| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
সুলতান মির্জা
http://www.facebook.com/sultanmirzabd
আমাদের সকলের প্রিয় নেতা জনাব তারেক ভাইয়া অনেক দিন যাবত মিডিয়া থেকে দূরে রয়েছেন ইচ্ছা করে। যখন আমাদের গনমুখী সরকার ক্ষমতায় যখন ছিল তখন কিন্তু প্রায় প্রতিদিনই তারেক রহমান কে বিটিভি সহ সকল টিভিতে, অলি-গলি,রাস্তা-ঘাটে, অফিস-আদালতে, মিল-কারখানাতে,জমি দখল, থেকে হাওয়া ভবনের বারিন্দা পর্যন্ত কোথায় ছিল না ? সব জায়গাতে পাওয়া যেত নায়কের ভূমিকায়। তবে বড়ই দু:খের বিষয় এখন তারেক ভাই প্রবাসী। তবে বাংলাদেশে কোনো রেমিটেন্স দিচ্ছে না। বরং উল্টো তারেক ভাইয়ের জন্য বাংলাদেশ থেকে টাকা বিদেশের পাঠানো লাগে। সেখানে তারেক ভাই নায়কের মত বিলাসী জীবন যাপনে খরচ করছেন কুটি কুটি টাকা।
২০০১ সালে যখন বেগম খালেদা জিয়ার(আপা হবে না তারেক ভাইয়ার আম্মু চাচী হয়) তো চাচীর নেতৃত্বাধীন চারদলীয় ঐক্যজোট ক্ষমতায় থাকাকালীন তারেক ভাইয়া ও তার বন্ধুবান্ধব এবং অনুসারীদের ব্যাক্তিগত চিন্তা ভাবনার ফসল হিসেবে হাওয়া ভবনকেন্দ্রিক সমান্তরাল সরকার ব্যবস্থা পরিচালিত হতো। তারেক ভাইয়ার নেতৃত্বে বিকল্প সরকার রাষ্ট্র পরিচালনায় ভূমিকা রাখতো। আমাদের বলতে লজ্জা নেই অনিয়ম, দুর্নীতি, রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস, চাঁদাবাজির পাশাপাশি রাষ্ট্রীয় প্রভাব প্রতিপত্তি খাটিয়ে অবৈধ উপায়ে তারেক ভাইয়া বিপুল বিত্তবৈভবের মালিক হয়ে যান আল্লাহর অশেষ রহমতে। বাংলাদেশের ব্যাংক গুলোতে টাকা রাখা বিপদজ্জনক মনে করে তারেক ভাইয়া বিভিন্ন দেশে পাচার করেন বিপুল পরিমণ টাকা।
এই সব অভিযোগের কারণেই ওয়ান-ইলেভেনের প্রেক্ষাপটে জরুরি অবস্থা জারির পর ২০০৭ সালের ৭ মার্চ আমাদের তারেক ভাইয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়। ঢাকা জেলখানায় মুরগি চোরের সাথে খাবার ও খেতে হয়েছিল তারেক ভাইয়ার। কোমর ভেঙে ফেলেছে মাইরা। তারপরে সুপ্রিম কোর্ট থেকে জামিন নিয়ে একই বছরের ১১ সেপ্টেম্বর তারেক ভাইয়া চিকিৎসার নামে সপরিবারে লন্ডনে যান ও শহর থেকে অনেক দূরে জনবিচ্ছিন্ন একটি দুর্ভেদ্য বাড়িতে ৪ বছর ধরে বসবাস করছেন। বাংলাদেশ থেকে তারেক ভাইয়ার জন্য অনেক উপহার সামগ্রী নিয়ে অনেকে যায় পরবর্তীতে যদি তারেক ভাইয়া আবার হাওয়া ভবনে আস্তে পারে সেই মন বাসনা।
তারেক ভাইয়া দেশ ছাড়ার আগে রাজনীতি থেকে বিদায় নেওয়ার ঘোষণা দিলেও তারেক ভাইয়া এখনও রাজনীতি ছাড়েননি। বলা হয়ে থাকে তারেক ভাইয়া চাচা আপন প্রাণ বাছা কঠিন অবস্থা থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্যই রাজনীতি ছাড়ার ওই ঘোষণা দিয়ে দৌড় দিয়েছিলেন। কিন্তু এত্ত সোজা ? তারেক ভাইয়া রাজনীতি ছাড়লে আমরা চলমো কেমনে ?
কিন্তু অবাক হয়ে গেলাম আর্মি ব্যাটারা তারেক ভাইয়ারে কী দিয়ে এমন পিটানি দিল ২০০৭ সালের ১১ সেপ্টেম্বর থেকে লন্ডনে অবস্থান করলেও এখনও রহস্যময় মেরুদণ্ড ও কোমর ব্যথার অসুখ থেকে পুরোপুরি সুস্থ হতে পারেননি । যদি আমারা জানি তারেক ভাইয়া লন্ডনের রাস্তায় নিজেই নিজের গাড়ি চালান। তীব্র নিন্দা জানাই তারেক ভাইয়ার এমন মিথ্যাচারের জন্য।
তারেক ভাইয়ার আম্মু মানে আমাদের চাচী, ক্ষমতায় থাকাকালীন তারেক ভাইয়া মিডিয়াপ্রেমিক ছিলেন। মাঝে মাঝে তারেক ভাইয়া চাইতেন তারেক ভাইয়ার হাগু করার খবর যেন গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়। কিন্তু তারেক ভাইয়া লন্ডনে গিয়ে মিডিয়া থেকেও এত দূরে রয়েছেন হগু তো দূরের কথা কার সাথে ভাবীর সাথে শুয়ার সময় ও গণমাধ্যমের ভয়ে বাথরুমে গিয়ে ডুকে পড়ে। নিজে নিজের অবস্থান ও কার্যক্রমও কঠোরভাবে গোপন রাখে। আমি বুঝতে পারি না কেন এক সময়ের নায়ক একজন নেতার এই জনবিমুখতা।
আপনারা জানেন কিনা জানি না, তারেক ভাইয়া লন্ডনে বসে বাংলাদেশ এর ভবিষ্যত নিয়ে এত বেশি চিন্তা করছেন যে, ঠিক মত পায়খানা ও করতে পারেন না বাংলাদেশের রাজনীতি তিনি নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করতে করতে। চাচীর আমলে বাংলাদেশ এর ফাস্ট বয় বলে খ্যাত, ব্যাপক ক্ষমতাধর ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত, তারেকে ভাইয়ার বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও চাঁদাবাজির অন্তত ১৪টি মামলা করেছে হাসিনার সরকার। দেখেন তারেক ভাইয়ার দেশ প্রেম, উঃ আর পারছি না, এত কিছুর পর ও মাঝে মধ্যে তারেক ভাইয়ার দেশে ফেরার গল্প শোনা গেলেও বর্তমানে জনবিমুখ তারেক ভাইয়া খুব শিগগিরই দেশে আসবে বলে মনে হয় না।
২০০৮ সালের ডিসেম্বরের নির্বাচনে হাসিনার সরকার ক্ষমতায় আসায় পাহাড় সমান দুর্নীতি ও সন্ত্রাসী মামলায় গ্রেফতারের ভয়ে তারেক ভাইয়া মনে করেন দেশে ফিরে জেলের ভাতের চেয়ে লন্ডনের বাসমতি (পাকিস্তানের উত্পাদন )অনেক সুস্বাদু। তাছাড়া লন্ডনে অবস্থান অনেক বেশি আরামদায়ক।
সর্বশেষ বলতে চাই, বাংলাদেশে তারেক ভাইয়ার নামে দায়ের করা মামলাগুলো যদি মিথ্যা হয়, তাহলে কেন তারেক ভাইয়া দেশে এসে তা সাহসের সঙ্গে মোকাবেলা করছেন না? এতটুকু সাহস না থাকলে তিনি জাতিকে নেতৃত্ব দেবেন কীভাবে? তারেক রহমান দেশে এসে তার বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগগুলোতে আইনি লড়াইয়ে অবতীর্ণ না হওয়াতে অনেকেই ভাবতে শুরু করেছেন তাহলে কি তারেক ভাই আসলেই চোর?
২০ শে জুলাই, ২০১২ রাত ১০:৫৬
সুলতান মির্জা বলেছেন: ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্য। ভাল থাকুন।
২|
২০ শে জুলাই, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:০১
-এভারগ্রীন- নাহিদ বলেছেন: ভাইয়ের একখান সুন্দরী মাইয়া আছে রে ভাই।
আমার খুব ভালা লাগে।
২০ শে জুলাই, ২০১২ রাত ১০:৫৭
সুলতান মির্জা বলেছেন: জানি ভাইজান। তবে একহান না দুই হান। অপূর্ব সুন্দরী লারকি। কী বিয়ে করবেন নাকি ?
৩|
২০ শে জুলাই, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:০৪
লিন্কিন পার্ক বলেছেন:
পইড়া হেভি মজা পাইলাম
+
২০ শে জুলাই, ২০১২ রাত ১০:৫৮
সুলতান মির্জা বলেছেন: হেব্বি কইরা এক হান ধন্যবাদ আপনের জন্য।
৪|
২০ শে জুলাই, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:০৫
মোহাম্মদহারুন বলেছেন: অসাধারণ যুক্তি ও খুবই সুন্দর লেখা আপনার, খুবই ভাল লাগলো।
ধন্যবাদ।
২০ শে জুলাই, ২০১২ রাত ১০:৫৯
সুলতান মির্জা বলেছেন: আপনার মন্তব্যে প্রেরণা পাইলাম। ভবিষ্যতের জন্য আরও কিছু দিতে পারব বলে বিশ্বাস রাইখেন।
৫|
২০ শে জুলাই, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:১৫
লিন্কিন পার্ক বলেছেন: একখান না দুইখান
@ এভারগ্রীন- নাহিদ
২০ শে জুলাই, ২০১২ রাত ১১:০০
সুলতান মির্জা বলেছেন: ভাইজান রে আমি কইছি সেইটা।
৬|
২০ শে জুলাই, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:১৮
বঙ্গদর্পণ বলেছেন:
'তারেক রহমান দেশে এসে তার বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগগুলোতে আইনি লড়াইয়ে অবতীর্ণ না হওয়াতে অনেকেই ভাবতে শুরু করেছেন তাহলে কি তারেক ভাই আসলেই চোর?' - সহমত
বিএনপির ব্যারিষ্টার সাহেবেরা তারেককে বোঝাতে সক্ষম হয়েছেন যে বিশেষ করে একটি মামলায় বিদেশি ব্যাংক ও তদন্ত সংস্থার তথ্য-প্রমাণ থাকায় তারেককে আইনি লড়াই করেও বাঁচানো সম্ভব হবে না। তাই রাজকুমারের স্বেচ্ছায় নির্বাসন!
২০ শে জুলাই, ২০১২ রাত ১১:০২
সুলতান মির্জা বলেছেন: পুরো সহমত। কিন্তু, ফখরুল মিয়াজি কইলো তারেক রে দিয়া চোর মুক্ত দেশ বানাইব। হেইডা কেমনে ?
৭|
২০ শে জুলাই, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:২৫
শিপন মোল্লা বলেছেন: আওয়ামী মতাদর্শই রাজনীতি করমিরা বিরুধি নেতাদের চরিএ হনন করাকেই তাদের রাজনীতি মনে করে এই পোস্ট সেই পরিচয় বহন করে। সে পুরানো কথা, একই কুমীর বার বার দেখানো হচ্ছে আর কি। হাওয়া ভবন সম্পর্কে মিথ্যা সমালোচনা কারিদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলতে চাই, শেখ হাসিনার "হা" ওয়াজেদ আলি মিয়ার "ওয়া" এই হল হাওয়া ভবন।
আওয়ামী প্রপাগানডায় নিন্দিত তারেক রহমান এখন বাংলাদেশের মানুষের কাছে নন্দিত ব্যাক্তি হিসাবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
পোস্টে মাইনাস।
২০ শে জুলাই, ২০১২ রাত ১১:০২
সুলতান মির্জা বলেছেন: অপূর্ব ব্যাখ্যা। তথ্য সহ লিখুন।
৮|
২০ শে জুলাই, ২০১২ রাত ৮:১০
বড় ঠাকুড় বলেছেন:
পদ্মা সেতু গিলে খাওয়া বিশ্ব ব্যংকের বিশ্ব চোরা আম্লীগের সমর্থকরা কি কয়??
২০ শে জুলাই, ২০১২ রাত ১১:০৩
সুলতান মির্জা বলেছেন: কইলাম তারেক একটা খাটি চোর। এই ব্যাপারে আপনার মতামত কী ?
৯|
২০ শে জুলাই, ২০১২ রাত ৮:২২
সাবু ছেেল বলেছেন: কিন্তু তারেক ভাইয়া লন্ডনে গিয়ে মিডিয়া থেকেও এত দূরে রয়েছেন হগু তো দূরের কথা কার সাথে ভাবীর সাথে শুয়ার সময় ও গণমাধ্যমের ভয়ে বাথরুমে গিয়ে ডুকে পড়ে।
এখানেও তিনি মৌসুমি আর মেমির মত অনেক মোটা মোটা "ইয়ের" সাথে শুয়েছেন।সেইসব "মহা পবিত্র"কাহিনী নাহয় আমরা আরেকদিন বলবো,আজ থাক!!
২০ শে জুলাই, ২০১২ রাত ১১:০৪
সুলতান মির্জা বলেছেন: দারুন। বলেন না প্লীজ ................
১০|
২০ শে জুলাই, ২০১২ রাত ৮:২৫
বড় ঠাকুড় বলেছেন: @সাবু:
শোয়ার সময় আপনি কি খাটের নিচে ছিলেন??
২০ শে জুলাই, ২০১২ রাত ১১:০৫
সুলতান মির্জা বলেছেন: হ্যা হা....এই কাজের সময় কেউ খাটের নিচে থাকে না। তবে তারেক খাটের উপরে থাইকা করছিল।
১১|
২০ শে জুলাই, ২০১২ রাত ৮:৩১
আমি ছাড়া ভালা কেডা বলেছেন: জাতীয় ভাই তারেক ভাই, জাতীয় নাতি শেখ জয়। দুইটাই চোরের ওস্তাদ। একটা দেশে থাইকা মাজা ভাঙছে চুরি কইরা আর একটা মাইর খাওয়ার ভয়ে দেশেই থাকে না।
২০ শে জুলাই, ২০১২ রাত ১১:০৮
সুলতান মির্জা বলেছেন: সব তো বুঝলাম তারেক যে চোর আছিল সেইডার কুন প্রমাণ আছে আপনার কাছে ? থাকে দিন। অন্যের কথা বাদ দিন।
১২|
২২ শে জুলাই, ২০১২ ভোর ৫:১৯
বড় ঠাকুড় বলেছেন: হাসিনা কইলাম পদ্বা সেতু থাইকা টাকা চুরি করে নাই ![]()
![]()
সুরন্জিত চোরা টেকার বস্তা লইয়া ধরা পড়ে নাই ![]()
![]()
জয় কইলাম ভিওআাইপি থাইকা টেকা চুরি করে নাই ![]()
![]()
খবর পাইবা আগামী ইলেকশনে !!
২২ শে জুলাই, ২০১২ দুপুর ১:০১
সুলতান মির্জা বলেছেন: দে ঘুম.......বিড়ি খা
১৩|
২৩ শে জুলাই, ২০১২ বিকাল ৩:৫৮
আমি ছাড়া ভালা কেডা বলেছেন: লেখক বলেছেন: সব তো বুঝলাম তারেক যে চোর আছিল সেইডার কুন প্রমাণ আছে আপনার কাছে ? থাকে দিন। অন্যের কথা বাদ দিন।
আপনার কাছেও যদি প্রমান থাকে তারেক চোর তাইলে প্রমান দিন। ওর সাজা হোক। আমিও চাই তারেক হোক আর জয় হোক অপরাধী সাজা পাক।
©somewhere in net ltd.
১|
২০ শে জুলাই, ২০১২ সন্ধ্যা ৬:৪৬
ফায়ারউলফ বলেছেন: দারুন লিকেচেন।আপনি সত্যি সত্যিই বঙ্গবন্ধুর আদর্শের প্রকৃত সৈনিক।জয় বাংলা! জয় বঙ্গবন্ধু!