| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
অগ্নিবীণা!
অন্যায়ের প্রতিবাদে এক স্ফুলিঙ্গ অগ্নি........
সুখী হতে চাইলে পড়ুন ... ১%
গ্রারান্টি দিতে পারব যে আপনি সুখী
হবেন ... হতাস হবার কারন নাই এই রকম ১০০
টা ১% এর যোগফলই ১০০% হয় ।
সুখ কোনও বস্তু তো নয় যে বাজার থেকে
কিনে আনলেন আর হয়ে গেলো। সুখ একটা
অনুভব, যা নিজের মাঝেই তৈরি হয়। আর
এই অনুভব আপনার মাঝে তখনই তৈরি হবে,
যখন আপনি নিজের অন্তরকে তৈরি
রাখবেন সুখের জন্য। আর নিজেই খুঁজে
নেবেন সুখের এক টুকরো আলো।
সুখকে আমরা যে যার মতো করে
সংজ্ঞায়িত করার চেষ্টা করি। কেউ
ভাবি এটা পেলে সুখী হতাম, কেউ ভাবি
ওটা পেলে সুখ পেতাম। একেকজনের
ভাবনা একেক রকম।
একজন ব্যবসায়ী কী চায়? টাকা। সে
ভাবে যদি এক কোটি টাকার কন্ট্রাক্ট
পেতাম বা টেন্ডারটা যদি মিলে যেত,
তবে আমার মতো সুখী আসলেই কেউ হতো
না। যারা চাকরিজীবি তারা চায় বেতন
বাড়ুক বা প্রমোশন হোক।
একজন গৃহিণীর চাওয়া পাওয়ার হিসেবটা
আবার অন্যরকম। সে চায় শাড়ি গয়না,
নিজের একটা সংসার। কেউ জয়েন্ট
ফ্যামিলিতে থাকলে ভাবতে থাকে,
কবে হবে নিজের একটা ছোট্ট সংসার।
তা না হলে আমার সুখ নাই।
সন্তান চায় স্বাধীনতা। তারা ভাবে আর
কতদিন বাবা মায়ের শাসনে থাকতে
হবে।
অর্থাৎ আমরা যে যার মতো করে শুধু
চেয়েই যাচ্ছি অবিরত। কেউ কেউ সেই
চাওয়াগুলোকে হয়তো পাওয়াতেও
রূপান্তরিত করতে পারছি। কিন্তু তারপর?
তারপর কি হচ্ছে? আমরা কি আসলেই সুখী
হতে পারছি?
সুখ এমন একটি অনুভুতির নাম যা সকলেই
স্বাধ সমেত অনুভব কিংবা উপভোগ করতে
পারেন না। সুখের ভোগ কিংবা অনুভবের
জন্য সবার আগে যেটা দরকার তা হলো
একটি ইন্দ্রীয়। এই মজার ইন্দ্রীয়টি
অনেকেই ব্যবহার করেছেন নানান ধরনের
ড্রাগস আর হাভিজাবিতে। তাই সেই
ইন্দ্রীয় আসলেই সুখ পেয়েছেন কিনা
আমার সেটা জানা নেই। তবে আমি
গ্যারান্টি দিতে পারি, আপনার একটি
সতেজ ইন্দ্রীয় আপনার সুখানুভুতি
ফিরিয়ে দিতে পারে।সেই ইন্দ্রিয়কেই
পরোক্ষভাবে মনকেই বোঝায় …
মন আর মানুষের বোধ ক্ষমতা তার মাঝে
সুখকে পরিচালনা করতে পারে। অনেকের
সহস্র আকাংখ্যা পুর্ন হয় কিন্তু তিনি সুখ
পেয়েছেন বলে স্বীকার করেন না। কারন
তিনি মন দিয়ে সেটা উপলব্ধি না করে
কেবল ভোগ করে গেছেন।
যিনি খাদক তার কাছে স্বাদ বিষয়টি
মুখ্য নয়। যিনি খাদক নন তবে সাধক
তিনিই কেবল স্বাদ বুঝতে পারেন।
বাকীরা পারেন না। তাই সাধক হবার
চেষ্টা করে দেখা যেতে পারে।
এখন একটু অন্য প্রসঙ্গে আসি। ধরে নেই,
সমাজ সংসার ধর্ম বাদ দিয়ে জঙ্গলকে
কেউ বেছে নিল সুখের নিবাস হিসেবে।
যেখানে কোনো দায় নেই। তারপরও কি
কোনো মানুষ হলফ করে বলতে পারবে, সে
১০০% সুখি? তা যদি নাই হয় তবে সুখটা
কোথায়????
আমি নিজেই এতদিন সুখের কোনো সঠিক
সংজ্ঞা পাচ্ছিলাম না। ছোটবেলায়
পছন্দের জামাটা যতক্ষণ না পাচ্ছি দুঃখ
নিয়ে ঘুরে বেড়াতাম। পেলেই মনটা
আনন্দে মেতে উঠতো। আবার পরীক্ষায়
রেজাল্ট ভালো হলেও মনের কোণে
একটা সুখ সুখ ভাব হতো। তখন ভাবতাম এরই
নামই কি তাহলে সুখ?
স্রেফ চাহিদার পূর্ণতা পাওয়া সুখ নয় …
কোন কিছুর চাহিদা অর্থাৎ বিত্ত , অর্থ
এসব একে অন্যকে দিতে পারে কিন্তু সুখ
নয়।
বয়সের সাথে সাথে যখন জীবনের কঠিন
বাস্তবতার মুখামুখি তখন এই সুখের
সংজ্ঞায় অনেক গুলো নিয়ামক যুক্ত হল …
অনেক চিন্তাভাবনা করে সেইগুলো খুজে
বের করলাম … আসলে খুজে বের করলাম
বললে ভুল হবে কারন এইটা সবার জীবনেই
থাকে আমি স্রেফ খেয়াল করে
আপনাদের সামনে উপস্থাপন করলাম …
সুখী হবার গোপন রহস্য সম্পর্কে আগ্রহ আছে
তারা নিচের লেখটা পরুন… না হলে
এখানেই পড়া শেষ করে দিন …
সন্তুষ্ট থাকুন নিজের প্রাপ্যে-
---------------------------
আমাদের সমস্ত অ-সুখের সূত্রপাত হয়
নিজের মাঝে এক রকমের অপূর্ণতা
থেকে। এটা নেই, সেটা নেই, এটা কেন
পেলাম না, ওটা কেন হলো না, কেন আরও
সুন্দর নই, কেন আরও বিত্ত নেই... ইত্যাদি
হাজারো আফসোস দিয়ে পূর্ণ থাকে
আমাদের অন্তর। এত পূর্ণ যে সেখানে
সুখের জন্য আর জায়গাই অবশিষ্ট থাকে
না। কিন্তু কখনও ভেবে দেখেছেন যে
কি আপনার কাছে কি আছে? নিজের যা
আছে, সেটাকেই মন দিয়ে দেখুন। আশ্চর্য
হয়ে লক্ষ্য করবেন যে প্রাপ্তির
লিস্টিটা নেহাত খাটো নয়। অলীক বস্তুর
আশায় সময় নষ্ট না করে নিজের যা আছে
সেটা নিয়েই বেঁচে থাকতে শিখুন।
বাদ দিন অহেতুক দুঃখ বিলাস-
---------------------------------
হ্যাঁ, দুঃখ একটা বিলাসিতাই। এবং তাও
কেবল অলস মানুষদের জন্য। কারণ একজন
কর্মঠ মানুষ নিজের ভাগ্য পরিবর্তনের
জন্য পরিশ্রম করা নিয়েই ব্যস্ত থাকেন,
দুঃখ নিয়ে বিলাস করার সময় তার অন্তত
নেই। এই যে ইন্টারনেটে বসে এই লেখা
পড়ছেন, আপনি বাংলাদেশের সেই ৩০
শতাংশ মানুষদের একজন যারা কিনা
ইন্টারনেট ব্যবহারের সুবিধা পায়।
তাহলে একবার ভেবে দেখুন তো, কত
ভাগ্যবান আপনি!! নিজের দেশের অন্তত
৭০ শতাংশ মানুষের চাইতে আপনি বেশি
সৌভাগ্যশালী। ঠিক মত খেতে পারছেন,
ঘুমাতে পারছেন, মাথার ওপরে ছাদ
আছে... পৃথিবীতে অসংখ্য মানুষের সেই
সুবিধাটুকুনও নেই। সুতরাং ভেবে দেখুন
একবার, কি ভীষণ ভাগ্যবান আপনি। জীবন
থাকলে, কষ্ট থাকবেই। দুঃখ- কষ্ট- ব্যথা
না থাকলে আর জীবন কিসের? কিন্তু
সেগুলো আছে বলেই সারাক্ষণ গোমড়া
মুখে থাকতে হবে বা কপাল চাপড়ে
কাঁদতে বসতে হবে, তার কোনও মানে
নেই। সেটা কেবল বোকা মানুষেরাই
করেন।
যে চলে যাচ্ছে, তাকে যেতে দিন-
----------------------------------
জীবন থাকলে সম্পর্ক থাকবে। আর সম্পর্ক
থাকলে ভাঙ্গা- গড়াও থাকবে। আমাদের
জীবনের সবচাইতে বড় কষ্টের ব্যাপারটা
হচ্ছে প্রিয় মানুষগুলো থেকে বিচ্ছেদ।
কখনও মৃত্যু, কখনও দূরত্ব... বিচ্ছেদের কারণ
যাই হোক না কেন, প্রিয় মানুষের বিরহ
আমাদের আচমকাই শুন্য করে ফেলে।
হয়তো প্রাণপণে চেষ্টা করি তাকে
ঠেকাবার। কিন্তু লাভ হয় কি? একদমই তো
না! আর তাই, যে চলে যাচ্ছে তাকে
যেতে দিন। আটকে রাখার চেষ্টা করে
কোনও লাভ নেই, কেননা মৃত্যু হোক বা
দূরত্ব- কোনটার সাথেই যুদ্ধ করে জিততে
পারবো না আমরা। যে চলে যেতে চায়
তাকে কি ধরে রাখা যায়? ধরে যখন
রাখতেই পারবেন না, তখন কষ্ট আর না
বাড়িয়ে যেতে দিন।
আগামীকালের অপেক্ষা নয়, বাঁচুন
আজকেই-
------------------------------------------
যা হয়ে গেছে, সেটাকে বদলাবার ক্ষমতা
কারো নেই। আর এই কথাটা ভুলে যাবেন
না কখনও যে জীবনের রিওয়াইনড করার
কোনও ব্যবস্থা নেই। চাইলেই জীবনকে
নতুন করে শুরু করা যায় না, কিংবা এক
ঘণ্টা পিছিয়ে নিয়ে অতীতে ফিরে
যাওয়া যায় না। আর তাই আমাদের অবশ্যই
বর্তমানকে মেনে নিতেই হবে, আর
বাঁচতে হবে বর্তমানেই। অনেকেই
আছেন,
আগামীকালের আশায় বেঁচে থাকেন।
আগামীকাল এটা করবো, সেটা হবে
ইত্যাদি হাজারো পরিকল্পনা নিয়ে
তাদের বাস। কেউ কেউ হয়তো নিজেকে
বর্তমানে কষ্ট দিয়ে ভবিষ্যতের জন্য অর্থ
সাশ্রয় করেন। কিন্তু আগামীকাল কি
আসবে? আপনি নিশ্চিত জানেন
আগামীকাল সম্পর্কে? আমরা কেউই কিন্তু
জানিনা ! তাহলে কেন জীবনকে
অপেক্ষা করিয়ে রাখা? জীবনটা
বর্তমানেই, তাই উপভোগ করে নিন সবটুকু।
লোভ করবেন না –
-----------------------
পৃথিবীতে সবাইকে সব কিছু পেতেই হবে,
এমন কোনও কথা আছে? আপনি হয়তো
বিশাল ধনী হতে চান, কিংবা হতে চান
কোনও নায়িকার মতন সুন্দর। নিজেকে
আপনার হয়তো খুব কুৎসিত লাগে, কিংবা
খুব গরীব মনে হয়- তাই না? আচ্ছা, একবার
ভাবুন তো- কি করবেন আপনি বিশাল ধনী
হয়ে, কিংবা খুব সুন্দর হয়ে? এই সমস্ত কিছু
কি মৃত্যুর পর সাথে নিয়ে যেতে
পারবেন? খুব ধনী বা সুন্দর হওয়াটাই
জীবনে বড় নয়, বড় হচ্ছে মানুষ হিশাবে
আপনি কেমন একমাত্র সেটাই। যারা
আপনাকে সত্যি ভালবাসবে, তারা কিন্তু
এই একটা গুণের জন্য ভালবাসবে। আর
যারা ভালবাসবে অর্থ কিংবা
সৌন্দর্যের খাতিরে, তেমন মানুষের
ভালোবাসা না পাওয়াই ভালো।
বাড়িয়ে দিন সহযোগিতার হাত –
----------------------------------
নিজের জন্য তো সবাই বাঁচে। কখনও
অন্যের জন্যও বেঁচে দেখুন। বিশেষ
করে
নিজেকে যখন খুব দুঃখী আর একলা মনে
হবে, তখন। অন্য কারো দিকে বাড়িয়ে
দিন সাহায্যের হাত, অন্য কারো কষ্ট
কমাতে সাহায্য করুন। যদি সফল হন,
দেখবেন যে নিজের মাঝে ১০০ ওয়াটের
সুখের আলো জ্বলে উঠেছে। অন্য কারো
উপকারে আসতে পারছেন আপনি...
দেখবেন এর চাইতে বেশি আত্মতৃপ্তি আর
কিছুতেই নেই। একবার করেই দেখুন না!
আমি আসলেই সুখী ... আমার সুখী মানুষে
পরিণত হওয়ার গোপন টেকনিক
✬✬✬✬✬✬✬✬✬✬✬✬✬✬
✬আমি নিজেকে পুরা চিন্তা শূন্য করে
ফেলি ... মানে জিরো টেনশন ...নিজের
সকল চিন্তার ভার ছেড়ে দিয়েছি
আল্লাহর উপর … নিজেকে … আমি একটা
নীতিতে চলি যা হবে দেখা যাবে …
আমি জানি আল্লাহ সবকিছু ভালোর জন্যই
করবেন …
তাই নিজের জীবনকে চলতে দিয়েছি
বহমান শান্ত নদীর মত …নদী যেমন
পাহড়ের চূড়া থেকে সুবিধা মত নিজের
পথ সৃষ্টি করে আশেপাশের প্রকৃতিকে
সেবা দিয়ে এঁকে-বেঁকে সাগর কূলের
দিকে চলতে থাকে ঠিক তেমনি…
আমি জানি এই বহমান নদীকে যদি বাঁধা
দেই তাহলে সে তার সৌন্দর্য্য ও গতি
দুটোই হারাবে … তাই চলুক এক সময় না এক
সময় সমুদ্রের দেখা পাবেই … !
আমার সুখী হবার আরেকটা কারন আমি
কখনো কারো কাছে কিছু প্রত্যাশা করি
না, সো না পাওয়ার হতাশা নাই ...
আমি কোন কিছু আমার মনে করি না
আমাদের মনে করি ... যদি কোন জিনিস
আমার এইটা মাথায় ডুকে যায় তাহলে
আপনার মাঝে নিশ্চিত লোভ ডুকে যাবে
… আপনি নিজেই শুধু ভোগ করার চিন্তা
করবেন … অন্য কেউ করতে চাইলে তখন
অশান্তি দেখা দিবে … দেখবেন যৌথ
পরিবারে আমার যখন আসবে তখনই
ঝামেলা দেখা যাবে… এর আগ পর্যন্ত
থাকবে সুখ ।
✬ আমি আমার লোভকে কিছুটা নিয়ন্ত্রণ
করতে পেরেছি … মানুষের লোভ থাকটা
স্বাভাবিক একেই নিয়ন্ত্রণ করতে
পারলেই সুখী হবেন …
✬ আমি আমার চাহিদা কমিয়ে নিয়েছি
জাস্ট জীবন চলতে যতটুকু দরকার ঠিক ততটুকু
…। ঠিক ততটুকুর ব্যবস্থা আমি কষ্ট করে
করে ফেলেছি … …!
✬ সর্বশেষ কথা হল আমি অল্পতে সন্তুষ্ট
আল্লাহ আমাকে যা দিয়েছেন তা নিয়েই
আমি সন্তুষ্ট এবং আল্লাহর কাছে শুক্রিয়া
আদায় করছি …
পৃথিবী কায়েম আছে এই বিশ্বাসের
ভিত্তিতেই। জীবনে যত ঝড় ঝাপটাই
আসুক না কেন, আস্থা রাখুন নিজের
আল্লাহর (সৃষ্টিকর্তার ) ওপরে। দেখবেন
নিজের মাঝে খুঁজে পেয়েছেন অন্য
রকম
একটা মুক্তি। ভিন্ন রকম একটা সুখ।
আজ আমি একটা জিনিস বুঝেছি, সেটা
হলো চাওয়ার মাঝে কিন্তু কোনো সুখ
নেই। সুখ আছে দেয়ার মাঝে। তাই আমি
শুধুই দিতেই চাই। মন-প্রাণ উজাড় করে শুধুই
দিতে চাই। ভালবাসা দিতে চাই অসহায়
বঞ্চিতের মাঝে, প্রকৃতির মাঝে
বিলিয়ে দিতে চাই আমার সমস্ত সত্তা।
সৃষ্টির লালনে বিলাতে চাই আমার ছোট
এই জীবন।
আমি ধার্মিক। আমি প্রকৃতি ভালবাসি।
ভালবাসি গাছপালা পশুপাখি। আমি
বিশ্বাস করি আমি এক সফরে আছি। এই
সফর শেষে যেতে হবে আরেক অনন্ত
সফরে। হয়তো সেই জীবনে গিয়ে আমি
আমার সুখের সন্ধান পাবো।
আর এই জীবনে! এই জীবনে আমি অনেক
সুখী। কারণ আমি আল্লাহর তথা স্রষ্টার
কাছে নিজেকে সমর্পিত করেছি।
মানুষের কল্যাণের মাঝেই আমি আমার
সুখকে খুঁজে নিয়েছি।
*************************************************
©somewhere in net ltd.