নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

ভাগ্যক্রমে আমি এই সুন্দর গ্রহের এক বাসিন্দা! তবে মাঝেমধ্যে নিজেকে এলিয়েন মনে হয়। তবে বুদ্ধিমান এলিয়েন না কোন আজব গ্রহের বোকা এলিয়েন!

নূর আলম হিরণ

ভাগ্যক্রমে আমি এই সুন্দর গ্রহের এক বাসিন্দা! তবে মাঝেমধ্যে নিজেকে এলিয়েন মনে হয়। তবে বুদ্ধিমান এলিয়েন না কোন আজব গ্রহের বোকা এলিয়েন!

নূর আলম হিরণ › বিস্তারিত পোস্টঃ

ব্যবসায়িক বাজার হারিয়ে আমেরিকা যুদ্ধ বাঁধিয়ে দিবে শীগ্রহী!

০২ রা আগস্ট, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:০৫


ঢাকা শহরের অলিতে গলিতে নাক বোচা চীনারা মোবাইল, ল্যাপটপ, মেশিনারি টুলস কম দামে ফেরি করে বিক্রি করছে! ক্রেতাও আছে। যারা সাম্রাজ্যবাদ বা পুঁজিবাদ ব্যাপারটিকে ভালভাবে ব্যাখ্যা করতে পারেননা তাদের জন্য এটি একটি জলজ্যান্ত উদাহরণ।
কোনো দেশ সাম্রাজ্যবাদ নীতি তখনই অনুসরণ করে যখন তার দেশের চাহিদা মিটানোর পরেও উৎপাদিত পণ্যের মজুদ থেকে যায়। মজুদকৃত পণ্যের বাজার খোঁজার জন্য সেই দেশ অন্য আরেকটি দেশের বাজারে প্রবেশ করে এবং আস্তে আস্তে সেই দেশের বাজার দখল করতে থাকে। সকাল বেলা উঠে চায়না টুথব্রাশ এবং রাতে ঘুমাতে গিয়ে চায়না মশারি টাঙ্গিয়ে ঘুমান, সাম্রাজ্যবাদের উদাহরণ এর চেয়ে ভাল আর কি হতে পারে!
সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের পর সৃষ্টি হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রকেন্দ্রিক বিশ্বব্যবস্থা। এখন বিশ্বশক্তির ভরকেন্দ্র ঘনীভূত হচ্ছে চীনাদের ঘিরে। চাইনিজ গার্ভেজে ভরে যাচ্ছে সারা বিশ্ব। নতুন নতুন বাজার পেতে মরিয়া হয়ে যাচ্ছে চীনারা। তাদের এই লাগামহীন বাজার খোঁজা বিশ্বকে তৃতীয় বিশ্ব যুদ্ধের দিকে ধাবিত করছে।
চাইনিজদের থেকে পণ্য কিনে টেকসই উন্নয়ন করা সম্ভব না। এরা ব্যবসা ছাড়া আর কিছুই বুঝতে চাইবে না। যেকোন মূল্য তারা মুনাফা লাভের পন্থা বের করে নিবে।
চীনারা তাদের ভৌগলিক সম্প্রসারণের জন্য কখনো সামরিক আগ্রাসন নীতি অনুসরণ করেনি, এটা তাদের একটা ভালো দিক। এই নীতি তাদের সব সম্রাট, প্রেসিডেন্ট মানার চেষ্টা করে যাকে “ডক্ট্রিন অব মিইন” বলে। চীনারা তাদের উৎপাদিত পণ্য দিয়ে অন্য দেশের বাজার দখল করে নেয়। বাংলাদেশ, পাকিস্তান, নেপাল আর শ্রীলঙ্কার বাজারের বিরাট অংশ চাইনিজদের দখলে।
চীনাদের আরেকটি নতুন কৌশল হচ্ছে ঋণ দিয়ে আটকে ফেলা। কেনিয়া, জিম্বাবুয়ে, শ্রীলঙ্কা এই জালে প্রায় আটকে পড়েছে!
আগামী তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ চীনাদের এই বাজার দখলের কারনে সংগঠিত হবে। এরা এদের গার্ভেজ বিক্রির জন্য যেকোন নীতি অনুসরণ করবে যার জন্য আমেরিকা এদের ঠেকাতে যুদ্ধ বাঁধিয়ে দিবে!

মন্তব্য ২২ টি রেটিং +২/-০

মন্তব্য (২২) মন্তব্য লিখুন

১| ০২ রা আগস্ট, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:২২

রাজীব নুর বলেছেন: চীনারা আছে বলেই আজ একজন রিকশাওয়ালাও মোবাইল ব্যবহার করছে।

০২ রা আগস্ট, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:২৮

নূর আলম হিরণ বলেছেন: হ্যাঁ, চাইনিজ মোবাইল না আসলে এটা সস্তায় মোবাইল পাওয়া যেত না তবে সারা বিশ্বের ২১% ই-বর্জ্য উৎপাদন করে চাইনিজরা!

২| ০২ রা আগস্ট, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:২৯

চাঁদগাজী বলেছেন:



চীনারা টেকনোলোজী নকল করেছে জাপান, কোরিয়া ও আমেরিকা থেকে; চীনাদের জীবনযাত্রার মান নীচু হওয়ায় ওরা কমদামে উৎপাদন করছে; তবে, ওদের মরাল নেই, অনেকটা আধামানব

০২ রা আগস্ট, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:৩৫

নূর আলম হিরণ বলেছেন: ওদের কাঁচামালের সহজলভ্যতার কারনে কমদামে পণ্য উৎপাদন করতে পারছে। এশিয়ার মধ্যে গ্রাম আর শহরের মাঝে সবচেয়ে বেশি বৈষম্য চীনে। আমেরিকার বাজার এখন চীনারা দখল করে নিচ্ছে।

৩| ০২ রা আগস্ট, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:৩৩

রাজীব নুর বলেছেন: লেখক বলেছেন: হ্যাঁ, চাইনিজ মোবাইল না আসলে এটা সস্তায় মোবাইল পাওয়া যেত না তবে সারা বিশ্বের ২১% ই-বর্জ্য উৎপাদন করে চাইনিজরা!

ভাই চীনে বেকার নাই।

০২ রা আগস্ট, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:৪৬

নূর আলম হিরণ বলেছেন: চীনে শহর আর গ্রামের শ্রমিকের মাঝে বৈষম্য চরম। চীন মানব সম্পদ উন্নয়নে বিশ্বে ৮৬তম।

৪| ০২ রা আগস্ট, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:৩৮

চাঁদগাজী বলেছেন:


ওদের উৎপাদন ব্যবস্হা ভয়ংকর সস্তা, ওরা পৃথিবীর বায়ুমন্ডলকে বিষাক্ত করে ফেলেছে।

০২ রা আগস্ট, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:৪৮

নূর আলম হিরণ বলেছেন: গ্রীন হাউজ এফেক্টের ২৮% চীন থেকে নিঃস্বরণ হয়। তবে ওরা সবুজ জ্বালানির দিকে ঝুঁকতে চাচ্ছে।

৫| ০২ রা আগস্ট, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:৫২

জুনায়েদ বি রাহমান বলেছেন: সস্তা জিনিষপত্র ব্যবহার করা ব্যবহারকারীর জন্যও ক্ষতিকর, পরিবেশের জন্যও ক্ষতিকর। চায়নিজ প্রোডাক্ট এর কথা মনে হলে 147 hours movie মুভির একটা দৃশ্য চোখে ভাসে।
ভ্রমণপিপাসু নায়ককের হাত দুর্ঘটনায় পাহাড়ের চিপায় আটকে পড়ে। একপর্যায়ে প্রাণ বাচাতে বেগ থেকে চায়নার নির্মিত একটা ছুরি বের করে হাত কাটায় ডিসিশন নেয়। কিন্তু ছুরিটা এতটাই বাজে যে চামড়াটাও কাটেনি। নায়ক হাত কাটতে ব্যার্থ হয়ে বলে, চায়নার প্রোডাক্ট কখনো সাথে রাখবেন না।

০২ রা আগস্ট, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:০০

নূর আলম হিরণ বলেছেন: তৃতীয় বিশ্বের দেশ গুলোর কথা মাথায় রেখে এরা পণ্য বানায় তাই এতে কোয়ালিটি, নিরাপত্তার বিষয়টি এরা বিবেচনায় খুব একটা রাখে না।

৬| ০২ রা আগস্ট, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:৫৫

রাজীব নুর বলেছেন: লেখক বলেছেন: চীনে শহর আর গ্রামের শ্রমিকের মাঝে বৈষম্য চরম। চীন মানব সম্পদ উন্নয়নে বিশ্বে ৮৬তম।

পৃথিবী যতদিন থাকবে তত দিন বৈষম্য থাকবেই।

০২ রা আগস্ট, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:০১

নূর আলম হিরণ বলেছেন: হ্যাঁ, তা থাকবেই।

৭| ০২ রা আগস্ট, ২০১৯ রাত ৮:০৬

মোঃ ছিদ্দিকুর রহমান বলেছেন: আপনাকে ধন্যবাদ না দিয়ে আর পারলাম না। ঠিক কথাটাই লেখার জন্য আপনার প্রসংশা করাতেই হবে। ভাল ধাকুন, ও ভাল রাখুন, শুভ কামনা রইলো।

০২ রা আগস্ট, ২০১৯ রাত ৮:১১

নূর আলম হিরণ বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ। শুভকামনা থাকলো আপনার জন্যও।

৮| ০২ রা আগস্ট, ২০১৯ রাত ৯:০১

ঢাবিয়ান বলেছেন: চীনাদের সম্পর্কে আপনার সঠিক ধারনা নেই। সম্ভব হলে বেইজিং, হংকং, সিঙ্গাপুর অথবা তাইওয়ান ঘুরে আসুন। তাহলে চাইনিজদের বুঝতে সহজ হবে। আম্রিকা যুদ্ধ বাধাতে পারবে শুধু মাথামোটা আরবদের মাঝে , চাইনিজদের কখনই যুদ্ধে জড়াতে পারবে না।

০২ রা আগস্ট, ২০১৯ রাত ১০:৪৫

নূর আলম হিরণ বলেছেন: চীনাদের মাঝে যুদ্ধ বাঁধানোর কথা বলিনি। আমেরিকা বাজার হারানোর কারনে যেকোন মূল্যে বাজার দখল করতে চাইবে তাতে যে কারো মাঝে যুদ্ধ বাঁধিয়ে দিবে যার প্রভাব চীনের অর্থনীতিতে পড়বে। চীনারা সামরিক আগ্রাসন এমনিতে চায়না তবে গত কয়েক বছরে তারা সামরিক খাতে বাজেট বাড়িয়েছে।

৯| ০২ রা আগস্ট, ২০১৯ রাত ৯:২১

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: বিশ্বের ২১% ই-বর্জ্য উৎপাদন করে চাইনিজরা! যেহেতু ই-পন্য বেশি উৎপাদনও করছে চীন।

০২ রা আগস্ট, ২০১৯ রাত ১০:৪৬

নূর আলম হিরণ বলেছেন: হ্যাঁ, চীনের পরেই আছে যুক্তরাষ্ট্র। তবে এসব ই-বর্জ্য রিসাইকেলিং করা না গেলে পৃথিবী বিরাট হুমকিতে পড়ে যাবে।

১০| ০৩ রা আগস্ট, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৪১

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন: চীনারা সব পারে, যদি কখনো গুজব উঠে চীনারা মানুষ ক্লোন করছে, মানুষ বানাচ্ছে দেদারসে - আমি বিস্বাস করবো। অসংখ্যবার চীন ভ্রমণ আমাকে এসব বিস্বাস করতে বাধ্য করেছে। তারা পৃথিবী ভরে ফেলছে গার্বেজ তৈরি করে। অনেকে বলতে পারেন চীন উন্নয়ন করেছে কম্পিউটার ল্যাপটপ মোবাইল ফোনে - আমি বলবো শুধু মোবাইলের দাম নুন্যতম ৪০,০০০ (চল্লিশ হাজার) টাকা হলে সমাজ অধঃপতন টা অনেক কম হতো। অন্যান্য বিস্তারিত লিখতে গেলে আস্ত একটা পোষ্ট দিতে হবে। ধন্যবাদ নূর আলম হিরণ ভাই ।।

০৪ ঠা আগস্ট, ২০১৯ রাত ৩:৪৬

নূর আলম হিরণ বলেছেন: চীনারা সব পারে তবে বাজার ধরতে গিয়ে এরা টেকসই আর পরিবেশের কথা মাথায় রাখছে না। এর জন্য পৃথিবীকে চরম মূল্য দিতে হচ্ছে। সবচেয়ে বড় ব্যাপার নতুন নতুন বাজার দখল করছে চীনারা। মধ্যপ্রাচ্যের বাজার দখল করতে গেলেই আমেরিকার সাথে বেঁধে যাবে যেটা যুদ্ধ পর্যন্ত গড়াতে পারে। মন্তব্যের জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।

১১| ০৩ রা আগস্ট, ২০১৯ রাত ১১:৩০

অন্তরা রহমান বলেছেন: এই যুদ্ধে আমেরিকা বাজেভাবে হারবে। অবশ্য বলা যায় না। হারা খেলাও জিতা, আমেরিকার স্বভাবে আছে।

০৪ ঠা আগস্ট, ২০১৯ রাত ৩:৪৮

নূর আলম হিরণ বলেছেন: ব্রিটিশ, সোভিয়েত হয়ে আমেরিকা। এবার হয়তো চায়না কেন্দ্রিক বিশ্বব্যবস্থা গড়ে উঠবে।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.