর ১:১৮
দস্যু রত্নাকর বলেছেন: গতকাল রাতে পড়েছি আবারও পড়লাম । দারুন ভৌতিক । ভয় এবং মজা দুইটাই পেলাম । আপনাকে ধন্যবাদ
০৮ ই ডিসেম্বর, ২০১১ দুপুর ১:৫৩
নাফিজ মুনতাসির বলেছেন: এগুলো পড়তে মজাই লাগে। বিশেষ করে রাতের বেলা।
২৩|
০৮ ই ডিসেম্বর, ২০১১ দুপুর ১:১৯
লেখাজোকা শামীম বলেছেন: আমার দুলাভাইয়েল গ্রামের বাড়িতে এক লোককে নাকি পরী ধরে নিয়ে গিয়েছিল। তারপর তাকে তালগাছের মাথায় রেখে যায়। দিয়ে যায়, গলায় একগাদা স্বর্ণের মালা। পকেট ভর্তি টাকা। তিনি প্রায়ই উধাও হয়ে যান এবং তারপর নানা গাছের মাথা থেকে অপ্রকৃতিস্থ অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। তখন তার গলায় স্বর্ণের মালা থাকে। তিনি এখন বিরাট ধনী।
এই ঘটনার একটা ব্যাখ্যা আমি তৈরি করেছি। এই লোক সম্ভবত কোন আন্ত জেলা ডাকাত দলের সর্দার। ডাকাতি করার পর এই ভেক ধরে।
০৮ ই ডিসেম্বর, ২০১১ দুপুর ১:৫৬
নাফিজ মুনতাসির বলেছেন: এটি বিখ্যাত আরেকটি মিথ।
আপনার এই ঘটনার মতো প্রায় হুবহু ঘটনা বাংলাদেশের অনেক জায়গায় শোনা যায়। আমাদের গ্রামের বাড়িতেও কত শুনলাম এরকম ঘটনা। কিন্তু সামনে কখনোই পেলাম না।
২৪|
০৮ ই ডিসেম্বর, ২০১১ দুপুর ১:৪১
নষ্ট কবি বলেছেন: ভুতের গল্প লেখার রসদ পেয়ে গেলাম আরো কিছু
০৮ ই ডিসেম্বর, ২০১১ দুপুর ১:৫৭
নাফিজ মুনতাসির বলেছেন:
রয়্যালিটির অংশ ও মিষ্টি চাই।
২৫|
০৮ ই ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১১:২৭
সোহান বাশার বলেছেন: কুমিল্লার মাতৃভান্ডার এর রসমালাই নাকি দিনের বেলা যা বিক্রি হয় রাতে তার চেয়ে বেশি বিক্রি হয়। মানুষের রুপ ধারন করে নাকি জিন পরি আসে মিস্টি খায়।
০৯ ই ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১২:২৯
নাফিজ মুনতাসির বলেছেন: আমার এক ফুফু কুমিল্লায় থাকেন। উনাদের কাছ থেকেও এমন ঘটনা শুনেছিলাম।
২৬|
০৯ ই ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১২:২৫
রবিন মিলফোর্ড বলেছেন: দারুন ইন্টারেস্টিং লাগল পড়ে ।
আমি অবশ্য ভুত - প্রেতে বিশ্বাস করিনা কিন্তু রাতের বেলা আবার ভয় পাই ঠিকই ।
এর ব্যাখ্যা কি জানতে মুনচায়
০৯ ই ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১২:৩১
নাফিজ মুনতাসির বলেছেন: ব্যাখ্যা জানার দরকার নেই। পরে দেখা যাবে হাস্যকর কোন ব্যাখ্যা বের হয়ে গিয়েছে। পরে ভয় তো দূরের কথা হাসি পাবে।
২৭|
০৯ ই ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ২:০১
রিফাত হোসেন বলেছেন: সোহান বাশার বলেছেন: কুমিল্লার মাতৃভান্ডার এর রসমালাই নাকি দিনের বেলা যা বিক্রি হয় রাতে তার চেয়ে বেশি বিক্রি হয়। মানুষের রুপ ধারন করে নাকি জিন পরি আসে মিস্টি খায়।
০৯ ই ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১২:২৯
লেখক বলেছেন: আমার এক ফুফু কুমিল্লায় থাকেন। উনাদের কাছ থেকেও এমন ঘটনা শুনেছিলাম।
----------------------------
জ্বীন কখনোই মিষ্টান্ন দ্রব্য খায় না । এটা কঠিন একটা মিথ , হয়তো ব্যবসা বাড়ানোর ধান্দা ।
আল্লাহ জ্বীনের জন্য আলাদা খাদ্য নির্দিষ্ট করেদিয়েছেন ।
আমিও ছোটকালে ঐটাই বিশ্বাস করতাম । পরে যখন হাদীসগুলো নেটে পেলাম আর অনেক হাদীসের বর্ণনা প্রায়ই । তখন বিশ্বাস করতে বাধ্য হলাম যে জ্বীনের সাথে মিষ্টির কোন সম্পর্ক নাই ।
০৯ ই ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ৩:২০
নাফিজ মুনতাসির বলেছেন: আপনার কথাতেই বোঝলাম কোন এক কারণে আপনি এইসব ব্যাপারে বিস্তর পড়াশোনা করেছেন। প্যারানরমাল বিষয়গুলো নিয়ে আপনার কাছে কি কোন বাংলা আর্টিকেল/বই এর সন্ধান আছে ??? থাকলে কি একটু লিংক দিতে পারবেন ????
২৮|
০৯ ই ডিসেম্বর, ২০১১ ভোর ৬:৫৩
রিফাত হোসেন বলেছেন: লেখক বলেছেন: আপনার কথাতেই বোঝলাম কোন এক কারণে আপনি এইসব ব্যাপারে বিস্তর পড়াশোনা করেছেন। প্যারানরমাল বিষয়গুলো নিয়ে আপনার কাছে কি কোন বাংলা আর্টিকেল/বই এর সন্ধান আছে ??? থাকলে কি একটু লিংক দিতে পারবেন ????
---------
আমি হলাম ভবঘুরে বিদ্যার্থী !
কখন যে কোথ্থেকে কি ঝুক ঢুকে মাথায় জানার জন্য, ঠিক নাই ।
বাসায় কয়েকটা বই আছে বিজ্ঞান ও কোরআন বিষয়ক, কয়েকটা হাদীসের বই আর ইন্টারনেট তো আছেই । ![]()
--.................
প্যারানরমাল এর কোন সাবজেক্ট আপনার পছন্দ ?
৩ টি বিভাগ থাকলেও আমি এই বিভাগ গুলিকে নিজের মত তিনটি বিভাগ ভাগ করি ।
১ম হল জ্বীন, যারা বিজ্ঞানেরই অংশ কিন্তু প্রয়োজনীয় সূত্রের অভাবে প্রমান করা যাচ্ছে না বা কেই বিশ্বাস করতে চাচ্ছে না ।
২য় হল হিউমেন বা মানুষ নয় এমন সুপারন্যাচারাল জীব সম্প্রদায় যারা এখনো বিজ্ঞান দ্বারা আবিষ্কৃত বা অস্তিত্ব নিয়ে প্রমাণিত হয় নি । (পৃথিবী ও ভিন গ্রহবাসীও হতে পারে যেহেুতু আল্লাহ বহু বিশ্বের সৃষ্টিকর্তা
)
৩য় হল প্রাকৃতিক কিন্তু তা সুপারন্যাচারাল সাধারণ থেকে একটু অন্য রকম যা প্রকৃতিরই বিশেষ অংশ । যা হয়ত এখনো মানুষের দৃষ্টির অগোচরে রয়েছে ।
কিন্তু আদতে তিনটা স্বীকৃত বিভাগ হল , ১ম ভূত ও প্রেত বা আত্না ২য় ভিনগ্রহবাসী ৩য় হল সুপারন্যাচারাল জীব যা স্থানীয় লৌকিক হিসেবে পরিচিত.. যেমন: নেকড়ে মানব, ড্রাগন ইত্যাদি
আমি কোন জ্ঞানী নই ।
Paranormality Why We See What Isnt নামে একই বই আছে, লেখকের নাম মনে পড়ছে না । বইটা মোটামোটি জনপ্রিয় ।
এটা পরেন ভাল লাগবে, যা জ্বীন বিষয়ক
Click This Link
--------------------
কোরআন ও হাদীস এর কিছু অলৌকিক এর ব্যাখ্যা যে বিজ্ঞান দেওয়া শুরু করেছে বা স্বীকার করেও স্বীকার করছে না সেটা কি বুঝতে পারছেন ?
যাই হোক আমি কোন অতি ধার্মিক ব্যক্তি না তবে জ্ঞান পিপাসু
তাই অতলৌকিক ব্যাপারে বা অসম্ভব ব্যাপারকে সম্ভব করার কাছাকাছি থিউরি খুজি ।
তেমনি উত্তর মিলে যে, বিবি মরিয়ম এর গর্ভে নবী ঈসা (আ
এর জন্ম অলৌকিক হলেও তা বিজ্ঞানের এক শাখা parthenocarpic reproduction এর অন্তভুক্ত । যদিও নারীর এই সম্ভাবনা খুবই বিরল ০০.০০১%
অথার্ত যৌন মিলন ব্যতী রেখেই গর্ভ ধারণ(পুরুষ +- ব্যতীরেখেই !) । সুবহানাল্লাহ !
১০ ই ডিসেম্বর, ২০১১ দুপুর ২:১০
নাফিজ মুনতাসির বলেছেন: আপনার মতো জ্ঞিনপিপাসু লোকই আমার দরকার। অনেক না জানা কথা জানলাম আপনার কমেন্ট পড়ে।
বইয়ে নাম ও লিংকটির জন্য অনেক ধন্যবাদ। এগুলোতে ঘুরতে যাচ্ছি এখন।
২৯|
০৯ ই ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১১:১৯
সফিক৩২১৪ বলেছেন: ++
০৯ ই ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১১:৩৫
নাফিজ মুনতাসির বলেছেন:
৩০|
১০ ই ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১২:১৪
বাবু_আহমেদ বলেছেন: উই মা,আমারে কিডা জানি ডাকে।বাচাওওওওও.।.।.।
পোস্ট প্রিয়তে নিছি।
লেখক বলেছেন: আপনার কথাতেই বোঝলাম কোন এক কারণে আপনি এইসব ব্যাপারে বিস্তর পড়াশোনা করেছেন। প্যারানরমাল বিষয়গুলো নিয়ে আপনার কাছে কি কোন বাংলা আর্টিকেল/বই এর সন্ধান আছে ??? থাকলে কি একটু লিংক দিতে পারবেন ????
১০ ই ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১২:৫৪
নাফিজ মুনতাসির বলেছেন:
৩১|
১০ ই ডিসেম্বর, ২০১১ দুপুর ২:২৯
আবদুল্লাহ্ আল্ মামুন বলেছেন: দারুন... পোষ্ট...
১১ ই ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১২:০৭
নাফিজ মুনতাসির বলেছেন: ধন্যবাদ।
৩২|
১১ ই ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১০:২০
নির্বাসিত আমি বলেছেন: ভালা পুষ্ট
১১ ই ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১০:২৩
নাফিজ মুনতাসির বলেছেন: মনিপুরীপাড়ার ঘটনাটি শুনে আমার মাথা নষ্ট হয়ে গেছে। ২/৩দিনের মাঝেই একটা অভিযান চালাবো।
অবশ্যই দিনের বেলা......কারণ রাতে
৩৩|
১১ ই ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১০:২৫
খালি ব্যান খাই বলেছেন: বাল্লাগ্চে... ![]()
১১ ই ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১০:২৭
নাফিজ মুনতাসির বলেছেন: ভয় পাওয়ার কথা.....
৩৪|
১১ ই ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১০:২৭
নাফিজ মুনতাসির বলেছেন: আবারো বলছি প্লিজ কেউ যদি মনিপুরীপাড়ার বাসাটির লোকেশন বা ব্যাখ্যা জানেন তাহলে জানান.......
১১ ই ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১০:২৮
নাফিজ মুনতাসির বলেছেন: এত অস্হির হয়ো না.....
৩৫|
১১ ই ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১০:৩০
আশকারি রহমান বলেছেন: আপনারা কুন পুষ্ট এ পচাইছিলো সেইটার লিংকু দেন ![]()
১১ ই ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১০:৩১
নাফিজ মুনতাসির বলেছেন: ১৭ নং কমেন্টে চলে যান...লিংক আছে..
৩৬|
১১ ই ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১০:৪৩
আশকারি রহমান বলেছেন: ভাই আপ্নার লিংকের পোষ্ট এর কমেন্ট হাফ পড়ছি..........
আহারে মানুষ কত কষ্ট করেই না রম্য লিখে অথচ কমেন্ট এই তো লুকায় আছে ব্যাফুক বিনুদুনের খুরাক
১১ ই ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১১:৪৩
নাফিজ মুনতাসির বলেছেন:
৩৭|
১১ ই ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১০:৫৪
লুকার বলেছেন: আজাইরা গবেষণা। জ্বিন-ভূত বইলা কিছু নাই।
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১১ দুপুর ১২:৩৩
নাফিজ মুনতাসির বলেছেন: গবেষণা করেছি এটা কিভাবে মনে হলো ???
৩৮|
১১ ই ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১১:১২
কুয়াশানিরব বলেছেন: ভুই পাইলাম......আমি এখন লেপের ভিতর...
১১ ই ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১১:৪৬
নাফিজ মুনতাসির বলেছেন: আপনার জানালার দিকে তাকিয়ে শুয়ে পড়েন। রাতে সাদা শাড়ি এ লাল চোখের কেউ আসলে আমারে ডাক দিয়েন। আমি আছি.....
৩৯|
১১ ই ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১১:২০
শাবালক ফায়েক বলেছেন: আমার এক খালার বাসায় নিচ তলায় সব কিছু নরমাল থাকতো । বাসাটি শহরে ছিল তাই নিচতলায় থাকলে বাইরের গারি ঘোরার আওয়াজ, মানুষের কোলাহল হাবিজাবি শোনা যেতো । কিন্তু উপরের তলায় উঠলে একটা আজব নীরবতা । কিছুই শোনা যায় না তখন । আর উপরের তলা সবসময় ঠান্ডা থাকতো । খুব বেশী ঠান্ডা । আমি এ বিষয়ে তাদের কিসু বলি নাই । বলে যদি লজ্জা পাই এজন্যে । কিন্তু কয়েকদিন পর তারা বাসা তা বদলায় ফেললেন । সবাই জিজ্ঞেস করলে কিছুই বলতেন না । অন্য কিছু একটা বলে উরায় দিতেন ।
১১ ই ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১১:৫০
নাফিজ মুনতাসির বলেছেন: বলেন কি????????? কোন জায়গার ঘটনা?????
আমি টাঙ্গাইলে গিয়েও এরকম একটি বাসা পেয়েছিলাম। কিন্তু যখন শুনি সেই বাসার সেই রুমটিতে একটি মেয়ে আত্মহত্যা করেছিলো তখন আর ঢোকার সাহস পাইনি।
৪০|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১২:০০
আশকারি রহমান বলেছেন: তয় পচান্তি দিতে মজা খাইতে মজা না
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১২:০২
নাফিজ মুনতাসির বলেছেন: ঠিক ঠিককককক
৪১|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১২:৩৩
হাদী নয়ন বলেছেন: আচ্ছা আপনারা কেউ মিরপুর ইনডোর স্টোডিয়ামের কথা বল্লেননা, ঐখানে আগে যখন পুকুর ছিল তখন যে ২/৩বছর পর পর একজন করে মানুষ নিত।শেষ মানুষ টার কথাই আমার মনে আছে আমি তখন খুব ছোট, তখন একদিন দুপুর বেলা ৬নং সেকশনের নান্টু নামে একজন পুকুরে গোসল করতে নামে প্রতিদিনের মত কিন্তূ সে আর উঠে আসে না,পুকুর পারে তার সেন্ডেল লুন্গি গামছা সব পরে থাকে।এদিকে তার মা তার খোজে পুকুরে আসে সবাই বলে হা দেখছিলাম ওতো গোসল করতে আইছিল ইত্যাদি।তখন ঐ পুকুরে আশপাশের অনেক মনুষি গোসল করতো।তারপর কত ডুবুরি কত মানুষ পুকুরে তন্ন তন্ন করে খুজল কিন্তূ নান্টু মিয়াকে আর খুজে পেলনা।তারপর ২৪ ঘন্টা পর তার লাশ ভেসে উঠছিল কোনরকম কিছুই হয়ছিলনা লাশের শরিরে।সবাই বলছিল শিকলে নিয়ে গেছিল।স্টোডিয়াম বানাবার সময়ও নাকি অনেক সমস্যা হয়েছিল তখন শুনেছিলাম।
এ ব্যাপারে কারো কিছু জানা থাকলে শেয়ার করবেন আশা করি।
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১২:৫৩
নাফিজ মুনতাসির বলেছেন: কঠিন একটি ঘটনা শোনালেন........আমি আজ প্রথম শুনলাম এই ব্যাপারটি।
আমি পোষ্টে ঘটনাটি দিয়ে দিলাম। আমার এই ব্যাপারে কিছুই জানা নেই। আশা করি কেউ জানলে জানাবেন।
৪২|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১:০২
ইল্যুশনিস্ট বলেছেন: হায় হায় কেন যে পড়তে গেলাম..........আজ রাতে আমার ঘুম হবে না
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১:০৩
নাফিজ মুনতাসির বলেছেন: ঘুম আজ আমারও হবে না। মাত্র কিছু ছবি নিয়ে একটি পোষ্ট দিয়েছি। সেটা দেখে আসেন। তারপর বলুন কেমন লাগে।
৪৩|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১:০৭
শুভ্র নামের ছেলে বলেছেন: সুবেদার আজম শাহ ১৬৭৮ সালে ঢাকায় একটি প্রাসাদ দুর্গ নির্মাণে হাত দেন। তখন ঢাকার সুবেদারদের থাকার জন্য স্থায়ী কোনো ব্যবস্থা ছিল না। স্বল্প সময়ের জন্য দায়িত্ব পালন করতে আসা সুবেদাররা ঢাকায় স্থায়ী ভবন নির্মাণে কোনো উৎসাহ দেখাননি। যুবরাজ আযম শাহ প্রথম এই উদ্যোগ নেন। তিনি অত্যন্ত জটিল একটি নকশা অনুসরণ করে দুর্গের নির্মাণকাজ শুরু করেন। তিনি দুর্গের নামকরণ করেন কিল্লা আওরঙ্গবাদ। কিন্তু পরের বছর সম্রাট আওরঙ্গজেব তাঁকে দিলি্ল ফেরত পাঠান। ফলে দুর্গের কাজ অসমাপ্ত রেখে তাঁকে দিলি্ল চলে যেতে হয়। এরপর সুবেদার হয়ে দ্বিতীয়বারের মতো ঢাকা আসেন শায়েস্তা খাঁ। যুবরাজ আযম শাহ তাঁকে লালবাগ দুর্গের অসমাপ্ত কাজ শেষ করার জন্য অনুরোধ করেন। শায়েস্তা খাঁ দুর্গের কাজ পুনরায় শুরু করেন। কিন্তু ১৬৮৪ সালে তাঁর অতি আদরের মেয়ে পরি বিবি অকস্মাৎ মারা গেলে তিনি অশুভ মনে করে এর নির্মাণকাজ বন্ধ করে দেন। এর পরিবর্তে নির্মাণ করেন চিন্তাকর্ষক পরি বিবির সমাধিসৌধ।
কিন্তু এ সময়ের মধ্যে লালবাগ দুর্গের প্রায় ১২ শতাংশ নির্মাণকাজ শেষ হয়ে এসেছিল। দুর্গের নিয়ম অনুযায়ী একটি ভূগর্ভস্থ পথও নির্মিত হয়েছিল। আত্মরক্ষা কিংবা প্রয়োজনে পালিয়ে যাওয়ার জন্য সাধারণত এ পথ ব্যবহৃত হয়। দুর্গের দক্ষিণ-পূর্ব দেয়ালের সঙ্গে যুক্ত আছে এ সুড়ঙ্গ পথটি। কোনো কোনো স্থাপত্যিকের ধারণা, এ পথটি প্রায় ১৮ কিলোমিটার দূরে টঙ্গী নদীর সঙ্গে যুক্ত। আবার কেউ মনে করে, এটি একটি জলাধারের মুখ। এর ভেতরে একটি বড় চৌবাচ্চা আছে। মোগলদের পতনের পর লালবাগ দুর্গ যখন সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত হয়ে যায়, তখন ঢাকাবাসীর সব আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয় এই সুড়ঙ্গ। আর তখন থেকেই নানা মুখরোচক কাহিনী চালু হয় সুড়ঙ্গটি নিয়ে।
যেহেতু সুড়ঙ্গ পথের রহস্য উদ্ঘাটনের জন্য আজ পর্যন্ত প্রত্নতাত্তি্বক খননকাজ হয়নি, তাই এটি নিয়ে নানা কল্পকাহিনী চালু আছে। এ কারণেই এ সুড়ঙ্গ পথটি ঢাকার আদি বাসিন্দাদের কাছে এক বিরাট রহস্য। তাই আজও এই সুড়ঙ্গের সামনে তারা জড়ো হয়ে দাঁড়ায়। জানমালের যাতে কোনো ক্ষতি না হয় বা কৌতূহলবশত কেউ যেন এর ভেতরে প্রবেশ না করে সে জন্য সুড়ঙ্গমুখে গেট নির্মাণ করে তাতে তালা দেওয়া হয়েছে। ঢাকাবাসীর মনে তালা দেওয়ার ব্যবস্থা কিন্তু আজও হয়নি।
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১:১৭
নাফিজ মুনতাসির বলেছেন: নাআআআআআআ.......
একি করলেন......এটি আমার খুব প্রিয় মিথ ছিলো....দেখলেন কত সহজ এর ব্যাখ্যা.......
আপনার ব্যাখ্যাটি পোষ্টে যোগ করে দিলাম।
৪৪|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১:১৭
শুভ্র নামের ছেলে বলেছেন: এগুলাকে ভৌতিক ঘটনা না বলে মিথ বলব আমি। ঢাকায় কি কি আছেন লিস্টি করেন তো, একসাথে গিয়ে রহস্য দেখে আসব।
তবে সব ঘটনার মধ্যে এটাই আমার দেখা সবচেয়ে বাস্তব কাহিনীঃ এটিএম বুথে 'ভূতের আছর'! - কালের কন্ঠ
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১:২০
নাফিজ মুনতাসির বলেছেন: সবগুলোকে মিথই বলতে হবে।
আমার মনের কথা বলেছেন। আরো কিছু জমা হোক। তারপর একসাথে রহস্য অভিযানে নেমে পড়বো। আমি কিন্তু সিরিয়াস।
আপনার লিংকে গিয়ে ভয় পেয়ে গেলাম।
৪৫|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১১ বিকাল ৩:১১
শুভ্র নামের ছেলে বলেছেন: আপনার পয়েন্টগুলা একটু দেখি এক এক করে -
১) গানস অফ বরিশালঃ সমস্যা হল এটা এখন আর হয় না তাই ব্যাখ্যা দেয়াও সম্ভব না। তবে আমার কাছে যতটা না ভৌতিক, তার চেয়ে অনেক বেশী প্রাকৃতিক বলেই মনে হয়েছে পড়ে। সেই আমলে লোকাল মানুষের পক্ষে বিজ্ঞান নিয়ে চিন্তা করা সম্ভব ছিল না, প্রাকৃতিক খেয়াল তাই বলে তো আর থেমে থাকবে না। এই লিঙ্কটা এখন পড়ব, দেখি কিছু পাই কি না ।
২) বগা লেক মোটেই রহস্য না, পুরোটাই প্রাকৃতিক ব্যাপার যেটা এখনো কেউ বের করে নি। আগ্নেয়গিড়ি থাকতেই পারে কিন্তু, এটা অবাস্তব কিছু না। আর পানির রং বদলের যে ব্যাপারটা বললেন, সেটা একমাত্র আগ্নেয়গিড়ি হলেই সোজা ব্যাখ্যা দেয়া যায়।
৩) চিকনকালার এটা লোকাল মিথ, এখানেও ভৌতিক কিছু নাই। দেখেন, আগে কিন্তু সবাই ভয় পেয়ে দৌড় দেয় (ভয় পেতে হবে সেটা এরা ছোট থেকেই শিখেছে), আর যারা পিছে পড়ে যায় তারা আসলে আতঙ্কেই মারা যায়। আতঙ্কিত মাথা সাধারন ভালুক দেখলেও উল্টাপাল্টা দেখবে। আর এটাও মাথায় রাখতে হবে, পাহাড়ীদের কাছ থেকে এই ধরনের খবর অনেক তিল তাল রং চং মেখেই আমাদের কাছে আসবে।
৪। সোয়াচ অফ নো গ্রাউন্ড আবার রহস্য হয় কিভাবে???? এটা কিভাবে সৃস্টি হয় আর কেনই বা এটা বিখ্যাত সেটা একটু গুগল করলেই পাবেন। আর মুনতাসীর ভাইয়ের মারাত্মক ছবি আবার কি, বলেন দুর্দান্ত ছবি। সবাই যায় কারন এখানে তিমি হাঙ্গর আর শুশুক একবারে দেখা যায়, আর এটা প্রাকৃতিকভাবে সৃস্টি হওয়া একটা ক্যানেল যা আবার ফুড ম্যাটেরিয়ালসে পুর্ন।
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১১ বিকাল ৫:০৯
নাফিজ মুনতাসির বলেছেন: অনেক গবেষণা করে ফেলেছেন দেখি!!!
যাই বলুন না কেন ব্যাপার ও জায়গাগুলো কিন্তু খুব ইন্টারেস্টিং। একবার হলেও যেতে হবে এইসব জায়গায়।
৪৬|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১১ বিকাল ৩:৩০
শুভ্র নামের ছেলে বলেছেন: ৫) চুয়াডাঙ্গা আলীপুরের এই গল্পে যেভাবে লিখেছেন মনেহচ্ছে বেশ কিছু রং মেশানো আছে। প্রথমেই কুকুরের আচরন যদি বিশ্বাস করতে যাই, দুইটা জিনিষঃ কুকুরের রং কাল হওয়া অবাক করার মত কিছু না। চোখ থেকে নীল আভা না, আমাবশ্যা বলে সবাই টর্চ নিয়েই বের হয় আর টর্চ কুকুরের চোখে পড়লে আলো রিফ্লেক্ট হবেই। ১২টা থেকে ৩টা পর্যন্ত সময়টাও ঠিক আছে, ট্রেইন্ড না হলে কোন কুকুরই ভোর পর্যন্ত হাটাহাটি করবে না। এখন প্রশ্ন হল, অন্যদিন কেউ দেখে নাই কেন? এটার ব্যাখ্যাও ওখানকার লোকাল কেউ দিতে পারবে, যদি চায়।
৬) পুরান ঢাকার মিস্টির ব্যাপারটা কি এখনো হয়? এটাও বোধহয় ব্যাখ্যা দেয়া সহজ, কবে কবে মিস্টি নেয়ার কাহিনী হয় সেই তারিখগুলা সংগ্রহ করতে পারলেই হবে।
৭) লালবাগ কেল্লা তো বললামই।
৮) হাহাহাহাহা এটা খুবই ছেলেমানুষী রহস্য। পুরান ঢাকার কোন স্কুল বলেন তো, দেখে আসি। রাত বিরেতে বউ দেখে এতই সন্দেহ হলে কেউ ফলো করে নাই কেন?
৯) সাওতালদের এটা ব্ল্যাক ম্যাজিকের বাংলাদেশ ভার্সন। আমি ব্ল্যাক মাজিকও বিশ্বাস করি না, তাই এটাও বিশ্বাস করি না। আপনাকে এটা মাথায় রাখতে হবে, সাওতালরা কিন্তু খুব একটা অগ্রসর কমিউনিটি না, তাই এরকম হাজারটা কুসংস্কার তাদের থাকতেই পারে।
১০) তেজগাও মনিপুরীপাড়ার এই বাড়ি নিয়ে আমি ইন্টারেস্টেড। কোন ঠিকানা বা এরকম কিছু আছে আপনার কাছে?
১১) পুকুর সংক্রান্ত মিথ আমাদের সবারই খুব প্রিয় মিথ, এবং পুকুরের চারপাশে অবাধে বড় হওয়া ঘাস জংলা, প্লাস কচুরীপানা, প্লাস পুকুরের পানিতে ফেলা আবর্জনা - সব মিলিয়ে বায়োগ্যাস আর রিলেটেড যে ধরনের এফেক্ট আবদ্ধ পানিতে হতে পারে - সবকিছুই পুকুর সংক্রান্ত মিথগুলোকে আরো শক্ত করে।
১২) এটার ব্যাখ্যা দিতে চাচ্ছেন না কেন?
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১১ বিকাল ৫:১৩
নাফিজ মুনতাসির বলেছেন: বলেছিলাম না......আসল ব্যাখ্যা বের করার চেষ্টা করা হলে প্রায় সবগুলোরই সত্যিকারের ব্যাখ্যা বের হয়ে আসবে।
মনিপুরীপাড়ারটা নিয়ে আমি খুবই আগ্রহী। কিন্তু কারো কাছ থেকে কোন তথ্য পাচ্ছি না। দেখি কোন তথ্য পেলে আমি জানাবো।
১২।......এটার না হয় সামনে পেলে কোন একদিন বলবো।
৪৭|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১১ বিকাল ৩:৪০
অহন_৮০ বলেছেন: খুব ভালো হইছে..... আমি ভুতের গল্প পড়তে ভালবাসি
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১১ বিকাল ৫:১৩
নাফিজ মুনতাসির বলেছেন: আমিও.....
৪৮|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১১ বিকাল ৫:৫৪
আন্না০০৭ বলেছেন: ভূতের গল্প অনেক বেশি ভালা পাই।
আমাদের একটা মিষ্টির দোকান আছে স্বাধীনতার আরও অনেক আগের এই দোকান । রাত্রে বেলা দোকানের সবগুলো টেবিল চেয়ার উঠিয়ে ফেলা হলেও একটা নির্দিষ্ট টেবিল চেয়ার কখনোই ওঠানো হয় না রাত্রে বেলা নাকি জ্বিন রা এসে এখানে বসে মিষ্টি খায় এবং ঐ পরিমান টাকাও ক্যাশ বক্সে রেখে যায়। অথচ দোকান তালাবন্ধ থাকে রাত্রে।
ছোটবেলা থেকেই বাড়িতে এই গল্পটা শুনে আসতেসি নিজে কোনদিন দেখি নাই আমি সিংহ রাশির মানুষ বইলে নাকি আমার দেখার সম্ভাবনাও নাই।
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১১ সন্ধ্যা ৬:৫৩
নাফিজ মুনতাসির বলেছেন: আপনি তো দেখি একজন লাইভ ভিকটিম.......আজব লাগলো আপনার অভিজ্ঞতা শুনে।
আপনার সাথে আমার কথা আছে। আমি পরে যোগাযোগ করছি।
৪৯|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১০:৪১
শাবালক ফায়েক বলেছেন: ঘটনাটা মৌলভীবাজার জেলা শহরের শান্তিবাগ এলাকার
১৩ ই ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১২:৫২
নাফিজ মুনতাসির বলেছেন: বলেন কি???? আমি তো মৌলভীবাজারে ছিলাম প্রায় ক্লাস ৮ পর্যন্ত। প্রায়ই এখনো বেড়াতে যাই।
দি ফ্লাওয়ার্স এর ছাত্র ছিলাম আমি। ফাহমি, স্বপন, ফাহিম, জহির, হেলাল, রফি এদের চিনেন???? এরা আমার ফ্রেন্ড।
৫০|
১৩ ই ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১:১৯
নস্টালজিক বলেছেন: দারুণ আগ্রহ নিয়ে পোস্টটা পড়লাম, সাথে কমেন্টগুলোও ... স্পেশ্যালি রিফাত হোসেনের কমেন্টগুলো!
১৩ ই ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১:২৫
নাফিজ মুনতাসির বলেছেন: পড়ার জন্য ধন্যবাদ।
রিফাত হোসেন গুরু মানুষ। এই বিষয়ে বিস্তর পড়াশুনা আছে উনার তা সহজেই বোঝা যায়।
৫১|
১৩ ই ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১:৪২
হাদী নয়ন বলেছেন: শুভ্র নামের ছেলে@ভাই ঐ পুকুরটার পানি ছিল ঘোলা ,আশেপাশে বড় ঘাস ছিলনা, কচুরিপানাও না, ছিল বিশাল বিশাল সব আম জাম কাঠাল এজাতিয় গাছ।আর বড় বড় কিছু রাস্তার পাইপ ।প্রতিদিন ঐ পুকুরে ১০০র উপরে মানুষ গোসল করত এবং এই ঘটনা ঘটে যাওয়ার ২/৪দিন পর থেকে আবার সবাই গোসল শুরু করে দেয়।বলে আবার ১/২ বছর পর এমন ঘটবে তাই নো টেনশন।
১৩ ই ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১:৪৭
নাফিজ মুনতাসির বলেছেন:
৫২|
১৩ ই ডিসেম্বর, ২০১১ দুপুর ১:৫৫
শুভ্র নামের ছেলে বলেছেন: লেখক বলেছেন: অনেক গবেষণা করে ফেলেছেন দেখি!!!
না রে ভাই, একবার দুবার পরেই লিখেছি, গবেষনা করলে আরও ভাল ব্যাখ্যা দিতে পারতাম। অবশ্য স্পটে না গিয়ে শুধু লেখা দেখেই ব্যাখ্যা দেয়া সম্ভবও না।
হাদী নয়ন বলেছেন: শুভ্র নামের ছেলে@ভাই ঐ পুকুরটার পানি ছিল ঘোলা ,আশেপাশে বড় ঘাস ছিলনা, কচুরিপানাও না, ছিল বিশাল বিশাল সব আম জাম কাঠাল এজাতিয় গাছ।আর বড় বড় কিছু রাস্তার পাইপ ।প্রতিদিন ঐ পুকুরে ১০০র উপরে মানুষ গোসল করত এবং এই ঘটনা ঘটে যাওয়ার ২/৪দিন পর থেকে আবার সবাই গোসল শুরু করে দেয়।বলে আবার ১/২ বছর পর এমন ঘটবে তাই নো টেনশন।
হাদী ভাই, ভাল সাতারুও ডুবে যেতে পারে অনেক কারনে, শারিরীক কারন হোক বা প্রাকৃতিক হোক। ২-৩ বছরে একজন করে মারা যাওয়া - এটা এতই সময় নিয়ে ঘটনা যে ব্যাখ্যা দেয়া প্রায় অসম্ভব।
স্টেডিয়াম বানানোর সময় কি হয়েছিল?
১৩ ই ডিসেম্বর, ২০১১ দুপুর ২:০৫
নাফিজ মুনতাসির বলেছেন: যেতে হবে যেতে হবে যেতে হবে.......যাওয়া ছাড়া গতি নাই।
৫৩|
১৩ ই ডিসেম্বর, ২০১১ দুপুর ২:০৬
শুভ্র নামের ছেলে বলেছেন: হাদী নয়ন বলেছেন: শুভ্র নামের ছেলে@ভাই ঐ পুকুরটার পানি ছিল ঘোলা ,আশেপাশে বড় ঘাস ছিলনা, কচুরিপানাও না, ছিল বিশাল বিশাল সব আম জাম কাঠাল এজাতিয় গাছ।আর বড় বড় কিছু রাস্তার পাইপ ।প্রতিদিন ঐ পুকুরে ১০০র উপরে মানুষ গোসল করত এবং এই ঘটনা ঘটে যাওয়ার ২/৪দিন পর থেকে আবার সবাই গোসল শুরু করে দেয়।বলে আবার ১/২ বছর পর এমন ঘটবে তাই নো টেনশন।
আরেকটা কথা, পুকুরের পানির প্রকৃতির অনেক চেঞ্জ হয় আসলে পচা পাতা আর পুকুরে ফেলা আবর্জনা থেক, পুকুরের যে বর্ননা দিলেন তাতে কিন্তু এটা খুবই সম্ভব।
একটা গল্প বলি, আমার ফ্রেন্ডের কাছ থেকে শোনা।
এলাকায় এক পুকুরে সবাই গোছল করত। একদিন একজন হঠাত করে খেয়াল করে পুকুরের এক কোনা থেকে অনেক বুদবুদ উঠছে, সাধারনত সেদিকে গোছল করে না কেউ। লোকজন ভয় পেয়ে যায়, পরে ওইদিকে জাল ফেলার পর একটা ডেডবডি পেয়ে যায়।
গ্রামে প্রেক্ষিতে এই ঘটনা নিঃসন্দেগে ভৌতিক বা রহস্য ক্যাটাগরীতে পড়ে। আমি একটাই প্রশ্ন করেছিলাম, ওই পুকুর আর কি কি কাজে ব্যাবহার হত।
জানেন উত্তর কি পেয়েছিলাম? পুকুরের যে পাশে ডেডবডি পাওয়া গিয়েছিল সেপাশে মানুষ গৃহস্থালী আবর্জনা ফেলত, উপরে গাছ থেকে পচা পাতাও পড়ত। বুদুবুদ আসলে এই সব বায়োকেমিক্যাল লোচা থেকেই হয়েছে। আর ডেডবডিটা একটা খুন, বেশ আগে কেউ খুন করে লাশ ফেলে দিয়েছিল, এতদিন ওর উপরেই অনেক ময়লা পড়েছে। যে কোন কারনেই দুপুরে ফেলা ময়লা বা অন্য কোন কিছুতে আবর্জনার স্তরের পরিবর্তন হয়, এতে করে স্তরের নিচে জমে থাকা গ্যাস একবারে বের হয়ে আসে।
৫৪|
১৩ ই ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ৯:৫০
শাবালক ফায়েক বলেছেন: আপনি কোন সেশনের ছাত্র ?
১৩ ই ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১০:১০
নাফিজ মুনতাসির বলেছেন: ২০০৫ সাল। কিন্তু ওরা ২০০৪সালের।
৫৫|
১৪ ই ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ২:৪১
রিফাত হোসেন বলেছেন: সবাই রহস্যে খুজতে বেড়ায় আর সবাই উড়াইয়া দেয় ব্যাখ্যা দিয়ে, প্রমাণ দিয়ে ।
আমি একটা রহস্যের সমাধান চাই , জনাব নাফিজ সাহেব । ![]()
একটা না ৪ টা । আপনাদের রহস্য খুজার অনেক সখ তাই না !! ![]()
১ম রহস্য , মানুষ মৃত্যুর পরে কই যায় ???
আমার সামনে আমার মামা মারা যায় , কিন্তু সে কোথায় গিয়েছে আমি জানি না । আপনি একটু মরে আমার মামাকে খুজে আনতে পারবেন ?
আচ্ছা আপনি ইন্তেকালের ট্রায় করার পর ফেরত আসবেন কিভাবে ?
২য় রহস্য মানুষ চোখ খোলা রেখে কেন ঘোমানোর চেষ্টা করে না ? যদিও বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা আছে, তবুও আমার প্রশ্ন কেন চোখ খোলা রেখে ঘুমাতে পারি না ? কারণ ব্যাখ্যাটা তেমন শক্তিশালী নয় ।
৩য় মানুষ ঘুমালে স্বপ্ন কেন দেখে ? অথবা কোথায় যায় ? আমি একটা রাত স্বপ্নহীন ঘুম চাই । আপনি কি চেষ্টা করে একটি রাত স্বপ্নহীন ঘুমাতে পারবেন =?
৪র্থ দুই নদীর বা সমুদ্রের পানি মিশ্রীত কেন হয় না ? যদিও বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা আছে কিন্তু তবুও কেন মিশ্রিত হয় না ? কারণ ব্যাখ্যাটা তেমন শক্তিশালী নয় ।
১৪ ই ডিসেম্বর, ২০১১ দুপুর ১:৫৫
নাফিজ মুনতাসির বলেছেন: বাপরে বাপ......এইদিকে চিন্তা করা হয়নি। করে কোন লাভও হবে না। কারণ এগুলোর ব্যাখ্যা পাওয়া সম্ভব হবে না কোনদিনও।
তাও বেশ ভাল কয়েকটি জিনিস জানলাম আপনার কাছ থেকে।
৫৬|
১৯ শে ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১১:০৫
শাবালক ফায়েক বলেছেন: তাহলে নাহ । তাদের আমার চেনার কথা নয় ।
১৯ শে ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১১:৪৩
নাফিজ মুনতাসির বলেছেন: ওকে।
৫৭|
২১ শে ডিসেম্বর, ২০১১ ভোর ৪:৫৭
রিফাত হোসেন বলেছেন: নাফিজ সাহেব আপনাকে নিয়া বিডিতে আসিলে একটা ২ দিনের টু্রে বাহির হইব ।
ভূত হান্টিং টুরে । যদি আমার সাহস না হয় , তবে আপনি আপনার দোস্তদের নিয়ে যাইবেন, টুর শেষ হবার আমাকে ফিড ব্যাক দিবেন ।
আমি আবার জ্বীন বহুত ভয় পাই, ব্যাপারটা মানষিক (আস্তিক যেহেতু সেহেতু জ্বীনের দেখা পাওয়াও উচিত
) । তবে কিছু ব্যাপার আছে যা খুব সাধারণভাবে ব্যাখ্যা যোগ্য কিন্তু অতিপ্রকৃতি ব্যাপারে ব্যাখ্যাটা অসাধারণভাবে পাবার যোগ্য ।
আমার বিডিতে আসতে দেরী আছে অনেক, এর মধ্যে আশেপাশে যেখানে হান্ট করা যায় সেখানে ঢু মারেন ।
পোষ্ট দিবেন পড়ব ।
ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার মজাই আলাদা ।
২১ শে ডিসেম্বর, ২০১১ সকাল ১১:১৩
নাফিজ মুনতাসির বলেছেন: ভালই বলেছেন। সমস্যাটা হলো প্রচুর আগ্রহ থাকা সত্ত্বেও আমি নিজেও এসবের ভয়ে অস্হির থাকি। কিন্তু অভিযানে বের হতে পারি কনফার্ম।
তারপরও ভেবে রেখেছি একদিন বের হবো। সব ঘটনা বুঝে তারপর পোষ্ট দিয়ে দিতে পারি।
ধন্যবাদ আপনাকে। শুভকামনা রইলো।
৫৮|
২৬ শে ডিসেম্বর, ২০১১ সকাল ৯:১৩
রিফাত হোসেন বলেছেন: Click This Link লিংক এর পোষ্ট পড়েন আর মিষ্টি খান ।
রেডী হন
বুইঝা লন কি বুঝাইতে চাইতাছি ![]()
২০১২তেই ভূতং কোপাকোপিং হৈতে পারে ।
২৬ শে ডিসেম্বর, ২০১১ সকাল ১১:২৫
নাফিজ মুনতাসির বলেছেন: আহেন আহনে
ভূতরে শিডিউল দিয়া বইসা আছি
......
৫৯|
৩০ শে মার্চ, ২০১২ রাত ১০:৪৩
রিফাত হোসেন বলেছেন: Click This Link
৩০ শে মার্চ, ২০১২ রাত ১১:৪৯
নাফিজ মুনতাসির বলেছেন:
বাইরে ছিলাম ভাইয়া...........আপনার পোষ্টে এই লিংক দেখার আগেই কমেন্ট করে এসেছি...........
৬০|
২৭ শে এপ্রিল, ২০১২ রাত ১০:২৫
রিফাত হোসেন বলেছেন: সাহেব তৈরী হন, রোজার আগেই কাহিনী খতম করতে হইবেক ![]()
কোম্পানীর কাছে ছুটি চেয়েছি , রোজার আগে না হয় পিছনে হতে পারে ।
ব্লগারদের একটু হাক ডাক দেন ।
যেহেতু আমি আপনাকে টিম লিডার মনোনীত করেছি ।
সামু এখানে প্লাটফর্ম মাত্র । সামু যেহেতু কোন প্রকার স্পন্সর করছে না তাই এর সাথে মিলিয়ে কোন অভিযানের নাম রাখতে আমি চাচ্ছি না ।
একটা লিস্ট তৈরী করেন ঢাকা ও ঢাকার কাছাকাছি যেখানে পরের দিনই সহজে ফিরত আসা যাবে । দিনেও ভৌতিক ব্যাপার স্যাপার হয় এমন জায়গাও চিহ্নিত করলে সুবিধা হয় । তাহলে দিনেও অপারেশন চালনা করা যাবে ।
আর নাইটভিশন ক্যামেরা প্রয়োজন । আমারটাতে এই পদ্ধতি নাই । আর কোন আইন শৃংঙ্খলা বাহিনীতে কর্মরত ব্লগার যদি যোগ আরও ভাল হয় বা কারও যোগাযোগ থাকে তাদের সাথে । তাদের জানিয়ে যাওয়াই সমুচীন । হুজুর ব্লগারও যোগ দিতে পারেন ।
বিপদে পড়লে সূরা ভুইলা গেলে আরেক ঝামেলা ।
আমি বেশ কয়েকটা শর্তে অংশগ্রহন প্রত্যাশী ।
১ম: শুধুমাত্র পুরুষ ।
২য়: অবিবাহীত ।
৩য়: যে কোন অশ্বরীরিক কর্মকান্ডের কারণে মানসিক ক্ষতি হলে ব্যক্তি নিজে দায়ী থাকবে এই মর্মে যার যার পরিবার থেকে হলফ নামা অথবা নিজে হলফ নামা দিবে এবং শারীরিক ব্যাপারের ক্ষেত্রেও ।
৪র্থ: কলেজেগামী ব্লগারদের আইডি প্রদর্শন করতে হবে , ১৮ বছরের কম হলে বাবা মা য়ের হলফ নামা লাগবে ।
৫ম: শুধু মাত্র সামু রেফারেন্স এ নেওয়া হবে ।
৬ষ্ঠ: কোন প্রকার বন্ধু বান্ধব, আত্নীয় অংশগ্রহন করতে পারবে না , একাধিক ব্লগার হলে শুধু মাত্র পরিবার প্রতি ১ জন অংশগ্রহন করতে পারবে ।
৭ম: ন্যাশনাল আই ডি কার্ড প্রদর্শন বাধ্যতামূলক ।
৮ম: নাস্তিকদের অগ্রাধিকার । কারণ বন্দুকটা তাদের ঘাড়ের উপর ভর দিয়েই চালনা হবে ।
৯ম: অভিযানের স্বার্থে উপরের শর্ত পরিবর্তনযোগ্য । তবে তা অবশ্যই জরুরী ব্যাপারে ।
পরবর্তীতে আরও উন্নতি করা হবে শর্ত ও কাঠামো ।
আপাতত এতটুকুই ।
২৭ শে এপ্রিল, ২০১২ রাত ১০:৫৩
নাফিজ মুনতাসির বলেছেন: হাতে সময় আছে অনেক..........সমস্যা নাই...........আরেকটু পরে হাকডাক দেয়া যাবে সবাইকে.............বেশ কয়েকজনতো দেখলাম এরই মাঝে সাড়া দিয়েছে...........
আমার এক কাজিন আছে এইসব ব্যাপারে বেশ অভিজ্ঞ.........তাকেই একটা ছোট লিস্টি বানাতে বলেছি......বেশীরভাগগুলোতেই গিয়ে দেখা যায় ফালতু........তাই তাকে গুজবে কান না দিয়ে সরাসরি অভিজ্ঞতা হয়েছে দাবী করাদের সাথে কথা বলে জায়গা দেখতে বলেছি......দেখা যাক কয়টা পাই.........
এইবার আপনার শর্তের ব্যাপারে আমার কিছু কথা.....
১ম: মনে হয়না কোন মেয়ে যাবে......তবে যেতে চাইলে তেমন সমস্যা দেখি না।
২য়: অবিবাহিত এই শর্তের কারণটা বুঝলাম না।
৩য় এবং ৪র্থ: দরকার হবে বলে মনে হয় না...........
৫ম এবং ৬ষ্ঠ: মোটামুটি সহমত....
৭ম: ভালো বুদ্ধি।
৮ম: এথিস্টদের যে কারণে নিতে চাই যদি পরে উল্টাটা ঘটে..........তখনতো আমরা শেষ
আপাতত এটুকুই থাক.............পরে বিস্তারিত আলোচনা হবে........
৬১|
২৭ শে এপ্রিল, ২০১২ রাত ১১:১৬
বাদ দেন বলেছেন: ৬ পুরান ঢাকাতে কিছু মিষ্টির দোকান আছে যেখান থেকে কিছু লোক কয়েকদিন পর পর এসে রাত ৮টার দিকে ১০-১২ কেজি মিষ্টি কিনে নিয়ে যায়।। তারা যেই দোকানে ঢুকে সেই দোকানের মালিককে লাইট নিভিয়ে দিতে বলে।। অন্ধকারে তারা আসে, অন্ধকারে চলে যায়।। এই লোকগুলো আকারে অনেক লম্বা এবং তাদের চেহারা আজ পর্যন্ত কেউ ভালো করে দেখতে পারে নি।। ধারণা করা হয়, এরা জীন প্রজাতি।। পুরান ঢাকার বেশিরভাগ মিষ্টির দোকানের লোকেরাই উনাদের কথা জানেন।
আমি জ্বীন বলতাছি, দোকানের মালিকরে এখন লাইট নিভিয়ে দিতে বলতে হয় না, ঐ এলাকায় কারেন্টি থাকে না। বর্তমান সরকার কে জ্বীন জাতির তরফ থেকে ধন্যবাদ
২৭ শে এপ্রিল, ২০১২ রাত ১১:২৫
নাফিজ মুনতাসির বলেছেন: ভালো তো.......এখন আপনার ভরাপেটে আরাম করে আরো সময় নিয়ে মিস্টি খেতে পারেন
![]()
তয় মাঝে মাঝে কিছু মিস্টি কোহকাফ নগরে চালান না দিয়া এই আমাদের মাঝে একটু বিলায়েন
৬২|
২৭ শে এপ্রিল, ২০১২ রাত ১১:৩৭
অনিক আহসান বলেছেন: পুরানো ঢাকায় জ্বিনের মিস্টি খাওয়ার গল্পটা অনেকের কাছে শুনছি । পুরানো ঢাকার
আরো অনেক ইন্টারেস্টিং কাহিনী আছে।সংগ্রহ করে দিতে পারলে বেশ মজার হতো।
২৭ শে এপ্রিল, ২০১২ রাত ১১:৫২
নাফিজ মুনতাসির বলেছেন: এটা কিন্তু সত্যি কথা............সত্য-মিথ্যা যাইহোক পুরনো ঢাকায় আরো অনেক ইন্টারেস্টিং ঘটনা আছে...........সংগ্রহ করছি.....২/৩টা বেশ দারুণ ঘটনা পেয়েছি...........শেয়ার করবো একদিন..........
মিস্টির ঘটনার ব্যাপারটা মনে হয় পুরোনো ঢাকা ছাড়াও প্রায় সবার গ্রামের বাড়ির বাজারের মিস্টির দোকানের বেলাতেও শুনতে পাওয়া যায়........
৬৩|
২৮ শে এপ্রিল, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:২১
রিফাত হোসেন বলেছেন: আমি একটু শেয়ার করি । ![]()
জ্বীন সংক্রান্ত কিছু বইয়ে পড়েছি যেখানে আলেমগণ তাদের খাদ্যের ব্যাপারে মহানবী সা: এর কথা থেকে যা সংজ্ঞায়িত করেন তা হল ..
জ্বীন মল তথা গোবর, পায়খানা ও হাড্ডি ভক্ষণ করে ।
মিষ্টি টা কেমনে কি হল ? ! ? !
আমি বুঝলাম না ।
চাইলে আমি রেফারেন্স ও দিতে পারি ।
শুধু বাংলা নয় বরং একাধিক ভাষায় রেফারেন্স ![]()
আপাতত ফেবুর গ্রুপ দিলাম Click This Link সেখানে নোট গুলি পরে দেখার অনুরোধ রইল । ![]()
ধন্যবাদ ।
২৮ শে এপ্রিল, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:৫১
নাফিজ মুনতাসির বলেছেন: সাহেবরা কি খায় কেমনে বলি??? এখনো মোলাকাত হয়নাই কারো সাথে
মিস্টি হলে ভালো ছিলো.....মিস্টির দাম কম
লিংকের জন্য ধন্যবাদ..........পড়ে আসি.........
৬৪|
৩০ শে মে, ২০১২ দুপুর ২:০১
আলী আহামমদ (সুমন) বলেছেন: ঘটনা ৯ : আমার বাড়ী মতলব উওর এর ছেংগারচর পৌরসভার কলাকান্দা গ্রামে, এ ধরনের কথা আমি কখনো কারো কাছে শুনিনি। লেখক সাহেব বলবেন কি এটা কত দিন আগের ঘটনা ?
৩০ শে মে, ২০১২ দুপুর ২:৩৩
নাফিজ মুনতাসির বলেছেন: ঘটনা ৯ এর সাথে মতলবের সম্পর্ক কি ভাই??? এটাতো অন্য জায়গার ঘটনা...........
অ:ট: আমার গ্রামের বাড়িও কিন্তু মতলব উত্তরের ছেংগাচর এর কাছাকাছি..........সুজাতপুর বাজারের কাছে......এইতো সেদিন আপনাদের ছেংগারচর বাজার থেকে ঘুরে আসলাম.........
৬৫|
৩০ শে মে, ২০১২ বিকাল ৩:১৪
আলী আহামমদ (সুমন) বলেছেন: উদাস যুবক বলেছেন: ৯ নং ঘটনাটি যেখানে ঘটেছিলো তার ঠিকানা দিতে পারবেন কি???চাদপুরের কোন গ্রাম????
০৮ ই ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১২:৩৬
লেখক বলেছেন: নামটা ভুলে গিয়েছিলাম.....ফুফাতো ভাইকে মাত্র ফোন দিয়ে জেনে নিলাম।
চাদপুরের মতলব উত্তরের মিঠুরকান্দি গ্রামের নাম। সেই গ্রামটিতে যারা থাকে এবং আমার দাদী-চাচারা সবাই সেই গ্রামের আরো নানা ঘটনা বলতো।
ব্যাখ্যা এখন এসে অনেকে দিচ্ছে। কিন্তু আমি শুনতে চাইনি। কারণ থাক না কিছু রহস্য নিজের মাঝে।
৬৬|
৩০ শে মে, ২০১২ বিকাল ৩:৩০
আলী আহামমদ (সুমন) বলেছেন: ভাই, উদাস যুবককে বললেন ঘটনাটি মতলব উত্তরের মিঠুরকান্দি গ্রামের, আমাকে বললেন ঘটনা ৯ এর সাথে মতলবের সম্পর্ক কি ? আপনার কথা ঠিক বুঝলাম না।
৩০ শে মে, ২০১২ রাত ১১:৫৪
নাফিজ মুনতাসির বলেছেন: বুঝতে পেরেছি..........আসলে পরে আরো কয়েকটি যোগ হওয়াতে সিরিয়ালে সমস্যা হয়ে গেছে........এটা অনেকদিন আগের ঘটনা........তবে এই জায়গাটি অনেক বিখ্যাত ছিলো এরকম ঘটনার জন্য............আমি আমাদের গ্রামের মানুষজনদের কাছে থেকেও শুনতাম এইসব ঘটনা......যদিও নিজে এখনো দেখতে পারি নাই কিছুই.........
৬৭|
১৪ ই জুলাই, ২০১২ রাত ৮:২৪
ভয়ংকর বোকা বলেছেন: ১১ নং ঘটনার সাথে আমার এলাকার একটি স্থানের মিল আছে। নারায়নগন্জ আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনের মাদ্রাসা পুকুরে এরকম হয় শুনেছি। আমি ঔ ইস্কুল এর ছাত্র ছিলাম।
১৪ ই জুলাই, ২০১২ রাত ৮:৫৬
নাফিজ মুনতাসির বলেছেন: সবারই জীবনে পরিচিত কিছু না কিছু ঘটনা অবশ্যই থাকে ![]()
৬৮|
২২ শে নভেম্বর, ২০১৫ দুপুর ১২:১৬
অরনপ বলেছেন: ধন্যবাদ এমন সুন্দর পোস্ট করার জন্য। । এর আগেও একটা টিপস্ পেয়েছিলাম।এডমিনকে অনেক অনেক ধন্যবাদ । এত সুন্দর পোষ্ট দেয়ার জন্য ।। যার দরকার হবে দেখতে পারেন। আবারো লেখককে ধন্যবাদ না দিয়ে পারছি না। তবে এরকম আরো একটি লেখা পড়েছিলাম http://muktomoncho.com/archives/2111
©somewhere in net ltd.
১|
০৮ ই ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১২:২৯
উদাস যুবক বলেছেন: ৯ নং ঘটনাটি যেখানে ঘটেছিলো তার ঠিকানা দিতে পারবেন কি???চাদপুরের কোন গ্রাম????