নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

নুশেরা তাজরীন

.

নুশেরা

ব্লগ দেখা ও পাঠের জন্য ধন্যবাদ। এই ব্লগের কোন ছবি বা লেখা (সম্পূর্ণ অথবা আংশিকভাবে) লেখকের পূর্ব-অনুমতি ছাড়া অন্য কোথাও প্রকাশ করা যাবেনা। এই ব্লগের কিছু লেখা নিজ সাইটে প্রকাশিত। শিশুর বিকাশজনিত সমস্যা অটিজম সম্পর্কে কোন অভিজ্ঞতা, তথ্য, সংশ্লিষ্টতা অথবা প্রশ্ন থাকলে যোগাযোগের অনুরোধ রইলো [email protected]

নুশেরা › বিস্তারিত পোস্টঃ

কেককাহন

০৬ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ৭:৩৩

[উৎসর্গ- প্রিয় ও শ্রদ্ধেয় ভূলুআপা। এই ব্লগে তো বটেই; নেটে বাংলা ভাষায় লভ্য রেসিপিগুলোর মধ্যে তাঁরগুলোই সেরা।

প্রিয় সহব্লগার জেমিনির অনুরোধে এই পোস্ট দেয়া।



পোস্টটি নিজ ব্লগে প্রকাশিত; আপডেট করা হচ্ছে। রেসিপি বা রান্নায় আগ্রহ না থাকলে মন্তব্য না করার অনুরোধ রইলো]

[সর্বশেষ আপডেট ২০ জানুয়ারী২০১০]



এক.

পাশ্চাত্যের খাবার অথচ আমাদের উৎসব-আয়োজনের অংশ হয়ে গেছে, কেক এমনই একটা খাবার। ক্রিমের কারুকার্যময় নকশায় জন্মদিনসহ বিভিন্ন উপলক্ষের কেকের সঙ্গে আমাদের পরিচয় আছে। এছাড়া চায়ের অনুষঙ্গ হিসেবে একটু ভারী টেক্সচারের, ক্রিমবিহীন কেকও আমরা কমবেশী খাই। অভিজাত বেকিং-চেইনের উচ্চমূল্যের কেক যেমন আছে; তেমনি আছে পাড়ার মুদিদোকানের বোয়ামে অনামী অখ্যাত বেকারির প্রোডাক্ট। কিংবা বিদেশ থেকে আমদানী করা পলিপ্যাকমোড়া কেক। খেতে কোনটাই খারাপ না।



অন্যদিকে ঘরে কেক বানানোর ঝক্কি অনেক। তবুও কেউ কেউ শখ করে এই কাজটা করেন। যারা একবার ঘরোয়া কেকের মজা পেয়ে যান, দোকানের কেকের স্বাদের ফাঁকিটা সহজেই ধরতে পারেন। এর কারণ হলো দোকানের কেকে খরচ কমানোর জন্য বিকল্প উপকরণের ব্যবহার করা হয়। বেশীদিন মেয়াদ থাকার জন্য প্রয়োগ করা হয় প্রিজারভেটিভ। ক্ষতিকর রাসায়নিক, রং, আর ভেজাল উপকরণের কথা বলাই বাহুল্য। এসব বিবেচনা করে, অথবা নেহাত শখের বশেই কেউ যদি কেক তৈরিতে আগ্রহী হন, তাদের জন্য এই পোস্ট। শুরুতে প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র, উপকরণ, পাত্র ইত্যাদি নিয়ে কিছু কথা থাকবে। তারপর রেসিপি। বাংলাদেশে ঘরোয়া ব্যবহারের জন্য যেসব ওভেন পাওয়া যায় তার সবই বিদ্যুৎ- চালিত। অথচ নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের কোন নিশ্চয়তা নেই। তাই প্রচলিত গ্যাসের চুলা ব্যবহার করে কেক বানানোর বিকল্প উপায় নিয়েও কিছু টিপস থাকবে।



আমাদের চেনাজানা রেসিপি থেকে কেকের রেসিপি একেবারেই আলাদা। এর কারণগুলো বলি।

প্রথমতঃ কেকের প্রস্তুতিতে কিছু যন্ত্রপাতির যোগ আছে।

দ্বিতীয়তঃ যে পাত্রে কেক বানানো হবে তার পূর্বপ্রস্তুতির ব্যাপার আছে।

তৃতীয়তঃ উপকরণগুলো নির্দিষ্ট অনুপাতে বিশেষ কায়দায় মিশিয়ে ওভেনে বেক করতে দেয়া হয়ে গেলে তারপর আর কোনকিছু করার নেই। ফলে প্রথম পর্বের মেশানোতে কোন ভুলত্রুটি রয়ে গেলে সেটা শোধরানোর সুযোগ থাকবেনা।

চতুর্থতঃ কেক তৈরি হয়ে গেলে তা ঠাণ্ডা করা এবং সুন্দরভাবে কাটার জন্য বিশেষ কায়দা আছে।

উপরের ধাপগুলো সব ধরণের কেকের জন্য প্রযোজ্য। এছাড়া বিশেষ উপলক্ষে একাধিক স্তরবিশিষ্ট কেক বানালে ক্রিম তৈরী ও কেক সাজানোর বিভিন্ন পদ্ধতি আছে।



পেশাদার বেইকাররা অনেক উচ্চমানের যন্ত্রপাতি ব্যবহার করেন, সেগুলো ঘরোয়া ব্যবহারের জন্য যথেষ্ট ব্যয়বহুল হয়ে যাবে। তারপরও, ঘরে ঠিকঠাক কেক বানাতে কিছু জিনিস অপরিহার্য। এগুলো ছাড়া বানানো কেক স্বাদের বিবেচনায় খেতে ভাল হতে পারে; তবে ঠিক সেরকম নরম বা স্পঞ্জি হবেনা।



১.কিচেন স্কেইল (উপকরণ ওজন করার জন্য)। ইলেকট্রিক বা ডিজিটাল হলে দারুণ।



সাধারণ ডায়ালের হলেও কাজ চলে; এটা একেবারেই সস্তা; তবে বেশীদিন টেকেনা অথবা ঠিকমতো রিডিং দেয়না।





২. ইলেকট্রিক হ্যান্ড মিক্সার; দেশে যেকোন ব্র্যান্ডের শোরুমে পাওয়া যাবে। আমি কিনেছিলাম ফিলিপসেরটা; প্রায় বারো বছর আগে, তখন দাম ছিল হাজার দেড়েক, এখনও সার্ভিস দিচ্ছে :)





৩. ওভেন থার্মোমিটার। এটা খুবই সস্তা। ইউরোপ-আমেরিকা-অস্ট্রেলিয়ায় টু-ডলার শপেও পাওয়া যায়। দেশে পাওয়া না গেলে বিদেশ থেকে কাউকে আনতে বলতে পারেন নির্দ্বিধায় :)





৪. একটা বড় মিক্সিং বোল, পাইরেক্সের হলে সবচেয়ে ভালো।





৫. বড় হুইস্ক (চ্যাপ্টা বা সরু হলে চলবে না; বেলুনের মতো ফোলানো, বড়সড়)। প্লাস্টিক বা নাইলনের চেয়ে মেটালের হলে ভালো হয়।





৬. খুব নমনীয় (ফ্লেক্সিবল) স্প্যাচুলা। সিলিকনের হলে সবচেয়ে ভালো। প্লাস্টিক হলেও কাজ চলবে তবে সহজে ভেঙ্গে যায় বলে একাধিক রাখতে হবে।









উপকরণ:

দোকানের কেকের মোড়কের গায়ে অন্তত গোটাবিশেক উপকরণের তালিকা লেখা থাকে (যদি আদৌ থাকে :))। তবে ঘরে কেক বানাতে খুব বেশী উপকরণের প্রয়োজন হয়না। উপকরণের দিক থেকে কেক মূলতঃ দু'রকমের। বাটারকেক আর স্পঞ্জ কেক। বাটারকেকের মূল উপকরণ ময়দা, ডিম, চিনি, মাখন, বেকিং পাউডার। স্পঞ্জ কেকে সাধারণতঃ বেকিং পাউডার ও মাখন লাগেনা।



এছাড়া রেসিপির ভিন্নতা অনুযায়ী সামান্য দুধ, টকদই, সাওয়ার ক্রিম, সুগন্ধী যেমন ভ্যানিলা/লেমন/অরেন্জ এসেন্স, বেকিং সোডা, ক্রিম অফ টারটার, লবণ, শুকনো ফল, বাদাম, ফলের মোরব্বা, চটকানো কলা, আনারসের টুকরো, নারকেল কোরা, কমলা বা লেবুর খোসা কোরা, লেবুর রস, কোকো পাউডার, গলানো চকোলেট এসবের কোন কোনটা দেয়া যেতে পারে কেকে।



বেকিং পাউডার, বেকিং সোডা আর ক্রিম অফ টারটার নিয়ে অনেকের বিভ্রান্তি থাকে। তিনটি উপকরণই দেখতে সাদা পাউডারের মতো। বেকিং সোডা হলো সোডিয়াম বাই কার্বোনেট। বাংলাদেশের বাজারে বেকিং সোডা লেবেলবিহীন প্যাকেটেও বিক্রি হয়, এটা খাবার সোডা নামেও পরিচিত। ক্রিম অফ টারটার হলো পটাসিয়াম বাইটারট্রেইট (টারটারিক এসিডের পটাসিয়াম লবণ)। বেকিং পাউডার হলো বেকিং সোডা আর ক্রিম অফ টারটারের নির্দিষ্ট অনুপাতের মিশ্রণ। ক্রিম অফ টারটার আর বেকিং পাউডার দু'টোই দেশে সহজলভ্য।



কেকের জন্য বিশেষ ময়দা পাওয়া যায় (দেশে পাওয়া যায় কিনা জানা নেই)। একে বলে কেক ফ্লাওয়ার (সেল্ফ রেইজিং ফ্লাওয়ার নয় কিন্তু)। সাধারণ ময়দার সঙ্গে এর পার্থক্য হলো এটা কণাগুলো বেশী মিহি এবং ব্লিচ করা হয় বলে প্রোটিনের ভাগ কম থাকে। ফলে কেকের টেক্সচার মসৃণ হয়; কাটার সময় গুঁড়ো গুঁড়ো হয়ে ঝরেনা। কেক ফ্লাওয়ার পাওয়া না গেলে ভালো মানের ময়দা তিনভাগ আর কর্নফ্লাওয়ার একভাগ মিশিয়ে নেয়া যেতে পারে (যেমন ছয় কাপ ময়দার সঙ্গে দুই কাপ কর্নফ্লাওয়ার)। হুইস্ক দিয়ে খুব ভালোভাবে নেড়ে মেশাতে হবে। একটা বড় বোয়ামে বা টিনে এই ময়দা ভরে রাখলে প্রতিবার কেক বানানোর সময় নতুন করে মেশানোর ঝামেলা করতে হবেনা।



ডিম, মাখন আর দুধ রুম টেম্পারেচারে থাকতে হবে। ফ্রিজে থাকলে অন্তত একঘন্টা আগে বের করে রাখতে হবে। মাইক্রোওভেন থাকলে মাখন আর দুধ খুব অল্প সময়ের জন্য সেখানে দিয়ে ঠাণ্ডা কাটানো যেতে পারে। মাখন নরম হওয়া চাই; তবে খেয়াল রাখুন যেন গলে তরল হয়ে না যায়।



সহজে মেশে বলে ছোট দানার চিনি ব্যবহার করা উচিত। বাজারে মিহি দানার চিনি ক্যাস্টর সুগার পাওয়া যায়। বিকল্প হিসেবে গ্রাইন্ডারে চিনি গুঁড়ো করে নেয়া যেতে পারে। চিনি গুঁড়ো করার জন্য পরিষ্কার খটখটে শুকনো শিলপাটাও ব্যবহার করা যেতে পারে। একবারে কয়েককাপ চিনি গুঁড়ো করে রাখলে বেশ কয়েকবার ব্যবহার করা যাবে। বোয়ামটি ঠাণ্ডা শুষ্ক জায়গায় রাখুন আর প্রতিবার ব্যবহারের আগে শুকনো কাঁটাচামচ দিয়ে ভালো করে দলাগুলো ভেঙে মসৃণ করে নিন।



কেকপ্যান:

যে পাত্রে কেক বেক করা হবে সেটার মাপ (আয়তন) ঠিকঠাক হওয়া জরুরি। কারণ ওভেনের ভেতরে বেক হওয়ার সময় কেক ফুলে উঠে আয়তনে বাড়বে। কেকের মিশ্রণের তুলনায় প্যানের আকার ছোট হলে ব্যাটার উপচে পড়বে। আবার প্যান বেশী বড় হলে কেকের উচ্চতা বেশী হবেনা। সবচেয়ে বড় কথা কোন ধরণের কেক বানানো হবে তার উপর নির্ভর করবে প্যান নির্বাচন। নাশতার জন্য সাধারণ বাটারকেক বা টি-কেক বানাতে হলে ব্রেড বা পাউরুটির আকারের প্যান আদর্শ। সুইস রোল ধরণের কেক করার জন্য চ্যাপ্টা ট্রের মতো পাত্র দরকার হয়। নকশাকাটা বান্ট প্যানে(Bundt pan) কিছু কিছু কেক (যেমন ফ্রুটকেক বা মার্বেল কেক) দেখতে ভালো লাগে। আবার বিশেষ উপলক্ষে কয়েক স্তরের (ভেতরে ক্রিমের পরত দেয়ার জন্য) কেক বানাতে হলে প্রয়োজনমতো গোল বা চারকোণা প্যান লাগবে। এধরণের পাত্রগুলো দুরকমের হতে পারে; প্যানের চারপাশের দেয়াল সোজা খাড়া হতে পারে অথবা ঢালু হতে পারে। সোজা খাড়া দেয়ালের কেকপ্যানের তলা আর মুখের মাপ সমান। চারপাশ ঢালু হলে প্যানের তলার চেয়ে মুখের দৈর্ঘ/প্রস্থ/ব্যাস বড় হয়। সোজা দেয়ালের কেকপ্যান ব্যবহার করার বাড়তি সুবিধা আছে। নীচের ছবিগুলোর মধ্যে হাতলসহ কেকপ্যানের চারপাশের দেয়াল ঢালু।













গাঢ় রঙের (কালো) বা বেশী চকচকে কেকপ্যান ব্যবহার না করাই ভালো; এগুলো দ্রুত গরম হয়ে কেকের ধারগুলো পুড়িয়ে দেয়। চকচকে না এমন ছাইরঙের অ্যালুমিনিয়ামের পাত্র হলে চলে; ননস্টিক কোটিং থাকলে ভালো। তবে খুব বেশী দামী ব্র্যান্ড আইটেম কেনার দরকার আছে বলে আমার মনে হয়না।



দুই.









বাচ্চারা কাপকেক পছন্দ করে। কারণ এটা কাগজের কাপে থাকে বলে হাতে ধরে খাওয়া যায়। মায়েরা পছন্দ করেন কারণ বানাতে কম সময় লাগে, এটাতে কাটাকাটির কোন ঝামেলা নেই আর ক্রিম ইত্যাদি দিয়ে সাজানো খুব সহজ। কাপকেক বানাতে এরকম মাফিন ট্রে অথবা কাপকেক টিন ব্যবহার করেন অনেকে। কাপকেক বা মাফিনের প্যানের বাটিগুলোতে ছোট বাটি-আকৃতির কাগজ বসিয়ে দিতে হয়। একে কাপকেক লাইনার অথবা মাফিন কাপ বলা হয়। বিভিন্ন রং ও নকশার কাপ পাওয়া যায়, বাচ্চার পছন্দমতো কিনুন। (উপরে মাফিন টিন ও কাগজের কাপের ছবি আছে)



কেক বানানোর আগে পাত্র বা কেকপ্যানের কিছু প্রস্তুতি দরকার। এটা হলো বেকিং পেপার দিয়ে লাইনিং দেয়া। বেকিং পেপার (পার্চমেন্ট পেপারও বলা হয়) হলো একরকমের ওয়্যাক্স/সিলিকন-কোটেড কাগজ; এটা দিয়ে আস্তর দিলে পাত্রের গায়ে কেক আটকে যাবেনা; আবার কেকের গা থেকে সহজে এই কাগজ ছাড়িয়ে নেয়া যাবে। ঢালু দেয়ালের কেকপ্যান হলে পাত্রের তলার মাপে এই কাগজ কেটে দিতে হবে। খাড়া দেয়ালের কেকপ্যান হলে তলার সঙ্গে সঙ্গে পাশেও বেকিং পেপারের আস্তরণ দিতে পারেন। আস্তরণ দেয়ার আগে পাত্রের গায়ে সামান্য একটু তেল স্প্রে করে নিলে ("অয়েল স্প্রে" না থাকলে কয়েক ফোঁটা তেল ছিটিয়ে বা ব্রাশ করে দেবেন) বেকিং পেপার সেখানে ভালোমতো আটকে থাকবে। বেকিং পেপার পাওয়া না গেলে বিকল্প হিসেবে সাদা কাগজে ভালো করে তেল মাখিয়ে ব্যবহার করতে পারেন। তেল মাখানোর কাজে ছোট পেস্ট্রিব্রাশ (ছবি আঁকার বড় ব্রাশ হলেও চলবে) ব্যবহার করলে ঝামেলা ও অপচয় হবেনা।



বেকিং পেপার যেভাবে ব্যবহার করতে হয়-

১. শুধু তলার লাইনিংএর জন্য

২. তলা ও পাশে লাইনিংএর জন্য (প্রথমে পাশে দিতে হবে; তারপর তলায়)







বান্ট প্যানের প্রস্তুতিতে বেকিং পেপার ব্যবহার করা যাবেনা (উপরে বান্ট প্যানের ছবি)। এটাতে তেল স্প্রে করতে হবে অথবা ব্রাশ করতে হবে। তারপর সামান্য দু'তিন চিমটি ময়দা ছিটিয়ে দিয়ে প্যান ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে তেলের ওপর ছড়ান (চালুনিতে করে দিলে মিহিভাবে ছড়াবে)। উপুড় করে কয়েকবার হাল্কাভাবে ঝাঁকালে বাড়তি ময়দা ঝরে পড়বে।



তিন.







সিলিকোনের কেকপ্যান (উপরের ছবি) আজকাল বাজারে প্রচুর দেখা যায়। দেখতে সুন্দর, অনেক রঙে পাওয়া যায়। এর সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো পরিস্কার করা সহজ। আঁচড় বা স্ক্র্যাচ, মরিচা পড়া এসবের ঝামেলা নেই। আর কাপকেকের জন্য অনেক নকশায় পাওয়া যায়। কোন কোন ব্র্যান্ড দাবী করে, সিলিকোন কেকপ্যানের প্রস্তুতির কিছু নেই; কাগজের লাইনিং দরকার হয়না। কিন্তু এর কিছু অসুবিধাও আছে। এটা যেহেতু খুবই নমনীয়, তাই একটা বেকিং ট্রে লাগে বসানোর জন্য। ওভেনের তাপমাত্রা বা বেকিঙের সময় পুনঃনির্ধারণ করে নিতে হয়। ননস্টিক কেক পেতে হলে রেসিপিতে তৈলাক্ত অংশ বাড়িয়ে দিতে হয়। কেক বের করার জন্য পুরোপুরি ঠান্ডা হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয়, যার ফলে কেকের তলা ভেজা-ভেজা হয়ে যায়। সবচেয়ে বড় কথা, সিলিকোন কেকপ্যানে কেক অতোটা ফোলে না, ফলে একটু ভারী কেক তৈরী হয়।





উপকরণের মাপ:

প্রচলিত রেসিপিগুলোতে সাধারণতঃ আয়তন হিসেবে উপকরণ পরিমাপ করা হয়। যেমন দুই কাপ ময়দা, এক কাপ চিনি, তিন টেবিলচামচ দুধ ইত্যাদি। এই রেসিপিগুলোকে আমি "ফুলপ্রুফ" বলবোনা। প্রথমত কাপের মাপটা ঠিক কী, সেটা বলা হয় না। চায়ের কাপ বিভিন্ন মাপের হতে পারে। দ্বিতীয়ত মাপের কাপও আয়তনের হতে পারে, ২৪০ সিসি(এমএল) আয়তনের কাপ আছে, আবার ২৫০ সিসির কাপও আছে। টেবিল চামচের মাপ কোথাও ১৫ সিসি, কোথাও ২০ সিসি। অতোটি ডিম- এটাও খুব যথাযথ নয় কেকের রেসিপির জন্য। ছোট দেশী মুরগীর ডিম আর বড় ফার্মের ডিমের মাপে যথেষ্ট পার্থক্য; যা কেকমিশ্রণের তরলতার কমবেশী করে, বেকিঙের সময় এবং কেকের টেক্সচারেও প্রভাব ফেলে। এজন্য পেশাদার অথবা খুঁতখুঁতে বেইকাররা ওজন মেপে পরিমাপ করা রেসিপি অনুসরণ করেন।



বেশীরভাগ উপকরণের জন্য ওজনের বিকল্প হিসেবে একটা নির্দিষ্ট আয়তনের উল্লেখ করা সম্ভব। যেমন ২০০ গ্রাম চিনির বদলে ১ কাপ চিনি (২৪০ সিসির কাপে) বলা যেতে পারে। চিনির বোয়ামে কাপটা ঢুকিয়ে কাপে করে চিনি নিলেন। বেশ কিছুটা চিনি ঢিবির মতো উঁচু হয়ে থাকবে; একটা ছুরি দিয়ে বাড়তি চিনি সরিয়ে কাপের মুখ বরাবর চিনি "লেভেল" করে নিতে পারেন। কিন্তু সমস্যা হবে ময়দা মাপার ক্ষেত্রে। এককাপ ময়দা হালকাভাবে কাপে তুলে নেয়া যায়, আবার ঠেসে নিলে এক কাপের মধ্যে বেশ কিছুটা বাড়তি ময়দা ধরে। আবার ময়দা চেলে নিলে বেশ হাল্কা ফুরফুরে হয়ে যায়। সেজন্য ময়দার মাপটা "ওজন" হিসেবে নেয়াই শ্রেয়। যদি ওজন করার জন্য কিচেন স্কেইল না থাকে তাহলে বিকল্প হিসেবে এই কাজটা করতে পারেন। বড় একটা কাগজের উপর মাপের কাপ (২৪০ সিসি বা এমএল) রাখুন। ওপর থেকে চালুনির মধ্য দিয়ে ময়দা চালতে থাকুন। কাপের বাইরে পড়লে সমস্যা নেই, পরে কাগজ থেকে আবার টিনে তুলে রাখতে পারবেন। ময়দা চালতে চালতে কাপ ভরে গিয়ে আরেকটু উঁচু হলে চালা বন্ধ করুন। এক হাতে কাপটা ওখানেই ধরে রেখে আরেক হাতে ছোট পাতলা ছুরি হাল্কাভাবে আড়াআড়ি চালিয়ে বাড়তি ময়দা সরিয়ে কাপের মুখ বরাবর লেভেল করে ফেলুন। খেয়াল রাখবেন ময়দায় যেন চাপ না পড়ে, কাপটাও নাড়াবেন না। এভাবে চালা এককাপ ঝরঝরে শুকনো মিহিকণার ময়দার ওজন মোটামুটিভাবে ১০০ গ্রামের কাছাকাছি থাকে। রেসিপিতে বলা থাকুক আর না থাকুক (বিশেষ করে বাংলা বই বা পত্রিকায় পাওয়া), এক কাপ ময়দা মানেই হলো এভাবে চেলে নেওয়া এক কাপ ময়দা; প্রথমে এক কাপ ময়দা নিয়ে তার পরে চালা নয়।



ময়দা প্রসঙ্গে একটি জরুরি কথা। ময়দা ঝরঝরে শুকনো হওয়া চাই। আর্দ্র পরিবেশে ময়দা সংরক্ষণ করা হলে সেই ময়দা দিয়ে তৈরী কেক ভালো হয়না। কেক ফ্লাওয়ার (আগে আলোচনা করা হয়েছে) পাওয়া না গেলে বিশেষ করে স্পঞ্জ কেকের টেক্সচারে সমস্যা হতে পারে। ছড়ানো পাত্রে ১ ইঞ্চি পুরু করে ময়দা ঢেলে মাইক্রোওভেনে ১০০% পাওয়ারে এক-দেড় মিনিট রাখতে পারেন (পোড়া গন্ধ বের হলে বুঝতে হবে আরো কম সময় রাখতে হবে)। প্রতি ৩০ সেকেন্ড পর শুকনো চামচ দিয়ে একবার নেড়ে দেবেন। তারপর চেলে নেবেন।



চার.

কিছু সাধারণ সমস্যার সমাধানে টিপস-



প্লেন কেক, টি-কেক (চায়ের অনুষঙ্গ হিসেবে খাওয়া হয় বলে এমন নাম) এগুলো সাধারণত বাটার-কেকের রেসিপি অনুসরণ করে বানানো হয়। এটার জন্য সুবিধাজনক প্যান হলো ব্রেড বা পাউরুটি আকারের প্যান বা টিন। চারকোণা, আয়তাকার। এই আকৃতির কেক কাটা সহজ, সংরক্ষণও সহজ। কিন্তু বেক করার সময় ওপরটা ফেটে যায় বলে অনেকে এই প্যান পছন্দ করেন না।







ওপরের ছবিতে ফাটার পাশাপাশি আরেকটা সমস্যা দেখা যাচ্ছে। কেকের বাইরের দিকটা পোড়া পোড়া হয়ে গেছে। এটা রোধের জন্য কিছু টিপস:

১. বেকিং সময় পাঁচ-দশ মিনিট কমিয়ে দিন, সেক্ষেত্রে যদি দেখা যায় ভেতরটা কাঁচা রয়ে গেছে, তাহলে ওভেনের তাপমাত্রা ঠিক আছে কিনা পরীক্ষা করুন। ওভেন থার্মোমিটার ব্যবহার করুন। আর সেটা সম্ভব না হলে তাপমাত্রা কমিয়ে দিন (১৫ডিগ্রি ফারেনহাইট কমিয়ে দেখতে পারেন; বেকিং-সময় বাড়াতে হবে)।

২. কেকের উপরে রং গাঢ় হয়ে এসেছে অথচ ভেতরে হয়নি, আরও কিছু সময় কেক রাখতে হবে ওভেনে- এমন হলে ওই সময় কেকের উপর আলগোছে এক টুকরো এলুমিনিয়াম ফয়েল (কাঁটা চামচ দিয়ে কয়েকটা ফুটো করে) বসিয়ে দিন; চকচকে দিকটা ভেতরে রাখুন। এই ফয়েল ওভেনের উপরের দিক থেকে আসা তাপ ঠেকাবে; আবার ফুটো থাকায় বাষ্প জমে যাবে না।

৩. গাঢ় রঙের কেকপ্যানও এর জন্য দায়ী হতে পারে (কেকের কিনারার দিকে দ্রুত তাপ পরিবহন করে)।



ব্রেডপ্যানে বেক করলে প্লেন কেক ওরকমভাবে ফাটবেই। তবে সুন্দরভাবে ফেটেছে এমন কেকও হয় (নীচের ছবি)







টিপস:

কেক ২০-২৫ মিনিট বেক হয়েছে, এখনও ফাটতে শুরু করেনি, সে অবস্থায় একটা ছুরি (ছোট, ধারালো, তেলমাখানো) নিয়ে কেকের উপরে আধইঞ্চির মতো গভীর করে এমাথা থেকে ওমাথা দাগ কেটে দিন। ক্ষিপ্র হাতে খুব দ্রুত কাজটা করা চাই। অবশ্যই মনে রাখবেন, ধারে কাটতে হবে, ভারে না কিন্তু। তখন ওই দাগ বরাবরই কেকটা ফাটবে। খুব অল্পসময়ের মধ্যে দাগ কাটার কাজটা হওয়া চাই। ওভেনের দরজা বেশীক্ষণ খোলা রাখলে তাপমাত্রা কমে যাবে।



পাঁচ.









বিশেষ উপলক্ষে চাই এরকম কয়েকস্তরের ক্রিম দেয়া কেক। এগুলোকে বলা হয় লেয়ার কেক। এই লেয়ারগুলো তৈরির জন্য গোল বা চারকোণা কেকপ্যানে আলাদা আলাদাভাবে বেক করা যায়, আবার একটা কেক বানিয়ে আড়াআড়ি একাধিক লেয়ার কেটে নেয়া যায়।



তারপর লেয়ারগুলোকে ক্রিমের পরত দিয়ে একটার উপর একটা করে বসানো হয়, ওপরে ও চারপাশে ক্রিম দিয়ে ঢেকে দেয়াকে আইসিং বা ফ্রস্টিং বলা হয়।







লেয়ার কেক তৈরির সময় খুব সাধারণ সমস্যা হলো কেকের ওপরের দিকটা ফেটে যাওয়া, সমানভাবে না ফুলে মাঝখানের দিকটা পাহাড়চূড়ার মতো ফুলে ওঠা। তখন কেকের ওপরের দিক থেকে সমান করে কেটে নিতে হয়।







কিন্তু অনেকসময় দেখা যায় এভাবে কাটতে গিয়ে কেকের বেশীরভাগ অংশই ফেলে দিতে হচ্ছে। এই সমস্যার সমাধানে সমানভাবে ফোলা কেকের জন্য কিছু টিপস:



১. ধাতব পদার্থ খুব দ্রুত তাপ পরিবহন করে। তাই কেকের বাইরের অংশ, যা কেকপ্যানের সংস্পর্শে থাকে, তাড়াতাড়ি বেক হয়ে শক্ত হয়ে যায়, বেশী ফুলতে পারেনা। মাঝখানের অংশে তাপ ধীরে ধীরে পৌঁছায় বলে সেটা সময় নিয়ে বেক হয়, বেশী ফোলে। এ অবস্থায় তাপের ভারসাম্য আনতে ওভেনে ঢোকানোর আগে কেকপ্যানের চারপাশে magi-cake-strip অথবা bake-even-strip নামের একটা জিনিস ভিজিয়ে আটকে দিতে হয়।



এই বস্তুর একটা ঘরোয়া বিকল্পের কথা বলছি। ১০০% সূতির টাওয়েল থেকে প্রয়োজনীয় দৈর্ঘ-প্রস্থের স্ট্রিপ কেটে নিয়ে ভিজিয়ে নিংড়ে কেকপ্যানের চারপাশে ভালোমতো জড়িয়ে কাঠ বা ধাতুর তৈরি ক্লিপ বা পিন দিয়ে আটকে দিন। অথবা কয়েকস্তরে ভাঁজ করা কিচেন পেপার টাওয়েল অ্যালুমিনিয়াম ফয়েলের ভাঁজের মধ্যে রেখে একইভাবে আটকে দিন। আর ওভেনে কেকপ্যান বসানোর পর একটা স্টিলের পেরেক কেকমিশ্রণের মাঝখানে উল্টো করে বসিয়ে দিন। অবশ্যই পেরেকের মাথার দিকটা সমতল হতে হবে, আর সেটা আগেই পানিতে ফুটিয়ে নিতে ভুলবেন না। কেক তৈরি হয়ে গেলে কেকপ্যান উল্টে কেক বের করার পর ঐ পেরেক সহজেই সরিয়ে নেয়া যাবে।

২. উপরের কৌশলের পরও যদি কেক মাঝখানে বেশী ফোলে তবে রেসিপি খেয়াল করুন। এটা যদি বাটার কেকের রেসিপি হয়ে থাকে অর্থাৎ এতে যদি বেকিং পাউডার বা বেকিং সোডা থাকে তাহলে এর পরিমাণ বাড়াতে হবে। বিপরীতে কেক যদি মাঝখানে দেবে যায় তাহলে পরিমাণ কমাতে হবে।

৩. লেয়ার কেকের জন্য স্পন্জকেকের রেসিপি ব্যবহার করুন। বাটার কেকের চেয়ে এটা তুলনামূলকভাবে বেশী কুশলতা দাবী করে।



লেয়ার কাটার জন্য টিপস:

লেয়ারগুলো সমান পুরুত্বের হওয়া চাই। সমানভাবে কাটতে পারা চাই। serrated knife অর্থাৎ ধারালো প্রান্তে করাতের মতো এমন লম্বা ছুরি ব্যবহার করতে হবে। সামনে পিছনে আগুপিছু করে কাটতে হবে। সমানভাবে লেয়ার কাটার জন্য অনেক রকম ঘরোয়া উপায় আছে। দুপাশে সমান উচ্চতার কাঠের ব্লক রাখতে পারেন, যার উপর ছুরি আড়াআড়িভাবে ঠেকিয়ে লেয়ার কাটতে পারেন। অথবা নির্দিষ্ট উচ্চতায় কেকের পরিধি বরাবর কয়েকটা টুথপিক গেঁথে সে বরাবর আড়াআড়ি ছুরি চালাতে পারেন; নীচের ছবিতে দেখুন।





অথবা পেশাদারদের মতো কেক লেভেলার ব্যবহার না করলেও তার ঘরোয়া সংস্করণটি কিনতে পারেন।



ছয়.



প্লেইন কেক / পাউন্ড কেক রেসিপি

(উপকরণের মাপ, তাপমাত্রা, ভৌত অবস্থা, কেকপ্যান প্রস্তুতি, কেক কাটা ইত্যাদি বিষয়ে আগে আলোচনা করা হয়েছে। সেসব টিপস অনুসরণ করলেই ভালো কেক তৈরি করা সম্ভব।)



উপকরণ

ক.

চেলে নেয়া কেকের ময়দা :১৫০ গ্রাম (দেড় কাপ)

চিনি : ১০০ গ্রাম (আধ কাপ; চিনির মিষ্টতা কম হলে পৌনে এক কাপ নিতে পারেন)

বেকিং পাউডার : এক চা চামচের চারভাগের তিনভাগ

লবণ : চার ভাগের এক চা চামচ



খ.

মাখন (নরম) : ১৬০ গ্রাম



গ.

দুধ (তরল) : ৩ টেবিল চামচ (৪৫ গ্রাম)

ডিম (বড়) : ৩ টা (১৫০ গ্রাম; খোসা ছাড়া)

ভ্যানিলা এসেন্স : দেড় চা-চামচ (আধ টেবিল চামচ)



প্রণালী

১. ৮ইঞ্চি বাই ৪ইঞ্চি বাই ২.৫ইঞ্চি মাপের (এটা চার কাপ মাপের; ছয় কাপ মাপ পর্যন্ত যে কোন ব্রেডপ্যান বা বান্টপ্যান এই রেসিপির জন্য উপযুক্ত) ব্রেড প্যান উপুড় করে তার উপর বেকিং পেপার চেপে বসান। চার কোণায় ভাঁজ করে স্ট্যাপল করে নিন। প্যানের মাপের কাগজের লাইনার তৈরি হলো। এটাকে প্যানের ভেতরে বসান। ওভেন ৩৫০ ডিগ্রি ফারেনহাইট বা ১৮০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে প্রিহিট করুন।

২. গ গ্রুপের উপকরণগুলো একটা বাটিতে হাল্কাভাবে মেশান।

৩. বড় মিক্সিং বোলে ক গ্রুপের উপকরণগুলো ৩০ সেকেন্ড ধরে মিক্সারের লো স্পিডে মেশান।

৪. সম্পূর্ণ মাখন এবং গ গ্রুপের মিশ্রণ থেকে খানিকটা (আন্দাজ তিনভাগের একভাগ) যোগ করুন। মিডিয়াম স্পিডে ১ মিনিট মেশান যাতে উপকরণগুলো সমানভাবে ভিজে আসে। এরপর স্পিড বাড়িয়ে সর্বোচ্চ করুন। গ গ্রুপের বাকী মিশ্রণ থেকে অর্ধেকটা করে দুই ধাপে মেশান। সর্বোচ্চ স্পিডে ৫ থেকে ৭ মিনিট মেশান। মাঝে দুতিনবার স্প্যাচুলা দিয়ে বোলের চারপাশ থেকে মিশ্রণ scrape করে মাঝখানে নিয়ে আসুন।

৫. মিশ্রণটি লাইনিং দেয়া কেকপ্যানে ঢালুন। উপরে স্প্যাচুলা দিয়ে সমান করে দিন। প্যানের ওপরের দিকে অন্তত আধইঞ্চি জায়গা ফাঁকা থাকবে।

৬. ৫০-৬০ মিনিট ধরে বেক করুন। বান্ট প্যানের ক্ষেত্রে ৩৫-৪৫ মিনিট লাগবে। এই ধাপে চতুর্থ পর্বে দেয়া টিপসগুলো অনুসরণ করুন।

৭. অন্তত তিন চতুর্থাংশ সময় পার হবার আগে কেক হয়েছে কিনা দেখার জন্য ওভেন খুলবেন না। ন্যূনতম সময় পার হলে কেকের মাঝামাঝি বরাবর একটা টুথপিক ঢুকিয়ে বের করে আনলে যদি ভেজা মিশ্রণ লেগে থাকে তাহলে বুঝতে হবে কেক এখনো হয়নি। আর পরিষ্কার কাঠি বের হলে (বড়জোর তৈলাক্ত গুঁড়ো লেগে থাকতে পারে) বুঝতে হবে কেক হয়ে গেছে।

৮. কেক হয়ে গেলে ১০ মিনিট প্যানের মধ্যেই রেখে ঠাণ্ডা করুন। প্যানটি এসময় একটা rack এর উপর রাখুন (পঞ্চম পর্বে গোল ও চারকোণা rackএর ওপর কয়েকটা কেক রাখা ছবি আছে)। নইলে তলায় ভেজা চিটচিটে হয়ে যাবে। ১০ মিনিট পর প্যান থেকে কেক বের করে কাগজ সরিয়ে rack এর উপর রাখুন। ঠাণ্ডা হলে serrated knife দিয়ে কাটুন।



গ্যাসের চুলার ওপর কেক বসাতে হলে পুরনো (এখন ব্যবহার করেন না এরকম) ভারী লোহার তাওয়া নিন। ওপরে এক ইঞ্চি পুরু করে পরিষ্কার বালি দিন। তার ওপর বড় সসপ্যান ধরনের পাত্র (তলা সমতল) বসান। এর ভেতর কেকপ্যান বসান। ঢাকনা দিন। আঁচ সর্বনিম্ম রাখুন। সবচেয়ে ভালো হয় বড় পাত্রের ভেতর একটা ওভেন থার্মোমিটার বসিয়ে তাপমাত্রা নির্ধারণ করে নিলে এবং এই সসপ্যানের ঢাকনাটা পুরু কাঁচের হলে ভালো হয়।

============================================

সাত



ফ্রুট কেক



উপকরণ

ক গ্রুপ:

ময়দা ২১০ গ্রাম

বেকিং পাউডার ২ চা চামচ

চিনি ১২০ গ্রাম

লবণ এক চা চামচের ৪ভাগের একভাগ

মাখন (নরম) ৯০ গ্রাম



খ গ্রুপ:

দুধ ৮০ সিসি

ভ্যানিলা এসেন্স ১ চা চামচ

ডিম (বড়) ২টি

আদা, চেরি ইত্যাদির মোরব্বা (glace' fruit) আধা-এক কাপ



প্রণালী

ওভেন প্রিহিট করতে হবে ১৮০' সে অথবা ৩৫০'ফা তাপমাত্রায়। একটা বান্টপ্যানে তেল স্প্রে করে রাখতে হবে।



মাখন ছাড়া ক গ্রুপের উপকরণগুলো মিক্সারে লো স্পিডে ৩০ সেকেন্ড ধরে মেশাতে হবে। মাখন দিয়ে ৩০ সেকেন্ড বা প্রয়োজন অনুযায়ী তারও বেশী সময় মিক্সারের লো স্পিডে মেশান।



মোরব্বা ছাড়া খ গ্রুপের উপকরণগুলো আলাদা বাটিতে কাঁটাচামচ দিয়ে মেশাতে হবে। প্রথম মিশ্রণের সাথে তিনবারে যোগ করতে হবে; প্রতিবার মিডিয়াম স্পিডে মিক্সারে ৩০ সেকেন্ড করে মেশাতে হবে।



হাই স্পিডে পাঁচ থেকে সাত মিনিট বিট করতে হবে। থেকে থেকে দুতিনবার স্প্যাচুলা দিয়ে বোলের চারপাশ থেকে মিশ্রণ scrape করে মাঝখানে নিয়ে আসুন।



কেকপ্যানে একটু কেকমিক্স ঢেলে কিছু মোরব্বার টুকরো ছড়িয়ে দিতে হবে। আবার কিছুটা কেকমিক্স, তার উপর মোরব্বা। এভাবে সম্পূর্ণ মিশ্রণ ও মোরব্বা কেকপ্যানে দেয়া হলে সবার ওপরে কেকমিক্সের স্তর থাকবে।



ওভেনে ৩৫-৪০ মিনিট বেক করতে হবে।



টিপস:

কেক বেক হবার পর যদি মনে হয় প্যানের আকার অনুযায়ী আরেকটু বড় কেক তৈরি করা যেতো, তাহলে এই রেসিপি দেড়গুণ করে আরেকটু বড় কেক বানানো যেতে পারে। বেকিং সময় ১০ মিনিট বাড়িয়ে দেবেন। দুই তৃতীয়াংশ সময়ের পর সচ্ছিদ্র এলুমিনিয়াম ফয়েল দিয়ে ঢেকে দিলে ওপরটা পুড়বে না।



চেরির মোরব্বা কেকমিক্সের মধ্যে তলিয়ে নীচে জমা হতে পারে। এই অবস্থা রোধ করতে মোরব্বাগুলো হাল্কা গরম পানিতে ধুয়ে পেপার ন্যাপকিনে শুকিয়ে নিতে হবে। চেরির মোরব্বা দুই ফালি করে কেটে নিতে হবে। আদার মোরব্বা, শুকনো অ্যাপ্রিকট ইত্যাদি ধারালো ছুরি দিয়ে ছোট টুকরো করে নিতে হবে। চালকুমড়ার মোরব্বা, কিসমিস, পেস্তা এসবও দেয়া যেতে পারে।











============================================

স্পঞ্জ কেকের সেরা রেসিপি এখানে পাওয়া যাবে। প্রথম পর্ব,

দ্বিতীয় পর্ব



সহজে খুব ভালো বাটারক্রিম তৈরীর রেসিপি এখানে পাবেন।



কেক ডেকোরেশনের প্রাথমিক ধারণার জন্য এখানে দেখুন।





=============================================





শেষ। আশা করি জেমিনির প্রয়োজন মিটেছে।



ছবিগুলোর শেষ দুটো নিজস্ব। বাকীগুলো নেটে বিভিন্ন পণ্যবিক্রয়মূলক সাইট থেকে নেয়া।

মন্তব্য ১৩৫ টি রেটিং +৫৬/-১

মন্তব্য (১৩৫) মন্তব্য লিখুন

১| ০৬ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ৭:৪৬

কঁাকন বলেছেন: চমৎকার

নানী এতদিনে একটা কাজের কাজ করতেসে যেটা নাতনীদের উপকারে আসবে :)

০৬ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ৭:৫১

নুশেরা বলেছেন: হ, ছোটনানীদেরও (নানীর ছোটবোন) কাজে লাগবে :)

২| ০৬ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ৭:৪৭

মানবী বলেছেন: কোর্সের প্রথম পাঠ!!! :-)


সময় করে সিরিজটা ফলো করতে চেষ্টা করবো।
ভালো থাকুন নুশেরা।

০৬ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ৭:৫৩

নুশেরা বলেছেন: খুব ভালো লাগলো আপনি এটা ফলো করবেন জেনে। আমি শখের বেইকার; তবে আগ্রহ থেকে কিছুটা জ্ঞান জোগাড় করেছি :)

অনেক শুভকামনা রইলো মানবীর জন্য।

৩| ০৬ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ৮:৩০

মমমম১২ বলেছেন: হুমমম
এতদিন যোগেযাগে বানাইছি এবার ট্রেনিং প্রাপ্ত হয়ে বানাবো

০৭ ই অক্টোবর, ২০০৯ ভোর ৫:১০

নুশেরা বলেছেন: দেখা যাবে আগেরটাই ভালো হইতো :)

৪| ০৬ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ৮:৩৪

একলব্যের পুনর্জন্ম বলেছেন: সাতসকালে উঠে কেকের কথা !!!!


-------------------------------

থ্যাংকস আপু - :)

০৭ ই অক্টোবর, ২০০৯ ভোর ৫:১২

নুশেরা বলেছেন: জেমিনিকে কথা দিয়ে রেখেছি প্রায় একবছর হয়ে গেলো, অপরাধবোধ কাজ করছিলো, তাই না দিয়ে পারলাম না...

৫| ০৬ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ৯:১৯

কাব্য বলেছেন:
কেগ খাপু :(

০৭ ই অক্টোবর, ২০০৯ ভোর ৫:১৩

নুশেরা বলেছেন: আমি কি মানা করছি!

৬| ০৬ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১০:০১

চাচামিঞা বলেছেন: চালায় যান আপু.....এই কোর্স পুরাপুরি কমপ্লি করতে পারলে নিজেই এনশাল্লা রান্না বান্না করতে পারবো..........তখন বউরে না তেলাইলেও চলবে;) (তেলের দাম অনেক বাইরা গেসে)

০৭ ই অক্টোবর, ২০০৯ ভোর ৫:১৩

নুশেরা বলেছেন: গুড লাক :)

৭| ০৬ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১০:২৩

অন্ধ দাঁড়কাক বলেছেন: কেক খাইতে যে পরিমাণ মজা, বানানোটা সেই পরিমাণ ঝামেলা মনে হইলো :(

০৭ ই অক্টোবর, ২০০৯ ভোর ৫:১৪

নুশেরা বলেছেন: কথা সত্য :(

৮| ০৬ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১১:৪১

চতুষ্কোণ বলেছেন: মেলা খরচাপাতির ব্যাপার মনে হইল আপু।

০৭ ই অক্টোবর, ২০০৯ ভোর ৫:১৫

নুশেরা বলেছেন: হুঁ :(

৯| ০৬ ই অক্টোবর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:০১

তাজা কলম বলেছেন: কবে খাওয়াবেন? ভার্চয়ালী নয় অ্যকচুয়ালী ক্ষেতে চাই যে মজার মজার কেকগুলো।

০৭ ই অক্টোবর, ২০০৯ ভোর ৫:১৬

নুশেরা বলেছেন: ইয়ে মানে এখানে সব থিওরিটিক্যাল :P

১০| ০৬ ই অক্টোবর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:০৩

জেমিনি বলেছেন: :#) :#) আপু কি বলে ধন্যবাদ দিব জানি না। অনেক অনেক অনেক ধন্যবাদ। পোষ্ট প্রিয়তে। এখন খালি কেক বানানোর পালা :#)

০৭ ই অক্টোবর, ২০০৯ ভোর ৫:১৭

নুশেরা বলেছেন: আমার নিজের কাছেই খুব খারাপ লাগছিলো তোমাকে সেই কবে থেকে কথা দিয়েই যাচ্ছি, অথচ করছিলামনা কাজটা... ভালো থেকো জেমিনি

১১| ০৬ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৮:২১

সাইফুল আকবর খান বলেছেন:
এই পৃথিবীর কিছু জিনিস একদমই বুঝি না! জীবনেও হয়তো নামবে না এই না-বোঝার বোঝাগুলো!!
ভাল্লাগে না!!!

:(

স্যরি। ভালো থাকেন আপু।

০৭ ই অক্টোবর, ২০০৯ ভোর ৫:১৮

নুশেরা বলেছেন: আমিওতো ভাই তোমার কমেন্টটা বুঝলাম না :(

তুমিও ভালো থাকো সাইফুল।

১২| ০৭ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:০৯

মাহবুবুল আলম লীংকন বলেছেন: ফিজিকস, কেমিসট্রি, ম্যাথস সবইতো পড়লাম। কিন্তু রেসিপি গেল কোথায়? :)

০৭ ই অক্টোবর, ২০০৯ ভোর ৫:৪২

নুশেরা বলেছেন: রেসিপি কখন আসিবেক উহাও পড়ে নেন :)

১৩| ০৭ ই অক্টোবর, ২০০৯ ভোর ৪:০৯

~স্বপ্নজয়~ বলেছেন: যেই মুহুর্তে কেকটা বাইর করবেন, আমারে একটা এসএমএস দিয়েন, বান্দা হাজির হইয়া যাবে :-B :-B

০৭ ই অক্টোবর, ২০০৯ ভোর ৫:৪৫

নুশেরা বলেছেন: হ দেখছি। কতোজনের কতো চিজকেক বাইর হইলো আমরা জানলাম শ্যাষ হওনের পর :(

১৪| ০৭ ই অক্টোবর, ২০০৯ ভোর ৫:৩৩

কঁাকন বলেছেন: আপু একটা নতুন পোস্ট দেন; মাইনাচ দেই, কবে আবার ব্লক করে দেবেন মাইনাচ দিতে পারবো না :(

০৭ ই অক্টোবর, ২০০৯ ভোর ৫:৪৬

নুশেরা বলেছেন: আর দেওয়াদেয়ি নাই, এই পোস্টই আপডেটাইতে থাকুম :D

১৫| ০৭ ই অক্টোবর, ২০০৯ ভোর ৫:৪০

একলব্যের পুনর্জন্ম বলেছেন: কাকন্দি আরি তাইতো - এইটা তো ভাইবা দেখি নাই -- :( নাহ নেক্সট সব পোস্টে সবাইরে মাইনাস দিয়া রাখন লাগবে ;)

০৭ ই অক্টোবর, ২০০৯ ভোর ৫:৪৭

নুশেরা বলেছেন: এই দুইটার মাথায় দুষ্টবুদ্ধি গিজগিজ করে X(

১৬| ০৭ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১০:০০

জেমিনি বলেছেন: আপু খারাপ লাগার কিছু নাই সবুরে মাওয়া ফলে :D তাই তো আমি সবুর করে ছিলাম এখন আমার মাওয়া মানে কেক খাবার পালা........ :P :P

০৭ ই অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ২:০২

নুশেরা বলেছেন: সে তো তুমি এমনিতেই নিজে বানিয়ে খেতে পারো... হয়তো সেটা বেশ ভালোও হয় :)

১৭| ০৭ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১০:০৫

রোবোট বলেছেন: কাঁকন
ইদানীং ব্লগে সবাই লুল উপাধি পেয়ে যাচ্ছে।

০৭ ই অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ২:০৩

নুশেরা বলেছেন: বাজে প্রবণতা। ট্যাগিঙে সতর্ক হওয়া দরকার।

১৮| ০৭ ই অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ১:১৫

অপু ফিরোজ বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ +

০৭ ই অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ২:০৪

নুশেরা বলেছেন: আপনাকে আমার হাবিজাবি ব্লগে স্বাগতম, অপু ফিরোজ। আপনি বোধহয় অনেকদিন পরে এলেন ব্লগে। ভালো থাকবেন।

১৯| ০৭ ই অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ২:০৫

জূয়ারি বলেছেন: আপু আপনি মনে হয় শাবিপ্রবির।কত সালে পাশ করছেন।আমিও শাবিপ্রবির।

০৭ ই অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ২:১৬

নুশেরা বলেছেন: না ভাই, আমি শাবিপ্রবিতে পড়াশোনা করিনি। সিলেটে ছিলাম একসময়, তখন মাঝেমধ্যে ওখানে যাওয়া হয়েছে। অনেক ধন্যবাদ।

২০| ০৭ ই অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ২:০৭

নীল ভোমরা বলেছেন: ক্রিম কেক, ড্রাই কেক.... তো আছেই! একখান 'রসিলা কেক' খাইতে মন্চায়!

০৭ ই অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ২:১৮

নুশেরা বলেছেন: এমন কোন কেকের নাম শুনিনি। রেসিপি বা রান্নায় আগ্রহ না থাকলে এই পোস্ট আপনার জন্য না।

২১| ০৭ ই অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ২:২৬

নীল ভোমরা বলেছেন: খেতে ভাল লাগে... এতে কোন সন্দেহ নাই! ভাল রান্না হলে-তো কথাই নাই! আর পোস্ট-টা পড়ে মনে হলো আপনার রান্নার হাত দারুণ!

ভাল থাকবেন। এ'রকম আরও পোস্ট আশা করছি!

২২| ০৭ ই অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ২:৪২

ফেরারী পাখি বলেছেন: কেক খাইতাম চাই কিন্তু বানাইতাম পারি না। তাই তোমারে সোজা আমার ঘরে নিয়া গেলাম, দেখি বস "এসো নিজে করি" এবার কেক ব্যাটা হয কি না?

অসংখ্য ধন্যবাদ।

২৩| ০৭ ই অক্টোবর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৩২

শাওন৩৫০৪ বলেছেন: ১.ছেলেমানুষ হবার কারনে কিনা জানিনা....রান্নায় যতটুকু আগ্রহ, সেইটা নিজের পন্ডিতিতে, রেসিপিতে আগ্রহ নাই.../:)
২.এইসব বড় বড় রান্নার দিকে তো জীবনেও যাইতে পারবোনা...:(
(আম্মারে দিবার চান্স পাইলে দিতাম)
৩.কমেন্ট পড়তে পড়তে ক্যাচালের কাহিনীতে আইসা হারাইয়া গেছিলাম,,,,
৪.কেক খাওয়ায় আগ্রহ আছে....


৫. আপনার পোষ্ট আছে, কমেন্টের অপশনও খোলা, কিন্তু কমেন্ট করমু না, এইটা ভাবতেই কেমন লাগলো:((:((

৬.কমেন্ট কৈরা ফেলছি...এলা মারলে কাটেন, কাটলে রাখেন, আপনের খুশী....

৭. পরে আবার আসুমনে(সাড়ে চুয়াত্তুর...:P:P:P)

২৪| ০৭ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৯:০০

নির্ঝরিনী বলেছেন: কেককাহন পড়লাম...বাকী পর্বের আশায় আছি...
দেখি বানাইতে পারি কিনা...বানাইলে দেখাবো...
মাইক্রোওয়েভ ওভেনে কি কেক বানানো যাবে?

২৫| ০৭ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৯:০৫

পারভীন রহমান বলেছেন: দেশে এসে বানিয়ে খাওয়াতে হবে। নাহলে বুঝবো কিভাবে তুমি কেমন কেক বানাতে পারো? B-)

তুমি তো আবার ও পেত্নী হয়ে গেছো....ঘটনা কি?? :P

২৬| ০৭ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৯:৪৫

বৃত্তবন্দী বলেছেন: ছোট বেলায় আম্মু কেক বানাতো কড়াইয়ের উপর বালি দিয়ে সেটার উপর টিফিন ক্যারিয়ারের বাটি বসিয়ে :)

এখন আম্মু আর কেক বানায় না:(

২৭| ০৮ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:৪৮

বোহেমিয়ান কথকতা বলেছেন: তাই তো বলি আম্মু কেন বাসায় বানাইতে চায় না!!

২৮| ০৮ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ২:২৬

ফারহান দাউদ বলেছেন: এই পয়লা আপনেরে মাইনাস দিতে ইচ্ছা করলো, রাত ২টার সময় এই পোস্ট পড়ে খিদা যে একটা লাগসে বলার না। :(( :(( :((
এইরকম খানাখাদ্যের পোস্ট সবাই দেয় কেনু কেনু কেনু? :(

যাকগা, এইটার প্রিন্টআউট নিয়া আম্মারে দেয়া লাগবো মনে হয়।:|

২৯| ০৮ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৩:১৯

কঁাকন বলেছেন: @ ফারহান দাউদ
দিয়েদেন; ব্লক করে দিলে আর সুযোগ পাবেন না

৩০| ০৮ ই অক্টোবর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৫১

জাতেমাতাল বলেছেন: জিভে পানি আসা লোভনীয় পোষ্ট... সাথে আছি, চলুক।

৩১| ০৯ ই অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৪:৪০

ক্যানন কার্ণেগী বলেছেন: প্রচলিত রেসিপির থেকে অনেক বেশী কাজের জিনিস। আপডেট দেখতে আসব আবার।
চলতে থাকুক.......

৩২| ০৯ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৯:১০

তারার হাসি বলেছেন:
নুশেরা রান্না/কেক বানানোর ক্লাস নিলে ছাত্ররা কেক বানানোর মাস্টার হয়ে যাবে।
দারুন পোস্ট !

৩৩| ০৯ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৯:৫৮

একজন সৈকত বলেছেন: রেসিপির বর্ননা করার স্টাইলটা অনেক শৈল্পিক!!!
পরের পর্বের অপেক্ষায়... নিজেই কেক বানাতে পারবো ভেবে কিন্চিৎ উত্তেজিত আছি।

৩৪| ০৯ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১১:২৯

জেমিনি বলেছেন: না আপু খুব বেশি ভাল হয় না। আসলে আমি কেক বানানোর সঠিক নিয়ম গুলা জানি না তাই তোমার পোস্ট দেখে শিখার খুব আচ্ছা হল। এখন হয়তো ভাল করে বানাতে পারব ইনশাআল্লাহ। :D

৩৫| ০৯ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১১:৩৯

জেমিনি বলেছেন: নীল ভমরা বলেছেন: ক্রিম কেক, ড্রাই কেক.... তো আছেই! একখান 'রসিলা কেক' খাইতে মন্চায়!

'রসিলা কেক' তৈরীর উপকরণ:
১. কেক ১ পিস
২. মিষ্টির দোকান (যে কোনো)
৩. ১টা বাটি
৪. চামচ
৫. সাদা রসোগোল্লার রস

'রসিলা কেক' তৈরীর প্রনালী:

প্রথমে কেক কিনে নিন। এবার মিষ্টির দোকান থেকে ১ কেজি সাদা রসোগোল্লা কিনুন। এবার রিক্সা বা সিএনজি যোগে নিজ বাড়িতে যান। বাড়িতে ঢুকেই বুয়া বুয়া বলে চিৎকার করে ডেকে বলুন একটি বাটি আর চামচ দিতে। এবার দেকান থেকে আনা সাদা রসোগোল্লা থেকে শুধু রস গুলা বাটিতে ঢেলে নিন তার পর কেক টা ঐ রসের বাটিতে দিয়ে দিন। ৩০ মিনিট অপেক্ষা করুন।

নিন তৈরী হয়ে গেল আপনার 'রসিলা কেক'। মজা করে খান। তবে কাওকে দিবেন না কারণ এটা শুধু আপনার জন্য।

৩৬| ১০ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১২:১৮

সহেলী বলেছেন: এইটুকু যেমন আছে মানছি , ক্রমশ: এ কি আসবে ভেবে মাথার চুল পড়ে গেল !
ইতিহাসে এমন নজীর বিরল নয় যে তুমি বিভিন্ন কেকের মনোহর ছবি উপস্থাপন করে মানুষের ক্ষতি সাধন করেছো ।
আশা করি এবার সতর্ক থাকবে !
খবরদার যদি সেরকম ছবি দিয়েছো ! আগেই লাল বোতাম......

৩৭| ১০ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:২৩

শাফ্‌ক্বাত বলেছেন: আপা-গো!!
:D অনেক ধন্যবাদ।
প্লাস এবং প্রিয়; পরের গুলার অপেক্ষায়।
আচ্ছা, আজকাল আমরা কেক বানাতে গেলে মাখন দেই, কিন্তু আমার আম্মুকে দেখতাম ভালো তেল ও ঘি-য়ের মিশ্রণ দিয়ে কেক বসাতো...কী তফাৎ?
কেকের রেসিপি কিন্তু আসল না, অভিজ্ঞতা-লব্ধ টিপ্স জানা বেশী জরুরী। আর মাইক্রোওয়েভ ওভেনে ইলেক্ট্রিক ওভেনের চেয়ে তাড়াতাড়ি বেক হয়ে যায়। কিন্তু দুইটার জন্য কি একই রেসিপি, না ভিন্ন? কোনটা বেটার?? পোস্ট যখন স্টেপ বাই স্টেপ দিচ্ছো, ডিটেইল দিবা। আমার বাচ্চাগুলানরে খাদক বানাইতে চাই।

৩৮| ১০ ই অক্টোবর, ২০০৯ ভোর ৪:৪৭

মুনশিয়ানা বলেছেন: আপনার পোষ্টে ঢুকে আগে নিশ্চিত হয়ে নিয়েছি--এটা সিরিয়াস পোষ্ট নাকি ফান...:( :(

ইদানিং আপনি কঁাকন মিলে যা সব ফাজলামো মার্কা পোষ্ট দিতে শুরু করেছেন...

আমি আবার রসিকতা অনেক সময় ধরতে পারি না। /:) /:)

রেসিপি নিয়া আমার কুনো আগ্রহ নাই... তবে ফেভুতে রাখছি, ভবিষ্যতে কামে লাগতে পারে... :| :|

৩৯| ১০ ই অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ১২:৩২

মেহবুবা বলেছেন: মডুদের বলে তোমাকে স্থায়ী চাকরী দেবার ব্যবস্থা করা দরকার ।
তবে আমার বাচ্চাদের দেখানো যাবে না এসব পোষ্ট ।
অপনা কেমন আছে ? মায়ের হাতের কত কিছু খেতে পায় ।

৪০| ১০ ই অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ১:০৮

আবু সালেহ বলেছেন: খাইছে রে কত কি?...কেক বানাইতে এত কিছু...!!

৪১| ১০ ই অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ২:৫০

ভাঙ্গন বলেছেন: হুম কেকস...?

৪২| ১২ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ৮:৩৫

~স্বপ্নজয়~ বলেছেন: Kunthe gelen bahe? :(

৪৩| ১২ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১১:১০

~স্বপ্নজয়~ বলেছেন: নুশ, আমার কেক দেখলেই মাথাটা খারাপ হয়ে যায় :| আগে এত কেক প্রিতী ছিলোনা। কেকের দোকানের আশে পাশে গেলেই আমারে কেক গুলো হাতছানি (অথবা ক্রিমছানি :#)) দিয়ে ডাকে :(

৪৪| ১২ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৯:১৬

ফ্রুলিংক্স বলেছেন: হুম...। আমি শুধু একটাইপের কেক বানাতে পারি :(

আমার আম্মাজানের কাছ থেকে শিখেছি। আম্মাও ঐ এক টাইপ বানাতে পারে। আম্মাজানের বানানো কেক আমরা ভাই-বোনেরা কেউই সাধারনত খাই না। সেই দু:খে আম্মা এখন আর বানায় না। অবশ্য কোন পার্টিতে হলে সবাই আম্মাকে কেক বানাতে বলে। কারন সবাই পছন্দ করে।
ভাবী চিজ কেক আর উনার বড়ো-বোন আরো কিসব হাবিজাবি ক্রীম কেক বানায়। কারো জন্মদিন হলে কয়েক রকমের কেক চেকে দেখার সৌভাগ্য হয়। যদিও কেকের ক্রীম আমার পছন্দ না।

আপনার রেসিপি দিয়ে ট্রাই করবো।
চলুক.....

৪৫| ১২ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১০:৪২

শওকত হোসেন মাসুম বলেছেন: কেক খাইতে মন চায়.....

৪৬| ১৪ ই অক্টোবর, ২০০৯ ভোর ৬:৪৩

ভেবে ভেবে বলি বলেছেন: ইশ আপা, ঘরের মাইক্রোওয়েভে যে কতবার কতরকম করে চেষ্টা করেছি, লাভের লাভ তো হয়ইনি, উলটো আরও নষ্ট হয়েছে কতগুলো জিনিস... এরকম একটা পোস্টের জন্যই অপেক্ষা করছিলাম... থ্যাঙ্কস, থ্যাঙ্কস আ লট! :)

৪৭| ১৪ ই অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৪:৪৯

বৃত্তবন্দী বলেছেন: কৈগেলেন নুশেরান্টি?

৪৮| ১৫ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ৭:১৬

কিউরিয়াস বলেছেন: আমি কেকের তেমন ভক্ত না, তবে আমার বউ খুবই পছন্দ করে, আর ইদানিং কেক হাতে বানানোর থেকে আমাদের বাসায় 'পিলসবারি'র মিক্স ব্যাভার করা হয়, এত চমৎকার কেক হয়! এইসব প্যাকেট-শর্টকাট সাধারনত তেমন স্বাদের হয়না, কিন্তু পিলসবারির এই মিক্সগুলোকে ১০ এ ৯ দেয়া যায় সহজেই, অতি কম আয়াসে সুস্বাদু কেক দেয়ার জন্য।

৪৯| ১৫ ই অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৫:৫১

সাইফুল বাতেন টিটো বলেছেন: :P :-P :-*
Click This Link

৫০| ১৬ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৮:৫৮

রাজ মো, আশরাফুল হক বারামদী বলেছেন: আমার রেসিপি বা রান্নায় খুব একটা আগ্রহ নাই। তবে খাওয়ায় খুব আগ্রহ। :D আমি কি মন্তব্য করতে পারি। :|

৫১| ১৭ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১০:৫৭

রোবোট বলেছেন: অফটপিক

কৈ গেলা?

৫২| ১৮ ই অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৪:০৮

শিরোনামহীন বলেছেন: বানাইতারুমনা.... খাইতারুম :D :#) :-B

৫৩| ১৮ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১১:০৯

আধারে অপ্সরী বলেছেন: ও নুশেরা আপু কই গেলা...সব কিছু রেডি করে বসে আছি...আসল রেসিপি নাই :( :(
কেককাহন -২ এর অপেক্ষায়......
উফফফফ কবে কেক খাবো 8-| 8-| 8-|

৫৪| ১৯ শে অক্টোবর, ২০০৯ ভোর ৬:৪২

~স্বপ্নজয়~ বলেছেন: :D :D :D

৫৫| ২০ শে অক্টোবর, ২০০৯ ভোর ৬:৫৪

নুশেরা বলেছেন: @ কিউরিয়াস- রেডিমেইড প্যাকমিক্স অনেকেই পছন্দ করেন। বেশ কিছু ইমালসিফায়ার থাকে যার ফলে বিটিঙ যেমনই হোক কেক ফুলে উঠে। আর থাকে কৃত্রিম ফ্লেভার, টেইস্ট এনহান্সার ধরণের কিছু। কোশার- নন কোশার বিষয়ে খুঁতখুঁতে হলেও সমস্যা :P

@মেহবুবা- বন্ধু তোমার যে কেন মনে হলো আমার চাকরি দরকার, তাও সামুর মডুদের বলে, বুঝলাম না :( । জেমিনিকে কথা দিয়ে রেখেছিলাম, সেজন্যই পোস্ট। আর কোন কারণ নেই।

@ ফ্রুলিংক্স- আপনার গুণমুগ্ধ হয়ে গেলাম, সত্যিই।

@ আধারে অপ্সরী- ৪২ নম্বর মন্তব্যে শাফক্বাত একটা ভালো কথা বলেছে। রেসিপির চেয়ে টিপস জরুরি। নেটে, বইতে, পত্রিকায় হাজার হাজার রেসিপি আছে, কিন্তু ফাঁকিটা কোথায়, কেন আমারটা সেরকম হচ্ছেনা, এই দিকটা ভেবেই পোস্টটা লিখতে চেয়েছি। রেসিপি আসবে, তবে আগে যা বলা হচ্ছে এগুলো না মানলে খুব ভালো রেসিপি থেকেও ভালো কেক হবেনা। শুভকামনা।

@ শাফক্বাত- মাখনে ৮৪% এর মতো হলো তেল, বাকীটা মিল্ক সলিড, পানি এইসব। সে হিসেবে ঘি বা তেলে ১০০%ই তেল। আমাদের মায়েরা তেল-ঘি মেশাতেন বুদ্ধি করেই; ঘি'র গন্ধটাও থাকলো, আবার অতোটা "রিচ" হলোনা। বাচ্চাদের খাদক বানাতে চাইলে ডেকোরেশনের বিকল্প নাই :D । গুড লাক ;)
@ ভেভেব, শাফক্বাত- মাইক্রোওয়েভ ওভেনগুলোর পাওয়ার ব্র্যান্ড অনুযায়ী এতো হেরফের হয় যে একটা রেসিপি সবার জন্য খাটেনা। তার উপর কাগজের লাইনিঙ দেয়া যায়না বলে ভালো শেইপ বা ফর্মে কেকটা বের করা মুশকিল। আমি মাইক্রোবেকিং ভালা পাইনা :(

ফেরারী বস, নির্ঝরিণী, সহেলী, ক্যানন কার্নেগী, তারার হাসি, একজন সৈকত, ফারহান, জাতেমাতাল, রোবোনানা, পাক্নাটম, কাউয়াসহ সবাইকে বিশাল ধন্যবাদ।

৫৬| ২০ শে অক্টোবর, ২০০৯ ভোর ৬:৫৭

কঁাকন বলেছেন: আপু এতদিন কোথায় ছিলেন?

সব ঠিকঠাক আছে তো?

২০ শে অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ৭:০০

নুশেরা বলেছেন: হ্যাঁ কাঁকন, চলছে আরকি। জেমিনিকে কথা দিয়ে রেখেছি, না আসলে চলে না :)

৫৭| ২০ শে অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৩:০০

আহমেদ রাকিব বলেছেন: খাইছে, ব্যাপক সুস্বাদু পোষ্ট মনে হইতাছে। পাখী আর আপ্নের কমেন্ট পড়ছি। ভাল্ললাগছে।

২১ শে অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ৯:২২

নুশেরা বলেছেন: :)

৫৮| ২১ শে অক্টোবর, ২০০৯ ভোর ৪:২১

কিউরিয়াস বলেছেন: হ্যাঁ, কোশার বিষয়ে ঠিকই বলেছেন :) প্রথমদিকে এই জিনিস খেয়াল না করে কেনায় একটা লোকাল ব্র্যান্ডের কেক মিক্স ফেরত দিতে হয়েছিল। পিলসবারির উপকরণ দেখে কোশার বলেই মনে হয়।

আপনার পরবর্তী পোস্টের অপেক্ষায় রইলাম।

২১ শে অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ৯:২৩

নুশেরা বলেছেন: এই পোস্টই আপডেট করছি কিন্তু।

৫৯| ২১ শে অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ১২:১৮

তাজা কলম বলেছেন: নতুন েলখা কোথায়?

৬০| ২১ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৮:০৩

মেহবুবা বলেছেন: রাধুনী পোষ্ট খালি আছে কিনা সামুতে সেটা জানো নিশ্চয় ।
সেই চাকরীটাই ।
তোমার একজন সহকারী পাওয়া গেছে , চাঙ্কু । যে কোক দিয়ে গোসত্ রান্না করতে পারে ।

অ:ট: অনিয়মিত কেন ?

৬১| ২২ শে অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ৮:৩৩

শাওন৩৫০৪ বলেছেন: আপনে কৈ?:((

৬২| ২৩ শে অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ৭:২৩

কঁাকন বলেছেন: আপু ইচ্ছের দাম লাভ টাকা
তবু মাঝে মাঝে উকি দিয়েন, অন্তত প্রথম পাতায় অপ্রকাশিত কমেন্ট অপশন বন্ধ করা পোস্ট হলেও দিলে বুঝবো পাশে না থাকুক সাথে আছে

ভালো থাকুন আপু

৬৩| ২৩ শে অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ২:৩৭

রাস্তার ছেলে বলেছেন: ওরে! নারে! আমি শেষ!

২৬ শে অক্টোবর, ২০০৯ ভোর ৫:২৮

নুশেরা বলেছেন: :||

৬৪| ২৪ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১১:৩২

আকাশ অম্বর বলেছেন: বাপ্রে! বিশাল আয়োজন! :)

৬৫| ২৫ শে অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ১২:১৬

রোবোট বলেছেন: কেককাহন-১ কে কেককাহন বানানো হলো কেন? আমিতো আরো পর্বের আশায় ছিলাম।


সিস্টার
জানি ব্লগে মন খারাপ করার মত অনেক কারণ আছে, তারপরও ব্লগ ছেড়ো না।

২৬ শে অক্টোবর, ২০০৯ ভোর ৫:৩০

নুশেরা বলেছেন: update hoise, hoitese... ... dekhen nai :(

৬৬| ২৬ শে অক্টোবর, ২০০৯ ভোর ৫:২৮

হাসান মাহবুব বলেছেন: পাইসি আপনাকে! সময় করে পড়ে নিয়েন। গল্প লেখলাম ম্যালাদিন পর

৬৭| ২৬ শে অক্টোবর, ২০০৯ ভোর ৫:৩২

একলব্যের পুনর্জন্ম বলেছেন: বড় আপা , রেসিপি বা রান্নায় আগ্রহ নাই - খাওয়ায় আছে , এই যোগ্যতা নিয়ে কমেন্ট করা যাবে না ? ;)

--------------------------

আপু , আপনার আদেশ মোতাবেক লিখতে বসে আমার ব্ল্যাংক মাথা থেকে দুইটা প্রোজ (প্রোজ বলা যায় কিনা জানিনা ) - দাঁড় করালাম । আপনি সময় পেলে ঘুরে আসবেন :)

আচ্ছা আমি যাই । এইখানে এমনেই আমার জন্য কমেন্ট করা মানা :(

৬৮| ২৬ শে অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ১:২৩

আহমেদ রাকিব বলেছেন: আপনি কোথায় ডুব দিলেন আপু? দেখি না একেবারে আজকাল। অনেক বিজি নাকি?

৬৯| ২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১০:৩৫

ভাঙ্গন বলেছেন: 'ভুলে যাবার ক্ষমতা পর্বতপ্রমাণ হওয়া চাই!'

৭০| ২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ১২:০৯

কঁাকন বলেছেন: আপু এটাকে বার বার আপডেট না করে পর্ব করেদিলে বোধয় একটু সুবিধা হোতো, নতুন পোস্ট না দিলে এটাতে ১, ২ নাম্বারিং করার কথাটা ভেবে দেখতে পারেন

৭১| ২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ১২:১৪

ভেবে ভেবে বলি বলেছেন: হায় হায়, আমি তো ২য় পর্বের জন্য বসে আছি। এখন কাঁকনদি'র মন্তব্য দেখে বুঝলাম যে... আসলেই আপা, আমারও মনে হয় যে পর্ব করে দিলেই ভালো হয় (যদি আপনার কোনও অসুবিধা না থাকে তো) :)

৭২| ২৮ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১২:০২

অভিমানী মেঘ বলেছেন: আমার কাছে খেতে পেস্ট্রি কেক বেশি মজা লাগে, আর বানাতে পছন্দ করি প্লেইন কেক :D :D

৭৩| ২৮ শে অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ৭:৪১

একলব্যের পুনর্জন্ম বলেছেন: এই পোস্টে মনে হয় আর শব্দ আসবে না - ;) পোস্ট দিতেই হবে , দিলেই মাইনাস --- :)

আপনার ব্যস্ততা কমলে একটু বলবেন তো আপু - একটা জিনিস দেখাবো ।

৭৪| ২৮ শে অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ৮:২৯

মাহবুবুল আলম লীংকন বলেছেন:
কেক খুব পছন্দ করি। গপগপ করে খাই। কিন্তু এতো যন্ত্রনা পোহাতে হয় দেখেতো খুঁতখুঁতে বেইকারদের জন্য মায়াই লাগছে। :)

আপডেটেড অংশটা আলাদা করতে না পেরে পুরোটাই পড়লাম।

৭৫| ২৮ শে অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৪:২২

নুশেরা বলেছেন: @ রাকিব- এইতো যাচ্ছে আরকি...

@ কাকনা, ভেভেব- সেরকম করে দিলাম। প্রতিবার আপডেট হবার সময় পরের চ্যাপ্টার!

@ অভিমানী মেঘ- বাহ্ আপনিও তাহলে baker.

@ লীংকন, এপু- হুঁ

৭৬| ২৯ শে অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ৮:৩৯

শাফ্‌ক্বাত বলেছেন: চ্যাপ্টার করে না দেওয়াটাই বরং ভালো হচ্ছে। পুরো লেখাটা শেষ হলে প্রিন্ট নিয়ে ফেলবো।
খালি যদি একটা নোটিফিকেশন পেতাম "আপনার প্রিয় পোস্ট-খানা সম্প্রতি আপডেটেড হয়েছে, দয়া করে ঘুরে আসুন.." টাইপের !

৭৭| ২৯ শে অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ১২:০৯

শাওন৩৫০৪ বলেছেন: কেকের বাসনা.....:(

৭৮| ২৯ শে অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৫:১০

তাজা কলম বলেছেন: নতুন পোষ্ট কোথায়?

৭৯| ২৯ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১১:৩৮

জেমিনি বলেছেন: আপু অনেখ ঠানকু......... :D এখন আমার ডিগ্রী পাস করার উপলক্ষে কেক বানায় খাব .....কি মজা। B-) B-)

৮০| ৩০ শে অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৪:৫৫

নাজমুল আহমেদ বলেছেন:

কেক খাইতে মঞ্চায় রে............

৮১| ৩১ শে অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ৮:১৪

শাওন৩৫০৪ বলেছেন: হ

৮২| ০৩ রা নভেম্বর, ২০০৯ সকাল ৯:০১

শরৎ চৌধুরী বলেছেন: আমার যেহেতু খাদ্যে আগ্রহ আছে সেহেতু আমি এইখানে কমেন্ট করার অধিকার রাখি। আপনি আছেন কেমন?

৮৩| ০৩ রা নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:০৮

সাইফুল আকবর খান বলেছেন:
না, কিছু না আপু। স্যরি। :(
ভালো আছি। আপনিও ভালো থাকেন যেন।

৮৪| ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:৪৩

রাশেদ বলেছেন: এতো ভেজাল করে কেক বানাবে কে! :| :-/ /:)


দাওয়াত দিয়েন বানিয়ে! B-)) :#)

৮৫| ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:১৬

বোহেমিয়ান কথকতা বলেছেন: আপু কি খুব বেশি ব্যস্ত? :(

৮৬| ০৭ ই নভেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:৪৪

আবু সালেহ বলেছেন:
এক কেক বানাইয়া এত দিন লুকাইয়া থাকলে কেমনে হইবেক...

নতুন লেখা কই???

৮৭| ০৯ ই নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:৫৮

বেওউল্ফ বলেছেন: সবগুলোই কি আপনি একলা একলা খাবেন? আমরা কি পাবনা? প্রয়োজন হলে আমি কেকের জন্য যুদ্ধ করব। যুদ্ধ করে শান্তির প্রতীক কেক অর্জন করব ইনশাল্লহ

৮৮| ১০ ই নভেম্বর, ২০০৯ সকাল ১০:৫৫

মেহবুবা বলেছেন: কেমন আছো নুশেরা ? অপনা সুস্থ আছে তো ?

ভাল থেকো । বেশ কদিন দেখা নেই ।

৮৯| ১১ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১:৩৪

পারভীন রহমান বলেছেন: কি সুন্দর লাগছে তোমার মেয়েকে !!!

৯০| ১৩ ই নভেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:২৩

সাঁঝবাতি'র রুপকথা বলেছেন: ওরে আপ্পি রে ...কেমন আছো ...?
আমার কিচ্চু ভালা লাগে না ...কেক খাইনা, মিষ্টি কোনকিছুই খাই না ...

৯১| ১৪ ই নভেম্বর, ২০০৯ ভোর ৬:৪৪

সৈয়দ নাসের বলেছেন: নুশেরা কেমন আছেন ? অনেক দিন পর ব্লগে এসে ভাবলাম আপনাকে একটু দেখে যাই । ভালো আছেন নিশ্চয় । মেয়ের ছবিটা চমৎকার । শুভেচ্ছা । ভালো থাকবেন - অনেক ভালো ।

৯২| ১৪ ই নভেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৫৬

নির্ঝরিনী বলেছেন: অনেকদিন তোমার দেখা নেই!!!!!

কতগুলো পোস্ট দিলাম, তোমার মন্তব্য নেই!!!!

কেমন আছো?

একটাতেই সব আপডেট করছো? পর্বকরে দিলে মনে হয় সুবিধা হতো...মাঝে মাঝে এসে দেখে যাবো, নতুন কি যোগ হলো...

অপনা কেমন আছে? ভালো থাকো সবাই মিলে।

৯৩| ১৫ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:০৯

মাহবুবুল আলম লীংকন বলেছেন: ক্রমশ...... কেকের ছবির দিকেই চোখ বেশি যাচ্ছে। :)

রন্ধন শিল্প না বিজ্ঞান নাকি দুটোই বুঝতে পারছি না। কেক বানানো যে কঠিনেরও কঠিন কাজ এটা বুঝছি। :)

৯৪| ১৬ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:৫৮

বাবুনি সুপ্তি বলেছেন: এই পোষ্ট আম্মুকে দেখাতে হবে। আম্মুর কেক বানাতে এই সমস্যা গুলো হয় খুব। অনেক ধন্যবাদ আপু। :)

৯৫| ১৮ ই নভেম্বর, ২০০৯ ভোর ৬:২৯

মমমম১২ বলেছেন: হুমমম কিছু কিছু সমস্যার সমাধান পাইছি
থ্যংকু



৯৬| ১৮ ই নভেম্বর, ২০০৯ সকাল ৭:৩২

নতুন রাজা বলেছেন: আপু, কেমন আছেন???

৯৭| ১৮ ই নভেম্বর, ২০০৯ সকাল ৭:৩৯

নুশেরা বলেছেন: সবাইকে অনেক ধন্যবাদ। ভালো নেই। আপনারা ভালো থাকুন। শুভকামনা।

৯৮| ১৮ ই নভেম্বর, ২০০৯ সকাল ৮:০৭

সাঁঝবাতি'র রুপকথা বলেছেন: কেন ভালো নেই ...?আমিও ভালো নেই ...মনে হয় কেউ ই ভালো নেই ...

৯৯| ১৮ ই নভেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:২৮

নীল-দর্পণ বলেছেন: এত্ত জামেলা কেক বানান!!! আমি ত আরো সহজেই বানাই। খুব একটা খারাপ হয়না.... :P
তবে ব্ল্যাক ফরেস্টটা এখনও বানাতে পারলাম না দুইটা এসেন্সের জন্য। আফসোস :(

১০০| ১৮ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:৫৫

নতুন রাজা বলেছেন: আপু, ভালো নেই কেন???

১০১| ১৮ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:৩৪

মোস্তাফিজ রিপন বলেছেন: ওহে শিশু-সিদ্দিকা-খালাম্মা, কেকের আরো সোজা রেসিপি আমি জানি। নীচের স্টেপগুলো খুব মনোযোগে দিয়ে অনুসরণ করুন-

এক.
কেকের দোকানে যান। শুধু মনে রাখবেন, ইলেকট্রনিক্সের দোকানে কেক না খোঁজাই উত্তম।

দুই.
পরিমান মতো কেক কিনুন। যেমন, একটা কেক, দুইটা কেক, তিনটা কেক ইত্যাদি। এই সময় লক্ষ্য রাখবেন, সাথে টাকা আছে কিনা, কিংবা কত আছে। সাথে টাকা না থাকলে বাড়ী ফিরে যান, কিংবা প্রতিবেশীর কাছ থেকে ধার করুন এবং এক নম্বর স্টেপ থেকে আবার শুরু করুন।

তিন.
কেক কিনে বাড়ীতে ফিরুন। মনে রাখবেন, দাম পরিশোধের পর কেকটি দোকানে ফেলে আসা যাবেনা। যদি ওটি দোকানে ফেলেই আসেন তবে এক নম্বর স্টেপ অনুসরণ করুন।

চার.
কেকটি টেবিলে রাখুন। মনে রাখবেন, টেবলটি গোলাকার, বর্গাকার কিংবা আয়াতাকার হলে ভাল হয়। এক্ষেত্রে টেবিলের মোট ক্ষেত্রফল না জানলেও চলবে।

পাঁচ.
চেয়ারে বসুন। কারো জন্মদিন হলে টেবিলের পাশে ধৈর্য ধরে দাঁড়িয়ে থাকুন। এইক্ষেত্রে হ্যাপি বার্থ-ডে টু ইউ গানটা গাইতে ভুলবেন না।

ছয়.
কাউকে ছুরি খুঁজে আনতে বলুন। সাধারনতঃ এই সময়ে ছুরি খুঁজে পাওয়াটা একটু মুশকিল হতে পারে। ছুরি খুঁজে না পাওয়া গেলে আঙ্গুল দিয়ে কেকের ক্রীম খাওয়া শুরু করুন। প্রতিবার ক্রীম তোলার সময় আঙ্গুলটি ভাল করে চেটে নিন।

সাত.
কেক কাটুন। লক্ষ্য রাখুন, বাচ্চাদের জন্মদিন হলে এই সময় হাসি-হাসি মুখে ছবিতোলার জন্য দাঁড়িয়ে থাকতে হবে।

আট.
কেক খাওয়া শুরু করুন। ক্রীম খেয়ে আগেই পেট ভরিয়ে ফেললে কেকের টুকরোটি ফ্রিজে তুলে রাখুন।

১০২| ১৯ শে নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:৫৬

নীল-দর্পণ বলেছেন: এত্ত ঝামেলা। :((
শোনেন আমি আরো সহজ পন্থা বলি। আপনি কেকটা দোকান থেকে এনে আমাকে জাস্ট কল দিবেন:) আর আমি এসে.... :P

১০৩| ২১ শে নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:৪১

মেহবুবা বলেছেন: তুমি অনেক অনিয়মিত ; অপনা কেমন আছে ?

আমি , আমরা কেমন আছি জানতে চেও না ।

তুমি ভাল থেকো তাই চাই ।

১০৪| ২২ শে নভেম্বর, ২০০৯ সকাল ৯:২০

আহসান জামান বলেছেন: আগামী ছুটিতে আমরাও চেষ্টা করে দেখবো, ধন্যবাদ।

১০৫| ২৩ শে নভেম্বর, ২০০৯ সকাল ৯:৫৭

কঁাকন বলেছেন: আপু রিপন ভাইর রেসিপিটা পছন্দ হইছে :); অল্পচাপে বেশি পানি

১০৬| ২৩ শে নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:৫৪

kisuna বলেছেন: আমি ভয়াবহ কেক লোভী...এই পোস্ট পড়ে পাগল হয়ে গেছি...

১০৭| ২৩ শে নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:৪২

একলব্যের পুনর্জন্ম বলেছেন: রিপন ভাই , এইটা তো আমার রেসিপি ছিলো । আপনি কপিরাইট আইন লংঘন করলেন । ;)

১০৮| ২৩ শে নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:৪২

একলব্যের পুনর্জন্ম বলেছেন: রিপন ভাই , এইটা তো আমার রেসিপি ছিলো । আপনি কপিরাইট আইন লংঘন করলেন । ;)

১০৯| ২৪ শে নভেম্বর, ২০০৯ ভোর ৫:১৫

লিটল হামা বলেছেন: নুশেরা আপা....ধার করা জীবন বয়ে বেড়াতে ভালো লাগছেনা আমার.....। স্যরি, অফটপিক কমেন্টের জন্যে।

কেক খেতে ভালো লাগে।

১১০| ২৪ শে নভেম্বর, ২০০৯ সকাল ৭:৩৬

নুশেরা বলেছেন: kisuna আপনাকে স্বাগতম। শুভ ব্লগিং।

রিপনভাইয়ের জবাব নেই।

দীপ আহসানের নতুন প্রোপিক দেখেই চিনলাম। কিছু বলার নেই, সবকিছু নষ্টদের অধিকারে গেছে।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.