নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

ভাগ্যক্রমে আমি এই সুন্দর গ্রহের এক বাসিন্দা! তবে মাঝেমধ্যে নিজেকে এলিয়েন মনে হয়। তবে বুদ্ধিমান এলিয়েন না, কোন আজব গ্রহের বোকা এলিয়েন! [email protected]

নূর আলম হিরণ

ভাগ্যক্রমে আমি এই সুন্দর গ্রহের এক বাসিন্দা! তবে মাঝেমধ্যে নিজেকে এলিয়েন মনে হয়। তবে বুদ্ধিমান এলিয়েন না, কোন আজব গ্রহের বোকা এলিয়েন!

নূর আলম হিরণ › বিস্তারিত পোস্টঃ

ট্রেন মনে হয় কাবুলে চলে এসেছে, যাত্রীরা নেমে পড়ুন-২

১৫ ই নভেম্বর, ২০২০ রাত ১০:৫৯


চরমনাই হুজুর নাকি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাস্কর্যকে মূর্তি বলেছে এবং আরো হুঁশিয়ারি দিয়েছে এইসব মূর্তি যদি না সরিয়ে ফেলা হয় এগুলি নিয়ে বুড়িগঙ্গায় ফেলে দেওয়া হবে। বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে নিকট ভবিষ্যতে সম্ভবত এই ধরনের উদ্ধত কথাবার্তা কেউ বলেনি। শেখ হাসিনা এটা কিভাবে সহ্য করছে কে জানে! চরমোনাই হুজুর বঙ্গবন্ধুকে নাকি কোনদিন বঙ্গবন্ধু বলেনি, শেখ হাসিনাকে শেখের বেটি বলেন। তা সে বলতেই পারে। শেখ মুজিবুর রহমানকে বঙ্গবন্ধু বলতেই হবে এমন কোন কথা নেই কিন্তু শেখ মুজিবের ভাস্কর্যকে মূর্তি বলে সেটাকে বুড়িগঙ্গায় ফেলে দিতে হবে এমন কথা কিভাবে হুজুর বলতে পারে। যাইহোক সে বলে ফেলেছে এবং আওয়ামীলীগ থেকে বড় ধরনের প্রতিবাদ এই কথার বিপক্ষে আসেনি। আজকে সম্ভবত তথ্যমন্ত্রী বলেছেন জনগণ এর জবাব দিবে। উনারা সব বান্দর পালবেন, মাথার উপর উঠাবেন এবং যখন এগুলি উনাদের বিপক্ষে কথা বলছে এখন সেগুলোর জবাব নাকি জনগণ দিবে!

যাইহোক এর জবাব আসলে জনগণ ও আওয়ামীলীগেরই দেওয়ার কথা। কিন্তু উনারা দেশের এমন পরিস্থিতি করে রেখেছে এর জবাব সাধারণ জনগণের পক্ষে দেওয়া খুব সহজ নয়। নির্বাচনের সময় উনাদের কাছে দোয়া নিতে যায়, কওমি জননী উপাধি নিতে যায় তখন এসব কিছু মনে রাখেনি। এখন সাধারণ মানুষ নাকি শেখ মুজিবের অপমানের জবাব দিবে। শেখ মুজিবের নাম এত বেশি পরিমাণ কাজে-অকাজে ব্যবহার হয়েছে, মানুষ এখন এসবের প্রতিবাদ করার আগ্রহ পাচ্ছে না। বঙ্গবন্ধুর প্রতি মানুষের যে ভালোবাসা ছিল সে ভালোবাসা কি কমেছে না বেড়েছে? অবশ্য অনেকেরই বঙ্গবন্ধুর নামের প্রতি ভালোবাসা বেড়েছে, এই নামটি তাদেরকে আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ হতে সাহায্য করেছে।

আজ চরমোনাই ও হেফাজতে ইসলামের যে উদ্ধত আচরণ, কথাবার্তা এগুলোর জন্য কারা দায়ী? এরা পিছিয়ে পড়া জাতির সবচেয়ে পিছিয়ে পড়া অংশ, এদের উদ্ধত্যপূর্ণ আচরণ করার সাহস দিয়েছে এই আওয়ামীলীগই! ক্ষমতাকে আঁকড়ে ধরার জন্য এদের সাথে নোংরা কম্প্রোমাইজ করেছে আওমীলীগ। মাদ্রাসার ছাত্রদেরকে মেইনস্ট্রিমের সাথে চলার মত যোগ্য করে গড়ে তোলেনি কোন সরকারই। যার জন্য চরমনাই, শফি হুজুর,বাবু নগরী এদের দায়িত্ব নিয়েছে। এরা এদের নেতাকে মান্য করে, নেতা যাই বলে এদের কাছে সঠিক।
আসলে যে আপনাকে দুবেলা খাওয়ার ব্যবস্থা করে দেয় তার ভুল ধরার মত নিমখহারাম আপনি হবেন না। এই বিশাল জনবলের সমর্থন নিয়ে যেকেউ যেকোন কিছু বলার সাহস পাবে।
দেশের সম্পদকে সঠিকভাবে কাজে লাগালে, আমলারা দুর্নীতি না করলে জাতির এই বিশাল অংশ পিছিয়ে থাকতো না। এদের পিছিয়ে থাকার দায় শেখ মুজিব, তাজউদ্দীন আহমেদ, মেজর সাহেব, জেনারেল এরশাদ, বেগম জিয়া, এবং শেখ হাসিনা সবাইকেই নিতে হবে। এই দায় থেকে মুক্তি নেওয়ার পরিবর্তে তাদেরকে আরো পিছিয়ে দিয়ে পক্ষান্তরে জাতিকেই পিছনের দিকে নিয়ে যাচ্ছে। আগেও বলেছি ট্রেন মোটামুটি কাবুলে চলে আসছে, যাত্রীরা নেমেও পড়ছে।

মন্তব্য ২২ টি রেটিং +২/-০

মন্তব্য (২২) মন্তব্য লিখুন

১| ১৫ ই নভেম্বর, ২০২০ রাত ১১:১৩

চাঁদগাজী বলেছেন:


সময়ের সাথে দেশে অসন্তোষ বেড়েছে ও বাড়ছে, মানুষ সরকারকে বাদ দিয়ে ধর্মের নামে যা ইচ্ছা তাই করছে; শেখ হাসিনা জাতিকে ভয়ংকর পরিস্হিতির মাঝে নিয়ে এসেছে।

১৫ ই নভেম্বর, ২০২০ রাত ১১:৩৩

নূর আলম হিরণ বলেছেন: দেশের দুরবস্থা উপর থেকে সঠিকভাবে বুঝা যাচ্ছে না, বিস্ফোরণ হবে যদি সঠিক পদক্ষেপ না নেয়।

২| ১৫ ই নভেম্বর, ২০২০ রাত ১১:২১

নুরুলইসলা০৬০৪ বলেছেন: পরিনতি তাকেই বহন করতে হবে,মাঝখান থেকে জাতী কয়েক দশক পিছিয়ে পড়বে।

১৫ ই নভেম্বর, ২০২০ রাত ১১:৩৫

নূর আলম হিরণ বলেছেন: এই সম্ভাবনা থেকেই যাচ্ছে, শেখ হাসিনার সেইফ এক্সিট করা দুরূহ হয়ে যাচ্ছে।

৩| ১৫ ই নভেম্বর, ২০২০ রাত ১১:৫১

রাজীব নুর বলেছেন: চরমনাই হুজুর ভালো সাহস দেখিয়েছেন। যা বিএনপি গত এক যুগে দেখাতে পাড়ে নি।

১৫ ই নভেম্বর, ২০২০ রাত ১১:৫৮

নূর আলম হিরণ বলেছেন: এগুলো সাহস নয়, এগুলো উদ্ধত আচরণ। পিছনে এমন বিশাল ভেড়ার পাল থাকলে এমন সাহস আসে।

৪| ১৬ ই নভেম্বর, ২০২০ রাত ২:১৭

কসমিক রোহান বলেছেন: মূর্তি সংস্কৃতি বাংলাদেশে কোনকালেই ছিলো না। মূর্তি থাকবে মন্দিরে, বাইরে মূর্তি থাকা অসুন্দর। তাছাড়া বঙ্গবন্ধু ছিলেন মুসলিম, একজন মুসলিমের মূর্তি স্থাপন কোনভাবেই মেনে নেয়ার মত নয়। স্কালপচার যখন প্রানী তখন তা মূর্তি। এই মূর্তি স্থাপন ভিনদেশি ইশারায়, প্রয়াত জামাতি-বিএনপির এজেন্ট মৃণাল তার কদাকার ও অদক্ষ হাতে এসব মূর্তি নির্মাণ করেছে, যা যথাযথও হয়নাই। যদিও চরমোনাই সমর্থন করি না, তবে তাদের দাবী অযৌক্তিক মনে করি না।

১৬ ই নভেম্বর, ২০২০ সকাল ১০:০১

নূর আলম হিরণ বলেছেন: মূর্তি ভাস্কর্য এর মাঝে পার্থক্য জানুন। তারপরেও ধরলাম মূর্তি, তা বাংলাদেশে আইনে মূর্তি স্থাপন কি অবৈধ? মূর্তি সমস্যা না আসলে, সমস্যা হচ্ছে এসব ভাস্কর্য দেখলে অনেকের স্বাধীনতার সময়ে তাদের বাপদের পরাজয়ের ইতিহাস মনে পড়ে যায়। এতেই তারা অস্থির হয়ে পড়ে।

৫| ১৬ ই নভেম্বর, ২০২০ সকাল ৭:৩৪

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন:
এরা দেশটাকে ধ্বংস করে ফেলবে।

১৬ ই নভেম্বর, ২০২০ সকাল ১০:০২

নূর আলম হিরণ বলেছেন: এসবের দায় আমাদের শাসকদের নিতেই হবে।

৬| ১৬ ই নভেম্বর, ২০২০ দুপুর ১:৪১

ব্লগার_প্রান্ত বলেছেন: তাজউদ্দীন আহমেদকে কেন এবং কিসের দায় নিতে হবে এ ব্যাপারে আপনার পূর্ণাঙ্গ মতামত চাই। কোনো বই বা প্রবন্ধ থাকলে শেয়ার করে উপকৃত করবেন। ধন্যবাদ।

১৬ ই নভেম্বর, ২০২০ বিকাল ৫:৪৮

নূর আলম হিরণ বলেছেন: তাজউদ্দীন আহমেদ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে উনার দায়িত্ব ছিল বিশাল, উনি মুক্তিযোদ্ধাদের ফেরত পাঠিয়ে পাকিস্তান পরাজিত হওয়ার আগেরদিন পর্যন্ত যারা পাকিস্তানি জেনারেলদের নির্দেশ পালন করেছে তাদের দিয়ে দেশ চালাতে চেয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে জাতির সকল শিশুদের প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিত করতে পারেননি। জাতিকে শিক্ষিত করলে আজ শফি হজুর, চরমনাই এদের এত মুরিদ থাকতো না, জাতির জন্য এরা বোঝা হতো না।আমার কাছে এই সংক্রান্ত কোন বই নেই, এগুলো আমার নিজস্ব উপলব্ধি ও মূল্যায়ন।

৭| ১৭ ই নভেম্বর, ২০২০ দুপুর ১২:২০

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন:

লেখক বলেছেন: তাজউদ্দীন আহমেদ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে উনার দায়িত্ব ছিল বিশাল, উনি মুক্তিযোদ্ধাদের ফেরত পাঠিয়ে পাকিস্তান পরাজিত হওয়ার আগেরদিন পর্যন্ত যারা পাকিস্তানি জেনারেলদের নির্দেশ পালন করেছে তাদের দিয়ে দেশ চালাতে চেয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে জাতির সকল শিশুদের প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিত করতে পারেননি। জাতিকে শিক্ষিত করলে আজ শফি হজুর, চরমনাই এদের এত মুরিদ থাকতো না, জাতির জন্য এরা বোঝা হতো না।আমার কাছে এই সংক্রান্ত কোন বই নেই, এগুলো আমার নিজস্ব উপলব্ধি ও মূল্যায়ন।


সঠিক ভাবনা।
সহমত।

১৭ ই নভেম্বর, ২০২০ দুপুর ২:৫১

নূর আলম হিরণ বলেছেন: প্রধানমন্ত্রী পদের ওজন কম নয়, এই ওজন সঠিকভাবে কেউই নিতে পারেনি।

৮| ১৯ শে নভেম্বর, ২০২০ রাত ৮:৩৭

অক্পটে বলেছেন: "আজকে সম্ভবত তথ্যমন্ত্রী বলেছেন জনগণ এর জবাব দিবে।" আসলে আমরা সবাই চাই জনগণ এর জবাব দিক। জনগণকে এর জবাব দেয়ার সুযোগ দেয়া হোক। সত্য হচ্ছে জনগণের হাতে কোন সুযোগ নেই। দেশে গণতন্ত্র থাকলেই শুধু জনগণের কিছু বলার থাকে। আমাদের দেশে জনগণের কোন রোল নেই। সব রোল গদিওলার।

২২ শে নভেম্বর, ২০২০ সকাল ৯:১৫

নূর আলম হিরণ বলেছেন: সেটাই।

৯| ১৯ শে নভেম্বর, ২০২০ রাত ১১:১০

মরুর ধুলি বলেছেন: পীর সাহেবের বক্তব্যটি আপনি দেখেছেন কিংবা শুনেছেন? আমার তো মনে হয় না।
অযথা অন্ধকারে মন্তব্য করা আর নিজেকে মূর্খ পরিচয় দেয়া সমান কাজ।
চরমোনাই পীর ৭২ ফুট লেলিনের মূর্তিকে সেদেশের মানুষের দ্বারা সমুদ্রে্ ক্রেন দ্বারাা ফেলে দেয়ার ইতিহাস স্মরণ করিয়ে দিয়ে বুঝাতে চেয়েছেন যে জোর করে বঙ্গবন্ধুর ভাস্ককর্য তৈরী করলে একদিন হয়তো এমন সময় আসবে যখন দেশের জনগণ তার ভাস্কর্যকে বুড়ীগঙ্গায় ফেলে দিবে। তখন প্রধানমন্ত্রী আপনি লজ্জিত হবেন।
আর আপনি ইনিয়ে বিনিয়ে কতো কিছু বললেন। চরমোনাই পীরের উক্ত ভিডিওর লিংক দিয়ে দিলাম।
ভদ্রলোক হলে আপনার ভুল আপনি বুঝতে সক্ষম হবেন।

https://www.youtube.com/watch?v=G78FmxlBA18

এদেশের আপামর জনসাধারণের মাঝে চরমোনাইর সংগঠন ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলনের একটি বিশাল অবস্থান আগেও ছিল এবং এখনও আছে। আপনার মতো কিছু অতি কথক ভদ্রলোকের মাথাব্যাথা হয়ে পড়েছে চরমোনাই।

২২ শে নভেম্বর, ২০২০ সকাল ৯:১৪

নূর আলম হিরণ বলেছেন: আমি তো আপনার ভিডিও দেখেই আমি যা বলেছি তাই বলা আছে। বাংলাদেশের আইনে কি ভাস্কর্য বানানো বেআইনি! যেটা বেআইনি নয় সেটা নিয়ে এমন হুমকি দেওয়া কি আইনি! এমন ভাস্কর্য তো সৌদি, তুরস্ক, পাকিস্তানেও আছে তো তারা এগুলো স্থাপন করেছে কেনো? যাক এগুলো নিয়ে আসলে কথা বলে উত্তর দিয়ে সময় নষ্ট করার মানে নেই। আওমীলীগ তাদের সুযোগ দিয়েছে এখন আওমীলীগকেই চেপে ধরেছে। তারাই এটার জবাব দিক। আগেই বলেছি সাধারণ পাবলিক হিসাবে আমাদের এখন প্রতিবাদ করার কোনো অপশন রাখেনি আওমীলীগ সরকার। আপনারই জিতবেন।

১০| ২২ শে নভেম্বর, ২০২০ সকাল ১০:০৫

এমেরিকা বলেছেন: "আমি লন্ডনে গিয়ে গান্ধীর মূর্তি দেখেছি। কাক সেই মূর্তির উপর বসে হেগে দেয়। সেই হাগু গান্ধীর নাক বেয়ে মুখের উপর পড়ে। শহরের সমস্ত ধুলাবালি খেয়ে গান্ধিজী সেখানে অসহায়ের মত দাঁড়িয়ে থাকে"

"আমি চাইনা আমার প্রিয় নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের এমন বিশ্রী পরিণতি দেখতে। তাই এখানে যারা আওয়ামী লীগের নেতা কর্মী আছেন, তাদের কাছে হাত জোড় করে অনুরোধ করি, আপনারা আপনাদের নেতাদের বুঝান, মূর্তি বানাইলে বঙ্গবন্ধুর সম্মান বাড়বেনা, বরং তার অবমাননা হবে"

গত জুম্মায় আমাদের পাড়ার মসজিদের খতিবের বয়ান ছিল এরকম। হুজুরেরা এখন অনেক চালাক হয়ে গেছে।

২২ শে নভেম্বর, ২০২০ সকাল ১১:০৪

নূর আলম হিরণ বলেছেন: যখন কোরআনের ভাস্কর্য বানাতে বলে, আল্লার নিরানব্বইটা নামের ভাস্কর্য স্থাপন করতে বলে তখন এগুলোর সাথে এমন ঘটবে না! এরপর জাতীয় স্মৃতিসৌধ, শহীদমিনার এসব গুলোতেও এমন হয় এরপর এগুলোও সরাতে হবে।

১১| ২২ শে নভেম্বর, ২০২০ দুপুর ১২:০২

এমেরিকা বলেছেন: হুজুরেরা কোন কিছুরই ভাস্কর্য বানাতে বলেনা। তাদের মতে, ভাস্কর্য ছাড়াই সৌন্দর্য্য বৃদ্ধির আরও ১০১ টা উপায় আছে। তারপরেও ভাস্কর্যই বানাতে হবে কারণ দেশের জনগণের একটা বড় অংশ তা পছন্দ করছেনা।

হুমায়ুন আহমেদের একটা নাটকে দেখেছিলাম, "পুকুর ঘাটে যেতে নিষেধ করেছেন, তাই সেইখানেই আগে যাব। বলেন, পুকুর ঘাটটা কোনদিকে?" সরকারের ভাস্কর্য নির্মাণ অনেকটা সেরকমই ব্যাপার।

কোন কিছুই সরাতে হবেনা। যারা ভাস্কর্য/মূর্তি না বসাতে বলছে, তারা এত শক্তিশালী হয়নি যে সরকারকে কোন কিছু সরাতে বাধ্য করবে। তারা এখনও কথা বলতে পারছে, তাই ঘুরিয়ে পেঁচিয়ে নিজেদের অপন্দের ব্যাপারটা জানান দিচ্ছে।

২৩ শে নভেম্বর, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:০৫

নূর আলম হিরণ বলেছেন: আমি দেখেছি হুজুররা ইসলামিক ভাস্কর্য বানানোর কথা ভরা মজলিশে বলেছে।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.