| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
অক্টোপাস
□ মা বলতো ► জীবন একটা গিফট বক্সের মতো। খোলার আগে কখনোই জানবে না কী আছে এতে.. ◄ →ফরেস্ট গাম্প ♪ ♪ ♪ octopusThought@gmail ▲
মোবাইল নাম্বার পোর্টেবিলি নিয়ে একটি চমৎকার আর্টিক্যাল পড়লাম মাসিক কমপিউটার জগৎ-এ। পাঠকদের সাথে এমন গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় শেয়ার না করে পারা গেল না ■
≡≡≡≡≡≡≡≡≡≡≡≡≡≡≡≡≡≡≡≡≡≡≡≡≡≡≡≡≡≡≡≡≡≡≡≡≡≡≡≡≡≡≡≡≡
মোবাইল নাম্বার পোর্টেবিলিটি নিয়ে আলোচনার আগে আমাদের দেশের অতি পরিচিত দু’টি ঘটনা উল্লেখ করা যাক। ছুটিতে গ্রামের বাড়ি যাচ্ছেন একজন, এমন আনন্দের মুহূর্তে কিছুটা দুশ্চিন্তাও সঙ্গী হয় তার। যে মোবাইল অপারেটরের সংযোগ তিনি ব্যবহার করছেন গ্রামে তার নেটওয়ার্ক পৌঁছায়নি। অন্য কোনো ফোন ব্যবহার করে গুরুত্বপূর্ণ আউটগোয়িং কলগুলো সেরে নিলেও প্রয়োজনীয় কলগুলো রিসিভ করতে পারছেন না তিনি। ফল- আনন্দের দিনগুলোতে যোগাযোগ বিচ্ছিন্নতা।
আবার দীর্ঘদিন ধরে কেউ একটি মোবাইল সংযোগ ব্যবহার করছেন। সংযোগটি এমন এক পরিস্থিতিতে তিনি নিয়েছিলেন, যখন কলচার্জসহ অন্যান্য সেবার দিক থেকে কোম্পানিটির অবস্থান খারাপ ছিল না। কিন্তু সময়ের প্রবাহে দেশে এসেছে নতুন নতুন অপারেটর, সেই সাথে যোগ হয়েছে বৈচিত্র্যময় সেবা। কিন্তু তিনি যে অপারেটরের সংযোগ ব্যবহার করছিলেন সেটির সুযোগসুবিধা তার কাছে সেকেলে ঠেকছে কিংবা সার্ভিস চার্জ বেশি হওয়ায় বর্তমানে তা খরচে কুলানো কষ্টসাধ্য। মোবাইল নাম্বার পরিবর্তন করবেন সেটিরও উপায় নেই। ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানের লোকজন, দেশে বিদেশে আত্মীয়স্বজন- সবাই নাম্বারটির সাথে দীর্ঘদিন ধরে পরিচিত। তাই ইচ্ছে থাকলেও নাম্বারটি পরিবর্তন সম্ভব হচ্ছে না। ফল-ইচ্ছের বিরুদ্ধে ওই অপারেটরের সংযোগ ব্যবহার করে যাওয়া, সাথে মাসে মাসে বাড়তি বিল গুনতে থাকা।
এধরনের অনেক বিষয় বিবেচনায় এনে প্রায় একযুগ আগে থেকে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ মোবাইল ফোন ও ল্যান্ডফোনের ক্ষেত্রে যুগান্তকারী যে পদ্ধতি অবলম্বন করেছে সেটি হলো ‘মোবাইল নাম্বার পোর্টেবিলিটি’ বা সংক্ষেপে এমএনপি।
মোবাইল নাম্বার পোর্টেবিলিটির মূল ধারণা
পোর্টেবল শব্দটির অর্থ হলো সহজে বহনযোগ্য। তাই যেসব বস্ত্ত সহজে বহন করা যায় সেগুলোর নামের আগে পোর্টেবল শব্দটির বহুল ব্যবহার দেখতে পাওয়া যায়। বিভিন্ন পোর্টেবল ডিভাইসের সাথে আমরা ইতোমধ্যে সুপরিচিত। কিন্তু ফোন বা মোবাইল নাম্বার বহন করা যায় কিভাবে? বেশ অবাক করার মতোই একটি বিষয়! নাম্বারের ক্ষেত্রে পোর্টেবিলিটির বিষয়টি হলো-একই নাম্বার ব্যবহার করে বিভিন্ন অপারেটরের সার্ভিস নেয়ার সক্ষমতা। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে একটি উদাহরণ দেয়া যেতে পারে। আমাদের দেশের ফোন বা মোবাইল নম্বরগুলো দেখেই চেনা যায় কোনটি কোন অপারেটরের। কারণ, প্রতিটি অপারেটরের নিজস্ব প্রিফিক্স নাম্বার রয়েছে, যেমন- সিটিসেল ০১১, টেলিটক ০১৫, ওয়ারিদ ০১৬ ইত্যাদি। ল্যান্ডফোন অপারেটরের ক্ষেত্রেও তাই। কেউ যদি বর্তমানে একটেল ব্যবহার করেন তবে তিনি বর্তমান নাম্বারটি ঠিক রেখেই অন্য কোনো অপারেটরের সার্ভিস নিতে পারবেন। সেক্ষেত্রে নাম্বারের প্রিফিক্সের ব্যাপারটি পুরোপুরি গৌণ হয়ে পড়ে। কে কোন অপারেটরের সার্ভিস নিচ্ছেন তার ফোন নাম্বার দেখে সেটি বোঝা যাবে না। গ্রাহকের দৃষ্টিকোণ থেকে এটিই হলো নাম্বার পোর্টেবিলিটি। এক্ষেত্রে এক অপারেটর থেকে অন্য অপারেটরে যাওয়ার প্রক্রিয়াটিকে বলা হয় ‘পোর্টিং’। এতে সুবিধা হলো মোবাইল অপারেটর পরিবর্তন করলেও তাকে আগের নাম্বারটি পরিবর্তন করতে হবে না। ফলে তিনি আগের নাম্বারটি ঠিক রেখেই সুযোগসুবিধা, পরিষেবা, চার্জ বিবেচনা করে পছন্দমতো অপারেটরের সার্ভিস নিতে পারবেন। নাম্বার পরিবর্তন না করে তিনি পরিচিতজন থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়া এড়াতে পারবেন।
বিশ্বের উন্নত দেশগুলো এই সার্ভিস চালু করেছে তাদের টেলিকম সেবায় গতি আনার জন্য। মোবাইল অপারেটরের মনোপলি চক্র ভেঙ্গে দেয়া, সেই সাথে আন্তঃঅপারেটর প্রতিযোগিতা বাড়ানো উল্লেখযোগ্য কারণ। যেসব দেশে এমএনপি চালু হয়েছে সেখানকার মোবাইল অপারেটরের মধ্যে প্রতিযোগিতা তুলনামূলকভাবে বেশি। গ্রাহক ধরে রাখার জন্য প্রত্যেকে সেবার মানের দিকে সর্বোচ্চ নজর দিচ্ছে। এমন প্রতিযোগিতামূলক বাজারে বেশি লাভবান হয় তৃণমূল গ্রাহক। দেশের সরকার কিংবা টেলিকম ওয়াচডগের দায়িত্ব হলো সার্ভিসটি চালু করতে মোবাইল অপারেটরদের নির্দেশ দেয়া। তবে এমএনপি চালু করার ব্যাপারে বাস্তবে সংশ্লিষ্ট প্রায় সব দেশের মোবাইল অপারেটরদের মৃদু প্রতিবাদ ও অনীহা দেখা গেছে। তাই গ্রাহক পর্যায়ে সর্বোচ্চ সেবা নিশ্চিত করার জন্য সেসব দেশের সরকার কিংবা টেলিকম রেগুলেটর অথরিটি মোবাইল অপারেটরদের এই সেবা চালু করতে বিশেষভাবে নির্দেশ দিয়ে থাকে। এ পরিস্থিতিতে প্রতিযোগিতামূলক বাজারে সর্বোচ্চ সেবা নিশ্চিত করার মাধ্যমেই কোনো অপারেটর তুলনামূলক বেশি গ্রাহক ধরে রাখতে পারে। আমাদের দেশের ক্ষেত্রে এই ভূমিকা পালন করতে হবে বিটিআরসি’কে।
এমএনপি’র সূচনা
মোবাইল নাম্বার পোর্টেবিলিটি সুবিধা প্রথম চালু হয় ১৯৯৭ সালে সিঙ্গাপুরে। নববইয়ের দশকের শেষভাগে ও একবিংশ শতাব্দীর শুরুর দিকে টেলিকমিউনিকেশনের দিক থেকে এগিয়ে থাকা দেশগুলো এমএনপি চালু করেছে। বর্তমানে বিশ্বের ৬০টিরও বেশি দেশে এমএনপি সার্ভিস চালু রয়েছে। শুরু থেকে প্রায় অর্ধযুগের মধ্যে যেসব দেশ এমএনপি সুবিধা চালু করেছে তার একটি সংক্ষিপ্ত তালিকা নিচে দেয়া হলো।
সাল এমএনপি সুবিধাসম্পন্ন দেশ
১৯৯৭ সিঙ্গাপুর
১৯৯৯ হংকং, যুক্তরাজ্য, নেদারল্যান্ডস
২০০০ স্পেন, সুইজারল্যান্ড
২০০১ অস্ট্রেলিয়া, ডেনমার্ক, সুইডেন, নরওয়ে, পর্তুগাল
২০০২ ইতালি, জার্মানি, বেলজিয়াম
২০০৩ ফিনল্যান্ড, ফ্রান্স, অস্ট্রিয়া, গ্রীস, আয়ারল্যান্ড, আইসল্যান্ড, লুক্সেমবার্গ
২০০৪ ইউএসএ, দক্ষিণ কোরিয়া, স্লোভাকিয়া, লিথুনিয়া
দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে এমএনপি চালুর ক্ষেত্রে এগিয়ে রয়েছে পাকিস্তান। পাকিস্তানে এমএনপি সার্ভিস চালু হয় ২০০৭-এর মার্চে। এমএনপি চালু করা ও ব্যবস্থাপনার জন্য পাকিস্তান টেলিকমিউনিকেশন অথরিটি (পিটিএ) আলাদা একটি পরিচালনা পর্ষদ তৈরি করেছে, যাকে বলা হচ্ছে পিএমডি বা পাকিস্তান এমএনপি ডাটাবেজ। ভারত ও শ্রীলঙ্কা গত ক’বছর ধরে এমএনপি চালু করার উপযোগিতা ও কর্মকৌশল নিয়ে গবেষণা চালিয়েছে। ভারত ইতোমধ্যে এমএনপি চালুর ব্যাপারে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিয়ে ফেলেছে। তারা সেপ্টেম্বর ২০০৯ থেকে মার্চ ২০১০-এর মধ্যে ভারতজুড়ে পরিপূর্ণভাবে এমএনপি সার্ভিস চালু করবে। প্রাথমিকভাবে কিছু গুরুত্বপূর্ণ স্থান যেমন- দিল্লি, মুম্বাই, কলকাতা, চেন্নাই, অন্ধ্রপ্রদেশ ইত্যাদি জায়গায় এ সেবা চালু করবে। এমএনপি চালু করার দিক থেকে এশিয়া মহাদেশে ভারতের অবস্থান হবে ৮ম। মধ্যপ্রাচ্যে সৌদি আরব প্রথম এমএনপি চালু করে জুন ২০০৬-এ। আফ্রিকা মহাদেশের মধ্যে দক্ষিণ আফ্রিকা সেপ্টেম্বর ২০০৬-এ প্রথম এমএনপি চালু করে। এ সম্পর্কে আরো বিস্তারিত জানা যাবে Click This Link থেকে।
যেভাবে কাজ করে এমএনপি
কয়েকটি উপায়ে মোবাইল নাম্বার পোর্টেবিলিটি চালু করা হয়। তবে যে উপায়ই অবলম্বন করা হোক না কেনো, সব ক্ষেত্রে মোবাইল অপারেটরদের অবকাঠামোগত কিছু প্রযুক্তি সংযোজনের মধ্য দিয়ে যেতে হয়। এতে মূল বিষয় হলো একটি ‘নাম্বার পোর্টেবিলিটি ডাটাবেজ তৈরি’ এবং বিভিন্ন ধরনের কল ও মেসেজ রাউটিংয়ের জন্য সুবিধাজনক রাউটিং পদ্ধতি অবলম্বন করা। কল রাউটিংয়ের ক্ষেত্রে চার ধরনের রাউটিং পদ্ধতি রয়েছে। কল রাউটিং প্রধানত দুই ক্যাটেগরিতে বিবেচনা করা হয়- ডিরেক্ট রাউটিং এবং ইনডিরেক্ট রাউটিং। ডিরেক্ট রাউটিংয়ের অধীনে রয়েছে ‘অল কল কুয়েরি’ আর ইনডিরেক্ট রাউটিংয়ের অধীনে রয়েছে ‘অনওয়ার্ড রাউটিং’, ‘কল ড্রপ ব্যাক’ ও ‘কুয়েরি অন রিলিজ’। এসএমএস ও এমএমএস রাউটিংয়ের জন্য ভিন্ন রাউটিং পদ্ধতি অবলম্বন করা হয়।
নাম্বার পোর্টেবিলিটি ডাটাবেজ বা এনপিডিবি পোর্টেড নাম্বারগুলো এবং সেগুলো সংশ্লিষ্ট সার্ভিস প্রোভাইডারগুলোকে শনাক্ত করে রাখে। কোনো কল বা মেসেজ কোথায় যাবে, তা নির্ণয় করা হয় এনপিডিবি’র এই তথ্যগুলো ব্যবহার করে। নাম্বার পোর্টেবিলিটি ডাটাবেজ হতে পারে সেন্ট্রালাইজড কিংবা ডিস্ট্রিবিউটেড। সেন্ট্রালাইজড ডাটাবেজ মডেলে একটি কেন্দ্রীয় রেফারেন্স ডাটাবেজ থাকে, এই ডাটাবেজ থেকে অপারেটরগুলো প্রয়োজনীয় তথ্য তাদের অপারেশনাল ডাটাবেজে সমন্বয় ঘটায়। ডিস্ট্রিবিউটেড ডাটাবেজ মডেলে সম্পূর্ণ ডাটা সাবসেট হিসেবে অপারেটরগুলো নিজেদের মধ্যে শেয়ার করে নিয়ে কাজ করে। তবে বেশিরভাগ দেশেই সেন্ট্রালাইজড ডাটাবেজ মডেল অনুসরণ করা হয়। সাধারণত অপারেটরদের সমন্বয়ে গঠিত কনসোর্টিয়ামের তত্ত্বাবধানে এই সিস্টেম পরিচালিত হয়।
এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের কিছু দেশে এমএনপি’র প্রভাব
দেশের টেলিকম সেক্টরে সুষম প্রতিযোগিতা বাড়ানো, সেবার পরিধি বাড়ানো ও মানোন্নয়ন, সুবিধাজনক খরচে সেবা যোগান ইত্যাদি নিশ্চিত করার জন্য সরকার এমএনপি-কে গুরুত্বপূর্ণ একটি হাতিয়ার হিসেবে প্রয়োগ করে। গ্রাহকের পূর্ণ স্বাধীনতা রয়েছে পছন্দমতো অপারেটর ও সেবা বেছে নেয়ার। এ হিসেবে এমএনপি গ্রাহকদের জন্য আশীর্বাদস্বরূপ। গ্রাহকদের সর্বোচ্চ সুবিধা নিশ্চিত করার দায়িত্ব সরকারের।
এমএনপি’র বাস্তবায়ন ভালো কাজ দেয় যেসব দেশে মোবাইল ফোনের গ্রাহক-ঘনত্ব বেশি কিংবা সম্ভাবনা বেশি, যেসব দেশে অপারেটরদের মধ্যে প্রতিযোগিতা তীব্র ও অপারেটরদের শক্তিশালী অবকাঠামো রয়েছে। কিন্তু অপারেটরগুলোর মধ্যে প্রায়শই এ শঙ্কা কাজ করে যে, এমএনপি সিস্টেম চালু করলে তারা গ্রাহক হারাবে। কিন্তু বাস্তবে তার প্রভাব ভিন্নভাবে দেখা দিতে পারে। যারা ভালো সার্ভিস দেবে, তারা ভালো ব্যবসায় করবে। তবে এটা নিশ্চিত, এমএনপি চালু করার পর অপারেটরগুলো বাধ্য হয় উন্নততর ও অত্যাধুনিক সেবা দেয়ার প্রতি বেশি মনোযোগী হতে।
উক্ত রিপোর্ট অনুসারে এমএনপি’র সবচেয়ে ভালো প্রভাব দেখা গেছে দক্ষিণ কোরিয়া আর হংকংয়ে। কিন্তু তাইওয়ান, জাপান ও সিঙ্গাপুরের ক্ষেত্রে ততটা হয়নি। তবে এমএনপি বাস্তবায়নকারী প্রতিটি দেশেই এর সুফল লক্ষণীয়।
এমএনপি’র আরো কিছু বিষয়
এ বিষয়টি প্রশ্নাতীত যে, গ্রাহক পর্যায়ে সর্বোচ্চ সুবিধা দেয়ার জন্যই এমএনপিপ্রযুক্তি চালু হয়েছে। গ্রাহক ও টেলিকম অপারেটরের দিক থেকে এর সুবিধা-অসুবিধাগুলো দেখে নেয়া যাক।
এ সুবিধার ফলে গ্রাহক তার আগের নাম্বার পরিবর্তন না করেই পছন্দের অপারেটর সার্ভিস গ্রহণ করতে পারেন, সেই সাথে প্রতিযোগিতামূলক বাজারের সুবিধাগুলো পাওয়া সহজ হয়ে যায়। টেলিকম অপারেটর গ্রাহকদের সর্বোচ্চ সেবা দিতে সচেষ্ট হয়। অপারেটরগুলো বিভিন্ন ভ্যালু অ্যাডেড সার্ভিস বিনামূল্যে বা কমমূল্যে গ্রাহক ধরে রাখার চেষ্টা করে, ফলে চূড়ান্ত সুবিধা পান গ্রাহক। অন্যদিকে সমস্যা হলো কোনো কোনো ক্ষেত্রে পোর্টিংয়ের (অন্য অপারেটরে যাওয়া) জন্য চার্জ করা হয়। আবার পোর্টিংয়ের জন্য কিছু বাড়তি সময় প্রয়োজন হতে পারে। অবশ্য এ বিষয়গুলো নির্ভর করে সংশ্লিষ্ট আইন ও নীতিনির্ধারণের ওপর।
টেলিকম অপারেটরগুলো ব্যবসায়ের জন্য লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড পায়, যা তাদের সুষম প্রতিযোগিতা নিশ্চিত করে। যে অপারেটরগুলো সাশ্রয়ী মূল্যে ভালো সেবা দেবে, সেগুলো এগিয়ে থাকবে। এ ধরনের মনোভাব তাদের ভালো ব্যবসায়িক ভিত্তি তৈরিতে সাহায্য করে।
অন্যদিকে তীব্র প্রতিযোগিতার কারণে কোনো অপারেটর গ্রাহক হারাতে পারে। এমএনপি চালু করার জন্য প্রয়োজনীয় অবকাঠামো তৈরিতে কিছুটা বিনিয়োগের প্রয়োজন। প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে গ্রাহকদের অনেক সেবা কম মূল্যে কিংবা বিনামূল্যে দিতে হতে পারে।
ফ্রস্ট অ্যান্ড সুলিভান, কীনোট ক্যাপিটাল রিসার্চ অনুসারে কয়েকটি দেশে এমএনপি’র প্রভাব নিচে উল্লেখ করা হলো-
দেশ এমএনপি চালু এমএনপি চালুর গ্রাহক বৃদ্ধির অপারেটরের চার্ন হার
করা হয় প্রাক্কালে গ্রাহক হার (ডিসেম্বর সংখ্যা (গ্রাহক
বৃদ্ধির হার ২০০৮) হারানো/
স্থানান্তর)
সিঙ্গাপুর এপ্রিল-৯৭ ১৫.৭% ১৩১.০% ৩ ০.৯%
হংকং মার্চ-৯৯ ৪৮.১% ১৬৪.১% ৬ ৪.৮%
অস্ট্রেলিয়া সেপ্টেম্বর-০১ ৬১.০% ১০০.৮% ৫ প্রযোজ্য নয়
দক্ষিণ কোরিয়া জানুয়ারি-০৪ ৭০.১% ৯০.৭% ৩ ২.৮-৩.৪%
তাইওয়ান অক্টোবর-০৫ ৯১.৭% ১০০.২% ৯ ১.২%
জাপান অক্টোবর-০৬ ৬০.০% ৮৮.১% ৫ ০.৫%
চীন এপ্রিল-০৯ ৬২.২% ৬২.২% ৩ প্রযোজ্য নয়
বিটিআরসি’র ভূমিকা
বেশ কিছুদিন আগে শোনা গিয়েছিলো, বাংলাদেশে মোবাইল নাম্বার পোর্টেবিলিটি নিয়ে বিটিআরসি উদ্যোগ নিতে যাচ্ছে। কিন্তু বর্তমানে এ বিষয়ে অগ্রগতি কিছু জানা যায়নি। বাংলাদেশে মোবাইল ফোন গ্রাহক বাড়ার হার এখনো সম্ভাবনাময়, যেহেতু প্রত্যন্ত অঞ্চলগুলোতে এখনো টেলিকম সেবা পৌঁছায়নি। টেলিকম অপারেটরগুলোর মধ্যে প্রতিযোগিতার ক্ষেত্র তৈরি করে গ্রাহকদের সর্বোচ্চ ও অত্যাধুনিক সেবা দেয়ার সুযোগ তৈরি করে দিতে হবে। বিশ্বের ৬০টিরও বেশি দেশ এ প্রযুক্তি চালু করেছে। যুগান্তকারী এসব প্রযুক্তি ব্যবহারে বাংলাদেশেরও পিছিয়ে থাকা উচিত নয়। এ জন্য সরকার ও বিটিআরসিতে দায়িত্ব পালনকারী সংশ্লিষ্টদের বিজ্ঞতার পরিচয় দিতে হবে। গ্রাহকদের মঙ্গল নিশ্চিত করার দায়িত্ব যে তাদের ওপরই ন্যস্ত ■
▒▒▒▒▒▒▒▒▒▒▒▒▒▒▒▒▒▒▒▒▒▒▒▒▒▒▒▒▒▒▒▒▒▒▒▒▒▒▒▒▒▒▒▒▒▒▒
তথ্যসূত্র:
কমপিউটার জগৎ, অক্টোবর ২০০৯ সংখ্যা।
মূল লেখা
▒▒▒▒▒▒▒▒▒▒▒▒▒▒▒▒▒▒▒▒▒▒▒▒▒▒▒▒▒▒▒▒▒▒▒▒▒▒▒▒▒▒▒▒▒▒▒
১৩ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৪৩
অক্টোপাস বলেছেন: লেখার মধ্যে যেকোনো ইউনিকোড ক্যারেক্টার পেস্ট করলেই হবে। ইউনিকোড ক্যারেকটারগুলোর তালিকা দেখার জন্য 'রান'-এর charmap লিখে ওকে করুন।
২|
১৩ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৩৮
বাগসবানি বলেছেন: ম্যাংগোপিউপিল উইল অলওয়েস কাউন্ট লস বাই হুক অর বাই ক্রুক
১৩ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৪০
অক্টোপাস বলেছেন: কথা সত্যি!
৩|
১৩ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৩৯
মনুমনু বলেছেন: এ জন্য সরকার ও বিটিআরসিতে দায়িত্ব পালনকারী সংশ্লিষ্টদের বিজ্ঞতার পরিচয় দিতে হবে। গ্রাহকদের মঙ্গল নিশ্চিত করার দায়িত্ব যে তাদের ওপরই ন্যস্ত।
একমত।
১৩ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৪৪
অক্টোপাস বলেছেন: কিন্তু তাদের বেশির ভাগ কর্মকান্ডই জনগণের বিপক্ষে!
৪|
১৩ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৪০
শ।মসীর বলেছেন: ভাল লাগল।
১৩ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৪৩
অক্টোপাস বলেছেন: ধন্যবাদ।
৫|
১৩ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৪৯
মদন বলেছেন: +
১৩ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৫৪
অক্টোপাস বলেছেন: ধন্যবাদ।
৬|
১৩ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৪৯
অজানা আমি বলেছেন: ▒▒▒▒▒▒▒▒▒▒▒▒▒▒▒▒▒▒▒
১৩ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:৪৪
অক্টোপাস বলেছেন: ۞۞۞۞۞۞۞۞
৭|
১৩ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৫২
সব যদি আজ বদলে যেত বলেছেন: অনেক কিছুই জানতাম না।
অনেক ধন্যবাদ।
১৩ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৫৮
অক্টোপাস বলেছেন: বিশ্ব কোথায় এগিয়ে চলেছে আর আমরা কোথায়!
ইন্টারনেট ঘেঁটে একটি তথ্য পেলাম: পাকিস্তান এমএনপি চালু করার আগে (সম্ভবত ২০০৭ সালের প্রথমদিকে) বিশ্বের বিভিন্ন দেশের টেলিকম সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞদের একটি সেমিনার/ওয়ার্কশপে ইনভাইট করেছিলো। সেখানে দেখলাম বাংলাদেশের বিটিআরসি' থেকেও দু'জন কর্মকর্তা গিয়েছিলেন, তাদের নাম ও পদবিও সেখানে দেখতে পেলাম।
তারা বিদেশে ঘুরে দেশের টাকা ধ্বংস করে কিন্তু দেশের উপকারের জন্য সামান্য চিন্তাও করতে পারে না...
৮|
১৩ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৫৪
ইউসুফ আলমগীর বলেছেন:
ভাইরে ফাটাইয়া দিছেন।
ভালো লাগলো।
আমন্ত্রন
http://www.kurigramnews.com
১৩ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:০০
অক্টোপাস বলেছেন: ধন্যবাদ। উদ্যোগ ভালো।
৯|
১৩ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৫৬
ধূসর মানচিত্র বলেছেন: আমাদের দেশে মোবাইল পোর্টাবিলিটির আগে সর্বপ্রথম দরকার হ্যান্ডসেট চুরি থেকানো অথার্ৎ EIR টেকনলজী চালু করা। আর ভাল সার্ভিস আমাদের দেশে অধিকাংশ ইউজার মিস কল দিতে পারলেই খুশি, ভাল কোয়ালিটির কল অথবা ভাল ডাটা সার্ভিস অধিকাংশ ইউজারদের জন্য প্রযোজ্য না।
আর অপারেটররা ভয় পায় কারণ এক-একটা সার্ভিস স্পেশালি এই টাইপ (যেটা সরকার থেকে ইম্পোজ করা হয়) এর ব্যাপারে ভেন্ডররা অনেক চার্জ করে। আমাদের দেশে ইউজার ডেনসিটি বেশি কিন্তু লো-লেভেল ইউজার হওয়ার কারণে অপারেটররা অনেক সময় ইচ্ছে করলে নতুন সার্ভিস দিতে পারে না। খুব সহজ উদাহরণ-ব্ল্যাকবেরি সার্ভিস। আমাদের দেশে যতদূর জানি কেবল ২০০০~৩০০০ জন আছে এবং একমাত্র প্রোভাইডার গ্রামীনফোন, তাও আবার পুরান মডেলের হ্যান্ডসেট দিয়ে।
চমতকার টেকনিক্যাল লেখার জন্য +++।
১৩ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:০৩
অক্টোপাস বলেছেন: ঠিক কথাটাই বলেছেন! আসলে আমাদের দেশের জনগণ ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা প্রকৃত শিক্ষিত না হলে দেশের উন্নয়ন কঠিন!
আপনাকেও ধন্যবাদ।
১০|
১৩ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৫৯
সবার প্রিয় বলেছেন: দারুন একটা বিষয় শেয়ার করেছেন!!!! ধন্যবাদ আপনাকে । অনেক কিছু জানতে পারলাম..................
১৩ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:০৪
অক্টোপাস বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকেও!
১১|
১৩ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:০৯
এস বাসার বলেছেন: ভাল কাজগুলো বরাবরই আমাদের আমলারা দেরীতে করেন, কেননা তাতে তাদের ঘুষের চক্রবৃদ্ধি ভালো হয়।
১৩ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:২২
অক্টোপাস বলেছেন: এই চক্র থেকে দেশ যে কবে বের হতে পারবে!
১২|
১৩ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:১০
র হাসান বলেছেন: দারুন সার্ভিস! আমাদের দেশে চালু করাটা আরো বেশি জরুরী। যে যহন ভালো অফার দিব, তার সার্ভিস ইউজ করুম। একেক দিন একেকটা। কি মজা!
১৩ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:২২
অক্টোপাস বলেছেন: সরকারে যারা আছে তাদের যদি জ্ঞান-বুদ্ধি আর দয়া হয়..
১৩|
১৩ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:৩৭
পাহুন বলেছেন: এই সার্ভিস কি বাংলাদেশ এ চালু হওয়ার সম্ভাবনা আছে?
আমার মনে হয় না পাচ ছয় বছরের আগে এইরকম কিছু আসবে
১৩ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:৪৩
অক্টোপাস বলেছেন: গত বছর বিটিআরসি'র এধরনের প্ল্যানের কথা শুনেছিলাম। এমনকি কয়েকটি পত্রিকাতেও এসেছিল..
১৪|
১৩ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:৫৯
জনৈক আরাফাত বলেছেন: এইটা চালু হইলে গ্রামীণ মহা ধরা খাবে।
নতুন অনেক কিছু জানলাম। ধন্যবাদ।
১৪ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:১৫
অক্টোপাস বলেছেন: গ্রামীণকে ধরা খাওয়ানোর জন্য এই ব্যবস্থা ছাড়া বিকল্প উপায় আছে বলে মনে হয় না। অনেকেই গ্রামীণ ব্যবহার করে শুধু 'নাম্বারটা পুরাতন-পরিচিত' বলে। অনেক গ্রাহক অন্য অপারেটরে সুইচ করার সুযোগ পাবে!
----
ধন্যবাদ।
১৫|
১৪ ই নভেম্বর, ২০০৯ ভোর ৪:১৪
লুকার বলেছেন:
একটা সহজ বিষয় নিয়া এত বড় লেখা!
এই জিনিসটা বোধ হয় আছে, এক সাংবাদিকের দেখছিলাম সব অপারেটরের নাম্বার একই রকম। আমি জিগাইলে কইছিল- আপনে এখনো জানেন না এইটা করা যায়!
১৪ ই নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:০৩
অক্টোপাস বলেছেন: ধারণাটি সহজ ও গুরুত্বপূর্ণ কিন্তু বিষয়টি এত সহজ নয় তাই এত বড় লেখা। এটা নিশ্চিত যে এই সুবিধা বাংলাদেশে চালু হয় নি। আপনি বলেছেন, এক সাংবাদিকের দেখছিলাম সব অপারেটরের নাম্বার একই রকম।
লক্ষ করলে দেখবেন - এখানে একটি নাম্বার থাকার কথাই বলা হয়েছে। এমন বলা হয়নি শুধু সামনের তিন ডিজিট ভিন্ন বাকি ৮টি একই। আর যা বললেন সেটি নাম্বার পোর্টেবিলিটি'র ধারে কাছেও নয়!
ধন্যবাদ।
১৬|
১৪ ই নভেম্বর, ২০০৯ ভোর ৬:৫৭
বিডি আইডল বলেছেন: নম্বর পোর্টেবিলিটি এখানে (নর্থ আমেরিকাতে) খুব সাধারন বিষয়...শুধু তাই না নম্বর পরিবর্তন করা সহ আরো অনেক কিছুই এখানে কোম্পানি গুলো আইনত দিতে বাধ্য থাকে..
১৪ ই নভেম্বর, ২০০৯ সকাল ৭:০৬
অক্টোপাস বলেছেন: ধন্যবাদ। গুরুত্বপূর্ণ একটি তথ্য জানতে পারলাম।
১৭|
১৪ ই নভেম্বর, ২০০৯ সকাল ৭:০০
সীমানা ছাড়িয়ে বলেছেন: আমেরিকার সিস্টেমই হল এরকম। নাম্বার দেখে অপারেটর চেনাই সম্ভব না। নাম্বার দেখে শুধু স্টেট আর এরিয়া বুঝা যায়। অপারেটর পরিবর্তন করলেও তাই নাম্বার পরিবর্তন হয় না।
১৪ ই নভেম্বর, ২০০৯ সকাল ৭:০৭
অক্টোপাস বলেছেন: বাংলাদেশে কবে এমন হবে দেখার বিষয়! ধন্যবাদ।
১৮|
১৪ ই নভেম্বর, ২০০৯ সকাল ৭:০৯
সীমানা ছাড়িয়ে বলেছেন: বাংলাদেশে অপারেটররাই এটা করতে চাবে না। কারন নাম্বার ওদের কাছে একটা বড় বিজ্ঞাপন।
১৪ ই নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:০৫
অক্টোপাস বলেছেন: তাছাড়া গ্রাহক হারানোর ভয় তো আছেই..
১৯|
১৪ ই নভেম্বর, ২০০৯ সকাল ৭:৩৫
সাদাকালোরঙিন বলেছেন: ভাল লেগেছে শেয়ার করাটা। এমএনপি নিয়ে কাজ করেছি কয়েকটি দেশে।
১৪ ই নভেম্বর, ২০০৯ সকাল ৮:১২
অক্টোপাস বলেছেন: তাই নাকি! এ ব্যাপারে আপনার মূল্যবান অভিজ্ঞতা শেয়ার করার অনুরোধ করছি....।
ধন্যবাদ।
২০|
১৫ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১:৪৬
মিশু কুতুবি বলেছেন: ▒▒▒▒▒▒▒▒▒▒▒▒▒▒▒▒▒▒▒▒▒▒▒▒▒▒▒▒▒▒▒▒▒▒▒▒▒▒▒▒▒▒
অসংখ্য ধন্যবাদ। নতুন কিছু শিখলাম।
▒▒▒▒▒▒▒▒▒▒▒▒▒▒▒▒▒▒▒▒▒▒▒▒▒▒▒▒▒▒▒▒▒▒▒▒▒▒▒▒▒▒
২১|
১৫ ই নভেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:৩৭
মো. তারিক মাহমুদ বলেছেন: //////////
২২|
১৫ ই নভেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:৪০
মো. তারিক মাহমুদ বলেছেন: এটা ক.জ.-তে পড়েছিলাম, আপনাকে ধন্যবাদ যে এত বড় লেখা টাইপ করে সবার সাথে শেয়ার করেছেন ... ... আসলে আমাদের জন্য এটা খুব দরকার ... ...
১৫ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:১৮
অক্টোপাস বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে পড়ার জন্য। আর কমপিউটার জগৎকে - এমন বিষয় তুলে ধরার জন্য!
২৩|
১৫ ই নভেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:৫০
হেমায়েতপুরী বলেছেন: কবে যে আমাগোর দেশে আসপে...
১৫ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:০০
অক্টোপাস বলেছেন: যবে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের শুভবুদ্ধির উদয় হবে!
২৪|
১৫ ই নভেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:৫৩
যীশূ বলেছেন: জানলাম।
২৫|
২১ শে নভেম্বর, ২০০৯ সকাল ৭:০৪
দূরন্ত বলেছেন: বৃটেনে নাম্বার এক রেখে অপারেটর চেঞ্জ করতে গেলে আগের অপারেটরের কাছে ফোন করে বলতে হয়। আমি একবার করেছিলাম। যখন ফোন করে বললাম যে, আমি তোমাদের নাম্বারটা অন্য কোম্পানিতে ব্যবহার করতে চাই তখন তারা খুবই দুঃখ করলো (প্রায় কান্নাকাটির অবস্থা)।
২২ শে নভেম্বর, ২০০৯ সকাল ৭:২৮
অক্টোপাস বলেছেন: হা..হা...হা... খুব ফানি!
২৬|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:৩৫
লিবিব বলেছেন: Jossila lekha
২৭|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:৪৩
রিয়াজুল ইস্লাম বলেছেন: Thank You.
০৮ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৮:৪০
অক্টোপাস বলেছেন: ধন্যবাদ।
২৮|
০৮ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ২:৩০
ক্লান্ত ঈগল বলেছেন: ভাল ইনফরমেটিভ
০৮ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৮:৪১
অক্টোপাস বলেছেন: ধন্যবাদ।
২৯|
০৮ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৮:৪৭
নীড় ~ বলেছেন: ভালো পোস্ট
৩০|
০৮ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৮:৫৩
নাঈম বলেছেন: ¥
৩১|
০৮ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৮:৫৮
ইসানুর রহমান বলেছেন: ভালো পোস্ট
৩২|
০৮ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৯:০৩
কাঙাল বলেছেন: ধন্যবাদ। নর্থ আমেরিকায় অপারেটর চিনা যায় না। শুধু স্টেট ও এরিয়ার নাম আসে। এইটা তো খুব ভাল আমাদের জন্য। কারণ কে কুন জায়গা থিকা ফোন করতাছে তা জানতে পারলে ভালাই হইতো
০৮ ই জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৩৩
অক্টোপাস বলেছেন: ঠিক বলেছেন।
ধন্যবাদ।
৩৩|
১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৫৫
আজাদ আল্-আমীন বলেছেন: এরকম একটা ব্যবস্থা থাকলে আমাদের দেশে যেসব কোম্পানী আগে এসেছে যেসব কোম্পানীরা গ্রাহকের উপর ডাকাতি করতে পারতো না । দেশের জনগনের কথা চিন্তা করে সরকার মোবাইল কোম্পানীগুলোকে এমএনপি করতে বাধ্য করতে হবে ।
১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ৭:৪৭
অক্টোপাস বলেছেন: বিদেশি কোম্পানিগুলোর ডাকাতি কর্মকান্ড চালিয়ে যেতে সরকারই বরং পরোক্ষভাবে সহায়তা করে!
৩৪|
০৫ ই এপ্রিল, ২০১০ দুপুর ১:৫২
হামিদ পায়োনিয়ার বলেছেন: আশায় বুক বেধে রাখলাম।
৩৫|
০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ৩:৪৫
রাষ্ট্রপ্রধান বলেছেন: ২০০৯ এর পোষ্ট ২০১১ দেখলাম , কিন্তু মোবাইল নাম্বার পোর্টেবিলিটি দেখলাম না
২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১১ সকাল ১০:৪২
অক্টোপাস বলেছেন:
![]()
৩৬|
২৪ শে মার্চ, ২০১২ দুপুর ১:২৫
mamun_ht বলেছেন: ২০১২ সালেই মোবাইল ফোনের নম্বর পোর্টেবিলিটি চালু করতে যাচ্ছে বিটিআরসি।
২৫ শে মার্চ, ২০১২ রাত ১২:৩৩
অক্টোপাস বলেছেন: দেরি আছে ভাই.. এই খবর অনেক দিন ধরেই শুনছি... আগামী ৩/৪ বছরেও হবে কি-না সন্দেহ । ![]()
©somewhere in net ltd.
১|
১৩ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৩৫
মো. তারিক মাহমুদ বলেছেন: ▒▒▒▒▒▒▒▒▒▒▒▒▒▒▒▒▒▒▒▒▒▒▒▒▒▒▒▒▒▒▒▒▒▒▒▒▒▒▒▒▒▒▒▒▒▒▒▒▒ এটা কীভাবে করলেন ???