| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
২৫ ও ২৬ শে ফেব্রুয়ারী, বিডিআর বিদ্রোহ সংঘটিত হয়। প্রায় ৬০ জন সেনাবাহিনী অফিসার ও সাধারন মানুষ মারা যায়। এক কঠিন সময় পার করেছিল বাংলাদেশ। বর্তমান সরকারকে ধন্যবাদ দিতে হবে যে তারা অন্তত এটি বন্ধ করতে সক্ষম হয়েছিল। ঘোষনা করা হয়ছিল সাধারন ক্ষমা। এরপর পরিবর্তন করা হল নাম, রাখা হল বিজিবি, পরিবর্তন আসল পোশাকেও। বিডিআর বিদ্রোহের পর শুরু হল বিচার। বিচারে আসামী করা হল কয়েক হাজার বিডিআর কে। বিচার শেষে বিভিন্ন ধরনের সাজা দেওয়া হল বিডিআর দের। বাংলাদেশে এই পর্যন্ত কোন বড় ধরনের বিচার নিরাপেক্ষ ভাবে হয়ছে তা ভাবা বোকামির কাজ। কিছু বিচার কখনো আলোর মুখ দেখেনি, আর কিছু শেষ হয়েছে বিতর্কের জন্ম দিয়ে। সাগর রুনি হত্যা, ইলিয়াস আলী গুম, আওয়াম লীগের সমাবেশে বোমা হামলা এসব বিচার কখনো নিরেপেক্ষ ভাবে হবে বলে মনে হয়না। প্রকৃত অপরাধীদের কখনো শাস্তি দেয়া হয়না, প্রকৃ্ত ঘটনা কখনো সাধারণ মানুষকে জানতে দেয়া হয়না। বিডিআর বিদ্রোহের বিচার করা হল শুধু বিডিয়ার জওয়ানদের। শুধু কি এরাই অপরাধী? এই রকম একটি বড় ধরনের বিদ্রোহ যে শুধু বিডিআর এর দ্বারা করা সম্ভব নয় তা সাধারন মানুষ অন্তত বোঝে। প্রকৃ্ত অপরাধীদের বের করা সরকারের দায়িত্ব। এতে আন্তর্জাতিক চক্রান্ত ও থাকতে পারে। দেশের সংবাদ মাধ্যম গুলোর উচিত এ বিষয়ে সোচ্চার হওয়া, সরকারকে চাপ দেয়া যাতে করে সত্য ঘটনা প্রকাশ করতে সরকার বাধ্য হয়। কিন্তু আমাদের দেশের সংবাদ মাধ্যম গুলো সব "ঋতুতে ব্যবসা" করে। কোন একটা ঘটনা ঘটলে তা নিয়ে কয়েকদিন হৈ চৈ করবে পরে তা ভুলে যাবে। ব্লগার রাজীব হত্যা নিয়ে এখন যে হৈ চৈ হচ্ছে কিছুদিন পর দেখা যাবে তার খুনিদের সরকার ধরছে কিনা, তা সংবাদ মাধ্যমে অনুপস্থিত। কারণ তখন শাহাবাগের আন্দোলন থাকবেনা। বিডিয়ার বিদ্রোহ নিয়েও মিডিয়া এক সময় অনেক হৈ চৈ করেছিল, এখন তা অনুপস্থিত। গত দুটি বছর এই দিনটি যেভাবে পালিত হল, আগামী ৫ বছর পর হয়তো মানুষ ভুলেই যাবে এই দিনটি। বিডিয়ার বিদ্রোহের পিছনে কারা আছে তা বের করতে হবে এখন ই। নইলে, ভবিষ্যতে আরও ভয়াবহ ঘটনার কথা উড়িয়ে দেয়া যায়না। এই দিনটি রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় পালন করার দাবি রাখে।
©somewhere in net ltd.