নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

অসত্যের ধুম্রজাল জালিয়ে দেওয়া এক জলন্ত অগ্নি....!

অগ্নিবীণা!

অন্যায়ের প্রতিবাদে এক স্ফুলিঙ্গ অগ্নি........

অগ্নিবীণা! › বিস্তারিত পোস্টঃ

একটি মেয়ে ধর্ষিত হবার পর মেডিকেল টেস্টের নামে তাকে নোংরা ভাবে আবার ধর্ষন করা হয়। সে চিত্রটা যে কত ভয়াবহ হতে পারে এব কি শাস্তি হতে পারে?

০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৫ সকাল ১১:০৮

পত্রিকায় এসেছে, সম্প্রতি সবুজবাগ থানার সহকারী
পুলিশ পরিদর্শক বিকাশ কুমার ঘোষ আদালতের
নির্দেশে বয়স নির্ধারণের জন্য একটি
মেয়েকে
ফরেনসিক বিভাগে আনেন।

খোলা বারান্দায় টেবিলের উপর পুরুষ ওয়ার্ডবয়
মেয়েটির কাপড় খুলতে
শুরু করলেই চিৎকার করে জ্ঞান হারিয়ে ফেলে
মেয়েটি।

জ্ঞান ফেরার পর আর বয়স নির্ধারণে রাজী হননি
তিনি।

নাহ, পুলিশের দোষ নাই এখানে।
সে হুকুম এবং আবহমান কাল ধরে চলা নিয়ম ই
প্রয়োগ করেছে মেয়েটির উপর।

যা সারাদেশে ধর্ষণ, খুন, দুর্ঘটনার মামলা, বা বয়স
নির্ধারণের জন্য এই পদ্ধতিতে চেকআপ করা হয়
ভিক্টিমের।

এখানে ধর্ষিতা নারীকে দ্বিতীয়বার খোলা
পরিবেশে জনসমক্ষে ধর্ষণ করাচ্ছে রাষ্ট্র।

অবশ্যই, রাষ্ট্রইই করাচ্ছে।
অবাক করা ব্যাপার হলো, দেশের কোন
হাসপাতালেই নারীর শারীরিক চিকিৎসার জন্য পৃথক
কোন কক্ষ নাই।

চিকিৎসকের বসার কক্ষে পুরুষ চিকিৎসক পুরুষ
ওয়ার্ডবয়ের সহযোগিতায় সেই টেবিলের উপর
ধর্ষিত নারীকে রেখে তার পরিধেয় কাপড় খুলে
শারীরিক
পরীক্ষা করেন।

ধিক্কার রাষ্ট্রকে।

রাষ্ট্রের কর্তাব্যক্তিদের কন্যারা যদি ধর্ষণের
শিকার হোন, তবে কি তারা তাদের
কন্যাদের এভাবে পুরুষ চিকিৎসক এবং পুরুষ পুলিশের
হাতে সমর্পণ করবেন দ্বিতীয়বার রাষ্ট্রীয়
লেহনের জন্য???

আমার তো মনে হয় বিচার পাওয়ার আশায় দ্বিতীয়বার
এই স্বঘোষিত রাষ্ট্রীয় ধর্ষণের চেয়ে ফের
গোপণে প্রথম ধর্ষকের সাথে মিলিত হওয়া
ভালো! সেখানে তাও একজনের সাথে লজ্জার
ব্যাপার থাকে!

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, একটা ধর্ষিতা কতটুকু
ক্লিয়ার করে তথ্য দিতে পারবে একটা পুরুষ
তদন্তকারীকে? নাকি রাষ্ট্র ভাবছে ধর্ষিতা প্রথম
ধর্ষণের
সাথে সাথে লজ্জা শরম ওয়ারড্রবে রেখে
আসে তালা চাবি আটকে!
এজন্যই কিছুদিন আগে প্রধান বিচারপতি বলেছেন
দেশের ৯৯% ধর্ষণের মেডিক্যাল রিপোর্ট
ভুলে ভরা।

এটাও রিপোর্টকে প্রভাবিত করার একটা কারণ।
ধর্ষিতা হয়তো লজ্জায় সঠিক বর্ণনা দেয় না। ফলে
রিপোর্ট ও ঠিক আসেনা।
রাষ্ট্রের কি অধিকার আছে একজন নারীর
শ্লীলতাহানি করার? যেখানে সে
নারীর শ্লীলতা রক্ষায় ব্যর্থ পুরোপুরি?.
বহু ক্ষেত্রে ধর্ষণের অভিযোগ লিপিবদ্ধ
করতে গিয়ে থানার তদন্তকারী কর্মকর্তার
অশ্লীল প্রশ্নবাণে পড়েন নারী। সেই পীড়ন
কে কি আমরা যৌন নিপীড়ন বলবো

না?

আশ্চর্য হচ্ছি, এরকম একটা নোংরা অনৈসলামিক
সিস্টেম জেনেও আমাদের সুশীল শিক্ষিত সমাজ
নীরব!.

কখনো এই পদ্ধতি বদলে নারীর শ্লীলতা রক্ষার
দাবী জানানো হয়নি।
কোথায় নারী নেত্রীরা? যারা নারীর অধিকার
নিয়ে লাফায়। ইসলামকে নারীর স্বাধীনতার একমাত্র
বাধা ভাবে।

পুলিশ মানেই সবাই খারাপ তা নয়।
লাখে দুইজন চরিত্রবান অফিসার থাকতেই পারেন।

তো, এইরকম তদন্তের জন্য সেকি বিব্রত হচ্ছে
না, তার কি গোনাহ হচ্ছে না? এই অফিসারের গোনাহ্
এর পুরো দায়দায়িত্ব রাষ্ট্রের। রাষ্ট্র তাকে বাধ্য
করেছে
এটা করতে।

রাষ্ট্রের কাছে নিবেদন, নারীর নিরাপত্তা দিতে
ব্যর্থ হলেও এভাবে পুরুষ চিকিৎসক, তদন্তকারী
দিয়ে নারীকে উন্মুক্ত ময়দানে ধর্ষণ করাবেন
না।

শীঘ্রই, এসমস্ত মামলার তদন্তের জন্য নারী
চিকিৎসক এবং তদন্তকারী নিযুক্ত করুন।

মন্তব্য ১৯ টি রেটিং +৮/-০

মন্তব্য (১৯) মন্তব্য লিখুন

১| ০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৫ সকাল ১১:২০

রোষানল বলেছেন: কি আর কইতাম । অভিশাপ দেয়া ছাড়া আর কি করতে পারি।

১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৫ রাত ৯:৪৫

অগ্নিবীণা! বলেছেন: হ্যাঁ, সেটাই করেন!

২| ০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৫ দুপুর ১২:০৫

কিবরিয়া জাহিদ মামুন বলেছেন: ১৮২০ সালের আইন দিয়া দেশ চল্লে এ ছাড়া আর কি আশা করা যায় ।

১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৫ রাত ৯:৪৪

অগ্নিবীণা! বলেছেন: আজ্ঞে, ঠিক বলেছেন! ধন্যবাদ!!!

৩| ০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৫ দুপুর ১২:২২

মানবী বলেছেন: রুগী নারী হোক অথবা পুরুষ, শারিরিক পরীক্ষা করার সময় তাঁর প্রাইভেসী নিশ্চিত করা চিকিৎসকের প্রধান দায়িত্ব। এখানে ধর্ষিতার সাথে যে আচরন হয়েছে তা অত্যন্ত গর্হিত অপরাধ! রুগীদের ভীড়ে ভরা হাসপাতালে কক্ষে স্থান সংকুলান নাহলে বারান্দায় স্ক্রীন দিয়ে রুগি/রুগীনির পরীক্ষা করা হয়। শুধু তাই নয়, মহিলা রুগী কে পুরুষ চিকিৎসক পরীক্ষা করার সময় অবশ্যই সেখানে রুগীর কোন নারী এটেন্ডেন্ট বা মহিলা নার্স উপস্থিত থাকবে। এখানে যা ঘটেছে তা অন্যায় এবং এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া জরুরী।

আরো অবাক হলাম আমাদের দেশে ধর্ষিতাদের সাথে এমন আচরনের কথা জেনে!
বর্তমান বিশ্বে ধর্ষনের রাজধানী নামে যে রাষ্ট্র পরিচিত হয়েছে তা আমাদের প্রতিবেশী ভারত। আর এই ভারতে যখন তাদের ধর্ষন হ্রাস বা ধর্ষিতার সাথে হসপিটাল ও পুলিশের সেন্সিটিভ আচরন ও তাঁদের সন্মান ও সুবিধা বিবেচনার প্রসঙ্গ আসে তখন অনেক ক্ষেত্রে আদর্শ হিসেবে বাংলাদেশের উদাহরন টানতে দেখেছি! তাই এধরনের হীন আচরন ও নোংরামীর বিচার অত্যন্ত জরুরী।

পোস্টের জন্য ধন্যবাদ অগ্নিবীনা।

১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৫ রাত ৯:৪৬

অগ্নিবীণা! বলেছেন: আপনাকেও অনেক ধন্যবাদ গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্যটি করার জন্য!

৪| ০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৫ দুপুর ১:০৩

মাঘের নীল আকাশ বলেছেন: নোংরা একটি জাতির নোংরা মানসিকতার বহিঃপ্রকাশ!

১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৫ রাত ৯:৪৭

অগ্নিবীণা! বলেছেন: জ্বী,ঠিক বলেছেন!

৫| ০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৫ সন্ধ্যা ৭:০৫

সুমন কর বলেছেন: শীঘ্রই, এসমস্ত মামলার তদন্তের জন্য নারী
চিকিৎসক এবং তদন্তকারী নিযুক্ত করুন।

১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৫ রাত ৯:৪৮

অগ্নিবীণা! বলেছেন: সঠিক পরামর্শ, যদি উনারা কান দেন,তবেই কল্যাণ কর! ধন্যবাদ!

৬| ০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৫ রাত ৯:৩৬

প্রামানিক বলেছেন: লজ্জাই বটে।

৭| ০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৫ রাত ৯:৪৫

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: রাষ্ট্রের কাছে নিবেদন, নারীর নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হলেও এভাবে পুরুষ চিকিৎসক, তদন্তকারী দিয়ে নারীকে উন্মুক্ত ময়দানে ধর্ষণ করাবেন না।

শীঘ্রই, এসমস্ত মামলার তদন্তের জন্য নারী চিকিৎসক এবং তদন্তকারী নিযুক্ত করুন।

++++++++++++++++++++++++

৮| ০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৫ রাত ১১:১৮

আহমেদ জী এস বলেছেন: অগ্নিবীণা! ,



সহব্লগার মানবী ঠিক বলেছেন । চিকিৎসকদের রোগী দেখার বিষয়ে এরকমই ইথিকস আছে পরিষ্কার ভাবে । তবে বোঝেনই তো, যে পুলিশেরা ভিকটিমকে নিয়ে আসে চিকিৎসকের কাছে তাদের লেখাপড়ার দৌড় কতটুকু ! তাদের ধারনা এই রকমের ভিকটিমরাও সাধারন চোর-ছ্যাচোর টাইপের । তারা এসেই হয়তো এমন একটা মারমার কাট কাট ভাব করেন যে চিকিৎসকদের ঝটপট পরীক্ষা করা ছাড়া গত্যন্তর থাকেনা । চিকিৎসকদের যে কোনও দোষ নেই তা বলছিনে । তারাও সমান নয় বরং বেশিই দোষী । তারাই পারতেন পরীক্ষার এই সনাতনী বর্বরতা ও নোংরামী থেকে একজন ভিকটিমের সম্মান বাঁচাতে । এটা একটা 'বোধ" এর ব্যাপার । এই বোধটাই আজকাল মানুষের নেই ।

সুন্দর একটি প্রসঙ্গের অবতারনা করেছেন । যাদের ভাবার কথা তারা ভেবে দেখবেন এর মানবিক ও সম্মানজনক পথটির ।

৯| ০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৫ সকাল ৯:২৫

সত্যের নকিব বলেছেন: শীঘ্রই, এসমস্ত মামলার তদন্তের জন্য নারী চিকিৎসক এবং তদন্তকারী নিযুক্ত করুন।

১০| ০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৫ সকাল ১০:৩৪

Enigmatic jihad বলেছেন: কিছু বলার ভাষা খুঁজে পাচ্ছি না।
আমি নিজেই লজ্জা বোধ করছি।১৯৭১ এর মা-বোনদের প্রাণ ও ইজ্জতহরণ এদেশে হয়ত কথিত স্বাধীনতা এনে দিয়েছে,কিন্তু তাদের প্রতি প্রকৃত শ্রদ্ধাশীলতা এখনও এনে দিতে পারে নি।।।

১১| ০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৫ বিকাল ৩:১১

সাইবার অভিযত্রী বলেছেন: এখানে ধর্ষিতা নারীকে দ্বিতীয়বার খোলা
পরিবেশে জনসমক্ষে ধর্ষণ করাচ্ছে রাষ্ট্র।

১২| ০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৫ বিকাল ৩:৩২

মুহাম্মদ জহিরুল ইসলাম বলেছেন: দুঃখজনক, লজ্জাস্কর, এ ধরণের পরীক্ষার জন্য মহিলা চিকিৎসক নিয়োগের দাবী জানাচ্ছি।

১৩| ০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৫ বিকাল ৩:৩৩

কর্ণেল সামুরাই বলেছেন: ওয়ার্ড বয়ের যে কথা বললেন সেটা কি হুদাই বললেন নাকি কোন রেফারেন্স আছে? হুদাই যে বলছেন তা বুঝলাম কারণ ফরেনসিক এক্সামিনেশন কোন হাসপাতালের ওয়ার্ডে হয়না, এটা করা হয় ফরেনসিক ডিপার্টমেন্টে এবং ’ওয়ার্ডবয়’ বলতে কিছু ফরেনসিক ডিপার্টমেন্টে থাকেনা। ওয়ার্ডবয় থাকে ওয়ার্ডে মানে হাসপাতালে।

ফরেনসিক এক্সামিনেশন হয় কেবল সরকারী মেডিকেল কলেজগুলোতে, মেডিকেল কলেজ নট হাসপাতাল। এটা করবার জন্য যদি কোন পুরুষ ফরেনসিক এক্সপার্ট করেন তবে একজন ফিমেল অ্যাটেনডেন্ট থাকেন। যা জীবনে দেখেননাই সেটা নিয়ে হুদাই না চিল্লাইলে হয়না? প্রয়োজনে আশেপাশের কোন মেডিকেলে গিয়ে কিভাবে রেপ ভিক্টিম এক্সমিনেশন হয় সেইটা আগে জানেন তারপর পোষ্ট দেন।

আর ডাক্তার ইজ ডাক্তার। হিউম্যান বডি ডাক্তারদের কাজে জাস্ট একটা কলকব্জা। যারা ফরেনসিক এক্সামিনেশন করেন তাদের কথা তো আরো আলাদা। যে সুরসরি বা ‍কুরকুরি মার্কা মনোভাবনিয়ে আপনি আপনি পোষ্ট দিতে বসছেন সেইটা বোধহয় থার্ড ফোর্থ ইয়ারের কোন মেডিকেল স্টুডেন্টরও থাকেনা ফরেনসিক প্রফেসরদের কথা বাদই দিলাম। গাইনী ডাক্তারদের ব্যাপারে আপনার মনোভাব কি? এরা যে আঙ্গুল এবং প্রয়োজনে হাত ঢুকিয়ে এক্সামিনেশন করে সেইটা নিয়ে কোন বক্তব্য নাই??

অবশ্য থার্ড ওয়ালড এর মানুষজনের কাছে থার্ড ক্লাস বক্তব্যই আা করা যায়। শিক্ষা মানুষের মনোভাবকে পরিবর্তন করে, শিক্ষার বড় অভাব আমাদের।

১৪| ০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৫ বিকাল ৪:১২

হারুনরশিদ বলেছেন: আমরা অনেকটা শুনে শুনে পন্ডিত হই। এমন কোন তথ্য প্রকাশ করা উচিত হবে না, যা উপকারের চেয়ে সমাজে বেশী ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে। তবে ধর্ষিতার মেডিক্যাল পরীক্ষাটা যেন ভালভাবে করা হয় সে ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট সকলকেই সজাগ থাকার অনুরোধ করবো।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.