| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
অগ্নিবীণা!
অন্যায়ের প্রতিবাদে এক স্ফুলিঙ্গ অগ্নি........
আগামী শুক্রবার হেফাজতের
বিক্ষোভের ডাক !
প্রশ্ন কার বিরুদ্ধে?
কার কাছে?
.
এক শয়তানের বিচারের জন্য আরেক
শয়তানের কাছে বিচার প্রার্থনা
নয় কি?
.
আক্ষেপ আজকের আলেম সমাজ ধর্মীয়
পড়ালেখা শেষ করে বের হন শুধু
মাত্র একটি মসজিদ মাদ্রাসায়
চাকরির জন্য, সমাজ প্রতিষ্ঠার জন্য
নয়!
.
অবৈধ ক্ষমতা দখলদারদের বিরুদ্ধে
যদি আগে থেকে রুখে দাঁড়াতে
জানতেন, তাহলে আজ এই পরিনতির
জন্য অপেক্ষা করতে হতো না।
.
গণতন্ত্র হারাম, রাজনীতি হারাম,
মওদুদীবাদ এইবাদ সেইবাদ করে ৯০%
মুসলমানের দেশে আলেমদের কর্তৃত্ব
হারানোর জন্য একমাত্র তারা
নিজেরাই দায়ী।
.
মানুষ না খেয়ে মরে আলেম
সমাজের কোন বিবৃতি নাই,
শুধু ধর্মের ব্যাপারে কিছু হলে কিছু
আলেমকে কথা বলতে শুনা যায়।
কেন, ধর্ম কি সমাজ প্রতিষ্ঠার জন্য
নয়?
.
আজ যদি রাষ্ট্রীয় প্রতিটি
অনাচারের জবাবে আলেম
ওলামারা মাঠে থাকতো এই
ধরনের অবস্থায় অবৈধ সরকার
উৎখাতের ডাক তারাই দিতো।
.
আক্ষেপ আগে থেকে যারা মাঠে
ছিলো,তাদেরকে সমর্থন না দিয়ে
উল্টো এরা তাদের কঠোর
সমালোচনা করেছিল।
.
তাই আসুন রাষ্ট্রীয় অনাচারের
প্রতিটি প্রদক্ষেপেই আলেম ওলামার
ভূমিকা চাই।
.
কারণ এক শয়তানের বিচারের জন্য
আরেক শয়তারে কাছে এভাবে আর কত
দিন?
.
চাই আলেম ওলামাদের অগ্রনী
ভুমিকায় অবৈধ মোনাফিক সরকার
পতনের ডাক!
০২ রা জুলাই, ২০১৫ রাত ১০:১৪
অগ্নিবীণা! বলেছেন: আল্লাহ ভালো জানে!
২|
০১ লা জুলাই, ২০১৫ বিকাল ৪:২১
বুকা ছেলে বলেছেন: নিশ্চই জীবন বিধান হিসাবে আল্লাহর কাছে ইসলামই একমাত্র ব্যবস্থা। (সুরা আল ইমরানঃ১৯)
০২ রা জুলাই, ২০১৫ রাত ১০:১৪
অগ্নিবীণা! বলেছেন: আলহামদুলিল্লাহ!
৩|
০১ লা জুলাই, ২০১৫ বিকাল ৪:৫৬
টিএম.নীরব বলেছেন: রাসূল ( সঃ ) বলেছেন, তোমাদের মাজে যারা দুর্বল তাদের কে সাহাজ্য করো, এখন ভাবার বিষয় কি দিয়ে সাহাজ্য করবো
আসুন বাকী লেখাটা পড়ি তাহলেই বুজতে পারবো
সিআইএর তালিকা ও মুসলিম হত্যা
সিআইএ মুসলমানদের তালিকা বানিয়েছে, যাদের হত্যা করা হবে। পাশ্চাত্য জগৎ বিনাবিচারে আটকে রাখার নিন্দা জানিয়ে থাকে। এখন আমরা দেখছি, পাশ্চাত্যে বিনাবিচারেই মুসলমানদের মৃত্যুদণ্ড দেয়া হচ্ছে। যাদের এ দণ্ড প্রদান করা হয়, তাদের কিন্তু তা জানানো হয় না। এমনকি তাদের গ্রেফতার করার চেষ্টাও দেখা যায় না। এসব মুসলমানকে খতম করার জন্য শুধু ড্রোন পাঠিয়ে দেয়াই যথেষ্ট মনে করা হয়।
ওসামা বিন লাদেনের ক্ষেত্রে ঘাতক বাহিনীকে পাকিস্তানে নামিয়ে দেয়া হয়েছিল সে দেশের সরকারকে না জানিয়েই। ওসামার লাশ সাগরে ছুড়ে ফেলা হলো, যা বর্বরদের কাজ ছাড়া কিছু নয়।
যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন এবং পাশ্চাত্যের অন্যান্য দেশ তাদের হাতে নিহত মুসলমানদের জন্য কোনো দুঃখ বা সহানুভূতি প্রকাশ করেনি। হাজার হাজার মুসলিম নর-নারী, শিশু, বৃদ্ধ ও রোগী নিহত হয়েছেন, হচ্ছেন। কিন্তু পাশ্চাত্যের এ জন্য সামান্য উদ্বেগ বা দুঃখ নেই।
যা হোক, আইএস যা-ই দাবি করুক, আমি মনে করি মার্কিন সাংবাদিকের শিরñেদ করা ইসলাম সমর্থিত কাজ নয়। এমন আচরণ মুসলমানদের জন্য লজ্জাকর। কারণ এটা ইসলামের শিক্ষার পরিপন্থী। কিন্তু কোনো মুসলিম তরুণ যদি একই ধর্মাবলম্বী ভাই-বোনদের ওপর নির্যাতনের প্রতিশোধ নিতে গিয়ে বিভ্রান্ত হয়ে নৃশংস অপরাধে জড়িয়ে পড়ে, তাকে কি দোষ দেয়া যায়?
কোনো মুসলমানকে ইসলাম জঘন্য কাজ করতে প্ররোচিত করে না। এমন কিছু ঘটানোর কারণ, ক্রোধ ও ঘৃণা। ইউরোপসহ পাশ্চাত্যকে জনগণের ওপর নির্যাতন থেকে বিরত রাখতে ব্যর্থ হয়ে এমন কর্মকাণ্ডে মেতে উঠছে। অপর দিকে, ইউরোপের বেশির ভাগ লোক ধর্মকর্ম করা খ্রিষ্টান না হলেও একই রকম প্রতিক্রিয়া দেখায়, যখন তারাও মুসলমানদের মতো হুমকির সম্মুখীন হয়।
ইউরোপিয়ানদের অতীতের দিকে তাকিয়ে দেখুন। বিশেষ করে, তারা ইসরাইলের জন্ম দেয়ার পর আমরা কী দেখেছি? স্বীকার করবে না ঠিকই, তবে বাস্তবতা হলো তারা ইসলাম ও মুসলমানদের বিরুদ্ধে ক্রুসেড চালিয়ে যাচ্ছে।
এটা সালাহুদ্দীনবিহীন ক্রুসেড
এটাকে সন্ত্রাসবিরোধী যুদ্ধ বলুন আর সভ্যতার সঙ্ঘাত বলুন; প্রকৃতপক্ষে এটা হচ্ছে বিগত শতাব্দীগুলোর ক্রুসেডের ধারাবাহিকতা।
আধুনিক যুগের এ ক্রুসেডের বিরুদ্ধে মুসলমানদের নেই কোনো জবাব। নেতৃত্ব দেয়ার জন্য তাদের নেই একজন সালাদিন (সালাহুদ্দীন আইউবী)। কয়েক শ’ বছর ধরে তারা নিজেদের দুর্বল হয়ে পড়ার সুযোগ দিয়েছে। তারা আল কুরআনে বর্ণিত, আল্লাহ তায়ালার নির্দেশ পালনে অবহেলা দেখিয়েছে। কুরআনের শিক্ষা হলো, উম্মাহ ও ইসলামকে রক্ষার জন্য তাদের প্রস্তুত থাকতে হবে অবশ্যই।
মুসলমানদের ধর্মীয় শিক্ষাদাতারা তাদের বলেন আল্লাহর কাছে সাহায্য প্রার্থনা করতে। কিন্তু এটা জানাতে অবহেলা দেখান যে, আল কুরআনে আল্লাহ নির্দেশ দিয়েছেন মুসলিমরা প্রথমে নিজেদের সাহায্য করার জন্য। তা হলে আল্লাহ তাদের মুনাজাত কবুল করবেন। মুসলমানেরা যে, এ নির্দেশ বাস্তবায়ন করেনি, তা সুস্পষ্ট। এমনকি অনেকের বিশ্বাস পাশ্চাত্যের হাতে নির্যাতিত হওয়া তাদের পূর্বনির্ধারিত নিয়তি।
আজ কোনো মুসলিম দেশের সরকারই ইউরোপ, তথা পশ্চিমাদের চ্যালেঞ্জ করার সাহস রাখে না। আসলে অনেকের বিশ্বাস, ‘ইউরোপিয়ানরা উন্নত প্রজাতির মানুষ। তাই তারা অন্যদের ‘দেখাশোনা’ করা উচিত। একই কারণে তাদের আগ্রাসন-অত্যাচারের বিরুদ্ধে আত্মরক্ষার প্রয়াস বৃথা।’
মুসলিম দেশগুলোর সরকারের কাছ থেকে কোনো সাহায্যের আশা না রেখে ক্রুদ্ধ ও হতাশ অনেক মুসলমান প্রতিশোধ নিতে নিজেরাই উদ্যোগী হয়েছে। এই লক্ষ্যে ওরা ইসলামের ব্যাখ্যা দেয় নিজেদের মতো করে, যাতে তরুণেরা জীবন বিলিয়ে দিতে রাজি থাকে।
সব মুসলিম বিশ্বাস করেন, ইসলাম ও মুসলমানদের রক্ষা করতে গিয়ে মারা গেলে শহীদের মর্যাদা এবং বেহেশতে স্থান পাবেন। মুসলমানেরা অবিচার-অত্যাচারের শিকার। তাই তরুণদের এটা বোঝানো তেমন কঠিন নয় যে, পাশ্চাত্যের বিরুদ্ধে লড়াই মানে ‘পবিত্র যুদ্ধ।’
কিন্তু এ যুদ্ধে জয়ী হওয়া সহজ নয়। সন্ত্রাস চালিয়ে প্রতিশোধের চেষ্টা করা সে তুলনায় অনেক সহজ। তাই কথিত জিহাদিরা শিরোচ্ছেদ করা এবং তার ছবি দুনিয়াকে দেখানোর মতো বর্বরতা প্রদর্শনেও রাজি।
শিরোচ্ছেদ করা ইসলামপরিপন্থী
আবারো বলব, শিরোচ্ছেদের এই কাজ ইসলাম অনুমোদন করে না। আটক শিয়াকে সুন্নিরা অথবা সুন্নিদের শিয়ারা গণহত্যার শিকারে পরিণত করাও ইসলামবিরোধী। মুসলমানদের এই দুই অংশ সর্বদাই পরস্পর লড়াই করে এসেছে। এটা ঘটেছে এ বিশ্বাস থেকে যে, অপর পক্ষ মুসলমান নয়। কিন্তু আজ যা ঘটছে, তা রক্তপিপাসা।
ইহুদিবাদের বিরুদ্ধে লড়াই শুরু হওয়া এবং ইসরাইল রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠার পর এটা বেড়েছে। ইহুদি এবং তাদের ‘নাম-কা-ওয়াস্তে’ খ্রিষ্টান মদদগারদের হারাতে মুসলমানেরা অক্ষম। এখন তারা নিজেদের মধ্যে সঙ্ঘাতে লিপ্ত। এ অবস্থায় যখন পাশ্চাত্যের বিধর্মী কাউকে ধরা হচ্ছে, তার ওপর সব ক্ষোভ ও ঘৃণা গিয়ে পড়ছে।
ইসরাইল নামের রাষ্ট্র যতদিন থাকবে এবং ফিলিস্তিনি জনগণের স্বদেশভূমি অর্জনের অধিকার প্রতিষ্ঠিত হবে না যতদিন, সে পর্যন্ত কমবেশি এমন পরিস্থিতি থাকবে। দশকের পর দশক; এমনকি কয়েক শতাব্দী ধরেও।
ফিলিস্তিন জবরদখল করে ইসরাইল প্রতিষ্ঠা মুসলমানদের মধ্যে সহিংস প্রতিক্রিয়ার জন্ম দিয়েছে। আর ফিলিস্তিনিদের সংগ্রামের জবাব ইহুদিরা দিচ্ছে আরো বেশি সহিংসতার মধ্য দিয়ে। এ অবস্থায় অন্যান্য অঞ্চলের মুসলমানেরাও ফিলিস্তিনের মুক্তিসংগ্রামে অংশ নিতে উদ্বুদ্ধ হচ্ছে। কিন্তু যুদ্ধ ঘোষণা সম্ভব নয় বলে সন্ত্রাসের দিকে ঝোঁক দেখা যায়। অপর দিকে ইসরাইলের রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস বেড়েছে।
প্রত্যক্ষ কিংবা পরোক্ষ পন্থায় ইসরাইলি রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসবাদের পৃষ্ঠপোষক ইউরোপসহ পাশ্চাত্য। এটা অব্যাহত রয়েছে। এখন এর সমাধানের উপায় কী? মুসলমানদের বিশেষত ফিলিস্তিনিদের আরো দমিয়ে রাখা এবং তাদের ওপর নির্যাতন বৃদ্ধি করা যে সঙ্কট নিরসন করবে না, তা নিশ্চিত। সমাধানের পথ হলো, ফিলিস্তিনি জনগণের জন্য ন্যায়নীতি ও সুবিচার কায়েম করা।
©somewhere in net ltd.
১|
০১ লা জুলাই, ২০১৫ বিকাল ৪:০০
নুর ইসলাম রফিক বলেছেন: এক শয়তানের বিচারের জন্য আরেক
শয়তানের কাছে বিচার প্রার্থনা
নয় কি
এক শয়তানের বিচারের জন্য
আরেক শয়তারে কাছে এভাবে আর কত
দিন?