নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

ভাগ্যক্রমে আমি এই সুন্দর গ্রহের এক বাসিন্দা! তবে মাঝেমধ্যে নিজেকে এলিয়েন মনে হয়। তবে বুদ্ধিমান এলিয়েন না, কোন আজব গ্রহের বোকা এলিয়েন! [email protected]

নূর আলম হিরণ

ভাগ্যক্রমে আমি এই সুন্দর গ্রহের এক বাসিন্দা! তবে মাঝেমধ্যে নিজেকে এলিয়েন মনে হয়। তবে বুদ্ধিমান এলিয়েন না, কোন আজব গ্রহের বোকা এলিয়েন!

নূর আলম হিরণ › বিস্তারিত পোস্টঃ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা বৃষ্টির জন্য নামাজ পড়তে চায়।★

২৮ শে এপ্রিল, ২০২৪ বিকাল ৪:৩৮



ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু শিক্ষার্থী গত বুধবার বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছে বৃষ্টি নামানোর জন্য ইসতিসকার নামাজ পড়বে তার অনুমতি নিতে গিয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এটির অনুমতি দেয়নি, যার জন্য তারা সোশ্যাল মিডিয়ায় এসে হাউকাউ করছে। তাদেরকে সমর্থন করে আরো বহু মানুষ হাউকাউ ও উদ্ভট ধরনের যুক্তি প্রদান করে যাচ্ছে। যাইহোক মানুষ মানুষের বিশ্বাস থেকে যে কেউ যে কিছু করতে পারে কিন্তু সেটার একটি লিমিটেশন আছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের কাছে আমরা আরো ভালো কিছু আশা করছি, তারা বলতে গেলে দেশের টপ লেভেলের শিক্ষার্থী। এখনো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় পড়লে বা পড়েছে বললে মানুষ চিন্তা করে মানুষটি অবশ্যই বুদ্ধিমান ও আধুনিক মন মানসিকতার। কিন্তু আমাদের এই আধুনিক ও বুদ্ধিমান শিক্ষার্থীরা বৃষ্টি কেনো হয়, পানিচক্র এগুলি নিশ্চয়ই স্কুলে থাকতে পড়ে এসেছে। একটা মানুষের পানি চক্র সম্পর্কে সঠিক ধারণা থাকলে সে অবশ্যই বুঝতে পারবে বৃষ্টি কেন হয়, আর বৃষ্টি না হওয়ার বা কারণ কি।
নামাজ পড়লে যদি বৃষ্টি আসতো তাহলে সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলি বৃষ্টির জন্য নামাজের উপরেই থাকতো। কিন্তু তারা সেটা করছে না, তারা করছে ক্লাউড সিডিং, অর্থাৎ কৃত্রিমভাবে বৃষ্টি নামাচ্ছে।

আধুনিক বিশ্বে যারা প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করছে তারা জানে আগামী কয়েক যুগ পর পৃথিবী এমন অবস্থায় চলে যাবে প্রযুক্তিতে দক্ষ না হলে মানুষ যুগের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে পারবে না। দেশের অর্থনীতি, সামাজিক পরিস্থিতি সবকিছুই নিচের দিকে নামতে থাকবে। দেশের অর্থনীতি ও সামাজিক পরিস্থিতি আধুনিক বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে চলার জন্য দরকার আধুনিক মন মানসিকতা ও কুসংস্কার মুক্ত দক্ষ লোকবল। আর দক্ষ লোকবল উৎপাদনের কারখানা হচ্ছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বুয়েট, ঢাকা মেডিকেল এসব জায়গা। কিন্তু এখানে শিক্ষার্থীরা ভর্তি হয়ে পৃথিবী ঢাল তলোয়ার দিয়ে শাসন করার জন্য চেষ্টা করছে। এমন একটি জেনারেশন শেখ হাসিনা রেখে যাচ্ছে যারা দেশকে সামনে এগিয়ে নেওয়ার বদলে স্থির করে রাখবে অথবা কোনো কোনো ক্ষেত্রে পিছনে নিয়ে যাবে।
বলা হয়ে থাকে বুদ্ধিমান লোকজনকে অপশাসন করাটা শাসকদের জন্য বেশ কঠিন। তাই তারা চায়, তারা যাদেরকে শাসন করবে জ্ঞানে বিজ্ঞানে, কথায় কর্মে তারা যেন তাদের উপরে না চলে যায়। তাদেরকে যেন শাসন করতে গিয়ে বিজ্ঞ মানুষের চ্যালেঞ্জে পড়তে না হয়। অবস্থা দৃষ্টিতে মনে হচ্ছে তেমন একটি জেনারেশন সৃষ্টি করে দিয়ে যাচ্ছে দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকা আওয়ামীলীগ সরকার!

যাইহোক, নামাজ পড়ার জন্য কখনোই বৃষ্টি আসবে না। তবে আমি খুবই অবাক হয়েছি এই কাজটি করার জন্য বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীরা একযোগে অনুমতির জন্য কর্তৃপক্ষের দ্বারস্থ হয়েছে। অথচ তার চেয়ে বেশি খুশি হতাম যদি একদল শিক্ষার্থী এই গ্লোবাল ওয়ার্মিং কমানোর জন্য কি কি করা দরকার আমাদের মত ছোট রাষ্ট্রের সে ধরনের প্রস্তাবনা নিয়ে কোনো সেমিনার করলে। অথবা স্বল্প খরচে এবং সহজ প্রযুক্তিতে ক্লাউড সিডিং করে সাময়িকভাবে বৃষ্টি নামিয়ে যদি দেখাতে পারতো সেটাও অনেক আনন্দের হতো। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বুয়েট এসব প্রতিষ্ঠান দিন দিন এমন হয়ে যাচ্ছে এখান থেকে বড় ধরনের কোন আশা করা যাচ্ছে না। বেশ কয়েক বছর আগে শুনছিলাম গবেষণার জন্য এখানে যে ফান্ড দেওয়া হয় সেটাও পুরোপুরি ব্যবহার করতে পারছে না কর্তৃপক্ষ। উদ্বৃত্ত টাকা তারা বিভিন্ন দেশে ভ্রমণ করে শেষ করে দিচ্ছে। কেননা যখন সরকার বলেছে উদ্বৃত্ত টাকা থেকে সরকার আয়কর কেটে নিবে!

মন্তব্য ৪৪ টি রেটিং +৪/-০

মন্তব্য (৪৪) মন্তব্য লিখুন

১| ২৮ শে এপ্রিল, ২০২৪ বিকাল ৪:৫৪

মোহাম্মদ গোফরান বলেছেন: ভাই মাদ্রাসার ছাত্রদের চেয়েও কম মেধা সম্পন্ন কিছু লোক নিকের সাথে ঢাকা ইউনিভার্সিটির নাম লাগিয়ে ফেসবুকে ফেক আইডি খুলে এসব অবৈজ্ঞানিক বিষয় এর পক্ষে হাউকাউ করছে। একজন প্রকৃত ঢাবিয়ান কখনোই বটতলায় জঙ্গি দের কোরান পাঠ নাটকের পক্ষে হাউকাউ করবেনা।

২৮ শে এপ্রিল, ২০২৪ সন্ধ্যা ৭:৫৫

নূর আলম হিরণ বলেছেন: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় পড়েছে বা পড়ছে এমন শুনলে মানুষ ভাবতো তারা নিশ্চয়ই মেধাবী কিন্তু এই ভাবনা এখন পরিবর্তন এসেছে।

২| ২৮ শে এপ্রিল, ২০২৪ বিকাল ৪:৫৬

এম ডি মুসা বলেছেন: এই দেশে ৯০% মানুষ মুসলমান। তাই তাদের সংস্কৃতি আছে। তারা পালন করতে বাঁধা কোথায়?

২৮ শে এপ্রিল, ২০২৪ সন্ধ্যা ৭:৫৯

নূর আলম হিরণ বলেছেন: আপনি বলছেন সংস্কৃতি। সংস্কৃতি এক জিনিস আর ধর্ম পালন আরেক জিনিস। সংস্কৃতি পালন না করলে সমস্যা নেই কিন্তু ধর্ম পালন না করলে সমস্যা আছে। যে যার বিশ্বাস মতো তার ধর্ম কিংবা সংস্কৃতি পালন করুক সমস্যা নেই। কিন্তু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে আমাদের প্রত্যাশা আরো অনেক বেশি। সে দিক থেকে তাদের শুধু ধর্ম কর্মে, উদ্ভট সংস্কৃতি কর্মে বেশি সময় দেওয়াকে হতাশাজনক মনে হয়েছে আমার কাছে।

৩| ২৮ শে এপ্রিল, ২০২৪ বিকাল ৫:০০

বিচার মানি তালগাছ আমার বলেছেন: তাও তো তারা নিজ ধর্মবিশ্বাসকে গুরুত্ব দিচ্ছে। ইসলামের নিয়মের মধ্যেই স্রষ্টার কাছে প্রার্থনা করতে চাইছে। অন্য মুসলিমদের মত রোজা রেখে দোল উৎসব করছে না, সৃষ্টিকর্তাকে বাদ দিয়ে পেঁচা, মুখোশ, মুরগী নিয়ে মঙ্গল কামনা করছে না...

২৮ শে এপ্রিল, ২০২৪ রাত ৮:০২

নূর আলম হিরণ বলেছেন: ধর্ম কর্মে তারা গুরুত্ব দিক সমস্যা নাই। কিন্তু তারা জাতির পয়সায় সবচেয়ে বড় ও সর্বোচ্চ বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ছে, তাই জাতির জন্য তাদের গুরুত্বপূর্ণ ও উদ্ভাবনী শক্তিকে কাজে লাগানো উচিত।

৪| ২৮ শে এপ্রিল, ২০২৪ বিকাল ৫:৪৪

নতুন বলেছেন: এরা যদি জানতো যে আধুনিক রাডার সিসটাম থাকলে আকাশে কতটা মেঘ আছে জানা যায় এবং কবে বৃস্টি হতে পারে তবে এই সব পোলাপাইন ইসতিসকার নামাজ পড়তে যাইতো না।

আমাদের দেশের মানুষেরা আরবদের থেকে বেশি ইসলাম মান্য করে তাই আরবরা ৫০ ডিগ্রী তাপে চুপচাপ ঘরে বসে থাকে ইসতিসকার নামাজ পড়ে বৃস্টি নামাতে চেস্টা করেনা। যখন দেখে মেঘ করেছে তখন প্লেন পাঠিয়ে লবন ছিটিয়ে দেয় বৃস্টির জন্য।

২৮ শে এপ্রিল, ২০২৪ রাত ৮:০৩

নূর আলম হিরণ বলেছেন: একটা সময় শুনতাম আরবদের মাথা মোটা। কিন্তু কিছু কিছু ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে তারা আমাদের থেকেও চিন্তা ভাবনায় এগিয়ে আছে।
ধন্যবাদ আপনাকে। মন্তব্যটি ভালো লেগেছে।

৫| ২৮ শে এপ্রিল, ২০২৪ বিকাল ৫:৪৫

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন:




আপনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কই পাইলেন!
এটাতো বছর পাঁচেক আগে থেকেই ঢাকা মাদ্রাসা হয়ে গেছে ।
এখানে এখন তাবলীগ জামাতের কাজ করবার ছাড়া আর কিছুই হয় না।

২৮ শে এপ্রিল, ২০২৪ রাত ৮:০৪

নূর আলম হিরণ বলেছেন: হুম। তাই তো দেখছি।

৬| ২৮ শে এপ্রিল, ২০২৪ সন্ধ্যা ৬:১৫

কামাল১৮ বলেছেন: যাঁদের নিজের উপর ভরসা নাই,তারাতো অন্যের উপর ভরসা করবেই।

২৮ শে এপ্রিল, ২০২৪ রাত ৮:০৫

নূর আলম হিরণ বলেছেন: বাঙালি চোখ বন্ধ করে খরগোশের মত সব বিপদ এড়াতে চায়।

৭| ২৮ শে এপ্রিল, ২০২৪ সন্ধ্যা ৬:১৯

শূন্য সারমর্ম বলেছেন:


ঢাবির উনাদের হাতে তলোয়ার ও ঘোড়া উপহার দেয়া উচিত, তাহলে রাজ্য জয়ে বের হবে,মুসলিম সাম্রাজ্য বড় হবে।

২৮ শে এপ্রিল, ২০২৪ রাত ৮:০৬

নূর আলম হিরণ বলেছেন: হুম, তারাও বিশ্বাস করে একটা সময় সকল আধুনিক অস্ত্রশস্ত্র নষ্ট হয়ে যাবে, ঢাল তলোয়ার ঘোড়ার পিঠে চড়ে মানুষ যুদ্ধ করবে। সেক্ষেত্রে তাদেরকে আগেভাগেই ট্রেনিং দেওয়া উচিত, যেমনটি আপনি বলছেন।

৮| ২৮ শে এপ্রিল, ২০২৪ সন্ধ্যা ৬:২৯

আরেফিন৩৩৬ বলেছেন: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে কিছু কাঠমোল্লা আর চারুকলার বিজ্ঞানী। কোনপক্ষই ভালো নয়।

২৮ শে এপ্রিল, ২০২৪ রাত ৮:০৭

নূর আলম হিরণ বলেছেন: কিছু নয়, সংখ্যাটি অনেকm একটা সময় মনে হতো কিছু কিন্তু কাজ কারবার দেখে মনে হচ্ছে সংখ্যাটি নেহাত কম নয়।

৯| ২৮ শে এপ্রিল, ২০২৪ সন্ধ্যা ৭:৪০

অনিকেত বৈরাগী তূর্য্য বলেছেন: নামাজ পড়তে দেওয়া উচিত ছিল। হিন্দুদের পূজা করার সুযোগ দেওয়া উচিত ছিল। দেখা যেত বৃষ্টি নামে কি না।

২৮ শে এপ্রিল, ২০২৪ রাত ৮:০৮

নূর আলম হিরণ বলেছেন: বৃষ্টি যখন আমার তখনই নামবে এ ধরনের প্রার্থনায় বৃষ্টি নামার সম্ভাবনা নেই। তবে আপনি ভাল বলেছেন,ব্যালেন্স করার দরকার ছিল :)

১০| ২৮ শে এপ্রিল, ২০২৪ সন্ধ্যা ৭:৪৩

কলাবাগান১ বলেছেন: বাংলাদেশের মানুষের গড় IQ is 76 (world ranking 150th out of 171 countries).
"Borderline intellectual functioning, previously called borderline mental retardation (in the ICD-8),[1] is a categorization of intelligence wherein a person has below average cognitive ability (generally an IQ of 70–85),[2] but the deficit is not as severe as intellectual disability (below 70).
এদেশের বিশ্ববিদ্যালয়ে যে এখনও এসটিসকার নামাজ পড়ানোর জন্য পরিবেশ বিভাগে কোর্স খোলা হয় নাই সেটাই কম চিন্তার বিষয়।

২৮ শে এপ্রিল, ২০২৪ রাত ৮:১০

নূর আলম হিরণ বলেছেন: এদেশের বিশ্ববিদ্যালয়ে যে এখনও এসটিসকার নামাজ পড়ানোর জন্য পরিবেশ বিভাগে কোর্স খোলা হয় নাই সেটাই কম চিন্তার বিষয়। অবস্থা দৃষ্টিতে মনে হচ্ছে যে কোন সময় খুলে ফেলতে পারে।
বাঙালির জ্ঞানচর্চায় ব্যাপক পরিমাণে অনীহা আছে তবে অপজ্ঞান চর্চায় বেশ এগিয়ে।
মন্তব্যের জন্য অনেক ধন্যবাদ কলাবাগান১।

১১| ২৮ শে এপ্রিল, ২০২৪ সন্ধ্যা ৭:৪৬

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:
নামাজ পড়া ধর্ম কর্ম করা এসব খারাপ কিছু না।
খারাপ তখনই হয় যখন এসব নিয়ে রাজনীতি করা হয়।
বৃষ্টির জন্য নামাজ পড়তেই পারে। সেটা নামাজের জায়গায় পড়বে। প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়ে মসজিদ আছে নামাজের প্রেয়ার রুম আছে।
বিশ্ববিদ্যালয় একটা কেন্দ্রীয় মসজিদ আছে। সেখানে পড়তে পারে।
কিন্তু উন্মুক্ত পাবলিক প্লেসে নামাজ পড়ার নামে নামাজ শো করা একটি রাজনীতি।
ধর্মীয় কিতাবে নামাজ বা ধর্ম কর্ম শো করার বিরুদ্ধে কঠিনভাবে নিষিদ্ধ করা আছে। এসব প্রদর্শনকামিতা হচ্ছে রিয়া।

২৮ শে এপ্রিল, ২০২৪ রাত ৮:১৩

নূর আলম হিরণ বলেছেন: ইসতিসকার নামাজ খোলা মাঠেই পড়ার নিয়ম।
এরা এমন পর্যায়ে গেছে ক্লাউড সিডিং করে নিচে এসেও বৃষ্টির জন্য নামাজ পড়বে।

১২| ২৮ শে এপ্রিল, ২০২৪ রাত ৮:০৮

ফিনিক্স পাখির জীবন বলেছেন: ধর্ম কিংবা উৎসব নিয়ে কোথাও কিছু বলা হলেই সেটা নিয়ে কাউ কাউ করা আমাদের জাতীয় খাসলতে পরিনত হয়েছে।
বৃষ্টির জন্য নামাজ হোক কিংবা রমজানে ইফতার মাহফিল হোক, সরস্বতীপূজা হোক, পহেলা বৈশাখ হোক কিছু লোকের এগুলোতে চুলকানি।
এরা সব সময় সুযোগের অপেক্ষায় থাকে কিভাবে গুজব ছড়ানো যায়, একের সাথে অন্যের ঝগড়া লাগিয়ে দেয়া যায়। এতে এরা ফায়দা তোলে।

এদের থেকে সবাই সাবধান হোন

২৮ শে এপ্রিল, ২০২৪ রাত ৮:১৪

নূর আলম হিরণ বলেছেন: আপনি কি ইসতিসকার নামাজ পড়েছেন কখনো?

১৩| ২৮ শে এপ্রিল, ২০২৪ রাত ১০:৪২

ঋণাত্মক শূণ্য বলেছেন: আসলেই। কলা বিজ্ঞানীদের মত কিছু জন্তু জানোয়ার বানিয়ে বৈজ্ঞানিক উপায়ে বৃষ্টি মঙ্গল কামনা করা উচিৎ ছিলো ওদের।

১৪| ২৮ শে এপ্রিল, ২০২৪ রাত ১১:১২

রিদওয়ান খান বলেছেন: আমি পক্ষে-বিপক্ষে বলছিনা আমি শুধু আপনার কাছে জানতে চাচ্ছি। আধুনিক এই যুগে অশুভ শক্তি থেকে মুক্তি লাভে কেউ মঙ্গল শোভা যাত্রা করতে পারে? প্যাচা বাঘ ইত্যাদি এসবের প্রতিচ্ছবি নিয়ে যাত্রা করা কিভাবে মঙ্গলের হয়? এভাবে কি মঙ্গল আসে? এখন এই প্রশ্ন করায় আবার বইলেন না আমি সংস্কৃতি বিরোধী।

২৯ শে এপ্রিল, ২০২৪ দুপুর ২:৫৫

নূর আলম হিরণ বলেছেন: আপনার কাছে ও যারা একই ধরনের মন্তব্য করেছেন তাদের কাছে আমার পাল্টা জিজ্ঞাসা। এটা বুঝতে পারলে আপনাদের মন্তব্যের উত্তর পেয়ে যাবেন।
যারা বিভিন্ন প্রাণীর মুখোশ ও প্রতিচ্ছবি বানিয়ে মঙ্গল শোভাযাত্রা করে তাদেরকে জিজ্ঞেস করলে বলবে তারা নিজেরাও বিশ্বাস করে এতে কখনো মঙ্গল হবে না। শুধুমাত্র তারা ট্রেডিশন হিসেবে এটি করে, উৎসব হিসেবে পালন করে।
এবার আপনি বলুন যারা বৃষ্টির জন্য নামাজ পড়ে তাদেরকে জিজ্ঞেস করে দেখেন যে আপনারা কি বিশ্বাস করেন ইসতেসকার নামায পড়ার পরে বৃষ্টি আসবে? তারা কি বলবে, আমি বিশ্বাস করি না নামাজ পড়লে বৃষ্টি আসবে। আমি শুধুমাত্র ট্রেডিশান হিসেবেই এখানে নামাজ পড়তে এসেছি। তারা যদি এমনটি বলে তাহলে তাদেরকে এ ব্যাপারে কিছু বলার নেই।
আপনি যদি এমনটি দেখাতে পারেন তাহলে এই দুই দলের সাথে আপনি তুলনা করতে পারবেন। অন্যথায় আপনি এই তুলনা করাটা অর্থহীন।

১৫| ২৮ শে এপ্রিল, ২০২৪ রাত ১১:২৯

তানভির জুমার বলেছেন: ঢাবির উন্মুক্ত ২০ জায়গায় সপ্তাব্যাপী পুজার আয়োজন করলে, শত শত লোক নিয়ে হাতি-পেজা- মূর্তি ইত্যাদি নিয়ে মঙ্গল শোভাযাত্রা করলে ঐটা তো আপনার কাছে মহা বিজ্ঞানময়। তাই না?

১৬| ২৯ শে এপ্রিল, ২০২৪ সকাল ৭:২০

জ্যাক স্মিথ বলেছেন: এখনো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় পড়লে বা পড়েছে বললে মানুষ চিন্তা করে মানুষটি অবশ্যই বুদ্ধিমান ও আধুনিক মন মানসিকতার - এখন আর সেই দিন নেই ভাই, এটা এখন 'মাদ্রসাতুল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়' নামে ব্যপক পরিচিতি লাভ করেছে।

২৯ শে এপ্রিল, ২০২৪ বিকাল ৫:১১

নূর আলম হিরণ বলেছেন: কারণ আমাদের আছে একজন কওমি জননী।

১৭| ২৯ শে এপ্রিল, ২০২৪ সকাল ৯:৩৩

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন:



নামাজ পড়তে চাইলে বৃষ্টি নামার আগের দিন পর্যন্ত পড়লে মঙ্গল হবে।

১৮| ২৯ শে এপ্রিল, ২০২৪ সকাল ১০:১৯

নাহল তরকারি বলেছেন: হলি খেলার অনুমতি আছে। আর নামায পড়লেইে দোষ?

১৯| ২৯ শে এপ্রিল, ২০২৪ সকাল ১০:৫১

ধুলো মেঘ বলেছেন: ক্লাউড সিডিং না করে কেবল বৃষ্টির নামাজ পড়লেই বৃষ্টি হবেনা - এইটা কি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের যুক্তি ছিল অনুমতি না দেবার? নাকি চিরাচরিত ইসলাম বিদ্বেষ এর পেছনে কাজ করেছে?

২০| ২৯ শে এপ্রিল, ২০২৪ সকাল ১১:২৫

নতুন বলেছেন: ঢাবি তে নামাজ পড়ার পেছনে যেমন রাজনিতিক ইচ্ছা থাকার সম্ভবনা বেশি।

তেমনি এর অনুমুতি না দেবার পেছনেও আয়ামীলীগের ইচ্ছাটাই বেশি...

দেশে এখন ধর্মকে পুরাদমে রাজনিতি, ব্যবসা এবং ব্যক্তিগত সার্থে ব্যবহারের চর্চা চলছে।

২৯ শে এপ্রিল, ২০২৪ বিকাল ৫:১৩

নূর আলম হিরণ বলেছেন: কওমি জননী উপাদি নিয়ে আমাদের প্রধানমন্ত্রী চোখ বন্ধ করে আছেন।

২১| ২৯ শে এপ্রিল, ২০২৪ রাত ১০:২৭

চারাগাছ বলেছেন:

কদিন আগে হোলি উৎসব হলো যে!

২২| ২৯ শে এপ্রিল, ২০২৪ রাত ১০:৩৪

অ্যালেকজান্ডার ফ্লেমিং বলেছেন: ঋণাত্মক শূণ্য বলেছেন: আসলেই। কলা বিজ্ঞানীদের মত কিছু জন্তু জানোয়ার বানিয়ে বৈজ্ঞানিক উপায়ে বৃষ্টি মঙ্গল কামনা করা উচিৎ ছিলো ওদের।

এহেন মৌলবাদী নিক সামুতে এক্সেস পাইল কিরূপে!! দেশের চিত্রশিল্পী দের প্রতি বিদ্বেষমূলক আক্রমনাত্নক মন্তব্যকারীর ব্যান চাই।

২৩| ২৯ শে এপ্রিল, ২০২৪ রাত ১১:২৯

শ্রাবণধারা বলেছেন: নামাজ পড়তে চাইলে নামাজ পড়ার অনুমতি দেওয়া উচিত ছিল। আমার বিশ্বাস খোদ আমেরিকা বা কানাডার বিশ্ববিদ্যালয় গুলোতেও নামাজের অনুমতি চইলে তারা শিক্ষার্থীদের নিরাশ করতেন না। এর মানে এই নয় যে, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন মনে করতো নামাজের মাধ্যমে বৃষ্টি নামানো সম্ভব।

বিখ্যাত সুরসাধক তানসেন সম্পর্কে গল্প প্রচলিত আছে যে, তানসেন নকি সুর বাজিয়ে বৃষ্টি নামাতে পারতেন। তো আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের ছেলেরা যে প্রার্থনার মাধ্যমে বৃষ্টি নামাতে পারবেন না এটা আপনি নিশ্চিত হলেন কী করে? :)

২৪| ২৯ শে এপ্রিল, ২০২৪ রাত ১১:৪৮

মোহাম্মদ গোফরান বলেছেন: শ্রাবণধারা @

প্রার্থনা বা কিসের নামাজ যেন বলে ঐগুলা তো পুরা দেশে প্রতিটি মসজিদে হয়েছে। বৃষ্টি হইলনা কেন? আজকেও ইমাম দুয়া করলেন মাগরিবের নামাজে বৃষ্টির জন্য। ইমপ্যাক্ট প্রতিদিন করছেন এই মাসের ১৪ তারিখের পর হতে। কিন্তু বৃষ্টি হইলনা। সো বৃষ্টি নামার সময় হলে বৃষ্টি নামবে। এখানে হুদাই নামাজ পড়ে কিছু হবেনা। তবে আল্লাহ সুবা হানা তা আ লা চাইলে সব কিছুই সম্ভব। এটা এজ আ মুসলিম আমাদের বিশ্বাস করতেই হবে। এই বিশ্বাস থেকেই আমরা যে কোনো কিছুই আল্লাহর কাছ থেকেই চাই।



কিন্তু ঢাবির কথা ভিন্ন। গোয়েন্দা প্রশাসন নিশ্চিত যে ঢাবিতে স্বাধীনতা বিরোধী জঙ্গি জামায়াত শিবির সংঘবদ্ধ হওতার ইস্যু খুজছে। তাদের পরিকল্পনা বড়সড় কোন জঙ্গি হামলার। তাই ইউনি ক্যাম্পাসে উহা রিস্কি। এই নামাজ পড়ার জন্য কত জায়গা আছে। সেখানে পড়লে তো কেউ মানা করবেনা।

২৫| ৩০ শে এপ্রিল, ২০২৪ দুপুর ১২:০৭

নতুন বলেছেন: কিন্তু ঢাবির কথা ভিন্ন। গোয়েন্দা প্রশাসন নিশ্চিত যে ঢাবিতে স্বাধীনতা বিরোধী জঙ্গি জামায়াত শিবির সংঘবদ্ধ হওতার ইস্যু খুজছে। তাদের পরিকল্পনা বড়সড় কোন জঙ্গি হামলার। তাই ইউনি ক্যাম্পাসে উহা রিস্কি। এই নামাজ পড়ার জন্য কত জায়গা আছে। সেখানে পড়লে তো কেউ মানা করবেনা।

মোহাম্মদ গোফরান ভাই। জামাত শিবিরের জুজু দেখানো বাদ দেন।

লেংড়া মশা নিয়ে আর কত ভয় দেখাবেন জনগনকে?

এখন দেশে ছাত্রলীগ দানব তাদের মানুষ বানান। আয়ামীলীগ এখন শেখ হাছিনার নিয়ন্ত্রনে নাই। আমার মনে হয় তিনিও জানেন এই দানব তিনি আর নিয়ন্ত্রন করতে পারবেন না।

আর ভয় পাবেন না। বাংলাদেশের মানুষ কোনদিনই শরিয়াআইন মেনে ইসলামী রাস্টের দিকে যাবেনা।

২৬| ৩০ শে এপ্রিল, ২০২৪ রাত ৮:১৭

পাইকার বলেছেন: ব্লগারদের কমেন্টের জবাব দিচ্ছেন না কেন? যেগুলো আপনার মনমতো হচ্ছে শুধু সেগুলোরই উত্তর দিচ্ছেন দেখছি। আপনিই নাকি আবার আওয়ামীলীগের সমালোচনা করেন তারা কোনো জবাবদিহিতার ধার ধারেনা বলে।

৩০ শে এপ্রিল, ২০২৪ রাত ১১:৩৭

নূর আলম হিরণ বলেছেন: কমেন্ট কি আপনি পড়েছেন এবং কমেন্টের উত্তরগুলি! একই ধরনের কমেন্ট হওয়ার কারণে ১৪ নম্বর কমেন্টের উত্তরে বলে দিয়েছি। এছাড়াও কিছু কমেন্ট দুজন ব্লগারের মধ্যে হচ্ছে বিধায় আমি সেখানে মন্তব্য করিনি!

২৭| ০৩ রা মে, ২০২৪ রাত ২:৫১

রিদওয়ান খান বলেছেন: লেখক বলেছেন, শুধুমাত্র তারা ট্রেডিশন হিসেবে এটি করে, উৎসব হিসেবে পালন করে।
এবার আপনি বলুন যারা বৃষ্টির জন্য নামাজ পড়ে তাদেরকে জিজ্ঞেস করে দেখেন যে আপনারা কি বিশ্বাস করেন ইসতেসকার নামায পড়ার পরে বৃষ্টি আসবে? তারা কি বলবে, আমি বিশ্বাস করি না নামাজ পড়লে বৃষ্টি আসবে। আমি শুধুমাত্র ট্রেডিশান হিসেবেই এখানে নামাজ পড়তে এসেছি। তারা যদি এমনটি বলে তাহলে তাদেরকে এ ব্যাপারে কিছু বলার নেই।

তার মানে আপনি বলতে চাচ্ছেন ট্রেডিশনাল কিছু হলে ঢাবিতে সেটা বৈধ এবং অনুমতিপ্রাপ্ত আর টেডিশনাল না হলে অনুমতি পাবেনা। তাইতো? মানে অনুমতির বিষয়টা এখন বিশ্বাস-অবিশ্বাসের সাথে সম্পৃক্ত?

২৮| ০৩ রা মে, ২০২৪ রাত ৩:২০

ইফতেখার ভূইয়া বলেছেন: বাংলাদেশের মত দেশে নামাজ পড়ার জন্য কারো অনুমতি লাগবে সেটাই আমার কাছে দুঃখজনক মনে হয়। তদুপরি ছাত্ররা যদি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছে নামাজের জন্য অনুমতি চেয়ে থাকে সেটা তাদের নৈতিকতার একটি উদাহরণ। বিশ্ববিদ্যালয় আকাশ থেকে নাজিল হয় নি বা গায়েবী কোন স্থান নয় যে সেখানে নামাজের জন্য কোন মহাজ্ঞানী ব্যাক্তির দিক নির্দেশনা প্রয়োজন। বিশ্ববিদ্যালয় সরকারী টাকায় চলে আর যারা পড়ছেন তারা ভবিষ্যত বাংলাদেশেরই কর্ণধার ও এ দেশের নাগরিকও সুতরাং সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ে তাদের প্রতি কোন দয়া বা করুণা করা হচ্ছে এমন মনে করা সঠিক নয়।

আধুনিক জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিষয় নিয়ে কোন সভা-সেমিনার হতে পারে। একে বারেই যে হচ্ছে না তা-ও নয়। মে মাসের ১০-১১ তারিখ সিলেটের শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রযুক্তি সংশ্লিষ্ট "ওয়ার্ডক্যাম্প ২০২৪" হতে যাচ্ছে। এটা আমার কাছে বেশ পজিটিভ বলে মনে হয়েছে। বুয়েট কিংবা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়েও এমন কিছু হতে পারতো নিঃসন্দেহে। প্রশ্নহলো বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এ ব্যাপারে কি কোন ভূমিকা রেখেছে? এ ধরনের আধুনিক বিষয়ের সাথে ছাত্রদের পরিচয় করিয়ে দেয়ার পাশাপাশি সভা-সেমিনারের আয়োজন করে তারাও ভূমিকা রাখতে পারতেন না?!

৯০% মুসলিম জনগণের দেশে নামাজ পড়া নিয়ে আপনার চিন্তাধারা বেশ দুঃখজনক। বিশ্বাস আর বিজ্ঞান-কে পাশাপাশি রেখেও অনেক কিছু করা সম্ভব। বিজ্ঞানী বা জ্ঞানী হওয়ার জন্য ব্যক্তিগত বিশ্বাস বিসর্জন দেয়ার প্রয়োজন রয়েছে বলে আমার মনে হয় না।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.