| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
নুরুজ্জামান মানিক
ঢাবি হতে ব্যবসায় প্রশাসনে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর । আগ্রহের বিষয় কবিতা-দর্শন-বিজ্ঞান । ১৯৯০'র দশকের শুরু থেকে বাংলাদেশের প্রথম শ্রেনীর জাতীয় দৈনিক, সাপ্তাহিক ,পাক্ষিক ও মাসিক সাময়িকী সমুহে প্রবন্ধ-উপসম্পাদকীয় নিবন্ধ-প্রতিবেদন-ফিচার লিখছি । লেখার বিষয় বিচিত্র -রাজনীতি ,অর্থনীতি,শিল্প-বানিজ্য ,কৃষি,বিজ্ঞান-প্রযুক্তি,তথ্য - প্রযুক্তি,মহাকাশ বিজ্ঞান -গবেষণা,পরিবেশ-প্রকৃতি,স্বাস্থ্য,শিল্প-সংস্কৃতি , ফ্যাশন-বিনোদন,ইন্টেরিয়র , ইতিহাস-ঐতিহ্য, শিক্ষা ইত্যাদি।
আল মাহমুদ আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি । কবিতার শব্দ ব্যবহারের স্বতঃবেদ্য স্বাভাবিকতা এবং বিশ্বাসের অনুকুলতা নির্মানে তিনি নিঃশংসয়ে আধুনিক বাংলা ভাষায় একজন অগ্রগামী কবি । প্রখ্যাত সমালোচক অধ্যাপক শিবনারায়ণ রায় বলেন -"সমকালীন যে দুজন বাঙালী কবির দুর্দান্ত মৌলিকতা এবং বহমানতা আমাকে বারবার আকৃষ্ট করেছে তাদের মধ্যে একজন হলেন বাংলাদেশের আল মাহমুদ , অন্যজন পশ্চিমবঙ্গের শক্তি চট্রোপাধ্যায় । " অধ্যাপক ডঃ রাজীব হুমায়ুনের মতে , তিনি চল্লিশ দশক পরবর্তী কবিদের মধ্যে অন্যতম মৌলিক কবি , নতুন কবি । রাজীব হুমায়ুন 'তাঁর মৌলিকত্ব এবং নতুনত্ব ' দেখেছেন আল মাহমুদের 'গাঁয়ে ফেরার পিপাসায়' এবং 'অনিবার্য শব্দ, উপমা , চিত্রকল্পে সে পিপাসার প্রকাশে ' । পঞ্চাশ দশকের প্রধান কবি আল মাহমুদ গ্রামে ফিরলেন এবং গ্রামের মেঠো পথ বেয়ে চলতে গিয়ে রচনা করলেন -
এখন কোথায় যাওয়া যায় ?
শহীদ এখন টেলিভিশনে । শামসুর রাহমান
সম্পাদকীয় হয়ে গেলেন । হাসানের বঙ্গজননীর নীলাম্বরী বোনা
আমার দ্বারা হবে না । জাফর ভাই ঘোড়ার গায়ে হাত বোলান ।
অতএব কবির কোথাও যাওয়া হলো না , কেননা :
আমার সমস্ত গন্তব্যে একটি তালা ঝুলছে । (আমার সমস্ত গন্তব্যে )
বিধায় , আল মাহমুদ লোকজ অভিমুখে যাত্রা করে লোকায়ত বাংলার চিরায়ত শব্দ সুষমাকে আধুনিক বাক্য বন্ধনে উপস্থাপন করলেন । তার নির্মিত পটভুমির কেন্দ্রবিন্দু মানবতা ই আত্মবিশ্বাস । জসীম উদ্দিন এবং জীবনানন্দ উভয়ের থেকে তিনি সম্পুর্ন ভিন্ন প্রকৃতির কবি । কারো প্রতিধবনি নয় , নির্মীয়মাণ স্বকীয়তাই তাকে আধুনিক জগতে বিশিষ্ট স্থানের অধিকারী করেছে । ক্রমশ হয়ে উঠেছেন আস্থাশীল এক কাপ্তান । আল মাহমুদই আমাদের বিপুল জনসমষ্টির জীবনধারার অভিজ্ঞতাকে কবিতায় ব্যবহার করেছেন :
] "আমার বিষয় তাই , যা গরীব চাষীর বিষয়
চাষীর বিষয় বৃষ্টি ফলবান মাটি আর
কালচে সবুজে ভরা খানা খন্দহীন
সীমাহীন মাঠ ।
চাষীর বিষয় নারী ।
উঠৌনে ধানের কাছে নুয়ে থাকা ।
পুর্নস্তনী ঘর্মাক্ত যুবতী । " (কবির বিষয় )
স্পন্দমান আবগের ভুগোল , দেশজ চেতনা ,লেককাহিনী ও ঐতিহাসিক ঘটনাবলীর সৌন্দর্যে আপ্লুত আল মাহমুদ একজন মিথলজিক্যাল রোমান্টিক কবি । যেমন তিনি তার শ্রেষ্ট কর্ম 'সোনালী কাবিন ' এ মাতৃভুমির ইতিহাস খনন করে তুলে এনেছেন ঐশ্বর্যময় ও বীর্যবান অনিষঙ্গসমুহ । তিনি এখানে শক্তিমত্তার সাথে রোমান্টিসজম প্রবেশ করিয়েছেন যা 'সোনালী কাবিন ' সনেট গুচ্ছকে করেছে মহিমান্নিত ।
"সোনার দিনার নেই , দেন মোহর চেয়ো না হরিনী
যদি নাও , দিতে পারি কাবিনহীন হাত দুটি
আত্মবিক্রয়ের স্বর্ন কোনকালে সঞ্চয় করিনি
আহত বিক্ষত করে চারদিকে চতুর ভ্রুকুটি ;
ছলনা জানিনা বলে আর কোন ব্যবসা শিখিনি । "
'সোনালী কাবিন'সনেটগুচ্ছ কবি উপমা -রুপকের চর্চার কুশলতার যে নিদর্শন রেখেছেন , আমাদের কবিতার ক্ষেত্রে তা নতুন এবং আন্তরিক সততায় উজ্জ্বল । গ্রামের মাটি থেকে বিচিত্র আকুল আগ্রহকে কবি উন্মোচন করেছেন , নদীর চরের প্রতি কৃষানীর পতির অধিকার প্রতিষ্ঠার রূপকল্পে প্রমানিত হয়েছে নারীর প্রতি পুরুষের আকাঙখার ক্ষুধার্ত নদীর উপমায় নর-নারীর কামনার চিত্র ফুটে উঠেছে । এইতো আমাদের আল মাহমুদ এবং তার গ্রামীন প্রান্তরের উপঢৌকন যেখানে যৌনতার আন্তরিক অভিব্যক্তি ঘটেছে -
"ক্ষুধার্ত নদীর মতো তীব্র দুটি জলের আওয়াজ
তুলে মিশে যাই চলো অকর্ষিত উপত্যকায় । "
বাংলাদেশের কবিতার মেজাজ ও মন বুঝতে হলে আমাদের আল মাহমুদের কবিতার দরজায় নক করতেই হবে ।
" কবিতা কি ?
কবিতা তো শৈশবের স্মর্তি
কবিতা চরের পাখী , কুড়ানো হাসের ডিম , গন্ধভরা ঘাস
স্নান মুখ বউটির দড়িছেড়া হারানো বাছুর
কবিতাতো মক্তব্যের মেয়ে চুলখোলা আয়েশা আক্তার ।"
( কবিতা এমন )
কবিতা সহ সাহিত্যের কোন শাখায় নর-নারীর মিলঙ্কে অস্বীকার করা যায় না । হুইটম্যানের কবিতায় ভাবের এক বে আব্রু প্রকাশ দেখে আমরা তাই আতঙ্কিত হলেও খুব্ধ হইনা :
It is I , you women , I make my way
I am stern acrid , undissuble , but I have you
I do not hurt you any more than is necessary for you
I pour the stuff to starts sons and daughters fit for these states
I press with slow rude muscle
I brace myself effectually. I listen to no entreaties
I dare not with draw till deposit what has so long accumulated within me.
তখন আমরা মু্গ্ধ হই এই ভেবে যে , মানব মনের একটি অদৃশ্য ও আদিমতম কামনার জোয়ারকে কবি বিন্দুমাত্র বাঁধা না দিয়ে তার প্রবাহমানতাকে আরো স্বচ্ছন্দ দিয়েছেন । আল মাহমুদ 'সোনালী কাবিন' কাব্যে শব্দ প্রতীক ও উপমার মাধ্যমে আদিমতাকে অপুর্ব চিত্রায়ন পুর্বক আদি ও অন্ত পর্যন্ত চিরন্তন রোমান্টিক ধারাকে প্রজ্জ্বল করেছেন :
" তারপর তুলতে চাও কামের প্রসঙ্গ যদি নারী
খেতের আড়ালে এসে নগ্ন করো যৌবন জরদ
শস্যের সপক্ষে থেকে যতটুকু অনুরাগ পারি
তারো বেশী ঢেলে দেবো আন্তরিক রতির দরদ । "( সনেট ১০ )
আল মাহমুদ যে মৌলিক ও নতুন কবি তা আগেই বলা হয়েছে । একজন কবির বড়ত্ব তার কাব্যভাষা, চিত্রকল্প এবং ছন্দের নতুনত্বে । আল মাহমুদের বড়ত্ব তার নিজস্ব বাকরীতি প্রবর্তনে এবং অদ্ভুত সুন্দর চিত্রকল্প নির্মানে । সৌন্দর্য বিভায় উদ্ভাসিত তার কবি হূদয় সর্বদা সুন্দরের পুজারী । তিনি তার কাব্যে বহু বিচিত্র বিষয়ের চিত্রকল্প নির্মান করেছেন ।
বক্ষমান রচনায় আমাদের বিবেচনা তার নারী সৌন্দর্য বন্দনা । আল মাহমুদের নারী অত্যন্ত চিত্তাকর্ষক , কামোদ্দীপক ও সৌন্দর্যময় । এক্ষেত্রে অধ্যাপক শিবনারায়ণ রায়ের মন্তব্যটি যথার্থ : "তিনি বোদলেয়ারের অনুরাগী । কিন্তু মাটি তার কাছে সেই নারী যে জলসিক্ত সুখদ লজ্জায় নিজেকে উদাম করে । তিনি শুনতে পান মেঘনার জলের কামড়ে ফসলের আদিগন্ত সবুজ চিৎকার । অভাবের অজগর তার টোটেম । যে কিসিমে শিষ্ট ঢেউয়ের পাল রাতের নদীতে ভাসা পানকৌড়ি পাখির ছতরে ছলছল ভাঙে সে কিসিমেই তিনি তার বানুর গতরে চুমো ঢালেন । " (একজন খাটি কবি , উপমা , পৃ ২৫ )
নারী দেহের স্তনের বর্ণনা দিতে বিদ্যাপতি রাধিকার স্তনকে বলেছিলেন -"হেম কমলন জনি অরুণিত চঞ্চল ।" সৈয়দ আলী আহসান সহসা সচকিত এর ৩১ নং কবিতায় উল্লেখ করেন -
"কভু মনে হয় পদ্ম কোরক
দেহ তরঙ্গে বিকশিত
শিশির উষার সুর্যের তাপে
যেন আশংকা বলসিত । "
আল মাহমুদ নারী স্তনের সৌন্দর্য যেভাবে কল্পনা করেন -
* শঙ্খমাজা স্তনদুটি মনে হবে শ্বেতপদ্ম কলি (সিম্ফোনি : লোক লোকান্তর)
*তার দুটি মাংসের গোলাপ থেকে নুনের হাল্কা গন্ধ আমার
(চক্রবর্তী রাজার অট্রহাসি : মায়াবী পর্দা দুলে ওঠে)
*...চোখ যেন
রাজা মহীপালের দিঘী । আর বুক দুটি
মিথুনরত কবুতর ।
( অস্পস্ট স্টেশনঃ আরব্যরজনী্র রাজহাঁস )
*ইস্পাহানের হলুদ আপেল বাগান আমার হাতে দুলে দিয়েছে
তার সুপক্ক দুটি সোনালি ফল ।
তোমার ব্লাউজের বোতাম খো্লো ....
( অভিযোজনা ঃ আমি , দুরগামী )
আল মাহমুদ এখানে স্তনের সৌন্দর্য উপমার চিত্র কল্পনা করেছেন ঃ শঙ্খমাজা শ্বেতপদ্ম কলি, মাংসের গোলাপ , মিথুনরত কবুতর ,সোনালি ফল ইত্যাদির সাথে ।
নারী দেহের প্রধান সৌন্দর্য অংগ তার যোনী । মধ্যযুগের বেশ কিছু কবি যোনীকে পুস্পের সাথে তুলনা করেছেন । আধুনিক কবি সৈয়দ আলী আহসান যোনীকে দ্বিদল ফুলের সাথে তুলনা করেছেন -
প্রাচী্ন কাব্যে উরু সংযো্গ
যেনবা অমোঘ দ্বিদল ফুল
আল মাহমুদ রমনী দেহের যোনীকেও অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে বিভিন্ন উপমায় শোভিত করেছেন যেমন -
*আয়নায় ঘুরিয়ে ফিরিয়ে দেখো বুকের গঠন
লুকানো যায়না তবু অনিবার্য যৌবনের ফুলপ্রতীকের মত যেন জেগে থাকে তোমার জঘন ।
(অহোরাত্রঃ লোক লোকান্তর)
*সর্প বিতানের কোনো ফলবান বৃক্ষের শিকড়ে
খুলে দিয়ে দুটি উষ্ণ উরুর সোপান
ঢেকে আছে নগ্নযোনি গহরফলক( শিল্পের ফলক : ঐ )
*আঘাত থকে আসবে ছেলেগুলো
নাভির নিচে উষ্ণ কালসাপ
( মাংসের গোলাপ : কালের কলস)
* তোমার নাভিমূলে দেখেছি একা আমি
নরম গুল্মের কৃষ্ণ সানুদেশ ।
( শোনিতে সৌরভ : সোনালী কাবিন )
* চরের মাটির মতো খুলে দাও শরীরের ভাজ
উগোল মাছের মতো খুলে দাও শরীরের ভাজ ।
(আষাড়ের রাত : আরব্যরজনীর রাজহাস )
*আবার বুকের কাছে মুখ । ঘামে ভেজা মাংসের কিষান
তৃপ্ত করে জ্যামিতির গুল্মময় ত্রিকোন কর্দম । ( ঐ)
* তবুওতো চাদ উঠে জনপদে । ব্রাকের
আপার মতো ঠাট
চান্দেরী শাড়ির নিচে জোছনা দেখানো গুঢ় রাত ।
(খরা সনেট ৪: দোয়েল ও দয়িতা )
* ত্রিকোন আকারে যেন
ফাক হয়ে রয়েছে মৃন্ময়ী ।
(প্রকৃতি , সোনালী কাবিন )
* জলজ তুনের মতো ফের
জন্ম নেবে ধরত্রীর মুত্রভেজা যোনীর দেয়ালে ।
( ভারতবর্ষ , বখতিয়ারের ঘোড়া )
* তারপর তুলতে চাও কামের প্রসঙ্গ যদি নারী
খেতের আড়ালে এসে নগ্ন করো যৌবন জরদ
(সনেট , সোনালী কাবিন)
নারীর যোনীকে আল মাহমুদ প্রতীকের মত জঘন, গহরফলক,উষ্ণ কালসাপ,নরম গুল্মের কৃষ্ণ সানুদেশ , চরের মাটির মতো শরীরের ভাজ,ত্রিকোন কর্দম ,গুঢ রাত , ত্রিকোন মৃন্ময়ী ,মুত্রভেজা যোনীর দেয়াল, যৌবন জরদ ইত্যাদি উপমায় সুশোভিত করেছেন ।
আল মাহমুদের ইসলামি কবিতা বাদে প্রায় সব কবিতায় নারী দেহের সৌন্দর্য , উপমা ও যৌনতা প্রকাশ পেয়েছে । তিনি নারী নিসর্গ প্রেম ভালবাসায় কৃত্রিমতার বা রাখ ঢাকের খোলস নির্মান করেননি । তিনি মার্ক্সিস্ট থেকে ইসলামের বিশ্বাসি হয়েছেন কিন্তু তারপরও
তার কবিতায় আমরা দেখছি মাংসের গোলাপ , মিথুনরত কবুতর , ত্রিকোন কর্দম কারন তিনি প্রথমত কবি শেষত ঐ কবিই ।
ষাটের মান্নান সৈয়দ কে আমরা দেখেছি নারী নগ্নতার মধ্য দিয়ে পরাবাস্তবাতা ও আধ্যাত্মার কথা বলতে । একই দশকের শ্রেস্ট কবি নির্মলেন্দু গুনের কাম বিষয়ক কবিতার সমগ্রও আমরা হাতে পেয়েছি ।
নর-নারীর যুথজীবন যাত্রায় নগ্নতা , রম্যতা , জীবন ঘনিস্টতা অতি বাস্তব । এই বাস্তবতাকে উপমা -চিত্রকল্পে যথার্থ করা -শব্দের এবং চিত্রের অর্থ্ময়তা ও আনন্দময়তা যে কবি যতবেশি দান করতে পারেন নব নব শিল্প চিত্রনে সে তত বড় কবি ।
২|
২৫ শে জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৩:০২
নুরুজ্জামান মানিক বলেছেন: গুঞ্জন -তিনি জামাতে ইসলামী করেন
৩|
২৫ শে জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৩:৪৫
আলাউদ্দীন বলেছেন: তথ্যটা কি মিথ্যা?
৪|
২৬ শে জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১০:২৫
নুরুজ্জামান মানিক বলেছেন: আমার ধারনা -তথ্যটা সত্য ।
৫|
২৬ শে জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১০:২৭
নুরুজ্জামান মানিক বলেছেন: আমার এই লেখায় আমাকে আল মাহমুদের কবিতার ভক্ত ভাবার আশংকা আছে , তাই বিনয়ের সাথে বলছি এই প্রধান কবির কবিতা আমেকে টানেনি তেমন , যেমন টেনেছে আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ ,শামসুর রাহমান, হেলাল হাফিজ, নির্গুন, আবুল হাসান, ফরহাদ মজহার, রুদ্র, নবারুন প্রমুখ ।
৬|
২৬ শে জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১০:৩২
তনুজা বলেছেন: তথ্যটা যাই হোক, আজকের আলমাহমুদ যাই হোন, সোনালী কাবিন বাংলা ভাষায় একটাই। তুলনাহীন, অদ্বিতীয়, অনিন্দ্য।
আপনাকে অনেক ধন্যবাদ , সেই সুফলা সময়ের কথা মনে করিয়ে দেবার জন্য। সেই চুম্বক রচনাগুলো মেলে ধরার জন্য
+
৭|
২৬ শে জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১০:৪৪
নুরুজ্জামান মানিক বলেছেন: ১০০% একমত @ তনুজা
৮|
২৬ শে জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১০:৫১
ইশতিয়াক অাহমেদ বলেছেন: বাংলাদেশের কবিতার মেজাজ ও মন বুঝতে হলে আমাদের আল মাহমুদের কবিতার দরজায় নক করতেই হবে
- খুবই সত্য কথা, মানিক ভাই।
তবে আমার কেন জানি মনে হয় আল মাহমুদ কবিতা লিখে তার একটা জীবন অপচয় করে গেছেন। তার গদ্য এতো বৈচিত্রপূর্ণ এতো সাবলীল এবং যেখানে সময়ের নবায়ন লক্ষ্য করার মতো।
যে নবায়নটা প্রধানতম কবি শামসুর রাহমানের শেষ সময়ে খুব একটা লক্ষ্য করা যায়নি।
যা আল মাহমুদের এখনো প্রতিটি লেখায় প্রকটভাবে উঠে আসে...
২৭ শে জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ৯:৩৪
নুরুজ্জামান মানিক বলেছেন: আল মাহমুদের গদ্য নিয়ে তোমার পর্যবেক্ষন ভাল লাগল
আমি নিজেও তার গদ্যের ভক্ত
৯|
২৬ শে জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১১:০৭
ইশতিয়াক অাহমেদ বলেছেন: আরেকটা ভালো কথা মানিক ভাই এই বিশ্লেষণধর্মী লেখা আরো বেশি পাঠকরে কাছ পৌছানো দরকার।
কোনো জাতীয় দৈনিকের সাহিত্য পাতায় প্রকাশের ব্যবস্থা করেন...
১০|
২৭ শে জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ৯:৪১
মেঘবাজি বলেছেন: এই জামাতী দেহি ভালোই চটি লিকতো
১১|
১১ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ৮:১৩
শাহনাজ সুলতানা বলেছেন: আপনার লেখাটুকু খুব ভালো লেগেছে। আল মাহমুদ আমার পছন্দের প্রথম কবি। আমি উনাকে মনে প্রাণে শ্রদ্ধা করি। উনার কবিতার জয় হোক সর্বত্র।
আল মাহমুদের লিখাটুকুর জন্য আপনাকে আবারো ধন্যবাদ।
১২ ই মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১২:০৬
নুরুজ্জামান মানিক বলেছেন: ধন্যবাদ শাহনাজ সুলতানা ।
১২|
১১ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ৮:১৩
শাহনাজ সুলতানা বলেছেন: প্রিয়তে তুলে নিলাম।
১২ ই মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১২:০৬
নুরুজ্জামান মানিক বলেছেন: আবারো ধন্যবাদ।
১৩|
১৪ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১০:১৯
'লেনিন' বলেছেন: আল মাহমুদ খুব সম্ভব ডিগবাজী মনোভাবের লোক, কিন্তু কাব্য প্রতিভা আছে তার।
১৬ ই মার্চ, ২০০৯ সকাল ৯:৫৬
নুরুজ্জামান মানিক বলেছেন: হুমম ।
১৪|
১৪ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১০:২০
'লেনিন' বলেছেন: অনেক কিছু জানা হলো.. শোকেসে তুললাম পোস্ট।
১৬ ই মার্চ, ২০০৯ সকাল ৯:৫৫
নুরুজ্জামান মানিক বলেছেন: ধন্যবাদ ।
১৫|
২৪ শে এপ্রিল, ২০০৯ বিকাল ৫:৩৫
জুলফিকার বলেছেন: যে যাই বলুক না কেন বাংলা কবিতায় আল মাহমুদ প্রধান কয়েকজন কবির মধ্যে অন্যতম।
ভালো প্রয়াস। ধন্যবাদ আপনাকে।
আমার প্রিয় পোস্টে তুলে রাখলাম।
২৭ শে এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ১১:০৬
নুরুজ্জামান মানিক বলেছেন: ধন্যবাদ @ জুলফিকার
১৬|
২৪ শে মে, ২০০৯ রাত ২:০০
ইমন সরওয়ার বলেছেন: আল মাহমুদ পুনর্বার পাঠ করে সমৃদ্ধ হলাম। বিভিন্নজন বিভিন্নভাবে বাঁকাচোরা, হাল্কা করে মন্তব্য করার চেষ্টা। তারা কী জানেন কালের বিচারে আল মাহমুদকে কবি হিসেবেই তোলে আনা হবে?
আর গদ্যের কথা বলেছেন?
তিনটি গ্রন্থের নাম দেব। ১. পানকৌড়ির রক্ত (গল্প) ২. যেভাবে বেড়ে ওঠে (আত্মযৈবনীক উপন্যাস) ৩. উপমহাদেশ (উপন্যাস এটি মুক্তিযুদ্ধকে নিয়ে)।
অতএব একজন লেখকের জীবনে আর কি চাই। যারা নিজেরাই রাজনৈতিক দুষ্টে দুষ্ট তারা আল মাহমুদ পাঠ করেন গোপনে, স্বীকার করেন না। মাঠে-ময়দানে বহুলপ্রচারিত কবির সান্বিধ্যে থাকার ঘোষণা দেন। আর গোপনে আল মাহমুদকে তুলে রাখেন প্রিয় পাঠ্য সূচীতে। এই তাদের ডাবল রোল।
একেবারে শেষ দশকের কবিদের কবিতা পাঠ করলে তাদেরকে আমরা কীভাবে সনাক্ত করবো। নব্বই কিঙবা শূন্য দশকের কবিদের কবিতা বার বার ঘুরপাক খাচ্ছে মাহমুদীয় সুরে। একটি শক্তিকে অস্বীকার করতে হলে আরেকটি সমপরিমাণের শক্তির প্রয়োজন হয়। কিন্তু সেই শক্তির তো কোনো উদ্দেশ্ দেখছি না এখনও।
আল মাহমুদকে অতিক্রম করে কোনো শক্তিধর কবি এগিয়ে এলে সবচে খুশি হবো এ জন্য যে, আমাদের কবিতার আরও একটি নতুন দীগন্ত খুলে যাবে। হ্যা ভাঙার প্রচেষ্টা আমরা দেখছি। কিন্তু সেটা কেমন প্রচেষ্টা। সেই প্রচেষ্টায় দেখা যাচ্ছে কোনো শৃঙ্খলা নেই। অনেকের কবিতায় বৈপরীত্য তৈরি করতে গিয়ে দেখা যাচ্ছে কোনো অর্থই দাড়াচ্ছে না। বরং দার্শনিক ভাবপ্রকাশ করে কিছু হিয়ালী কবিতার উদ্ভব ঘটছে। একদিন এসব স্থূল কবিতার কথা উল্লেখ করে লিখবো বলে আশা করছি।
সুন্দরতম পোস্টটির জন্য ধন্যবাদ।
০২ রা জুন, ২০০৯ বিকাল ৪:৪৭
নুরুজ্জামান মানিক বলেছেন: গঠনমুলক মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ ।
১৭|
০২ রা জুন, ২০০৯ দুপুর ১:২৮
জইন বলেছেন: অসাধারণ......... ভাই আপনি কি লিখছেন? নিজে বুঝছেন তো...... অসাধারণ একটা জিনিস হইছে.......
একটা অনুরোধ........
" কবিতা কি ?
কবিতা তো শৈশবের স্মর্তি
কবিতা চরের পাখী , কুড়ানো হাসের ডিম , গন্ধভরা ঘাস
স্নান মুখ বউটির দড়িছেড়া হারানো বাছুর
কবিতাতো মক্তব্যের মেয়ে চুলখোলা আয়েশা আক্তার ।"
( কবিতা এমন )
কবিতাটা সর্ম্পূণ দিতে পারবেন।
০২ রা জুন, ২০০৯ বিকাল ৪:৪৯
নুরুজ্জামান মানিক বলেছেন: ধন্যবাদ জইন ।
১৮|
০২ রা জুন, ২০০৯ দুপুর ১:২৯
জইন বলেছেন: সরাসরি প্রিয়তে.........
০২ রা জুন, ২০০৯ বিকাল ৪:৫০
নুরুজ্জামান মানিক বলেছেন: আবারো ধন্যবাদ।
১৯|
২৯ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ১১:২৯
হারুন আল নাসিফ বলেছেন: কবিতাতো মক্তব্যের মেয়ে চুলখোলা আয়েশা আক্তার...
২০|
৩০ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ৯:৪৬
মাসুদ জাকারিয়া বলেছেন: হারুন আল নাসিফ বলেছেন: কবিতাতো মক্তব্যের মেয়ে চুলখোলা আয়েশা আক্তার...
২১|
০৬ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১১:৫৫
সুবিদ্ বলেছেন: তাঁর রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে যত প্রশ্নই থাকুক না কেন, কবি এবং কবিতার বিষয়ে তাঁকে অবশ্যই সম্মান জানাতে হবে.......
২২|
২৪ শে মার্চ, ২০১০ রাত ১:০৪
সোমহেপি বলেছেন:
* চরের মাটির মতো খুলে দাও শরীরের ভাজ
উগোল মাছের মতো খুলে দাও শরীরের ভাজ
হবে;
চরের মাটির মত খুলে দাও শরীরের ভাজ
আমার উগোল মাছ সিক্ত হোক তোমার কাদায়
কবির ব্যক্তিগত বিশ্বাস থাকতেই পারে
আমার মনে হয় কবিসত্তাটাই আসল
সবমিলিয়ে আমাদের আলমাহমুদ
এদেশের মাটি মানুষ নিয়ে যার ভাবনা
সেই দেশপ্রেমিক। সাহিত্যে আমাদের দেশে এত সংকীর্ণতা কিছু শিকড়হীন বিশ্বাসের আস্ফালন দেখে ঘৃণা করতে পারিনা কষ্ট পাই।
সবশেষে লেখককে অনেক অনেক ধন্যবাদ
২৩|
১১ ই জুলাই, ২০১০ সকাল ১০:১৯
নুরুজ্জামান মানিক বলেছেন: কবির ৭৪তম জন্মদিনে শুভেচ্ছা ।
২৪|
১০ ই ডিসেম্বর, ২০১৫ দুপুর ১২:৫৭
শিকদার ওয়ািলউজ্জামান বলেছেন: ভালো লাগলো লেখাটি
২৫|
১০ ই ডিসেম্বর, ২০১৫ দুপুর ১:০২
শিকদার ওয়ািলউজ্জামান বলেছেন: আল মাহমুদের ইসলামি কবিতা বাদে প্রায় সব কবিতায় নারী দেহের সৌন্দর্য , উপমা ও যৌনতা প্রকাশ পেয়েছে । তিনি নারী নিসর্গ প্রেম ভালবাসায় কৃত্রিমতার বা রাখ ঢাকের খোলস নির্মান করেননি । তিনি মার্ক্সিস্ট থেকে ইসলামের বিশ্বাসি হয়েছেন কিন্তু তারপরও
তার কবিতায় আমরা দেখছি মাংসের গোলাপ , মিথুনরত কবুতর , ত্রিকোন কর্দম কারন তিনি প্রথমত কবি শেষত ঐ কবিই ।
©somewhere in net ltd.
১|
২৫ শে জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ২:৫৮
মনির হাসান বলেছেন: অনেক কিছু জানলাম ধন্যবাদ ।
আল মাহমুদ ভালো করে পড়া হয়নি কখন'ও,
তাকে নিয়ে সম্প্রতি একটা গুঞ্জন শোনা যায় ... সত্যিমিথ্যা জানিনা ।