নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আলোকের এই ঝর্ণাধারায়...

নো ব ডি

মাঝে মাঝে নিজেকে হারিয়ে বিপদে পড়ে যাই। মনে হয়, আমি আসলে কেউ না। আই এম নোবডি।

নো ব ডি › বিস্তারিত পোস্টঃ

রবীন্দ্রকাব্যে কুরআনের আলো

১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:১০

রবীন্দ্রনাথ হিন্দু ছিলেন না। ছিলেন উদার একেশ্মূবরবাদী। মূর্তিপূজা করেন নি কখনো। যাঁরা "রাজর্ষী" পড়েছেন, জানেন দেবদেবীর বিরুদ্ধে তাঁর বিদ্রোহের কথা। বাদ দিলুম রাজর্ষীর গল্প। অন্তত "বলাকা" তো পড়েছেন? বলাকার প্রথম কবিতায়ই আছে : 'শিকলদেবীর ওই যে পুজোবেদী/ চিরকাল কি রইবে খাঁড়া?/ পাগলামো! তুই আয় রে দুয়ার ভেদি...' আমি যা বলতে চাচ্ছি, ভূমিকা হিসেবে -- রবীন্দ্রনাথ প্রথাগত ধার্মিক ছিলেন না। তবু তিনি ছিলেন এক ও নিরাকার ঈশ্বরের উপাসক। এসব কথা খুবই পুরনো মনে হবে রবীন্দ্রভক্তদের কাছে, সবাই জানি। অতএব শিরোনামের বিষয়ে আসি।



প্রসঙ্গত : আমি প্রমাণ করতে চাই না যে রবীন্দ্রনাথ ইসলামী আদর্শে মুগ্ধ গদগদ হয়ে নিচে উদ্ধৃত কুরআনের অংশটুকু অনুবাদ করেছিলেন, কোনো রবীন্দ্রনাথ মুসলমান হয়ে গেলেও ইসলাম কিংবা মুসলিম জাতি বর্তে যেতো, এমন হীনমন্ম্যতা আমার নেই। হয়তো কাকতালীয়ভাবে মিলে গেছে। এই মিলে যাওয়ায় আমি আনন্দ পাচ্ছি এবং এ আনন্দই আপনাদের সঙ্গে শেয়ার করছি। অতএব খামাখা মৌলবাদের গন্ধ খুঁজে কেউ পণ্ডশ্রম করবেন না।



পৃথিবীর বড় বড় ধর্ম ও ধর্মগ্রন্থগুলো নিয়ে রবীন্দ্রনাথ উৎসাহী ছিলেন। নিভৃতে পাঠ করেছিলেন বাইবেল, কুরআন, গীতা ইত্যাদি। নিবিষ্ট চোখে তাকালে আমরা দেখবো তাঁর গীতাঞ্জলিসহ সর্বত্র ছড়িয়ে আছে পবিত্র কুরআনের অপার্থিব আবহ। বিশ্বসাহিত্যে এ ছিলো এক নতুন ভাবধারা, নোবেল সম্মাননাপত্রে যার উল্লেখ রয়েছে। ফলে ইয়েটসের মতো বহু বিশ্বখ্যাত কবি রবীন্দ্রনাথের ভক্ত হয়ে পড়েছিলেন।



রবীন্দ্রসাহিত্যে কুরআনের প্রভাব নিয়ে পৃথক গবেষণা হতে পারে। আমি এখানে একটি কবিতাংশ উদ্ধৃত করছি, যা মহাগ্রন্থ কুরআনের সূরা ‌'ত্বা-হা'র হুবহু ভাবানুবাদ। আপনি নিজেই মিলিয়ে দেখুন। প্রথমে পড়ুন



ত্বা-হা'র ২৫-২৮ আয়াতগুলো :

ক্বা-লা রাব্বিশ্রাহলী সাদরী, ওয়া ইয়াস্সির লী আমরী, ওয়াহলুল উক্বদাতান মিন লিসানী, ইয়াফক্বাহু ক্বাওলী।

(অনুবাদ দয়া করে মিলিয়ে নিন।)



রবীন্দ্রনাথের কাব্যানুবাদ :



প্রভু আমার হৃদয়দুয়ারখানি

এইবেলা দাও খুলে,

প্রাণের বীণায় তোমার প্রেমের বাণী

নিভৃতে দাও তুলে।



ছন্দ জাগাও পঙক্তিগুলোয়

ক্লান্তি ঝরুক পথের ধুলোয়

ভেঙে দিয়ে বন্ধ বলয়

সব পিছুটান ভুলে,

জীবনতরী লও হে আমার টানি

অরূপ তোমার কূলে।

মন্তব্য ১২ টি রেটিং +৬/-৯

মন্তব্য (১২) মন্তব্য লিখুন

১| ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:৩০

জুবেরী বলেছেন:
বুচ্ছি রবীন্দ্রনাথ আসলে মুসলমান আছিল

১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:৩৭

নো ব ডি বলেছেন: আমারো হেইডাই সন্দ হইতাসে!

২| ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:৩৪

গুপী গায়েন বলেছেন:
১. "বলাকা না পড়লে আপনি বাঙালিই নন"- কথাটা প্রত্যাহার করুন। কে বাঙালি আর কে নন, তা আপনার বিচার্য বিষয়ের মধ্যে পড়েনা।

২. ‌সুরা 'ত্বা-হা'র আয়াত গুলোর অনুবাদ লিঙ্ক দেলে ভাল হয়।

১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:৪৩

নো ব ডি বলেছেন: প্রত্যাহৃত। ত্বা-হা'র সূরাক্রম ১৮। ওয়েবে খুঁজে নিন।

৩| ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:২৪

বৈকুনঠ বলেছেন: কপাল ভালো যে আপনে গীতা-বাইবেল পড়েন্নাই। তাইলে আপনের মাথাই আউলায়া যাইতো ভাবতে ভাবতে যে এই কবিতার ভাব রবীন্দ্রনাথ আসলে পাইলো কৈ? কোরান না গীতা না বাইবেল? নাকি নিজের মন থেইকা?

কোরআনের মাহাত্ম্য জারীতে লাইগা থাকা কিছু ব্লগারের কিছু কিছু প্রয়াস আসলেই হাস্যকর। আমার কথা হৈল , নিজে উল্টা পাল্টা বৈলা লোক হাসান ভালো কথা, কিন্তু নিজের ধর্মটারে (মনে হয় আপনে একজন ধর্মপ্রান মুসলিম) বা ধর্মগ্রন্থটারে কি কারনে তর্কের সম্মুখিন করেন আজাইরা ভিত্তিহীন পোস্ট দিয়া? পরে নিজেরাই চিল্লান এই বৈলা যে নাস্তিকরা ইসলামের অবমাননা করে

আপনের এই পোস্টের বক্তব্যটা ভিত্তিহীন এই জন্য যে, রবীন্দ্রনাথ নিজে কোথায় বৈলা যান নাই যে এই কবিতার লাইন গুলা সুরা ত্বা-হা 'র ভাবানুবাদ

১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৪২

নো ব ডি বলেছেন: অফ যা!

৪| ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৩২

দস্যু বনহুর বলেছেন: হেঃ হেঃ .... আমারো কেমুন জানি সন্দেহ লাগতেসিল, এখন প্রমাণ পাইলাম।

৫| ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৪৯

অরণ্যচারী বলেছেন: দস্যু বনহুর বলেছেন: হেঃ হেঃ .... আমারো কেমুন জানি সন্দেহ লাগতেসিল, এখন প্রমাণ পাইলাম।

৬| ১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ৮:১২

স্বপ্নকথক বলেছেন: ব্লগ লেখে ছাগু
আমার লাগে হাগু :)

৭| ১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:২৫

লেখাজোকা শামীম বলেছেন: রবীন্দ্রনাথ কুরআন থিকা ভাব চুরি করছে, আপনার বক্তব্য কি এইটা ?
উপরের কবিতাটি কোন জায়গা থেকে ভাবানুবাদ করেছেন এই দাবি অবান্তর। একই ভাব আমাদের সবার মনে জাগ্রত হয়। নবরস সম্পর্কে যদি ধারণা থাকে, তবে জানবেন মানুষের অনুভূতির প্রধানতম ধারা মাত্র নয়টি । সুতরাং ভাব মিলে যাওয়া অবাস্তব কিছু না।
রবীন্দ্রনাথ আধ্যাত্মিক কবি ছিলেন। তাই তার কবিতাগুলোর অনেকগুলো প্রার্থনার মতো। বিশেষ করে গীতাঞ্জলির কবিতাগুলো প্রার্থনা।
রবীন্দ্রনাথ হিন্দু ছিলেন না, তার বাবা ও তিনি ব্রাহ্ম ধর্মের অনুসারী ছিলেন। বিস্তারিত জানতে পড়ুন সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের সেই সময় ও প্রথম আলো।
কুরআনের মাহাত্ম্য বর্ণনা করতে হলে শেষ পর্যন্ত রবীন্দ্রনাথের দ্বারস্থ হওয়ার মতো কুবুদ্ধি থেকে আল্লাহ আপনাকে হেফাজত করুন।

৮| ১১ ই মে, ২০১১ সকাল ১১:৩১

আবু আফিফা বলেছেন: এখানে কেবল প্রথম লাইনের অর্থই কিছুটা মেলে ওই আয়াতের সংগে। বাকি চরণগুলোর কোনোটারই মিল নেই আয়াতের সঙ্গে। কেবল ধারণার ভিত্তিতে একজন রবীন্দ্রনাথকে মুসলমানোর প্রয়াস চালাবার প্রয়োজন কী?
আয়াতের অর্থ এই :
সে বলল, ‘হে আমার রব, আমার বুক প্রশস্ত করে দিন’
‘এবং আমার কাজ সহজ করে দিন,
‘আর আমার জিহবার জড়তা দূর করে দিন-
যাতে তারা আমার কথা বুঝতে পারে’।

৯| ২৩ শে এপ্রিল, ২০১২ রাত ১২:৫১

ডাইস বলেছেন: অরণ্যচারী বলেছেন: দস্যু বনহুর বলেছেন: হেঃ হেঃ .... আমারো কেমুন জানি সন্দেহ লাগতেসিল, এখন প্রমাণ পাইলাম।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.