নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

নূর মোহাম্মদ নূরু (পেশাঃ সংবাদ কর্মী), জন্ম ২৯ সেপ্টেম্বর প্রাচ্যের ভেনিস খ্যাত বরিশালের উজিরপুর উপজেলাধীন সাপলা ফুলের স্বর্গ সাতলা গ্রামে।

নূর মোহাম্মদ নূরু

দেখি শুনি স্মৃতিতে জমা রাখি আগামী প্রজন্মের জন্য, বিশ্বাস রাখি শুকনো ডালের ঘর্ষণে আগুন জ্বলবেই। ভবিষ্যৎকে জানার জন্য আমাদের অতীত জানা উচিতঃ জন ল্যাক হনঃ ইতিহাস আজীবন কথা বলে। ইতিহাস মানুষকে ভাবায়, তাড়িত করে। প্রতিদিনের উল্লেখযোগ্য ঘটনা কালক্রমে রূপ নেয় ইতিহাসে। সেসব ঘটনাই ইতিহাসে স্থান পায়, যা কিছু ভাল, যা কিছু প্রথম, যা কিছু মানবসভ্যতার অভিশাপ-আশীর্বাদ। তাই ইতিহাসের দিনপঞ্জি মানুষের কাছে সবসময় গুরুত্ব বহন করে। এই গুরুত্বের কথা মাথায় রেখে সামুর পাঠকদের জন্য আমার নিয়মিত আয়োজন ‘ইতিহাসের এই দিনে’। জন্ম-মৃত্যু, বিশেষ দিন, সাথে বিশ্ব সেরা গুণীজন, এ্ই নিয়ে আমার ক্ষুদ্র আয়োজন

নূর মোহাম্মদ নূরু › বিস্তারিত পোস্টঃ

খ্যাতিমান চলচ্চিত্র পরিচালক, চিত্রনাট্যকার এবং অভিনেতা কাজী হায়াৎ এর ৭৩তম জন্মবার্ষিকীতে ফুলেল শুভেচ্ছা

১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ রাত ১২:১০


খ্যাতিমান চলচ্চিত্র পরিচালক কাজী হায়াৎ। একাধারে তিনি একজন পরিচালক, কাহিনীকার, চিত্রনাট্যকার, প্রযোজক এবং অভিনেতা। ১৯৭৪ সালে পরিচালক মমতাজ আলীর সাথে সহকারী পরিচালক হিসেবে কাজ শুরু করেন। এবং ১৯৭৬-১৯৭৭ মৌসুমে বিখ্যাত চলচ্চিত্রকার আলমগীর কবিরের সাথে সীমানা পেরিয়ে ছবিতেও সহকারী পরিচালক হিসেবে কাজ করেছেন। ১৯৭৯ সালে দি ফাদার ছবিটি পরিচালনার মধ্যে দিয়ে পূর্ণ-পরিচালক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন। তিনি তাঁর বেশিরভাগ ছবিতে বাংলাদেশের রাজনৈতিক অস্থিরতা ও সমসাময়িক জনদুর্ভোগের চিত্র ফুঁটিয়ে তোলেন। ছাত্রজীবন থেকেই চলচ্চিত্র পরিচালনার আগ্রহ ছিল বলেই এমকম পরীক্ষা দেয়ার পরপরই তিনি চলচ্চিত্র পরিচালক সহকারীর প্রধান সহকারী হিসেবে তিনি কাজ শুরু করেন। পরবর্তীতে আলমগীর কবিরের ‘সীমানা পেরিয়ে’ ছবিতে কাজ করেন। এর পরে তিনি ‘দি ফাদার’ চলচ্চিত্র পরিচালনা করেন যা শৈল্পিক দিক থেকে প্রশংসিত হয়। কিন্তু সিনেমা মুক্তির তিনদিন পরে ছবির প্রযোজক তাকে অফিসে ঢুকতে দেন নি, কারণ ছবিটি শহরে চললেও গ্রামে চলে নি। এই শিক্ষা থেকে তিনি মূলধারার চলচ্চিত্র নির্মানে এগিয়ে আসেন যা চলচ্চিত্রকে লাভজনকও করে। তার ভাষায়, চলচ্চিত্র পরিচালকের কান্না পাওয়া যায় তার দ্বিতীয় ছবি ‘দিলদার আলী’ চলচ্চিত্রে। কাজী হায়াৎ তাঁর চলচ্চিত্র জীবনে আন্তর্জাতিক, জাতীয় ও অন্যান্য চলচ্চিত্র পুরস্কারসহ সর্বমোট ৭৩টি চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেছেন। তিনি চারটি আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উত্সবে অংশগ্রহণ করেন। দাঙ্গা চলচ্চিত্রের জন্য আফ্রো-এশিয়ো সরিডরি কমিটি এ্যাওয়ার্ড কর্তৃক প্রদেয় শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন। চলচ্চিত্র পরিচালনা এবং লেখনীর জন্য তিনি চারটি ভিন্ন ভিন্ন বিভাগে নয়টি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার এবং লেখনীর জন্য তিনটি বাচসাস পুরস্কার লাভ করেন। আজ চলচ্চিত্র পরিচালক, চিত্রনাট্যকার এবং অভিনেতা কাজী হায়াৎএর ৭৩তম জন্মবার্ষিকী। ১৯৪৭ সালের আজকের দিনে তিনি গোপালগঞ্জ জেলায় অবস্থিত কাশিয়ানী উপজেলায় জন্মগ্রহণ করেন। স্বনামধন্য চলচ্চিত্র পরিচালক, চিত্রনাট্যকার এবং অভিনেতা কাজী হায়াৎএর জন্মবার্ষিকীতে ফুলেল শুভেচ্ছা।

কাজী হায়াৎ ১৯৪৭ সালের ১৫ই ফেব্রুয়ারি গোপালগঞ্জ জেলায় অবস্থিত কাশিয়ানী উপজেলার ফুকরা ইউনিয়নের তারাইল গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। কাজী হায়াৎ প্রথমে ১৯৭৪ সালে মমতাজ আলীর সাথে সহকারী পরিচালক হিসেবে কাজ করেন। পরে আলমগীর কবিরের সাথে সীমানা পেরিয়ে (১৯৭৭) ছবিতে সহকারী পরিচালক হিসেবে কাজ করেন।[২] তিনি পূর্ণ-পরিচালক হিসেবে ১৯৭৯ সালে দি ফাদার ছবিটি পরিচালনা করেন।এতে অভিনয় করেন প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেন জন নেপিয়ার অ্যাডামস, বুলবুল আহমেদ ও সুচরিতা। এই ছবির "আয় খুকু আয়" গানটি খুব জনপ্রিয়তা পেয়েছিল। পরের বছর নির্মাণ করেন দিলদার আলী। এরপর একে একে নির্মাণ করেন খোকন সোনা (১৯৮২), রাজবাড়ী (১৯৮৪), মনা পাগলা (১৯৮৪ ), পাগলী (১৯৮৫), বেরহম (১৯৮৫)। ১৯৮৭ সালে এটিএম শামসুজ্জামান ও তার যৌথ লেখনীতে আফতাব খান টুলু পরিচালনা করেন দায়ী কে?। ছবিটির জন্য তিনি শ্রেষ্ঠ কাহিনীকারের জন্য জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেন এবং এটিএম শামসুজ্জামান শ্রেষ্ঠ অভিনেতা পুরস্কার লাভ করেন। এছাড়া কাজী হায়াৎ শ্রেষ্ঠ কাহিনীকারের জন্য এবং এটিএম শামসুজ্জামান শ্রেষ্ঠ সংলাপ রচয়িতার জন্য বাচসাস পুরস্কার লাভ করেন। আশির দশকের শেষের দিকে তিনি নির্মাণ করেন যন্ত্রণা (১৯৮৮) এবং আইন-আদালত (১৯৮৯)।

নব্বইয়ের দশকের শুরুতে তিনি রচনা ও পরিচালনা করেন অপরাধ-নাট্যধর্মী দাঙ্গা (১৯৯২), ত্রাস (১৯৯২), এবং চাঁদাবাজ (১৯৯৩)। ত্রাস ছবিটির জন্য তিনি শ্রেষ্ঠ চিত্রনাট্যকার ও শ্রেষ্ঠ সংলাপ রচয়িতার জন্য জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেন এবং চাঁদাবাজ ছবিটির জন্য শ্রেষ্ঠ কাহিনীকারের জন্য জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেন। ১৯৯৪ সালে নির্মাণ করেন সিপাহী ও দেশপ্রেমিক। একজন চলচ্চিত্র পরিচালকের সংগ্রামী জীবনের বাস্তবতা নিয়ে নির্মিত দেশপ্রেমিক ছবিতে প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেন আলমগীর, মান্না, চম্পা। ছবিটি আগুনের পরশমণি চলচ্চিত্রের সাথে যৌথভাবে শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্রের পুরস্কার লাভ করে এবং কাজী হায়াৎ শ্রেষ্ঠ পরিচালক ও শ্রেষ্ঠ চিত্রনাট্যকারের জন্য জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেন। পরের বছর রমিসা হায়াতের কাহিনীতে তিনি প্রযোজনা ও পরিচালনা করেন রোম্যান্টিক-নাট্যধর্মী লাভ স্টোরি: প্রেমের গল্প (১৯৯৫)। এতে প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেন রোজী সিদ্দিকী, পল্লব, ও রাইসুল ইসলাম আসাদ। ১৯৯৭ সালে কাজী হায়াৎ রচনা ও পরিচালনা করেন দেশদ্রোহী, লুটতরাজ, পাগলা বাবুল এবং ১৯৯৮ সালে নির্মাণ করেন তেজী।

কাজী হায়াৎ ১৯৯৯ সালে রচনা ও পরিচালনা করেন আম্মাজান, জবরদখল ও ধর। আম্মাজান ছবিতে নাম ভূমিকায় অভিনয় করেন শবনম এবং তার ছেলের ভূমিকায় অভিনয় করেন মান্না। এই চলচ্চিত্রের জন্য কাজী হায়াৎ শ্রেষ্ঠ চিত্রনাট্যকারের জন্য জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেন। ছবিটি শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র হিসেবে বাচসাস পুরস্কার লাভ করে এবং কাজী হায়াৎ শ্রেষ্ঠ সংলাপ রচয়িতার পুরস্কার অর্জন করেন। ২০০০ সালে নির্মাণ করেন জখম, কষ্ট, ঝড়, ধাওয়া, ও বর্তমান। পরের বছর নির্মাণ করেন ক্রোধ, আব্বাজান, পাঞ্জা, তান্ডবলীলা। ২০০২ সালে তিনি রচনা, প্রযোজনা ও পরিচালনা করেন ইতিহাস। এই ছবিতে অভিষেক হয় তার পুত্র কাজী মারুফের[৬] এবং চিত্রনায়িকা রত্নার।এই ছবির জন্য তিনি শ্রেষ্ঠ পরিচালক বিভাগে এবং তার পুত্র মারুফ শ্রেষ্ঠ অভিনেতা বিভাগে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন। এছাড়া কাজী হায়াৎ শ্রেষ্ঠ সংলাপ রচয়িতার জন্য এবং কাজী মারুফ শ্রেষ্ঠ অভিনেতার জন্য বাচসাস পুরস্কার অর্জন করেন। পরের বছর তিনি আবার তার পুত্র মারুফকে নিয়ে নির্মাণ করেন অন্ধকার এবং মান্নাকে নিয়ে মিনিস্টার। ২০০৪ সালে তিনি রচনা ও পরিচালনা করেন অন্য মানুষ। এতে প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেন কাজী মারুফ ও শাবনূর। পরের বছর নির্মাণ করেন সমাজকে বদলে দাও। ২০০৬ সালে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত কাবুলিওয়ালা ছোটগল্প অবলম্বনে নির্মাণ করেন কাবুলিওয়ালা। এতে নাম ভূমিকায় অভিনয় করেন মান্না, এবং অন্যান্য প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেন প্রার্থনা ফারদিন দিঘী, সুব্রত বড়ুয়া ও দোয়েল। ২০০০ এর দশকের শেষের দিকে তার পুত্র মারুফকে নিয়ে নির্মাণ করেন ক্যাপ্টেন মারুফ (২০০৭) ও শ্রমিক নেতা (২০০৯)। ২০১০ এর দশকের শুরুতে তিনি নির্মাণ করেন অশান্ত মন (২০১০), আমার স্বপ্ন (২০১০), বড় লোকের দশদিন গরিবের একদিন (২০১০), ওরা আমাকে ভাল হতে দিল না (২০১০), ও পিতা পুত্রের গল্প (২০১১)। ২০১২ সালে তিনি নির্মাণ করেন মানিক রতন দুই ভাই। পরের বছর নির্মাণ করেন ইভটিজিং। পরে তার পুত্র মারুফকে নিয়ে নির্মাণ করেন সর্বনাশা ইয়াবা (২০১৪) ও ছিন্নমূল (২০১৬)। ছিন্নমূল কাজী হায়াতের পঞ্চাশতম চলচ্চিত্র।
চলচ্চিত্রে অবদানের জন্য তিনি অসংখ্য জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন। যথাঃ
শ্রেষ্ঠ কাহিনীকার - দায়ী কে? (১৯৮৭)
শ্রেষ্ঠ চিত্রনাট্যকার ও শ্রেষ্ঠ সংলাপ রচয়িতা - ত্রাস (১৯৯২)
শ্রেষ্ঠ কাহিনীকার ও শ্রেষ্ঠ চিত্রনাট্যকার - চাঁদাবাজ (১৯৯৩)
শ্রেষ্ঠ পরিচালক ও শ্রেষ্ঠ চিত্রনাট্যকার - দেশপ্রেমিক (১৯৯৪)
শ্রেষ্ঠ পরিচালক ও শ্রেষ্ঠ চিত্রনাট্যকার - ইতিহাস (২০০২)
এবং বাচসাস পুরস্কার

শ্রেষ্ঠ কাহিনীকার - দায়ী কে? (১৯৮৭)
শ্রেষ্ঠ সংলাপ রচয়িতা - আম্মাজান (১৯৯৯)
শ্রেষ্ঠ সংলাপ রচয়িতা ইতিহাস (২০০২) এছাড়া
আন্তর্জাতিক সম্মাননাঃ
পিয়ান ইয়ান আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উত্সব উত্তর কোরিয়া ১৯৯১। শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র দাঙ্গা ১৯৯১

ব্যক্তিগত জীবনে তার দাম্পত্য সঙ্গী রমিসা হায়াৎ এবং তাদের সন্তান কাজী মারুফ (পুত্র)। যিনি জনপ্রিয় একজন চলচ্চিত্র অভিনেতা। খুব অল্প সময়েই বাংলাদেশী চলচ্চিত্রে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন এই অভিনেতা। বাবা প্রখ্যাত পরিচালক কাজী হায়াৎ-এর মাধ্যমে চলচ্চিত্রে এসে তারই পরিচালনায় করা ছবি ইতিহাস দিয়ে বাংলাদেশ জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন। দীর্ঘ কয়েক বছর ধরেই হার্ট ও শরীরের বিভিন্ন অসুখে ভুগছেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত পরিচালক কাজী হায়াৎ। মাঝে চিকিৎসাজনিত কারণে নিউ ইয়র্কের মাউন্ট সিনাই হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন তিনি। সেখানে উন্নত চিকিৎসা করা হয় তার। ২০০৪ সালে হার্টে দুটি রিং বসানো হয়েছিল প্রখ্যাত এই চলচ্চিত্র নির্মাতার। এরপর ২০০৫ সালে ওপেন হার্ট সার্জারি করা হয় কাজী হায়াতের। এরপর গত বছরের জানুয়ারিতে পুনরায় হার্টে সমস্যা দেখা দিলে বরেণ্য এই নির্মাতা প্রধানমন্ত্রীর কাছে সাহায্যের জন্য আবেদন করেন। তারপর প্রধানমন্ত্রীর নিকট থেকে ১০ লাখ টাকা অনুদান পান কাজী হায়াৎ।

মাঝে কাজী হায়াৎ এর মৃত্যুর গুজব ছড়িয়ে পড়েছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে। তবে তা ছিলো নিছক গুজব।
আজ চলচ্চিত্র পরিচালক, চিত্রনাট্যকার এবং অভিনেতা কাজী হায়াৎএর ৭৩তম জন্মবার্ষিকী। স্বনামধন্য চলচ্চিত্র পরিচালক, চিত্রনাট্যকার এবং অভিনেতা কাজী হায়াৎএর জন্মবার্ষিকীতে ফুলেল শুভেচ্ছা।

নূর মোহাম্মদ নূরু
গণমাধ্যমকর্মী
নিউজ চ্যানেল
ফেসবুক লিংক
[email protected]

মন্তব্য ৮ টি রেটিং +১/-০

মন্তব্য (৮) মন্তব্য লিখুন

১| ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ রাত ৩:৫৩

সোহানী বলেছেন: আমি একটা জিনিস বুঝছি না যিনি এতো ছবি বানিয়েছেন তাকে মাত্র দশ লাখ টাকার জন্য হাত পাততে হচ্ছে কেন? উনারতো মিলিয়নিয়ার হওয়ার কথা কারন তাঁর প্রায় সব ছবিই ব্যবসা সফল।

১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ বিকাল ৩:১৭

নূর মোহাম্মদ নূরু বলেছেন:
শুধু কাজী হায়াৎ নন চলচ্চিত্র যগতের প্রায় সকল
শিল্পী/কলা,কুশলীরা শেষ জীবনে দারুন অর্থ কষ্টে
ভোগে। এর গুঢ়নিহিত অর্থ কি কে জানে।
আপনাকে ধন্যবাদ আপু ব্যাপারটা নিয়ে ভাববার জন্য।

২| ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ সকাল ৯:১৯

রাজীব নুর বলেছেন: উনার 'সীমানা পেরিয়ে' মুভিটা কিছুদি আগে দেখলাম। ভালো লেগেছে। তবে উনার ছেলের অভিনয় সুন্দর না। সিরিয়াস অভিনয় করলেও আমার হাসি পায়।

১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ বিকাল ৩:১৭

নূর মোহাম্মদ নূরু বলেছেন:

কাজী হায়াতের পুত্রের অভিনয় মেকী মনে হয়।

৩| ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ সকাল ১০:১৭

নেওয়াজ আলি বলেছেন: পুষ্পময় শুভেচ্ছা

১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ বিকাল ৩:১৯

নূর মোহাম্মদ নূরু বলেছেন:
ধন্যবাদ আলী ভাই
কাজী হায়াতের জন্মদিনে
পুষ্পময় শুভেচ্ছা জানানোর জন্য।

৪| ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ দুপুর ১:৪২

রাজীব নুর বলেছেন: উনার এবং উনার ছেলের অভিনয় আমার কাছে ভালো লাগে না।

১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ বিকাল ৩:২০

নূর মোহাম্মদ নূরু বলেছেন:
তাদের অভিনয় ভালো না লাগলেও
দারুন কয়েকটি ছবি উপহার দিয়েছেন
দর্শকদের।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.