নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

অসত্যের ধুম্রজাল জালিয়ে দেওয়া এক জলন্ত অগ্নি....!

অগ্নিবীণা!

অন্যায়ের প্রতিবাদে এক স্ফুলিঙ্গ অগ্নি........

অগ্নিবীণা! › বিস্তারিত পোস্টঃ

দুঃখিত বোনেরা তোমাদের জন্য নিরাপদ সমাজ তৈরী করতে পারিনি!!!

১৯ শে এপ্রিল, ২০১৫ রাত ১০:০৬

পহেলা বৈশাখ টি.এস.সি চত্ত্বরে যৌন নিপিড়নের
স্বীকার মা, বোন, কন্যাদের কাছে ক্ষমা চাইছি এবং
এর জন্য দ্বায়ী ব্যাক্তিদের স্বচ্ছ বিচারের
মাধ্যমে কঠোরতম স্বাস্তির জোর দ্বাবি জানাচ্ছি।
দু:খিত বোনেরা ৯০% মুসলমানের দেশে ঢাকা
বিশ্ববিদ্বালয়েরমত উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকেও
তোমাদের জন্য নিরাপদ করতে পারলাম না। অথচ
আমাদের নবী মুহাম্মদ(স.) ইসলামী রাস্ট্রের
ব্যাপারে বলেছিলেন–আরবের এক প্রান্ত
থেকে অন্য প্রান্ত পর্যন্ত একজন সুন্দরী
রমনী দামী গহনায় সজ্জিত হয়ে একাকি ভ্রমন
করবে কিন্তু তার ইজ্জত বা সম্পদের ব্যাপারে
কোন দু:শ্চিন্তা থাকবে না। হ্যা, তিনি ও
তাঁরপরবর্তী খলিফাদের যুগে আরবের
বুকে এমন এক সমাজই প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।

দুঃখজনক হলেও সত্য আজকে আমরা যারা এই
ঘুণেধরা বিবর্ণ সমাজ ভেঙ্গে ঐরকম এক নিরাপদ
সমাজ গড়ার স্বপ্ন দেখী, তোমাদের
অনেকের দৃস্টিতেই আমরা জঙ্গী, মৌলবাদী,
পশ্চাৎপদ, নারী বিদ্বেষী, প্রগতির অন্তরায় এবং
আরো বহু অপবাদে অপদস্থ। কিন্তু বিশ্বাস কর
তোমাদের ইজ্জত সম্ভ্রমের মুল্য আমাদের
কাছে অনেক বেশী বলেই আমরা তোমাদের
নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন হই।

আমরা হাজার টাকার নোট অবহেলায় যত্রতত্র
ফেলে রাখি না। দামী গহনা ও দলিল পত্র স্টিলের
সিন্দুকে তুলে রাখি। আমাদের প্রধানমন্ত্রী বা
রাস্ট্রপতিরমত গুরুত্বপুর্ণ ব্যাক্তিদের সর্বোচ্চ
নিরাপত্তায় আবদ্ধ রাখি। কোন রাস্তার মোড়ে
মাঝে মাঝে ছিনতাই এর ঘটনা ঘটলে সেটা এড়িয়ে
চলি বা সাবধানে যাতায়াত করি। এ’জন্য কেউ আমাদের
নিন্দা করে না। কেউ ভাবে না আমাদের স্বাধীনতা
হরণ করা হচ্ছে, আমাদের বন্দী করা হচ্ছে।
কেউ বলে না ‘আমাকে সাবধান না করে চোর,
ছিনতাইকারী, খুনিদের সাধু হয়ে যেতে বল’।

হ্যাঁ কোন সমাজ ও রাস্ট্র যদি পরিপুর্ণ নিরাপদ হতে
পারে সেখানে হয়ত সতর্কতার প্রয়োজন থাকে
না। যেমন হযরত উমর(রা.) অর্ধ পৃথিবীর খলিফা
হয়েও গাছ তলায় নিশ্চিন্তে ঘুমাতে পারতেন। কিন্তু
আমাদের সমাজ কি তেমন হয়েছে? হয় নি। এখানে
লিটন নন্দীরমত সাহসী পুরুষ যেমন আছে
তেমনি সেঞ্চুরিয়ান মানিকও আছে। আছে চোর,
ডাকাত, ছিনতাইকারী, যৌননিপিড়কসহ আরো বহু
কুলাঙ্গার, নরপশু।


তাই ধর্ম ও সমাজের দৃস্টিতে সামাজিক বন্ধনের
ভিত্তি পরিবার ও আগামী প্রজন্ম গড়ে তোলার মুল
কারিগর হিসেবে অধিকতর সম্মানিত, অধিকতর
গুরুত্বপর্ণ নারীদেরকে একটু সাবধানে চলতে
বলাকে যারা ভিন্ন দৃস্টিতে দেখে, বিপদের সমুহ
সম্ভাবনা জেনেও যারা তোমাদের প্রদর্শনীর
বস্তুর মত সেজেগুজে ঐসব অরক্ষিত এলাকায়
যেতে উৎসাহিত করে, তাদের কাছে তোমাদের
ইজ্জত সম্ভ্রমের মুল্য যে হাজার টাকার নোটের
চেয়েও কম সেটা বোঝার সময় কি এখনও হয় নি??


তাই এসো আমরা সবাই মিলে সেই সোনালী সমাজ
প্রতিষ্ঠার পথে অগ্রসর হই, তীব্র প্রতিরোধ
গড়ে তুলি সমাজ ধ্বংসকারী যৌননিপিড়ক নরপশু ও
তাদের রক্ষকদের বিরুদ্ধে।

ইতিঃ- তোমাদের এক হতভাগা ভাই।

মন্তব্য ০ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (০) মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.